ইউজার লগইন
ব্লগ
-----স্বাধীনতা সে আমার স্বজন হারিয়ে পাওয়া একমাত্র স্বজন------------।
এই ভদ্রলোকটিকে কি কেউ চেনেন?---- এর নাম আবদুর রশিদ।
এর কথা আমি কিভাবে লিখব, কোথা থেকে শুরু করব? ভাবতে ভাবতেই দিন চলে যাচ্ছে। শুধু এটুকু বলতে পারি আবদুর রশিদ বেঁচে আছেন। স্বাধীনতার ৪০ বছর পরও মুক্তিযোদ্ধাদের খুঁজে ফেরেন--যেন তাদের মাঝেই তিনি খুঁজে পান তার দাদা, বাবা, চাচা, বড়ভাই, মেজভাই, ছোটভাই, বড় বোন, ছোটবোন, মা ও দাদীকে।
১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসের এক বৃহষ্পতিবার সে এক রক্তাক্ত দিন রক্তাক্ত সময়। -------কে আমার ঘর ভেঙ্গেছে স্মরন আছে? সে আমার রক্তে ভেজা দিন।? চেতনায় হানছে আঘাত------------------
“আপা সরকার যে বলে ৩০ লক্ষ লোক শহীদ হয়েছেন সেই ৩০ লক্ষের মাঝে কি আমারা আছি? যদি থাকি তবে কোথায়? আর যদি না থাকি তবে বলে না কেন ওরা ছাড়া ২০ লক্ষ , আমরা ১০ লক্ষ নিজেদের নিজেরাই লালন করব।“
খোলা চিঠি
প্রিয় নানুআপা,
ছোট বেলায় ভোররাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে অন্ধকার ঘরে শুনতাম মিষ্টি সুরে ‘কোরআন শরিফ’ পড়ার ধ্বনি। আমি এমন দরদ মাখা সুরেলা কণ্ঠ আজ পর্যন্ত আর শুনি নাই। সেই সময় অবাক হয়ে ভাবতাম নানুআপা অন্ধকারে দেখতে পান কী করে! তারপর কত দিন,মাস,বছর পেরিয়ে গেছে- তোমার ছায়ায় অনেকটা সময় কাটিয়ে আজ আমি অনেক বড়। জীবনের যত শিক্ষা, যত দীক্ষা তার অর্ধেক তোমার দান। তুমি খাইয়ে না দিলে অনেক বড় হয়েও নিজ হাতে ভাত খাইনি,তোমার ভয়ে ঠকঠক কেঁপেছি;আবার তোমাতেই নির্ভর ছিলাম। শিউলি ফুল কুরানোর জন্য কোনও সকালে তুমি ডাকতে ভুলে গেলে কিরকম রাগ হয়ে থাকতাম, সত্যি নানুআপা ছোট থেকে বড় - সব বেলাতেই তোমার সঙ্গে কত রাগ-অভিমান যে করেছি। তুমি তো দুঃখও পেয়েছ কত। জান নানুআপা এখন মেয়েকে যখন পড়তে বসাই,মনে পড়ে যায় দুপুরে তুমি শুয়ে থাকতে আমি তোমার পাশে বসে হোমওয়ার্ক করতাম। স্কুলে যাওয়ার সময় কেঁদে বুক ভাসাতাম, ইশ কত জ্বালিয়েছি তোমায়।
একটি সেফ হোমের আত্নকাহীনি (সকল বিবেকবান ব্লগার ভাই বোনের কাছে সেফ হোমের আকুল মিনতি !)
