ইউজার লগইন
ব্লগ
আমি আমার মতই থাকতে চাই...
আজকাল মেজাজ ঠিক রাখা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। আমার সরলতা বা আন্তরিকতাকে যদি কেউ দুর্বলতা মনে করে- সেটা তার সমস্যা। তার জন্য আমার পূর্ণ সহানুভুতি আর করুণা রইলো। আমি মানুষটা এমনই। ইচ্ছে করলেও এই আমি'কে এখন আর বদলাতে পারব না। আর বদলানোর প্রয়োজনটাই বা কী ! আমাকে যারা জানে, চিনে তারাতো এই আমিকেই চিনে। নতুন কেউ হলে সেটা নাহয় মেনে নেয়া যায়।
সাধারনত আমি কারো সাথে মেজাজ করিনা। খুব সহজে ক্ষেপি না। কঠিন অবস্থায় ও মেজাজ কী করে ঠান্ডা রাখতে হয়- সেটা আমার ভালোই জানা আছে। এটা সম্ভব হয়েছে- অনেক বছর সেলস-এ কাজ করার সুবাদে। আমার ব্যবহার খারাপ- এটা আমার শত্রুও বলতে পারবে না। ভুল বললাম মনে হয়। বলতে পারবে- তবে প্রমান করতে পারবে না। কাছের মানুষদের সাথে প্রায়ই ঝাড়ি মেরে কথা বলি। ধমক দেই। এমনিতেই। এটা আমার চরিত্রের একটা বিশেষ দিক। যাদের খুব আপন মনে হয়- তাদের সাথেই শুধু এরকম আচরন করি। সবার সাথে না।
রঙ্গরসে জীবনযাপন-২
১.
স্থান: বইমেলার লিটল ম্যাগ চত্বর, বিকাল ৫টা, বৃহস্পতিবার
মেয়েটি ম্যুরালের মোড়ক লাগাতে লাগাতে বললো: ক নামের ছেলাটা আসলে অলস, ওকে দিয়ে কিছু হবে না।
আমি একটু আগ্রহী হইয়া তার দিকে তাকাইলাম, জিগাইলাম: তাই?
মেয়েটা আরও মনোযোগের সঙ্গে কাজটা করতে করতে বললো: বিয়ে করলে ক-এর বউয়ের খবর আছে।
আমি আবার জিগাইলাম: কেন?
মেয়েটা এবার বললো: একদমই নড়াচড়া করে না।
২.
ম্যুরালের জন্য ম্যালা কষ্ট করছে আমগো মেসবাহ ভাই। মোড়ক উন্মোচনের দিন সে আসছিল একটু দেরি কইরা। আসেন আগে তারে আমরা একটু দেখি

আমাদের দেশপ্রেম অথবা মরে যাওয়া দেশপ্রেম।
আমার রুমমেট এর সাথে গতকাল রাতে পড়া ভাগাভাগি করে জিজ্ঞেস করছিলাম। পড়ার মধ্যেই একটা জায়গায় ছিলো আমেরিকা আলাস্কা অঙ্গরাজ্য রাশিয়া থেকে এবং ফ্রান্সের কাছ থেকে কিনেছিল লুসিয়ানা। তখন রুমমেট বলল বাংলাদেশটাকেও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিক্রি করে দিলে ভাল হতো। সাথে সাথে তাকে বললাম এটা কোন যৌক্তিক বিষয় নয়। জবাবে তার যুক্তি আমার পাল্টা যুক্তি চলতে লাগলো। কেহ কাহারেও নাহি ছাড়ি এই অবস্থা। সব তর্কের মতো এই তর্কও এক সময় শেষ হয়ে যায়। কিন্তু পরে এই বিষয়টা নিয়ে তার বলা কথাগুলো দিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করে দেখেছি। আমাকেই হারতে হলো তাতে। খুব অসহায় লাগছিল নিজেকে।
আমি দেশপ্রেমিক কিনা এই বিষয়টা নিয়ে এই মূহুর্তে নিজেকে খুব দ্বিধাগ্রস্থ লাগছে। কিন্তু আমার দেশকে নিয়ে কেউ খারাপ কিছু বললে খুব খারাপ লাগতো এক সময়। এখন বিষয়টা সেইভাবে নাড়া দিচ্ছেনা।
কথার ভ্যালেনটাইনস পার্টি
শওগাত আলী সাগর
স্কুলের অফিসের ঠিক সামনের দরোজাটার কাছেই দাড়িয়ে আছি আমি।পাশ ফিরে তাকাতেই দেখি ছোট্ট ছোট্ট ছেলেমেয়েরা লাইন ধরে হেটে যাচ্ছে। সবার সামনে ওটা কথা না? হ্যাঁ তাই তো। কিন্তু সে একবারও আমার দিকে তাকালো না। মনে হলো মাথাটা নীচু করে আমাকে না দেখার ভান করে হেটে চলে গেলো।
পাগলের দিনলিপি (আট)
আমি হাতের মুঠোয় কিছু অন্ধকার নিলে
একটা জোনাকীও ঢুকে যায় অসহায়।
অন্ধকার গুলো গিলে ফেলতেই জোনাকী
সেই অসহায় জোনাকী চিৎকার করে
নিভে গেলো।
জোনাকী বিহনে অন্ধকার নীরব নিথর পড়ে থাকে
আমার একাকী বারান্দায়। দরজা খুলতেই সুরসুর
করে, সেও ঘরে চলে আসে।
আর সাথে সাথেই আমাকে ছেড়ে চলে যায়
আমার অবুঝ ছায়া; ছায়ার সাথে অন্ধকারের আজন্ম শত্রুতা।
অন্ধকার এবার ভীষণ খুশী,
তার জোনাকীর বদলে আমার ছায়ার প্রস্থানে...
