ইউজার লগইন
ব্লগ
একলা হবার গান
চৈত্র-সঙক্রান্তির রাতটা কাটলো বন্ধুদের সঙ্গে। নতুন নয় ব্যাপারটা, চৈত্রের শেষ রাতটি কবি এবং লেখক বন্ধুদের সঙ্গে কাটানোর একটা অলিখিত নিয়ম আমাদের মধ্যে গড়ে উঠেছে। বিশেষ কোনো কারণ নেই এর পেছনে, একসঙ্গে অনেক বন্ধু মিলিত হবার একটা উপলক্ষ্য মাত্র। ব্যাপারটা অবশ্য এখন আর শুধু বন্ধুদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। অনুজ ও অগ্রজ বন্ধুরাও যোগ দেয় এই আড্ডায় এবং বেশ জমজমাট একটা আড্ডা হয়! বিস্তর হাসিঠাট্টাদুষ্টুমি হয়, হয় তর্ক-বিতর্ক বা গম্ভীর আলোচনাও। অনুজরা তুলনামূলকভাবে অধিকতর প্রাণোচ্ছল, তারাই বেশি করে হুল্লোড় করে, অগ্রজদের বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করে। অগ্রজরা - কী আর করবেন - অনুজদের ভালোবাসার অত্যাচার হাসিমুখে মেনে নেন! এবারও সেরকমই হলো। ওরা একেকজনকে গান গাওয়ার জন্য ফাঁদে ফেলতে লাগলো! তাতে যে সবাই খুব বিপদে পড়ে গেলো তা অবশ্য নয়!
কাল বৈশাখী
আকাশ জুড়ে ধুসর মেঘ ভোর থেকেই। মাঝে মাঝে অভিমান ভেঙ্গে উজ্জ্বল হচ্ছিল আকাশটা। বৈশাখে প্রথমদিনেই সূর্যের সাথে তার দারুন অভিমান। সূর্য হঠাৎ করেই হেসে উঠলো। বাতাসেরা যে সব আসা যাওয়া করছে। আকাশকে ছেড়ে সূর্য বাতাসদের নিয়েই বুঝি বেশি ব্যাস্ত। সূর্যে অবহেলায় আকাশ গুমরে উঠলো। অভিমানে আকাশ হয়ে উঠলো ঘনকালো। বেজে উঠলো রণডংকা । ভয়ে বাতাসেরা শুরু করলো মাতম।
ঝড় যেন প্রচন্ড হুংকার তুলে ডাকছে --সীমাহীন গতিতে নাচ আর ছন্দে তুমি এসো। আমার রক্তের নাচন সব রক্ত চক্ষুকে কটাক্ষ করে আমায় নিয়ে যায় তার কাছে। ঘর থেকে ছুটে বেড় হয়ে এলাম।
আমার চারিদিকের গাছগুলি নেচে উঠলো। ডালিয়া ফুলের গাছগুলি বাতাসের তালে নাচতে না পেরে শুয়ে পড়ল মাটিতে। গাছেদের মাথা আছড়ে আছড়ে ঝড়ের কাছে অবনত আকুতি যেন এক অপূর্ব নৃত্য। গাছের পাতার উড়াউড়ি তার সাথে পাখিদের উড়াউড়ি।
গাছ না হবার গল্প
পয়লা বৈশাখে সারাদিন টোটো কোম্পানীর ম্যানেজারি করার ইচ্ছা থাকলেও শরীরটা এখনো ইংল্যান্ডের টাইম টেবিল ফলো করে চলেছে। ফলে সারা রাত না ঘুমিয়ে ঘুম থেকে উঠলাম বেলা একটায়। সূর্যোদয় দেখার যে ক্ষীণ একটা আশা ছিল মনে সেটা মাঝ আকাশে গিয়ে ঠেকেছে ততক্ষণে। তীব্র এই দাবদাহে বাইরে বের হবার কোন মানে হয় না তাই ঘরেই বসে থেকে বন্ধুদের একে একে ফোন দিলাম। বেশির ভাগকেই পাওয়া গেল না। সব্বাই নিজ নিজ কর্মস্থলে ব্যস্ত। রাসেল দেখলাম সিরাজগঞ্জেই আছে। সে সম্প্রতি বিয়ে করেছে সুতরাং বিগত দিনগুলোর মতো সময়-অসময় না মানার সময় ফুরিয়েছে। ক্ষীণ একটু ঈর্ষার স্রোত যেন বয়ে গেল। বন্ধুতার চেয়েও তীব্র কিছু বন্ধুকে অধিকার করে নিয়েছে। রনিকেও পেলাম সিরাজগঞ্জেই। আজকাল সে অর্থনৈতিকভাবে ভিসন স্বচ্ছল। ইতমধ্যেই আস্ত একটা গাড়ির মালিক নাকি হয়ে গেছে সে। বাড়ি এবং নারীও নিশ্চয় বেশি দূরে নেই, সুখেই আছে ... থাকুক নাহয় সুখে।
