ইউজার লগইন
ব্লগ
গল্প বলা ও তার শেষ--
কাল রাতে ছিল প্রচন্ড গরম । সেই সাথে পোকা আর মশা। সমস্ত বাড়ির লাইট অফ করে দিয়ে বারান্দায় শিতল পাটি বিছিয়ে বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম বাচ্চাদের নিয়ে। আমাদের জায়গা হয়েছে মেঝেতে কারন শীতল পাটি জুড়ে ওরা দুইজন। পিচ্ছিগুলির জ্বালায় নিজেদের কোন কথা বলার উপায় নেই। ওদের কথাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন এবং বিশেষ জিরুরী যা সেই মুহুর্তেই শুনতে হবে। তার জবাবও দিতে হবে।
আমার ছয় বছরের ছেলের প্রশ্ন --আচ্ছা মা ছেখ হাসিনা আর খালেদা জিয়া কি ঢাকায় থাকে?
--- হ্যাঁ ঢাকায় থাকে।
--- ও তাই জন্যে বুঝি সব ভাল ভাল জিনিস ঢাকায় পাওয়া যায়?
আসেন শোক শোক খেলি...

টাকার অভাবে লোকটাকে চিকিৎসা শেষ না করেই দেশে ফিরে আসতে হয় । নিজের মৃত্যুর দিকে নিজেকেই দ্রুত এগিয়ে যেতে হয়েছে তাকে ।
আর আমাদেরও যেন তর সইছিলো না, জীবিত গুরু আর প্রয়োজন নেই আমাদের । এবার মর গুরু, তোমাকে নিয়ে হেড লাইন হবে, চটকদার স্টোরি, টকশো তে স্মৃতিচারণ, একটু কান্নাকাটি – মিডিয়া আর মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের ব্যাওসা ভাল ।
জীবিত গুরুর বিক্রয়-যোগ্যতা আগেই ফুরিয়েছিল, শেষ জীবনে এসে কোন কোম্পানি তার এ্যালবাম বের করতে চায় নি, তাই নিজের পকেটের পয়সা খরচ করেই এ্যালবাম বের করতে হয়েছিল তাকে । এখন, মৃত গুরুকে বেচে যা পাওয়া তাই সই । তাই শুরু হোক, শোক শোক খেলা...
~
(আমি সম্মান জানিয়ে যাই সেই গুরু-মুক্তিযোদ্ধা কে যিনি কখনো বিক্রি হননি... )
গড়িয়ে যায় দিন
সকালে যোগ ব্যায়াম, হালকা মূচ্ছর্না
পাশপাশি সবুজ রঙ উষ্ণ জল।
দুপুরে হোক ভুরি বা লোকমা ভোজ
অতপর তোমার মরুদ্যান চাই।
বিকেলটা নয় মোটেও সাদামাটা
পায়চারি থেকে ফিরে খড়ম বিস্কুট।
রাটটা বেশ ঝকমকে ফিরে যাওয়া শাহী যুগে
ভোজন পর্বে কাল ক্ষেপন, ফর্দ বদল প্রতিদিন।
গড়িয়ে গড়িয়ে যায় দিন
অপেক্ষা আসবে সেই সুদিন...
গামলা, পেয়ালা, বাসন কিংবা কোন কাটাতে
যদি উঠে আসি আমি তোমার জীহবার কাছাকাছি!
