ইউজার লগইন
ব্লগ
চিকেন ফ্রাই
উপকরনঃ
লবন = পরিমান মত
মুরগির মাংস = ৪ টুকরা
চিনি = ১/২ চা চামুচ
গুড়া মরিচ = ১/২ চা চামচ
আদা, রসুন বাটা = ১ চা চামচ
টক দই = ১ টেবিল চামচ
টেঁসটি সল্ট = সামান্য
তৈল = পরমান মত
তৈল ছাড়া সব উপকরন এক সাথে মাংসের সাথে মাখাতে হবে, মসল্লা মিশ্রিত মাংস ১০ মিনিট রেখে দিতে হবে, চুলায়ে তেল গরম হলে মাংসের টুকরা গুলো তেলে আলত করে ছেড়ে দিতে হবে( অবশ্যই ডুবো তেলে মাংস ভাজতে হবে), প্রথম ৫ মিনিট চুলার আগুন কমিয়ে মাংসগুলো ভাজতে হবে, তারপর চুলার আগুন বাড়িয়ে মাংসের হাল্কা বাদামি রং না আসা পর্যন্ত ভাজতে হবে( এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে মাংস যাতে পুড়ে না যায়ে)...।।
চটপট তৈরি হয়ে গেল চিকেন ফ্রাই... খেয়ে জানাবেন কেমন হলও...।
আকাশ থেকে ফেলছে ছায়া মেঘের ভেসে যাওয়া
একাগ্র চিত্তে তিতলি ডুবে গেলো নিজের মধ্যে। লাষ্ট সেমিষ্টারে নিজের রেজাল্ট দেখে নিজেই অবাক হয়ে গেলো। রেজাল্ট ভালো হওয়াতে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ অনেক বেড়ে গেলো। মন্দ লাগে না পড়াশোনা করতে বরং বেশ ভালো সময় কেটে যায় তার পড়ার মধ্যে ডুবে থেকে। মাঝে মাঝে এক মনে ইজেলে তুলি ঘষতে থাকে। নানা রঙ এক সাথে মিলিয়ে নিজে একটা আলাদা রঙ তৈরি করে। কল্পনা তার সীমাহীন বিস্তৃত। একদিন ভাবল আকাশটাকে লেমন ইয়েলো করে দিলে কেমন হয়? আকাশকে সবসময় আকাশি রঙের হতে হবে কেন? লেমন ইয়েলো আকাশ একে তার নীচে পিঠ ভর্তি খোলা চুলের ম্যাজেন্টা শাড়ি পড়া এক মেয়ে আঁকলো। বড় বড় চোখের কাজল পড়া সেই মেয়ে হাতে হালকা বেগুনী রঙের ছাতা ধরে রেখে ছাই রঙা বৃষ্টিতে ভিজে যাচ্ছে। নিজের সৃষ্টির প্রতি নিজেই অনেকক্ষণ মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে রইলো। আর কি করবে?
অন্য এক গুরুর সান্নিধ্যে...
তার জীবনের প্রথম সেমিনারে নাকি একজন মাত্র দর্শক ছিলেন। তা সত্বেও তিনি বেশ যত্ন করে বক্তৃতা দেবার পরে যখন চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তখন সেই একমাত্র শ্রোতা বলে উঠেছিলেন যে তাকে থাকতে হবে কারণ তিনিই পরের বক্তা! সেই লোকটাই ৮১ বছর বয়সে অর্ধেকটা পৃথিবী দূরে এসে প্রায় ১৩০০ লোককে সারাদিন মাতিয়ে গেলেন। আমি নিজে তাকে কাছ থেকে দেখার আগে ঠিক বিশ্বাস করতে পারছিলাম না যে আসলেও তিনি বাংলাদেশে এসেছেন আর আমাদের সৌভাগ্য হচ্ছে তার কাছ থেকে কিছু জানার।

অন্য এক গুরুর সান্নিধ্যে...
