ইউজার লগইন
ব্লগ
একটা ব্লগের নাম বল - আমরা বন্ধু ;)
সেই ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি যে, পৃথিবী গোলাকৃতির। ভাবছিলাম ভদ্রলোকের এক কথা। কিসের কি... স্কুলের মাঝামাঝি সময় বুঝলাম পৃথিমি আসলে গুল না... কিঞ্চিৎ চ্যাপ্টা... মানে কম্লালেবুর মত। কান ঠিক থাকার পরও ক্যাম্নে যে ভুল শুনলাম বুঝতর্লাম্না। যাউকগা... তাও ভালো একটা স্মার্ট একটা ভাব আছে। কিন্তু বিপদ হইছে এখন। আমাদের আমলে চাইনিজ পুচকা কম্লা ছিল না... এখন যদি কই যে পৃথিমি কম্লার মত... তাইলে পয়লা জিগাইবো চাইনিজ কম্লা? নাকি সিলেটের কম্লা? নাকি ইনডিয়ার কম্লা? তব্দা খাওয়ার অবস্থা.... 
ছবি ব্লগ: পদ্মার বুকে
আহমাদ মোস্তফা কামাল ভাইয়ের কথায় ছবির গল্প নিয়া পোস্ট দেয়ার আইডিয়া মাথায় আসল। গত ফেব্রুয়ারিতে আমার প্রাক্তন অফিসের ডাচ মালিক কেইস নেইবার বাংলাদেশে আসলে তাকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার কথা হয়। আমার প্রস্তাবে ঠিক হয় পদ্মায় যাওয়া। এর কয়দিন আগে সাঈদদের সাথে গিয়ে প্রেমে পরে গেছি এযায়গার।

