ইউজার লগইন
ব্লগ
নিল জলের দুর্দশা......
সাগড় পাড় মােনই একটা শান্ত পরিবেশ যেখানে সমুদ্রের গর্জন ছাড়া আর কোন কোলাহল থাকবেনা। দীর্ঘ ৮ বছর বাদে পতেঙ্গা সিভিল বীচ এ গিয়েছিলাম গত ২ দিন আগে। সেখানে সাগড় পাড় দেখে মুগ্ধ হবার পরিবর্তে বিরক্তিতে আমার কপাল জুড়ে ভাঁজ ফুটে উঠল। সমুদ্রের গর্জন ছািপয়ে মানুষের গর্জন শুধু শুনতে পাচ্ছিলাম।
মানুষের ভীরে সাগড় এর মাতাল করা হাওয়া আমা অবধি পৌছাচ্ছিলনা। মনটা ভার হল আবর্জনা ফেলতে দেখে। খানিক পরেই অতিষ্ট প্রাণ নিয়ে সেখান থেকে এসে একটু সাগড় এর হাওয়া প্রাণ ভরে লাগাব বলে নেভাল বীচ এর পথে রওনা করলাম।
রবিবার ছিল বিধায় মানুষের আনাগোনা ছিল কম। আপন মনে কিছুটা সময় নিজের সাথে কাটিয়ে বাড়ি ফিরে আসার পথে মনটা ভার হয়ে উঠছিল দারূচিনি দ্বীপ (সেইন্ট মার্টিন) এর নিলাভ সৌন্দর্যের কথা ভেবে।
আমরা যদি আজ সচেতন না হই তবে হয়ত সাগড়ের ওই নিলাভ সৌন্দর্য টিকবেনা বেশিদিন।।
মৃত্যুর গল্প
মৃত্যু একদম সহ্য করতে পারি না। কেউ মারা গেছে শুনলেই আমি দূরে ভাগি। কারণ মৃত্যুকে বড্ড ভয় হয়। একটা অন্ধকার জগতে থাকাটাকে ভয় পাই না। ভয় পাই একা হয়ে যেতে হবে এই ভেবে।
তারপরও মৃত্যু দেখতে হয়েছে। দাদুকে যেদিন শুয়ে থাকতে দেখেছি সেদিন ভয়ে সারা শরীরটা ঝিম ধরে ছিল।
দাদুকে যখন কবরে নামানো হচ্ছিল তখন ভয়ে আমার শরীর কাপছিল। সেই দিনই একটা মানুষকে কবর দেয়া দেখি। মাটির ঘর। বাশের ছাউনি। তার ভেতর দাদুকে শুইয়ে দেয়া হলো। মাটি চাপা দিল। আব্বুর চোখের পানি সেই প্রথম দেখি। নিজ মা'কে এভাবে মাটিতে শুইয়ে দেয়া পৃথিবীর সবচাইতে কঠিন কাজ।
তারপর নানুকেও দেখি।
সম্পর্কের ব্যবচ্ছেদ
পরিচিত গন্ডী বারবার আঙ্গুল তুলে জানতে চেয়েছে
আমাদের সম্পর্কের কথা, আমি নিরুত্তর
সাথে ফিকে হাসি- তোমাকে কেউ এমন প্রশ্ন করতেই পারেনি;
কারণ ভীষণ সাধারণ আমার সাথে "তুমি" ভাবা যায় না,
আমার আঞ্চলিক টানের পাশে তোমার পূর্ণেন্দু পত্রী'র নন্দিনীর বিভাস,
যে কোন তৈলচিত্রের ক্যানভাসও মুহূর্তে করে দেবে উদাস।
আমার অগোছালো বেশভূষা-জিনস, কেডস...
সবকিছু যেনতেন তার সমান্তরালে তুমি তো
"অপর্ণা সেন"।
তাই সবাই জানে আমি প্রেমী কিন্তু ব্যক্তিকে চিহ্নিত করতে অপারগ।
সেই সুযোগে তুমিও একটু দূরে,
আমিও ফিকে হাসি নিয়ে আছি সরে -
এ বয়সে ভালোবাসা আর চৌকান করতে সাধ জাগে না,
আমাদের উল্লাসটুকু আমরা নীরবে করি পান।
মানুষটি আমার বড় ভাই, বন্ধু, বাবার মত। আমার আইডল...
