ইউজার লগইন
ব্লগ
সংখ্যালঘু বিতারনের (Elimination of Minorities) রাজনীতি ২:স্বাধীনতা উত্তর পর্ব
দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী মহাকাব্যিক স্বাধীনতা সংগ্রামের পর হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকেরা নতুন দেশে সম-অধিকার নিয়ে বাচার স্বপ্ন দেখে। এই স্বপ্ন দেখাটা খুবই যৌক্তিক ছিল। দেশটাকে স্বাধীন করতে হিন্দুদেরকে সবচেয়ে বেশী মূল্য দিতে হয়েছে । ১৯৪৭ সালের পর যখনই পূর্ব বাংলার জনগণ পাকিস্তানের উগ্র শাসক গোষ্ঠীর অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে, তখনই পাকশাসকেরা ধর্মের নামে সাম্প্রদায়িক বিষবাস্প ছড়িয়ে দিয়ে হত্যা করেছে হিন্দুদের । ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দিয়েছে, রাষ্ট যন্ত্রকে ব্যবহার করে হিন্দুদের কে শত্রু বানিয়ে তাদের চাষাবাদ ও বসতবাড়ির জমিজমা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ১৯৭১ সালের ১ নভেম্বর এডওয়ার্ড কেনেডি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর সিনেট কমিটিকে দেওয়া এক রিপোর্টে লিখেছিলেন “"Hardest hit have been members of the Hindu community who have been robbed of their lands and shops, systematically slaughtered, and in some places, painted with yellow patches marked "H". All of this has been officially sanctioned, ordered and implemented under martial law from Islamabad"
দুই নেত্রী বলবেন কি?
গতকাল(০৫/০১/২০১৪খ্রীঃ) দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন আমার উত্তরার বাসার সামনের রাস্তায় ৩/৪ টি ককটেল ফুটেছে। তাঁর আধ ঘণ্টা আগে আমার স্ত্রী হাসপাতালে যাবার জন্য বের হয়ে গেছে। নইলে কি হতো তা আল্লাই জানেন। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ও যখন বাসা থেকে বের হয় হাসপাতালে না পৌঁছা পর্যন্ত এত টেনশনে থাকি যে বলতে গেলে ক্ষনিক পর পর ফোনে কন্টাক্ট করি। আসার সময় এ্যাম্বুলেন্স ওকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেয় তাই এত টেনশন করি না।
মেয়ের বিশ্ববিদ্যালয় পুরো সময়টাই বন্ধ, মাথাও নাই মাথার ব্যথাও নাই, তাই আমি ওকে নিয়ে স্বস্থিতেই থাকি।
রূপকথা
-ধুর!
-কি?
-ভালো লাগতেছে না। প্রেমের কথা আর কত লিখা যায় বল! প্রেম একদম মাথায় উঠে গেছে।
কথাটা শুনে রূপকথা প্রচন্ডভাবে হেসে উঠল।
-সেকিরে! প্রেম মাথায় উঠে কীভাবে?
-কেন! গ্যাস্ট্রিক যেভাবে মাথায় উঠে!
-গ্যাস্ট্রিক মাথায় উঠে!!!!
কথাটা বলে রূপকথা আমার দিকে বড় বড় চোখ করে চেয়ে রইল। মায়াকাড়া চোখ। নিমিষেই প্রেমে পড়া যায়।
-একটা কথা কি জানিস। অন্য কিছু দিয়ে না হোক তোর এই চোখ দুটোর দিকে তাকিয়ে হাজার বার প্রেমে পড়া যায়।
-তাই!
-হুম।
-তুই কতবার পড়েছিস?
-এখানে বসে আছি কতক্ষণ?
-প্রায় ১ ঘন্টা।
-তাহলে প্রায় ৩৬০০ বার তোর প্রেমে পড়েছি
-কি?
-হ্যা। সেকেন্ডে ১ বার করে।
-প্রপোজ করলেই ত পারিস!
-তারপর ধরে তুই আমারে ট্যাঙ্গানি দে। প্রেম কারা করে জানিস?
-কারা?