পড়ন্ত বিকেল
ক্লান্ত মনে গ্রীলজানালার পাশে সুদুর নিলীমা ঘেষে-
কখনও বকপাখি আবার কখনও বা চিল,
দেখেছি উড়ে যেতে অসম উচ্চতার
প্রতিযোগীতায় মেতেছে অধীর।
সুপ্ত ইচ্ছার হাতছানি মৃদু শরীরের ঝাকুনি বেয়ে
নীচে নেমে যায় শান্ত প্রকৃতির সাথে হাত মেলাতে।
মৌনক্ষুধা বক্ষে বেধে রাখি,
কখন সে আসবে-
আলিঙ্গনে তৃপ্ত হৃদয় হবে রঙ্গিন।
যখন হবে শেষ ঐ সব রাত্রির যবনিকা টানা
তখন আমি আসব তোমার সাথে।
ঐ হাতে একঠায় রাখবে ধরে তুমি ঝালমুড়ির ঠোঙ্গা,
তুমি রবে মোর পানে চেয়ে, আর-
আমি শশব্যস্ত ঝালমুড়ির পানে।
কখন যে নামবে সন্ধ্যা
আকাশের বুকে দেখবনা আর সেই-
কখনও বকপাখি আবার কখনও বা চিল
গ্রীলজানালা ধরে চেয়ে থাকি নির্বাক, কখনো
ছুড়ে মারি চিরকুটের ঢিল।
ছিন্ন পদ্য
১.
বিম্বিত প্রতিচ্ছবিতে লড়াই এর আহ্বান
যূথবদ্ধতা অমিলের কান্ডে বোকামীর স্নান;
তবে প্রিয়তমা তাই হোক - তোমার লীলায়িত অধরের স্মৃতি নিয়ে
আমিও না হয়, মৃত্তিকাতে পুনঃর্জন্মের ইতিহাস লিখব আরেকবার !
২.
আমাদের অমীমাংসিত হিংসার তীর নিক্ষেপ চলতেই থাকে,
তুলনার দাঁড়িপাল্লা এদিক ওদিক দোলে বারবার-
আমি দোষী, তুমি দোষী, রুচি-অরুচি, দাঁত ঘষাঘষি
অতীত বর্তমান সব বিষে পিষে ছারখার।
৩.
বদলাবে দিন বদলায়, শত্তুর বসে মুচকি হাসে ঘরের দাওয়ায়
মন্ত্রপূতঃ জলের ছিটা, অবনত প্রাথর্না,
ঐসব ঘনায়মান কালরাত্তির হতে
নিঃশর্ত মুক্তি চায়।
৪.
আমি তো দুঃখী ই ছিলাম
তুমি আর কি নতুন দুঃখ দেবে!
সবার শেষ লক্ষ্য একটাই
মাটির বিছানা,
কেমন করে ভাবো তুমি তা
আমার পায়ের নীচ হতে
কেড়ে নেবে!
৫.
ভীষণ আতশবাজি পুড়বে পুরো শহরে
হয়তো বা সারারাত
ফেনিল উল্লাসে অনেক বৈঠকখানা
হয়ে যাবে মৌতাত;
জীবন হয়ে গর্ব
নীরব জোছনায়ে
তোমারও ছায়ায়ে
পথ চেয়ে বসে রই
একাকী মনে
ক্লান্ত এ লগণে
শুধু তোমারি হই
দীর্ঘ পথে
নিঃস্ব হতে
তোমাতে রাখি হাত
উদাশ সন্ধ্যায়ে
উদার নীলিমায়ে
তুমি নিয়ে আসো প্রভাত
দীর্ঘ পথ চলা
একাকী কথা বলা
উরন্ত বলাকার স্বাধীনতার উত্তরন
একটি চঞ্চলা পাখি
মেলে দুটি আখি
করে শুধু গুন গুন গুঞ্জন
তোমারও লাগি
প্রাণও হয় বিবাগী
একটি দিনের অন্বেষণ
যত ভালবাসি
যত কাছে আসি
তত হই নির্বাসন
একটি ফুল ফোটে
একটি চাঁদ উঠে
দখিন হাওয়া বহে নিরবধি
নির্জন রাত
আধ ফালি চাঁদ
গাহে তোমারও দুঃখের সমাধি
একটু খানি আশা
একটু ভালবাসা
জীবন করে স্বর্গ
এইটুকুর লাগি
পিছু ফিরে চাহি
জীবন হয়ে গর্ব...
ঠোঁটের ব্যায়াম - ২
![]()
১। এক ক্যাপ্টেন সৈনিকদের ক্লাস নিচ্ছিলেন, একজন সৈনিক দাঁড়িয়ে বললো, “স্যার, কুমির কি উড়তে পারে ?”
