ইউজার লগইন
ব্লগ
বিশদ বাঙলায় রবীন্দ্র সন্ধ্যা অতঃপর রবীন্দ্র ভাবনা...
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি-২
সেদিন শুধুই হেঁটেছিলাম। গ্রামের নির্জন পথ লোকে-লোকারণ্য হয়ে উঠেছিল। সারা রাস্তায় মানুষের মেলা বসেছিল। দেখেছিলাম, হিন্দু-মুসলিমের ভেদাভেদ ভুলে সবাই এক কাতারে জড়ো হয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল ভুপেন হাজারিকার সে বিখ্যাত গানের আহ্বানে- ‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য..’। দেখেছিলাম, মায়ের কোলো ক্ষুধার্ত শিশুটির জন্য সেদিন কেউ কেউ দুধভর্তি পাত্র হাতে, আবার কেউ পানি বা শরবতের পাত্র নিয়ে সারি সারি ঠায় দাঁড়িয়েছিল। যার যেটা প্রয়োজন তা নিয়ে পান করেছে বা করিয়েছে। এ দৃশ্য কখনো ভোলার নয়। চোখকে ফাঁকি দেয়া যায়, কিন্তু স্মৃতিকে ফাঁকি দেয়া মোটেও সম্ভব নয়। যে কোনো ঘটনা-অঘটন স্মৃতিকে একদিন না একদিন জাগিয়ে তুলবেই। মুক্তিযুদ্ধকালীন মানুষের মধ্যে সহযোগিতার যে ধারা বয়ে যেতে দেখেছি, তার এক ছিটেফোঁটাও যদি এখন আমাদের মাঝে থাকতো, তাহলে এ সবুজঘেরা, শস্য-শ্যামলা দেশটা কতোই যেন সুন্দর হতো। এদেশের মানুষ সোনার
রাজনীতি নিয়ে সিনেমা-২: দুনিয়া কাঁপানো সত্য ঘটনা পর্ব
এবারের পর্বটিও সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি সিনেমা নিয়ে। তালিকার ৯টি ছবির ঘটনা পুরোপুরিই সত্য। একটিতে ভিন্ন একটি ব্যাখ্যা রয়েছে। তবে যেহেতু কেনেডি হত্যা রহস্য উদ্ধার হয়নি, তাই তালিকায় স্থান পেলো সিনেমাটি। যেসব ঘটনা বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ধরণের ধাক্কা দিয়েছিল, সে সব ঘটনার ছবি নিয়েই এই আয়োজন।
১.জেড: রাজনীতি নিয়ে ছবি করার ক্ষেত্রে গ্রীক পরিচালক কস্তা গরভাস সম্ভবত পরিচালকদের মধ্যে প্রথম সারিতেই থাকবেন। তার সবচেয়ে বিখ্যাত ছবি জেড। মূলত একটি হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে ছবিটি।

স্মৃতির নরোম রোদমাখা গলিপথে
গত পনের দিন যাবত অফিসে উদভ্রান্ত কাজের চাপ যাচ্ছে। বেশ ভালই দৌড়ের উপরে আছি। কাজের চাপ বা দৌড়ের উপর থাকাটা উপভোগই করি মোটামুটি। আবার মাঝে মাঝে মন বিদ্রোহ করে বসে, তখন মনকে সুস্থির করার জন্য কাজের ফাঁকে ফাঁকেই ঘুরে বেড়াই স্মৃতির রাজপথ থেকে গলিপথে গলিপথে।
শিশুবেলার স্মৃতির গলিটা মাখামাখি করে আছে সকালের নরোম রোদে। গলির দু'পাশে সারি সারি দাঁড়ানো ঘর গুলোর জানালা থেকে হাত বাড়িয়ে এই স্মৃতি ওই স্মৃতি আমাকে ডেকে চলে। আমি আনন্দিত হই। আমার রক্তে কাঁপন ওঠে শিশুবেলার স্মৃতিদের দেখতে পেয়ে। হাঁটতে হাঁটতে চলে যাই গলির প্রায় শেষ মাথার একটা ঘরে। যেখানে আমার অনেক পুরোনো স্মৃতিগুলোর বসবাস। এই ঘরটার অনেক বাসিন্দাই চলে গেছে সময়ের সঙ্গী হয়ে, আবার কেউ কেউ রয়ে গেছে আমারই মায়ায়।
তাদের ভেতর থেকেই খুঁজে পাওয়া কিছু স্মৃতির সাথে...
