ইউজার লগইন
ব্লগ
পাগলের দিনলিপি (চার)
মধ্যরাতে গ্রামের সমস্ত মাটি তারা নিয়ে আসে
শহরের উচ্চতা এইভাবে বেড়ে যায়।
শহরের মানুষেরা মধ্যরাতে চায়ের দোকানে থামে
তাদের আঙুলে আঙুলে চায়ের কাপ ঝোলে।
জুতায় মাটির দাগ আর ঘ্রাণে পাগল হয়েছে
শহুরে কুকুর; অনাবাসী ঘেয়ো কুকুরের নাকে
ইতিহাস জেগে ওঠে, পোড়ামাটি আর পাল পাড়া।
গ্রামগুলো ক্রমশঃ চাঁদের অবয়ব পেতে থাকে।
নভোচারী কৃষকের ঘুম ভাঙে বৃথাই চিন্তায়
বাজারে তখন আয়েশে ঘুমায় ফড়িয়ারা
ভোর হলে ট্রাক ভরে যাবে লালশাকে, করলায়।
তারা স্বপ্ন দেখে আগুনে লালশাকের
মূল্য আর মূল্যবোধ উভয়ই বেড়ে গেছে।
চুপিচুপি স্বপ্ন দেখতে রয়েছে তাহারা...
অভাবী কৃষক যেনো ভুলেও ঠাহর না পায়
সেইমতো তারা লেপমুড়ি দিয়ে স্বপ্নের অবুঝ
লীলাখেলা ঢেকে দ্যায়।
প্রতিরাতের মতোই আমি বাঁদরের মতো
বারান্দায় ঝুলে থাকি। কৃষ্ণপক্ষে চাঁদ ইচ্ছেমতো
অন্ধকার নিয়ে খেলতে থাকে...
ভালবেসো.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
ভালবেসো;
তারে,
যে তোমারে ভালবাসে..।
যে জন তোমার
দুঃখ-দিনে;
ঠিক রয়ে যায় পাশে,
তোমার সুখে আনন্দে যে ভাসে..
জেনো;
সে তোমারে ভালবাসে..।
তোমার চোঁখের জল মুছে যে,
হঠাত্ হাসির ছলে..
হাল না ছাড়ে;
দেখতে হাসি,
তোমার চোঁখের কোলে..।
যারে;
দুঃখ দিলে-ও,
সব ভুলে যায়;
একটু মৃদু হেসে..।
যত্ত দুরেই যাক চলে যাক,
সঙ্গী হয়ে হৃদয় জুড়ে থাকে..
চাও যখনি;
হৃদয় মাঝে,
এক লহমায় -
স্মৃতির তোড়ে ভেসে..
মন জুড়ানো ভালবাসায়,
জড়িয়ে ধরে এসে..।
জেনো;
সে তোমারে ভালবাসে..।
ভালবেসো তারে..
কত্ত শত মন ভোলানো
ভালবাসার ডাকে;
যে জন তোমায় একটু খানি,
'সত্যি' ভালবাসে..।
[ অনেক অনেক ভালবাসা, সব্বাই কে.. <3
]
তুমি কিংবা তুই
"তোমাকে চায়"
রাত ১০:৩১, বুধবার ১৩-০৭-২০১১
মেঘলা রাতের জোছনা এবং জোনাকি মিলে
কলমিলতার ঘ্রাণে পাগল কাজল ঝিলে
ঘাসফরিংয়ের ডানায় উড়ি নিরবতায়
এসব কিছু কেবল যেন তোমাকে চায় ।
"তোর আবেশ"
10:47pm, Sat 21-05-2011
আজ আমার আকাশ জুড়ে ওড়েনি গাংচিল।
ফোঁটা জল তোলেনি ঢেউ, স্তব্ধ বিল-ঝিল।
ধোঁয়া ধোঁয়া বিকেল হঠাত্ তারায় ঝিলমিল।
তোর আবেশে আনাড়ি কবি খুঁজে অন্তমিল।
বই মেলা কড়চা- ১৩
আজ পয়লা ফাল্গুন। বসন্তের প্রথম দিন। সকাল বেলায় ঘুম ভেঙ্গেছে একটি মৃত্যু সংবাদ দিয়ে। এমনিতেই নানাবিধ কারনে মন ভাল নেই। পরশু রাতের কোনো এক সময়ে সাগর আর রুনি খুন হয়েছে নিজের বাসায়। তার ধকল সামলানোর আগেই আজ আবার মৃত্যু সংবাদ! এ যেনো একটি নক্ষত্রের পতন হল। এক সময়ের মঞ্চ কাঁপানো অভিনেতা, তারপর টেলিভিশন নাটক, এরপর বাংলা সিনেমা- সব জায়গাতেই ছিল তার অদম্য বিচরন। অভিনয় শিল্পীর তো অভাব নেই এদেশে, অথচ তাঁর মত অভিনেতা হাতে গোনা যাবে...। কত যুগ পরে আবার এরকম একজন অভিনেতার জন্ম হবে কিংবা আদৌ হবে কিনা, বলা মুশকিল। বলছিলাম হুমায়ুন ফরিদীর কথা। পরম করুনাময় তাঁর আত্মার শান্তি দিক...
