ইউজার লগইন
ব্লগ
হোয়াট হ্যাপেনস ইন ভেগাস...( শেষ পর্ব)
পবিত্র রমজান মাস চলে আসতেছে। ভেগাস নিয়া পোস্টে দিতে দেরী করলে পরবর্তীতে রমজানের পবিত্রতা বিনষ্ট করার অপরাধে আমার ফাঁসির দাবী আসতে পারে। তাই হাজার ঝামেলার মধ্যেও শেষ পর্বটা নামিয়ে ফেললাম। তাড়াহুড়া করে লেখা, ছবি পোস্টানো, ভুল-ত্রুটি মার্জনীয় 
শিক্ষার্থীরা আর মার খাবেনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।
সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব সৈয়দ আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রের নির্দেশে এমনই বলা হয় যে দেশের সকল সরকারী ও বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোনরূপ শারীরিক শাস্তি প্রদান করা যাবে না।
একজন সফল অথবা বিফল নারীর গল্প (দ্বিতীয় অংশ)
আমি কেবলি্ স্বপন ও করেছি বপণ ও আকাশে...গানটা শুনছে রুবাই,বাবুকে বুকের ভেতর নিয়ে ঘুম পাড়াছ্ছে..।দেখতে দেখতে ১২ বছর হয়ে গেল সংসার এর ...ইউনিভাসিটিতে পড়ার সময় প্রেম করে বিয়ে করেছে ওরা...বিয়ের পরপর ই বড় মেয়ে পেটে আসে রুবাইর...সে আরেক যুধ্দ কিছুতেই বাচ্চা নিবে না তানভির...রুবাই মনে মনে সিদ্ধান্ত নেয় যে এসেছে যে কোন কিছুর বিনিময়ে তাকে পৃথিবীতে আনবে রুবাই।খুব আজব হলেও সত্য যখন রুবাই জানতনা ও মা হতে চলেছে
নৌকা বাইচ...
বহুদিন ধরে কিছু লেখালেখি করতে পারতেছি না বিবিধ ঝামেলায়।
তারপরও সবার সাথে জুড়ে থাকার একটা প্রবণতা কাজ করে সবসময়ই,
সেজন্যই রিসেন্টলি তোলা কিছু ছবি নিয়ে যন্ত্রণা দিতে হাজির হয়া গেসি...
কী পড়ছি, কী দেখছি, কী শুনছি আর কী বলছি
কী পড়ছি:
বই পড়ার ধরণ ক্রমাগত বদলে যাচ্ছে। উপন্যাস এখন আর পড়তে ভাল লাগে না। অথচ এক বয়সে ঢাউস ঢাউস উপন্যাস চোখের সামনে নিয়ে বসেই থাকতাম। সমীর রক্ষিতের দেশ বিভাগ নিয়ে লেখা বিশাল উপন্যাস স্বপ্নের স্বাধীনতার কয়েক পৃষ্ঠা পড়ার পর আবার বুক সেল্ফে রেখে দিলাম। এখন উপন্যাস ছাড়া আর সব কিছুতেই কম বেশি আগ্রহ পাচ্ছি।
ঘুরে ফিরে নিশীথ সূর্যের দেশে... ১
অনেক পুরনো ডায়েরী আর ব্লগ ঘেঁটে, তার সাথে স্মৃতির জোড়াতালিতে নূতন করে আবার লিখছি নিশীথ সূর্যের দেশে ঘুরে আসবার কাহিনী।
(কিছু ছবি অন্যদের ক্যামেরা থেকে চুরি করা.. আশা করি তারা জীবনেও আমার এই ব্লগ পড়ে আমাকে পিটুনি লাগাবে না)
.......................................................................................................................................
পেচ্ছাপেছি
দিন কিন্তু অনেকদিন আগেই বদলাইছে... ফোনাফুনি বাদ্দিয়া এখন নেটানেটি। কথাকথি সব নেটানেটিতেই :)।
অরিত্র ভাইয়ের সাথে নেট এ কথা হচ্ছিল। এই সেই কথায় সে জাইলো সে দুইটা ছোট্ট জ্ঞানী বিষয় নিয়ে ব্লগে কপচা কপচি করার ইচ্ছা প্রকাশ করছে। ভাল লাগলো। আমরাও একটু জ্ঞানি হইতে চাই। ভালো মন্দ পড়তে চাই... লিখতে না পাড়ি অন্তত শিখতে চাই :)। সে আজ একটা অনুবাদ দিয়েছে আগামীকাল অন্য একটা দেবে বলে জানালো... ঘটনা এইটা না
একটা ছোট্ট অনুবাদ
অনেক দিন ব্লগে আসা হয়নি। কিছু লেখার ও পাচ্ছিলাম না। মাঝে মাঝে উঁকি দিয়ে যাই প্রিয় বন্ধুরা কেমন আছে জানতে। একটা চেইন মেইল পড়লাম। অনুবাদ করে আপনাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট আকারে দিলাম। ভালো মন্দ সবই আপনাদের বিবেচনা।
মানুষের সৌজন্যতাবোধ !
