ইউজার লগইন
ব্লগ
একাকীকথন ২
ইচ্ছে ছিলো দক্ষিনমুখী একটা বারান্দা হবে, আয়েশ করে সকালের চায়ের ওম নিতে নিতে পারিপার্শিক খবরাদি জানা যাবে, অলস কোন দুপুরে বারান্দা পেরিয়ে রোদেলা হুটহাট এসে পড়বে শোবার ঘরটায়। সাধসাধ্য দু’টাই থাকা স্বত্তেও বাড়ির গা ঘেষে দরদর করে দালানকোঠা উঠে পড়ায় সেই আশায় গুড়ে বালি। নিজে যেমন এতটুকু জায়গায়ও না ছেড়ে ফ্লাট তুলেছেন ঠিক তেমনি পাশের প্লটের জনও, তাও স্বস্তি এটুকুই যে পূর্বদিকটা রাস্তা বিধায় তাতে বারান্দা করে বসার যোগার হয়েছে।
নানান ভাবনার রৌদ্রজ্জ্বল সকালটা বিষাদে ছেয়ে দিলো দিনের পত্রিকাটা। দু’টা ভিন্ন ধাচেঁর খবর “মুক্তিযুদ্ধকালীন ঘটা নারী নির্যাতনের বিচারের দাবীতে সোচ্চার জনতা” আর “গণধর্ষনের শিকার জনৈকা”। কিছুপর বিষাদ ছাপিয়েও অবাক লাগল এই আশ্চর্য মিল এতো দিন পর উপলব্ধি হলো বলে, এটা সম্ভব হয়েছে ঐ খবর দু’টো পাশাপাশি কলামে ছিলো বলেই।
খুচরা পোস্ট ৩ :জেন্স পাঞ্জাবী

প্রায়ই রিক্সায় অন্যের সাথে শেয়ারে যেতে হয়। এতে লাভ আছে যেমন আবার ঝামেলাও আছে। লাভ, রিক্সা ভাড়া অর্ধেক লাগে। কিন্তু সাথের লোকটা যদি ফাউল হয় ঝামেলা হয়। আর যদি দলীয় সমর্থক হয় তাইলেতো কথাই নাই। একবার এক লোকের সাথে দৈনিক বাংলা যাচ্ছি। আগের দিনের রাজনীতিকদের নিয়া কথা হচ্ছে। সোরাওয়ার্দির খুব গুণগান গাওয়া শুরু করলে আমি খালি জিজ্ঞাস করলাম সে দেশের কী উপকারটা করছে? সাথে সাথে টিপিক্যাল আওয়ামী সমর্থকদের মত হাউকাউ শুরু করল জোরে জোরে। মহান নেতাদের স্বীকার করিনা। বেটারে থামাইতেই পারিনা। আশেপাশে রিক্সার লোকজন কৌতুহল নিয়া তাকাচ্ছে। আপনার সাথে কথা বলতে ইচ্ছা করছেনা বলে মুখ অন্যদিকে ঘুরায় রাখলাম। তারপর থেকে শেয়ারের লোকজনদের সাথে কথা বার্তা খুব খিয়াল করে বলি।
রোদ-নাট্যম
আজ রোদের বুকে ঝাঁপ দেব
নিজেই নিজেকে শাপ দেব
পুড়ে যাক যাক
খাক হয়ে যাক
মাটির দেহে চৌচির চির
ইঞ্চি ইঞ্চি মাপ নেব
হাপর শ্বাসে দমে দমে
পোড়া মাটির ভাপ নেব
ধূসর চোখে ঠুলি মেরে
খুলির ভেতর ধূলি ঝড়ে
আলগা বাতাস হলকা হলে
মগ্ন ধ্যানে তাপ নেব
রোদের সাথে যুক্তি করে
কারাগারে মুক্তি পুড়ে
ভাগাভাগি পাপ নেব
খান্নাসের বিলোপ হলে
সন্তাপ আর বিলাপ ফেলে
নিংড়ে নিয়ে সূর্য ছটা
সূর্য স্নানের আলাপ হব
রোদের ভেতর ঝাঁপ দেব
রোদের বুকেই ঝাঁপ দেব
***
২৪শে এপ্রিল ২০১১/২৫শে এপ্রিল ২০১১
ব্রেকিং নিউজঃ আক্কাস ভাইয়ের ছাগুল মারা যায় নাই। চোখ বাঁধা অবস্থায় .........
