ইউজার লগইন
ব্লগ
আষাঢ়ে স্বপ্ন!
তুমি আষাঢ়ে। আমি শ্রাবনে। দুজনে মিলে আমাদের নাম হয়েছিল বরষা। তোমার অনেক দিন দেখা নাই, ক্যাম্পাস সরব হতো বরষা কই? আমি লাপাত্তা দীর্ঘ দিন। ক্যাম্পাস উদ্বিগ্ন কই বরষা? আর আমরা নিজেদের নাম ভাগ করে নিয়েছিলাম- তোমাকে ডাকতাম কচুরী ফুল। আর তুমি ডাকতে আমাকে হিজল।ঈষান কোনে মেঘ জমলে যতো দূরেই থাকিনো কেনো, আমরা এক হয়ে ঝরোবোই। প্রখর রোদ। তাপদহে প্রান যায়। ডাক পড়ে আমাদের। কোথায় বরষা? যেনো আমাদের দেখলেই তৃষ্ণা মিটবে। বইবে জলধারা। কিন্তু আমরা দু্জনে কি তুলতে পেরেছিলাম কোন মেঘ-মল্লারের সুর?
সূর্যের সমুদ্র স্নান
বিকেলের ডাকে আসাদের চিঠি এসেছে। চিঠির মুল বক্তব্য : "ইদানিং কালের অবিবাহিত মুসলিম বাঙালি মেয়েদের বোরকা প্রিয়তা এতই বেড়েছে যে, উপলক্ষ্য লক্ষ্যকে ছাড়িয়ে গেছে। যাতে মূখ্য হয়ে উঠেছে গৌণ আর গৌণ হয়ে গেছে মূখ্য। বোরকা মূলতঃ মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে তৈরি মেয়েদের জন্য এক প্রকার বিশেষ পোশাক। যা পরিধানের উদ্দেশ্যে নারীকে আচ্ছাদিত রাখা, সহজ কথায় নারীদের পরপুরুষের চোখের আড়াল রাখা। এটি হচ্ছে তাদের স্টাইল। আবহমান কাল ধরে ধর্মভীরু মুসলিম নারীরা নিজেদের একটু অবরোধ করে রাখতে পছন্দ করে আসছেন এবং এখনও করেন। তাই তারা এই বোরকার অভ্রুতে নিজেদের মুড়িয়ে রেখে বেশ সাচ্ছন্দ বোধ করেন। কিন্তু বর্তমান কালের অবিবাহিত বাঙালি মুসলিম নারীগোষ্ঠী বোরকাকে ফ্যাশন হিসেবেই গ্রহণ করেছে। তাদের পর্দা প্রথা মেনে চলা লক্ষ্য নয়, লক্ষ্য হচ্ছে নিজেদের আর একটু কামনাময়ী করে তোলা। মেয়েদের চোখের আর্ট সর্বদাই চমৎকার। কুৎসিৎ
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি-৩
বাবা গ্রামের বাড়িতে আমাদের রেখে পর দিন ঢাকায় চলে গেলেন। মেজ ভাই ছিলেন ঢাকায়। গ্রামের বাড়িতে যুদ্ধের প্রভাব তেমন একটা বুঝতে পারলাম না। তবে রেডিও অন করলে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত খবরে যুদ্ধ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানা যেতো। মনে আছে এম আর আখতার মুকুলের কণ্ঠে উচ্চারিত ‘কি পোলারে বাঘে খাইলো....’। যুদ্ধে পর্যুদস্ত পাক হানাদারদের নানা কর্মকাণ্ড এভাবে রম্যরসিকতার মাধ্যমে তুলে ধরে এম আর আখতার মুকুল মুক্তিযোদ্ধাদের উৎসাহ-প্রেরণা জোগাতেন এবং দেশের মানুষকে প্রবোধ দিতেন। সন্ধ্যার পর রেডিওতে বিবিসির খবর শোনার জন্য রীতিমতো ছেলে-বুড়োদের ভিড় জমতো। মুক্তিযুদ্ধের সময় বিবিসির খবর বেশ প্রাধান্য দেয়া হতো। এ খবরের মাধ্যমে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতো। তাই রেডিওতে বিবিসির খবর শোনার জন্য কাজকর্ম সেরে সন্ধ্যার সাথে সাথে সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়তো। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গ্রামের লোকজন খোঁজ
নিরন্তর জীবন
একটা পালতোলা নৌকো নিঃশব্দে হারিয়ে যায়
দূরে আরও দূরে যেখানে নদীটাও হারায়
কিংবা কিছুই হারায় না সব আড়াল হয়ে যায়
স্মৃতি বিসৃত হয় অনেক চেষ্টায়ও পড়ে না মনে আর
উদাস মনটাকে বিক্ষিপ্ত ভাবনায় পেয়ে বসে
যা মনে করতে পারছি না তা যেন মনে করা কতটা দরকার
নয়তো জীবনের বড় একটা ক্ষতির আশঙ্কা থেকে যায়
কিন্তু মন!
