ইউজার লগইন
ব্লগ
জীবন হয়ে গর্ব
নীরব জোছনায়ে
তোমারও ছায়ায়ে
পথ চেয়ে বসে রই
একাকী মনে
ক্লান্ত এ লগণে
শুধু তোমারি হই
দীর্ঘ পথে
নিঃস্ব হতে
তোমাতে রাখি হাত
উদাশ সন্ধ্যায়ে
উদার নীলিমায়ে
তুমি নিয়ে আসো প্রভাত
দীর্ঘ পথ চলা
একাকী কথা বলা
উরন্ত বলাকার স্বাধীনতার উত্তরন
একটি চঞ্চলা পাখি
মেলে দুটি আখি
করে শুধু গুন গুন গুঞ্জন
তোমারও লাগি
প্রাণও হয় বিবাগী
একটি দিনের অন্বেষণ
যত ভালবাসি
যত কাছে আসি
তত হই নির্বাসন
একটি ফুল ফোটে
একটি চাঁদ উঠে
দখিন হাওয়া বহে নিরবধি
নির্জন রাত
আধ ফালি চাঁদ
গাহে তোমারও দুঃখের সমাধি
একটু খানি আশা
একটু ভালবাসা
জীবন করে স্বর্গ
এইটুকুর লাগি
পিছু ফিরে চাহি
জীবন হয়ে গর্ব...
ঠোঁটের ব্যায়াম - ২
![]()
১। এক ক্যাপ্টেন সৈনিকদের ক্লাস নিচ্ছিলেন, একজন সৈনিক দাঁড়িয়ে বললো, “স্যার, কুমির কি উড়তে পারে ?”
ক্যাপ্টেন বললেন, “না, কুমির উড়তে পারে না ।”
ক্যাপ্টেন ক্লাসের পড়ানোয় মন দিলেন । সৈনিকটি দাঁড়িয়েই রইলো । কিছুক্ষণ পর আবার বললো, “স্যার কুমির কি উড়তে পারে ?”
ক্যাপ্টেন একটু বিরক্ত হয়ে বললেন, “যাদের বুদ্ধি হাঁটুতে তাদের জন্য বলছি, কুমির উড়তে পারে না ।”
যথারীতি ক্যাপ্টেন পড়াচ্ছেন আর সৈনিক দাঁড়িয়েই আছে । আবার একটু পর সৈনিক বললো, “স্যার কুমির কি উড়তে পারে ?”
ক্যাপ্টেন এবার রেগে গিয়ে বললেন, “যাদের মাথায় গোবর ভরা তাদের জন্য বলছি, কুমির উড়তে পারে না ।“
এবার সৈনিকটি বললো, “কিন্তু স্যার, জেনারেল স্যার যে বলছিলেন, কুমির উড়তে পারে !”
ফিমেল পার্ভারসন এবং অসম্পূর্ণ ভাবনা
বিদ্যমান সমাজব্যবস্থা নারীর উপরে অনেক বিধিনিষেধ আরোপ করতে চায়, তাদের শৃঙ্খলে আবদ্ধ নারী পুরুষতন্ত্রের ছাঁচে বিভিন্ন ভাবে নিজের স্বপ্ন-অভিলাষ বিন্যস্ত করে এবং এভাবেই নিজেকে মানিয়ে নেয়, এই মানিয়ে নেওয়া, বিকালঙ্গ জীবনযাপনের মোহে অবশেষে যখন নারী মধ্যবয়সে নিজেকে আবিস্কার করে, সে তখন পুর্নাঙ্গ মানুষ নয়, মানুষের অভিক্ষেপ হয়তো, সভ্যতা এভাবেই বিকৃত মানুষের জন্ম দেয়। আমাদের প্রতিটি নারী এক একজন বিকৃত মানুষ হিসেবে বেড়ে ওঠে।
গল্প: মজনু
অন্ধকারে মিটিমিটি আলো জ্বলে। কালা কুচকুচা একটা মেয়ে বিড়াল মেউ মেউ করে হুট করে দৌড় দেয়। মনে হয় কেউ বিড়ালটাকে দৌড়ানি দেয়। বিড়ালটা হারিয়ে যায় অন্ধকারে।
ঝি ঝি পোকা ডাকে। মনে হয় তাদের নিশ্বাস নেয়ার প্রয়োজন হয় না। কিংবা ঝি ঝি করে ডাকাটাই তাদের নিশ্বাস নেয়া।
মাঝে মাঝে দূর থেকে কান্নার আওয়াজ আসে। গোঙানো কান্না। শুনশান নিরবতার মাঝেও পাহারাদার নিরবতা ভাঙতে চায় তার বাঁশির আওয়াজ দিয়ে। হঠাৎ পাতা ভেঙে যাওয়ার আওয়াজ আসে। মনে হয় কেউ হেঁটে যাচ্ছে।
দূরে দেখা দেয়া যায় শুধু ঘুটঘুটে অন্ধকার। শুধুমাত্র হাঁটার জায়গাটাতেই আলো পড়ছে মিটিমিটি। এর মাঝেই মজনু তার বন্ধুদের সাথে গাঁজা টানে। মজনু গাঁজা টানে জোরে। ভটভট করে ধোঁয়া বের হয় নাক-মুখ দিয়ে। তারপর আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে- আহ্ আসমান! কত ব-ব-ড়।
দুইহাত দুইপাশে দিয়ে বলে- আয় আসমান মোর কুলে আয়।
কিছু পাগলামি
একটুকু ছোঁয়া লাগে একটুকু
... এভাবেই প্রতিনিয়ত মনে হয়ে সব ভুলে যাই। বার বার খুজে পেতে ইচ্ছে করে সেই স্মৃতি গুলকে...
