ইউজার লগইন
ব্লগ
মানুষ কেনো নয়!
নিজেকে বড় ভাবার মতো বড় হয়েছি বলে মনে হয় না কখনো। তাই চুপ থাকাই শ্রেয় মনে করি বড়দের ভীড়ে। আজ একটু নীরবতা ভাঙতে ইচ্ছা হলো। কারো অনুভূতিকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে নয়, নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার জন্য।
সারা জীবন গার্লস স্কুল, কলেজ- এ পড়ার সুবাদে বিভিন্ন মেয়ের সাথে পরিচয় হয়েছে। এমনকী অনর্স-মাস্টার্সেও গালর্স কলেজে পড়ার জন্য একে বারে ছেলেবেলা থেকে বেড়ে ওঠার বিভিন্ন ধাপে দেখেছি মেয়েরা কিভাবে বড় হয়।
কিছু ঘটনা এখানে শেয়ার করবো সেই অভিজ্ঞতা থেকে।
ইত্তেফাকের জন্ম রহস্য

একটা সময় বলা হতো বাংলাদেশে তিনটি প্রতিষ্ঠান আছে। আওয়ামী লীগ, সেনাবাহিনী ও ইত্তেফাক। বাংলাদেশের জন্মের সঙ্গে ওতোপ্রতো ভাবে জড়িত ইত্তেফাক। কিন্তু ইত্তেফাকের ইতিহাস নিয়ে আছে ধোয়াশা। এর প্রকৃত মালিকানা নিয়েও অনেক গল্প চালু আছে। পত্রিকাটির ভূমিকা নিয়েও আছে নানা আলোচনা। ইত্তেফাকের জন্ম নিয়ে এই পোস্ট।
নারীর জয়- পুরুষের পরাজয়= সহিংসতা
কোন আনকোরা খবর নয়। খবরের ধরন এবং ঘটনা পুরনো। স্বামী বা পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের দ্বারা নারী নির্যাতন বা সহিংসতার শিকার হচ্ছে। নারী যে পরিবারে কেবল পুরুষ দ্বারাই নির্যাতিত হচ্ছে তা নয়। তাকে সমলিঙ্গের নীপীড়নেরও শিকার হতে হচ্ছে। শুরুতেই বলেছি খবর গুলো পুরনো। বলা যায় গণমাধ্যমে এখন খবর গুলো আসছে বেশি। আগে যে পরিমানে নারী নির্যাতিত হতো পরিবারে এখন তেমনটাই হচ্ছে। সেখানে পরিমান বাড়া-কমার তেমন তারতম্য ঘটেনি। ঘটেছে নারীর সয়ে যাওয়ার ধৈয্য চ্যুতি। একটা সময় পর্যন্ত নারী সন্তানের দিকে চেয়ে, মা-বাবা পরিবারের দিকে চেয়ে কিংবা স্বামীর কাছ থেকে বেরিয়ে আসার পরের অসহায়ত্বের কথা ভেবে, মানিয়ে চলা বা সয়ে যাওয়ার লড়াই করে এসেছে। কিন্তু গত দুই দশকে ভেতরে ভেতরে বিপ্লব ঘটে গেছে, যার উত্তাপ পুরুষ বা সমাজ পেয়েছে হয়তো কিছুটা। কিন্তু আমলে নেয়নি। ভেবেছে নারী সে আর কতো দূর যাবে?