-বোকারা। আমি যেহেতু বোকা না তাই প্রেমে পড়াও আমার দ্বারা হবে না।
-এই না বললি তুই আমার প্রেমে পড়েছিস
-আসলে তোকে দেখলে আমার মাঝেমধ্যে খুব বোকা হতে ইচ্ছে হয়। তুইও তো একটু বোকা হতে পারিস।
আকাশের দিকে চেয়ে বলে উঠলাম-
-“বস, এই মেয়েটাকে কেন বোকা বানালে না? তাইলে তো আমারে আর এত চিন্তা করতে হয়না”
পরবতর্ী সরকারের করণীয় কি ???
বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির জনাব সেলিম ০৫ জানুয়ারী, ২০১৪ এর সাধারণ নির্বা চনকে পোকা খাওয়া নির্বা চন বলে অভিহিত করেছেন প্রধান বিরোধীদল বিএনপি এই নির্বা চনকে প্রহসনের নির্বা চন বলেছেন বিশিষ্ট বৃদ্ধিজীবি এই নির্বা চনকে স্নেহের নির্বাচন বলেও অভিহিত করেছেন আর ক্ষমতাশীন আওয়ামীলীগ এটাকে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা ও গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখার নির্বা চন বলতেই আগ্রহী গতকাল ০৬ জানুয়ারী, ২০১৪ নির্বা চনের পরদিন গণভবনে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে বক্তব্য রেখেছেন তাতে মনে হয়েছে তিনি এই নির্বা চন এবং এর ফলাফল নিয়ে বেশ খুশি যদিও পরবর্তী নির্বা চন ব্যবস্থা নিয়ে সমঝোতা ও আলোচনার জন্য বর্ত মান প্রধান বিরোধীদল বিএনপি এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, কিন্তু তার বডি ল্যাংগুয়েজে মনে হয়েছে যে, তিনি নবগঠিত সরকারের মেয়াদ দীর্ঘা য়িত করবেন এজন্য তিনি পরবর্তী নির্বা চনের জন্য বিরোধীদলকে ধৈর্য্য ধরার পরামর্শ দিয়েছেন অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে যে, নবগঠিত সরকার তার মেয়াদ পূর্ণ করার চেষ্টা করবে পাশাপাশি রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে সমঝোতার সংলাপ চালিয়ে যাবারও চেষ্
আগা নাও যে ডুব ডুব ----- ভাওয়াইয়া
এই গানটা বছর তিনেক আগে ক্লোজআপ ওয়ান অনুষ্ঠানের বাছাই পর্বে সাজু নামের এক প্রতিযোগি গেয়েছিলো। এই গানটা সে যখন গাচ্ছিলো আমি তখন আমাদের এক আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে গেছি সেখানে ড্রয়িংরুমে টিভিতে গাটা হচ্ছে। গানটা শুনে শরীরে রোমকূম সব দাড়িয়ে গেল আমার। মনে হচ্ছিলো আগের জন্মের অসংখ্যবার শোনা গান এক জন্ম পরে শুনছি।
আমার খুব ছোটবেলায় শোনা গান এটা। ছোটবেলায় মানে একেবারেই শিশুকালের। তখনো মনে হয় আমি মাত্র স্কুলে ভর্তি হয়েছি বা হইনি। আমাদের বাসায় আব্বাস উদ্দিনের কিছু ক্যাসেট ছিলো যেটা সম্ভবত আমার দাদী অথবা আমার মা অথবা আমার ফুপুরা শুনতো। সেই ক্যাসেটের মাঝে এই গানটা ছিলো। জানি না গানটা কার এত প্রিয় ছিলো, নিয়মিত গানটা চলতো ক্যাসেটে। আমার শুধু সুরটা মনের মধ্যে গেঁথে গিয়েছিলো সেই সময়। কথাগুলো কিছুই বুঝতাম না মনেও ছিলো না। আজ রাতে গানটা আবার মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছে। নেটে লিরিক নেই। সুতরাং দায় থেকে অন্তর্জালে এই কঠিন লিরিকটা শুনে শুনে টুকে রাখলাম যারা গানটা খুঁজবে তাদের জন্য।
ওরে আগা নাও যে ডুব ডুব
পাছা নাওয়ে বইসো
ঢোঙায় ঢোঙায় ছ্যাকঙ জল রে
ও কইন্যা পাছা নাওয়ে বইসো
