ইউজার লগইন
ব্লগ
ইট পাটকেল
আমার ছোটবেলার বন্ধু রাজশাহীর কাজলার পিন্টু পেশায় রিকশাচালক। আমি যখন রাখাল বালক তখন পিন্টু আমার নিত্যসঙ্গী। একসংগে গরু চরানো, বাঁশি বাজানো, পার্কের কদম গাছ থেকে কদম ফুল পাড়া আরো কত না মজার স্মৃতি। যেদিন ওর কাছ থেকে শিস দিয়ে সিনেমার গান গাওয়া রপ্ত করলাম বাবা মার টনক নড়ল... আমি মাদ্রাসা ঘুরে গেলাম স্কুলে আর পিন্টু জীবিকার তাগিদে পা রাখল রিকশার প্যাডেলে। তারপর পেরিয়ে গেল কত বছর... কঠোর জীবন সংগ্রাম তার, কিন্তু... মুখে আমলিন সেই ছোটবেলার নিষ্পাপ হাসি। দেখা হলেই একগাল হেসে জিজ্ঞেস করবে
কেমুন আছেন ইমুন ভাই?
কতদিন বলেছি আরে আমরা তো ছোটবেলার বন্ধু, আপনি বল কেন? এ কথায় দারুন লজ্জিত সে। বলে
কী যে বুলেন? আপনে এখন কত থ বড় ষাঁড়!!! (যথার্থ)
পরীদের শহর থেকে... (১)
শহরটার পুরো নাম এতটাই বড় যে গিনেস রেকর্ডে এটা যেকোনো জায়গার সবচেয়ে দীর্ঘতম নামের অধিকারী, মোট ২১টি শব্দ নিয়ে এর পুরো নাম। সংক্ষেপে শহরটার নাম “ক্রুং থেপ মাহা নাখন” যার মানে “পরীদের শহর”। আর আমরা শহরটাকে চিনি ব্যাংকক নামে। এখানে আসছি অফিসের কাজে।
ব্যাংককে বাংলাদেশীরা এত বেশী আসে যে এই শহর সম্বন্ধে নতুন কিছু জানানোর চেষ্টা রীতিমত ধৃষ্টতা। তাই শুধু কয়টা ছবি...
~
জীবন কড়চা
বই মেলা কড়চা নামে একটা সিরিজ লেখা চালু করেছিলাম ফেব্রুয়ারির ১ তারিখ থেকে। খুব ইচ্ছে ছিল- সিরিজটি নিয়মিত করা। এক দুই দিন বাদে সব দিনই বই মেলায় গিয়েছিলাম। ২৯ টি পর্ব লেখার ইচ্ছে থাকলেও ১৭ পর্ব লেখার পর বন্ধ করে দিলাম। এই পর্বগুলো লিখতে যেয়ে আমাকে প্রায় প্রতিদিনই রাত ১/২ টা পর্যন্ত নেটে থাকতে হয়েছে। একসময় মনে হল আর লিখবো না। সে সময়টার কোন একদিন আমার কোনো এক কারনে এতটাই অভিমান হয়েছিল যে, লিখা বন্ধ করে দিলাম। ভাল করেছি কী মন্দ করেছি- সেটা জানিনা। তবে আজ নিঃসংকোচে বলতে পারি, সিরিজটা বন্ধ করে দেবার পর আমার খুব খারাপ লেগেছে। অনেকের অনুরোধ স্বত্তেও আর লিখিনি। আমি কি একটু বেশি অভিমানী বা জেদী ?