*
কেজিতে পরতাম। বাসায় আব্বু মাঝে মাঝে গুন গুন করে গাইতো
আমরা পরাজয় মানবো না
একটা খুব হালকা হলুদ রঙএর জামা পরেছিলো মেয়েটি। অনেক স্বচ্ছ। সুন্দর দেহবল্লীর কল্যাণে টানটান। সঙ্গে শাদা ওড়না। সালোয়ারটা ছিলো শাদা। আর স্যন্ডেলটা ছিলো শাদা-হলুদ। আমি মুগ্ধ হয়ে তাকিয়েছিলাম। দেখে সে অবিশ্বাস্যভাবে উঠে এসে, গোড়ালির ওপর উঁচু হয়ে আমাকে একটা হাগ দিয়ে বসলো। মানুষজনের তোয়াক্কা না করেই!
ফ্লেক্সিবিলিটি শব্দটা কি শিশুদের জন্য প্রযোজ্য? অফিসে কাজ ছিলো না বলে বসে বসে রিমোট টিপছিলাম। ডান্স বাংলা ডান্স নামে একটা অনুষ্ঠান চোখে পড়লো। বস্'কে প্রায়ই এটা দেখতে দেখি। এ্যংকর হচ্ছে মিঠুন চক্রবর্তী। আছে অর্পিতা আন্টি আর বোধহয় যীশু আংকেল। অতিথি হয়ে এসেছে একজন। একটা ভুত আছে। ভুতটা খুবই ফানি। পুরো প্যকেজটা টিভি অনুষ্ঠান হিসেবে বেশ।
নিল জলের দুর্দশা......
সাগড় পাড় মােনই একটা শান্ত পরিবেশ যেখানে সমুদ্রের গর্জন ছাড়া আর কোন কোলাহল থাকবেনা। দীর্ঘ ৮ বছর বাদে পতেঙ্গা সিভিল বীচ এ গিয়েছিলাম গত ২ দিন আগে। সেখানে সাগড় পাড় দেখে মুগ্ধ হবার পরিবর্তে বিরক্তিতে আমার কপাল জুড়ে ভাঁজ ফুটে উঠল। সমুদ্রের গর্জন ছািপয়ে মানুষের গর্জন শুধু শুনতে পাচ্ছিলাম।
মানুষের ভীরে সাগড় এর মাতাল করা হাওয়া আমা অবধি পৌছাচ্ছিলনা। মনটা ভার হল আবর্জনা ফেলতে দেখে। খানিক পরেই অতিষ্ট প্রাণ নিয়ে সেখান থেকে এসে একটু সাগড় এর হাওয়া প্রাণ ভরে লাগাব বলে নেভাল বীচ এর পথে রওনা করলাম।
রবিবার ছিল বিধায় মানুষের আনাগোনা ছিল কম। আপন মনে কিছুটা সময় নিজের সাথে কাটিয়ে বাড়ি ফিরে আসার পথে মনটা ভার হয়ে উঠছিল দারূচিনি দ্বীপ (সেইন্ট মার্টিন) এর নিলাভ সৌন্দর্যের কথা ভেবে।
আমরা যদি আজ সচেতন না হই তবে হয়ত সাগড়ের ওই নিলাভ সৌন্দর্য টিকবেনা বেশিদিন।।
মৃত্যুর গল্প
মৃত্যু একদম সহ্য করতে পারি না। কেউ মারা গেছে শুনলেই আমি দূরে ভাগি। কারণ মৃত্যুকে বড্ড ভয় হয়। একটা অন্ধকার জগতে থাকাটাকে ভয় পাই না। ভয় পাই একা হয়ে যেতে হবে এই ভেবে।
তারপরও মৃত্যু দেখতে হয়েছে। দাদুকে যেদিন শুয়ে থাকতে দেখেছি সেদিন ভয়ে সারা শরীরটা ঝিম ধরে ছিল।