ক্যাপ্টেন বললেন, “না, কুমির উড়তে পারে না ।”
ক্যাপ্টেন ক্লাসের পড়ানোয় মন দিলেন । সৈনিকটি দাঁড়িয়েই রইলো । কিছুক্ষণ পর আবার বললো, “স্যার কুমির কি উড়তে পারে ?”
ক্যাপ্টেন একটু বিরক্ত হয়ে বললেন, “যাদের বুদ্ধি হাঁটুতে তাদের জন্য বলছি, কুমির উড়তে পারে না ।”
যথারীতি ক্যাপ্টেন পড়াচ্ছেন আর সৈনিক দাঁড়িয়েই আছে । আবার একটু পর সৈনিক বললো, “স্যার কুমির কি উড়তে পারে ?”
ক্যাপ্টেন এবার রেগে গিয়ে বললেন, “যাদের মাথায় গোবর ভরা তাদের জন্য বলছি, কুমির উড়তে পারে না ।“
এবার সৈনিকটি বললো, “কিন্তু স্যার, জেনারেল স্যার যে বলছিলেন, কুমির উড়তে পারে !”
ফিমেল পার্ভারসন এবং অসম্পূর্ণ ভাবনা
বিদ্যমান সমাজব্যবস্থা নারীর উপরে অনেক বিধিনিষেধ আরোপ করতে চায়, তাদের শৃঙ্খলে আবদ্ধ নারী পুরুষতন্ত্রের ছাঁচে বিভিন্ন ভাবে নিজের স্বপ্ন-অভিলাষ বিন্যস্ত করে এবং এভাবেই নিজেকে মানিয়ে নেয়, এই মানিয়ে নেওয়া, বিকালঙ্গ জীবনযাপনের মোহে অবশেষে যখন নারী মধ্যবয়সে নিজেকে আবিস্কার করে, সে তখন পুর্নাঙ্গ মানুষ নয়, মানুষের অভিক্ষেপ হয়তো, সভ্যতা এভাবেই বিকৃত মানুষের জন্ম দেয়। আমাদের প্রতিটি নারী এক একজন বিকৃত মানুষ হিসেবে বেড়ে ওঠে।
গল্প: মজনু
অন্ধকারে মিটিমিটি আলো জ্বলে। কালা কুচকুচা একটা মেয়ে বিড়াল মেউ মেউ করে হুট করে দৌড় দেয়। মনে হয় কেউ বিড়ালটাকে দৌড়ানি দেয়। বিড়ালটা হারিয়ে যায় অন্ধকারে।
ঝি ঝি পোকা ডাকে। মনে হয় তাদের নিশ্বাস নেয়ার প্রয়োজন হয় না। কিংবা ঝি ঝি করে ডাকাটাই তাদের নিশ্বাস নেয়া।
মাঝে মাঝে দূর থেকে কান্নার আওয়াজ আসে। গোঙানো কান্না। শুনশান নিরবতার মাঝেও পাহারাদার নিরবতা ভাঙতে চায় তার বাঁশির আওয়াজ দিয়ে। হঠাৎ পাতা ভেঙে যাওয়ার আওয়াজ আসে। মনে হয় কেউ হেঁটে যাচ্ছে।
দূরে দেখা দেয়া যায় শুধু ঘুটঘুটে অন্ধকার। শুধুমাত্র হাঁটার জায়গাটাতেই আলো পড়ছে মিটিমিটি। এর মাঝেই মজনু তার বন্ধুদের সাথে গাঁজা টানে। মজনু গাঁজা টানে জোরে। ভটভট করে ধোঁয়া বের হয় নাক-মুখ দিয়ে। তারপর আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে- আহ্ আসমান! কত ব-ব-ড়।
দুইহাত দুইপাশে দিয়ে বলে- আয় আসমান মোর কুলে আয়।
কিছু পাগলামি
একটুকু ছোঁয়া লাগে একটুকু
... এভাবেই প্রতিনিয়ত মনে হয়ে সব ভুলে যাই। বার বার খুজে পেতে ইচ্ছে করে সেই স্মৃতি গুলকে...