কেইস নেইবার। যার জন্যই এই ভ্রমন।

মানিকগঞ্জের ভিতর দিয়া যাওয়া, পথে পরে একটা ফেরি। নদীর নাম সম্ভবত বংশী।

সকাল বেলা নদীর ঘাটে গায়ের বধুঁ।

চরের উপর দিয়ে হেটে নদীর দিকে যাওয়া।
১২ এপ্রিল সৈয়দপুরের স্থানীয় শোক দিবস।
আগামীকাল ১২ এপ্রিল সৈয়দপুরের স্থানীয় শোক দিবস। স্মাধীনতার ৪০ বছর চলে গেল। প্রতি বছর এই দিনটি স্থানীয় শহীদ দিবস হিসাবে পালিত হয়। সৈয়দপুরে হত্যাযজ্ঞ শুরু হয়েছিল ২৫মার্চের কাল রাত্রি থেকেই। সে এক ভয়াবহ সময়। বিহারী অধ্যুষিত নগরী। একে একে কিছু বুঝবার আগেই মানুষ হারিয়ে ফেলেছে তাদের ধন-সম্পদ, বসতবাট, প্রান ও সভ্রম।
২৫শ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিলের মধ্য মেরে ফেলা হয় ২৯৭ জনকে। যাদের অনেকে জননেতা আবার অনেকে দিনমজুর অনেকে সাধারন খুব সাধারন মধ্যবিত্ত।
.........এরই মাঝে চলো মোরা হারিয়ে যাই!
আজ সেমিস্টারের শেষ ফাইনান্স ক্লাস করলাম। যদি কোন রকমে পাশ করে যেতে পারি তাহলে এইটা হয়তো আমার জীবনের শেষ ফাইনান্স ক্লাস। কারন তো আগেই বলেছি। তার মাঝে আবার শেষের কয়েকটা ক্লাস করে তো কানে ধরছি ভাই, মাফ চাই! এখন আমাকে কেউ ফ্রি ফাইনান্স পড়াবে বললেও আমি আর জীবনেও এই পাগলা কোর্সের কাছে যামুনা। 
তো যাইহোক, আজ মীর এর পোস্টে "69" মেগা সিরিয়াল'টার কথা পড়ার পর থেকে একটা গান মাথার মাঝে ঘুরছে। আগেও শুনেছেন সবাই, তাই আমি গানের লিরিক'টা শেয়ার করলাম।
প্রতিটি রাস্তায় প্রতিটি জানালায়
হাসিমুখ
হাসিমুখে আনন্দধারা
তুমি চেয়ে আছো তাই
আমি পথে হেটে যাই
হেটে হেটে বহুদুর বহুদুর যেতে চাইরোদ উঠে গেছে তোমাদের নগরীতে
আলো এসে থেমে গেছে
তোমাদের জানালায়
আনন্দ হাসি মুখ চেনা চেনা সবখানে
এরই মাঝে চলো মোরা হারিয়ে যাইতুমি চেয়ে আছো তাই
আমি পথে হেটে যাই
হেটে হেটে বহুদুর বহুদুর যেতে চাই ।।হারিয়ে যেতে চাই
তোমাদের রাস্তায় ।।
অনেক অজানা ভিড় স্বচ্ছ নিরবতায়
রোদ উঠে গেছে চেনা এই নগরীতে
নাগরিক জানালা হাসিমুখে একাকার
অণুগল্প: মেয়েটি
১.
কনিংবেল চাপ দিলাম।
একটি মেয়ে হেঁটে এসে বিল্ডিং-এর কলাপসেবল গেট খুলে দেয়।
সেই প্রথম দেখি।
কি মিষ্টি চেহারা।
সেই বাসাতেই আমরা বাসাটা ভাড়া নেই।
আমাদের পাশের ইউনিটেই থাকে।
ধীরে আমরা বন্ধু হয়ে উঠি।
আমরা ঘুরি। রিক্সা দিয়ে। আইসক্রিম খাই।
সারারাত ফোনে কথা বলি।
এপার-ওপার বরান্দায় দাড়িয়ে কথা বলি।
একদিন বুঝতে পারি আমি তার প্রেমে পড়েছি।
নানান ভাবে তাকে বোঝাই।
সে বোঝে।
কিংবা বোঝে না।
একদিন সাহস করে জড়িয়ে ধরি।
ভাবছিলাম- মেয়েটির হ্নদয়ে ভালোবাসা আছে।
কিংবা ভাবছিলাম, হয়তো একটা চড় খাবো।
জড়িয়ে ধরে বললাম- আমাকে ছেড়ে তুমি যেয়ো না।
বলতে বলতে- ঠোটে চুমু খেয়ে বসলাম।
মেয়েটির চোখ বেয়ে পানি বেরিয়ে আসলো।
আমি কানের কাছে ফিসফিসিয়ে বললাম- আমি তোমাকে ভালোবাসি।
মেয়েটির মাথা আমার কাঁধে ছিল।
ভালোবাসি শব্দটা শুনতেই সে চমকে উঠে।
স্মৃতি থেকে হারিয়ে গিয়েছি নিয়ম মেনেই
আমার প্রিয় সবকিছুর তালিকাই অনেক লম্বা। আমার যে অল্পতে মুগ্ধ হবার সমস্যা আছে, তা আগেও বোধহয় বলেছি। প্রিয় গান-এর তালিকা বানিয়ে ফেলা আসলে সম্ভব নয় কখনোই। কেননা প্রতিনিয়ত নতুন গান যেমন প্রিয়তে যায়, তেমনি পুরোনোরাও জমে থাকে কোনো অচেনা কুঠুরীতে। হারায় না। অনেকদিন পর হয়তো জলের অতল থেকে বুদবুদের মতো উঠে আসে দু’একটা প্রিয় গান।
শুরু হলো "আমার ফাউন্ডেশন"এর অগ্রযাত্রা। চলুন নতুন ইতিহাস গড়ি
সুপ্রিয় সহব্লগারগন।
অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানানো যাচ্ছে যে "আমার ফাউন্ডেশন" চ্যারিটির সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কয়েকজন ব্লগারের অক্লান্ত পরিশ্রমে আমার ফাউন্ডেশন তার সকল প্রকার রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করে এগিয়ে যাবার জন্য প্রস্তুত হয়েছে।