অস্ফুট ভালবাসা..[এলোমেলো কাব্যকথন!]
ভোরের আলোয়
সতেজ প্রাণে,
মিষ্টি সুরে অচীন গানে..
উদাস মনে;
চা'য়ের কাপ-এ
আধ-এক চুমুক,
আবছা ধোঁয়া-
ক্লান্ত দুপুরবেলা..
বিকেল জুড়ে;
মনের আকাশ,
মেঘের আনাগোনা..
মনের ভুলে-ও;
হয়না তো ভুল..
হৃদয় জুড়ে -
তোমার সনে;
কল্পনার-ই স্বপন বোনা,
স্বপ্নলোকের খেলা..
সাঁঝের মায়ায়,
আঁধার ছায়ায়..
তোমায় ভেবে;
ঠোটের কোনে,
একটু খানি হাসি..
রাত গভীরে;
তোমায় নিয়ে,
স্বপ্ন রাশি রাশি..
হয়তো তবু
মনের ভুলে;
যায় হয়ে ভুল,
হয়না বলা -
'কত্ত ভালবাসি'..
এমন করে
ক'জন বল,
ভাববে তোমায়..
একলা;
রোজ-ই,
বাসবে এমন ভাল?
যায়না দেখা..
তাই বলে কী;
ফেলবে না তা,
মনের ঘরে -
একটু খানি রেখা?
হৃদয় তোমার উজার করে;
বলবে না কী?
একটু হেসে,
'তোমায় ভালবাসি'..?!
একটি নিরব ‘খুনের’ কথা
সাংবাদিক সাগর সারোয়ার আর মেহেরুন রুনির হত্যাকাণ্ড নিয়ে দেশে-বিদেশে তোলপাড় চলছে। নিজের বাসায় এই দম্পতির মর্মান্তিক ঘটনায় সারা দেশের মানুষ ক্ষুব্ধ, শোকাহত, হতবিহ্বল। সবারই জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে যেন একটি প্রশ্ন- কারা খুন করলো সাগর-রুনিকে, কেন করলো? আর এমনতর হতবিহ্বল, শোককাতর সময়েই আরো একটি মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটছে। সেই ‘খুনের’ ঘটনাটি ঘটছে একেবারে প্রকাশ্যে, কিন্তু যারা ‘খুন’ করছেন কিংবা যাদের সামনে ‘হত্যাকাণ্ডটি’ সংঘটিত হচ্ছে তারা নিজেরাও হয়তো বুঝে উঠতে পারছেন না কি হচ্ছে । তৃতীয় এই হত্যাকাণ্ডের শিকার সারোয়ার-রুনির একমাত্র সন্তান মেঘ। না, শারীরিকভাবে ‘খুন’ হয়ে যাচ্ছেনা মেঘ। কিন্তু ছোট্ট এই অবুঝ শিশুটিকে নিয়ে বেদম টানা-হ্যাঁচড়ায় তার শিশুতোষ পৃথিবী নৃশংসভাবেই খুন হয়ে যাচ্ছে! তার অনুভূতিকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে ‘খুন’ করা হচ্ছে, কোনো পেশাদার খুনীচক্র নয়, খুন করছেন তার বাবা-মার অসচেতন সহকর্মীরা
একটা সকাল যেমন হয়
সাধারনত ঘুম থেকে সকাল সকাল উঠি। প্রতিদিন না পারলেও চেষ্টা করি। কিন্তু যখন শরীরটা ভালো থাকেনা তখন আর এই রুটিন মানা হয় না। যেমন গত কিছুদিন যাবত শরীরটা ভালো না জ্বর ঠান্ডা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার কারনে ১২ টায় ঘুমাই নয়টা-দশটায় উঠি দিনটায় যায় বাজে ভাবে।
বইমেলা কড়চা – (দুই) ঘোলের স্বাদ মাঠায়
