ইউজার লগইন
ব্লগ
মৃত্যু আলিঙ্গন
খুব অত্যাচারিতভাবে বাঁচা আর মরে যাওয়ার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। অতএব না মরে গিয়ে যে আমি বেঁচে আছি এটা আমার কাছে বেঁচে থাকা নয়। শুধু কিছু মানুষের কাছে......কিছু দায়িত্ব........কিছু দায়.........কিছু কাজ.........
এখন এই বেঁচে থাকাটা যেন আমার প্রিয় মৃত্যুর চেয়েও অনেক অনেক আনন্দের! সত্যিই আমি এমন অদ্ভুত জীবনকে ধারণ করে বেচেঁ থাকায় বিমোহিত......এখন যে কোনভাবে যদি পার হয়ে যায় আর কয়েকটা দিন। এইতো, কতগুলো দিন কেটে গেল না! যাবে তো যাবেই.....যেতে হবে এমন করে। এমন করে যায় যদি দিন যাক না”....
সময় যেমন চলছে নদীর দ্রুত বেগের মতন, তখন আমি খুবই কাতর, খুবই নিরব, স্তব্ধ, খুবই নির্বিকার..............দাদার মত বলতে ইচ্ছে করছে...................
কথা বলব না ....আগের মত কিছু নেই,
পিছু ডাকব না....পিছু ডাকার কিছু নেই,
সর্বনাশী ঝড় বুকে উড়ে যাবার কিছু নেই।
আগুনে পুড়েছি এ হাত বাড়িয়ে
বারবার ফিরে আসা
সকাল সকালেই আসলাম চট্টগ্রাম কলেজ।বন্ধুরা বিসিএস পরীক্ষা দিবে তাই আমার তাদের সাথে ঘুরতে আসা।শত শত মানুষ বিসিএস এর জন্য আসছে এক সাথে এত মানুষ দেখে খুব মজা লাগলো।বন্ধুরা পরীক্ষার টেনশনে আছে সবাই হলে।আর আমি এক সাইবার ক্যাফেতে বসে সময় পার করতেছি।আজ প্রায় ১৭ দিন ধরে আমি চিটাগাং এ।আজ পর্যন্ত এত দিন আমি কোথাও থাকি নাই বেড়াতে এসে।বন্ধু আছে অনেক কিন্তু দুই জনের বাসাতেই থাকা হয়।এই দুই বাসাতেই আমি ঘরের ছেলের মতই।ইচ্ছে মত নিজের ঘরের মত করে থাকা।যদিও এতদিন অন্যের বাসায় থাকা ঠিক না তবুও পড়ে থাকি।কারন এই বন্ধুরা এই জায়গার চেয়ে শান্তিময় স্থান আমার কাছে আর নাই।বলে রাখি আমরা চট্রগ্রাম মেইন শহরে বড় হয় নি।অনর্গল ভাবে চিটাগাং এর ভাষাতেও কথা বলি না।বরং যেসব বন্ধু বলতো তাদেরকে ভেংগানোই ছিলো আমাদের কাজ।বাপের নেভীর চাকরীর উসিলাতেই চট্রগ্রামে থাকা।পতেংগায় নেভীর যে কলোনী সেখানেই পার হয়েছে আমার জীবনের ১১ বছর।চিটাগাং অ
আজাইরা দিনপঞ্জী... ১৯
কতোগুলো মুখোশ আছে আমার? অনেক, অসংখ্য? নাকি একটাও না? মাঝে মাঝে খুব সহজ কিছু প্রশ্নের উত্তর খুব গুলিয়ে যায়... মুখোশ থাকাটা কি দরকারী খুব? তা না হলে আছে কেন? কিন্তু আবার দরতার কিংবা অদরকারে কিইবা আসে যায়? এইয়ে এখন বেশ ভাবুক ফিলসফিক্যাল মুখোশ পড়ার একটা ব্যর্থ চেষ্টা চালাচ্ছি এর কোন মানে আছে কি? আশেপাশের মুখোশ স্রোতে সত্যি মিথ্যে যখন সব গুলিয়ে যায়, তখন মনে হয় প্রতি মুহূর্তের বিন্দু বিন্দু অনুভূতির চেয়ে সত্যি কোন কিছু আলাদা করে তো দাঁড়ায় না কোনখানে। প্রতি মুহূর্তে দিক পাল্টাতে পারে যদিও, কিন্তু তাই বলে আগের মুহূর্তের অনুভূতির সত্যতা তাতে কমে তো যাবেনা, কিন্তু পুরনো অনুভূতিও কি স্মৃতির মোড়কে ঢুকে গিয়ে মানে পাল্টে ফেলে না?