বাবার সাথে আমার সেরকম সখ্যতা কোনো কালেই ছিল না। আমার সব ভাল মন্দ সম্পর্ক ছিল মায়ের সাথে। আজ সে বাবা নেই, মাও নেই। পরিবারের ছয় ভাই বোন সবাই ঢাকায় থাকি। জীবনে আমরা কত জায়গায় যে ছিলাম ! বাবার চাকরীর সুবাদে দেশের এপ্রান্ত থেকে সে প্রান্ত...। অনেক জেলা, অনেক সংস্কৃতি। কত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ! কত বন্ধুরা আমার। অনেকের সাথে যোগাযোগ আছে, অনেককে হারিয়ে ফেলেছি। কত বালিকারা... । আজ যেসব জেলার কথা মনে পড়েছে মানে যেসব জেলাতে ছিলাম আমরা। রাঙ্গামাটি, কুষ্টিয়া, খুলনা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ, ফেনী, কুমিল্লা, ঢাকা...। বিভিন্ন জেলাতে থাকার কারনে ভাষাগত একটা সমস্যা হয়েছে আমাদের। বাবার বাড়ি লক্ষীপুর হওয়া স্বত্তেও আমাদের সব ভাইবোনের কথা শুনলে কারো পক্ষে চট করে বলা বলা মুশকিল, আমরা অরজিনালি কোন জেলার বাসিন্দা।
তো, যে প্রসঙ্গে আজকের লেখা....
ঠোঁটের ব্যায়াম - ১
১. আমার স্ত্রী গতরাতে বলছিল, আমি নাকি তার কোনো কথাই মন দিয়ে শুনি না…নাকি…এ রকমই কিছু একটা… ঠিক মনে পড়ছে না ।
২. ছেলে: মা, রূপকথার গল্প সব সময় “এক দেশে ছিল এক” দিয়ে শুরু হয় কেন?
মা: না, সব সময় না । মাঝে-মধ্যে “অফিসের কাজে আটকে গেছি”, “আজ ফিরতে একটু রাত হবে” দিয়েও শুরু হয় ।
৩. আমি আমার স্ত্রীকে বললাম, “স্বামী হল ওয়াইনের মতো, যত পুরনো ততই ভালো ।” পরদিন সে আমাকে সেলারে আটকে রাখল ।
৪. অনেক ভালোবাসো? তাহলে তাজা গোলাপ ২৪ ক্যারেট সোনার ভেতর সিলমোহর করে পাঠাও ।
৫. সেদিন একটি মেয়ে আমাকে ফোন করে বলল, “চলে এস, বাড়িতে কেউ নেই ।” তার দেওয়া ঠিকানায় গিয়ে দেখি সেটি একটি পোড়োবাড়ি । সেখানে আসলেই কেউ থাকে না ।
৬. আমি ৪৯ বছর ধরে একজন নারীকেই ভালবাসছি । আমার স্ত্রী জানতে পারলে অবশ্য আমাকে খুন করবে ।
জীবনের শেষদিন কিভাবে কাটালেন এবং নিহত হলেন জিয়া
![]()
(আজ ৩০ মে জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী মতান্তরে শাহাদতবার্ষিকী । জিয়া হত্যা নিয়ে লিখলে প্রাসঙ্গিকভাবে এসে যায় মঞ্জুরের অভ্যুত্থান, লেজেহুমো এরশাদের ভূমিকা (!) , মতি-মাহবুব-মঞ্জুর হত্যাকান্ড, বিচারের প্রহসনে তড়িঘড়ি করে মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের ফাসি ইত্যাদি । আমি নিজেও এসব নিয়ে লিখেছি আগে পত্রিকায় ও ব্লগে । কিন্তু এখানে আমার ফোকাস -জীবনের শেষদিন কিভাবে কাটালেন এবং নিহত হলেন জিয়া । বলাবাহুল্য,আমি জিয়ার রাজনীতির সমর্থক নই কিন্তু জিয়ার মর্মান্তিক হত্যাকে সমর্থন করি না এবং জিয়া হত্যার পরিপূর্ণ তদন্ত ও বিচার চাই )