আমাদের নিজস্ব প্রতিনিধির পাঠান প্রতিবেদনে গোপনীয় ও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে এইমাত্র আক্কাস ভাইয়ের ছাগুল একটি মাঠের ভিতর থেকে চোখ বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গেছে । এইসময় তিনি ঘাশ খাচ্ছিলেন । উল্লেখ্য তার চোখ বাঁধা থাকলেও হাত ও পা খোলাছিল ।গত কিছুদিন ধরে এই ছাগুল্টা নিয়ে সর্ব মহলে বেশ কানাঘুশা চলছিল । আক্কাস ভাই দাবি করছেন সাদা পোশাকধারী কিছু গুন্ডা ছাগুল টাকে ধরে নিয়ে যায় । তিনি দাবি করেন হত্যা করে মাংস খাবার উদ্দেশ্যেই তাকে গুম করা হয় । কিন্তু বিশেষ দোয়া দরূদ পড়ায় তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়নি । জাতীয় ছাগুল কল্যাণ পরিষদ (জাছাকপ) এ ঘটনার তিব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে । তারা বলেছেন এভাবে তাদেরকে দমন করা যাবে না । অপর পক্ষে ছাগুলিগ দাবি করেছেন , যুদ্ধআপ্রাধিদের বাঁচাতে আক্কাস বাই ষড়যন্ত্র মূলক নিজেই নিজের ছাগুল্কে গুম করিয়েছেন । এব্যাপারে তারা বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানান।
একটি কৌতুক ও আমাদের মিডিয়া।
একজন ফাদার চার্চের জন্য কিছু টাকা তুলতে চান। তিনি বিশপকে জিজ্ঞেস করলেন, কিভাবে কিছু টাকা আয় করা যায় বলুন ত! চার্চে কিছু সংস্কার কাজ করা হবে। কিন্তু ফান্ডে যথেষ্ট টাকা নাই।
বিশপ বুদ্ধি দিলেন, শহরে ঘোড়ার রেস হয় প্রতি সপ্তাহে। একটা ঘোড়া কিনে সেখানে অংশ নাও।
পরের সপ্তাহেই ফাদার গেলেন ঘোড়া কিনতে। কিন্তু ঘোড়ার দাম শুনে তার চক্ষু চড়ক গাছে। বেচারা আর কিছু কিনতে না পেরে একটা গাধা কিনে নিয়ে চলে এলেন।
শহরে এসে ভাবলেন, কিনছি যখন গাধা, সেটাকেই রেসে লাগাই। কি আর এমন হবে যদি হেরে যাই।
রেসের ময়দানের সবাইকে অবাক করে দিয়ে গাধাটা ঘোড়ার রেসেই তৃতীয় হয়ে বসল। শহর জুড়ে গাধার প্রশংসা আর তার কীর্তির আলাপ হচ্ছে। পত্রিকাগুলাও পরদিন ফলাও করে খবর ছাপাল, Father'S ASS SHOWS!!!