ফ্রুটিকা সংবাদ :: প্রতিদিন কত খবর আসে যে

ক)
মন তরে পারলাম না বোঝাইতেরে...
তুই যে... আমার মন
বেকুব মন। কিছু বুঝতেই চায় না। এইসব মূর্খ মন গুলার আরো লেখাপড়া করা উচিত। না বুইঝাই ফাল পারে। বিষয়টা এরম হইলে ভাল হইতো...
মন শুধু মন ছুয়েঁছে...
ও সেতো মুখ খুলেনি
সুর শুধু সুর তুলেছে
ভাষা তো দেয় নি
আহা কিরম ভালুবাসা... সুরের মূর্ছনায় শায়লাব বাংলাদেশে... পেমিকার মন উদ্বেলিত উচ্ছাস... বাতাসে পেমের আনচান করা আহ্বান... জীবনের পরতে পরতে পেম... এরমিতো হওয়ার কথা ছিল... এরম একটা স্বপ্ন মনেলয় আম্রার বেবাক্তেরি
... কিন্তু...
এই কিন্তুটাই খাইলো আমাগোরে... সব কিছুর মধ্যেই খালি ভেজাল বাজইয়া দেয়... যত্তোসব
আম
আমাদের বাড়িতে বেশ কয়েকটা আমের গাছ ছিল। একেকটা আমের ধরন ছিল একেক রকম। আমি, শান্তি (ছোট পিসি) আর পাখি (কাকাতো বোন)- আমাদের বিকেলের রুটিন ছিল আম পেড়ে ভর্তা বানিয়ে খাওয়া। এই তিনজনের কারণে আমাদের গাছের আম গাছে পেঁকেছে- এমন উদাহরণ বিরল।
ঢাকা শহরে এসে আমি যে কয়েকটি কঠোর বাস্তবতার মুখোমুখি হই, তার একটি হচ্ছে আম কিনে খাওয়া। ঢাকায় আসার আগে কখনো মাথায়ই আসে নি যে, আম জিনিসটি কিনে খাওয়ার মতো কিছু একটা। সঙ্গত কারণেই ১৯৯৫ সালের পর থেকে আমার আম খাওয়া কমে যায়। কিনে খাওয়ার মতো সামর্থ্য তখন ছিল না, তখন বাড়ি থেকে মাসে পেতাম মাত্র ১০০০ টাকা। এই টাকা দিয়ে মেসে থাকা, খাওয়া এবং দৈনন্দিন খরচ চালাতে হতো। আমার কিনে খাওয়ার মতো বিলাসিতা তাই তখন দেখানো হয় নি।
মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার বিবেচনা
মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিলো গত বছর ২৫শে মার্চ, প্রথম থেকেই গণমাধ্যমকর্মীদের অত্যুৎসাহ এবং তদন্ত কমিটি এবং ট্রাইব্যুনালের সদস্যদের গণমাধ্যমমুখীনতা মাঝেমাঝেই ট্রাইব্যুনাল বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে। গণমাধ্যমে এটাকে যুদ্ধাপরাধের বিচার বলে বিশেষ প্রচারণার ফলে ট্রাইব্যুনালের কর্মপরিধি যতটাই সীমিত হোক না কেনো সেটা নিয়ে বিতর্কের প্রবনতা তৈরি হয়েছে সেটা অস্বীকার করা যাবে না।