আমার ফাউন্ডেশন প্রথমেই "(সিসিফাস)"এর পোস্টে বর্ণিত জয়নাল ও লালবানু'র স্বপ্নের প্রজেক্ট দিয়ে তার প্রথম কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে। সেই সাথে মুরুব্বির পোস্টে বর্ণিত দক্ষ কিন্তু দরিদ্র লোকদের বর্তমান অবস্থার উন্নতির সুজুগ সৃষ্টি করার প্রজেক্টটিও একই সময়ে চালিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে আমার ফাউন্ডেশন। প্রজেক্ট দুটি সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে নিচের লিঙ্ক ফলো করুনঃ
ব্লগার সিসিফাসের পোস্টঃ "জয়নাল ও লালবানু'র স্বপ্নযাত্রায় আমাদের নির্মম নির্লিপ্ততা"
বর্শায় গাঁথা জাহানারা বেগমের আঁচল
সরু গলিটার শেষ মাথা থেকে ছোট ছোট পা ফেলে জাহানারা বড় গলিটায় এসে একটু জিরিয়ে নেবে কিনা ভাবছে। তাকে আরো ৪০০ মিটারের মত হাঁটতে হবে। প্রাচীন শরীর সব সময় কথা শুনতে চায় না। জাহানারা বেগমের বয়স যতটা না তাকে দেখলে তারচেয়েও বয়স্ক লাগে। নিঃসন্তান বিধবা তিনি, নিকটাত্মীয় বলতে দুটো ভাই, তারাও থাকে অনেক দুর। একই শহরে থেকেও যে অনেক দুরে চলে যাওয়া যায় এই মহাব্যস্ত হরিয়ে যাওয়ার শহরে সেটা জাহানারা খুব ভালোই জানে।
নিঃসন্তান হওয়ায় স্বামীর সাথে তার দাম্পত্য জীবন খুব একটা সুখকর ছিলো না কোন কালেই, স্বামী মারা যাবার পর জাহানারার চট্টগ্রামে তার বাপের বাড়িতে চলে আসে, দুই ভাইয়ের কেউ এ বাড়িতে আর থাকে না, ভাড়া দিয়ে নিজেরা আলাদা আলাদা সংসার পেতেছে শহরের অভিজাত এলাকায়। বাড়িটির নোনা ধরা দুটো রুম জাহানারার জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়, ভায়েরা মাস শেষে কিছু টাকাও লোক মারফত প্রতিমাসে পাঠায়, সেটা দিয়েই তাঁর ভালোভাবেই দিন চলে যায়।
গল্প: রাতজাগা তারারা দেখে নি দিনের আলোয় পাখির উড়ে যাওয়া
মুনিয়া পাখিটা তার নরম তুলতুলে শরীর নিয়ে আমার হাতে উঠে আসছিলো। সেটার টুকটুকে ছোট্ট পা, নখের মিষ্টি খোঁচা- আমাকে আনন্দময় সুড়সুড়ির অনুভূতি দিচ্ছিলো। নির্নিমেষ চোখে দেখছিলাম, পাখিটাকে আমি চিনি। এটা প্রিয়’দের বাসা থেকে এসেছে। ওর সবচে’ ছোট্ট বোনটা মুনিয়া পাখি পুষে। আমি গেলেই সে পাখিগুলোর খাঁচার কাছে আমাকে নিয়ে যায়। আমি পাখিগুলোকে নিজ হাতে দানা খাওয়াই। পাখিরা যখন হাতের তালু খুটে খুটে দানা খায়, তখন আমার খুব ভালো লাগে। কিন্তু অবুঝ পাখিটার তো তা বোঝার কথা নয়। তাহলে সেটা পথ চিনে চিনে আমার বাসায় উড়ে এসেছে কিসের টানে?
শহীদ আমিনুল হক(গোলাভাই)কে হত্যা করতে একটি গুলিও খরচ করেনি শান্তিবাহিনী ও তার দোসরেরা।
শহীদ আমিনুল হক(গোলাভাই)কে হত্যা করতে একটি গুলিও খরচ করেনি শান্তিবাহিনী ও তার দোসরেরা। কারন গুলির অনেক দাম।??!!!!
১৯৭১, ৭মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ৮মার্চ রেডিওতে প্রচারিত হলে তা সম্পূর্ন রেকর্ড করেন শহিদ আমিনুল হক (গোলাভাই)। এই রেকর্ডই তার জীবনে নিয়ে আসে নির্মম পরিনতি। তিনি জানতেন বাংলার স্বাধীনতা চাইবার জন্য তাকে যে কোন মূহূর্তে প্রাণ দিতে হবে। তার জন্য তিনি প্রস্তত ছিলেন। যেমন প্রস্তত ছিলেন তার বড় ভাই শহিদ জহুরুল হক, শহিদ ডাঃ জিকরুল হক । (এই নিবেদিত প্রাণ বাঙ্গালী পরিবারটির এই ব্যাক্তিদের নাম উচ্চারন করার আগে বিহারী বা বঙ্গালী যে কেউ শহিদ শব্দটি অবশ্যই ব্যাবহার করে। ) কিন্তু তিনি বা তার পরিবারের বা তার সময়কার সৈয়দপুরবাসী কেউ কল্পনা করেনি কি নির্র্মম পরিনতি তার জন্য আপেক্ষা করছে। সেই সময়ের সৈয়দপুরকে যারা দেখেছেন, তারা সেই কথা ভাবলে আজও শিউরে উঠেন।
নিজের সম্পর্কে লিখুন - ১
আমরা বন্ধু ব্লগের ব্লগাররা তাদের নিজেদের সম্পর্কে কি বলেছেন আসুন দেখি, আর তাদের সম্পর্কে পড়ে পাবলিকের মনে তৎক্ষনাত কি প্রতিক্রিয়া হয় - আসেন সেটাও দেখি ;