নিয়ন্ত্রণহীন!!
সে মনে করতে পারে না
তারও অনেক দিন পর একদিন স্বপ্নের ঘোরে অতীত স্মৃতি হানা দেয়
আমি বুঝতে পারি-
খুব অপ্রয়োজনীয় কিছু হারিয়েছিল যা না পেলেও চলত।
পাল তোলা নৌকার হারিয়ে যাওয়া
নদীর বয়ে যাওয়া
শীতের রিক্ততায় গাছদের পাতাঝড়া বা বসন্তে সজীব হওয়া
বর্ষা টুপ-টাপ জল পড়া
এমন সহজ বিষয়গুলো মন থেকে আড়াল হয়
কিন্তু হারিয়ে যায় না
হারায় না হাটু পর্যন্ত নগ্ন পায়ের মেয়েটি
যার পায়ে কাদার জুতো ছিল যে বলেছিল
শাপলা ফুল তার পছন্দ না- শাপলা রাতে ফোটা ফুল
সৃষ্টির ধ্বংস এবং একটি পানকৌড়ীর মৃত্যু
(১)
সৃষ্টিকর্তা ধ্বংস করে তার সৃষ্টি দিয়েই
কে তুমি?
বলতে পার তুমি ধ্বংসের নও?
আমি তো রাত দিন শুধু ধ্বংসের উন্মত্ততা দেখি, শুনি রণবাদ্য।
দেখি আহাজারি নাগাসাকির বুকে,
দেখি শুন্য স্তনে বসনিয়া মুখ গুঁজে থাকে,
রক্তাক্ত নির্যাসে ভরে উঠে স্তন শীর্ষ।
ভালবাসা হয় শত খন্ডিত,
প্রেমিক তার প্রেমের পবিত্রতায় হয় পতিত।
বাহ্যত স্বতী স্বাধ্বী,
স্বামীর অগোচরে খুলে আঁচল।
সম্পদ, ক্ষমতার উত্তাপ পেতে নিহত হয় আমার ভাই, নূর হোসেন,
আমার মা ধর্ষিতা হয় আমারই সামনে।
আহ…..
কী গভীর তোমার ধৈর্য্য।
ধৈর্য্য নাকি স্থবির তোমার চেতনা?
তুমি জান সবই, নাকি কর ভান।(আমি ক্ষমাপ্রার্থী)
সৃষ্টিকর্তা,
তুমি কি ধ্বংস হও না তোমার সৃষ্টির ধ্বংসে?