দেশে আইলাম
ফ্লাইট ছিল দুপুর সোয়া দুইটাই। বেলা এগারোটায় চারটা কর্নফ্লেক্স মুখে দিয়া এয়ারপোর্টে দৌড় দেওয়ার প্রাক্কালে খিয়াল হইল ব্যাগের ওজন বেশি হইতে পারে। চাচাতরে ঘুম হইতে তুলে কানমলা দিয়া সাথে নিয়া গেলাম। এয়ারপোর্টে লাগেজ মাপতে গিয়া দেখি যা ভাবছিলাম তাই, ওজন মোটামুটি আট কেজি বেশি হয়। কাউন্টারে বসা ভদ্রলোক কেলায়িত দন্তে এবং লোলায়িত নেত্রে জানান দিল দুইশত পাউন্ড অতিরিক্ত দিলে অতিরিক্ত ঐই ওজন পরিবহনে তার কোন সমস্যা নাই। আমি জানান দিলাম আমার সমস্যা আছে। সাইডে গিয়া ব্যাগ খুলতেই চাচাতর বদনে সূর্যোদয়। যাবতীয় চকলেটের সমুদয় প্যাকেট পকেটস্থ করে সে গান ধরল, এক ব্যাগ চকলেট নিয়ে ভাইয়া তুমি কেন একা বয়ে বেড়াও ... আমায় যদি তুমি ভাইয়া ভাব কিছু চকলেট আমায় দাও ...। মনটা ব্যাজার হইলেও মুখটা মলিন হইতে দিলাম না। চকলেটের অর্ধেকটা এয়ারপোর্টে শেষ করে দিয়ে এসছি।
এক্সট্রা ম্যারাইটাল এফেয়ার্স

হিন্দী সিনেমার কাহিনীকারদের জন্য এক্সট্রা ম্যরাইটাল অ্যাফেয়ার এখন সবচেয়ে সহজ লভ্য উপজীব্য বিষয়। গত কয়েক বছর ধরে নানা ছবিতে বেশ তড়িৎকর্মা হিরোদের অভিনয়ে সেই বিবাহ বহির্ভুত প্রেম , মিলন , সঙ্গম বারংবার উঠে এসেছে। এই মুহূর্তে কয়কেটি মুভি যেমন মাস্তি , নো এন্ট্রি, হাই বেবী এগুলোর কথা মনে আসছে। প্রায় ক্ষেত্রে দেখা যাবে কযেকজন হিরো থাকবে। তাদের সুন্দরী স্ত্রীও থাকবে অনেকক্ষেত্রে এবং সেই হিরোগুলোর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্ম হচ্ছে সুন্দরী মিস কিংবা মিজ কিংবা বিধবা যাই হোক মোট কথা পরস্ত্রী পটিয়ে তাদের সাথে আনন্দ ফুর্তি এবং শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন।
অধরের স্বাদ ভুলে গেছি
অধরের স্বাদ ভুলে গেছি,
জেলখানার কয়েদি জানালার ফাঁকে দেখে
একফালি খোলা আকাশ
তোমার ছবি দু'চোখের আয়না থেকে বুকে নামে যেই
কি যে ভয়ংকর গুরু গুরু প্রকাশ!
এই বুঝি মেঘ নামলো -
এটা মুছি, সেটা গুঁজি
তারপর বুঝে যাই
অধরের স্বাদ ভুলে গেছি।
টুনটুনির চঞ্চলতায় ধরেছিলাম তোমার আঙ্গুল,
সে হাতেই খুঁজে এনেছো তুমি
স্থিরতার আশ্চর্য পরিবেশ অনুকূল;
এখনো স্মৃতির কাছে যতবার যাই
আমার কপালে তোমার শেষ চুম্বন
কি করে এই মুখে করি গুঞ্জন
তোমার স্বাদ ভুলে গেছি, ছাই!