বনের আঁধার ছিল লুকিয়ে
একটা সমুদ্রাকাঙ্খা নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চেয়েছিলাম
মনন মগজকে শূন্য রেখে আলোর মাঝে সাঁতরিয়ে ছিলাম
আমাদের যৌবণদীপ্তি হাঁটছিল জলের উপর
হাতের স্পর্শে আমরা আমাদের হৃদপিন্ড খুঁজে পাইনি।
বৃষ্টিরও ঝাঁজ আছে কুয়াশাকে কৌতুক করার
সেও জানে
আচ্ছন্নতা ঢাকে কিভাবে প্রিয় নারীর শরীর
শিমুল তুলার উড়াউড়ি তুষারেরও আছে
জলের প্লাবন ধারায় তুষার নেয় নিয়ে আড়ি
আমরা তখন বনের মাঝখানে এসে গেছি
জলকলোচ্ছ্বাসের শব্দ শুনছি।
আমরা বাঘ একটাকে কাছে এসে বসে
থাকতে দেখি।
সে জলের রাজা, জলের মাছের ভোগ তার
জলদেবতার সঙ্গে রঙ্গিলা মধুর জারি সারি
বনের মেয়ে ছুটে আসে বিধ্বস্ত ক্লান্ত চকিত
ঘুমরাঙা চোখ দেখে আতংকিত শব সুহৃদ
বনের আঁধার লুকিয়ে ছিল সুকঠিন প্রহরায়
নখর বাড়িয়ে ছিন্নভিন্ন করে ঘুমন্ত স্তন ঈশারায়
ঘুমরাঙা চোখে পড়ে কচকচে বালুর সীমাহীন আঁচড়
ঝাঁঝালো ঠোঁট নীল আসমান খোঁজে বহে রক্তগ্নি নহর।
রিক্ত শাখা আবার কবে পূর্ণ হবে
[ উৎসর্গ : দুজন প্রিয় ব্লগার মেহরাব শাহরিয়ার, প্রিয় অনুজ - আমার কবিতালাপগুলো যে খুব পছন্দ করে এবং বৃত্তবন্দী, প্রিয় অনুজ - নিঃসঙ্গ এই তরুণটির লেখা আমাকে মুগ্ধ করে ]
ব্লগে আসার পর এমন কিছু লেখা হয়ে গিয়েছিল আমার, যা হয়তো কোনোদিনই লেখা হতো না এখানে না এলে। যেমন কবিতা বিষয়ক লেখাগুলো। এমনিতে আমি কখনো জীবিত কবিদের কবিতার আলোচনা করি না। কবিরা স্পর্শকাতর, অসহিষ্ণু, অসহনশীল, প্রশংসাকাতর এবং প্রশ্নবিমুখ। প্রশংসার বাইরে একটা অক্ষর বললেই - ‘আপনি কবিতার কী বোঝেন বলে তেড়ে আসেন তারা।‘ ব্যক্তিগত জীবনে এইরকম বিরূপ অভিজ্ঞতা আমার অনেক। স্বভাবতই তাদেরকে নিয়ে কথা বলতে ভয় পাই আমি। কিন্তু ব্লগে এসে সেই কাজটিই শুরু করলাম এবং ব্লগাররা সেটি পছন্দও করলেন। অনেকদিন পর আবার তেমন একটি লেখা, আমার খুব প্রিয় একটা কবিতা- শহীদ কাদরী’র ‘সংগতি’ নিয়ে।
২
গল্প: বিলের পদ্মফুলের ক্ষেত্রে হয়তো প্রাসঙ্গিক
একটা দারুণ ব্লগ ছিলো। সেখানে ছিলো চাঁদের হাট। এক অনন্ত রাতের গভীর আকাশে বসেছিলো ভরাপূর্ণিমার চাঁদের হাট। আমি ছিলাম সেই ব্লগটার মডারেটর। লোকজনকে বলা ছিলো, কোনো গণ্ডগোল করা চলবে না। লোকজন কোনো গণ্ডগোল করতো না। তারা খুবই মজা করতো। আমি চুপ-চাপ বসে দেখতাম, সবাই কি করে। কারণ এই কাজটাই ছিলো সবচে' সহজ। এটা করতে গিয়ে আমি ভাবনার কাজটাও চালিয়ে নিতে পারতাম পুরোদমে। কোনো কিছু নিয়ে ভাবা হচ্ছে আমার প্রথম কাজ। এবং আমি ঠিক করেছি কখনো জীবনে কোনো কাজ করবো না। কেবল ভাববো। একেকজন মানুষ একেকভাবে চিন্তা করতেই পারে। তাই না? ইনটু দ্য ওয়াইল্ডে কি দেখাইসে?