আমি একটি সেফ হোম । মানে নিরাপদ বাসা । আগে অনেকে মজা করে “ লিটনের ফ্লাট” বলেও ডাকত । আমি আধুনিক মনের আধিকারি । মানুষের প্রাইভেসি কঠর ভাবে নিয়ন্ত্রন করি । অনেক লেখক/কবি/রাজনিতিবিদের উত্থান আমার সেফ হোম থেকেই ।ব্ড়লকের উঠতি বয়সের মাইয়া পোলারা আমার বাসায় নিরাপদে আরাম আয়েশে গা ভাসিয়েছে । ডি জে পার্টিও হয় মাঝে মধ্যে । মধ্যরাত পর্যন্ত নাচানাচি/খানাপিনা কত মজা । তার পর কি হয় তা আমার নীতিগত কারনে বলতে পারছিনা । আমি অনেক গোপন রাজনৈতিক মিটিং এর স্বাক্ষি । কত কিছিমের লোকজন যে আছে দুনিয়ায় । এরা দিনের বেলায় একে অপরকে গালাগালি করে আর রাতে একসাথে সুরা পান করে । অনেকেই আমার নাম প্রথম শুনলেন , কিন্তু আমি অনেক আগে থেকেই বিখ্যাত । সন্ধ্যার সময় উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা এখানে মিটিং করেন । ডেভলপাররা তাদের বাড়ির ডিজাইন এখান থেকেই পাশ করিয়ে নেয় । অনেক কাস্টম ক্লিয়ারেস্ন এখান থেকেই ইস্যু হয় । অনেক ছুড ছুড মাইয়া
যদি অনামিকা বড় হয় তাহলে
পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে কোনো বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব প্রণয়ন করতে হলে স্যাম্পলিং এর হার কি রকম হওয়া উচিত, ঠিক কতজনকে নিয়ন্ত্রিত ভাবে ডাটা হিসেবে গ্রহন করলে সেটা প্রতিষ্ঠিত হয়ে উঠবে বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব হিসেবে এটার কোনো নির্ধারিত সীমা না থাকায় প্রায় নিয়মিতই বেশ অদ্ভুত অদ্ভুত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব পত্রিকায় ছাপা হয়। সেসব ফাজলামি প্রশ্রয় দেওয়ার কারণ আমি জানি না কিন্তু যেকোনো কিছুকে বিজ্ঞানসম্মত কওরে তুলবার এই দুর্বুদ্ধি আমার ভেতরে বিব্রতকর অনুভুতির জন্ম দেয়। বিজ্ঞান ও বৈজ্ঞানিক কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে আমার নিজস্ব ভাবনা আহত হয় ভীষণ ভাবে।
শ্রাবন্তীর মায়েরে সেলাম
নির্দিষ্ট করে টেলিভিশন দেখা হয়না প্রায়ই। ঈদ বা বিশেষ দিনগুলোর কথা আলাদা।
সম্প্রতি তাড়াতাড়ি বাসায় ফিরতে পারলে আইপিএলের খেলাগুলো দেখার চেষ্টা করি।
এর মধ্যে আমাদের সাকিবতো মাশাল্লাহ খুবই ভাল খেলছে। প্রথম খেলাতে ২, দ্বিতীয়টায়ও
২ এবং গতরাতে ৩ উইকেট নিয়েছে। দেখা যাক, ভবিষ্যতে কী করে !
গত ৪/৫ দিন আগে টেলিভিশনের রিমোর্ট ঘুরাতে গিয়ে দেখলাম, ভারতীয় চ্যানেল
জি বাংলাতে ছোটদের গানের অনুষ্ঠান সারেগামা লিটল চ্যাম্প হচ্ছে। একটু থামলাম
এই চ্যানেলে। বেশ ভালোই গাইছে বাচ্চা বাচ্চা ছেলে মেয়েরা। ২/৩ জনের গান শুনলাম।
এরপর চ্যানেল ঘুরাতে যেয়ে উপস্থাপকের কথায় থমকে গেলাম। এরপর যে গাইতে আসছে-
সে বাংলাদেশের মেয়ে শ্রাবন্তী। আগ্রহ নিয়ে নড়েচড়ে বসলাম। এতটুকুন ছোট একটা মেয়ে।
ছোট করে চুল ছাঁটা। মাথায় একটা ক্লিপ লাগানো। বয়স মাত্র ৬ বছর। বেচারি হাতে
২০৩৬ - এ ব্লগ স্টোরি (১৮)