দিনগুলি মোর সোনার খাঁচায়ে রইল না
কেন রইল না... ভেবে ভেবে একাকার হতে হতে আবার নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করি...
অনিশ্চিত জীবন প্রবিত্তে ঘূর্ণিপাকে আমি না ঘুরলেই কি হতো না?
যাই হোক মনের যত আবল তাবোল যত বেসুরের কলরব সব যেন কাজীর জানা, তাইত মনের অজান্তেই গুন গুন রব কানে বেজে উঠে...।
রবিকি তার রশ্মি ছড়ান না?
আমি তোমারও সঙ্গে বেধছি আমারও প্রান...
কার সঙ্গে?
হা হা ... নিজের প্রশ্ন শুনে নিজেই বেকুব হয়ে যাই... একি কথা বলছি আমি। যেমনটি সুদিপ বলেছিল তিস্তাকে...
সুখ তুমি কি বড়ো জানতে ইচ্ছে করে
সুখ নিয়ে কতজনের কতো কথকতা। ভালো নাই, চারিদিক খাঁ খাঁ, মন সে এক তলাবিহীন ঝুড়ি কিছুতেই ভরে না, সব থেকেও ঠিক যেন কি নাই নাই - ইত্যাকার হাহাকারে প্রকম্পিত চারিধার। কেউ বিষন্নতার শেকড়ঁ সন্ধানে মেঘবালকের সাথে বন্ধুত্বতার অভিপ্রায়ে আছেন। কেউ আবার “তোমার লগে হইলো না প্রেম অপেক্ষাতেই হইলো সার, আমার হৃদয় হইলো তোমার গোলাপ গাছের জৈবসার!” ভাব নিয়ে রাতদিন হাপিতেষ্য করে তেনাতেই সর্ব সুখ আমার বিশ্বাস এতেই মজে আছেন।
সুখি হবার পন্থা কি, আদৌ কি আছে নিরন্তর সুখি হবার উপায়? যতই অবারিত পেয়ে যাই তবুও অধরার পানে ছুটেই না পাওয়ার হাহাকার নিয়েই যেন সবার দুঃখবিলাস। বিলাসী আমিও, অনেক উচ্চমাত্রার। কে জানে এই বিলাসী হওয়াটাও সুখের কোন রুপ কিনা!
মানানসই বেমানান
যদি বলি কোন শব্দগুলো শুনতে ভালো লাগে? উত্তর খুঁজে বের করে আনা টাফ নয়। গান, বাজনা, পাখির ডাক, মায়ের ডাক, বৃষ্টি, সাগরের ঢেউ, নদীর পানির ছলাৎ ছলাৎ, শিশুর অস্ফুট বাক্য, বাশির সুর, ঘুম পাড়ানির গান এরকম হাজারটা খুঁজে পাওয়া যাবে।
যদি বলি শুনতে বিরক্তিকর শব্দগুলো কি? এখানেও এমনি। যেমন বাসের হর্ন, বাপের বকুনি, বন্দুকের শব্দ, বেসুরো গান, নাক ডাকা, সজোরে দরজা লাগানো, ইট ভাঙ্গা, ড্রিলিং, কানের কাছে ভ্যান ভ্যান, মশা-মাছির প্যান প্যান ইত্যাদি ইত্যাদি...
কিন্তু এমন কিছু শব্দ আছে যে গুলোকে কোন ভাবেই শ্রেনীভুক্ত করা যায়না, দেখুন-
ঝমাঝম রেলগাড়ীর শব্দ, কনসার্ট, মাঝরাতে শিয়ালের ডাক, সাইকেলের ক্রিং ক্রিং, বাচ্চার কান্না, মায়ের বকুনি, বজ্রপাত, আঙ্গুল ফোটানো, ভোর বেলা মোরগের ডাক ইত্যাদি।
আমাদের কথা
অনেকদিন পর লিখছি। মাঝখানে কিছুদিন ব্যস্ততা আর জ্বর থাকায় নেটে তেমন বসা হয় নাই। বিরতি থেকে ফিরে দেখি বিশাল ব্যাপার স্যাপার হয়ে গেছে। আমাকে নিয়ে লেখা, আমাকে উৎসর্গ করে লেখা!!
