ইউজার লগইন
ব্লগ
শাস্তি না-- এতটুকু ভালোবাসা চাই
শাস্তি শব্দটা আমাদের জীবনে অতি পরিচিত যে শুধু তা নয়-সর্বাপেক্ষা পরিচিত।মানুষ হয়ে জন্মাবার জন্য এ পৃথিবির প্রতিটা মানুষের জন্য বরাদ্দ থাকে শাস্তি।কিন্তু বাংলার দামাল ছেলেদের জন্য “বিশ্ব লয়ে খেলা করা বিরাট শিশু”’র রাগ কোন একটা কারণে খুব বেশি তাই বিদ্যালয়ের ছাত্র জীবনে শিক্ষকদের হাতে মার খায়নি এমন বালক কমই আছে। বালিকা বললাম না। কারণ নানাবিধ কারণে বালিকারা বেচে যায় বলে বালকেরাই বেশি ভুক্তভোগী বলে আমি
রোমান্টিকতার আউলা ঝাউলা
বসন্তের আয়েসি দুপুর... খাওয়ার পর গা-টা কিরম ম্যাজ ম্যাজ করে... ক্লাসের জ্বালায় আজকাল দুপুরে বিছানার সাথে পিঠ ঠেকানো দায়। বিছানায় শুয়ে এপাশ ওপাশ... বরটা অফিসে ... আহা বেচারা... মনে হতেই সেল ফোনে ডায়াল... ধরছে না ক্যান? হঠাৎ ঘুমটা ভেঙ্গে যায়... সেলফোনটা হাতে নিয়ে দেখে প্রিয় মানুষটার ফোন... কথোপকথন শেষে মনে হলো মোবাইল বাজেনি... আচ্ছা রিংটোন এবং ভাইব্রেশন তো অফ ছিল ... তাহলে ঘুম ভাংলো ক্যান?
আত্মহত্যা বিষয়ে যে সকল কথা আমার জানা ছিলো (দুই)
সাত্তার সাবে'র অপেক্ষায় সেইদিন পুরা মহল্লাবাসীরে অনেক উদ্বিগ্ন চেহারায় দেখি। এই উদ্বেগে সাত্তার সাবে'র তরুণী ভার্যার প্রতি আবেগের চাইতে আত্মহত্যা বিষয়ক রোমাঞ্চ - আর তৎসম্পর্কীত লুকোছাপার অর্থাৎ নিষিদ্ধ আচরনের প্রতি না জানা আগ্রহের বিচরণ বেশি ছিলো। মহল্লাবাসীগো আচরনে আমি সংশয়ী হইয়া পড়ি, মহাপাপ আসলে জাগতিক দুনিয়ার অভ্যস্ততায় এমন কনফ্লিকটিং কেনো হয়?
চাইনা বৃষ্টি-----আগুন চাই
দিওনা বৃষ্টি ।
নিভতে চাইনা
গাইছি আগুনের স্তব।সাগ্নিক।
শুধু শুধু জড়ো করি আসর-ভাঙ্গা জলসাঘরের দীর্ঘশ্বাসগুলো
যাবার নিয়মে চলে যায় রূপকথা বলা সবুজ টিয়াটি।তার
অনিচ্ছার একটি পালক শুধু পড়ে থাকে।পুড়াই।
মুছে ফেলি পেলব ঘাসের সবুজ-মমতা।
মুঠোতে মেখেছি জ্যোৎস্না আর
চাঁদের গরলটুকু নিঃশেষে করেছি পান;
দেখেছি হৃৎপিন্ডের নীল রং ।তীব্র।
ভাল আছি।
ঝিনুকের খোলের ভেতরে গুটানোর ভব্যতাটুকু রপ্ত হয়ে গেলে
ঘুরে ফিরে নিশীথ সূর্যের দেশে... ২
আমাদের থাকার ব্যবস্থা হয়েছিলো অসলো রয়্যাল প্যালেসের ঠিক পাশেই, বেশ পশ জায়গা... অবশ্য হোটেলটা ঠিক সেই অর্থে রাজকীয় সুলভ কিছুনা, তবে নেহায়েত মন্দও না। আমি, মৌসুম আর মাল্লিকা এই তিন মহিলা এক ঘরে। অফিস করি রোজ পাঁচটা-ছ'টা পর্যন্ত... এরপরে হোটেলে ফিরে কোন কোন দিন অন্য কলিগদের সাথে ঘুরতে বেরুই... কোনদিন একা একাই ঘুরি... রাত বারোটা পর্যন্ত দিনের আলো থেকে যায়... তাই সময়ের তেমন অভাব নাই... আর আমার শরীরের ভেতরে কেমনে জানি অ্যালার্ম সেট করা হয়ে যায়, তাই আমি ভোর পাঁচটায় উঠে পড়ি... খুটখাট করে বাইরে হাঁটতে চলে যাই... গ্রীষ্মের গাঢ় সবুজ পটভূমিতে যা দেখি তাতেই মুগ্ধ। আর হোটেলের সামনেই রাজার বাড়ি আর বাড়ি সংলগ্ন বাগান... হোটেল থেকে দশ পা গেলেই একটা ডাক-পন্ড... তার উপরে আবার কাঠের ব্রিজ... ওখানে চুপ করে দাঁড়িয়ে হাঁস দেখি, সমুদ্রের চিল দেখি... রাজকীয় বাগানের বেঞ্চিতে বসে গল্পের বই পড়ি সাতটা পর্যন্ত...
