ইউজার লগইন
ব্লগ
আকাশ, আগ্নেয়গিরি আর আমি
আকাশ
## প্রত্যেক মানুষের নাকি নিজের একটা আকাশ থাকে। সেই আকাশে প্রাকৃতিক আকাশের মতো নিজের কিছু তারা , কষ্ট নামের মেঘ , কান্না নামের বৃষ্টি থাকে। রোদ নামের ঘাম থাকে, চাঁদ নামের আলো থাকে, জোছনারুপী ভালোবাসা থাকে। কখনো কখনো শূন্যতার মতো অনন্ত নক্ষত্রবীথি থাকে, সুখগুলো হারানোর কৃষ্ণ গহবর থাকে। এতকিছু কোনোকিছুই থাকে না, যদি আকাশটা না থাকে। তবে অনেকেই আছে যারা এই আকাশের অস্তিত্ব সম্পর্কে অবগত না হয়েও অনুভূতির চোরাবালিতে আটকে পড়ে হাঁসফাঁস করতে করতে জীবন কাটিয়ে দেয়। আমি সেই দলভূক্ত নই।
মেঘগুলোকে আমার সুখের মতোই মনে হয়। তারা সুখের মতো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছোটাছুটি করে, অস্থির হয়ে। অস্থির মেঘ আমি ভালোবাসি!
চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি-৪
১
কলেজ - ইউনি তে পড়ার সময় সকালে উঠে ক্লাস দুপুরে বাসায় এসে ভাতঘুম বিকালে উপশহরের রুপালী ব্যাংকের সামনে আড্ডা বা ইউনিতে রুহুল ভাইয়ের চায়ের দোকানে আড্ডা দিয়ে রাতে বাসায় এসে একটু ক-খ-গ-ঘ পড়ে ভাত খেয়ে টিভি দেখে ঘুম।আর এখন… সকালে উঠে ল্যাবে কামলা দিতে যাওয়া রাতে এসে ঘুম।একই রুটিন প্রতিদিন।অবশ্য মাঝে মাঝে উপশহরের সেই আড্ডার মতো আড্ডা দেয়া হয় স্কাইপে তিন বন্ধু তিন দেশে বসে।আড্ডার বিষয় বস্তু সেই আগের মতোই কোন ঠিক নাই একেক সময় একেক রকম কখনো হাসিনা খালেদা,কখনো ইউনুস আবার কখনো ব্লগের বিষয় বস্তু।কি অদ্ভুত!!! জীবন থেমে থাকে না।চলে তার নিজের গতিতে।
২
গল্প: কপট চোখ রাঙানিসমৃদ্ধ একটা ছোট্ট কথোপকথন
পেশাজীবনের শুরুর দিকের ঘটনা। ইশরাত আমাকে দেখলেই দৌড় দিতো। খুব আশ্চর্য হতাম। ও'ও রিপোর্টার। কিন্তু কোথায় কাজ করে সেটা কোনোদিন জানার সুযোগ পাই না। অ্যসাইনমেন্ট শেষ হওয়ার পর আমি বেশ ক'দিন কথা বলার চেষ্টা করেছি। কিন্তু মূহূর্তের মধ্যে সে ফুড়ুৎ হয়ে গেছে। এবং কিছুটা যেন আমাকে নজরে রেখেই ফুড়ুৎ হয়ে গেছে। হয়তো একদম কাজ শেষে আমি নোটবুকটা বন্ধ করার জন্য একটু নিচের দিকে তাকিয়েছি। ওটা ব্যগে পুরে ওকে গিয়ে কথাটা জিজ্ঞেস করবো, কিন্তু চোখ তুলে দেখি নেই।
কারণটা কি আমি বুঝতে পারতাম না। একদম প্রথমদিন আমি ঠিক ওর পাশের সিটটায় গিয়ে বসেছিলাম। ওকে তখনো দেখি নি। পুরা হলে ঐ একটাই সিট খালি ছিলো। আমি বসার পর খেয়াল করলাম, এতক্ষণ আসলে অন্যকেউ ওর পাশে বসার সাহস পাচ্ছিলো না। এই সিটটাকে লাস্ট চয়েজ হিসেবে ধরে রেখে সবাই একে একে বসেছে। তারপর আমি ঢোকার সময় কেবল ওটাই খালি ছিলো। কোনোদিকে না তাকিয়ে বসে পড়েছি।
আমি
আমি আর, এক খানি উদাসী বিকাল
মুখমুখি বসে রই, বাক হীন, সাড়া হীন
বোধের বিলুপত পাতায় জাগ্রত তুমি!!