বাবার পোশাক
বাবাকে নিয়ে কিছু লেখা আমার জন্য কঠিন,বাবার সাথে আমার অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিলো না, বরং বলা যায় আমি তাকে চিনতাম না। যে বয়েসে অন্তরঙ্গ নির্ভরতার সম্পর্ক গড়ে উঠে, যে বয়েসটাতে আবদার আর প্রশ্রয়ের সুযোগ তৈরি হয় সম্ভবত সরকারী চাকুরে বাবার অনুপস্থিতিতে সেই সম্পর্কটা তৈরি হতে পারে নি। বাবার সাথে আমার সম্মানজনক দুরত্ব ছিলো এবং এখন মনে হয় এই দুরত্বটা পারস্পরিক নির্লিপ্ততার চেয়েও বেশী ছিলো সম্পর্কহীনতার দুরত্ব। তার সাথে আমার যে সম্পর্কটা তৈরি হয় নি শৈশবে পরবর্তী জীবনে সে সম্পর্কের ছায়াটা আর দীর্ঘ হতে পারে নি।
ডিজিটাল বাংলাদেশ
দেশ দেশ দেশ
ডিজিটাল বাংলাদেশ
পড়ছে বৃষ্টি জমছে জল
জলাবদ্ধতা বেশ বেশ।
নদীতে ডুবোচর
নৌকা তাই স্থলে
ভারী বর্ষণে জলজট
গাড়ি চলে জলেতে।
দেশ দেশ দেশ
ডিজিটাল বাংলাদেশ
জ্বালানির দাম বেড়েছে
চলে গাড়ি সিটিংয়ে।
রোজ আসে রোজ যায়
যাত্রী ওঠে লোকালে
ভাড়া যদি দেয় কম
চৌদ্দগোষ্ঠীকে ঝালে।
সারাদিন ঝর ঝর
আষাঢ়ের বৃষ্টি
ডিজিটাল বাংলাদেশে
জলজটের সৃষ্টি।
দেশ দেশ দেশ
ডিজিটাল বাংলাদেশ
জনগণের নাভিশ্বাস
মন্ত্রী-এমপিরা আছে বেশ।
দাম বাড়ে নিত্যপণ্যের
বাড়ে দাম জ্বালানির
দিন আনে দিন খায়
জীবন গেলো ফালানীর।
অশ্লীলতা ছাড়া ভালবাসা আছে কোথায়, বল ?
তুমি অচল হয়ে গেছ ভেবে কষ্ট পাচ্ছ অহর্নিশ কিংবা
বাতিল ভেবে কষ্ট দিচ্ছ নিজেকে,
লাল কিংবা নীল, যা ইচ্ছা- দিয়ে
সাজাতে চেষ্টা করছো তোমার পরিধি, বর্তমান,
যা অনেকেরই সুগত অতীত হয়ে প্রাঞ্জল
ভেসে বেড়াচ্ছে অদৃশ্যে অহরহ।
বন্ধুরা তোমাকে “৬৯ মডেল বলে নির্মম বাক্য ব্যয় করে- আর তুমি
চোখে কৌতূহল জাগিয়ে বিশ্বাস্য হাসিতে মৃদু প্রতিবাদ ক’র।
অথচ, এই তোমাকেই তুলনীয় করে অনেকেই তো হয়েছে (হচ্ছে)সুখ্যাত নায়ক,
পার্শ্ব চরিত্রে তুমি অভিনয় করে যাচ্ছ চমৎকার,
ভেবেছ, এ তোমার সর্বশেষ প্রাপ্য অঢেল।
প্রায়শই এ হাট থেকে ও হাটে বিক্রি হচ্ছো তুমি, আর
অসংখ্য প্রতিবিম্ব হয়ে ভোগ্য হয়ে উঠছো প্রতিনিয়ত,
ভেবেছ, যদি নাই পার নিস্বার্থের আগুনে সবাইকে ছিন্ন ভিন্ন করতে, তবে,
তোমাকেই তুমি পুড়ে ছাই করতে থাকবে এবং
সবার উপর প্রতিশোধ নেয়া হয়েছে ভেবে,
দুচোখে কান্নার ঝড় তুলবে।
তোমাকে দেখে সত্যই হাসি পায়, ভীষণ !