আজাইরা দিনপঞ্জী... ১৮
বেশ কদিন ধরে শরীরটা একটু বেগরবাঁই করছিলো, রোজ এখন তাই নিয়ম করে পারলে বারোটায় ঘুমুতে যাই, মাঝে মাঝে আগের অনিয়মনের অভ্যাসে ২/৩টা বেজে যায়। কাল রাতে দেড়টার দিকে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, ঘুম ভাংগলো ভোর সাতটায়, তাও ভীষণ এলোমেলো অদ্ভুত এক স্বপ্ন দেখে। স্বপ্নে আমি আর আমার ছোট বোন মাকে নিয়ে কোন একটা দেশে গিয়েছি, স্বপ্নের স্হাপত্য ইউরোপীয়ান ছিলো, কিন্তু যেভাবে দৌড়ে রাস্তা পার হলাম তার নিদর্শন ইউরোপীয়ান ছিলো না। ঝাঁকে ঝাঁকে সাদা চামড়ার মানুষ ছিলো আশেপাশে। স্বপ্নে মনে হলো আমরা কোন একটা দুর্গমতো এলাকায় যাচ্ছি একজন সাইকেল মেকানিকের সাথে দেখা করতে, ব্যাপারটা অদ্ভুত...
কাবজাব - ৭
প্রিয় আয়েশা,
কেমন আছিস তুই? কতো দিন হয় তোর সাথে আমার কথা হয় না? ভুলেই গেছিস না? এই ছয় বছর মানে জানিসরে তুই? অর্ধযুগ মানে জানিস তুই? ছয় বছর। আচ্ছা তুই আমার সাথে ঝগড়া করে কখনই তো ২ দিনের বেশি রাগ করে থাকতি না। আমার দোষ থাকলেও তুই এসে স্যরি বলতি। সেই তুই আমার সাথে এমন করে রাগ করলি?
আমার যাদুমনি (৯)
গত ৫ই এপ্রিল আমরা বন্ধু'র অনেক বন্ধু এসেছিলেন ঋহানের নতুন দাঁত ওঠা উপলক্ষ্যে ঋহানকে শুভেচ্ছা জানাতে। নানা কারনে এতদিন ঐদিনের ছবি গুলো হাতে পাইনি। কিছুদিন আগে পেলাম। কিন্তু টার্ম ফাইনাল নিয়ে এই কয়দিন ব্যস্ত ছিলাম। আজ একটু ফ্রি হলাম। চলুন দেখি ঐদিনের কিছু মুহুর্ত।
মুহুর্ত গুলো'কে এত সুন্দর ভাবে ক্যামেরাবন্দি করার জন্য মৌসুম আপুকে অসংখ্য ধন্যবাদ!
জনগনের উদ্দেশ্যে ঋহানের ভাষন
জেবিন ফুপ্পির সাথে কি হাসি
এই ভোরের প্রতীক্ষায় থাকি
মৃত্যুর পরেও কারো কারো চোখ খোলা থাকে এই সুন্দর পৃথিবীটাকে আরো অতিরিক্ত কিছুটা সময় দেখে নেবার জন্য।
ভোরের আকাশের আয়নায় চোখ রাখতেই মন ভাল হয়ে গেল।বিগত ঘুমহীন রাতের যন্ত্রণা,কালো কালো ছায়াগুলো অথবা পাঁজর বিদীর্ণ করা ছুরিকার দগদগে ক্ষতগুলোর কথা একবারও মনে পড়লনা।আমি বরং দেখি কি উন্মাতাল উল্লাসে ঘাসের উপর উড়ে বেড়ায় কমলা রঙ প্রজাপতি। কি গভীর অভিনিবেশে লাল কলাবতীর ঝাড়ে , সবুজ ঘাসের বুকে মেখে দেয় প্রেমের পরাগ।ডানায় সাদা-কালোর মিশেলে অপূর্ব ছবি এঁকে নিয়ে গাছের ডাল থেকে ডালে কখনো শ্যামল ঘাসের চাদরে নেমে আসে দু'টো দুরন্ত পাখী।চঞ্চল-বিহঙ্গ কি নাম তোমার? আমার বন্ধু হবে? প্রতিটি সকালের বারান্দায় আমি ছড়িয়ে দেবো ভালবাসার শস্যকণা।।অপার মুগ্ধতায় চেয়ে চেয়ে দেখবো দানা খুঁটে খুঁটে তোলার টুকটুকে আনন্দটুকু।
এটাও টেস্ট পোষ্ট !!

