ইউজার লগইন
ব্লগ
চোখ আর দৃষ্টি বিষয়ক কিছু স্বগতঃ সংলাপ...
এক.
শারফুর সাথে একদিন....
ওমরায় যাব বলে অনেক আগে থেকেই চিন্তা ভাবনা করে রেখেছি। তবে তারিখটা কি হবে সেটা ঠিক করা হয়নি। আমাদের কম্পানির কয়েকজন কলিগ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম একটা রেন্ট কার নিয়ে মক্কা ও মদীনা ওমরা ও রওযা জিয়ারত করে আসবো। কিন্তু পাকা পুক্ত কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি কেউ ই।
উদ্দেশ্যহীন, শান্তিময় জীবন...
এই জীবনে লেখাপড়া করছি মাত্র কয়েক ক্লাস। বড় ভাই ১০ ক্লাস পড়ার পর হঠাৎ করে ঘোষনা দিলেন, তিনি আর ১১ ক্লাসে ভর্তি হবেন না। টেকনিকেলে পড়বেন। কী আর করা। বাবা মনের দুঃখ মনে চেপে ভাইয়াকে ভর্তি করে দিলেন টেকনিকেলে। তারপর বড়াপা। আমরা পিঠাপিঠি না হলেও পড়তাম এক ক্লাসে। ১২ ক্লাস পাশ করার পর বড়াপার বিয়ে হয়ে গেল। এবারো বাবা মনে কষ্ট পেলেন।
শেষ রাতের শেষ অন্ধকারের কিছু স্মৃতি... পর্ব দুই
ভূমিকাঃ ভোর হয়েছে বেশ আগেই। গাছের পাতা কালো থেকে সবুজে রুপ নিয়েছে। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি আমাকে আনন্দ দেয়না; যেমন দিচ্ছেনা এখন। বৃষ্টির ফোঁটাগুলো আপ্রান চেষ্ঠা চালাচ্ছে গাছের পাতার সাথে মিশে যেতে। কিছুক্ষন চষে বেড়িয়েই গড়িয়ে পড়ে, মাঝে মাঝে দু’এক ফোটা প্রান-পণে লেপ্টে ধরে আছে গাছের পাতার সাথে, অনেকটা যোকের মত। যেনো বৃষ্টির ফোঁটার প্রার্থনা পাতার মাঝেই বসত গড়া। গাছের পাতার সাথে লেপ্টে থাকা বৃষ্টির ফোঁ
কে?
১.
"পিং পং, পিং পং!"
রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে দরজা খোলার জন্য হাঁটা শুরু করা মাত্র লায়লা বুঝে ফেলে ওটা আসলে কলিংবেলের শব্দ না। বিস্ময়করই বটে। পাঁচ বছরের বাচ্চা মেয়েটি তার, নিঝুম। খেলার ছলে কিভাবে যেন আয়ত্ত করে ফেলেছে, অবিকল কলিংবেলের মতো শব্দ করতে পারে। তারপর শুরু হয় তার কথার বন্যা।
"কে? কে?"
ওপাশের কথা আর কেউ শোনেনা, শুধু নিঝুম শুনতে পায়।
আবারো রং
হুদাই কিছু আঁকাআঁকির চেষ্টা চরিত্র করলাম আবারো, সাথে কিছু পুরানা স্কেচ মার্কা ছবি আর আমার খেলনা খেলনা গ্লাস পেইন্টিং প্র্যাকটিস। য়াযাদ ভাই বলেছেন বড়ো হইয়া আটিস হবো, এই ভরসায় আঁকাআঁকি শিখুম ভাবতেসি, নাহয় আমার বয়স তিরিশই হইলো... এই বয়েসে শিখলে মাইর তো আর দিতাসে না কেউ... আর ভাগ্যিস ছবি আঁকলে প্রতিবেশীরা শুনতে বা দেখতে পায়না, তাই আমার জানালা পঁচা ডিমের হাত থাইকাও বাঁইচা যায়। আর তাছাড়া এই অ্যাডে'র সাগর পাড়ের দাঁড়ানো শিল্পী'র চে ভালো আঁকতে পারি এইটা আবিষ্কার কইরাই আমি মোটামুটি আমোদে আছি।
আমরা পরিত্রান চাই
গতকাল ঢাকায় বৃষ্টি হয়েছিলো
আমার নাডামির এইকাল-সেইকাল মানে বদকাল !!!
এখনকার খালের কাহানিঃ
একখানা মঞ্চায় মূলক পোস্ট!!