বাংলা মা
যখন এ কবিতাটি লিখছি তখন জ্বলছিলো খাগড়াছড়ি ও বাঘাই ছড়ির আদিবাসীদের গ্রাম।না খেয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে কোন রকম বেচে আছেন আদিবাসীরা।খবরের কাগজে ছাপা হচ্ছিলো তাদের দুর্বিসহজীবনের কথা।যত দেখছিলাম তত খারাপ লাগছিল।যতজন পরিচিত ছিল সবাইকে কল করেছি কিন্তু কাউকে পাইনি।দুচ্ছিন্তায় যাচ্ছিল প্রতিটি মুহূর্ত।এমন সময়ে একটি রাতে লিখেছিলাম এ কবিতাটি।জানিনা আপনাদের ভাল লাগবে কিনা।তবুও লিখলাম।
মাগো তুমি কি শুনতে পাও তোমার সন্তানদের আর্তনাদ,হাহাকার আর কান্নার ধ্বনি?
মাগো তুমি কি জানে তোমার সন্তানদের হত্যা করছে নিষ্টুর খুনি?
জ্বলছে গ্রামের পর গ্রাম শতশত বাড়ি,
প্রাণে বাচার তরে মানুষ ছেড়ে যাচ্ছে প্রিয় বাড়ি,
কালো ধোঁয়া মিশে গেছে আকাশে,
কান্নার ধ্বনি মিশে গেছে বাতাসে,
চারদিকে ছুটাছুটি চারিদিকে খোজাখুজি কোথায় আপন জন,
মাতা হারিয়ে ছৌট ছেলেটা কাঁদতে কাঁদতে অচেতন,
মা তুমি কোথায় আমাদের ও সাথে নিয়ে যাও,
জীবন বহে নদীর মতো
এক.
বসন্তকাল- চৈত্রের শেষভাগ, রোদের তেজ যথেষ্ট। সকালেই সূর্য পূর্ণ তেজে পৃথিবীকে উত্তপ্ত করে চলছে। গতকাল একচোট ঝড়বৃষ্টি হয়েগেছে। আজ অবশ্য আকাশ পরিষ্কার। আকাশের দক্ষিণ পশ্চিম কোণে কেবল তুলার মতো হালকা একখণ্ড মেঘ ভেসে আছে। শুভ্র মেঘের ফাঁক গলে নীল আকাশ দেখা যায়।
সকালে জমিতে হাল দিয়েছে সাদেক আলী। সাদেক আলীর বয়স আনুমানিক বিশ। তার নাম রাখা হয়েছিল সাদিক আহমেদ। জন্ম হয়েছিল সুবেহ-সাদিকের সময়; তাই ঢাকায় পড়ুয়া বড়বাড়ির মেয়ে তার নাম রেখেছিল সাদিক আহমেদ। বড়বাড়ির মেয়ের সেই সখের নাম অশিক্ষিত বাবামায়ের ঘরে ক্ষণকাল থেকে হাফিয়ে উঠল। সাদিক আহমেদ পরিবর্তিত হয়ে বাবা-মায়ের কাছে হলো সাদেক আলী আর পাড়া-প্রতিবেশীর কাছে হলো 'সাদেইক্যা'। সাদেক আলী ছোট সময় যদিও শ্যাম বর্ণের ছিল কিন্তু রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে এখন হয়েছে কৃষ্ণবর্ণের। খাটোমতো ছেলেটি। বুকের পাটা যথেষ্ট চেপ্টা, চওড়া কপাল, মাথাবর্তি লালচে-কালো চুল।
নাম দর্শনের মাজেজা:চার
অর্জুণ নামটির কথা চিন্তা করুন,তিনি যদি কিছু অর্জন না করেন তা হলে কী ভাবে তার নাম অর্জুন হয়? কী অর্জণ করেছিলেন অর্জুন?কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে তিনি ধর্মার্থ অর্জন করেছিলেন। ।।তিনি বলছেন:আমরা রাজার ঘরে জন্মেছি,অমানুষিক ক্ষমতায় এই রাজ্য জয় করেছি,সেখানে ধর্মার্থ ত্যাগ করে মূর্খের মতো বনে যাব কেন?(মহাভারত,১২.৮.৯)।অন্যত্র দেখছি তিনি আবার বলছেন, এতদিনে শত্রু বধ করে এই পৃথিবীর অধিকার লাভ করলাম ,সেখানে সব ছেড়ে চলে যাবার কথা ভাবাটা যে একেবারেই বুদ্ধিহীনতা হবে(মহাভারত ১২.৮.৫)।তার মানে আমরা দেখতে পেলাম যে,কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে অর্জুন 'পৃথিবীর অধিকার' এবং 'ধমার্থ' নামক বস্তু দুটি অর্জন করেছেন ।েস কারনেই তিনি অর্জুন। অর্জুন নামে যথাযোগ্য হয়েছেন।। ।। এই যে আমরা এতক্ষণ যা বললাম, এতো কেবল নামের কারণ হলো মাজেজা নয়, মাজেজাটা আমরা একটু পরেই আলোচনা করতে চাই।। ।। কীভাবে করতে চাই?