(২)
পানকৌড়ীর মৃত্যু হয়
কুয়াশা জড়ানো ঈষদোষ্ণ রাত্রী শেষের
খোলা রাজপথে
নগ্ন আমি হাটি।
পাপ-পুণ্য
জলি তার ছেলের বিয়ে নিয়ে ভীষন ব্যস্ত।। ছেলেরা বড় হবার পর জলির অনেক অবসর । ও একা হয়ে পড়েছে। তাকে দেবার মত সময় কারোরই নেই। এটা জলির অভিমানের কথা নয় এটা বাস্তবতা। জলির স্বামী রফিকুল ইসলাম ব্যাবসা নিয়ে ব্যস্ত। বড় ছেলে চলে গেছে নিউ ইয়র্ক এ পড়াশুনা করতে , ওখানেই থেকে যাবে । ফেরার কোন তাগিদ বা ইচ্ছে নেই। ছোট ছেলেটিও ভার্সিটিতে। তার জগৎ তৈরী হয়েছে আলাদা। সেখানে জলির কোন প্রবেশাধিকার নেই।
এত দিনে জলি কাজ পেয়েছে। তার ছেলে বিয়ে করবে বলে জানিয়েছে। মেয়ে সে নিজেই পছন্দ করেছে। একই ইউনিভার্সিটিতে পড়াশুনা করে। মেয়ের বাবা- মা সবাই নিউ ইয়র্কেই থাকে। তারা মেয়ের বিয়ে দিতে দেশে এসেছেন । সামনের শুক্রবারে মেয়েদের বাড়িতে যেয়ে ছেলের বাবা-মা ও মেয়ের বাবা-মা পরিচিত হবেন এবং বিয়ের দিনক্ষন ঠিক করা হবে। সম্ভবত সামনের মাসেই বিয়ের দিন ঠিক হবে।
বুঝতে চেষ্টা করি না
তারপর কী হলো-
কী আবার হবে যে দিক দুচোখ যায় শুধু চেয়ে থাকল ও
এক সময় আমার মনে হলো ও শুধুই তাকিয়ে নেই হয়তো কাউকে খুজছে
জিজ্ঞেস করলাম কী খুজছস
ভালোবাসা, নেহা বলল
কী! পাগল হলি নাকি
হ্যা পাগলই বলতে পারিস, তুই কি বলতে পারবি যখন
কোনো মায়ের গর্ভে ভ্রুণ আস্তে আস্তে বড় হয় তখন তার
কী অনুভব হয়, পারবি না কারণ সে স্বাধ কখনও
পাস নি এরপর যখন কোনো দূঘটনায় সেই ভ্রুণ
নষ্ট হয়ে যায়, তখন সে মায়ের যে অবস্থা হয় চারদিক
কিছু খুজে কী খুজে কউকে বলতে পারে না।
আমি নেহার দিকে কতক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম বলতে
পারব না দেখলাম ওর দু গালে আশ্রুধারা, এমন
পরিস্থিতিতে কী করতে হয় আমার জানা
ছিল না তবে এটুকু বুঝতে পারলাম আমি
একটা অথর্ব।
আমরা শুধু শুধু জীবনের প্রতি মায়া/ ভালোবাসা
দেখাই কোনো কর্যকারণ থাক বা না থাক অথচ
বুঝতে পারি না কেন এমন করি কিসে
আমাদের ভালোবাসা কখনও বুঝি
কখনও বুঝি না হয়তো বুঝতে চেষ্টা করি না।
কেমনে ভালো থাকি -রকিবুল ইসলাম
বাড়ির পাশের ওই বাড়িতে
হঠাৎ দেখি একটি মেয়ে
বেল্কনিতে একলা এসে
পালিয়ে গেলো চমকে দিয়ে
মুখটি ছিল চাদের মতন
মাথায়ে কালো কেশ
হাসিতে তার মুক্ত ঝরে
কথার নাইকো রেশ
স্বপ্নে আমি বিভোর হলাম
একবার তারে দেখার লাগি
কোন পথ যে পাইনা খুজে
কেমনে তারে ডাকি
ছ" মাস পর হঠাৎ সেদিন
ঐ বাড়ির ঐ দারোয়ান
ডাকছে তারে, বুয়া
জলদি একগ্লাস পানি আন্
এখন বলুন দেখি
এই ঘটনার পরে আমি
কেমনে ভালো থাকি...