সে ভুলে গিয়েছে, জোনাকীটা আমার উদরে
এখন টালমাটাল ভাসে রক্তের সাগরে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নাগরিক সেবা কেন্দ্র থেকে বলছি। বলুন, আপনাকে কিভাবে সাহায্য করতে পারি...?
এ্যাই, পল্টু! সিটিজেন সার্ভিস সেন্টারের নম্বরটা কত রে? ঘরে পা দিয়েই বিল্টু মামার হাঁকডাক।
আমি কাসুন্দি মাখা পেয়ারা কচকচ করে চাবাতে চাবাতে বলি, সেটা আবার কী?
ওই যে, তোরা কী যেন বলিস, কাস্টমার সার্ভিস সেন্টার না কী! বলতে বলতে মামা বেসিনের কল ছাড়লেন।
ও! তাই বল। তা কোন অপারেটরের নম্বর লাগবে?
আমি মামার মুখের দিকে তাকিয়ে আছি। মামা বেসিনের কলের দিকে। কল থেকে পানির বদলে ছর ছর আওয়াজ বার হচ্ছে। মামা কলের নব আরো ঘোরাতে পানি পড়ল। আঁজলা ভরে পানি নিতে গিয়ে ছ্যাঁ ছ্যাঁ করে উঠলেন তিনি।
এ কি রে ! এতো কাদাপানি মনে হচ্ছে। কেমন ঘোলাটে। লাল লাল! কি রে পল্টু? মামা এমন ভাবে আমার দিকে ফিরে কৈফিয়ত চাইলেন যেন আমি পানিসম্পদ মন্ত্রী!
আজ সকাল থেকেই এমন পানি আসছে এলাকায়। সাপ্লাই পানির লাইনে কোথাও কোন ফুটো হয়েছে মনে হয়। গত সপ্তাহ ধরে দেখছোনা রাস্তা খোঁড়া চলছে।
তুমিহীন
নিভু নিভু বিকেলের তুমিহীন এক আকাশ জুড়ে
মেঘের হতাশা , কবেকার শুকিয়ে যাওয়া অশ্রু , নীল নীল বেদনায় উড়ে যায় দুরের পাখি ।
তুমিহীন সাঁঝের আঁধার - ঝাপসা স্মৃতির এক ধুলিধূসর প্রেম উপাখ্যান ।
তারার রাত্রি জাগা , অহেতুক প্রলাপ গুনে গুনে রাতচোরা পাখির আহাজারি ।
উদাসী ভোরের প্রাণে বিদায়ী নিশিথ সঙ্গীত
ঝরে যায় শেফালির সাথে ।
তুমিহীন তপ্ত দুপুরে পথহারা পথিকের দীর্ঘশ্বাস , হঠাত্ দমকা হাওয়া কেঁদে ওঠে বৃষ্টি হয়ে ।
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের .....“ষোল নম্বর ফটিক ঘোষ”
এ্যাডভেঞ্চার, রোমাঞ্চকর, ভূতুড়ে নাকি রহস্য ভরা গল্প কি বলবো ভেবেই পাচ্ছি না, একদম সঠিক নামই দেয়া হয়েছে এর “অদ্ভুতুড়ে সিরিজ”! এই সিরিজেরই এক গল্প “ষোল নম্বর ফটিক ঘোষ”। ফটিক নামটা পড়লেই লাগে কিশোরোপযোগী কোন গল্প! হ্যাঁ, তাইই, তবে মূলত গ্রামের পটভূমিতে লেখা এই সিরিজের গল্পগুলোর মজায় ডুবে যেতে আপনার বয়েস কোন বাধাই হবে না, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের লেখা এই গল্পগুলো এমনই।
আমার জোহা চাচা
আমরা যারা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বেড়ে ওঠা মানুষ তাদের নিয়ে এই এক সমস্যা, নিজেরা যত ক্ষুদ্রই হই না কেন বড় মাপের মানুষদের নিয়মিত সান্নিধ্য পেয়ে, তাঁদের সাহচর্যে থেকে তাঁদেরও নামিয়ে আনি সাধারণ মানুষের স্তরে। তাঁরা হয়ে যান আমাদের পারিবারিক সদস্যের মতই। আমদের হাসান চাচা (প্রখ্যাত কথাশিল্পী হাসান আজিজুল হক) বা সনৎ কাকুর (বিশিষ্ট সাহিত্যিক সনৎ কুমার সাহা) চাইতে এই সত্য আর বেশি কেই বা জানেন?