বিবর্ণ ক্রান্তিকালের চিত্রভাষ্য 'কাঁটাতার ' ও 'দ্যা প্যাশন অফ দ্যা খ্রাইস্ট'
নব্বই পরবরতী কিংবা তারও পরে সিনেমায় কেমন জানি একটা স্থিরতা স্থিরতা ভাব এসে সিনেমাকে আচ্ছন্ন করে দিলো । বিশেষ করে বাংলা সিনেমায় কেমন জানি একটা নতুন পাকে মোড় নিলো । দেশীয় ঘটনাপ্রবাহ ছেড়ে বাংলা সিনেমা আন্তর্জাতিকতার গলিগুজি দিয়ে প্রবেশেধীকার চাইলো আন্তর্জাতিকতার । এমনি এক সিনেমা
' কাঁটাতার ' পরিচালক বাপ্পাদিত্য বন্দ্যেপাধ্যায় । ' এপারের হাওয়া এপারেও যায় , এপারের মেঘ অপারেও ভেসে বেড়ায় , এপারের আকাশ অপারেও এক , এপারের টাকা অপারে চলে তেমনি অপারেরটাও শুধু এই কাঁটাতারটাই বারবার মনে করিয়ে দেয় এই ভূখণ্ড আলাদা !
কবিতারা
১.
আজকাল এবিতে অনেক বেশি কবিতার পোস্ট দেখা যায়। মানুষজন শুনছি কব্তিা নিয়ে ব্লগ থিসিসও করা শুরু করেছে। তাই ভাবলাম, আমিও বাদ যাই কেন? তাই কবিতা একটা লিখেই ফেললাম।
ভাবছিলাম কি নিয়ে কবিতা লেখা যায়। রবীন্দ্রনাথ প্রেম, প্রকৃতি, পূজা ও স্বদেশ নিয়ে বেশি কবিতা লিখেছেন। আমি স্বদেশ দিয়েই শুরু করলাম। আমি আবার অর্থনীতি নিয়ে কাজ করি। তাই স্বদেশ চিন্তায় অর্থনীতিও চলে আসলো।
আমরা নিরন্তর কাজ করে চলেছি
এগিয়ে চলেছি রূপকল্পের
স্বপ্ন পূরণের দিকে।
এগিয়ে চলেছি
সাহসী ও পরিশ্রমী মানুষকে সাথে নিয়ে
অর্থনৈতিক মুক্তির পথে,
সুন্দর ও আলোকিত এক আগামির পথে।
যেখানে আমরা দেখবো উন্নয়ন,
গণতন্ত্র
শান্তি
প্রগতির
অনন্য এক সহাবস্থান।
এ পথ কুসুমাস্তীর্ণ নয়,
বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে
কাঙ্খিত গন্তব্যে পৌঁছাবোই।
কোনো অপশক্তির কাছে
কখনও পরাভব
মানিনি,
মানবো না।
আমাদের মিলিত শক্তি
হুদাই প্যাচাল... (১)
এক.
