ইউজার লগইন
ব্লগ
আত্মহত্যা বিষয়ে যে সকল কথা আমার জানা ছিলো (এক)
আমার পরিচিত কেউ কখনো আত্মহত্যা করে নাই।
কঠিন ভালবাসা নাকি অন্য কিছু!
চিপাগল্লি দিয়ে বের হতেই মহল্লা'র বড় রাস্তা। আমাদের মহল্লার মাসুম মামাকে দেখি করিম ভাইয়ের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে সিগারেট টানছেন। আমি এগিয়ে যাই। অনেক দিন পর মামার সাথে দেখা। উনি অবশ্য আমার আপন মামা না। মহল্লার সবাই ওনাকে মামা ডাকেন আমিও ডাকি। তবে আমার সাথে ওনার মতের মিল একটু বেশী। আমরা নানা মতে প্রায় এক মত থাকি। মহল্লার নানা বিষয়ে মামার পাশে পাশে আমি থাকি। এই আর কি।
একটি গল্পের বিজ্ঞাপন : না পড়লেই ভাল, ঝামেলা কম
বিদ্যুত না থাকিবার ফজিলত সমূহঃ
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (একাদশ কিস্তি)
স্কুলে যাবার আগেই জেরোমিল পড়তে আর লিখতে শিখেছিলো, আর তাই মা তাকে সরাসরি দ্বিতীয় গ্রেডে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেয়; মন্ত্রণালয় থেকে এজন্য বিশেষ অনুমতিও বের করে ফেলে, বিশেষ ব্যবস্থায় স্কুল কমিটির সামনে দেয়া পরীক্ষায় পাশের পর জেরোমিল তার চেয়ে এক বছরের বড় ছাত্রদের সাথে ভর্তি হওয়ার অনুমতি পেয়ে যায়। সবাই তার মেধার প্রশংসা করতে থাকায় তার কাছে ক্লাসরুমটাকে পরিবারেরই একটা বর্ধিত অংশ মনে হতে থাকে। মা দিবসে স
একটি অন্ধ বালকের গল্প
অন্ধ এই বালকটি অভাবের তাড়নায় একটি হার্ডবোর্ডে “আমি অন্ধ, আমাকে সাহায্য করুন” লিখে সাহায্যের আশায় মাথার হ্যাট পেতে পথের ধারে বসে ছিল। কিন্তু পথচারীর সহায়তার হাত খুলছিল না... দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় মাত্র অল্প কিছু পয়সা সে সংগ্রহ করতে পারে।
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (দশম কিস্তি)
ঠিক জন্মবার্ষিকীর আগের দিন তাকে দিদার ঘরে শুতে পাঠিয়ে দিয়ে বাবা আর মা মিলে তার নতুন ঘরের আসবাব আর দেয়াল সাজালো। পরেরদিন সকালে যখন তারা ছেলেকে নিয়ে নতুন সাজানো ঘরে এলো, মা খানিকটা উদ্বিগ্ন বোধ করছিলো, কিন্তু জেরোমিল মায়ের অস্থিরতা দূর করতে কোনোরকম কিছু করলো না; সে হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো ঘরের মাঝখানে; তার দৃষ্টি আকর্ষণ করলো (যদিও তাকে আড়ষ্ট মনে হচ্ছিলো) কাঠের ছোট্ট ডেস্কটা; পুরনো আমলের এই ফার্নিচার
স্টোনিং অব সুরাইয়া এম
ভার্টিগো সমস্যার কারণে গত তিন দিন দিনের বেলা বাসায় থাকতে হয়েছে। কিন্তু একটানা টিভি দেখা যায় না এবং বিদ্যুৎ থাকে না বলে কোনো মুভিই টানা দেখতে পারি না। তার উপর আছে ছেলে মেয়ের কাটুর্্ন দেখার আবদার। তবুও এরই মধ্যে দুটি মুভি শেষ করলাম। অর্ধেক দেখা অবস্থায় দুটি ছবি নিয়েই পোস্ট দিয়েছিলাম। কিন্তু মুভি দুটি শেষ করার পর আবার নতুন করে কিছু লিখতে খুব মন চাইছে। বিশেষ করে গতকাল রাতে স্টোনিং অব সুরাইয়া এম দেখার
বিলাতের দিনরাত্রি...১