তার জীবনের প্রথম সেমিনারে নাকি একজন মাত্র দর্শক ছিলেন। তা সত্বেও তিনি বেশ যত্ন করে বক্তৃতা দেবার পরে যখন চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তখন সেই একমাত্র শ্রোতা বলে উঠেছিলেন যে তাকে থাকতে হবে কারণ তিনিই পরের বক্তা! সেই লোকটাই ৮১ বছর বয়সে অর্ধেকটা পৃথিবী দূরে এসে প্রায় ১৩০০ লোককে সারাদিন মাতিয়ে গেলেন। আমি নিজে তাকে কাছ থেকে দেখার আগে ঠিক বিশ্বাস করতে পারছিলাম না যে আসলেও তিনি বাংলাদেশে এসেছেন আর আমাদের সৌভাগ্য হচ্ছে তার কাছ থেকে কিছু জানার।
![]()
স্পেশাল রেসিপিঃ ট্রাই না করলে মিস
মেঘের দেশে ভাই যেদিন থেকে "এবি" তে আসলেন একের পর এক রান্না-বান্নার পোস্ট দিয়ে যাইতেসেন। অনেকেই আবার তার চেয়েও বেশী উৎসাহের সাথে সেগুলো ট্রাই মারতেছেন।
ঘটনা হইলো মেঘের দেশের ভাই দেশ ছাইড়া বিদেশ আছেন। আর কি সেই জে ডি না জ্যাঠীরে রান্না করে খাওয়াইতে খাওয়াইতে তিনি টায়ার্ড। তাই মনের দুঃখ বুকে চাপা দিয়ে তার থেকে সুখ বের করার জন্য তিনি আমাদের সাথে রেসিপি শেয়ার করেন।
এইসব রান্না আর খানা-পিনার পোস্ট দেখে আমারও একটা রেসিপি দিতে মন চাইতেছে। তাই এবি র সকল রন্ধন এবং ভোজন প্রিয় বন্ধুদের জন্য দিলাম আমার স্পেশাল এই রেসিপি।
করলার হালুয়াঃ
করলাঃ ১/২ কেজি
বাদামঃ যত খুশী
চিনিঃ যত খুশী
কনডেন্সড মিল্ক ১ কৌটা
এসেন্স ২ বোতল (সুগন্ধের জন্য)
ঘি পরিমাণ মতো
দুধ ১ লিঃ
গুড়া দুধ ৫ টেঃ চাঃ
দারুচিনি, এলাচ, জাফরান, কিসমিস, মাওয়া, নারকেল ইত্যাদি।
ডরাইসি
সকালবেলা বন্ধু স্বপন ফোন করে বললো, দুপুরের পরে ফ্যন্টাসি কিংডমে যাবে। বিকালে আড্ডানো ছাড়া তেমন কাজ ছিল না। ফ্যান্টাসিতে যেহেতু অনেক বন্ধুরা যাবে, তাই আড্ডানোর জন্য যাওয়ার মনস্থির করলাম। ৩ টার পরে আমরা তিন গাড়ীতে রওয়ানা হলাম। আমি, স্বপন, জুয়েল, তানিয়া, সিমু, কিমি, নওরোজ আর স্বর্ণা। ওখানে গিয়ে আরো অনেককে পেলাম। কাল ফ্যাস্টাসিতে ছিল বাংলালিংক প্রথম আলো মাদক বিরোধী কনসার্ট। বিনে পয়সায় পাস পেলাম। পাসের সাথে হেরিটেজ পার্ক এবং ফ্যান্টাসি কিংডমের সব রাইডে চড়ার টিকেটও পেলাম। কনসার্ট শুরু হতে আরো দেরি হবে।
ফেরাল টক: শুন্য
বিশ্বে যা কিছু আছে সবি ক্রমবিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায়। এর মধ্যে দিয়ে যা কিছু পরিবর্তন আসে তা কিছু হয় গ্রহনীয়, কিছু বর্জনীয়। পরিবর্তনগুলো যে সব সময় উন্নততর অবস্থানের দিকে নেয় তা নয়, অবনমনও ঘটায়....।
কোথাও পড়েছিলাম এমন কিছু, দুর্বল অনুবাদ করে তুলে দিলাম। আর এই বক্তব্যের সাথে একমত হবেন না এমন লোক মনে হয় পাওয়া যাবে না, কারন কথা গুলো খুব সাদামাটা-চিরন্তন সত্যটাইপ। কিন্তু সামাজিক বা পারিবারিক বা ব্যক্তিগত জীবনে এই অবশ্যম্ভাবী পরিবর্তনটা কি সবসময় আমরা হতে দেই?