(ক)
রুমানা মঞ্জুররে তার জামাই হাসান সাঈদ পিটানোতে বেশ হয়। আমরা আবার নারী নীতি নিয়া সোচ্চার হওয়ার কথা ভাবতে পারি। আওয়ামি আর আমিনীর শঠতার আড়ালে চইলা যাওয়া নারী নীতি নিয়া আবার ভাববার সময় বের করতে পারুম আমরা মধ্যবিত্তরা। রুমানা মঞ্জুরের চোখ নষ্ট হওয়াতে বেশ ভালো হইলো, সাঈদ সাহেব যদি কেবল চর থাপ্পরে ছাইড়া দিতো তাইলে তো আর টেলিভিশন চ্যানেল আর পত্রিকাগুলি নিউজ করতো না। এমন চর থাপ্পরতো সাংসারিকতায় স্বাভাবিক আচরণ। দুইটা মানুষ এতোদিন ধইরা একলগে আছে, এইরম ঝগড়াঝাটি খুবই নিয়মিত প্রত্যাশিত আচরণ।
(খ)
শুধু শারীরিক নির্যাতন না বন্ধ করো মানসিক নির্যাতন
কয়েকদিন ধরে মিডিয়ার কল্যানে আমরা সবাই খুব রোমানা মঞ্জুরের কথা বলছি। যেখানেই যাই সেখানেই আলোচনার টপিক দাঁড়ায় রোমানা মঞ্জুর। কিন্তু আমাদের এই সো কলড শিক্ষিত সমাজে এরকম কত হাজার হাজার রোমানা মঞ্জুর আছে আমরা কেউ তার খবরও রাখিনা। আরেকদিন অফিসের কাজে একশন এইডে গেলাম। ওখানে গিয়ে দেখি খুব সুন্দর দেখতে একটা মেয়ের ছবি বড় করে টানানো। মেয়েটি কে জিজ্ঞেস করতেই ওদের একজন জানালো, মেয়েটি আমাদের সহকর্মী ছিল, ওকে ওর স্বামী মেরে ফেলেছে। শুনে আমার একটা ধাক্কার মত লাগলো। আরও কষ্ট পেলাম যখন জানতে পারলাম মেয়েটা ইউনিভার্সিটিতে আমার ডিপার্টমেন্টেরই সিনিয়র ছিল। সব শুনে আমি আমার কলিগকে বললাম আমরা ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের মেয়েরা নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে এত কাজ করি অথচ আমাদেরইতো কোন ক্ষমতা নাই। আমাদের মেয়েরাইতো বাসায় স্বামীর হাতে নির্যাতিত হয়, তাহলে আমরা আর মানুষকে কি শেখাই?
ব্যতিক্রম
সেদিন অফিস শেষে রাত ১০টায় বাড়ি ফিরতে মগবাজার অয়ারলেস মোড় থেকে সায়েদাবাদ যাওয়ার উদ্দেশে বলাকা বাসে উঠি।বাসটি চলতে চলতে কমলাপুরের কাছে এসে হঠাৎ থেমে যায়। পরে জানা গেলো বাসের চাকা পাংচার হয়েছে। অগত্যা চাকা পাল্টাতে হবে।এক-আধঘণ্টা সময়ের ব্যাপার।তাতে কী যাত্রীভর্তি বাসে এমন কোনো লোকের উপস্থিতি টের পাওয়া গেলো না, যাতে বাসের চালক বা কন্ডাক্টরকে কোনো টু শব্দ করে।বিষয়টি সত্যি অবাক করার মতো। কেননা, যেখানে নিত্যদিন যাত্রাপথে বাসের লোকদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে যাত্রীদের বাগবিতণ্ডায় লিপ্ত হতে দেখা যায়।সেখানে এমন একটি ঘটনা বিস্ময়কর নয় কি?
স্বরূপ
জলে জোসনার প্রতিবিম্ব দেখে
শ্লেষে হেসে ওঠে হুতুম পেঁচা
পুকুরের এপার থেকে ওপার
ওপার থেকে এপার, তারপর
একটি ডালের ওপর বসে ।
জলে নিজের প্রতিবিম্ব দেখতে পায় নি বলে
ভীষণ ক্ষেপেছে সে
এবার উড়ে গিয়ে বসে
জলের উপরের একটি ডালে
ভেসে ওঠে জলে অবয়ব নিজের
অজান্তেই বলে পেঁচা
ওই কুৎসিত চেহারাটা কার !