বিলাত চলে আসার সিদ্ধান্তটা বড়ো আচমকা ছিলো, নিজের সাথে আড়াইটে বছর অন এন্ড অফ যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা খেলছিলাম... তারপরে হঠাৎ করে মনে হলো... বাহ! বেশ ক্লান্ত লাগছে তো। একবার এই কথা মনে হলো তো আর যায় কোথা... দিনরাত মনে হতে লাগলো। তিন বছরের
চাকরি জীবনে যতোদূর সম্বল ছিলো একাট্টা করে চলে এলাম এই দেশে। বাপ-মাকে ম্যানেজ করতে গিয়ে অবশ্য তেরোটা বেজেছিলো। এর মাঝখানে নিশীথ সূর্যের দেশে একটা চাকরী'র অফার পেয়ে গেলাম... কিন্তু নিজের আবেগের লাগাম তখনো নিজের হাতে ছিলোনা, তাই সাহস করে উঠতে পারিনি... যাই হোক বিলাতের দশটা মাসের জীবন নিয়ে লিখার ইচ্ছে ছিলো অনেক, আর তাই এই সিরিজ।
ছবি: গ্রীনিচ সানডে মার্কেট

রবীন্দ্রনাথের রচনা নিয়ে গবেষণা
রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে কিছুদিন ধরে গবেষণা করছিলাম। গবেষণা করে দেখলাম রবি বাবু যে আমাদের জীবন যাপনের কথা ভেবে এত আগেই গান রচনা করে গেছে, তা কে জানতো ?
রবিন্দ্রনাথের রচনা বিশেষ করে গানের প্রাসঙ্গিক ব্যবহার যুগ যুগ ধরে হয়ে এসেছে প্রেমের ক্ষেত্রে, ছ্যাকামাইছিন খাইলে, নাটকে কিন্তু আসলে তিনি গান লিখেছেন অন্য কারণে, সেটা কেউ ধরতে পারে নাই আমার আগে, গবেষণা করে সেটাই পেলাম।
যেমনঃ
খোলা চিঠি.....
শুরুর কথাঃ এই লেখাটা একটি চিঠির অংশ বিশেষ,কোন প্রিয় কাউকে লেখা। কিন্তু এর মূল অংশটা আমি সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দিলাম......
________________________________________________________________________________
হোয়াট হ্যাপেনস ইন ভেগাস...( শেষ পর্ব)
পবিত্র রমজান মাস চলে আসতেছে। ভেগাস নিয়া পোস্টে দিতে দেরী করলে পরবর্তীতে রমজানের পবিত্রতা বিনষ্ট করার অপরাধে আমার ফাঁসির দাবী আসতে পারে। তাই হাজার ঝামেলার মধ্যেও শেষ পর্বটা নামিয়ে ফেললাম। তাড়াহুড়া করে লেখা, ছবি পোস্টানো, ভুল-ত্রুটি মার্জনীয় 
শিক্ষার্থীরা আর মার খাবেনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।
সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব সৈয়দ আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রের নির্দেশে এমনই বলা হয় যে দেশের সকল সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোনরূপ শারীরিক শাস্তি প্রদান করা যাবে না।
একজন সফল অথবা বিফল নারীর গল্প (দ্বিতীয় অংশ)
আমি কেবলি্ স্বপন ও করেছি বপণ ও আকাশে...গানটা শুনছে রুবাই,বাবুকে বুকের ভেতর নিয়ে ঘুম পাড়াছ্ছে..।দেখতে দেখতে ১২ বছর হয়ে গেল সংসার এর ...ইউনিভাসিটিতে পড়ার সময় প্রেম করে বিয়ে করেছে ওরা...বিয়ের পরপর ই বড় মেয়ে পেটে আসে রুবাইর...সে আরেক যুধ্দ কিছুতেই বাচ্চা নিবে না তানভির...রুবাই মনে মনে সিদ্ধান্ত নেয় যে এসেছে যে কোন কিছুর বিনিময়ে তাকে পৃথিবীতে আনবে রুবাই।খুব আজব হলেও সত্য যখন রুবাই জানতনা ও মা হতে চলেছে