দাদুকে যখন কবরে নামানো হচ্ছিল তখন ভয়ে আমার শরীর কাপছিল। সেই দিনই একটা মানুষকে কবর দেয়া দেখি। মাটির ঘর। বাশের ছাউনি। তার ভেতর দাদুকে শুইয়ে দেয়া হলো। মাটি চাপা দিল। আব্বুর চোখের পানি সেই প্রথম দেখি। নিজ মা'কে এভাবে মাটিতে শুইয়ে দেয়া পৃথিবীর সবচাইতে কঠিন কাজ।
তারপর নানুকেও দেখি।
সম্পর্কের ব্যবচ্ছেদ
পরিচিত গন্ডী বারবার আঙ্গুল তুলে জানতে চেয়েছে
আমাদের সম্পর্কের কথা, আমি নিরুত্তর
সাথে ফিকে হাসি- তোমাকে কেউ এমন প্রশ্ন করতেই পারেনি;
কারণ ভীষণ সাধারণ আমার সাথে "তুমি" ভাবা যায় না,
আমার আঞ্চলিক টানের পাশে তোমার পূর্ণেন্দু পত্রী'র নন্দিনীর বিভাস,
যে কোন তৈলচিত্রের ক্যানভাসও মুহূর্তে করে দেবে উদাস।
আমার অগোছালো বেশভূষা-জিনস, কেডস...
সবকিছু যেনতেন তার সমান্তরালে তুমি তো
"অপর্ণা সেন"।
তাই সবাই জানে আমি প্রেমী কিন্তু ব্যক্তিকে চিহ্নিত করতে অপারগ।
সেই সুযোগে তুমিও একটু দূরে,
আমিও ফিকে হাসি নিয়ে আছি সরে -
এ বয়সে ভালোবাসা আর চৌকান করতে সাধ জাগে না,
আমাদের উল্লাসটুকু আমরা নীরবে করি পান।
মানুষটি আমার বড় ভাই, বন্ধু, বাবার মত। আমার আইডল...
বাবার সাথে আমার সেরকম সখ্যতা কোনো কালেই ছিল না। আমার সব ভাল মন্দ সম্পর্ক ছিল মায়ের সাথে। আজ সে বাবা নেই, মাও নেই। পরিবারের ছয় ভাই বোন সবাই ঢাকায় থাকি। জীবনে আমরা কত জায়গায় যে ছিলাম ! বাবার চাকরীর সুবাদে দেশের এপ্রান্ত থেকে সে প্রান্ত...। অনেক জেলা, অনেক সংস্কৃতি। কত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ! কত বন্ধুরা আমার। অনেকের সাথে যোগাযোগ আছে, অনেককে হারিয়ে ফেলেছি। কত বালিকারা... । আজ যেসব জেলার কথা মনে পড়েছে মানে যেসব জেলাতে ছিলাম আমরা। রাঙ্গামাটি, কুষ্টিয়া, খুলনা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ, ফেনী, কুমিল্লা, ঢাকা...। বিভিন্ন জেলাতে থাকার কারনে ভাষাগত একটা সমস্যা হয়েছে আমাদের। বাবার বাড়ি লক্ষীপুর হওয়া স্বত্তেও আমাদের সব ভাইবোনের কথা শুনলে কারো পক্ষে চট করে বলা বলা মুশকিল, আমরা অরজিনালি কোন জেলার বাসিন্দা।
তো, যে প্রসঙ্গে আজকের লেখা....
ঠোঁটের ব্যায়াম - ১
১. আমার স্ত্রী গতরাতে বলছিল, আমি নাকি তার কোনো কথাই মন দিয়ে শুনি না…নাকি…এ রকমই কিছু একটা… ঠিক মনে পড়ছে না ।
২. ছেলে: মা, রূপকথার গল্প সব সময় “এক দেশে ছিল এক” দিয়ে শুরু হয় কেন?