দিনগুলি মোর সোনার খাঁচায়ে রইল না
কেন রইল না... ভেবে ভেবে একাকার হতে হতে আবার নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করি...
অনিশ্চিত জীবন প্রবিত্তে ঘূর্ণিপাকে আমি না ঘুরলেই কি হতো না?
যাই হোক মনের যত আবল তাবোল যত বেসুরের কলরব সব যেন কাজীর জানা, তাইত মনের অজান্তেই গুন গুন রব কানে বেজে উঠে...।
রবিকি তার রশ্মি ছড়ান না?
আমি তোমারও সঙ্গে বেধছি আমারও প্রান...
কার সঙ্গে?
হা হা ... নিজের প্রশ্ন শুনে নিজেই বেকুব হয়ে যাই... একি কথা বলছি আমি। যেমনটি সুদিপ বলেছিল তিস্তাকে...
সুখ তুমি কি বড়ো জানতে ইচ্ছে করে
সুখ নিয়ে কতজনের কতো কথকতা। ভালো নাই, চারিদিক খাঁ খাঁ, মন সে এক তলাবিহীন ঝুড়ি কিছুতেই ভরে না, সব থেকেও ঠিক যেন কি নাই নাই - ইত্যাকার হাহাকারে প্রকম্পিত চারিধার। কেউ বিষন্নতার শেকড়ঁ সন্ধানে মেঘবালকের সাথে বন্ধুত্বতার অভিপ্রায়ে আছেন। কেউ আবার “তোমার লগে হইলো না প্রেম অপেক্ষাতেই হইলো সার, আমার হৃদয় হইলো তোমার গোলাপ গাছের জৈবসার!” ভাব নিয়ে রাতদিন হাপিতেষ্য করে তেনাতেই সর্ব সুখ আমার বিশ্বাস এতেই মজে আছেন।
সুখি হবার পন্থা কি, আদৌ কি আছে নিরন্তর সুখি হবার উপায়? যতই অবারিত পেয়ে যাই তবুও অধরার পানে ছুটেই না পাওয়ার হাহাকার নিয়েই যেন সবার দুঃখবিলাস। বিলাসী আমিও, অনেক উচ্চমাত্রার। কে জানে এই বিলাসী হওয়াটাও সুখের কোন রুপ কিনা!
মানানসই বেমানান
যদি বলি কোন শব্দগুলো শুনতে ভালো লাগে? উত্তর খুঁজে বের করে আনা টাফ নয়। গান, বাজনা, পাখির ডাক, মায়ের ডাক, বৃষ্টি, সাগরের ঢেউ, নদীর পানির ছলাৎ ছলাৎ, শিশুর অস্ফুট বাক্য, বাশির সুর, ঘুম পাড়ানির গান এরকম হাজারটা খুঁজে পাওয়া যাবে।
যদি বলি শুনতে বিরক্তিকর শব্দগুলো কি? এখানেও এমনি। যেমন বাসের হর্ন, বাপের বকুনি, বন্দুকের শব্দ, বেসুরো গান, নাক ডাকা, সজোরে দরজা লাগানো, ইট ভাঙ্গা, ড্রিলিং, কানের কাছে ভ্যান ভ্যান, মশা-মাছির প্যান প্যান ইত্যাদি ইত্যাদি...