শুভ নববর্ষ
স্কুলে পড়তাম সময় বছরের প্রথম দিনে একটা কমন বকা খাইতাম। “বছরের প্রথম দিন একটু বই-খাতার ধারে কাছে গেলি না, সারাটা বছর এই করিস” ইত্যাদি। এই বকাটা অবশ্য ইংরেজি বছরের প্রথম দিনের বকা। আমি পড়া-লেখা করেছি বাংলা মাধ্যমের স্কুলে। তাই ইংরেজি বছরের প্রথম দিনে বই-খাতা, স্কুল, পড়া, টিচার কিছুই তেমন থাকতো না। তারপরও এই বকাটা সব সময় শুনতে হতো।
বছরের প্রথম দিনে যা করা হয় তাই যে আমরা সারা বছর ধরে করি তা তো না। তবে প্রায়ই এমন কথা বলতে শোনা যায়। আজকে সকালে ঘুম থেকে উঠে আমার মনে পড়লো ছোটবেলার বকাটা। তাই ভাবলাম আজকের দিনে এমন কি করা যায় যা আমি সারা বছর করতে চাই। তেমন কিছুই পেলাম না খুঁজে। তারপর মনে হলো “এবি” -তে পোষ্ট দেয়া যায়। এইটাই সবচে ভাল কাজ হবে বছরের প্রতিটা দিন করার জন্য।
পহেলা বৈশাখ'১৪১৮
কাল অনেক কষ্ট করে বাসায় আসতে হয়েছে।ভাইয়াকে বলেছি আমার জন্য চারটার টিকিট দিতে উনি তা না করে সাড়ে চারটার টিকিট দিয়েছে।অবশ্য এই সমস্যা উনার নতুন না।বরাবরই উনি একই কাজ করেন ঈদ বা অন্য কোন ছুটির সময় এটা করবেই। অবশ্য সাড়ে চারটার টিকিট পাওয়াতে আমার লাভই হয়ছে।অফিসের কাজ গুলো গুছায় আসতে পেরেছি।যথারীতি আজ এবং আগামীকাল কে ওভারটাইম করবে তা ঠিক করার জন্য সালিশ মিটিং করা লাগছে। আর ছুটিছাটা আসলে লোকজনেরও অসুখ মনে হয় বেড়ে যায়, সাথে ডিপোম্যানেজার গুলার কান্নাকাটি আর মোসলেম স্যারের দৌড়ঝাপ।এই সিপ্রোসিন কেন নাই, কুমিল্লা ডিপো নীল করে বসে আসে, সিলেটে আজ জিম্যাক্স পাঠানোই লাগবে। ময়মনসিং থেকে দেলোয়ার ভাই গাড়ি পাঠাচ্ছে তাকে বি-৫০ ফোর্ট পাঠানোই লাগবে। এই লোকটা সারাজীবন বি-৫০ ফোর্টের জন্য কান্নাকাটি করে গেলো। ময়মনসিংহের লোকজনের কি আসলেই ভিটামিনের অভাব??
শুভ নববর্ষ এবং -----------কৈশোরের প্রথম অপরাধ
শুভ নববর্ষ।
এখন আমার এমন সময় নববর্ষ মানে হিসেব করা। গত বছর কি কি করেছি । কিসে সফল হলাম বা কিসে ব্যর্থ। খুব আঁতেলএর মত হয়ে গেল কথাটা । নব বর্ষ এলেই ব্যাস্ততা বেড়ে যায় । কী ভাবে সাজাব বরনোৎসবকে? গতবারে কি ছিল, এবারে কি হবে, কোনটা নতুন আংগীকে আসবে, আর কোনটা গতানুগতিক হলেই চলবে। তবে যাই করি, যাই হোক সেটাতেই সবাই মেতে উঠে । যেন সবাই মনে রাখে আজ শুধু হাসবার, সাজবার, আনন্দ করবার। দূরে যাক বেদনা,ভয়, উৎকন্ঠা।
রং এর বৈশাখ
বৈশাখ বলতেই স্মুতির ভেলায় চড়ে মন ছুটে যায় ব্রম্মপুত্র নদীর পাড়ের হাতিরদিয়া বাজারের বৈশাখের মেলায়। শুকনো নদী, দুই পাড়ে গাছপালায় ঘেরা শান্ত স্নিগ্ধ গ্রাম। একপারে নদীর কোল ঘেঁষে বিশাল এক বাজার। সারাটা চৈত্র মাস টান টান উত্তেজনায় কাটতো আমাদের দিন । কবে আসবে পহেলা বৈশাখ! চৈত্র সংক্রান্তিতে সারাদিন- রাত জুড়ে সে কি আনন্দ!