নিয়া যখন একটা পোস্ট দিতো তখন আমি মাঝে মাঝে কয়েকজনের কমেন্ট সাময়িক বন্ধ করে দিতাম। ওরা আক্রোশে লাফালাফি ঝাপাঝাপি করতো। আমাকে কাঁচা চিবিয়ে খেতে চাইতো। কিন্তু কোনোকিছুতেই আমি ওদেরকে নিয়ার ব্লগে কমেন্ট করতে দিতাম না।
একটা আজাইরা জোকস
এই জোকসটা আজকে ফেসবুক এ পাইলা্ম, শেয়ার না করে পারলাম না,
স্যার: তুমি বড় হয়ে কি করবে ?
ছাত্র : বিয়ে
স্যার : আমি বুঝাতে চাচ্ছি বড় হয়ে তুমি কি হবে ?
ছাত্র : জামাই
স্যার : আরে আমি বলতে চাচ্ছি তুমি বড় হয়ে কি পেতে চাও ?
ছাত্র : বউ
স্যার: গাধা,তুমি বড় হয়ে মা বাবার জন্য কি করবে?
ছাত্র : বউ নিয়ে আসবো
স্যার: গদর্ভ,তোমার বাবা মা তোমার কাছে কি চায় ?
ছাত্র: নাতী নাতনী
স্যার: ইয়া খোদা...তোমার জীবনের লক্ষ্য কি ?
ছাত্র : বিয়ে
স্যার অজ্ঞান......
ঘোলাপানি
আকাশ, আগ্নেয়গিরি আর আমি
আকাশ
## প্রত্যেক মানুষের নাকি নিজের একটা আকাশ থাকে। সেই আকাশে প্রাকৃতিক আকাশের মতো নিজের কিছু তারা , কষ্ট নামের মেঘ , কান্না নামের বৃষ্টি থাকে। রোদ নামের ঘাম থাকে, চাঁদ নামের আলো থাকে, জোছনারুপী ভালোবাসা থাকে। কখনো কখনো শূন্যতার মতো অনন্ত নক্ষত্রবীথি থাকে, সুখগুলো হারানোর কৃষ্ণ গহবর থাকে। এতকিছু কোনোকিছুই থাকে না, যদি আকাশটা না থাকে। তবে অনেকেই আছে যারা এই আকাশের অস্তিত্ব সম্পর্কে অবগত না হয়েও অনুভূতির চোরাবালিতে আটকে পড়ে হাঁসফাঁস করতে করতে জীবন কাটিয়ে দেয়। আমি সেই দলভূক্ত নই।
মেঘগুলোকে আমার সুখের মতোই মনে হয়। তারা সুখের মতো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছোটাছুটি করে, অস্থির হয়ে। অস্থির মেঘ আমি ভালোবাসি!
চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি-৪
১
কলেজ - ইউনি তে পড়ার সময় সকালে উঠে ক্লাস দুপুরে বাসায় এসে ভাতঘুম বিকালে উপশহরের রুপালী ব্যাংকের সামনে আড্ডা বা ইউনিতে রুহুল ভাইয়ের চায়ের দোকানে আড্ডা দিয়ে রাতে বাসায় এসে একটু ক-খ-গ-ঘ পড়ে ভাত খেয়ে টিভি দেখে ঘুম।আর এখন… সকালে উঠে ল্যাবে কামলা দিতে যাওয়া রাতে এসে ঘুম।একই রুটিন প্রতিদিন।অবশ্য মাঝে মাঝে উপশহরের সেই আড্ডার মতো আড্ডা দেয়া হয় স্কাইপে তিন বন্ধু তিন দেশে বসে।আড্ডার বিষয় বস্তু সেই আগের মতোই কোন ঠিক নাই একেক সময় একেক রকম কখনো হাসিনা খালেদা,কখনো ইউনুস আবার কখনো ব্লগের বিষয় বস্তু।কি অদ্ভুত!!! জীবন থেমে থাকে না।চলে তার নিজের গতিতে।
২
গল্প: কপট চোখ রাঙানিসমৃদ্ধ একটা ছোট্ট কথোপকথন
পেশাজীবনের শুরুর দিকের ঘটনা। ইশরাত আমাকে দেখলেই দৌড় দিতো। খুব আশ্চর্য হতাম। ও'ও রিপোর্টার। কিন্তু কোথায় কাজ করে সেটা কোনোদিন জানার সুযোগ পাই না। অ্যসাইনমেন্ট শেষ হওয়ার পর আমি বেশ ক'দিন কথা বলার চেষ্টা করেছি। কিন্তু মূহূর্তের মধ্যে সে ফুড়ুৎ হয়ে গেছে। এবং কিছুটা যেন আমাকে নজরে রেখেই ফুড়ুৎ হয়ে গেছে। হয়তো একদম কাজ শেষে আমি নোটবুকটা বন্ধ করার জন্য একটু নিচের দিকে তাকিয়েছি। ওটা ব্যগে পুরে ওকে গিয়ে কথাটা জিজ্ঞেস করবো, কিন্তু চোখ তুলে দেখি নেই।
কারণটা কি আমি বুঝতে পারতাম না। একদম প্রথমদিন আমি ঠিক ওর পাশের সিটটায় গিয়ে বসেছিলাম। ওকে তখনো দেখি নি। পুরা হলে ঐ একটাই সিট খালি ছিলো। আমি বসার পর খেয়াল করলাম, এতক্ষণ আসলে অন্যকেউ ওর পাশে বসার সাহস পাচ্ছিলো না। এই সিটটাকে লাস্ট চয়েজ হিসেবে ধরে রেখে সবাই একে একে বসেছে। তারপর আমি ঢোকার সময় কেবল ওটাই খালি ছিলো। কোনোদিকে না তাকিয়ে বসে পড়েছি।
আমি
আমি আর, এক খানি উদাসী বিকাল
মুখমুখি বসে রই, বাক হীন, সাড়া হীন
বোধের বিলুপত পাতায় জাগ্রত তুমি!!
কখনও তোমার ফেলে দেওয়া সৃতি!!
উদাসি হাওয়া আর ঢলে পরা পতার আড়াল
মনের পতা খুলে তুলে আনা হাড়ানো সময়
রংচটা মনে পাখা মেলে উড়ে রঙের দিশেয়
ভালো লাগায় উপচে উঠে আমার ভুবন
আমাদের হারানো সময়, আমাদের বাচায়
আমাদের খয়ে যাওয়া প্রানে সপনদন জাগায়।
পাঠকের পাতা এবং আমাদের আশা-হতাশা
সকালের খবর আমার কাছে একটি লেখা চাইল। পাঠকের পাতা নিয়ে। লেখা দিলাম। লেথাটিতে আমি সশ্রদ্ধায় স্মরণ করলাম প্রয়াত সঞ্জীব চৌধুরী ও এ টি এম হাইকে। ২৭ মে'১১, শুক্রবার পাঠকসভায় আমার লেখাটি ছাপা হলো। দেখলাম, প্রায় সবই কাটা পড়েছে! ওটা হয়েছে একটা শুভেচ্ছা বাণী মাত্র। ইতিহাস বিকৃতি এবং বিস্মরণের এই সময়ে, হৃদয়ে দায় থেকেই পুরো লেখাটি আমরা বন্ধুতে দিলাম। কেন যেন মনে হচ্ছিল, এই কথাগুলো বলবার দরকার আছে...
সংবাদ মাধ্যমের যে কোনো নতুন উদ্যোগেই আনন্দিত এবং আশাবাদি হই। সকালের খবর প্রকাশের সংবাদে ভালোলাগার পরিমাণটা আরো বেশি। কারণ হলো, আমার বেশ কজন প্রিয় মানুষ জড়িত হয়েছেন এর সঙ্গে। হৃদয় হতে তাই শুভকামনা সকালের খবর-এর জন্য। এই শুভযাত্রা সফল হোক।