কিন্তু এমন কিছু শব্দ আছে যে গুলোকে কোন ভাবেই শ্রেনীভুক্ত করা যায়না, দেখুন-
ঝমাঝম রেলগাড়ীর শব্দ, কনসার্ট, মাঝরাতে শিয়ালের ডাক, সাইকেলের ক্রিং ক্রিং, বাচ্চার কান্না, মায়ের বকুনি, বজ্রপাত, আঙ্গুল ফোটানো, ভোর বেলা মোরগের ডাক ইত্যাদি।
আমাদের কথা
অনেকদিন পর লিখছি। মাঝখানে কিছুদিন ব্যস্ততা আর জ্বর থাকায় নেটে তেমন বসা হয় নাই। বিরতি থেকে ফিরে দেখি বিশাল ব্যাপার স্যাপার হয়ে গেছে। আমাকে নিয়ে লেখা, আমাকে উৎসর্গ করে লেখা!!
এবি ব্লগে আমার বয়স খুব বেশী দিন হয় নাই। এত অল্প সময়ে সবার এত্ত এত্ত ভালোবাসা পেয়ে আমি
কথায় আছে-
দিলেই ভালা
না দিলেই শালা।![]()
সো যারা আমাকে উৎসর্গ করে লেখা দিসেন তাদের ধইন্যা। যারা এখনো দেন নাই, দিয়া ফালান। দিনকাল ভালো না বুঝেনই তো। চাক্কু কাহিনি সবার মনে আছে আশা করি।
এখন আসি আমার কথায়। খুবই কষ্টে আছি খাওয়া-দাওয়া নিয়া। না রান্না করে খেতে হচ্ছে না। খাওয়া লাগে এইটাই বড় কষ্ট।
ঢিল ছোঁড়া
পিচ্ছিকালে কিছুটা নয়, বলতে গেলে বাড়াবাড়ি রকমের পিছলা ছিলাম। কেউ ধরতে গেলেও ছলাৎ করে পিছলে দৌড় দিতাম। আমার ঢিল ছোঁড়ার অভ্যাসটা তখন থেকেই। ঢিল ছুঁড়ে পিছলামির কয়েকটা উদাহরণ এমন-
১. ঢিল মারলাম আমগাছের মগডালে আমের ঝুপি বরাবর, এক সাথে তিনটা আম পড়ল, দে দৌড়- কে আগে সে আম কুঁড়াতে পারে
২. ঢিল মারলাম লিছু গাছের ঝোপা বরাবর, পড়ল, খেলাম, হায়রে টক!
৩. ঝগড়ার এক ফাঁকে ঢিল ছুঁড়লাম নাক বরাবর, পালা পালা...
৪. দূরে ঢিল ছুঁড়ে কব্জির শক্তি পরীক্ষা যখন তখন
৫. দোয়েল পাখিকে ঢিল ছুঁড়ে একবার আহত করলাম, তারপর নিজেই তার চিকিৎসক
৬. পুকুরে ঢিল ছুঁড়ে ব্যাঙ ঝাঁপানো খেলা, সেতো সবাই জানে
৭. ঢিল ছুড়লাম কোথায়, লাগলো জানালায়
৮. ঢিল ছুঁড়ে নারকেল পারার ব্যর্থ চেষ্টা বহুবার
৯. ঢিল ছুঁড়েছি লোহার গোল পোস্ট বরাবর জাস্ট "টং" করে শব্দ হওয়ার জন্যে
১০. ঢিল ছুঁড়ে পুকুরের মাছ মারার ব্যর্থ চেষ্টা
ব্লগে আমাকে স্বাগত জানানো হোক
এই লিখাটি আমার ব্লগের প্রথম লিখা। মনের মাঝে হাজারো কথা কিন্তু এত কথা লিখি কি করে? আচ্ছা, না হয় লিখলাম তো আপনাদের এত সময়-ই বা কোথায় পড়ার? যাহোক, ছোট্ট একটা কথা লিখে শুরু করছি এখানকার ব্লগিং। আশাকরি আপনারা আমার সাথেই থাকবেন...
ছোট্ট বেলায় আমার সবচে প্রিয় কবিতাটা ছিল "পাকাপাকি", সেটা এরকম---
"আম পাকে বৈশাখে কুল পাকে ফাগুনে
কাঁচা ইট পাকা হয় পোড়ালে তা' আগুনে
................"
বাকি টুকু মনে করতে থাকেন...
পরবর্তী লিখা নিয়ে আসছি এখনি......