কিছুদিন ধরে ব্লগটার উপরে রাগ জমছিল । কি জানি কি পব্লেম হইছিল, লেখা পোস্ট হচ্ছিল না । তাই শুধু সবার ব্লগ পড়েই দিন কাটছিল । অবশ্য এতো সুন্দর সব লেখা পড়ে না লিখতে পারার দুঃখ ভুলে গেছিলাম । মাঝে মাঝে বিরতিহীন দক্ষিনা হাওয়ার মত অজস্র ব্লগ আসে প্রথম পাতায় । কোনটা রেখে কোনটা পড়ব । তাই শুরু করি প্রথম পাতার একদম নিচের ব্লগটা থেকে ।
যাই হোক, আজকের আমার এই ব্লগটাও একটা টেস্ট ব্লগ । এর আগেরটার? মত ।

ই-বুক বিষয়ক ঘোষণা(আপডেট)
বন্ধুদের বিশেষ অনুরোধে লেখা জমা দেয়ার সময় আগামী ০৯ ই মে পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো
==========================================================
জানালার শিক ধরে বৃষ্টি দেখার দিন এলো আবার।
শহরে টিনের বাড়ি নেই, ঝমঝম শব্দ নেই, তবু বৃষ্টি ভালো লাগে।
অফিস ফেরতা ক্লান্ত শরীর, জল কাদায় নাস্তানাবুদ, তবু বৃষ্টির শান্তি।
প্রেমের দিনে ছাতাটা উড়ে যাবে হাওয়ায়, ভিজবো তুমি আমি- সেই বৃষ্টি।
জলডোবা হয়ে বাড়ি ফেরা, সরিষা তেলে মুড়ি মাখিয়ে স্মৃতির ভেলায় ভেসে যাওয়ার বৃষ্টি এসেছে শহরে।
বৃষ্টি কেবল একলা আসে না, সঙ্গে নিয়ে আসে স্মৃতির ঝাঁপি। মনে পড়ে যায় সেই কতকালের পুরনো সব কথা।
আর মনে হয়, এমন দিনে তারে বলা যায়।
এমন দিনেই তো বলা যায়। বলে ফেলুন তাহলে আপনার বৃষ্টিবিলাসের গল্প। বৃষ্টি নিয়ে আনন্দ বেদনার গল্প।
এম্নিই ...
সোনার দাম হু হু করে বাড়ছে, মেয়েটারও বিবিএ ফাইনাল সেমিস্টার চলছে, হাতে আছে বেশ ভালো কয়েকটা প্রস্তাব। সব ভেবেচিন্তে পরিকল্পনা করেই এগুচ্ছিলেন স্বামী-স্ত্রী। ঘরের নতুন ফার্নিচার তৈরী করা, গয়না গড়িয়ে রাখা আর দুজন ছেলের পরিবারের সাথে জানাশোনা করা শুরু করলেন, পরীক্ষা শেষ হতেই মেয়ে বিয়ে দেবেন। এতোকিছুর শরীরটা যে বেশ খারাপ হতে শুরু করছিলো আমলেই আনেননি বাবাটা। কিন্তু জানুয়ারীর ঢাকা এসে গেলেন মোটেই চেনাজানা নয় শুধুই বারডেমের মতো বড় জায়গার গ্যাস্ট্রোলজির বড়ো ডাক্তারের কাছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা, এন্ডোস্কপি কতো কি করে জানা গেলো কিচ্ছু নয়, শুধু গ্যাস্টিকের সমস্যা, ভালো হয়ে যেতে সময় নেবে না।
মোটা কাহিনী
সুমন পাটোয়ারী আমাদের কমন বন্ধু। সুমন একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে কাজ করে। সপ্তাহে একদিন প্রথম আলোতে লেখে। সেটা নতুন কোনো কম্পিউটার গেম নিয়ে। সুমন কে চিনতে পারছেনতো ? বেশ কটি নাটকে অভিনয় করেছে। অনেকগুলো বিজ্ঞাপণে কাজ করেছে। ওর সবচেয়ে আলোচিত বিজ্ঞাপণ হচ্ছে- গায়িকা মমতাজের সাথে একটি টেলিফোন কোম্পানির বিজ্ঞাপণ সেটা। এরপর একটি মডেম কোম্পানির বিজ্ঞাপণে নির্মাতা ওকে রশি দিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছে বাড়ির ছাদের সাথে। সে এক দেখার মত দৃশ্য !