ভয়ের কিছু নাই। ভারী কোন আতেলালাপে যাবো না, ঐটা আমি পারিও কম।
যে কারনে এত কথার অবতারনা।
জীবন থেকে নেয়া ------ (ফালতু)
বহুদিন কিছু লেখার সময়, শক্তি, ইচ্ছে, বিষয় কিছুই পাচ্ছি না। আজকে কোন এক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কিছু অন্য ঘটনা মনে পড়ে গেল, ভাবলাম তাই ব্লগাই। হল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে কোন ডাইরেক্ট ফ্লাইট নেই। দূরত্বও মন্দ না। আগের মতো এক টিকেটে দুই সীটের ব্যাপারও নাই। তাই পা ঝুলিয়ে ঝুলিয়ে দশ বারো ঘন্টা বসে দেশে যেতে যেতে দেখা যায় পায়ে পানি এসে পা ফুলে গেছে। কোন এক অজানা কারণে এশিয়ান হিউমিডিটি বা অন্য ব্যাপারে প্লেন থেকে নামার আগেই ফুলে যাই। একবার একটু বেশিই হলো। পা পুরা হাতির পা। কোন স্যান্ডেল পায়ে ঢুকে না। এমনকি আব্বুর জুতাও না। আম্মি অনেক চিন্তিত আমাকে নিয়ে। আমি যতই বলি কিছু না, ততোই তিনি গোস্বান। দেশের ডাক্তারের চেম্বার দেখলে আমার মৃত্যুভয় লাগতে থাকে। আমি এগুলো এড়াতে চাই। কিন্তু আমার মায়ের ধারনা আমি নিজের কোন যত্ন নেই না, বিদেশে পইড়া থাকি আর গাবাই। তাই তিনি আমাকে ধরে বেঁধে তার পোষা বারডেমের ডাক্তারের কাছে নি
শিশুবার্তা ইজ ব্যাক!
কেমন আছেন সবাই? অনেকদিন নানা ঝামেলায় এদিকে আসা হয় না। আগে নিয়মিত বাচ্চাদের ছবি নিয়ে পোস্ট দিতাম সেটাও অনেক দিন ধরে বন্ধ। ইন্টারনেটে বাচ্চাদের ছবি পোস্টানো নিয়ে অনেকে ভয়ধরানো সব সাবধানবাণী শোনায়, যার কারণে ফেসবুকে ছবি আপ্লোডানোও আগের মতো নিয়মিত না। তবুও এবির বন্ধুরা আয়লা-এষার সেই জন্মলগ্ন থেকেই সাথে আছেন, তাঁদেরকে মাঝেমধ্যে আপডেট না জানালে বড় ধরনের বেয়াদবি হবে। তাই বেশ কয়েকমাস বন্ধ থাকার পরে আবারও শিশুবার্তা নিয়ে হাজিত হলাম আপনাদের সামনে।
আয়লা-এষা এখন বেশ বড় হয়ে গেছে। হাঁটাচলা তো হাতের ময়লা, মাঝেমধ্যে প্রায় স্প্রিন্টারের গতিতে ছুট লাগায়। এদের দৌড়-ঝাপ আর দুষ্টমির দৌড়াত্মে আমার জান ঝালাপালা, তবে বড় মধুর সে যন্ত্রণা। বাপ-মা যারা তাঁরা ঠিকই জানেন।
সম্পর্কের টানাপোড়েন
