ইউজার লগইন
ব্লগ
চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি-৫
১.
আর একটা সেমিস্টার শেষ করলাম। দেখতে দেখতে তিনটা সেমিস্টার শেষ করে ফেললাম। সময় অনেক দ্রুত যায় কিন্তু প্রথমদিকে মনে হতো যেতেই চাইতো না। প্রথম সেমিস্টারে আমাকে মেইন ক্যাম্পাসে গিয়ে ক্লাস করতে হতো। আমার এখান থেকে ঘন্টা খানেকের পথ বাসে তারপর দৌড়ায় পাহাড়ে উঠে ক্লাসরুমে যেতে যেতে হাঁপিয়ে যেতাম আমার সাথের রাজেশ আমাকে দেখে হাসতো। ক্লাসে গিয়ে দেখতাম প্রফেসর আমাদের জন্য বসে আছেন আমরা গেলেই ক্লাস শুরু করতেন। অপটিকস পড়াতেন যার একবর্নও আমি বুঝতাম না এমনিতেই ফিজিক্স পড়া ছেড়েছি ইন্টারমিডিয়েটের পর তারপরে মা মাটি দেশের জন্য সেই সময় সারাদিন বালিশ ভিজাতাম।
ন্যাড়া বার বার বেল তলায় যায়
আমার জানের জান জানুর সব কিছু হাতের কাছে বেড় করে দিলেও সে কিছুই খুঁজে পাবে না যতক্ষন না পর্যন্ত সেই জিনিস তার চোখের সামনে ঝুলানো না হয়। কথাটা একটু বুঝিয়েই বলি। জানু অফিসে যাবে। সে জানে তার কোন জিনিস কোথায় আছে। সেই সব ড্রয়ার সে তন্ন তন্ন করে খুঁজবে এবং যথারীতি কিছু খুঁজে না পেয়ে চিৎকার করে আমাকে ডাকবে। এই কাজ তার সারা জীবনেই চলে আসছে। আল্লাই জানে যখন আমি ছিলাম না তখন সে কাকে ডাকতো? তাই বলে ভাবার কোন কারন নাই যে, সে মায়ের আদরের দুলাল। সেই ক্লাশ সেভেন থেকেই উনি হোস্টেলে থাকেন।
আমারও কাজ থাকে। অফিস আছে , বাচ্চাদের স্কুল আছে , বাড়িতে সারাদিনে কী কী করতে হবে তা কাজের লোকদের বুঝিয়ে দেয়া আছে। উনি তো সকালে ঘুম থেকে উঠে তার কাজটুকু সেরে অফিসে যাবে। বাড়ির আর কোন খবরে বা কাজে তিনি নাই।
স্মৃতির ফুলে বৃষ্টি ছুঁলে পরে, আমার ঘরে গন্ধ টলোমলো-৩
একজন মায়াবতীর গল্প...
পৃথিবীতে কারো সময় যখন ফুরিয়ে আসে তখন সে স্মৃতিকে অবলম্বন করে বিদায়ের শঙ্কা কাটানোর চেষ্টা করে । কিন্তু আমি তো এখনো বুড়ো হয়ে যাইনি, এমন কি বিয়ে করে বাচ্চা কাচ্চার বাপও হয়ে পড়িনি, তবুও ইদানিং এত নস্টালজিয়ায় ভুগছি ক্যানো? শৈশব কেন্দ্রিক নস্টালজিয়া।
লেভি মেয়েটার কথা মাঝে মাঝে খুব মনে পড়ে, নিখুঁত চেহারার মায়াবতী একটা মেয়ে ছিল সে। আমি যতক্ষণ স্কুলে থাকতাম ততক্ষন আমার সাথে লেগে থাকতো। সঙ্গী হিসেবে আমি কোনদিনই সুবিধার ছিলাম না। মুখে কুলুপ এটে অদ্ভুত অদ্ভুত ভাবনা চিন্তা করা ছাড়া যে আর বিশেষ কিছু পারে না তার সাথে এতো আন্তরিক ভাবে মিশে মেয়েটা কি পেত কে জানে?