এই কবিতাটা আমার অনেক পছন্দের, তাই এবির নিতিমালা ভঙ্গ করে কবিতাটা দিলাম...... 
এলোমেলো ভাবনাগুলো
পর্ব একঃ
মানুষ যখন থেকে ইতিহাস লেখা শুরু করেছে তারও অনেক আগেই মানুষ বিশেষত সামাজিক মানুষ খাদ্য নিরাপত্তা এবং শাররীক নিরাপত্তার গুরুত্ব অনুধাবন করতে পেরেছিলো, এটা আমার একটা সাধারণ অনুমাণ, ইতিহাস রচিত হওয়ার আগে থেকেই মানুষ স্থানীয় নেতা ও সম্ভবত আদিম গণতান্ত্রিক পন্থায় নিজেদের রাজন্যবর্গও নির্বাচন করতে শুরু করেছিলো, অনুমাণ করে নেওয়া যায় শাররীক দক্ষতা ও শিকারের যোগ্যতা নেতা নির্বাচনে বিশেষ ভুমিকা রাখতো। যুথবদ্ধতার শর্ত মেনেই গোত্রভিত্তিক মূল্যবোধ এবং ক্রমশঃ সংস্কৃতি বিকশিত হচ্ছিলো, এরই কোনো এক পর্যায়ে মানুষ ভাষা আবিস্কার করে এবং তারও পরবর্তী সময়ে ভাষার চিহ্ন আবিস্কার করে ভাষা ও ঐতিহ্যকে লিপিবদ্ধ করতে শুরু করে।
বিদিকে পথ চলা
অনন্তকাল ধরে আমি হেটে চলছি শত শত অলোকবর্ষ দূরের অনন্ত নক্ষত্রের মায়াভরা পথে
আমার চলার পথ আঁধারের নিষ্ঠুরতায় মোড়ানো- কিন্তু আমি চলছি আলোর পথে
নক্ষত্রের রূপালি রাত , শিশিরের কোমল স্পর্শ , মৃদুমন্দ বাতাস আমার ক্লান্তিকে শুষে নেয়- আমি জড়া-মৃত্যুহীন অনন্ত যৌবনা ২২ বছরের তরুণ যুবক। আমার জন্ম হয়েছে সেই সে আদিম যুগে । পৃথিবীর বয়স আমার বয়স সমান । আমার পথের কোনো শেষ নেই - আমি পথ দিয়ে চলি না ; আমার পায়ের তলায় পথের জন্ম হয় ।
নক্ষত্রের মায়াভরা রাত সুদূরে জ্বলছে সপ্তর্ষিমণ্ডল , পৃথিবীর তাবৎ বৃক্ষ উর্ধ্বপানে আপন গতিতে চলছে , নিরবিচ্ছিন্ন গতির মায়ায় অনন্তের পথে ওদের অবিরাম ছুটে চলা ।
পরিব্রাজকের পথ চলা আর আমার পথ চলায় পার্থক্য যোজন যোজন; আবিষ্কারের নেশা আমাকে কখনও টানে না- আমি বেখেয়ালে চলি বিদিকে ।
ঠোঁটের ব্যায়াম - ৩

১।
: নেতা আর চোরের পার্থক্য কি?