দুধের স্বাদ ঘোলে মিটানোর পর বন্ধুরা এতো বেশি উৎসাহ দিয়েছেন যে আর থামতে ইচ্ছে করছে না। এখন ভাবছি ঘোলের স্বাদ মাঠায় উত্তরণ করার চেষ্টা করলে কেমন হয়। ভুল ত্রুটি বা পাঠকের বিরক্তির জন্যে দায়ী অতি উৎসাহপ্রদানকারী বন্ধুরা। আর স্বাদ ভালো হলে বুঝতেই পারছেন সব কৃতিত্ব আমার। আজকে ভাবছি বাংলাদেশের আর একজন লেজেন্ডারী উপন্যাসিক “ইমদাদুল হক মিলনের” ছকটা নিয়ে লিখলে কেমন হয়। একসময় তার উপন্যাসগুলোওতো বেহুঁশের মতো গিলেছি। তবে বহুদিন তার উপন্যাস সেভাবে সিরিয়ালি গিলি নাই। অত্যাধুনিক স্টাইলটা হয়তো জানি না। কিছুদিন আগে একটা অবশ্য অনলাইনে পড়েছি, মনে হলো মূল ছকটা এখনো আগের মতোই রেখেছেন। মনেকরি তার এ উপন্যাসের নাম “সে রাধা আমি হাঁদা”
পাগলের দিনলিপি (তিন)
শহরটা যখন ঘুমায় গ্রামটা তখন জেগে উঠে
শহরটা যদিও ঘুমায় রাত করে, প্রায় ভোরের নাগালে
আর গ্রামগুলো তখন ঘুমিয়ে কাদা।
তবুও শহরটা গ্রাম হয়, গ্রামের মতোই
মেঠোপথ-উদাসী বাউল-দীর্ঘ যাত্রার পথিক
সকলেই ভিড় করে শীতের সকালে
চায়ের হারানো কাপে চুমুকে চুমুকে
স্মৃতির মেমোরিয়াল বানিয়ে ফেলেছে।
শহরটা যখন গ্রাম হয় তখন কিচ্ছুতে তার
যায় আসেনা যেহেতু রিকশায় নেমেছে শাহানা
পায়ে হেটেই চলেছে...দুচ্ছাই এই মেয়েটার নাম
জানা হয় নি, তাদের প্রেমিকেরা চুমুক দিয়েছে চায়ে;
গ্রীল বেয়ে নেমে যেতে ইচ্ছা করলেও
গ্রামে যাওয়া হয় না আমার...
শহরের বাড়িগুলোতে তালার কারসাজি
তালা'র আড়ালে খুন হয়ে যাচ্ছে
সাগর এবং মেহেরুন রুনি, আর মেঘ
ভাসতে শুরু করে এই গেয়ো শহরের রাতে।
অন্যরকম সংজ্ঞা
জীবনটা এখন খুব বিদ্ঘুটে ধরনের হয়ে গেছে। যেখানে জীবনের সকল সংজ্ঞা পালটে গেছে। যেমন, এখন ভালোবাসা বলতে বুঝি যৌবনের চাহিদাকে, ইচ্ছা বলতে বুঝি স্বার্থ উদ্ধারকে, বন্ধুত্ব বলতে স্বার্থ উদ্ধারের হাতিয়ারকে, সামাজিকতা বলতে বুঝি ফেইসবুক-টুইটারকে, জ্ঞান বলতে বুঝি অযৌক্তিক বাতুলতাকে, ধর্ম বলতে বুঝি বিবেককে দিক নির্দেশনা দিয়ে ইচ্ছাকে আটকে রাখার যন্ত্রাংশকে, খেলা বলতে বুঝি কতগুলো ব্যবসাকে, ব্যবসা বলতে বুঝি অসৎ চতুরতাকে, ধনী বলতে বুঝি ভয়ংকর স্বার্থপর কূটচরিত্র মানুষকে, দরিদ্র বলতে বুঝি কতগুলো
বই মেলা কড়চা- ১২
মাত্র এক দিনের ভেতর শেষ হয়ে গেল ম্যুরাল প্রথম সংস্করন। সবাইকে বার বার করে বলেছি- বেশি করে বই ছাপাই। না, ওরা রাজি হল না। বলল, এত বই কিনবে কে ? এখন বুঝ মজাটা। আবার প্রেসে দৌড়াও। কাগজ কিনো। আবার কভার ছাপ। ভাগ্যিস, মেশিন খালি পাওয়া গিয়েছিল। তো, এত সব কাজ করবে কে ? কে আবার ! যখনই কোথাও আটকে যাবে, তখনতো একজন আছেই...। এই একজনটা কে, সেটা আর ঘটা করে বলার কি দরকার আছে ? তারপরও...। সেতো মানুষ একজনই। তারতো আর মা দূর্গার মত ১০ টি হাত নেই। সুতরাং তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে এলেন- লীনা দিলরুবা, জয়িতা, গৌতম আর শুভ। গতকালই ছাপা হয়েছে ২য় সংস্করন। আজ বাঁধাই করতে দেয়া হল...। প্রেসের সেলিম মিয়া ভরসা দিয়েছেন- কাল (সোম বার) দুপুরের পর পাওয়া যাবে নতুন ম্যুরাল।
কিছু ব্যক্তিগত চিন্তা: বালখিল্য ব্লগরব্লগর...