পাঁচ মাসের শ্যাওলা জীবন
ভয়াবহ অস্থির সময় যাচ্ছে। এরকম হঠাৎ হঠাৎ হয়। আগে পিছে না ভেবে হুট হাট কাজ করার স্বভাব বরাবরই। পরে পস্তাই। মানুষকে বিশ্বাস করি। করে ঠকি। তাতে অবশ্য কিছু যায় আসেনা। আমার মত আমি চলি। যা ভাল মনে হয় করি। অন্যে ভাল বললেই সে কাজ করিনা। নিজের সাথে বোঝাপড়া সেরে নেই আগে। ভেতর থেকে সাড়া পেলে তবেই কোন কাজে হাত দেই। হঠাৎ চাকরী ছেড়ে দেবার অভ্যাস পুরোনো।
ব্যবসা বানিজ্য হবেনা আমাকে দিয়ে। এটা ভালই বুঝি। আমার চাহিদা বেশ কম। কোনো ভাবে বেঁচে বর্তে বাকী জীবনটা কাটাতে পারলেই হলো। ছেলে দুটোকে একটা ব্যবস্থা করে দেয়া। তারপর দুজনে বুড়ো হয়ে যাব। হয়ত গ্রামে চলে যাব। কত বিশাল বাড়ি। কেউ থাকেনা। বাড়ির পাশেই নানা বাড়ি। মা'র শেষ ইচ্ছেতে তাঁকে সেখানে শুইয়ে রাখা হয়েছে। বাবা আজিমপুরে শুয়ে আছেন। ভাই বোনদের সবাই এখন ঢাকায়।
Third Week of May তে দেখা অসাধারণ পাঁচটি Documentary
ডকুমেন্টারির প্রতি আমার আগ্রহটা অনেক পুরনো । মুভির ধাক্কায় ডকুমেন্টারি দেখাই হয়নি মাঝের দু'বছর । এ সপ্তাহে মোটামুটি মনস্থির করেই দেখে ফেললাম ৮/৯ টি ডকুমেন্টারি । তার মাঝে সেরা ৫ টি নিয়ে হালকা রিভিউ :
মার্চ অফ দ্যা পেঙ্গুইনস (March of the Penguins):

নজরুল
কবি নজরুল,
তাকে নিয়ে বার বার করে ফেলি ভুল !
বিদ্রোহী কবি বলে ডেকে রাত দিন
বাকী সব তার নিচে হয়েছে বিলীন !
কেউ আছি গানে মজে কেউ কবিতায়
বাকী সব কাজ তাঁর আড়ালে লুকায়
কেউ তাঁকে করে ফেলি ইসলামী কবি
কেউ তাঁর শ্যামা গীতি দিয়ে আঁকি ছবি
কেউ বলে আধুনিক কবি নন তিনি
কোন নামে তবে তাঁকে সকলেই চিনি ?
তাঁকে নিয়ে এই সব চলতেই পারে
জানতেন আগে থেকে কবি এ ব্যাপারে
বহু আগে কবিতায় লিখেছেন তাই
সে কথাই আজ আমি তাহলে শোনাই-
''নর ভাবে, আমি বড় ননারী-ঘেঁষা ! নারী ভাবে, নারী বিদ্বেষী।
বিলেত ফেরেনি, প্রবাসী-বন্ধু ক'ন, এই তব বিদ্যে, ছি !''