সেদিন রাতে ঘরে ফেরার পর আমার স্ত্রী যখন রাতের খাবারের জন্যে ডাকলো, আমি তার হাত ধরে বললাম, “কিছু বলার ছিলো তোমায়”। ও কিছু না বলে চুপ করে খাবার খাওয়া শেষ করলো। আমি আবারো ওর চোখের কষ্টের ছোয়াঁ লক্ষ্য করলাম। কি ভাবে কি বলবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না, কিন্তু আমাকে যে বলতেই হবে যা আমার মনে চলছে।
“আমি তালাক চাইছি” - মনস্থির করে কথাটা তুললাম। অবাক হলাম যখন দেখলাম রেগে উঠার পরিবর্তে ও মৃদুস্বরে জিজ্ঞেস করলো, “কেন?” প্রশ্নটা না শোনার ভান করে এড়িয়ে যেতে চাইতেই রেগে অগ্নিশর্মা হয়ে হাতের চামচ ছুড়েঁ চিৎকার করে বলে উঠলো “তুমি মানুষ নও!”
পৃথিবীর প্রতি ভালবাসা
জীবন নদীর মত। বিভিন্নভাবেই। নদী শুরুতে নদী থাকেনা; অন্তেও নয়। জীবনও এরকমই মাতৃঝর্ণায় শুরু হওয়া এক আকষ্মিক প্রবাহের নাম যা অনিবার্যভাবেই অকরুণ মৃত্যুসাগরে বিলীন হয়ে যায়। হ্যাঁ, আমাদের জীবন আমাদের নদীগুলোর মতই। নির্দৃষ্ট্যভাবে বললে ১৭০ টন ফর্নেস অয়েল বুকে নিয়ে শোকের মত বয়ে চলা কর্ণফুলী নদীর মত। বিবর্তনবাদ বলে, জলই জীবনদাত্রী। সে হিসেবে আমরাও নদী থেকে উঠে এসেছি। খুব অল্পকাল আগে। এখনো শরীর থেকে শুকিয়ে যায়নি জলের রেখা। আর এরই মধ্যেই আমরা পৃথিবীকে হত্যায় উদ্যত হয়েছি। আমরা মনে হয় অভিষপ্ত, একিলিসের মত। ব্রিসেইস একিলিসকে বলেছিল, Killing is your only talent is your curse. হ্যাঁ, হত্যাই আমাদের একমাত্র প্রতিভা, আমাদের অভিষাপও।
যদি সতি্য না হয়ে গল্প হতো।
স্কুল এর টানা বারান্দায় দাড়িয়ে জমিয়ে আড্ডা চলছে।স্কুল এর সিনিয়র মোস্ট; আমাদের দাপট টাই যেন আলাদা । টিফিন আওয়ার এর শেষ ঘন্টা পরবে মিনিট পাঁচেকের মধে্য। জানালা দিয়ে ক্লাস রুম এ দেখতে পাচ্ছি মৌরিকে; ধরে বেধেও আজ ওকে বাহিরে আনতে পারলামনা। সেই তখন থেকে পুরো ঘর জুড়ে পায়চারী করছে আর রফিক স্যার এর দেয়া গদ্য আর পদ্য এর ব্যাখ্যা গুলো তখন থেকে আওরে যাচ্ছে।
আজ পড়া দিতে না পাড়লে জোড়া স্কেল এর মার ভাগ্যে জুটবে। কি যে করে না মৌরিটা; পড়া গুলো একদম মুখস্থ করে বসে থেকেও রফিক স্যার সামনে এসে দাড়ালে সে মুখে কুলুপ এটেঁ রাখে। আমি পাশে বসে ওকে অবাক হয়ে দেখি। এরপর যথারীতি শাস্তি।মাঝে মাঝে কি যে হয়না ওর।
জানালা
ফিডব্যাকের জনপ্রিয় গান -
কেনো খুলেছো তোমার জানালা,
কেনো তাকিয়ে রয়েছো জানি না তো,
মনে যে কি আছে বলো না......
