ইউজার লগইন
ব্লগ
ফেরাল টক: শুন্য
আমাদের গতানুগতিক বিনোদনহীন-বৈচিত্র্যহীন জাতীয় জীবনে মাঝে মাঝে কিছু আন্দোলিত হবার মত ঘটনা ঘটে। ২০০৯ এ ঘটেছিলো পিলখানা হত্যাকান্ড আর এবার অনেক দিন পর "রুমানা মন্জুরকে" নৃশংসভাবে আহত করা। আমি সবসময়ই এসবে বিশালভাবে আন্দোলিত হৈ। রাগে চিড়বিড় করি, কিবোর্ড কাপাই, আর ফুটবলের মত গড়িয়ে একবার "এর" কথা, আরেকবার "ওর" কথা বিশ্বাস করি।
গত কয়েকদিনে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার উপর ব্লগে-ফেসবুকে-পত্রিকায় যত লেখা পাচ্ছি পড়ছি, আর গড়াচ্ছি। আমার এখনও হাতের লেখার চেয়ে টাইপ করা লেখায় বিশ্বাস বেশি কিনা। তো গত কয়েকদিনে এই তপ্ত ইস্যু আলোচনার সাথে সাথে অগোচরে আরো কিছু ইনফরমেশন পাওয়া যাচ্ছে তার কিছু কিছু গুরুত্বহীন হলেও, কিছু ইনফরমেশন ইস্যুটির ভবিষ্যত যাত্রাপথ কি হবে তার ধারনা দিচ্ছে।
গুরুত্বহীন কিন্তু মজার ইনফরমেশন:
মেঘ বৃষ্টি আর আমি
মেঘ বৃষ্টি আর আমি
অনেক দিনপর মেঘ বৃষ্টি আর আমি
কতদিন পর--------------------
সে আজ আর মনেও নেই, এখন কেবলই স্মৃতি।
এতো দিন ছিলাম অন্য কারো
আর অন্য ভাবনায়, অন্য সময়ে
যেখানে স্বপ্রে জাল বুনা
তবে আবার ফিরে এলাম তোমার বুকে
শুধু তোমারই জন্যে
এখন থেকেই শুধু মেঘ, বৃষ্টি আর আমি।
তোমার কাছেই বেদনার আকুতি-মিনতি
তোমার সঙ্গে হাসির খেলা
আবার তোমার সঙ্গেই একসুরেই
কেঁদে কেটে ভাসাব সুখের ভেলা।
তাই আজ এই আষাঢ়ের এই ক্ষণে
চল ভাসি, মেঘ বৃষ্টি আর আমি।
স্মৃতির ফুলে বৃষ্টি ছুঁলে পরে, আমার ঘরে গন্ধ টলোমলো-১
দ্বিতীয় পোস্টেই ধারাবাহিক লেখা শুরু করাটা বাড়াবাড়ি হয়ে গেল না?
এই দুপুর রাতে হুট করে ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল, যার ফল হিসেবে অবধারিত ভাবেই বাকি রাতটা দীর্ঘশ্বাসে দীর্ঘশ্বাসে ভারি হয়ে উঠবে, করার কিছুই নেই, এরই নাম স্মৃতির শরাব। ব্যাপারটা অনেকটা "বুক যত জ্বালা করে মুখ ততো চায়" এর মতো।
আমি ছোট বেলায় উদ্ভিদ টাইপের শিশু ছিলাম (এখন কিন্তু উদ্ভিদ ভোজী বাঁদর টাইপ!) সব সময় মায়ের আচলের ছায়ায় ছায়ায় থাকতাম, শিশু সুলভ লাফালাফি খুব একটা ছিল না আমার মধ্যে। খুব একটা বাইরে টাইরে বেরোতাম না, সারাদিন ঘরে বসে বিচিত্র ধরণের খেলা খেলতাম, এই যেমন কলম দিয়ে রেসলিং অথবা ক্রিকেট খেলা, সিগনেচার পেন আর মার্কারের শিশ দিয়ে গরু বানানো, ইত্যাদি ইত্যাদি...