২০৩৬ - এ ব্লগ স্টোরি (১৯)
টাপুরের মায়ের চলনশক্তি ফিরে এলে আমরা ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ড থেকে অবহরোহন করি। ঘুম থেকে জেগেই তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরলেন, চলো এবার একটা সাবমিশন করি। তুমি ধর্মকর্ম একেবারে ভুলে গেছো! মেনে নিলাম। ধর্মে অনাসক্তি আমার বরাবরের। প্রথম টেকপ্রফেটের অনুসারী হয়েও যে হারে রিচুয়াল অমান্য করে যাচ্ছি, রীতিমত আতঙ্কজনক। যেকোনো সময় আমার ভার্চু-অস্তিত্ব ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। টাপুরের মা বললো, গতরাতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, যদি এমাসের বিগ রিকভারী ঘটে তবে সফটওয়ারম্যানের ওয়েবক্যামের সামনে বসে দশ হাজার টেট্রা ডাটা সরাসরি সার্ভারে যুক্ত করে দেবো। আমার কাছে বিরক্তিকর মনে হয়। এইসব টেকধর্মগুরুদের বুজরুকি হাড়ে হাড়ে টের পাই। কিন্তু প্রচলিত বিশ্বাসের বাইরে কিছু করতে গেলে অস্তিত্ব রীতিমত বিপন্ন হয়ে পড়বে। প্রেয়সী আমার তার পার্সোনাল ম্যাটারের সাবমিশন করুক, তুমুল বিরক্তি নিয়েও হয়তো আমার পাশে বসে থাকতে হবে।
নিতান্তই সহজ-সরল ::: ১
আসলেই কি সরল?
রবীন্দ্রনাথ ভদ্রলোক ছোট গল্পের যে সংজ্ঞা দিয়েছিলেন, তার মধ্যে ক্ষুধিত পাষাণ পড়ে?
হুমায়ূন আহমেদ
সেদিন বাসে আসার সময় হুমায়ূন আহমেদের “হাবলংগের বাজারে” দেখছিলাম। সাধারণত অখাদ্য-সুড়সুড়ি নাটকগুলো এসিবাসের ঘুমন্ত ভদ্রলোকদের দেখানো হয়। বরাবরের মতোই এটাও অখাদ্য। কিন্তু একটা জায়গায় এসে আটকে গেলাম।
একজন বলছ: হুজুর (তিনি স্থানীয় জমিদার বা এই টাইপের), ভয় বলবো না নির্ভয়ে বলবো?
হুজুর: (ধমক দিয়ে) ভয় বল। আমার সামনে নির্ভয়ে আবার কী কথা?
ভদ্রলোকের সাম্প্রতিক লেখালেখি পছন্দ না হলেও তাঁর হিউমার সেন্স বরাবরই পছন্দের। সেই ছোটবেলা থেকেই শুনে আসছি, এ জাতীয় প্রশ্নের উত্তরে সবাই বলে, নির্ভয়ে বল। এর উল্টোটা যে কেউ বলতে পারে তা কখনো মাথায় আসে নাই।
হিন্দি সিনেমা