পাগলের দিনলিপি (সাত)
যাদুর পেন্সিল খুঁজে তছনছ করতে সাধ হয় পৃথিবীরে,
আহা! যাদুর পেন্সিল...তাতে যা আঁকা যায় যদি সত্যি হতো
হাতের মুঠোয় পেতাম রে ভাই বিশ্বনিখিল!
মাঝরাতে ক্ষুধার্ত আমার সাধ মেটানোতে মন নেই কারো।
সবাই কেবল সিরিয়াল দেখে সময় কাটায়
আর আমি বসে বসে আঁকাআঁকি শিখি।
যদি কোনোদিন মিলে যায় দয়াবান কারো কাছে
একটা যাদুর পেন্সিল, নিখুঁত রেখায় আমি আঁকতাম
হারিয়ে যাওয়ার পর যা কিছু কখনো খুঁজে পাইনি আমি,
সব!
মাঝরাত পেরিয়ে যাবার পর কয়েকজন মুসল্লি
কাছের পবিত্র মসজিদে যেতে পা বাড়ায়।
শাহানা'র আজ ইনকাম ভালো বলে রিকসা থেমেছে
তখন গলির মোড়ে; মুসল্লিরা তার জামা খুলে নিয়ে
নগ্ন শরীরের বাঁকে বাঁকে ঘোরে,
হয়ে গেলে মসজিদের রাস্তায় দ্রুত হেটে চলে যায়...
অজু সেরে নিয়ে তাদের পবিত্র হতে হয়
নামাজের আগে।
এই সময়ে শাহানা পলকহীন তাকিয়ে থাকে
বার্ধক্যের দিকে; অসহায় এ ক'জন বৃদ্ধের নয়নে
আমি ভুলে যাই তুমি আমার নও
তোমার সঙ্গে নৌকায় চড়ে ঘুরতে ইচ্ছে করতেসে। আর ইচ্ছে করতেসে সর্ষে, মটরশুটি ও আলুক্ষেতের আইল ধরে ধরে হাঁটতে। তিনটা ফসল কি একই সময়ে ওঠে? জানি না। যদি না ওঠে তাহলে তো আমার ইচ্ছেটা অপূর্ণই থেকে যাবে আজীবন। তাও ই্চ্ছেটাকে ভালবাসি আমি। কারণ ইচ্ছেঘুড়ির পিঠে চড়ে যে তোমার একটু কাছ থেকে ঘুরে আসতে পারি কল্পনায়।
আমার একটা ছবির মতো সুন্দর গ্রাম আছে। সেখানে আছে শতফুটি একটা বড়ই গাছ। তাতে কষটা স্বাদের বড়ই ধরে। সেটা আমার দাদার কবরের পাশে জানো? ছোটবেলায় বাবা যখন তার বাবার কবর জিয়ারত করতেন, আমি তখন সেই বড়ই গাছের নিচে বড়ই কুড়াতাম। বড় হয়ে বাবার সঙ্গে আমিও দাঁড়িয়েছি কবর জিয়ারতে। আমাদের ওই বড়ই গাছ লাগোয়া কবরস্থানটায় বসন্তে কোকিলের ডাক শোনা যায় সারাদিন। এই বসন্তে একবার যদি তোমায় সেখানে নিয়ে যেতে পারতাম, আমার মনটা আনন্দে ভরে যেতো।
বই মেলা কড়চা- ১৭
এক ভদ্রলোকের সাথে আজ বিকেল তিনটার সময় আমার একটা অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছিল। ঢাকার বাইরে মানে উত্তরায়। উত্তরাকে আমরা ঢাকার বাইরে বলেই জ্ঞান করি। বিশেষ কিছু শ্রেণীর লোকজনই সাধারনত উত্তরা এলাকায় থাকেন। এর মধ্যে:
যাদের নিজেদের/বাবার বাড়ি বা ফ্ল্যাট আছে
যাদের কর্মস্থল বা ব্যবসা উত্তরা, টঙ্গী বা গুলশান এলাকায়
যারা তুলনামূলক কম ভাড়ায় বড় বাসায় থাকতে চান...