মা: না, সব সময় না । মাঝে-মধ্যে “অফিসের কাজে আটকে গেছি”, “আজ ফিরতে একটু রাত হবে” দিয়েও শুরু হয় ।
৩. আমি আমার স্ত্রীকে বললাম, “স্বামী হল ওয়াইনের মতো, যত পুরনো ততই ভালো ।” পরদিন সে আমাকে সেলারে আটকে রাখল ।
৪. অনেক ভালোবাসো? তাহলে তাজা গোলাপ ২৪ ক্যারেট সোনার ভেতর সিলমোহর করে পাঠাও ।
৫. সেদিন একটি মেয়ে আমাকে ফোন করে বলল, “চলে এস, বাড়িতে কেউ নেই ।” তার দেওয়া ঠিকানায় গিয়ে দেখি সেটি একটি পোড়োবাড়ি । সেখানে আসলেই কেউ থাকে না ।
৬. আমি ৪৯ বছর ধরে একজন নারীকেই ভালবাসছি । আমার স্ত্রী জানতে পারলে অবশ্য আমাকে খুন করবে ।
জীবনের শেষদিন কিভাবে কাটালেন এবং নিহত হলেন জিয়া
![]()
(আজ ৩০ মে জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী মতান্তরে শাহাদতবার্ষিকী । জিয়া হত্যা নিয়ে লিখলে প্রাসঙ্গিকভাবে এসে যায় মঞ্জুরের অভ্যুত্থান, লেজেহুমো এরশাদের ভূমিকা (!) , মতি-মাহবুব-মঞ্জুর হত্যাকান্ড, বিচারের প্রহসনে তড়িঘড়ি করে মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের ফাসি ইত্যাদি । আমি নিজেও এসব নিয়ে লিখেছি আগে পত্রিকায় ও ব্লগে । কিন্তু এখানে আমার ফোকাস -জীবনের শেষদিন কিভাবে কাটালেন এবং নিহত হলেন জিয়া । বলাবাহুল্য,আমি জিয়ার রাজনীতির সমর্থক নই কিন্তু জিয়ার মর্মান্তিক হত্যাকে সমর্থন করি না এবং জিয়া হত্যার পরিপূর্ণ তদন্ত ও বিচার চাই )
বনের আঁধার ছিল লুকিয়ে
একটা সমুদ্রাকাঙ্খা নিয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চেয়েছিলাম
মনন মগজকে শূন্য রেখে আলোর মাঝে সাঁতরিয়ে ছিলাম
আমাদের যৌবণদীপ্তি হাঁটছিল জলের উপর
হাতের স্পর্শে আমরা আমাদের হৃদপিন্ড খুঁজে পাইনি।
বৃষ্টিরও ঝাঁজ আছে কুয়াশাকে কৌতুক করার
সেও জানে
আচ্ছন্নতা ঢাকে কিভাবে প্রিয় নারীর শরীর
শিমুল তুলার উড়াউড়ি তুষারেরও আছে
জলের প্লাবন ধারায় তুষার নেয় নিয়ে আড়ি
আমরা তখন বনের মাঝখানে এসে গেছি
জলকলোচ্ছ্বাসের শব্দ শুনছি।
আমরা বাঘ একটাকে কাছে এসে বসে
থাকতে দেখি।
সে জলের রাজা, জলের মাছের ভোগ তার
জলদেবতার সঙ্গে রঙ্গিলা মধুর জারি সারি
বনের মেয়ে ছুটে আসে বিধ্বস্ত ক্লান্ত চকিত
ঘুমরাঙা চোখ দেখে আতংকিত শব সুহৃদ
বনের আঁধার লুকিয়ে ছিল সুকঠিন প্রহরায়
নখর বাড়িয়ে ছিন্নভিন্ন করে ঘুমন্ত স্তন ঈশারায়
ঘুমরাঙা চোখে পড়ে কচকচে বালুর সীমাহীন আঁচড়
ঝাঁঝালো ঠোঁট নীল আসমান খোঁজে বহে রক্তগ্নি নহর।
রিক্ত শাখা আবার কবে পূর্ণ হবে
