ইউজার লগইন
ব্লগ
বিষন্ন সংগম
হায়রে, হয় এমনই সব।
এই যেমন,
এই বাবলা-সবুজের আড়ালে
দ্বিগন্ত হারালো রং,
স্বন্ধ্যা তাড়িয়ে নিয়ে গেল পাখিদের,
অন্ধকার চিৎকারে বলল, “ যাও, ঘরে ফিরে যাও”,
বলল, কার্যতঃ নির্বাক থাকতে সকাল অবধী।
স্নিগ্ধ হাসনাহেনাকে বলল, ছড়িয়ে দিতে বিষন্ন সংগম।
আমাতে তোমাতে সকল প্রস্তুতি শেষে,
অতল অন্ধকার ফুড়ে গহীন কালো জন
কাঙ্খিত সপ্ন বাসরে হানে এক বিষধর ছোবল,
নীলে নীলে ভেসে যায় শুদ্ধ বেনারসী।
এবং, ঐ জ্যোৎস্না ছায়ার জোনাকীরা নিঃশব্দে উঠে যায় বিবিধে।
হায়রে, হয় এমনই সব।
হায়রে, এমনই সময় আমার,
হাটু মুড়ে নির্বাক চেয়ে থাকা।
শিখতে চাই
আমি সারাক্ষন চেষ্টা করেই যাচ্ছি কি ভাবে ইমো ব্যাবহার করতে হয় তা শিখতে । কিন্তু কিছুতেই পারছি না। কোন ভাবেই না । কত সুন্দর সুন্দর ইমো কিন্তু আমি পারছি না। স্বাভাবিক ভাবে ইমোর গায়ে ক্লিক করলেই আসার কথা আসে না। ড্রাগ করে টেনে আনলে http://amrabondhu.com/sites/all/modules/smileys/packs/Roving/crazy.png এই ভাবে আসে । কপি করে পেস্ট করলে http://amrabondhu.com/sites/all/modules/smileys/packs/Roving/glasses.png এটা আসে। কিভাবে ইমো পোস্টে দেব ? কেউ কি শেখাবেন বন্ধুরা।
তারপর একদিন এগিয়ে এসেছিলো সমাপ্তি
একটানা রাপ শুনতে থাকলে যে ঝাকুনিটা তৈরী হয়, বিশেষ করে মাথায়; সেটা সম্পর্কে একটু ভাবছি। এমন করে কি লেখা সম্ভব যে, পড়ার সময় মাথায় ক্রমাগত ঝাকুনি দিতে থাকবে? হুমায়ুন আজাদ স্যারের ফালি ফালি করে কাঁটা চাঁদ বইটা পড়ার পুরোটা সময় একটা ঢেউএর ওপর ভেসেছি। যখন লেখক যেভাবে চেয়েছেন সেভাবে দুলিয়েছেন। গল্প বলার ছলে মাঝে মাঝে পাঠককেই যেন প্রশ্ন করেছেন, আর এইমাত্র যে বিষটা ঢাললাম সেটা কেমন লাগলো?
