ইউজার লগইন
ব্লগ
ঘুরে ফিরে নিশীথ সূর্যের দেশে... ২
আমাদের থাকার ব্যবস্থা হয়েছিলো অসলো রয়্যাল প্যালেসের ঠিক পাশেই, বেশ পশ জায়গা... অবশ্য হোটেলটা ঠিক সেই অর্থে রাজকীয় সুলভ কিছুনা, তবে নেহায়েত মন্দও না। আমি, মৌসুম আর মাল্লিকা এই তিন মহিলা এক ঘরে। অফিস করি রোজ পাঁচটা-ছ'টা পর্যন্ত... এরপরে হোটেলে ফিরে কোন কোন দিন অন্য কলিগদের সাথে ঘুরতে বেরুই... কোনদিন একা একাই ঘুরি... রাত বারোটা পর্যন্ত দিনের আলো থেকে যায়... তাই সময়ের তেমন অভাব নাই... আর আমার শরীরের ভেতরে কেমনে জানি অ্যালার্ম সেট করা হয়ে যায়, তাই আমি ভোর পাঁচটায় উঠে পড়ি... খুটখাট করে বাইরে হাঁটতে চলে যাই... গ্রীষ্মের গাঢ় সবুজ পটভূমিতে যা দেখি তাতেই মুগ্ধ। আর হোটেলের সামনেই রাজার বাড়ি আর বাড়ি সংলগ্ন বাগান... হোটেল থেকে দশ পা গেলেই একটা ডাক-পন্ড... তার উপরে আবার কাঠের ব্রিজ... ওখানে চুপ করে দাঁড়িয়ে হাঁস দেখি, সমুদ্রের চিল দেখি... রাজকীয় বাগানের বেঞ্চিতে বসে গল্পের বই পড়ি সাতটা পর্যন্ত...
বাঙালির গরব : হাজার বছর আগে বাঙালিরা জনগনের মধ্য থেকে রাজা নির্বাচিত করেছিল দেশকে অরাজকতা থেকে রক্ষা করার জন্য
ব্যক্তিই পারে পরিবর্তন করতে সমগ্র জাতির ভাগ্য।
ব্যক্তিই পারে সৃষ্টি করতে নতুন ইতিহাসের।
একজন ব্যক্তি মহাত্মা গান্ধী সারা পৃথিবীকে উপহার দিয়েছেন প্রতিবাদের নতুন তরীকা।
একজন ব্যক্তি নেলসন মেন্ডেলা সারা দক্ষিন আফ্রিকার বর্ণবাদের শৃঙখল ভেঙেছেন।
একজন ব্যক্তি শেখ মুজিব একটা জাতিকে হাজার বছরের গোলামির গ্লানি দূর করে স্বাধীন ভূখন্ড উপহার দিয়েছে।
আমার চাকুরী জীবন
ইত্তেফাকে বিজ্ঞাপণ দেখে হঠাৎ করে দরখাস্ত করে বসলাম। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে ইন্টারভিউ কার্ড হাতে এল। লিখিত আর মৌখিক পরীক্ষা দিয়ে চাকুরীটা পেয়ে গেলাম। পোস্ট ছিল মেডিকেল-কাম সেলস রিপ্রেজেনটেটিভ। পোস্টিং চিটাগাং। ৯০ সালের গোড়ার দিকের ঘটনা। ঢাকার বন্ধুদের আড্ডার মায়া ছেড়ে জীবনের প্রথম চাকুরীতে জয়েন করলাম। আমার অফিস ছিল আইস ফ্যাক্টরি রোডে। কাজের এলাকা ছিল- তিন পার্বত্য জেলা। খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি আর বান্দর
আত্মহত্যা বিষয়ে যে সকল কথা আমার জানা ছিলো (এক)
আমার পরিচিত কেউ কখনো আত্মহত্যা করে নাই।
কঠিন ভালবাসা নাকি অন্য কিছু!