সাগর সারওয়ার কিম্বা মেহেরুন রুনি কাওরেই আমি চিনি না। যদিও টেলিভিশন চ্যানেলের বদৌলতে মেহেরুন রুনি নামটা পরিচিত ঠেকে, কিন্তু তার চেহারা দেইখা চিনতে পারি না। তবে পরিচিত সাংবাদিক আর টেলিভিশনে চাকরীরত বন্ধুবান্ধবের আহাজারীতে আর বিভিন্ন্ আড্ডার ফিসফিসানিতে তাদের সম্পর্কে আমার জানা হইতে থাকে। আমি নিজেও কোনো না কোনো ভাবে টেলিভিশন কেন্দ্রীক পেশাজীবীতায় থাকি। কিন্তু আমার নাম টেলিভিশনে শোনা যায় না বিধায় খানিকটা হতাশাগ্রস্ত হইয়া পড়তে থাকি। জনপ্রিয়তা বা গ্রহণযোগ্যতার মাপকাঠিতে কোনো একটা স্তরে উঠতে না পারার ডিপ্রেশনে পাইয়া বসে আমারে। মনে হয় আমার যদি এমন অপঘাতে মৃত্যু হয় তাইলে তো এমন কইরা ফেইসবুক ওয়ালে তোলপাড় উঠবো না! তাইলে কি এই জীবনটাই বৃথা!?
মধুর বসন্ত এসেছে
মধুর বসন্ত এসেছে মধুর মিলন ঘটাতে,
মধুর মলয়সমীরে মধুর মিলন রটাতে।
কুহকলেখনী ছুটায়ে কুসুম তুলিছে ফুটায়ে,
লিখিছে প্রণয়কাহিনী বিবিধ বরনছটাতে।
হেরো পুরানো প্রাচীন ধরণী হয়েছে শ্যামলবরনী,
যেন যৌবনপ্রবাহ ছুটেছে কালের শাসন টুটাতে।
পুরানো বিরহ হানিছে নবীন মিলন আনিছে,
নবীন বসন্ত আইল নবীন জীবন ফুটাতে।
অণু কবিতায় তুমি ছবি'টা..[ভালবাসার অনুপদ্যমালা!]
তুমি এলে..
কিছুই না বলে;
হেসে, চলে গেলে..
তবুও,
কী আশ্চর্য সুন্দর আজকের এই নীলাকাশ..
# # # # #
ভুল সময়ে,ভুল নিয়মে..
ভুল কারনে;
ভুল মানুষেরে
ভালবেসে,ভুল হয়ে যায়..
তুমি যেই না একটু হাসলে-
অমনি,
ভুল গুলো সব ফুল হয়ে যায়..
# # # # #
সারারাত,
নিকষ কাল অন্ধকার-
আমারই থাক..
সকালের প্রথম সূর্যালোক..
আদুরে রোদ্দুর;
এক সতেজ ভোরের ঘ্রাণ,
তোমায় দিলাম..
# # # # #
পথ চলা,
গন্তব্যহীন..
আঁধারের চোখ,
নিষ্পলক..
কিছুই বলার নেই..
কিছু কথা,কিছু নিস্তদ্ধতা..
আলতো হাসিতে,
চীড়ে নীরবতার বুক..
আজ নক্ষত্রের রাত..
বই মেলায় যাওয়া নিয়ে আমার একটা দুঃখের কাহিনী
বইমেলা নিয়ে অনেকের বিভিন্ন কথা দেখে আমারো কিছু লিখতে মন চাইলো 
-
-
-
-
-
-
-
-
-
তখন ক্লাস টেনে পড়ি (বেশি দিন আগের কথা না,আমি এখনো অনেক ছোট
) ।বছরের শুরুর দিকে।আমাদের আগের ব্যাচের এস এস সি পরীক্ষা কিছুদিন পর।তো এস এস সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান হতে বেশিদিন বাকি নেই।প্রতিবছর এই অনুষ্ঠানের আয়োজনের দ্বায়িত্ব দেয়া হয় ক্লাস টেনের স্টুডেন্টদের কাছে। তাই ক্লাস নাইনে উঠার পর থেকেই এটা নিয়ে খুব এক্সাইটেড ছিলাম যে কবে ক্লাস টেনে উঠবো আর এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করবো 