হিরনবালা- হেলাল হাফিজ
হিরনবালা তোমার কাছে দারুন ঋণী সারা জীবন
যেমন ঋণী আব্বা এবং মায়ের কাছে।
ফুলের কাছে মৌমাছিরা
বায়ুর কাছে নদীর বুকে জলের খেলা যেমন ঋণী
খোদার কসম হিরনবালা
তোমার কাছে আমিও ঠিক তেমন ঋণী।
তোমার বুকে বুক রেখেছি বলেই আমি পবিত্র আজ
তোমার জলে স্নান করেছি বলেই আমি বিশুদ্ধ আজ
যৌবনে ঐ তৃষ্ণা কাতর লকলকে জিভ
এক নিশীথে কুসুম গরম তোমার মুখে
কিছু সময় ছিল বলেই সভ্য হলো
মোহান্ধ মন এবং জীবন মুক্তি পেলো।
আঙুল দিয়ে তোমার আঙুল ছুঁয়েছিলাম বলেই আমার
আঙুলে আজ সুর এসেছে,
নারী-খেলার অভিজ্ঞতার প্রথম এবং পবিত্র ঋণ
তোমাকে নিয়ে কবিতা লিখে সত্যি কি আর শোধ হয়েছে?
আমরা হেঁটেছিলাম বাতাসের বিপরীতে
আমরা হেঁটেছিলাম গন্তব্যহীন
আমাদের পায়ের নীচে সবুজ জমিন ।
আমরা রাখিনি হাত পরস্পরায়
তবু আমরাই ছুঁয়ে দেখি যুগলভাবে---
স্বপ্নহীন জীবন যেখানে থেমে আছে অনেককাল;
কবেকার স্মৃতিতে ।
আমরা কথা বলি,কোন কথাই হয় না তবু
চেয়ে দেখি স্বচ্ছ দিঘীর টলমলে জলে
গলে পড়ে সূর্যের সোনালী রশ্মি ।
তবু আমরা কিছুই দেখি না !
শুধু নীলসবুজ পাখিটা উড়ে গেলে 'পর
দীর্ঘশ্বাস ফেলি আর
চোখের কোণে জমে ওঠা শিশির বিন্দু ছুঁয়ে
দাঁড়িয়ে থাকি তেপান্তরের মাঠে
কি
ছু
ক্ষ
ণ
তারপর ফিরে আসি
"যে জীবন শালিকের,দোয়েলের " তাকে ফেলে
যে যার গন্তব্যে ।
হয়ে উঠি আবার নাগরিক ভারবাহী !
সময়গুলো দ্রুত পার হয়ে যাচ্ছে
ইদানীং সময়গুলো খুব দ্রুত পার হয়ে যাচ্ছে। এটা বোধহয় আমাদের সবারই হচ্ছে। সেদিন সাকিব আল হাসানকে দেখলাম, এ নিয়ে আক্ষেপ করতে। বিপিএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট সম্পর্কিত নিজের একটা লেখায়। সাকিবকে আমি পছন্দ করি ওর রেগুলার পার্ফর্মেন্স আর পজিটিভ অ্যটিটিউডের জন্য। আর প্রথম আলোতে ছাপা হওয়া ওর লেখাগুলো পড়ে পড়ে যেটা মনে হয়েছে, লেখালেখির কাজটাও বেশ পারে ছেলেটা। সব মিলিয়ে একজন অলরাউন্ডার যাকে বলে আরকি। আমার আরেকজন পছন্দের খেলোয়াড় হচ্ছে আশরাফুল। যদিও বেচারা এখন পর্যন্ত নিজের সেরা সময়টা খুঁজে পায় নি এবং নিজের সেরা খেলাটাও খেলতে পারে নি। তবু আমি আশায় আছি, একদিন সে ফর্মে ফিরবে এবং অনেকদিন পর্যন্ত একটানা স্বীয় ঝলকানিতে প্রকম্পিত করে রাখবে চারদিক। প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো, আমার অপছন্দের একজন খেলোয়াড় হচ্ছে তামিম ইকবাল। ছোকড়াকে ডেঁপো আর বেয়াদপ ধরনের মনে হয়েছে আমার। এ ধরনের ধারণা অবশ্য এমনি এমনি তৈরি হয় নি আমার ভে
পাঠ করো দিন, পাঠ করো রাত-দুই
সকালে আমার ঘুম ভাঙলেও বালিশটা ঘুমিয়েই থাকে! আমার বালিশের অমরত্ব আছে
বালিশ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে ও বেঁচে থাকে আর আমি বেঁচে থেকেও মরে আছি ঠাকুর!