বিষন্ন সংগম
হায়রে, হয় এমনই সব।
এই যেমন,
এই বাবলা-সবুজের আড়ালে
দ্বিগন্ত হারালো রং,
স্বন্ধ্যা তাড়িয়ে নিয়ে গেল পাখিদের,
অন্ধকার চিৎকারে বলল, “ যাও, ঘরে ফিরে যাও”,
বলল, কার্যতঃ নির্বাক থাকতে সকাল অবধী।
স্নিগ্ধ হাসনাহেনাকে বলল, ছড়িয়ে দিতে বিষন্ন সংগম।
আমাতে তোমাতে সকল প্রস্তুতি শেষে,
অতল অন্ধকার ফুড়ে গহীন কালো জন
কাঙ্খিত সপ্ন বাসরে হানে এক বিষধর ছোবল,
নীলে নীলে ভেসে যায় শুদ্ধ বেনারসী।
এবং, ঐ জ্যোৎস্না ছায়ার জোনাকীরা নিঃশব্দে উঠে যায় বিবিধে।
হায়রে, হয় এমনই সব।
হায়রে, এমনই সময় আমার,
হাটু মুড়ে নির্বাক চেয়ে থাকা।
শিখতে চাই
আমি সারাক্ষন চেষ্টা করেই যাচ্ছি কি ভাবে ইমো ব্যাবহার করতে হয় তা শিখতে । কিন্তু কিছুতেই পারছি না। কোন ভাবেই না । কত সুন্দর সুন্দর ইমো কিন্তু আমি পারছি না। স্বাভাবিক ভাবে ইমোর গায়ে ক্লিক করলেই আসার কথা আসে না। ড্রাগ করে টেনে আনলে http://amrabondhu.com/sites/all/modules/smileys/packs/Roving/crazy.png এই ভাবে আসে । কপি করে পেস্ট করলে http://amrabondhu.com/sites/all/modules/smileys/packs/Roving/glasses.png এটা আসে। কিভাবে ইমো পোস্টে দেব ? কেউ কি শেখাবেন বন্ধুরা।
তারপর একদিন এগিয়ে এসেছিলো সমাপ্তি
একটানা রাপ শুনতে থাকলে যে ঝাকুনিটা তৈরী হয়, বিশেষ করে মাথায়; সেটা সম্পর্কে একটু ভাবছি। এমন করে কি লেখা সম্ভব যে, পড়ার সময় মাথায় ক্রমাগত ঝাকুনি দিতে থাকবে? হুমায়ুন আজাদ স্যারের ফালি ফালি করে কাঁটা চাঁদ বইটা পড়ার পুরোটা সময় একটা ঢেউএর ওপর ভেসেছি। যখন লেখক যেভাবে চেয়েছেন সেভাবে দুলিয়েছেন। গল্প বলার ছলে মাঝে মাঝে পাঠককেই যেন প্রশ্ন করেছেন, আর এইমাত্র যে বিষটা ঢাললাম সেটা কেমন লাগলো?
জানি একটা পুরুষতান্ত্রিক সমাজে পুরুষেরা কোনো নারী নায়কের চরিত্রকে নিজের মাঝে রূপ দিতে পারে না। আর ছেলে চরিত্রটাতে নিজেকে প্রতিস্থাপন করার কোনো যৌক্তিকতা নেই, ওই উপন্যাসে। লেখক অন্তত রাখেন নি। ছেলেটার ছবি এঁকে তিনি শুধু দেখিয়ে দিতে চেয়েছেন পথ। বলবো, শেষ পর্যন্ত এটা একটা অসামান্য উপন্যাস। বাংলার জমিনে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা হীরে-জহরতের একটি বড় খন্ড।
এলোমেলো
কোন প্রত্যাশা থেকে নয়....কোন অপ্রাপ্তি নয়....অথবা প্রাপ্তির পরে তৄপ্তির কোন অনুভূতিও না। কোন কিছুই না তবু কিছু তো একটা.........যা অনবরত খঁুচিয়ে যাচ্ছে।
ছাদের দক্ষিণ কোন যা অলিখিতভাবেই িলখেপড়ে নেয়া হয়েছে নিশির। ছাদের ঐ কোনাটা যেনও তারই। এখানে বসেই চলে যত রাজে্যর ভাবনা-চিন্তা। দক্ষিণ হাওয়ার উন্মাদনায় িনজেকে ছেড়ে দিয়ে চলতে থাকে অনবড়ত হিসেব-নিকেষ।
যার ফলাফল বরাবর এর মতই আসে শূন্য। এলোমেলো বাতাসের মত ভাবনা গুলো ও ছন্নছাড়া হতে থাকে। সুতোর মালায় যখন ভাবনা গুলো বাধা পড়েনা তখন অজান্তেই নিশির ভ্রূ যুগলের মাঝে ভাঁজখানা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।