টাপুরের মা এবং আমি ভার্চুয়াল জীবনে বন্দী। একই ঘরে, একই শয্যায় – তারপরেও যোগাযোগের জন্য আশ্রয় নিতে হয় ওয়েবে। বডিরিড নামক শারিরীক যোগাযোগ মিডিয়ার এখন দাপুটে বিচরণ। আমরা হচ্ছি ফেসবুক জেনারেশন, অনেক বেশী সেকেলে, নতুন কোনো ভার্চুয়াল জগতে পা রাখতে ভয় পাই। কিন্তু টাপুরের মা দিনের একটা বড় অংশই থাকে অচল, হাইপার সেন্সসুয়্যাল সেন্সরের কারণে তার কেবল বডিরিডের সাথে সংযুক্ত থাকা সম্ভব। বিষয়টা সম্বন্ধে আগে তেমন ভালো ধারণা পোষণ করতাম না। বরঞ্চ ইদানিংকালের ছেলেছোকরাদের বডিরিড আষক্তি দেখে প্রচন্ড বিক্ষুব্ধ ছিলাম। সোমালিয়ান এই শারিরীক যোগাযোগ মাধ্যমটির এখন প্রচন্ড বাড় বেড়েছে। যেকেউ তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের শিরা-উপশিরায় অনুভূতি প্রদান ও অনুসরণকারীর মধ্যে সরবরাহ করতে পারে। বডিরিড অন্তর্ভূক্ত কমিউনিটি এসবের স্পর্শ ও দৃশ্য পেয়ে থাকে। আজকে সকাল থেকেই টাপুরের মা’ টিজিং করে যাচ্ছে। একটু আগে বডিরিডে ভেসে ওঠা তার ঠোঁটের ই
ক্রী একবার তার এক বন্ধুকে এনে বসিয়েছিলো ঝাকড়া লেবু গাছটাতে
১
হাউজ অভ ফ্লাইং ড্যাগার্স দেখতে সাজেস্ট করার জন্য বাফড়া বস্'কে মাইকে ধন্যবাদ। বর্ণ আল্টিমেটামের অনেকদিন পর একটা এ্যকশন মুভি দেখে ভালো লাগলো। অবশ্য ভালো হলিউডি এ্যকশন এখনো চোখে পড়ে নাই। ইদানীং মুভির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যগুলোর মেকিং খুব খেয়াল করে দেখার চেষ্টা করি। এইটার লাস্ট সীনে ময়নাপাখি নায়িকাটির জন্য খুব খারাপ লেগেছে। তবে পুরা সিনেমাটা সর্বোচ্চ জোস্। জ্যাকি চ্যান-জেট লী'র ফরবিডেন কিংডমের চেয়েও ভালো।
২
ভয়ংকর চাপ অনুভব করছি। এটা রক্তে হতে পারে। মজ্জায় বা নিউরণে হতে পারে। হাত কিংবা পায়ের নখেও হতে পারে। ঠিক ধরতে পারছি না কোথায়। কিন্তু অনুভব করছি। প্রেশার রিলিজ বাটন না টেপা পর্যন্ত এটা চলতে থাকবে। খুঁজে পাচ্ছি না বাটনটা কোথায়।
৩
আদ্যিকালে দেখা একটা স্বপ্নে আমি বিমান চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলাম। সেটা যদি স্বপ্ন না হতো, তাহলে ভালো হতো। অন্তত নতুন একটা কাজ শেখা হতো। পুরোনো কাজগুলোকে পুরোনো ছালের মতো লাগছে।
৪
একটি জানালার গল্প (দুই)
প্রায় একবছর এই চাকরীটা আমি চালিয়ে গিয়েছি। তখন আমার বয়স মাত্র বাইশ বছর।
প্রতিমাসেই আমি দুই হাজার ইয়েনের বিনিময়ে মাসে ত্রিশ বা তার চাইতে বেশি এমন চিঠি লিখে দিতাম লিদাবাশি জেলার ছোট্ট এক অদ্ভুত কোম্পানীর জন্য, যারা নিজেদের কলম সমবায় নামে ডাকতো।
ছায়াবাজির পুতুল
বেশ কিছুদিন থেকে মনটা খুবই খারাপ। কিছুতেই কিছু ভালো লাগছে না। সেমিস্টারটা ও যেন শেষ হতে চাচ্ছে না। সপ্তাহের শুরুতে রাশিতে লেখা ছিল ফ্যান্টাসটিক পজিশনে থাকবো সপ্তাহ জুড়ে। খুব খুশী হয়ে গিয়েছিলাম দেখে। কিন্তু কই কি! পাঁচদিন চলে গেলো সপ্তাহের, ফ্যান্টাসটিক পজিশনের ছিটে-ফোঁটাও দেখলাম না কোথাও।
হিন্দি সিনেমায় দেখায় বিপদে পড়লে ভগবানের সামনে এসে চিৎকার করে যদি বলা হয় “আজ যদি ভগবান তুমি সব ঠিক করে না দাও তাহলে আর কোন দিন তোমার উপর বিশ্বাস করব না”। সাথে সাথে বজ্রপাত হয়ে সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। ইস! সিনেমার ভগবানরা কতো ভয়ে ভয়ে থাকে!! বাস্তবে যদি এমন হতো?? কিন্তু বাস্তবে কোন কিছু চেয়ে যখন আমরা পাই না বলি, ভগবান বা আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন!!