বাঙালির গরব : হাজার বছর আগে বাঙালিরা জনগনের মধ্য থেকে রাজা নির্বাচিত করেছিল দেশকে অরাজকতা থেকে রক্ষা করার জন্য
ব্যক্তিই পারে পরিবর্তন করতে সমগ্র জাতির ভাগ্য।
ব্যক্তিই পারে সৃষ্টি করতে নতুন ইতিহাসের।
একজন ব্যক্তি মহাত্মা গান্ধী সারা পৃথিবীকে উপহার দিয়েছেন প্রতিবাদের নতুন তরীকা।
একজন ব্যক্তি নেলসন মেন্ডেলা সারা দক্ষিন আফ্রিকার বর্ণবাদের শৃঙখল ভেঙেছেন।
একজন ব্যক্তি শেখ মুজিব একটা জাতিকে হাজার বছরের গোলামির গ্লানি দূর করে স্বাধীন ভূখন্ড উপহার দিয়েছে।
আমার চাকুরী জীবন
ইত্তেফাকে বিজ্ঞাপণ দেখে হঠাৎ করে দরখাস্ত করে বসলাম। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে ইন্টারভিউ কার্ড হাতে এল। লিখিত আর মৌখিক পরীক্ষা দিয়ে চাকুরীটা পেয়ে গেলাম। পোস্ট ছিল মেডিকেল-কাম সেলস রিপ্রেজেনটেটিভ। পোস্টিং চিটাগাং। ৯০ সালের গোড়ার দিকের ঘটনা। ঢাকার বন্ধুদের আড্ডার মায়া ছেড়ে জীবনের প্রথম চাকুরীতে জয়েন করলাম। আমার অফিস ছিল আইস ফ্যাক্টরি রোডে। কাজের এলাকা ছিল- তিন পার্বত্য জেলা। খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি আর বান্দর
আত্মহত্যা বিষয়ে যে সকল কথা আমার জানা ছিলো (এক)
আমার পরিচিত কেউ কখনো আত্মহত্যা করে নাই।
কঠিন ভালবাসা নাকি অন্য কিছু!
চিপাগল্লি দিয়ে বের হতেই মহল্লা'র বড় রাস্তা। আমাদের মহল্লার মাসুম মামাকে দেখি করিম ভাইয়ের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে সিগারেট টানছেন। আমি এগিয়ে যাই। অনেক দিন পর মামার সাথে দেখা। উনি অবশ্য আমার আপন মামা না। মহল্লার সবাই ওনাকে মামা ডাকেন আমিও ডাকি। তবে আমার সাথে ওনার মতের মিল একটু বেশী। আমরা নানা মতে প্রায় এক মত থাকি। মহল্লার নানা বিষয়ে মামার পাশে পাশে আমি থাকি। এই আর কি।
একটি গল্পের বিজ্ঞাপন : না পড়লেই ভাল, ঝামেলা কম
বিদ্যুত না থাকিবার ফজিলত সমূহঃ
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (একাদশ কিস্তি)
স্কুলে যাবার আগেই জেরোমিল পড়তে আর লিখতে শিখেছিলো, আর তাই মা তাকে সরাসরি দ্বিতীয় গ্রেডে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেয়; মন্ত্রণালয় থেকে এজন্য বিশেষ অনুমতিও বের করে ফেলে, বিশেষ ব্যবস্থায় স্কুল কমিটির সামনে দেয়া পরীক্ষায় পাশের পর জেরোমিল তার চেয়ে এক বছরের বড় ছাত্রদের সাথে ভর্তি হওয়ার অনুমতি পেয়ে যায়। সবাই তার মেধার প্রশংসা করতে থাকায় তার কাছে ক্লাসরুমটাকে পরিবারেরই একটা বর্ধিত অংশ মনে হতে থাকে। মা দিবসে স
একটি অন্ধ বালকের গল্প
অন্ধ এই বালকটি অভাবের তাড়নায় একটি হার্ডবোর্ডে “আমি অন্ধ, আমাকে সাহায্য করুন” লিখে সাহায্যের আশায় মাথার হ্যাট পেতে পথের ধারে বসে ছিল। কিন্তু পথচারীর সহায়তার হাত খুলছিল না... দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় মাত্র অল্প কিছু পয়সা সে সংগ্রহ করতে পারে।
জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (দশম কিস্তি)
ঠিক জন্মবার্ষিকীর আগের দিন তাকে দিদার ঘরে শুতে পাঠিয়ে দিয়ে বাবা আর মা মিলে তার নতুন ঘরের আসবাব আর দেয়াল সাজালো। পরেরদিন সকালে যখন তারা ছেলেকে নিয়ে নতুন সাজানো ঘরে এলো, মা খানিকটা উদ্বিগ্ন বোধ করছিলো, কিন্তু জেরোমিল মায়ের অস্থিরতা দূর করতে কোনোরকম কিছু করলো না; সে হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো ঘরের মাঝখানে; তার দৃষ্টি আকর্ষণ করলো (যদিও তাকে আড়ষ্ট মনে হচ্ছিলো) কাঠের ছোট্ট ডেস্কটা; পুরনো আমলের এই ফার্নিচার