একজন নিশি
আমার বন্ধু ব্লগে অধমের প্রথম পোষ্ট
আকাশে চাঁদ ওঠেনি আজকে। নিশির মন খারাপ, আকাশে চাঁদ ওঠেনি সেইজন্য না, অন্যকারণে।শশী এসে চা দিয়ে গেলো।অন্যমনস্ক ভাবেচায়ে চুমুক দিতে লাগল নিশি।পিসিতে রবীন্দ্র সংগীত বাঁজছে, মন ভাল করারআশায় ছেড়েছিল , মন ভালো হওয়া দূরের কথা এখন রীতিমতো বিরক্তি লাগছে। শশী বলল-" তোর কি হয়েছে রেআপু?"
" কিছু না"- ভ্রু কুন্চিত করে বলল নিশি।শশী ফোস করে একটা শব্দ করে রুম থেকে বেরিয়ে গেল, মুখ দিয়ে বিচিত্র ধরণের শব্দ করা ওর একটা বদঅভ্যাস হয়ে দাড়িয়েছে।
গত পর্বের অলিখিত কথাগুলো
এটা গত লেখার ধারাবাহিকতা, যে কারণে মনে হয়েছিলো হাসান সাঈদের ঘৃণার একটা অংশ আমার উপরেও চলে আসতে পারে:
বাংলাদেশে শতকরা ৬০ জন বিবাহিত নারী পারিবারিক সহিংসতার শিকার হন, পারিবারিক সহিংসতার এ হিসেব শুধুমাত্র শাররীক নিগৃহনের। থাপ্পড়, ধাক্কা, কিল ঘুষি এবং বিকলাঙ্গ করে ফেলার মতো নির্যাতনকেই শুধু পারিবারিক সহিংসতার নজির হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যদি পারিবারিক কলহ এবং এ জনিত মৌখিক নিগৃহন আমলে আনা হতো তাহলে শতকরা ১০০ জন নারীই পারিবারিক সহিংসতার শিকার এমন সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যেতো।
আমার বৃষ্টিগুলো...
মাঝে মাঝে জীবনটাকে নিয়ে আর চলার ইচ্ছাটুকু অবশিষ্ট থাকেনা। আবার ভাবি এভাবেই হয়তো বেঁচে থাকতে হয়। মনের অজান্তে ভেসে ওঠা এত্তো এত্তো কথাগুলো নাগরিক জীবনের সাথে এতটুকু মিল এনে দিতে পারেনা। যেন মনে হয় দু পাশের দু দিক। আঁকাবাকা পথে, সোজা পথের খোজ আর ক্লান্ত পথিকের ঘামে ভেজা শরীর। মায়া আর স্বপ্ন ভরা জীবনের বাকিটা পথও হয়তো এভাবেই কেটে যাবে, আর নয়তো কিছু একটা অন্যরকম ঘটবে!
আজ থেকে বেশ কিছুবছর আগে, যখন বৃষ্টিগুলো আসতো সুখের ভেলা নিয়ে। জানালার পাশে বসে দুরে কুয়াশার মত বৃষ্টি দেখতাম। চলে আসতো আমার কাছে। ময়াবনের মায়াজাল নিয়ে, সে এসে কানে কানে বলে যেত ভালবাসার কথা। হ্রদয়কে ভিজিয়ে দিত, গান শুনাতো আর প্রতিটি ফোটা শব্দে যেন ভেসে যেতাম তারি ভেলায়। মেঘেদের দেশে এসে, ভালবেসে, অবশেষে ফিরতাম বাড়ী। যেন-
"এমন দিনে তারে বলা যায়
এমন ঘনঘোর বরিষায়
এমন মেঘস্বরে বাদল-ঝরঝরে
তপনহীন ঘন তমসায়"
একটি রসগোল্লা পোস্ট- উৎসর্গ (বৃষ্টি)রাসেল ভাই!!