এবি ব্লগে আমার বয়স খুব বেশী দিন হয় নাই। এত অল্প সময়ে সবার এত্ত এত্ত ভালোবাসা পেয়ে আমি
কথায় আছে-
দিলেই ভালা
না দিলেই শালা।![]()
সো যারা আমাকে উৎসর্গ করে লেখা দিসেন তাদের ধইন্যা। যারা এখনো দেন নাই, দিয়া ফালান। দিনকাল ভালো না বুঝেনই তো। চাক্কু কাহিনি সবার মনে আছে আশা করি।
এখন আসি আমার কথায়। খুবই কষ্টে আছি খাওয়া-দাওয়া নিয়া। না রান্না করে খেতে হচ্ছে না। খাওয়া লাগে এইটাই বড় কষ্ট।
ঢিল ছোঁড়া
পিচ্ছিকালে কিছুটা নয়, বলতে গেলে বাড়াবাড়ি রকমের পিছলা ছিলাম। কেউ ধরতে গেলেও ছলাৎ করে পিছলে দৌড় দিতাম। আমার ঢিল ছোঁড়ার অভ্যাসটা তখন থেকেই। ঢিল ছুঁড়ে পিছলামির কয়েকটা উদাহরণ এমন-
১. ঢিল মারলাম আমগাছের মগডালে আমের ঝুপি বরাবর, এক সাথে তিনটা আম পড়ল, দে দৌড়- কে আগে সে আম কুঁড়াতে পারে
২. ঢিল মারলাম লিছু গাছের ঝোপা বরাবর, পড়ল, খেলাম, হায়রে টক!
৩. ঝগড়ার এক ফাঁকে ঢিল ছুঁড়লাম নাক বরাবর, পালা পালা...
৪. দূরে ঢিল ছুঁড়ে কব্জির শক্তি পরীক্ষা যখন তখন
৫. দোয়েল পাখিকে ঢিল ছুঁড়ে একবার আহত করলাম, তারপর নিজেই তার চিকিৎসক
৬. পুকুরে ঢিল ছুঁড়ে ব্যাঙ ঝাঁপানো খেলা, সেতো সবাই জানে
৭. ঢিল ছুড়লাম কোথায়, লাগলো জানালায়
৮. ঢিল ছুঁড়ে নারকেল পারার ব্যর্থ চেষ্টা বহুবার
৯. ঢিল ছুঁড়েছি লোহার গোল পোস্ট বরাবর জাস্ট "টং" করে শব্দ হওয়ার জন্যে
১০. ঢিল ছুঁড়ে পুকুরের মাছ মারার ব্যর্থ চেষ্টা
ব্লগে আমাকে স্বাগত জানানো হোক
এই লিখাটি আমার ব্লগের প্রথম লিখা। মনের মাঝে হাজারো কথা কিন্তু এত কথা লিখি কি করে? আচ্ছা, না হয় লিখলাম তো আপনাদের এত সময়-ই বা কোথায় পড়ার? যাহোক, ছোট্ট একটা কথা লিখে শুরু করছি এখানকার ব্লগিং। আশাকরি আপনারা আমার সাথেই থাকবেন...
ছোট্ট বেলায় আমার সবচে প্রিয় কবিতাটা ছিল "পাকাপাকি", সেটা এরকম---
"আম পাকে বৈশাখে কুল পাকে ফাগুনে
কাঁচা ইট পাকা হয় পোড়ালে তা' আগুনে
................"
বাকি টুকু মনে করতে থাকেন...
পরবর্তী লিখা নিয়ে আসছি এখনি......