[ উৎসর্গ : দুজন প্রিয় ব্লগার মেহরাব শাহরিয়ার, প্রিয় অনুজ - আমার কবিতালাপগুলো যে খুব পছন্দ করে এবং বৃত্তবন্দী, প্রিয় অনুজ - নিঃসঙ্গ এই তরুণটির লেখা আমাকে মুগ্ধ করে ]
ব্লগে আসার পর এমন কিছু লেখা হয়ে গিয়েছিল আমার, যা হয়তো কোনোদিনই লেখা হতো না এখানে না এলে। যেমন কবিতা বিষয়ক লেখাগুলো। এমনিতে আমি কখনো জীবিত কবিদের কবিতার আলোচনা করি না। কবিরা স্পর্শকাতর, অসহিষ্ণু, অসহনশীল, প্রশংসাকাতর এবং প্রশ্নবিমুখ। প্রশংসার বাইরে একটা অক্ষর বললেই - ‘আপনি কবিতার কী বোঝেন বলে তেড়ে আসেন তারা।‘ ব্যক্তিগত জীবনে এইরকম বিরূপ অভিজ্ঞতা আমার অনেক। স্বভাবতই তাদেরকে নিয়ে কথা বলতে ভয় পাই আমি। কিন্তু ব্লগে এসে সেই কাজটিই শুরু করলাম এবং ব্লগাররা সেটি পছন্দও করলেন। অনেকদিন পর আবার তেমন একটি লেখা, আমার খুব প্রিয় একটা কবিতা- শহীদ কাদরী’র ‘সংগতি’ নিয়ে।
২
গল্প: বিলের পদ্মফুলের ক্ষেত্রে হয়তো প্রাসঙ্গিক
একটা দারুণ ব্লগ ছিলো। সেখানে ছিলো চাঁদের হাট। এক অনন্ত রাতের গভীর আকাশে বসেছিলো ভরাপূর্ণিমার চাঁদের হাট। আমি ছিলাম সেই ব্লগটার মডারেটর। লোকজনকে বলা ছিলো, কোনো গণ্ডগোল করা চলবে না। লোকজন কোনো গণ্ডগোল করতো না। তারা খুবই মজা করতো। আমি চুপ-চাপ বসে দেখতাম, সবাই কি করে। কারণ এই কাজটাই ছিলো সবচে' সহজ। এটা করতে গিয়ে আমি ভাবনার কাজটাও চালিয়ে নিতে পারতাম পুরোদমে। কোনো কিছু নিয়ে ভাবা হচ্ছে আমার প্রথম কাজ। এবং আমি ঠিক করেছি কখনো জীবনে কোনো কাজ করবো না। কেবল ভাববো। একেকজন মানুষ একেকভাবে চিন্তা করতেই পারে। তাই না? ইনটু দ্য ওয়াইল্ডে কি দেখাইসে?
নিয়া যখন একটা পোস্ট দিতো তখন আমি মাঝে মাঝে কয়েকজনের কমেন্ট সাময়িক বন্ধ করে দিতাম। ওরা আক্রোশে লাফালাফি ঝাপাঝাপি করতো। আমাকে কাঁচা চিবিয়ে খেতে চাইতো। কিন্তু কোনোকিছুতেই আমি ওদেরকে নিয়ার ব্লগে কমেন্ট করতে দিতাম না।
একটা আজাইরা জোকস
এই জোকসটা আজকে ফেসবুক এ পাইলা্ম, শেয়ার না করে পারলাম না,
স্যার: তুমি বড় হয়ে কি করবে ?
ছাত্র : বিয়ে
স্যার : আমি বুঝাতে চাচ্ছি বড় হয়ে তুমি কি হবে ?
ছাত্র : জামাই
স্যার : আরে আমি বলতে চাচ্ছি তুমি বড় হয়ে কি পেতে চাও ?
ছাত্র : বউ
স্যার: গাধা,তুমি বড় হয়ে মা বাবার জন্য কি করবে?
ছাত্র : বউ নিয়ে আসবো
স্যার: গদর্ভ,তোমার বাবা মা তোমার কাছে কি চায় ?
ছাত্র: নাতী নাতনী
স্যার: ইয়া খোদা...তোমার জীবনের লক্ষ্য কি ?
ছাত্র : বিয়ে
স্যার অজ্ঞান......
ঘোলাপানি