আমরা বন্ধুর একটা ভালো দিক কিছু হইলেই আড্ডাবাজি করে, আর কয়দিন পরে পরে খেয়াল হইলে একটা কইরা ই- বুক বের করে। ই- বুক বের করাটা অনেকটা হুজুগে ব্যাপার। সবাই করে, তাই আমরাও না করলে কেমন দেখায় টাইপস!! 
শুরুতে শুরুতে খুব হাউ- কাউ করে চারটা ই- বুক বের হইল। আমরাও খুশিতে বাক- বাকুম!! কিন্তু, তারপরেই আর কারো তেল নাই। তাই মাঝে কয়দিন কোন ই- বুক নাই। হঠাৎ করে টুটুল মিঞার উস্কানিতে রাসেল ভাইয়ের নাচুনি বুড়ি সাজা, তারই ফলে পোস্ট আমরা বন্ধুর বৃষ্টি- বিলাসি ই- বুক। স্টিকি হওয়া, সবাইকে খোঁচানিতে রাসেল ভাইয়ের রাত জাগা আর আমাদের পালায়ে পালায়ে থাকা!!
যাই হোক, আমরা বহুত দিন ঘুরায়ে- পেঁচায়ে লেখা দিলাম। কথা ছিল আষাঢ়ের প্রথম দিনেই ই- বুকের দেখা মিলবে। কিন্তু, আফসোস!! দেখা পাইলাম না!! আমরা কি আর জানতাম, মডুর বিলম্বের আড়ালে রাসেল ভাই, নজরুল ভাই আর লোকেন ভাইয়ের গোপন ইচ্ছা!!!

সবার জন্যে নয়
আবেগাক্রান্ত এবং যারা ব্যক্তিগতভাবে রুমানা মঞ্জুরের সাথে সম্পর্কিত তারা অনুগ্রহ করে এ লেখাটা পড়বেন না, তাহলে সাঈদের প্রতি ঘৃণার একটা অংশ আমার উপরেও বর্ষিত হতে পারে। আবেগাক্রান্ত সময়ে এমনটাই স্বাভাবিক আর চলমান ঘটনার ভেতরে থেকে ব্যক্তিগত সম্পর্কের জায়গা থেকে নিরাবেগ হতে পারাটা কঠিন এবং মানবিকতার জন্য অপ্রয়োজনীয়।
বৌ পিটিয়ে পৌরুষ জাহির করার প্রবনতা সব সমাজেই আছে, সভ্যতার একপর্যায়ে সম্পদ হিসেবে নারীর ভুক্তি নারীকে শুধুমাত্র পণ্য করেছে, মানুষ হিসেবে তার স্বীকৃতি সীমিত , গেরোস্থালী আসবাব কিংবা নিছক গৃহসজ্জ্বা এবং রমণ ও সন্তান উৎপাদনে প্রয়োজনীয় যন্ত্রের বাইরে পৃথক মানুষ হিসেবে তার অস্তিত্বের স্বীকৃতি মেলে নি এখনও।
প্রিয়া তুমি কার?
যদি জীবন মৃত্যুর মাঝ পথে দাড়িয়ে,
জীবনের সব কিছু হারিয়ে,
তোমার কাছে এসে যদি বলি প্রিয়া তুমি কার?
বলবে কি আমি শুধু তোমার।
যদি দুরারোগ্য কোন রোগে প্রহর গুনি মৃত্যুর দুয়ারে,
তবে কি বলবে আমায় সত্যি করে?