একটা কোশ্চেন ও একটি কবিতার জন্ম
মাসুম ভাইয়ের একটা প্রশ্ন,
“ডিকশনারি সামনে নিয়া কবিতা লিখতে হয়? নাকি এসব কঠিন কঠিন শব্দ এমনিতেই কবিরা জানেন ?” মাসুম ভাইয়ের এই কথাটা নিয়েই মজার একটা রেসিপির কথা মনে পড়ে গেল (আজকাল রেসিপি নিয়াও বেজায় হুল্লোর)।
কবিতা লেখার রেসিপি:
একটি বাংলা ডিকশনারি, একটি বড় পেরেক, একটি হাতুরী, একটি কলম ও
কাগজ (পরিমানমত)
লিখন প্রনালী:
প্রথমে ডিকশনারিটি টেবিলে রাখুন, কেউ কিছু মনে না করলে মেঝেতে রাখলেও চলবে।
পেরেকটি সুবিধামত ডিকশনারিটির যেকোন জায়গায় ধরুন যেন সূচালো মাথাটা ডিকশনারিটির সাথে লাগানো থাকে।
এবার হাতুরী দিয়ে পেরেকটির অপর মাথায় সজোরে বাড়ি দিন (আঘাত অর্থে), দিতেই থাকুন যতক্ষন না ডিকশনারিটি এফোড়-ওফোড় হয়ে যায়।
এবার পেরেকটি উঠিয়ে ফেলুন।
ডিকশনারিটির যে অংশে ছিদ্র হয়েছে সেই অংশের (ছিদ্রাংশের) শব্দগুলো নির্বাচন করুন।
এক একদিন
এক একদিন ভীষণ বাঁচতে ইচ্ছে করে
প্রেম পুরাণ লিখব বলে
প্রেম পোড়ানো কালি
নিজের গায়ে মাখতে ইচ্ছে করে ।
এক একদিন তোমার কথা ভেবে
আমি রাধি না, চুল বাঁধিনা,
নাই না, খাই না
বৃষ্টিরা নেচে চলে চোখের পাতায়
জলের দ্যোতনা ছুঁয়ে ভাবি
একটুও কি আমায় ভালবাস না!
এক একদিন খুব ভালবাসতে ইচ্ছে হয়
শঙ্খ ডানায় রোদ হয়ে ভাসতে ইচ্ছে হয়
রোদ এসে ছুঁয়ে গেলে
আমি মেঘ হয়ে যাই
মেঘ-রোদ সন্তরণে
মেঘ লীনা হতে ইচ্ছে হয়।
এক একদিন খুব মরতে ইচ্ছে করে
শ্মশান চিতায় জ্বলতে ইচ্ছে করে
ময়ূখী মন পেখম পোড়ায়
আগুনের ফাগে হোলীর পরব
অনেক সুখে তোমাকে পোড়াতে ইচ্ছে করে।
একটি শিরোনামহীন প্রেমের কবিতা
কবিতাটির শিরোনাম দিয়ে দিন তো
তোমার সাথে প্রেম চলেনি,
আমি আর ফুল ছুঁই না তাই।
অথচ তুমি কি নির্বোধ!
প্রেমদগ্ধ দুএক ছত্র লেখা দূরে থাক,
নিয়ত অপ্রেমে ঠুকে যাচ্ছ
আদিম দিয়াশলাই।
তোমাকে ঠেকানো উচিত ছিল,
যদিও ঝরঝরে প্রেমের বারুদে
তোমার শুদ্ধ আগুন পেতে ব্যার্থ হয়েছি।
ব্যর্থ না বঞ্চিত?
তুমি তো বেশ পানি ঝরাতে পারো চোখ দিয়ে,
দেহ থেকে অপ্রেমের লেহন ধুয়ে ফেলো।
তোমাকে কিনে দেব এক যৌবন প্রেম,
সত্যিই দেবো।
দুর্বল মানুষ কিছুই না পারুক,
নির্লজ্জ ভাবে অশ্রুগ্রন্থিতে
বাতিল প্রেম পুষতে পারে।
একটি কবিতা, দুইটি কবিতা, তিনটি কবিতা...
কবিতার ইকোনোমিক্স
ভাবের দলনে রাগ মোচে না আর,
প্রেমিকার দুনিয়া জুড়ে রাজ্যের ক্ষুধা:
রুটির এখন বিশেষ প্রয়োজন।
নো ফ্রয়েডিক,
নো প্লেটোনিক,
এখন থেকে কবিতা হবে নিপাট ইকোনোমিকাল।
প্রেম
রাস্তার গাড়ি গুলো থেমে গেলে
ট্রাফিক পুলিশকে লিখে দেব পৃথিবী।
লাল তিলের মেয়েটি কান ফুটিয়েছে।
বেশ্যাদের রাতভর জাগাবো জিকিরে,
হে ঈশ্বর, আমাকে ডানা দাও।
পকেটে ঘুমিয়ে আছে পাথরের দুল।
পুরুষতান্ত্রিক মন
যুবকের প্রতি প্রেমিকার কামুক চাহনি দেখে
ফুঁসে ওঠে পুরুষতান্ত্রিক মন,
একলৈঙ্গিক হাওয়ায় ফেপে ওঠে ঈর্ষার বেলুন।
ক্ষমা চাই উষ্ণ প্রেমিকা,
ক্ষমা চাই সুঠাম যুবক।
অভিমান বিষয়ক কাব্য
রক্তজবায় বিদ্রোহ নাই, লাল মানে সমর্পণের কবিতাও তবে...