: চোর চুরি করে জেলে যায় আর নেতা জেল থেকে বেরিয়ে চুরি শুরু করে।
২।
চার জন যাত্রী নিয়ে উড়ন্ত এক প্লেনে সহসা পাইলটের ঘোষণা শোনা গেলো,“সম্মানিত যাত্রীগণ, প্লেনে আগুন ধরে গেছে, কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্লেনটি বিস্ফোরিত হবে। আপনারা দ্রুত প্যারাসুট দিয়ে নেমে পড়ুন।”
এই ঘোষণা দিয়েই পাইলট প্যারাসুট নিয়ে ঝাপ দিলেন।
প্লেনে তখন যাত্রী চার জন - একজন আমলা, দুইজন রাজনীতিক - একজন আওয়ামী নেতা, অপর জন বিএনপি নেতা এবং এক স্কুল ছাত্র। কিন্তু, দেখা গেলো প্যারাসুট মাত্র তিনটি।
আর একটা আজাইরা জোকস... ১৮+ কিনা জানিনা কিন্তু PG+
ফেসবুক পাওয়া একটা জোকস শেয়ার করলাম->
বাঘ বাঘিনিকে kiss করতে চাচ্ছিলো...
বাঘিনি অতি সন্তর্পনে এদিক ও দিক তাকাচ্ছিলো...
বাঘ জিজ্ঞেস করলো, " কি খুঁজছ?"...
বাঘিনিঃ "দেখতেছি, Discovery Channel আছে কিনা...
শালারা একটুও Privacy রাখে না....

জোকস... ১৮+ কিনা জানিনা কিন্তু PG+
ঘোলাপানি
বি.দ্রঃ ৫০ শব্দের পোষ্ট না হইলে নাকি আপলোড হবে না। এইডা কিছু হইল?
হক এবং তালুকদার সাহেবের বিয়ে বৃত্তান্ত
হক সাহেব পাখী ভালবাসেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রজাতীর পাখী সম্পর্কে জানা, তাদের ছবি সংগ্রহ করা তার জীবনের অন্যতম নেশা। বয়স সত্তরের কাছাকাছি। দেখতে এখনও নেহায়েত সামর্থবান। পত্রিকায় লেখালেখি করেন পাখী নিয়ে। থাকেন ডিওএইচএস এলাকায়। তো হক সাহেবের জীবনের এক কাহিনী সম্প্রতি জেনেছি। ৭০ সালের শেষ নাগাদ হক সাহেব বিয়ে করেন। বিয়ের ৩/৪ মাসের মাথায় আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। স্ত্রীকে বাড়িতে রেখে ভদ্রলোক ৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। কাজ করতেন বিমান বাহিনীতে। সেসময় তিনি বন্দী হন। তাকে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেয়া হয়। কয়েক মাস কেটে যায়। প্রথম দিকে তার বাসার সাথে যোগাযোগ হত। পরে তাও বন্ধ হয়ে যায়। অনেক মাস কেটে যায় কিন্তু তিনি আর ছাড়া পান না। এক সময় তার পরিবারের কাছে খবর আসে- তিনি নিহত হয়েছেন মানে তাকে পাকিস্তানে হত্যা করা হয়েছে। ঘরে তার সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী। এক সময় দু পরিবারের সিদ্ধান্তে হক সাহেবের ছো
অন্ধকার কাব্য
“ প্রতিদিন সন্ধ্যায়
সবার অলক্ষ্যে নিঃশব্দে
একটি পথহারা প্রজাপতির সুন্দর ডানা দুটো আচমকাই ভেঙ্গে ফেলি।
সে সারারাত ব্যথিত থেকে
ডানা দুটো নিঁখুত জোড়া লাগায়
পরের সন্ধ্যায় আবার ডানা ভাংগি।
সারাদিন ব্যর্থতারই প্রতিশোধ নেই, বারবার।“ দাবি পৌরুষের।
নারীত্ত্বেও কি শুদ্ধতা উপযুক্ত ?
কর্ষণের সন্ধানে বেহাত হওনি কেউ?
চেপে যাওনি কান্না পেতে অন্ধকার? ভাবনি গল্প, সাদা-কালোর কিংবা রঙ্গীন ফিসফাস? কখনই?
শুননি কোথাও, ” তুমি ভালবাসি নামধারী এক প্রকাশ্য পতিতা”।
এখানে ওখানে, সর্বত্রই
আশংকা, ধ্বংস করার অদম্য ইচ্ছা
আর সুখ বোধ
এবং মৃত্যু।