কখনও তোমার ফেলে দেওয়া সৃতি!!
উদাসি হাওয়া আর ঢলে পরা পতার আড়াল
মনের পতা খুলে তুলে আনা হাড়ানো সময়
রংচটা মনে পাখা মেলে উড়ে রঙের দিশেয়
ভালো লাগায় উপচে উঠে আমার ভুবন
আমাদের হারানো সময়, আমাদের বাচায়
আমাদের খয়ে যাওয়া প্রানে সপনদন জাগায়।
পাঠকের পাতা এবং আমাদের আশা-হতাশা
সকালের খবর আমার কাছে একটি লেখা চাইল। পাঠকের পাতা নিয়ে। লেখা দিলাম। লেথাটিতে আমি সশ্রদ্ধায় স্মরণ করলাম প্রয়াত সঞ্জীব চৌধুরী ও এ টি এম হাইকে। ২৭ মে'১১, শুক্রবার পাঠকসভায় আমার লেখাটি ছাপা হলো। দেখলাম, প্রায় সবই কাটা পড়েছে! ওটা হয়েছে একটা শুভেচ্ছা বাণী মাত্র। ইতিহাস বিকৃতি এবং বিস্মরণের এই সময়ে, হৃদয়ে দায় থেকেই পুরো লেখাটি আমরা বন্ধুতে দিলাম। কেন যেন মনে হচ্ছিল, এই কথাগুলো বলবার দরকার আছে...
সংবাদ মাধ্যমের যে কোনো নতুন উদ্যোগেই আনন্দিত এবং আশাবাদি হই। সকালের খবর প্রকাশের সংবাদে ভালোলাগার পরিমাণটা আরো বেশি। কারণ হলো, আমার বেশ কজন প্রিয় মানুষ জড়িত হয়েছেন এর সঙ্গে। হৃদয় হতে তাই শুভকামনা সকালের খবর-এর জন্য। এই শুভযাত্রা সফল হোক।
মৃত্যু আলিঙ্গন
খুব অত্যাচারিতভাবে বাঁচা আর মরে যাওয়ার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। অতএব না মরে গিয়ে যে আমি বেঁচে আছি এটা আমার কাছে বেঁচে থাকা নয়। শুধু কিছু মানুষের কাছে......কিছু দায়িত্ব........কিছু দায়.........কিছু কাজ.........
এখন এই বেঁচে থাকাটা যেন আমার প্রিয় মৃত্যুর চেয়েও অনেক অনেক আনন্দের! সত্যিই আমি এমন অদ্ভুত জীবনকে ধারণ করে বেচেঁ থাকায় বিমোহিত......এখন যে কোনভাবে যদি পার হয়ে যায় আর কয়েকটা দিন। এইতো, কতগুলো দিন কেটে গেল না! যাবে তো যাবেই.....যেতে হবে এমন করে। এমন করে যায় যদি দিন যাক না”....
সময় যেমন চলছে নদীর দ্রুত বেগের মতন, তখন আমি খুবই কাতর, খুবই নিরব, স্তব্ধ, খুবই নির্বিকার..............দাদার মত বলতে ইচ্ছে করছে...................