জানি একটা পুরুষতান্ত্রিক সমাজে পুরুষেরা কোনো নারী নায়কের চরিত্রকে নিজের মাঝে রূপ দিতে পারে না। আর ছেলে চরিত্রটাতে নিজেকে প্রতিস্থাপন করার কোনো যৌক্তিকতা নেই, ওই উপন্যাসে। লেখক অন্তত রাখেন নি। ছেলেটার ছবি এঁকে তিনি শুধু দেখিয়ে দিতে চেয়েছেন পথ। বলবো, শেষ পর্যন্ত এটা একটা অসামান্য উপন্যাস। বাংলার জমিনে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা হীরে-জহরতের একটি বড় খন্ড।
এলোমেলো
কোন প্রত্যাশা থেকে নয়....কোন অপ্রাপ্তি নয়....অথবা প্রাপ্তির পরে তৄপ্তির কোন অনুভূতিও না। কোন কিছুই না তবু কিছু তো একটা.........যা অনবরত খঁুচিয়ে যাচ্ছে।
ছাদের দক্ষিণ কোন যা অলিখিতভাবেই িলখেপড়ে নেয়া হয়েছে নিশির। ছাদের ঐ কোনাটা যেনও তারই। এখানে বসেই চলে যত রাজে্যর ভাবনা-চিন্তা। দক্ষিণ হাওয়ার উন্মাদনায় িনজেকে ছেড়ে দিয়ে চলতে থাকে অনবড়ত হিসেব-নিকেষ।
যার ফলাফল বরাবর এর মতই আসে শূন্য। এলোমেলো বাতাসের মত ভাবনা গুলো ও ছন্নছাড়া হতে থাকে। সুতোর মালায় যখন ভাবনা গুলো বাধা পড়েনা তখন অজান্তেই নিশির ভ্রূ যুগলের মাঝে ভাঁজখানা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
আমার যাদুমনি (১৫)
বেগুন ও টমেটো ভর্তা
আসেন বেগুন আর টমেটো ভর্তা বানাই।
বেগুন ভর্তাঃ
বেগুন-১টি
শুকনা মরিচ-ইচ্ছা মতো
লবণ-ইচ্ছা মতো
পিয়াজ-ইচ্ছা মতো
ধনিয়া পাতা-ইচ্ছা মতো
সরিষার তেল-ইচ্ছা মতো
বেগুন টারে গোল গোল করে কেটে নিয়ে একটা ফ্রাই প্যানে বসিয়ে ঢেকে দিন। কিছুক্ষন পর পর নেড়ে দিন। কিছুক্ষন পর একটু পানি দিন।আবার ঢেকে দিন।পাঁচমিনিট পর ঢাকনা তুলে দেখুন বেগুন সিদ্ধ হয়েছে কিনা? সিদ্ধ হলে নামিয়ে ফেলুন।এবার আরেকটি ফ্রাইপ্যানে শুকনা মরিচ ভেজে নিন। এবার কুচি কুচি করে পিয়াজ আর ধনিয়া পাতা কাটুন। বেগুন, লবণ,পিয়াজ ,ধনিয়াপাতা একসাথে ডলা দিন।খাঁটি সরিষার তেল দিয়ে আবার একটা ডলা দিন। হয়ে গেল বেগুন ভর্তা।
টমেটো ভর্তা
টমেটো-১টি
শুকনা মরিচ-ইচ্ছা মতো
চ্যাপলিনের “দ্যা গোল্ড রাশ” (১৯২৫)

কয়েক দিন আগে নামালাম সিনেমাটা । চ্যাপলিন অনেকবার বলেছিলেন “দ্যা গোল্ড রাশ”এর জন্য তাকে স্মরণ করলে তিনি সবচেয়ে খুশী হবেন । কমেডি, ড্রামা, ট্রাজেডি আর রোমান্সের এক অসাধারণ নান্দনিক মিশ্রণের ফলাফল এই ছবি, যাতে চ্যাপলিন একাধারে অভিনয়, পরিচালনা, চিত্রনাট্য রচনা ও প্রযোজনা করেছিলেন ।
৪৬ হাজার টাকার বৌ
জলপাইগুড়ির পাহাড়পুর গ্রামের দিনমজুর অমৃত রায়। ঘরে সুন্দরী বৌ। যিনি আবার শিল্পীও। লোকজ গান করেন। দিনমজুর হলে কি ঘরে সুন্দরী বৌ থাকতে পারেনা ? অবশ্যই পারে। তিনি কি গান গাইতে পারেন না ? তাও পারেন। তাহলে সমস্যাটা কী ?
