ইউজার লগইন
ব্লগ
স্টোনিং অব সুরাইয়া এম
ভার্টিগো সমস্যার কারণে গত তিন দিন দিনের বেলা বাসায় থাকতে হয়েছে। কিন্তু একটানা টিভি দেখা যায় না এবং বিদ্যুৎ থাকে না বলে কোনো মুভিই টানা দেখতে পারি না। তার উপর আছে ছেলে মেয়ের কাটুর্্ন দেখার আবদার। তবুও এরই মধ্যে দুটি মুভি শেষ করলাম। অর্ধেক দেখা অবস্থায় দুটি ছবি নিয়েই পোস্ট দিয়েছিলাম। কিন্তু মুভি দুটি শেষ করার পর আবার নতুন করে কিছু লিখতে খুব মন চাইছে। বিশেষ করে গতকাল রাতে স্টোনিং অব সুরাইয়া এম দেখার
বিলাতের দিনরাত্রি...১
বিলাত চলে আসার সিদ্ধান্তটা বড়ো আচমকা ছিলো, নিজের সাথে আড়াইটে বছর অন এন্ড অফ যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা খেলছিলাম... তারপরে হঠাৎ করে মনে হলো... বাহ! বেশ ক্লান্ত লাগছে তো। একবার এই কথা মনে হলো তো আর যায় কোথা... দিনরাত মনে হতে লাগলো। তিন বছরের
চাকরি জীবনে যতোদূর সম্বল ছিলো একাট্টা করে চলে এলাম এই দেশে। বাপ-মাকে ম্যানেজ করতে গিয়ে অবশ্য তেরোটা বেজেছিলো। এর মাঝখানে নিশীথ সূর্যের দেশে একটা চাকরী'র অফার পেয়ে গেলাম... কিন্তু নিজের আবেগের লাগাম তখনো নিজের হাতে ছিলোনা, তাই সাহস করে উঠতে পারিনি... যাই হোক বিলাতের দশটা মাসের জীবন নিয়ে লিখার ইচ্ছে ছিলো অনেক, আর তাই এই সিরিজ।
ছবি: গ্রীনিচ সানডে মার্কেট

রবীন্দ্রনাথের রচনা নিয়ে গবেষণা
রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে কিছুদিন ধরে গবেষণা করছিলাম। গবেষণা করে দেখলাম রবি বাবু যে আমাদের জীবন যাপনের কথা ভেবে এত আগেই গান রচনা করে গেছে, তা কে জানতো ?
রবিন্দ্রনাথের রচনা বিশেষ করে গানের প্রাসঙ্গিক ব্যবহার যুগ যুগ ধরে হয়ে এসেছে প্রেমের ক্ষেত্রে, ছ্যাকামাইছিন খাইলে, নাটকে কিন্তু আসলে তিনি গান লিখেছেন অন্য কারণে, সেটা কেউ ধরতে পারে নাই আমার আগে, গবেষণা করে সেটাই পেলাম।
যেমনঃ
খোলা চিঠি.....
শুরুর কথাঃ এই লেখাটা একটি চিঠির অংশ বিশেষ,কোন প্রিয় কাউকে লেখা। কিন্তু এর মূল অংশটা আমি সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দিলাম......
________________________________________________________________________________
হোয়াট হ্যাপেনস ইন ভেগাস...( শেষ পর্ব)
পবিত্র রমজান মাস চলে আসতেছে। ভেগাস নিয়া পোস্টে দিতে দেরী করলে পরবর্তীতে রমজানের পবিত্রতা বিনষ্ট করার অপরাধে আমার ফাঁসির দাবী আসতে পারে। তাই হাজার ঝামেলার মধ্যেও শেষ পর্বটা নামিয়ে ফেললাম। তাড়াহুড়া করে লেখা, ছবি পোস্টানো, ভুল-ত্রুটি মার্জনীয় 
শিক্ষার্থীরা আর মার খাবেনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।
সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব সৈয়দ আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রের নির্দেশে এমনই বলা হয় যে দেশের সকল সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোনরূপ শারীরিক শাস্তি প্রদান করা যাবে না।
একজন সফল অথবা বিফল নারীর গল্প (দ্বিতীয় অংশ)
আমি কেবলি্ স্বপন ও করেছি বপণ ও আকাশে...গানটা শুনছে রুবাই,বাবুকে বুকের ভেতর নিয়ে ঘুম পাড়াছ্ছে..।দেখতে দেখতে ১২ বছর হয়ে গেল সংসার এর ...ইউনিভাসিটিতে পড়ার সময় প্রেম করে বিয়ে করেছে ওরা...বিয়ের পরপর ই বড় মেয়ে পেটে আসে রুবাইর...সে আরেক যুধ্দ কিছুতেই বাচ্চা নিবে না তানভির...রুবাই মনে মনে সিদ্ধান্ত নেয় যে এসেছে যে কোন কিছুর বিনিময়ে তাকে পৃথিবীতে আনবে রুবাই।খুব আজব হলেও সত্য যখন রুবাই জানতনা ও মা হতে চলেছে
নৌকা বাইচ...