আমি শুধু তোমার,
আপন করে নাও আমাকে,
ভালবেসে জায়গা করে দাও তোমার বুকে,
আজীবন থাকবো পাশে সূখে আর দুঃখে।
তবে;
আমি হয়ে যাবো ভাষাহীন,
তোমার দুচোখে যাবো হারিয়ে,
অপলক নয়নে শুধু দেখবো তোমাকে মনের যন্ত্রনা সড়িয়ে,
দুচোখে বয়ে যাবে অশ্রুর বন্যা,
সেই অশ্রু ধারা বলবে আমার মনের ভাষা,
বলবে মনের আকুতি,
খুশিতে হবো আত্মহারা।
যদি মানষিক ভারসাম্য হারিয়ে পাগল হয়ে যায়,
তবুকি চিনবে আমায়?
আমি যদি তোমাকেও না চিনি,
তবুও কি চিনবে আমায়?
পাগল বলে ধিক্কারে তাড়িয়ে দেবে নাতো?
তখন কি বলবে ও পাগল নয় ও আমার প্রিয়?
যদি চিন্ন বস্ত্র,অগোছালো চুলে তোমার সামনে এসে দাড়ায়,
যদি তোমায় দেখে স্মৃতি ফিরে পায়,
প্রথম বরষা
বরষার প্রথম দিনে ছবি ব্লগ
ঘুমানোর আগে রোজই মোবাইলে এলার্ম দিয়ে রাখি। আর সকালে এলার্ম বাজতে শুরু করলেই বন্ধ করে দিয়ে আরাম করে ঘুম দেই। আর যখন চোখ মেলে তাকাই তখন ঘড়ির দিকে একবার চোখ পড়তেই লাফ দিয়ে উঠে মোটামুটি দৌড়াদৌড়ি করে অফিসের জন্য রওনা দেই। প্রতিদিনের এই রুটিনের আজই ব্যতিক্রম হলো। ভোরবেলায় ঘুম ভাঙ্গতেই বিছানা ছেড়ে দরজা খুলে বারান্দায় দাঁড়ালাম। কি মিষ্টি একটা সকাল! অনেকগুলো চড়ুই পাখি কিচিরমিচির করছে, বারান্দার সামনে নীচের খোলা জায়গায় অনেক ফুল ফুটে আছে। মনটা স্নিগ্ধতায় ভরে গেলো। ভালো ছবি তুলতে পারি না তবু কিছু ছবি তোলার চেষ্টা করলাম। সাহস করে ছবিগুলো সবার সাথে শেয়ার করলাম।
আমরা লজ্জা পাই !!!
'কক্ষে ঢুকেই পিছন থেকে হামলা চালায় ও। চুলের মুঠি ধরে দুই চোখে আঙুল ঢুকিয়ে দেয়। কামড়ে নাক-মুখ ক্ষত-বিক্ষত করে। রক্তে পুরো শরীর ভরে যায়। এক পর্যায়ে মেঝেতে পিছলে পড়ি নিজের রক্তের উপর।' কথাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক 'রুমানা মনজুরে'র। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠের একজন শিক্ষিকার যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে সমগ্র দেশের চিত্রটা আসলে কি?
ভাবতে অবাক লাগে আমরা এত সুন্দর সভ্য সমাজের মানুষ! যে সভ্য সমাজে একবিংশ শতাব্দিতে এসেও আমাদেরকে মৌলিক শিক্ষাগুলো গলধঃকরণ করতে হয়। সারাদিন রাত ভেবে ভেবে অনেক বড় মাপের মানুষ হয়েও ভুলে যায় আমাদের নৈতিকতাকে। বা, কি চমত্কার! যেন সিংহের মত আমি পুরুষ, নারীদের চোঁখ উপড়ে নিতে পারি। এটাই মনে আসল নৈতিকতা!