সমস্যা হচ্ছে- অমৃত রায়ের অভাব। অভাবে পড়ে তিনি প্রতিবেশি জহির উদ্দিনের কাছ থেকে টাকা ধার করেছেন। ধার তিনি করতেই পারেন। যদিও টাকার অংক নেহায়েত কম নয়। ৪৬ হাজার টাকা। তবে এ টাকা অমৃত বাবু একবারে নেননি। বিভিন্ন সময়ে নিয়েছেন। কিন্তু অমৃত বাবু অভাবের তাড়নায় জহির উদ্দিনের টাকা আর ফেরৎ দিতে পারছেন না।
ছোট গল্প ১
বৃষ্টির ছাট এসে গায়ে পরতে ঘুম ভেঙ্গে গেল রফিকের। মাথার কাছের জানালাটা খোলা। খুব গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিল, তাই কখন বৃষ্টি এসেছে টেরই পায়নি। উঠে জানালাটা বন্ধ করে দিল। ডাইনিং রুমের জানালা বন্ধ কিনা দেখবার জন্য ডাইনিং রুমে এল। রাস্তার ম্লান আলোতে দেখলো জানালা ধরে দাঁড়িয়ে আছে নিপা। বৃষ্টিতে ভিজছে দেখে ওকে ঘরে যেতে বললো। নিপা কিছু শুনতে পেল কিনা বোঝা গেল না। একেবারে পিছনে এসে কাঁধে হাতটা রাখলো। সাথে সাথে নিপা রফিকের গায়ে হেলান দিল। কিছুটা অবাক হয়েই রফিক মৃদু স্বরে বললো ----ঘরে যাও ঠান্ডা লাগবে। কেঁপে উঠলো নিপা, চমকে সোজা হয়ে দাঁড়ালো। কোন দিকে না তাকিয়ে চলে গেল ওর ঘরে। নিপা ওর গায়ে হেলান দিয়েছে বলেই কি রফিক তাকে ভাবী ঘরে যাও কথাটা বলতে পারলো না।
পাখির মত দিন

হে খোদা এতো রোদ দিওনা, এতো গরম হল্কা দিওনা, বৃষ্টি দিওনা, শুধু ছায়া আর ঝিরঝিরে বাতাস দাও । তোমার কাছে এই একটাই চাওয়া । আর কিছু কখনও চেয়েছি বলো?
সকালের ঘুম ভাঙ্গা প্রথম প্রার্থনা তন্ময়ের । প্রতিদিন একই চাওয়া ওর ইশ্বরের কাছে । যতই বলুক আর কিছু চাইনি, ও কিন্তু শীতে একটা গরম কম্বল দিতে বলেছিল ইশ্বরকে । তখন শুধু পাতলা একটা লেপ ছিল ওর । তারপর সত্যি একদিন মিলেছিল একটা নতুন ফুলতোলা কম্বল ।
আমরা কি আসলেই বন্ধু???
আমরা বন্ধুতে আমি নতুন না, অনেক আগেই এখানে রেজিশট্রেশন করেছিলাম। এখানে যখন
আসি তখন ভাবতাম সবাই বুঝি সবাই বুঝি সবার বন্ধু। কিছুদিন পাঠক হয়ে থাকলাম তারপর আস্তে আস্তে কমেন্ট দেয়া শুরু করলাম। তারপরেও দেখলাম ,এখানে যারা ব্লগায় তারা শুধু তাদেরকেই কমেন্টের উত্তর দেয়, নতুন কাউকে চোখে পড়ে না। একেই বলে আমরা বন্ধু।
মনে দুঃখ নিয়ে এখান থেকে চলে গেলাম। মনে মনে ঠিক করলাম এখানে আর আসব'ই না।
অনেকদিন পর হাসান ভাই আর জয়িতা কে হাতে নাতে ধরলাম আমার ব্লগ প্রোগ্রামে। আমারব্লগের প্রোগ্রামে ইনভাইটেশন পেয়েই তারা এসেছিল। হাসান ভাইকে বললাম ,
আপনারা যারা যারা যাদেরকে চিনেন শুধু তাদের সাথেই আড্ডান তাই আর আমরা( আমি আর সুবর্না ) আমরা বন্ধুতে যাই না।
শুধু এই অভিযোগ আমার না, সুবর্নার'ও আছে।
সেদিন থেকে শুরু করে আমরাবন্ধুতে লগিন করার অনেক চেষ্টা করলাম, কিছুতেই কিছু হোলো না।
মৃত্যূর পর আমার কবিতা লেখার কথা ছিলো
নিউজপ্রিন্টের ফর্মা খাতাটি মুক্তি দিচ্ছে না। প্রতিনিয়ত পৃষ্ঠাগুলো আমার কলমের কালি চুষে খেতে চায়। প্রকৃতি খুবই নিষ্ঠুর। আজ পর্যন্ত ক'জন ছেলে ওর প্রেমে আত্মাহুতি দিয়েছে? জানি না, কিন্তু আমিও সেই দলের একজন সদস্য। এখন আমাকে যদি হেলিকপকপে বেঁধে কোনো নির্জন বনের গহীনে ফেলে রেখে আসা হয়, তাহলে আমি সেখানে নিরবচ্ছিন্ন শান্তিতে মৃত্যূর প্রতীক্ষা করতে পারি। ভালবাসাটা পূর্ণতা পায়।
অসাধারণ লাগে নীল রৌদ্রকরোজ্জ্বল আকাশ। কোনো কোনো দিন বৃষ্টিস্নাত ভোর পার হয়ে অল্প কিছু সময়ের জন্য এমন আকাশের দেখা মেলে। নগরজীবন বড় যাতনাময়। অভাব, না পাওয়ার ভীড় এত বেশি যে; যেমনটি চাই তেমন নীল উজ্জ্বল আকাশ ভীষণ দুর্লভ। শাদা পেঁজাতুলা মেঘের প্রাসাদের ওপর আপন আলোয় উদ্ভাসিত একটা ঝকঝকে সূর্য দেখার আশায় চোখ দু'টো শান দিয়ে রেখেছি অনেকদিন হলো।
পুরাতন কিছু প্রকাশ না করার বিধান অস্বীকার করি
কিছু প্রকাশ যখন করতেই হবে তখন নতুন কিছুর চেয়ে
পুরাতনই ভালো, সেসব নির্মিত আখ্যান যার ভেতরে সটান ইচ্ছেবালক
দাপিয়ে বেড়িয়েছে এতকাল তার ঝাপটায়
পেছনে ফেরাই ভালো!