টেস্ট পোস্ট
টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পোস্ট টেস্ট পো
মগের মুল্লুকে আমি যখন ছাত্রলীগের ক্যাডার
আমি যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করি, সেই জগৎটাকে আমি বলি মগের মুল্লুক। এখানে নিয়ম-নীতির কোনো বালাই নেই। অনিয়ম-অনৈতিকতার এ রাজ্যে কেউ নীতি দেখাতে গেলে তাকে স্রেফ গাধা বলা হয়। মগের মুল্লুকের শত বৈশিষ্ট্যের একটামাত্র বলি। এই ২০১১ সালে এসেও এখানকার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় নকল করে। বাধা দিতে গেলে শিক্ষকরা লাঞ্ছিত হন। মারও খান।
তো, একদিন পরীক্ষার হলের একটি ঘটনা বলার জন্যই এই পোস্ট।
আমার যাদুমনি (৮)
সেদিন বলছিলাম, কিভাবে হঠাৎ করেই একগাদা ভালো বন্ধু পেয়েছি আমি।
এই শুনে ঋহান আগে ভাগেই জানিয়ে দিয়েছেন যে উনিও নাকি উনার মায়ের মত একসাথে একগাদা বন্ধু পেতে চান। তো আমাদের ঋহান সেদিন সেইসব বন্ধু’র উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ন ভাষন(!) দেয়ার জন্য সবাই’কে ডেকে পাঠালেন পাবলিক লাইব্রেরিতে।
অনেকেই এলো। ঋহানও ঠিক ৫টা বাজার ৫মিনিট আগে উপস্থিত। কিন্তু উপস্থিত হওয়ার সাথে সাথে যেমনে সবাই তারে নিয়া কাড়াকাড়ি আর ডলাডলি শুরু করলো, বেচারা! 
তো সেইসব কাড়া-কাড়ি, ডলা-ডলি, হাসি-ঠাট্টা, খাওতা-খাওই মিলিয়ে বিকেলটা বেশ ভালোই কেটেছিলো। অনেকে আবার ঋহানের ভাষন শুনে খুশি হয়ে ঋহানকে ফুলের মালার পরিবর্তে সুন্দর সুন্দর জামা-কাপড় আর ভালোবাসা উপহার দিয়েছেন। ঋহানও সব মিলিয়ে খুব খুশি। 
ওয়াজ
সেইসব মানুষকে আমার একদম অপছন্দ যারা আট টাকার টিকেট কেটে বাসে উঠে মনে করে বাসটা তাদের বাপ দাদার সম্পত্তি, ফার্মগেট থেকে মতিঝিল যাওয়ার পথে এমন একজন শেয়ার মালিক উঠলেন বাসে, সন্ধ্যায় বাড়ী ফেরার তাড়ায় থাকা উগ্র মানুষ, তাদের যেকোনো ভাবেই সামনে এগিয়ে যাওয়ার লড়াই, সিগন্যাল, জ্যাম আর বিশ্রী গরম, সব মিলিয়ে বাসের সীটে অসস্তিকর বসে থাকা সময়টাতে দেখলাম একজন স্টপেজ ছাড়াই নামতে চাচ্ছেন গাড়ী থেকে, ড্রাইভারের সাথে ঝগড়া করছেন, সবুজ বাতি হলুদ হয়ে লাল হয়ে যাচ্ছে কিন্তু তার হুমকি কমছে না। অবশেষে তিনি নামলেন, আমরাও রওনা দিতে পারলাম।
ইচ্ছে করে একটা বন্দুক নিয়ে বেরিয়ে পড়তে
এই পোস্টটার কোনো ট্যাগ নেই। মনোভাব নামে কোনো ট্যাগ থাকলে, সেটা ব্যবহার করতাম। চলমান বিভিন্ন ঘটনা দেখে আমার এক প্রকার মনোভাব তৈরী হয়েছে। সেটা প্রকাশের জন্য এই পোস্ট।