কথা বলব না ....আগের মত কিছু নেই,
পিছু ডাকব না....পিছু ডাকার কিছু নেই,
সর্বনাশী ঝড় বুকে উড়ে যাবার কিছু নেই।
আগুনে পুড়েছি এ হাত বাড়িয়ে
বারবার ফিরে আসা
সকাল সকালেই আসলাম চট্টগ্রাম কলেজ।বন্ধুরা বিসিএস পরীক্ষা দিবে তাই আমার তাদের সাথে ঘুরতে আসা।শত শত মানুষ বিসিএস এর জন্য আসছে এক সাথে এত মানুষ দেখে খুব মজা লাগলো।বন্ধুরা পরীক্ষার টেনশনে আছে সবাই হলে।আর আমি এক সাইবার ক্যাফেতে বসে সময় পার করতেছি।আজ প্রায় ১৭ দিন ধরে আমি চিটাগাং এ।আজ পর্যন্ত এত দিন আমি কোথাও থাকি নাই বেড়াতে এসে।বন্ধু আছে অনেক কিন্তু দুই জনের বাসাতেই থাকা হয়।এই দুই বাসাতেই আমি ঘরের ছেলের মতই।ইচ্ছে মত নিজের ঘরের মত করে থাকা।যদিও এতদিন অন্যের বাসায় থাকা ঠিক না তবুও পড়ে থাকি।কারন এই বন্ধুরা এই জায়গার চেয়ে শান্তিময় স্থান আমার কাছে আর নাই।বলে রাখি আমরা চট্রগ্রাম মেইন শহরে বড় হয় নি।অনর্গল ভাবে চিটাগাং এর ভাষাতেও কথা বলি না।বরং যেসব বন্ধু বলতো তাদেরকে ভেংগানোই ছিলো আমাদের কাজ।বাপের নেভীর চাকরীর উসিলাতেই চট্রগ্রামে থাকা।পতেংগায় নেভীর যে কলোনী সেখানেই পার হয়েছে আমার জীবনের ১১ বছর।চিটাগাং অ
আজাইরা দিনপঞ্জী... ১৯
কতোগুলো মুখোশ আছে আমার? অনেক, অসংখ্য? নাকি একটাও না? মাঝে মাঝে খুব সহজ কিছু প্রশ্নের উত্তর খুব গুলিয়ে যায়... মুখোশ থাকাটা কি দরকারী খুব? তা না হলে আছে কেন? কিন্তু আবার দরতার কিংবা অদরকারে কিইবা আসে যায়? এইয়ে এখন বেশ ভাবুক ফিলসফিক্যাল মুখোশ পড়ার একটা ব্যর্থ চেষ্টা চালাচ্ছি এর কোন মানে আছে কি? আশেপাশের মুখোশ স্রোতে সত্যি মিথ্যে যখন সব গুলিয়ে যায়, তখন মনে হয় প্রতি মুহূর্তের বিন্দু বিন্দু অনুভূতির চেয়ে সত্যি কোন কিছু আলাদা করে তো দাঁড়ায় না কোনখানে। প্রতি মুহূর্তে দিক পাল্টাতে পারে যদিও, কিন্তু তাই বলে আগের মুহূর্তের অনুভূতির সত্যতা তাতে কমে তো যাবেনা, কিন্তু পুরনো অনুভূতিও কি স্মৃতির মোড়কে ঢুকে গিয়ে মানে পাল্টে ফেলে না?
ফ্রুটিকা সংবাদ :: প্রতিদিন কত খবর আসে যে

ক)
মন তরে পারলাম না বোঝাইতেরে...
তুই যে... আমার মন
বেকুব মন। কিছু বুঝতেই চায় না। এইসব মূর্খ মন গুলার আরো লেখাপড়া করা উচিত। না বুইঝাই ফাল পারে। বিষয়টা এরম হইলে ভাল হইতো...
মন শুধু মন ছুয়েঁছে...