ভাস্কর- মনে প্রাণে আমিও হয়েছি ইকারুস, সূর্য তপ্ত দিনে গলে যায় আমার হৃদয় -
ভাই এদ্দিনে বুঝলাম আপ্নে কেন দিনের বেলা ঘুমাইয়া কাটান ( জনগণের কাছে থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী আমরা জানি যে আপনি সারাদিন ঘুমিয়ে কাটান) : গলা হৃদয় গলে যাওয়া আইস ক্রিমের মতই আকাইম্মা, কেউ নিতে চায় না। আপ্নের দিনের বেলা বাইর হওয়া ঠিক না। ( এদ্ভাইস- ভাইজান হৃদয়্টা দিনের বেলা ফ্রিজে রেখে দিলেও পারেন )।

সামছা আকিদা জাহান-যতবার আলো জ্বালাতে চাই নিভে যায় বারেবারে,
আমার জীবনে তোমার আসন গভীর আন্ধকারে।
আপা তাইলে হুদাহুদি ম্যাচ বাত্তি পুরান কেন? তয় আফনে একবার না পারিলে দেখ শত বারের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

জেলবন্দী মানুষ কিংবা দেয়ালবন্দী আমি
১))
প্রায় চৌদ্দ বছর পর জেল থেকে মুক্তি পেয়ে হাঁফ ছেড়ে নিঃশ্বাস নিতে গিয়ে খেয়াল করলাম, উজ্জ্বল আলোতে চোখ জ্বালা করছে। হাঁফ ছাড়ার কথা ভুলে গিয়ে, আমি চোখের দুর্দশা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ি। অথচ প্রথমেই আমার ছেলের কথা মনে হওয়া উচিত ছিল কিংবা আমার বৃদ্ধ মা কিভাবে সংসারের ঘানি টানছে সেই বিষয়ে উদগ্রীব হয়ে বাসায় ছুটে যাওয়া উচিত ছিল। ছেলের কথা মনে হলো, অনেক পড়ে। এর মাঝে মুক্ত বাতাসে,মুক্ত মানুষ হয়ে চা খেলাম আয়েশ করে।
তখন খেয়াল হলো- আমার জন্য জেলগেটের বাইরে কেউ দাঁড়িয়ে নেই। দাঁড়ানোর কথা ছিল না,আমি প্রত্যাশাও করি নি। মা ছাড়া গত চৌদ্দ বছরে কেউ যোগাযোগ করে নি খুব একটা। তাই ফুলের মালা নিয়ে কেউ দাঁড়িয়ে থাকবে এটা ভাবার মতো বোকা আমি না। তবু হয়ত অবচেতন মন কিছু একটা চাইছিল।
পুরোন ঢাকার ঘিঞ্জি রাস্তাগুলো যে আরো ঘিঞ্জি হয়েছে সেটা বুঝতে না বুঝতেই পেছন থেকে শুনতে পেলাম-
আব্বা, বাসায় চলেন। অনেক রোদ উঠছে আজকে।
রেডিমেড কমেন্ট সংগ্রহ
সবাই খালি সিরিয়াস পোস্ট দেয়! হাসিঠাট্টামশকরা উইঠা গেল নাকি দুনিয়া থিকা?

------এর হাতে যখন মাইক
আমার বাসার সামনে একটি মসজিদ আছে । প্রতি শুক্রবার সেখানে খুতবা পাঠ হয়। বাধ্য হয়ে তাদের বক্তৃতা শুনতে হয়। বিশেষ যখন বারান্দায় যাই তখন শুনতেই হয়। আমি বিভিন্ন ওয়াজে দেখেছি সেখানে ৮০% থাকে মহিলাদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার। এই মসজিদে প্রতি শুক্রবার মোটামুটি এই বিষোদ্গারটা কম বেশী থাকবেই।
বুকের দুধের আইসন্ক্রিম ?
অর্থনৈতিক মন্দা থেকে বাঁচতে কতজন কত কিছুই না করছে । তাদেরই একজন ব্রিটিশ নারি ভিক্টোরিয়া হিলে । তিনি তাঁর দুধ বিন্ক্রি করেছেন লন্ডনের একটি কোম্পানির কাছে । আর এ কোম্পানি সেই দুধ দিয়ে আইসন্ক্রিম বানাচ্ছে ! যার নাম ' বেবি গাগা' । ১০আউন্স দুধের জন্য হিলে পাচ্ছেন ১৫ পাউন্ড । আর বেবি গাগা খেতে ন্ক্রেতাদের খরচ হচ্ছে ১৪ পাউন্ড ।