বিষণ্ণতায় ঘেরা কতিপয়...
১.
কুয়োর গভীর থেকে উঠে আসা প্রতিধ্বনি;
টেনে আনে কুয়াশা জমা মেঘলা দুপুর,
জোনাকীর বিচলিত ওড়াওড়ি...
২.
ভোকাট্টা ঘুড়ির ভালোবাসা ছড়িয়ে থাকে
নাটাই জড়ানো হলদে সুতোর দঙ্গলে...
৩.
বর্ণহীন।
তবুও অশ্রুজল খেলা করে,
রঙধনু নিয়ে
রক্তের স্তিমিত চলন শিরা ও ধমনী জুড়ে...
৪.
দারুচিনিগন্ধী বাতাস ছুঁয়েছে আমের মুকুল।
বসন্ত, অস্থির বসন্ত...
টগবগিয়ে ছুটে গেছে সময়ের ঘোড়াতে,
আষাঢ়ের রাজপ্রাসাদে।
৫.
ছায়া ফেলছে ছায়াশরীর ছায়াময় ছায়াপথে
অপসৃয়মাণ অবয়বে রুপালি ঝিলিক
মুছে ফেলার প্রচেষ্টা সর্বান্তকরণ...
৬.
আগুনের ফুলকিরা ছড়িয়ে যায় নয়দিকেই
ছাই আর কয়লা রয়ে যায় বর্তমানের আনাচে কানাচে।
৭.
স্বপ্নেরা সব স্বপ্ন জমায়
স্বপ্ন খাওয়া স্বপ্নজুড়ে
শুকনো পাতা মেলছে ডানা
শেষ বিকেলের আঁধার ঘিরে।
৮.
বিবিধ অনুভূতির ধারাপাতে ভরা মনের শ্লেট,
মুছে ফেলার চেষ্টায় এক জীবন পার হয়ে যায় অকারণেই...
৯.
বর্ষণের মেধা-মনন ও মুরগি কাহিনী
মেধা ও মনন
ছেলে আমার সেন্ট গ্রেগরী উচ্চ বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণীতে পড়ছে। পড়াশোনায় ভালো, কি খারাপ তা বলার উপায় নেই। তবে কোনো বিরতি ছাড়াই প্রতিটি চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ওপরের ক্লাসে প্রমোটেড হয়েছে। তার সম্পর্কে বলার বিষয় হচ্ছে, ও যখন গেন্ডারিয়ার স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে কেজিতে পড়ে, তখন সেন্ট গ্রেগরী স্কুলে এডমিশনের জন্য ওই স্কুলের এক শিক্ষকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। শিক্ষক মহোদয় জানি না কি কারণে তাকে দেখে পরের বছর চেষ্টা করতে বললেন। অগত্যা কি করা, ছেলের মেধা যাচাইয়ে কোনো কোচিং বা স্পেশাল টিচিংয়ের ব্যবস্থা না করে ভর্তিযুদ্ধের জন্য ওর মা নিজেই শিক্ষকের দায়িত্ব নিলো। স্কুলের নিয়ম অনুযায়ী ছেলের সাথে মা-বাবা দুজনকে ইন্টারভিউর জন্য নির্ধারিত তারিখে প্রধান শিক্ষকের (ব্রাদার রবি পিউরিফিকেশন) কাছে হাজির হতে হলো। ইন্টারভিউর পর ঘোষিত তারিখে ফরম সংগ্রহ করা হলো।
বই মেলা কড়চা- ১৬
সকাল থেকেই আকাশ কেমন জানি বিষন্ন। মুখ গোমরা করে রেখেছে। সকালে যথারীতি ৭ টায় উঠতে হল। এমন দিনে এত্ত সকালে উঠার চেয়ে কষ্টকর আর কী হতে পারে। উপায় নেই, গোলাম হোসেন। ছেলের স্কুল বলে কথা। মাঝে মধ্যে সকালে উঠার আলস্যে ছেলের মা'কে বলি-
কী হবে একদিন ছেলে স্কুলে না গেলে... ?
তিনি বুঝতে পারেন সব। ছেলেকে দাবড়ানি দিয়ে ততক্ষণে উঠিয়ে তৈরি করে দিয়েছেন। গোশসা করে বলেন-
ঠিক আছে, তুমি ঘুমাও। আমি ছেলেকে নিয়ে যাচ্ছি...