এখন মনে হয় এটা শুধুই হেরে যাওয়া মানুষের স্বান্তনা!!
চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি-৩
১।
সেদিন মেঘকন্যাদি আমাদের রাজশাহীর পোলাপাইনরে ধুয়ে দিলো আমরা ঠিক মতো ইংরেজী পারি না বলে। উনি মনে হয় ভুলে গেছেন কবিগুরু বলেছেন ‘’আগে চাই বাংলাভাষার গাথুঁনি..................’’
২।
কোরিয়ানরা কবিগুরুর এইকথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে। মাস্টার্স পাশ লোকজন ইংরেজী বুঝে না এই রকম লোক এখানে হাটেঁ মাঠে ঘাটে সব জায়গাতে দেখা যায়। আর যে বনে বাঘ নাই সেই বনে শিয়াল রাজা আমাদের হয়ছে সেই দশা।লোকজন আমাদের ইংরেজী বলা দেখে হাঁ হয়ে থাকে? ডিপার্টমেন্ট ফরেনার স্টুডেন্টদের মিটিংয়ে ডিন জিজ্ঞাসা করে তোমরা এতো ভালো ইংরেজী কি ভাবে পারো? আর কারো কথা জানি না আমি আমারটা জানি আর ঢোকঁ গিলি। যে কিনা কোনমতে পাশ করে এসেছে এসএসসি এবং এইচএসসিতে

পিন আপ পত্রিকা
সকালে যেখানে দাঁড়িয়ে চা সিগারেট টানি কাজে যাওয়ার আগে, সেটার সাথেই একটা পত্রিকাস্ট্যান্ড, কখনও সেখানে মনোযোগ দিয়ে দেখা হয় নি আগে, আজ খেয়াল করে দেখলাম সেখানে বেশ কিছু পত্রিকা রাখা " শুধুমাত্র প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য", এমন শিরোণাম দেওয়া পত্রিকা বাংলাদেশে কয়টা ছাপা হয় আমার জানা নেই, বাংলাদেশের "প্রেস পাব্লিকেশন সংস্থা" কিংবা তথ্য অধিদপ্তর এমন পত্রিকা প্রকাশের অনুমতি দেয় কি না এটাও আমার জানা নেই, কিন্তু পত্রিকা স্ট্যান্ডে জায়গা করে নেওয়ার মতো পাঁচ থেকে ছয়টি পত্রিকা কিংবা বই দেখে বুঝলাম যৌনতা বিষয়ে আমাদের সামাজিক গ্রহনযোগ্যতার মাত্রা বদলেছে।
"আমার আমি"
খুব ছোট বেলায় বাবার উপর বেজায় রাগ ছিল । অভিযোগ অনেক । খেলতে দেয় না , সব কার্টুন দেখতে দেয় না আরো কত কি ? কিন্তু এখন ভাবি কি বোকাই না ছিলাম । প্রথম যখন কম্পিউটার দেখি আবাক হয়ে দেকতাম মনিটর টাকে ।ভাবতাম কি জিনিস বানাইছে আল্লাহ্ ।কিছুদিন পরে বুজলাম আসলে কীবোর্ড টাই হলো কম্পিউটার ।অনেক দিন পর এক বড় ভাই বললেন নিচের বক্সটা হলো CPU এবং আসল কম্পিউটার ।এই ধারোনাটা বহন করেছি অনেক বছর। এখনো মনে পড়ে ১৯৯৮ সালে বাসে করে চট্রগ্রাম থেকে ঢাকা আসছি এসি বাসে । আমার বাম পাসে এক ছাত্র যাচ্ছে । তার কোলে তাওল পেচানো একটি বস্তু ।তার এক সঙ্গি ড্রাইভারকে বলছে ভাই আমরা একটা হার্ডডিস্ক নিয়ে যাচ্ছি গাড়ি যেন বেশি লাফালাফি না করে । ঐ সময়েতো শীততাপ নিয়ন্ত্রিত রুম ছারা কম্পিউটার চিন্তাই করা যেত না । আর সেই রুমে যেতে হবে খালি পায় ।আর কম্পিউটার কেনার আগে বাসায় এসি অবশ্যই লাগাতে হবে।