এখনের ফ্ল্যাট বাড়ী যেভাবে একটার ঘাড়ে আর একটা উঠে আসছে তাতে করে মনে গালি ছাড়া কিছু আসার কথা না। আর যদি জানালার সামনে হয় পাশের বাসার বাথরুম বা রান্নাঘর তাহলে তো কথাই নেই।
এই কারণে হয়তো বাথরুম সিঙ্গারের চলও দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। কেউ বাথরুমে ঢুকে গান ধরলো আর ঠিক সেই মুহুর্তে যদি পাশের বাসার আন্টি রান্নাঘরে এসে কাজের মেয়ের সাথে চেচাঁমেচি শুরু করে, থাকে আর গানের মুড!!!!
মাঝে মাঝে গানের জ্বালায় অতিষ্ট হয়ে যাওয়া লাগে। আজকে সারাটা দিন পাশের বাসায় বাজালো আরাশ এর ব্রোকেন এঞ্জ্যাল। গানটা সুন্দর। কিন্তু তোমার নাহয় বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ডের সাথে ঝগড়া হইসে তাই বলে ভাই আমাদেরও শুনতে হবে চব্বিশটা ঘন্টা একই গান!!!
সর্বদলীয় ধুমপায়ী জোট
অবিশ্বাসীদের তুলনায় পৃথিবীতে বিশ্বাসী মানুষের সংখ্যা্ অনেক অনেক বেশী, দুরের নক্ষত্রের মহাকর্ষ অভিকর্ষ পৃথিবীর সামান্য কোনো পরিবর্তন ঘটাতে পারে না এই বৈজ্ঞানিক সত্যে বিশ্বাসী মানুষও পত্রিকার পাতা উল্টে ভাগ্যগননা দেখে, বছর শেষে " এ বছরে আপনার ভাগ্য কেমন যাবে" পত্রিকার পাতা উল্টে বাৎসরিক ভাগ্য পরিসংখ্যানকে আমলে নেয়। অধিকাংশ মানুষই নিজের রাশি সম্পর্কে জানে এবং এ সংক্রান্ত যেকোনো বিবৃতি বেশ গুরুত্বের সঙ্গে বিশ্বাস করে কিংবা তার উপরে আস্থা স্থাপন করতে চায়।
একান্ত ব্যক্তিগত ঘটনা - প্রাপ্তমনস্কদের জন্য
ব্রাজিলের সুপারস্টার রোলানদোর ফর্ম যখন তুঙ্গে, সেই বিশ্বকাপের সময় সাংবাদিকরা জানতে চেয়েছিলো রোনালদোর এই অফুরন্ত প্রাণশক্তির রহস্য কি ?
রোলানদো ইংগিতপূর্ণ হাসি দিয়ে বলেছিলো -
- প্রতি ম্যাচের আগে আমি আমার বান্ধবীর সাথে বিছানায় রাত কাটাই।
বিষয়টা কিন্তু ভেবে দেখার মত।
আজ বিকেলে আমি এক 'জায়গায়' গিয়েছিলাম, এমন না যে জায়গাটা নিষিদ্ধ, ভদ্রঘরের ছেলেরা সেখানে যায় না। জায়গাটার সুনাম-দূর্নাম দুটোই আছে। তবে একটা কথা বেশ দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি এই 'জায়গাটা' আছে বলেই এই শহরের মানুষেরা তাদের শরীরিক ক্ষুদা অনেকাংশে মেটাতে পারছে।