রুমানা মঞ্জুর :: প্রতিদিন ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার প্রকাশ মাত্র
দুই/তিন হলো সংবাদটা একটু চেপে চেপেই প্রকাশ হচ্ছে। কেউ ঠিকমতো মুখ খুলছিল না। হয়তো আমাদের সামাজিক অবস্থার কারণেই মধ্যবিত্তের কাছে বিষয়টা খুবই লজ্জার। ঘটনা প্রকাশ পেলে যে ঘটনা ঘটাল তার কিছু হয় না... বরং যারা ঘটনার শিকার তাদের লজ্জাটাই বেশী হয়ে দাঁড়ায়। চারিদিক্ থেকে বিভিন্ন প্রশ্নের বান ছুড়ে আসে.... মামলা কোর্টে উঠলে তো আরো বিব্রতকর অবস্থা করে ছাড়েন প্রতিপক্ষের আইনজীবী
... এরম একটা সামাজিক অবস্থায় আসলে কেউ ঠিক মত প্রকাশ করতেও চায় না....
প্রায় সকল প্রিন্ট মিডিয়া এবং স্যাটেলাইট চ্যানলগুলো অবশেষে সময় পেল ঘটনাটি জনসম্মুখে আনার। গতকাল থেকে প্রায় সকল পত্রিকায় প্রথম পাতায় ... সকল নিউজ মিডিয়ায় বারবার সংবাদ এবং এর পর্যালোচনা... কিন্তু ঘটনাটি ঘটে জুনের ৫ তারিখে...
কাঁঠাল
জাপানি সহকর্মী হঠাৎ করেই গ্রুপ-ইমেইল ছুঁড়ে বসলেন। তিনি জানতে চান, বাংলাদেশের জাতীয় ফল হিসেবে কাঁঠাল নির্বাচিত হওয়ার কারণ কী?
আমরা পড়লাম বিপাকে। এই প্রশ্নের উত্তর তো আমরাও জানি না। কয়েকজন দেখলাম ইন্টারনেটে সার্চ দেওয়া শুরু করেছেন। কারণ বিষয়টি অতীব জন-জাপানি-গুরুত্বসম্পন্ন। তাঁকে এই সপ্তাহের মধ্যেই এই ইনফরমেশনটা দিতে হবে। জাপানের সরকারি টিভি চ্যানেল এনএইচকে এই বিষয়টার ওপর একটা ডকুমেন্টারি তৈরি করবে। শুধু তাই নয়; কাঁঠাল দিয়ে তৈরি করা কোনো খাবার বা তরকারির ছবিও লাগবে। তাছাড়া কেউ কাঁঠাল ভেঙ্গে খাচ্ছে- তেমন একটা ছবি হলে জুৎসই হয়।
ক্যাপশন: আর কী ক্যাপশন দিমু?
বিরল মৌতাতে সাহসী ভোরের একজন
হুলোর ছোঁকছোঁক
উঁকি দিয়ে পাহারা দেয় বিড়াল চোখ
সহানুভূতির আশায় করে ছোঁকছোঁক
হুলোভাবে ছানা তার, গিন্নীকে এখন
তাই দেয় অনেক মনোযোগ।
লোক দেখানো এসব অভিনয়
নয় তো অজানা
অনতিক্রম্য সেই ব্যবধান নিজ হাতে হুলো
টেনেছে যার সীমানা
করাল অক্ষিতে গোলাপের নিশানও
মাপি ভীষন সতর্কতায়
ফুটো করে জল প্রবেশ হবে না তো
আর আমার নায়।
সাঁতার জানি, হয়েছি তো মাঝি মাল্লার
হারাব না হাল, সবটা জানি এখন নিশানার।
(০৪.০৪.১১)
বিরল মৌতাতে সাহসী ভোরের একজন
শেষ বসন্তের এলোমেলো বৃষ্টিতে তোমাকে
অনায়াসে গুঁজে দিতে পারতাম আমি!
একবার ঝড়ো ঘূর্ণিতে পড়লেই তুমি জানো
কেমন নিস্পৃহতায় আমি ভুলে যেতে পারি
এ নষ্ট শহরের ধর্মব্যবসায়ীদের ছল,
তোমার স্মৃতি,
তা আমি করিনি ইসাবেলা।
এক্বাদোক্বা খেলার মতো আছি, আছি, নাই, নাই
করতে করতে খরচোখে আমি সব দেখি