ইয়া হাবিবি হাবিবি হাবিবি...
বিবি সাব'রে হা করতে কইলাম আর্কি!! যদিও কবি এইখানে বিবি বলতে বউকে বুঝাইতে চায় নাই কিন্তু!!! মাইনে সহজ কইরা বললে, শিশুদের জন্য হ্যাঁ বলুন আর্কি!!
যাউক্গা.. আসল কথায় আসি। রোযা- রমযানের দিন, সিয়াম সাধনার সময়। কিন্তু, তাই বলে আড্ডাবাজিকে ভুইলা গেলে কেমনে হবে??
আত্মহত্যা বিষয়ে যে সকল কথা আমার জানা ছিলো (পাঁচ)
টুটুল ভাইয়ের বাসায় সাত্তার সাহেবের স্ত্রী'র ভুত ঘোরাফেরা করে বইলা যেই আবু সন্ধ্যার পর হইলেই উশখুশ করতো বাড়ি ফেরার তাড়ায়, সেই আবু প্রেম করলো তার চাইতে দুই বছরের বড়ো প্রাপ্তি আপার সাথে। সময়ের পার্থক্যটা মাত্র বছর পচিশেকের হইলেও সেই আমলে এইরম সামাজিক মূল্যবোধের ব্যত্যয়ে সম্পর্ক খুব একটা হইতো না। হইলেও সেইটারে সামাজিক বিধিমালা ভঙ্গের দায়ে দুষ্ট হইতে হইতো। আর এর শাস্তির বিধান কি হইতে পারতো তা অনুমেয় না
সম্ভ্রম বনাম স্ববিরোধীতার আয়নায় মুখোশের আড়ালে মুখ : প্রসঙ্গ : প্রভা !
বলা হয়ে থাকে-- মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব । মানুষের হৃদয়ভর্তি ভালোবাসা আবার ঘৃণাও । মানুষ প্রেমান্ধ আবার কামান্ধও;--এইসবই জানা কথা । মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব-- তবে, যা বলা হয়না তা হলো, মানুষ সৃষ্টির সেরা ভন্ড জীবও !
স্বজাতি কুকুর ও সেই সব যুদ্ধবন্দী
‘একাত্তরের সংকটের জন্য কিছু লোক সেনাবাহিনীকে দায়ী করেছে, আবার কেউ কেউ দায়ী করছে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে। বাংলাদেশের অনেক রাজনৈতিক নেতাও আমাদের সঙ্গে ছিলেন। এমনকি বাংলাদেশের মানুষ এখনো বিশ্বাস করে যে আমরা সঠিক ছিলাম। গোলাম আজম সাহেবসহ সাধারণ মানুষ এখনো মনে করেন না আমরা ভুল করেছি।’
শুভজন্মদিন টুটুল <:-p <:-p <:-p <:-p
গতকাল একজায়গায় দেখলাম তানবীরা আপু লিখছে যে, আজ টুটুলের জন্মদিন। সাথে সাথে ফেসবুকে টুটুলের প্রোফাইলে গেলাম, সেখানে জন্মতারিখ দেয়া নাই। মেসেন্জারে জিজ্ঞেস করলাম টুটুলকে। সে একটা মাথা ঘুরানির ইমো দিলো, বললো “কে বলছে ? না তো?
হারানো লাটিম, হারানো লেত্তি, হারানো সময়ের কাতর গল্প
লাটিমের পেটে লেত্তিটা পেঁচিয়ে তর্জনী আর বুড়ো আঙুলের মাঝে সবুজ-লালে মসৃন আঁকা লাটিমটা চেপে ধরে যখন 'হুপপপস' বলে সামনের মাটিতে দাগানো গোল চক্করে ছুড়ে মারলো আবেদ, তখনো বোঝেনি শুক্কুরের চালটা।
অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী -৩
অনেকদিন ধরে কিছু লেখছিলাম না। লেখার কথা মাথাতেও আনছিলাম না। ছবি আঁকাতে বেশ আগ্রহ পাচ্ছিলাম, তবে শেষ পর্যন্ত এই দুদিনের শখের যে কিছু হবে না, সেটা নিশ্চিত। এখন পর্যন্ত আঁকা মাত্র একটা ছবি কল্পনা থেকে আঁকা, বাকি সবই অন্য কারো ছবি দেখে আঁকা। তারপরেও কিছুক্ষণ পেন্সিল-রাবারে ঘষাঘষি করাতে কিছু একটা দাঁড়িয়ে যাচ্ছে - ভাবতে ভাল লাগছে।