সব কিছু মিলে তিনি সকলের কবি
রবি ঠাকুরের পাশে তিনি এক রবি
তাঁর কথা ধার করে আঁকি তাঁর রূপ
বলেছেন সংক্ষেপে জ্বলমান ধূপ-
''আমি ইন্দ্রাণী-সুত হাতে চাঁদ ভালে সূর্য
মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য;'
জনতার মনে থাকে জনতার কবি
আমাদের এই ভালবাসা
আমাদের এই ভালবাসা
ছয় লক্ষ আত্মঘাতী ঝগড়া
চারকোটি ভিজে চুমু ঠোঁটে
আবেশে হাতে হাত রাখা
অনুভবে দুজনে ছুঁয়ে থাকা
এলোমেলো চিঠি লেখা
খুচরো খাচরা ফোন করা
টুকরো টাকরা মেঘে ভেজা
আমাদের এই ভালোবাসা
কতো বলা না বলা কথা
অজানা সুখে ডুবে থাকা
কিছু চাওয়া কিছু না পাওয়া
কিছু পেয়ে তা হারিয়ে ফেলা
কিছু স্বপ্ন প্রজাপতির পাখা
কিছু আদর তুলোয় মাখা
চোখে তার নামের কাজল আঁকা
তানবীরা
২৪.০৫.২০১১
উৎসর্গঃ অদেখা কিন্তু অনেক চেনা অনুজা “জেবীন”কে। যে খুব ভালো পায়েস রাঁধে। প্রবল ভালোবাসা নিয়ে মাঝে মাঝেই সে আমার বিষন্ন নিঃসংগ সময়গুলোকে নাড়িয়ে দিয়ে যায়।
রাজনীতি নিয়ে সিনেমা- ১: গণহত্যা পর্ব
কখনো সক্রিয় রাজনীতি করিনি। কিন্তু নিজেকে আমি রাজনীতিবিমুখ মনে করি না। রাজনীতি আমার প্রিয় বিষয়, পঠনেও। এমনকি সিনেমা দেখার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সিনেমা আমার সবচেয়ে পছন্দের। আর সেটি যদি সত্য কোনো ঘটনা নিয়ে হয় তাহলে আরও বেশি পছন্দের। এখনও আমি খুঁজে খুঁজে রাজনীতি নিয়ে তৈরি সিনেমা কিনি এবং দেখি।
একবার সামুতে রাজনীতি, সংঘাত ও কর্পোরেট ক্রাইম নিয়ে সিনেমার একটি তালিকা করেছিলাম। সেই তালিকা পূর্ণাঙ্গ ছিল না। অনেকদিন ধরে ভাবছিলাম পূর্ণাঙ্গ একটি তালিকা করবো। সেই চেষ্টা থেকেই এই লেখা।
এবার কর্পোরেট ক্রাইম বাদ দিলাম। এই ধরণের ছবি নিয়ে আলাদা করে লেখার ইচ্ছা আছে। এবার কেবলই রাজনীতি। আর রাজনীতি থাকলে সংঘাতও থাকবে। তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে ফিকশন বাদ দিয়েছি। আমার তালিকায় আছে সেই সব সিনেমা যার মধ্যে সত্যতা আছে। একটি লেখার মধ্যে সব সিনেমা আনা সম্ভব না। তাই পর্ব থাকছে। এটি প্রথম পর্ব।
স্মৃতির সড়ক
ইচ্ছে হলেই ভেজা যেতো। তুমুল বৃষ্টিতে ঘর বেসামাল। নিম গাছে চড়ুইর আনন্দ স্নান আরো লোভাতুর করে। হাত বাড়িয়ে এক মুঠো জল নিতে পারি। হাত বাড়িয়েও ফিরিয়ে আনি। বৃষ্টির ছটায় কেপে উঠছে বারান্দার ক্যাকটাস। যখন তোমার অপেক্ষায় কলেজ গেইটে, তখনো আকাশে ঝলমল রোদ। রোদে পুড়ছি আমি। আসছো তুমি তোমার কলেজ থেকে। এলে দেখি তোমার নাকে বিন্দু বিন্দু মুক্তো দানা। রুমাল দিয়ে মুছে নিতে চাইলে। বললাম থাকনা। বললে-এমনিতেই ঝরে পড়বে। বললাম- মুক্ত আনন্দে দেখবো মুক্ত ঝরা। তাল গাছে হেলান দিয়ে দাড়ালাম। আবদার করলে রিকশা বিহারের। চলছে রিকশা সবুজের খোজে। আমাদের ভাবনার রং, কথার রংও সবুজ। মনে পড়ে?