অভিমানে অভিযানে যে দূরত্ব লেখা হয়,
তারে কখনো মাপেনি কেউ। আর তাই
ক্রমশঃ তাহার ছায়া সরে গেছে বহুদূর;
যতোদূর গেলে পাল্টে যায় গোলার্ধ, সূর্যের
প্রাত্যহিক অভ্যাসেরা।
অভিমানে দাগ পরে গেলে
তা কতোটা কঠোর হয়েছে? আমি রেখা ভেবে
মুছতে গিয়ে দেখি এ কেবল বিন্দুর সমান্তরাল পথ নয়,
দাগ মানে স্মৃতির চে অধিক সরল,
ইতিহাসের চে' অধিক বাস্তবতা।
অভিমান ভুলে যেতে বলে
জিভ কেটে ফেলি। এমন প্রতারণার খেলা
জীবনের সাথে খেলতে নেই...
অভিমান মানে রূপ আর লাবণ্যের রেখা।
তুমি অভিমান রয়ে গেলে আমি দূর থেকে
তোমার সৌন্দর্য্য দেখি।
অভিমান মানে অস্তিত্বের দিশা
অভিমান মানে সরল গণিত...
দুঃস্বপ্নের ৪০ ঘন্টা
১৪ জুন ২০১১, দুপুর ১২.১৫ মিনিট
আমার পরিচিত একজন ব্যবসায়ী তার অফিস থেকে বেরুলেন। গাড়ি না নিয়ে রিকশায় রওয়ানা হলেন। সাথে তার অফিসের একজন যেতে চাইলে না করলেন। বললেন, কস্তুরি হোটেলে যাচ্ছি। একটি সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার সাথে মিটিং আছে। এরপর থেকে সে ভদ্রলোকের সব কটি মোবাইল ফোন বন্ধ। তাকে আর ট্রেস করা গেল না। সেদিন গেল, তার পরদিন ও তার কোনো খোঁজ পেলোনা তার অফিস বা পরিবারের কেউ। হাসপাতাল, থানাসহ সব সরকারি গোয়েন্দা সংস্থার অফিসেও তার কোনো তথ্য পাওয়া গেলো না। রাশেদ নামের একটা ছেলেকে সন্দেহ করলো পরিবারের লোকজন। তার নামে জিডি করা হলো থানায়।
১৫ জুন ২০১১, বিকাল ৫.১০ মিনিট
স্মৃতির ফুলে বৃষ্টি ছুঁলে পরে, আমার ঘরে গন্ধ টলোমলো-২
অনাকাঙ্খিত বিলম্বের জন্য কান ধরে উঠবস করছি- এক, দুই, তিন, চার...
আমার ক,খ শেখা সোবহান স্যারের কাছে। ভদ্রলোক কোন স্কুল কলেজের শিক্ষক ছিলেন না, শুধু টিউশানি করাতেন। তিনি প্রতিদিন সন্ধ্যায় বাসায় এসে পড়িয়ে যেতেন, পড়তাম আমি আর তন্দ্রা।সোবহান স্যারের কাছে পড়াকালীন কোন স্মৃতি আমার ভয়াবহ দূর্বল মস্তিষ্কে এখন আর বিশেষ কিছু নেই, শুধু মনে আছে একবার আমার আর তন্দ্রার ভেতর এবিসিডি, কখগঘ এইসব লেখা নিয়ে একটা প্রতিযোগীতার মতো হয়েছিল। তাতে কী একটা পুরুষ্কারের ব্যাবস্থাও ছিল। প্রতিযোগীতায় কে জিতেছিল সে কথা না ই লিখলাম...
নার্সারী, কেজি এই সব পিচ্চি ক্লাস ডিঙিয়ে আমাকে সরাসরি ক্লাস ওয়ানে ভর্তি করিয়ে দেওয়া হল।তন্দ্রার ঠ্যালা আরো বেশী, সে ভর্তি হলো ক্লাস টুতে। তন্দ্রা অবশ্য আমার থেকে বছর খানেকের বড় ছিল।
মানুষ কেনো নয়!