নতুন কিছু বলার চাইতে তোমাকে আগের কথাই বলি
যারপরে মূলত নতুন কিছুই জমে না, জন্মের কবন্ধ নেই
তার মুখোশ থেকে কালিঝুলি মাখা সংলাপগুলি
পালকের মত উড়িয়ে দিয়ে, দেই।
যখন কিছু প্রকাশ করতেই হবে নতুন,
তখন পুরাতনকেই তৈরী করি মনের মতন।
অনুভূতি
সকালে মেইল চেক করে যখন দেখলাম, আমি “আমরা বন্ধু” তে এন্ট্রি পেয়ে গেছি, মনে হ’ল এইমাত্র একটা এওয়ার্ড পেলাম। বন্ধুরা ধন্যবাদ। চেষ্টা থাকবে আপনাদের যোগ্য সহযোদ্ধা হওয়ার।একটু সময় লাগবে বুঝে উঠতে ব্লগের কিছু নিয়ম, লেখা ফরমেট ও ইত্যাদি।আপনাদের সহযোগীতায় নিশ্চয়ই কাটিয়ে উঠবো বাধাগুলো।ভুল করতে করতেই শিখে যাবো একসময়। সবার আবেগ ছুঁয়ে যাক ঐ বেহুলা প্রণয়।
তরুণীর ডানা বিষয়ক জটিলতা
#
আমার একটা ডানা ছিল। ডানাটি ছেঁড়া ছিল। একদিন উড়তে গিয়ে ঠাস করে পড়ে গিয়ে খেয়াল হলো, ডানাটি ছিড়ে গেছে, ভেঙে গেছে, কেউ এসে ভেঙে দিয়েছে।
আমি খুব শপিং করতাম। এটা-ওটা কিনতাম, শুধু শুধু দরদাম করতাম। কখনো কিছু না কিনে চলে আসতাম। মার্কেটে ডানা পাওয়া যেত না। আমার ডানাটি ভেঙে গিয়েছিল।
প্রায় একা একা হাঁটতাম, একা একা হাঁটি। তাকিয়ে মানুষ দেখি। ফুটপাতে ক্লান্ত পথচারীর পাঁজরভাঙ্গা নিঃশ্বাস দেখি, স্কুল ছাত্রদের চোখভরা আনন্দ দেখি, বেণী দোলানো তরুণীর হেঁটে যাওয়া দেখি। আমার দেখতে ভালো লাগে। কেবল, আমার মতো এক ডানা-ওয়ালা কাউকে দেখি না। আমি একটা ডানা খুঁজছি কিছুদিন ধরে। আমার ডানাটি কেউ এসে ভেঙে গিয়েছিল।
#
ধানমন্ডি থানায় ধুলো পড়া গাড়ির সাঁড়ি। পেরিয়ে এগিয়ে যাই। ঘর্মাক্ত পুলিশের চোখ খেলা করে- আমার মাথা থেকে নিচে। ওড়না পেঁচানো আমি, লোকটি কী দেখতে পাচ্ছে আমার ডানা নেই?
আমার ডানা হারিয়ে গেছে।