ও সেতো মুখ খুলেনি
সুর শুধু সুর তুলেছে
ভাষা তো দেয় নি
আহা কিরম ভালুবাসা... সুরের মূর্ছনায় শায়লাব বাংলাদেশে... পেমিকার মন উদ্বেলিত উচ্ছাস... বাতাসে পেমের আনচান করা আহ্বান... জীবনের পরতে পরতে পেম... এরমিতো হওয়ার কথা ছিল... এরম একটা স্বপ্ন মনেলয় আম্রার বেবাক্তেরি
... কিন্তু...
এই কিন্তুটাই খাইলো আমাগোরে... সব কিছুর মধ্যেই খালি ভেজাল বাজইয়া দেয়... যত্তোসব
আম
আমাদের বাড়িতে বেশ কয়েকটা আমের গাছ ছিল। একেকটা আমের ধরন ছিল একেক রকম। আমি, শান্তি (ছোট পিসি) আর পাখি (কাকাতো বোন)- আমাদের বিকেলের রুটিন ছিল আম পেড়ে ভর্তা বানিয়ে খাওয়া। এই তিনজনের কারণে আমাদের গাছের আম গাছে পেঁকেছে- এমন উদাহরণ বিরল।
ঢাকা শহরে এসে আমি যে কয়েকটি কঠোর বাস্তবতার মুখোমুখি হই, তার একটি হচ্ছে আম কিনে খাওয়া। ঢাকায় আসার আগে কখনো মাথায়ই আসে নি যে, আম জিনিসটি কিনে খাওয়ার মতো কিছু একটা। সঙ্গত কারণেই ১৯৯৫ সালের পর থেকে আমার আম খাওয়া কমে যায়। কিনে খাওয়ার মতো সামর্থ্য তখন ছিল না, তখন বাড়ি থেকে মাসে পেতাম মাত্র ১০০০ টাকা। এই টাকা দিয়ে মেসে থাকা, খাওয়া এবং দৈনন্দিন খরচ চালাতে হতো। আমার কিনে খাওয়ার মতো বিলাসিতা তাই তখন দেখানো হয় নি।
মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার বিবেচনা
মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিলো গত বছর ২৫শে মার্চ, প্রথম থেকেই গণমাধ্যমকর্মীদের অত্যুৎসাহ এবং তদন্ত কমিটি এবং ট্রাইব্যুনালের সদস্যদের গণমাধ্যমমুখীনতা মাঝেমাঝেই ট্রাইব্যুনাল বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে। গণমাধ্যমে এটাকে যুদ্ধাপরাধের বিচার বলে বিশেষ প্রচারণার ফলে ট্রাইব্যুনালের কর্মপরিধি যতটাই সীমিত হোক না কেনো সেটা নিয়ে বিতর্কের প্রবনতা তৈরি হয়েছে সেটা অস্বীকার করা যাবে না।
পাঁচ মাসের শ্যাওলা জীবন
ভয়াবহ অস্থির সময় যাচ্ছে। এরকম হঠাৎ হঠাৎ হয়। আগে পিছে না ভেবে হুট হাট কাজ করার স্বভাব বরাবরই। পরে পস্তাই। মানুষকে বিশ্বাস করি। করে ঠকি। তাতে অবশ্য কিছু যায় আসেনা। আমার মত আমি চলি। যা ভাল মনে হয় করি। অন্যে ভাল বললেই সে কাজ করিনা। নিজের সাথে বোঝাপড়া সেরে নেই আগে। ভেতর থেকে সাড়া পেলে তবেই কোন কাজে হাত দেই। হঠাৎ চাকরী ছেড়ে দেবার অভ্যাস পুরোনো।