এক ভোরবেলায় বনফুলের মায়ায়, পুড়েছিলাম চৈত্রপারের হাওয়ায়। আর বলেছিলাম 'সমস্ত না পাওয়া নিয়েছি দু'হাত ভরে দেখো হাতে আর জায়গা নেই!' মুখে কোন কথা নেই, আমার সকল কথা পুড়িয়ে পুড়িয়ে ডুবে যায় সূর্য হাত ঘড়িতে!
আমি পাঠ করি দিন; পাঠ করি রাত
দেখি নীল নীল অক্ষরের সন্তরণ
দেখি দৃশ্য থেকে আড়াল হয়ে যাওয়া
দেখিনা কখনও, কিভাবে আড়াল থেকে দৃশ্য হয়ে উঠেছিলে !
নাম কীর্তন!!!
কোন জায়গা বা মানুষের নাম শুনলেই মনের মধধে একটা না একটা ছবি ভেসে ওঠে। তারেই বুঝি কয় নামকরনের সার্থকতা! তয় কয়টা জায়গা বা মানুষের নাম যথার্থ, সেইটা নিয়া বোধ করি আমার মতো আপনেরাও সন্দিহান। প্রতিটা ফ্যামিলি-তেই বাবু নামের কেও না কেউ পাইবেন। কন তো, কয়টা বাবুর মধধে বাচ্চা সুলভ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান? পাইবেন না। আসলে বাবা মায়েরা নিজের পোলাপান-রে চিনে, এইটা খুব একটা মনে হয় না। নইলে, কোমল নামের মাইয়া-টার মনটা, কেন আমার জন্য কোমল হইল না! আমার সাথে যেইরকম আচরণ করসে, তাতে শিরীষ কাগজও মোলায়েম মনে হয়। আবার শিলা’র মতো নরম মনের মাইয়া আমি আর দেখি নাই। কলেজে প্রতিদিন-ই আমাগো কিছু না কিছু খাওয়াইতো। খালি কইলেই হইত, “দোস, খিদা লাগসে।“ আবার কোন কোন বাপ মা কিন্তু নিজের ছেলেমেয়েরে ঠিক-ই চিনতে পারে। কলেজের ‘লীলা” যেই লিলাখেলা দেখাইসে! এক ইয়ারেই তিন তিনটা সম্পর্ক!
আহত বোধ কিংবা স্মরণ
আয়ূধ
হাজার হাজার নরম মাটির ঢেলা ভেঙ্গে শক্ত ইটের বাড়িগুলো বাইরে থেকে শক্ত-ই ভীষণ! ভেতরের পানিটুকু আগুনে পোড়ার পর মাটির আর্দ্রতা শত্রুজ্ঞানে প্রতারক ভাবে ইটের দেয়ালকে। বৃষ্টিভিজে শুকায় গায়ের লোশনমাখা কিংবা পেইন্টেড চামড়া, তরল অনুপ্রবাহ ভেতরের কিছুই নরম করতে পারে না; যদিও পঁচাগলা পানি কোনোমতে হয়তো চুঁইয়ে চুঁইয়ে নষ্ট করে দেয় দেয়ালের কার্যকারিতা।
প্রতারণা
আমি করেছি এক, করিয়েছে বহু ছলনার আকাঙ্ক্ষা, উপাধিতে হয়েছি ভরপুর। ভেতরের গাঁথুনিটুকু অটুট থাকলেও ইঞ্জিনিয়ারের কাছে তা বাতিল। ঘুমন্ত দিনগুলোর কাছে চোখের পানির লবণটুকু সঞ্চিত হয়ে আছে কেবল- অশ্রুটুকু বাস্পীভূত!