কাজী মোতাহার হোসেন এর কাছে লিখা কাজী নজরুল ইসলাম এর একটি চিঠি।
১৫, জুলিয়াটোলা স্ট্রীট
কলিকাতা
০৮-০৩-২৮
সন্ধ্যা
প্রিয় মতিহার
পরশু বিকালে এসেছি কলকাতা। ওপরের ঠিকানায় আছি। ওর আগেই আসবার কথা ছিল , অসুখ বেড়ে উঠায় আসতে পারিনি। ২/৪ দিন এখানেই আছি। মনটা কেবলই পালাই পালাই করছে। কোথায় যাই ঠিক করতে পারছিনে। হঠাৎ কোনদিন এক জায়গায় চলে যাবো, অবশ্য দু - দশ দিনের জন্য। যেখানেই যাই, আর কেউ না পাক, তুমি খবর পাবে।
বন্ধু, তুমি আমার চোখের জলের মতিহার, বাদল রাতের বুকের বন্ধু। যেদিন এই নিষ্ঠুর পৃথিবীর আর সবাই আমায় ভুলে যাবে , সেদিন অন্ততঃ তোমার বুক বেঁধে উঠবে। তোমার ঐ ছোট্ট ঘরটিতে শুয়ে , যে ঘরে তুমি আমায় প্রিয়ার মত জড়িয়ে শুয়েছিল, অন্ততঃ এইটুকু স্বান্তনা নিয়ে যেতে পারবো , এই কি কম সৌভাগ্য আমার !!!
আমি ফিরে যেতে চাই...
ইদানিং বৃষ্টিটা দেখাই হলো না। দেখা হয়েছে হয়তো কিন্তু ঠিক মতো উপলব্ধি করা হলো না।
অথচ একটা সময় বারান্দায় দাঁড়িয়ে রাস্তায় বৃষ্টি পড়া দেখতাম।
কি সুন্দর সেই দৃশ্য। বৃষ্টির ফোঁটা রাস্তায় পড়ে। আবার গাছের পাতায়ও পড়ে।
বৃষ্টি পড়ার শব্দ।
পাকা রাস্তায় মাটির গন্ধ পাওয়া যেতো না।
খুব ইচ্ছে করতো তখন মাটির গন্ধ শুকবার। কিন্তু উপায় কই?
উপায় নাই।
দিন দিন সব কিছু যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছে। ইদানিং কেনো জানি মনে হয়, কাজ করে হয়তো সময়টাকে হয়তো নষ্ট করছি।
কিন্তু কাজ তো করি ভবিষ্যতটাকে সুন্দর করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে।
মানুষ সবসময় ভবিষ্যতের জন্য কাজ করে, কষ্ট করে। কিন্তু সেই ভবিষ্যতটা কবে আসবে? সেই জন্মের পর থেকে ভবিষ্যতের চিন্তা কিন্তু ভবিষ্যতটা আর আসলো না।
সরোজ পাখি হতে চেয়েছিল
১
পাখিটাকে সরোজ ছেড়ে দিয়েছে ঠিকই। কিন্তু তার কেমন যেন মায়া পড়ে গেল ময়নাটার উপর। স্কুল থেকে বাসায় ফেরার একটা তাড়া ছিল প্রতিদিন, যতদিন পাখিটা ছিল। একটা সখ্যতাও তাদের মাঝে গড়ে উঠছিল। মার উপর এখন আবার কিছুটা রাগ হচ্ছে। মা যদি অমনভাবে না বলতো, তাহলে সরোজ পাখিটাকে এত তাড়াতাড়ি ছেড়ে দিতো না। এটাও ঠিকই তার ইচ্ছে হচ্ছিল পাখিটাকে খাঁচা থেকে ছেড়ে দেয়। কিন্তু পাখিটাকে হাতে তুললে সে ইচ্ছে আর থাকে না। কেমন তুলতুলে শরীর। এখন সে কী করে! স্কুল থেকে বাসায় ফিরলে কেমন সব ফাঁকা ফাঁকা লাগে। যখন ময়না ছিল না, তখন তো তার এত কষ্ট লাগেনি, এত খারাপ লাগা দূরে থাক, কোন কিছু এত ফাঁকা ফাঁকা লাগেনি।