ব্যবসা বানিজ্য হবেনা আমাকে দিয়ে। এটা ভালই বুঝি। আমার চাহিদা বেশ কম। কোনো ভাবে বেঁচে বর্তে বাকী জীবনটা কাটাতে পারলেই হলো। ছেলে দুটোকে একটা ব্যবস্থা করে দেয়া। তারপর দুজনে বুড়ো হয়ে যাব। হয়ত গ্রামে চলে যাব। কত বিশাল বাড়ি। কেউ থাকেনা। বাড়ির পাশেই নানা বাড়ি। মা'র শেষ ইচ্ছেতে তাঁকে সেখানে শুইয়ে রাখা হয়েছে। বাবা আজিমপুরে শুয়ে আছেন। ভাই বোনদের সবাই এখন ঢাকায়।
Third Week of May তে দেখা অসাধারণ পাঁচটি Documentary
ডকুমেন্টারির প্রতি আমার আগ্রহটা অনেক পুরনো । মুভির ধাক্কায় ডকুমেন্টারি দেখাই হয়নি মাঝের দু'বছর । এ সপ্তাহে মোটামুটি মনস্থির করেই দেখে ফেললাম ৮/৯ টি ডকুমেন্টারি । তার মাঝে সেরা ৫ টি নিয়ে হালকা রিভিউ :
মার্চ অফ দ্যা পেঙ্গুইনস (March of the Penguins):

নজরুল
কবি নজরুল,
তাকে নিয়ে বার বার করে ফেলি ভুল !
বিদ্রোহী কবি বলে ডেকে রাত দিন
বাকী সব তার নিচে হয়েছে বিলীন !
কেউ আছি গানে মজে কেউ কবিতায়
বাকী সব কাজ তাঁর আড়ালে লুকায়
কেউ তাঁকে করে ফেলি ইসলামী কবি
কেউ তাঁর শ্যামা গীতি দিয়ে আঁকি ছবি
কেউ বলে আধুনিক কবি নন তিনি
কোন নামে তবে তাঁকে সকলেই চিনি ?
তাঁকে নিয়ে এই সব চলতেই পারে
জানতেন আগে থেকে কবি এ ব্যাপারে
বহু আগে কবিতায় লিখেছেন তাই
সে কথাই আজ আমি তাহলে শোনাই-
''নর ভাবে, আমি বড় ননারী-ঘেঁষা ! নারী ভাবে, নারী বিদ্বেষী।
বিলেত ফেরেনি, প্রবাসী-বন্ধু ক'ন, এই তব বিদ্যে, ছি !''
সব কিছু মিলে তিনি সকলের কবি
রবি ঠাকুরের পাশে তিনি এক রবি
তাঁর কথা ধার করে আঁকি তাঁর রূপ
বলেছেন সংক্ষেপে জ্বলমান ধূপ-
''আমি ইন্দ্রাণী-সুত হাতে চাঁদ ভালে সূর্য
মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য;'
জনতার মনে থাকে জনতার কবি
আমাদের এই ভালবাসা
আমাদের এই ভালবাসা
ছয় লক্ষ আত্মঘাতী ঝগড়া
চারকোটি ভিজে চুমু ঠোঁটে
আবেশে হাতে হাত রাখা
অনুভবে দুজনে ছুঁয়ে থাকা
এলোমেলো চিঠি লেখা
খুচরো খাচরা ফোন করা
টুকরো টাকরা মেঘে ভেজা
আমাদের এই ভালোবাসা
কতো বলা না বলা কথা
অজানা সুখে ডুবে থাকা
কিছু চাওয়া কিছু না পাওয়া
কিছু পেয়ে তা হারিয়ে ফেলা
কিছু স্বপ্ন প্রজাপতির পাখা
কিছু আদর তুলোয় মাখা
চোখে তার নামের কাজল আঁকা
তানবীরা
২৪.০৫.২০১১
উৎসর্গঃ অদেখা কিন্তু অনেক চেনা অনুজা “জেবীন”কে। যে খুব ভালো পায়েস রাঁধে। প্রবল ভালোবাসা নিয়ে মাঝে মাঝেই সে আমার বিষন্ন নিঃসংগ সময়গুলোকে নাড়িয়ে দিয়ে যায়।