নিজেকে বড় ভাবার মতো বড় হয়েছি বলে মনে হয় না কখনো। তাই চুপ থাকাই শ্রেয় মনে করি বড়দের ভীড়ে। আজ একটু নীরবতা ভাঙতে ইচ্ছা হলো। কারো অনুভূতিকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে নয়, নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার জন্য।
সারা জীবন গার্লস স্কুল, কলেজ- এ পড়ার সুবাদে বিভিন্ন মেয়ের সাথে পরিচয় হয়েছে। এমনকী অনর্স-মাস্টার্সেও গালর্স কলেজে পড়ার জন্য একে বারে ছেলেবেলা থেকে বেড়ে ওঠার বিভিন্ন ধাপে দেখেছি মেয়েরা কিভাবে বড় হয়।
কিছু ঘটনা এখানে শেয়ার করবো সেই অভিজ্ঞতা থেকে।
ইত্তেফাকের জন্ম রহস্য

একটা সময় বলা হতো বাংলাদেশে তিনটি প্রতিষ্ঠান আছে। আওয়ামী লীগ, সেনাবাহিনী ও ইত্তেফাক। বাংলাদেশের জন্মের সঙ্গে ওতোপ্রতো ভাবে জড়িত ইত্তেফাক। কিন্তু ইত্তেফাকের ইতিহাস নিয়ে আছে ধোয়াশা। এর প্রকৃত মালিকানা নিয়েও অনেক গল্প চালু আছে। পত্রিকাটির ভূমিকা নিয়েও আছে নানা আলোচনা। ইত্তেফাকের জন্ম নিয়ে এই পোস্ট।
নারীর জয়- পুরুষের পরাজয়= সহিংসতা
কোন আনকোরা খবর নয়। খবরের ধরন এবং ঘটনা পুরনো। স্বামী বা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের দ্বারা নারী নির্যাতন বা সহিংসতার শিকার হচ্ছে। নারী যে পরিবারে কেবল পুরুষ দ্বারাই নির্যাতিত হচ্ছে তা নয়। তাকে সমলিঙ্গের নীপীড়নেরও শিকার হতে হচ্ছে। শুরুতেই বলেছি খবর গুলো পুরনো। বলা যায় গণমাধ্যমে এখন খবর গুলো আসছে বেশি। আগে যে পরিমানে নারী নির্যাতিত হতো পরিবারে এখন তেমনটাই হচ্ছে। সেখানে পরিমান বাড়া-কমার তেমন তারতম্য ঘটেনি। ঘটেছে নারীর সয়ে যাওয়ার ধৈয্য চ্যুতি। একটা সময় পর্যন্ত নারী সন্তানের দিকে চেয়ে, মা-বাবা পরিবারের দিকে চেয়ে কিংবা স্বামীর কাছ থেকে বেরিয়ে আসার পরের অসহায়ত্বের কথা ভেবে, মানিয়ে চলা বা সয়ে যাওয়ার লড়াই করে এসেছে। কিন্তু গত দুই দশকে ভেতরে ভেতরে বিপ্লব ঘটে গেছে, যার উত্তাপ পুরুষ বা সমাজ পেয়েছে হয়তো কিছুটা। কিন্তু আমলে নেয়নি। ভেবেছে নারী সে আর কতো দূর যাবে?
বাবার পোশাক
বাবাকে নিয়ে কিছু লেখা আমার জন্য কঠিন,বাবার সাথে আমার অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিলো না, বরং বলা যায় আমি তাকে চিনতাম না। যে বয়েসে অন্তরঙ্গ নির্ভরতার সম্পর্ক গড়ে উঠে, যে বয়েসটাতে আবদার আর প্রশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হয় সম্ভবত সরকারী চাকুরে বাবার অনুপস্থিতিতে সেই সম্পর্কটা তৈরি হতে পারে নি। বাবার সাথে আমার সম্মানজনক দুরত্ব ছিলো এবং এখন মনে হয় এই দুরত্বটা পারস্পরিক নির্লিপ্ততার চেয়েও বেশী ছিলো সম্পর্কহীনতার দুরত্ব। তার সাথে আমার যে সম্পর্কটা তৈরি হয় নি শৈশবে পরবর্তী জীবনে সে সম্পর্কের ছায়াটা আর দীর্ঘ হতে পারে নি।
ডিজিটাল বাংলাদেশ
দেশ দেশ দেশ
ডিজিটাল বাংলাদেশ
পড়ছে বৃষ্টি জমছে জল
জলাবদ্ধতা বেশ বেশ।
নদীতে ডুবোচর
নৌকা তাই স্থলে
ভারী বর্ষণে জলজট
গাড়ি চলে জলেতে।
দেশ দেশ দেশ
ডিজিটাল বাংলাদেশ
জ্বালানির দাম বেড়েছে
চলে গাড়ি সিটিংয়ে।
রোজ আসে রোজ যায়
যাত্রী ওঠে লোকালে
ভাড়া যদি দেয় কম
চৌদ্দগোষ্ঠীকে ঝালে।
সারাদিন ঝর ঝর
আষাঢ়ের বৃষ্টি
ডিজিটাল বাংলাদেশে
জলজটের সৃষ্টি।
দেশ দেশ দেশ
ডিজিটাল বাংলাদেশ
জনগণের নাভিশ্বাস
মন্ত্রী-এমপিরা আছে বেশ।
দাম বাড়ে নিত্যপণ্যের
বাড়ে দাম জ্বালানির
দিন আনে দিন খায়
জীবন গেলো ফালানীর।