বোধি
চিঠি
মেঘবালিকা,
কেমন আছো তুমি? নিশ্চয়ই ভালো! এখনও কি মনে পড়ে আমায়?
তুমি নেই তাতে কি,
আমার কাছে এখনো বেঁচে থাকার মানে হল প্রতিটি মুহুর্ত তোমার স্মৃতির কাছেই ফিরে আসা..
কখনো তোমায় ভেবে,
কখনো অন্য কারো চোখের নিরন্তর ছায়াপথে ভেসে আসা ভালবাসায়।
মনে পড়ে,
কত্ত স্বপ্ন ছিল তোমার আমার?
কিছুতেই কিছু হল না..
কি সব দিন যে ছিল তখন।
মনে হত,
প্রত্যেকটা দিন ভোরের প্রথম আলো ছড়াতো
তোমায় দেখবো বলে।
প্রখর রৌদ্র দিনের শেষে
মেঘ করে যেত
বৃষ্টিকণা যত তোমায় ছুঁয়ে যাবে বলে।
খুব ভাল লাগতো গোধূলির আলো,
সে তো তোমার চোঁখের পাতায় জল মুছে দিত বলেই।
তুমি যে কখনো এভাবে চলে যেতে পারবে, কেই বা ভেবেছিল বল?
কিছু করার ছিল না সেদিন, কেবলি নিজের ছায়ার মত আঁধার ভাগ্য কে দোষ দেওয়া ছাড়া।
জানো, ওইদিন সমূদ্রস্নানে গিয়েছিলাম। খুব বেশিক্ষণ একা থাকতে পারিনি,
বারেবার মনে পড়ে যাচ্ছিল-
কথা ছিল আঙ্গুলের ফাঁকে থাকবে তুমি..
চিন্তার মৃত্যুচিন্তা
ভাবনারা নেমে এলে, কংক্রীটের পথটা নদী হয়ে যায়
উথাল পাথাল ঢেউ।
ছলোছলো জল
চোখে নিয়ে জেগে ওঠে সূর্যমুখী সাগর
সুদূরের অপেক্ষায় থাকা সাম্পান ছুঁয়ে বেড়ানো সুনির্দিষ্ট কুকুর
খুঁজে পায় কাঁকড়ার খোলস আর মরে যাওয়া স্টারফিশ।
গ্রাফিটি জুড়ে আনন্দ আঁকা হয় মানুষগুলোর
রাংতায় গড়িয়ে আসা ধোঁয়াময়তা, ছড়িয়ে পড়ে ওদিকে।
টুপটাপ শব্দে চেতনা, চিন্তা ও ভাবনা এলোমেলো ছড়িয়ে পড়ে মাটি লেপা মেঝেতে।
মাঝরাতে মৃত্যুর শব্দ, শাঁ শাঁ দেখা দিয়েই মিলিয়ে যায়
ধরা হয়ে ওঠেনা, ছোঁয়া হয়ে ওঠেনা,
মৃত্যু নিজেই মরে যায় মৃতদের রাজ্যে...
নিঃসঙ্গ নিঝুপদ্বীপ এবং একটি হুমায়ুনকাব্য
যাত্রী সংখ্যা ষোল। পাঁচ জোড়া দম্পতি। দুইজন বন্ধু। এক জোড়া কলিগ। একটি বোন। একজন সহকর্মী। ওহো, আর সতেরোতম ব্যক্তি একটা উদ্ভট পথপ্রদর্শক। এই হলো নিঝুম দ্বিপ বাহিনী। এদের নাম বলে নেয়া ভালো। তাহলে গল্পটা বলা যাবে আয়েশ করে।
পাগলের দিনলিপি (উনিশ)
.............................................................................
..............................................................................
...............................................................................
.................................................................................
.................................................................................