বহুদিন ধরে কিছু লেখালেখি করতে পারতেছি না বিবিধ ঝামেলায়।
তারপরও সবার সাথে জুড়ে থাকার একটা প্রবণতা কাজ করে সবসময়ই,
সেজন্যই রিসেন্টলি তোলা কিছু ছবি নিয়ে যন্ত্রণা দিতে হাজির হয়া গেসি...
কী পড়ছি, কী দেখছি, কী শুনছি আর কী বলছি
কী পড়ছি:
বই পড়ার ধরণ ক্রমাগত বদলে যাচ্ছে। উপন্যাস এখন আর পড়তে ভাল লাগে না। অথচ এক বয়সে ঢাউস ঢাউস উপন্যাস চোখের সামনে নিয়ে বসেই থাকতাম। সমীর রক্ষিতের দেশ বিভাগ নিয়ে লেখা বিশাল উপন্যাস স্বপ্নের স্বাধীনতার কয়েক পৃষ্ঠা পড়ার পর আবার বুক সেল্ফে রেখে দিলাম। এখন উপন্যাস ছাড়া আর সব কিছুতেই কম বেশি আগ্রহ পাচ্ছি।
ঘুরে ফিরে নিশীথ সূর্যের দেশে... ১
অনেক পুরনো ডায়েরী আর ব্লগ ঘেঁটে, তার সাথে স্মৃতির জোড়াতালিতে নূতন করে আবার লিখছি নিশীথ সূর্যের দেশে ঘুরে আসবার কাহিনী।
(কিছু ছবি অন্যদের ক্যামেরা থেকে চুরি করা.. আশা করি তারা জীবনেও আমার এই ব্লগ পড়ে আমাকে পিটুনি লাগাবে না)
.......................................................................................................................................
পেচ্ছাপেছি
দিন কিন্তু অনেকদিন আগেই বদলাইছে... ফোনাফুনি বাদ্দিয়া এখন নেটানেটি। কথাকথি সব নেটানেটিতেই :)।
অরিত্র ভাইয়ের সাথে নেট এ কথা হচ্ছিল। এই সেই কথায় সে জাইলো সে দুইটা ছোট্ট জ্ঞানী বিষয় নিয়ে ব্লগে কপচা কপচি করার ইচ্ছা প্রকাশ করছে। ভাল লাগলো। আমরাও একটু জ্ঞানি হইতে চাই। ভালো মন্দ পড়তে চাই... লিখতে না পাড়ি অন্তত শিখতে চাই :)। সে আজ একটা অনুবাদ দিয়েছে আগামীকাল অন্য একটা দেবে বলে জানালো... ঘটনা এইটা না
একটা ছোট্ট অনুবাদ
অনেক দিন ব্লগে আসা হয়নি। কিছু লেখার ও পাচ্ছিলাম না। মাঝে মাঝে উঁকি দিয়ে যাই প্রিয় বন্ধুরা কেমন আছে জানতে। একটা চেইন মেইল পড়লাম। অনুবাদ করে আপনাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট আকারে দিলাম। ভালো মন্দ সবই আপনাদের বিবেচনা।
মানুষের সৌজন্যতাবোধ !
বিষ্যুদবার সকাল ১১ টার দিকে বাসা থেকে ফোন এল। সাধারণত বাসা থেকে ফোন করলে লাইন কেটে কল ব্যাক করি। কখনো সখনো কল করতে ভুলে যাই। ক্যানো জানি সেদিন কল রিসিভ করে ফেল্লাম। ওপাশে একাধিক মানুষের চিৎকার শুনতে পেলাম। কয়েক সেকেন্ড লেগে গেল বুঝতে ! ওপাশ থেকে চিৎকার করে বলছে, বাবু খাট থেকে পড়ে গেছে।
ততধিক চিৎকার করে আমি জানতে চাইলাম, বাবু এখন কোথায় ?
বাসায়...। আমি আসছি... বলে লাইন কেটে দিলাম।
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (নবম কিস্তি)
সে আসলে কি বোঝাতে চেয়েছিলো, সেটা বলা দুষ্কর; তবে এটা নিশ্চিত যে সে অপাংক্তেয় আগাছার মতোন কষ্টকর অহেতুকতা বা অহেতুক কষ্টজীবীতার কথা বলতে চায়নি, সে বরং একটা অষ্পষ্ট প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত দিতে চেয়ে থাকতে পারে, জীবনের ধারাবাহিকতা নিয়ে, যখন সব শেষ বলে ধরে নেয়া হয় তখনো জীবন অনর্থক আর দুঃখের রেশে মাখামাখি থাকে। যদিও সে যা বলতে চায়নি তা বলে ফেলেছিলো, কিন্তু তার কথার প্রতিক্রিয়া রীতিমতো সাড়া ফেলে দিলো; মা আর্দ্