বিষ্যুদবার সকাল ১১ টার দিকে বাসা থেকে ফোন এল। সাধারণত বাসা থেকে ফোন করলে লাইন কেটে কল ব্যাক করি। কখনো সখনো কল করতে ভুলে যাই। ক্যানো জানি সেদিন কল রিসিভ করে ফেল্লাম। ওপাশে একাধিক মানুষের চিৎকার শুনতে পেলাম। কয়েক সেকেন্ড লেগে গেল বুঝতে ! ওপাশ থেকে চিৎকার করে বলছে, বাবু খাট থেকে পড়ে গেছে।
ততধিক চিৎকার করে আমি জানতে চাইলাম, বাবু এখন কোথায় ?
বাসায়...। আমি আসছি... বলে লাইন কেটে দিলাম।
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (নবম কিস্তি)
সে আসলে কি বোঝাতে চেয়েছিলো, সেটা বলা দুষ্কর; তবে এটা নিশ্চিত যে সে অপাংক্তেয় আগাছার মতোন কষ্টকর অহেতুকতা বা অহেতুক কষ্টজীবীতার কথা বলতে চায়নি, সে বরং একটা অষ্পষ্ট প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত দিতে চেয়ে থাকতে পারে, জীবনের ধারাবাহিকতা নিয়ে, যখন সব শেষ বলে ধরে নেয়া হয় তখনো জীবন অনর্থক আর দুঃখের রেশে মাখামাখি থাকে। যদিও সে যা বলতে চায়নি তা বলে ফেলেছিলো, কিন্তু তার কথার প্রতিক্রিয়া রীতিমতো সাড়া ফেলে দিলো; মা আর্দ্
আমরা বন্ধুর ব্যনার সমগ্র - ২
আমরা বন্ধু ব্লগ সব সময় বন্ধুদের কাছে আহ্বান জানায় চমৎকার সব ব্যানারের জন্য। এ পর্যন্ত পাঠানো বন্ধুদের ব্যানারে আমরা বন্ধুর একটা বৈশিষ্ট তৈরী হয়েছে যে, যে কোন ইভেন্টে আমরা বন্ধুর ব্যানার ইভেন্টোপযোগী। যে কেউ যে কোন বিষয়ে ব্যানার পাঠাতে পারেন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট কম এ। ব্যানাররের মাপ হচ্ছে 1000 x 150। নির্বাচক মণ্ডলীর বিবেচনায় ব্যানার সাইটে আপ করার সিন্ধান্তই চুড়ান্ত।
আজিরা দিনপঞ্জী... ১০
''তবু চাইছি তোমাকেই... তুলে নিতে অঞ্জলিতে... রোদের ফোঁটা।''
সূর্যটা অনেক দূরে, তবু কেমন করে যেন বিনা তারে তার ঊষ্ণতা এসে পৌঁছোয়... অযাচিতে খবর পাই ঐন্দ্রজালিক তার জাদুর ঝোলা নিয়ে বসে আছে অপেক্ষায়। দুরু দুরু মন কিছুতেই বিশ্বাস করতে চায়না। কিন্তু আর কোন ব্যাখ্যা-ই অংকগুলো মিলিয়ে দিতে পারেনা। এ হয়তো শেষ বেঞ্চির ছাত্রটার টেনেটুনে পাস করার মতো ব্যাপার...হয়তো এও আরেক কল্পনার বুদবুদ আমার, নিমেষে হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে কাল। তবু যতোক্ষণ সে আছে আমার মনে, তাকে আরো বেশি করে আঁকড়ে ধরি, বিষন্নতায় নীল হয়ে আসা আমার দুনিয়ায় ঝলমলে এই রংধনুকে স্বাগত জানাই চুপেচুপে... একদম নিজের ভেতরে কোথাও।
চোখের ভাষা
সখী ভাবনা কাহারে বলে
সখী যাতনা কাহারে বলে
তোমরা যে বলো দিবস রজনী, ভালোবাসা ভালোবাসা--
সখী ভালোবাসা কারে কয়?
সেকি কেবলই ছলনাময়?
ভড়কে গেলেন নাকি ভাই? না, রবি ঠাকুরের গানের আর কোনো অপ্রকাশিত ভার্শন ছিলোনা, ঐটা আমার মনের কথা কিনা, তাই ঐটুকু কাঁচি চালিয়ে দিলাম।
THESIS ON “A MONTH OF AN AVERAGE VERSITY STUDENT”
INTRODUCTION
অবশিষ্ট হাড় - ০৪ :: বর্ণ অনুচ্ছেদ
সূর্যের স্বেচ্ছাচারিতায় ভোরের নতুন নাম সকাল
মেঘসংক্রান্ত আড়াল সত্ত্বেও কমতি নেই উষ্ণতার আভিজাত্যের
একপেশে সুখকে আটকে রাখা দশ-বারোর এই ঘর
বাথরুম-বারান্দায় চেনা সমীকরণ
চিরচেনা ফেরিঅলাদের আনাগোনা বাড়তে বাড়তে
তেতে ওঠে গনগনে রোদ
তখন তার নাম হয় দুপুর;
বিপ্লবের ঘনিষ্টতম অধ্যায়সমূহ আজও শিরোনামহীন
ভান করে বাঁচা বিপ্লবীরা প্রত্যেকেই ধূমপায়ী
উনারা বিপ্লব জ্বালিয়ে ধোঁয়া নেন,