চিপাগল্লি দিয়ে বের হতেই মহল্লা'র বড় রাস্তা। আমাদের মহল্লার মাসুম মামাকে দেখি করিম ভাইয়ের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে সিগারেট টানছেন। আমি এগিয়ে যাই। অনেক দিন পর মামার সাথে দেখা। উনি অবশ্য আমার আপন মামা না। মহল্লার সবাই ওনাকে মামা ডাকেন আমিও ডাকি। তবে আমার সাথে ওনার মতের মিল একটু বেশী। আমরা নানা মতে প্রায় এক মত থাকি। মহল্লার নানা বিষয়ে মামার পাশে পাশে আমি থাকি। এই আর কি।
একটি গল্পের বিজ্ঞাপন : না পড়লেই ভাল, ঝামেলা কম
বিদ্যুত না থাকিবার ফজিলত সমূহঃ
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (একাদশ কিস্তি)
স্কুলে যাবার আগেই জেরোমিল পড়তে আর লিখতে শিখেছিলো, আর তাই মা তাকে সরাসরি দ্বিতীয় গ্রেডে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেয়; মন্ত্রণালয় থেকে এজন্য বিশেষ অনুমতিও বের করে ফেলে, বিশেষ ব্যবস্থায় স্কুল কমিটির সামনে দেয়া পরীক্ষায় পাশের পর জেরোমিল তার চেয়ে এক বছরের বড় ছাত্রদের সাথে ভর্তি হওয়ার অনুমতি পেয়ে যায়। সবাই তার মেধার প্রশংসা করতে থাকায় তার কাছে ক্লাসরুমটাকে পরিবারেরই একটা বর্ধিত অংশ মনে হতে থাকে। মা দিবসে স
একটি অন্ধ বালকের গল্প
অন্ধ এই বালকটি অভাবের তাড়নায় একটি হার্ডবোর্ডে “আমি অন্ধ, আমাকে সাহায্য করুন” লিখে সাহায্যের আশায় মাথার হ্যাট পেতে পথের ধারে বসে ছিল। কিন্তু পথচারীর সহায়তার হাত খুলছিল না... দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় মাত্র অল্প কিছু পয়সা সে সংগ্রহ করতে পারে।
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (দশম কিস্তি)
ঠিক জন্মবার্ষিকীর আগের দিন তাকে দিদার ঘরে শুতে পাঠিয়ে দিয়ে বাবা আর মা মিলে তার নতুন ঘরের আসবাব আর দেয়াল সাজালো। পরেরদিন সকালে যখন তারা ছেলেকে নিয়ে নতুন সাজানো ঘরে এলো, মা খানিকটা উদ্বিগ্ন বোধ করছিলো, কিন্তু জেরোমিল মায়ের অস্থিরতা দূর করতে কোনোরকম কিছু করলো না; সে হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো ঘরের মাঝখানে; তার দৃষ্টি আকর্ষণ করলো (যদিও তাকে আড়ষ্ট মনে হচ্ছিলো) কাঠের ছোট্ট ডেস্কটা; পুরনো আমলের এই ফার্নিচার
স্টোনিং অব সুরাইয়া এম
ভার্টিগো সমস্যার কারণে গত তিন দিন দিনের বেলা বাসায় থাকতে হয়েছে। কিন্তু একটানা টিভি দেখা যায় না এবং বিদ্যুৎ থাকে না বলে কোনো মুভিই টানা দেখতে পারি না। তার উপর আছে ছেলে মেয়ের কাটুর্্ন দেখার আবদার। তবুও এরই মধ্যে দুটি মুভি শেষ করলাম। অর্ধেক দেখা অবস্থায় দুটি ছবি নিয়েই পোস্ট দিয়েছিলাম। কিন্তু মুভি দুটি শেষ করার পর আবার নতুন করে কিছু লিখতে খুব মন চাইছে। বিশেষ করে গতকাল রাতে স্টোনিং অব সুরাইয়া এম দেখার
বিলাতের দিনরাত্রি...১
বিলাত চলে আসার সিদ্ধান্তটা বড়ো আচমকা ছিলো, নিজের সাথে আড়াইটে বছর অন এন্ড অফ যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা খেলছিলাম... তারপরে হঠাৎ করে মনে হলো... বাহ! বেশ ক্লান্ত লাগছে তো। একবার এই কথা মনে হলো তো আর যায় কোথা... দিনরাত মনে হতে লাগলো। তিন বছরের
চাকরি জীবনে যতোদূর সম্বল ছিলো একাট্টা করে চলে এলাম এই দেশে। বাপ-মাকে ম্যানেজ করতে গিয়ে অবশ্য তেরোটা বেজেছিলো। এর মাঝখানে নিশীথ সূর্যের দেশে একটা চাকরী'র অফার পেয়ে গেলাম... কিন্তু নিজের আবেগের লাগাম তখনো নিজের হাতে ছিলোনা, তাই সাহস করে উঠতে পারিনি... যাই হোক বিলাতের দশটা মাসের জীবন নিয়ে লিখার ইচ্ছে ছিলো অনেক, আর তাই এই সিরিজ।
ছবি: গ্রীনিচ সানডে মার্কেট

রবীন্দ্রনাথের রচনা নিয়ে গবেষণা
রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে কিছুদিন ধরে গবেষণা করছিলাম। গবেষণা করে দেখলাম রবি বাবু যে আমাদের জীবন যাপনের কথা ভেবে এত আগেই গান রচনা করে গেছে, তা কে জানতো ?
রবিন্দ্রনাথের রচনা বিশেষ করে গানের প্রাসঙ্গিক ব্যবহার যুগ যুগ ধরে হয়ে এসেছে প্রেমের ক্ষেত্রে, ছ্যাকামাইছিন খাইলে, নাটকে কিন্তু আসলে তিনি গান লিখেছেন অন্য কারণে, সেটা কেউ ধরতে পারে নাই আমার আগে, গবেষণা করে সেটাই পেলাম।
যেমনঃ
খোলা চিঠি.....
শুরুর কথাঃ এই লেখাটা একটি চিঠির অংশ বিশেষ,কোন প্রিয় কাউকে লেখা। কিন্তু এর মূল অংশটা আমি সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দিলাম......
________________________________________________________________________________