ক্রী পাখিটা ঘুরে বেড়ায় প্রিয় পোস্টের আলমিরায়
১
লস্ট ইন ট্রান্সলেশন দেখে মাথা ফুলস্পীডে ঘুরতেসে। আহা আমারও তো কত রাত ঘুম আসে না। কিন্তু তাতে কি আর স্কারলেট জোহানসন মেলে? মুভির শুরুতে যখন কুশীলবদের নাম দেখায়, সেই সীনটা দূর্দান্ত। একটি মেয়ে পাশ ফিরে শুয়ে আছে। পরনের হালকা মিষ্টি কালারের প্যান্ট আর পেছনের দেয়াল একই রঙএর। তারচে' একটু ব্রাইট মেয়েটির গাএর রঙ। অসাধারণ কম্বিনেশন! আর মুভির কাহিনী, কিছুই বললাম না। লাইফের এই দূর্দান্ত এ্যঙ্গেলটা কয়জন মানুষ দেখতে পায়?
২
পৌণপুণিক গন্তব্যের অপেক্ষা
সশব্দ সন্ধ্যা নেমে আসে নাগরিক রাজপথে।
কালো ধোঁয়া, সাদা ধোঁয়া
উড়ে উড়ে ঘুরে ঘুরে গুমোট চারদিক।
ঘাম জড়ানো জুলফি আর কপালে
চটচটে ধুলো।
কর্মক্লান্ত শরীর মনের আবর্জনায়
সহযাত্রীদের জড়িয়ে নেবার প্রচেষ্টায় ব্যাস্ত সকলে।
অন্যের ঘামে ঘাম ছুঁইয়ে বসে থাকা মানুষগুলোর
মৃতপ্রায় চোখ থেকে স্বপ্ন ছুটি নিয়ে চলে গেছে বহুদুরে।
অপেক্ষা তাই পৌণপুণিক গন্তব্যে পৌছোনোর।
____________________________________
dM
MMr
4MMML .
MMMMM. xf
. "M6MMM .MM-
Mh.. +MM5MMM .MMMM
.MMM. .MMMMML. MMMMMh
)MMMh. MM5MMM MMMMMMM
3MMMMx. 'MMM3MMf xnMMMMMM"
একটি জানালার গল্প
খেলাপী হিসাবে আমার সুখ্যাতি আছে...এই কারনে মুরাকামির ছোট্ট একটা গল্প বেছে নিলাম অনুবাদের জন্য। তার চার ভাগের এক ভাগ হিসাবে শুরুর চিঠিটা গড়গড়িয়ে অনুবাদ করা গেলো...আশা করি আগামি তিনদিনেই এটা শেষ করে ফেলা যাবে...
একটি জানালার গল্প
হারুকি মুরাকামি
শুভেচ্ছা,
ফুরিয়ে যাওয়া এক একটা দিনের সাথে শীত চলে যাচ্ছে ধীরে ধীরে, আর সুর্যের আলোয় ঘ্রাণ পাচ্ছি বসন্ত দিনের। মনে হয় তুমি ভালোই আছো।
তোমার শেষ চিঠি পড়ছিলাম, ভালো লেগেছে। বিশেষ করে হ্যাম বার্গার স্টেক আর নাটমেগ'এর সম্পর্ক নিয়ে লেখা প্যারাগ্রাফটা বেশ হয়েছে। নিত্যদিনকার ঘটনা নিয়ে তোমার অনুভূতির তীব্রতা টের পাওয়া যায়। রান্নাঘরের উষ্ণ ঘ্রাণ কিংবা কাটিং বোর্ডে ছুরির সাথে পেয়াজের রেষারেষিটা একদম ঠিক ভাবে ধরা পড়ে!