ঘুড়িতে ঘুড়িতে শত্রুতারেই মেনেছে মানুষেরা
আর তাই ভোকাট্টা বলেই আমরা দৌড়েছি ঈষাণে
সেখানে জমাট হয়ে ছিলো একদল মেঘ-কালোমেঘ
ঠিক যেনো মোমপালিশে ঝলক মেরে দিলো একবার।
আমাদের ঘুড়িটা উড়ছিলো যার পাশে, তার বাদুরের চোখ,
কলাবতী নাক আর রক্তলাল ঠোটের কোনায় কুকুরের দাঁত
উঁকি মেরে যায়। প্রতি টানে শব্দে শব্দে জানান দিচ্ছিলো
তার অস্তিত্ব-অভ্যাস আর মন-মানসিকতা...
অলৌকিক লন্ঠন
কেমন এলোমেলো দাঁড়িয়ে আছো তুমি
হাতে নিয়ে অনিশ্চয়তার অলৌকিক লন্ঠন
যে যখন ভিক্ষা মাগে পথ
কেমন নির্লিপ্ত হাতেম তাইয়ের মত, তুমি নাকি
এদিক ওদিক দোলাও লন্ঠনের আলো।
পথ ভুলে কানাগলিতে চলে এলে কোন বেভুল, শুনেছি
নিঃশব্দে তাকেও চিনিয়ে আনো হাত ধরে।
তোমার অলৌকিক লন্ঠন যেন ক্রমাগত দোল খায় বাতাসে
অন্ধকার রাত্রিতে তুমিই নাকি হও নাবিকের শেষ বাতিঘর।
প্রবল শীতে বেড়ে গেলে রক্তের ডাক
তোমার লন্ঠনই নাকি উম হয়ে ধরা দেয় শহরগামী কোন শ্রমিকের কাছে
অথচ আমি, এই ঘোর দুঃসময়ে দাঁড়িয়ে রইলামতো রইলামই
সেকেন্ড গেছে, মিনিট গেছে, দিন গেছে, চলে গেছে ঘুমের পরে ঘুম
অথচ তোমার অলৌকিক লন্ঠন কেবল দুলতেই লাগলো পেন্ডুলামের মত
আর যখনি ছুঁতে গেলাম, হয়ে গেলো পলায়নপর
অস্পস্ট ধুধু মরিচিকা
{(c) MNI, 04/03/2012}
সময়গুলো দ্রুত পার হয়ে যাচ্ছে
ইদানীং সময়গুলো খুব দ্রুত পার হয়ে যাচ্ছে। এটা বোধহয় আমাদের সবারই হচ্ছে। সেদিন সাকিব আল হাসানকে দেখলাম, এ নিয়ে আক্ষেপ করতে। বিপিএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট সম্পর্কিত নিজের একটা লেখায়। সাকিবকে আমি পছন্দ করি ওর রেগুলার পার্ফর্মেন্স আর পজিটিভ অ্যটিটিউডের জন্য। আর প্রথম আলোতে ছাপা হওয়া ওর লেখাগুলো পড়ে পড়ে যেটা মনে হয়েছে, এ কাজটাও বেশ পারে ছেলেটা। সব মিলিয়ে একজন অলরাউন্ডার যাকে বলে আরকি। আমার আরেকজন পছন্দের খেলোয়াড় হচ্ছে আশরাফুল। যদিও বেচারা এখন পর্যন্ত নিজের সেরা সময়টা খুঁজে পায় নি এবং নিজের সেরা খেলাটাও খেলতে পারে নি। তবু আমি আশায় আছি, একদিন সে ফর্মে ফিরবে এবং অনেকদিন পর্যন্ত একটানা স্বীয় ঝলকানিতে প্রকম্পিত করে রাখবে চারদিক। প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো, আমার অপছন্দের একজন খেলোয়াড় হচ্ছে তামিম ইকবাল। ছোকড়াকে ডেঁপো আর বেয়াদপ ধরনের মনে হয়েছে আমার। এ ধরনের ধারণা অবশ্য এমনি এমনি তৈরি হয় নি আমার ভেতরে। তার