ওরে জল ছেঁকিতে জল ছেঁকিতে
সংখ্যালঘু বিতারনের (Elimination of Minorities) রাজনীতি ১: স্বাধীনতাপূর্ব পর্ব।
১৯৪৭ সালে যখন দ্বি-জাতি ( Dual Nation Theory) তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয় তখন পূর্বপাকিস্তানে হিন্দুদের সংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যায় ৩১%। সাম্প্রদায়িক রাজনীতির পথ পরিক্রমায় ১৯৫২ সালে ২২ %, ১৯৬১ সালে এর সংখ্যা দাড়ায় ১৮ % (সুত্র: আবুল বারাখাত, লিভিং উইথ ভেস্টেড প্রপার্টি) । স্বাভাবিক ভাবে প্রশ্ন আসে কেন হিন্দুদের সংখ্যা সময়ের সাথে সাথে কমে গেল। তখনকার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট মৌলিকভাবে বিশ্লেষণে করলে যে মূল কারণ পাওয়া যায় তা হল পূর্বপাকিস্তানের জনগণকে শোষণ করার জন্য পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলগুলির ও সামরিক শাসকদের ধর্মীয় উগ্রবাদের অপব্যবহার । রাষ্ট্রীয়ভাবে ধর্মকে অপব্যবহার করে দেশ থেকে হিন্দুদের বিতারনের (elimination) কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। এখানে উল্লেখ্য যে স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের ফলে সংখ্যালঘু বিতারনের (elimination) রাজনীতি নতুন ধর্মীয় মোড়কে বাজারজাত করা হয়েছে (পড়ুন এই লেখার ২য় অংশে)।
মাছির মারার নির্বাচন!!!
গত ২১ ডিসেম্বর থেকে বাসায় একা একা বাস করছি আমার গিন্নী মেয়েকে নিয়ে তার বড়ভাইয়ের বাসায় থাকছে আমি মনেশ্বর রোডের ভাড়া বাসায় বাস করছি ইদানিং দু'জনের মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না তাই পারিবারিক সিদ্ধান্ত মোতাবেক দু'জন আলাদা থাকছি একা একা থাকার সুবাদে যথেষ্ট সময় পাচ্ছি কখনো একাডেমিক প্রবন্ধ পড়ে, কখনো পত্রিকা পড়ে আবার টিভি দেখে সময় পার করছি আমি অবশ্য রান্নাও করতে পারি গত ২ বছর জাপানে থাকার সুবাদে আমি রান্নাটা শিখেছি অবশ্য আমার রান্না আমি ছাড়া অন্য কেউ খেতে পারবে বলে আমার মনে হয় না যাহোক ছুটির দিনে সারাদিন রান্না বারি, বইপড়া, ইন্টারনেট ব্রাউজিং, টিভি দেখেই সময় পাড় করছি
ইলেকশন, সিলেকশন, অভজারবেশন এন্ড ফ্রাসটেসন!
যা হবার ছিল তা হয়ে গেল। কোনো উত্তাপ ছিল না, ছিল না কোনো টানটান উত্তেজনা জামাত শিবিরের অব্যহত আক্রমনের শিকার হয়েছে সাধারন মানুষ ও স্কুল কলেজ, পুড়ছে প্রকৃতি শত সহস্র গাছপালা এত কিছুর ভেতরেই সরকারের সংবিধান রক্ষার ইলেকশনটা হয়ে গেল। গাছাগাছালি কাটা নিয়ে আবীরের কথাটা খুব মনে পড়ে- গাছ কাটে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে শিবির বিএনপির লোকেরা আর তা সুন্দর মত বেচে দেয় ছাত্রলীগের পোলাপান, এই করেই চলছে বাংলাদেশ। আরেকটা গল্প মনে পড়লো ইলেকশন নিয়ে- আমার এক পরিচিত লোকের ফ্যামিলী আওয়ামীলীগ করে, তার বাবা বাড়ী থেকে নিষেধ করে দিলো মিরপুরে ভোট না দিতে, কেন? জীবনের ঝুকি নিয়ে খালি মাঠে গোল দেয়ার মানে নাই, জীবন অনেক মুল্যবান! আমার এক ভাই আছে এনসিসি ব্যাংকের কর্মকর্তা উনার বাড়ী থেকে ফোন আসছে,-- ভাইস্তা তোমরা তো আসলা না, তোমাদের সব ভোট দিয়া দিছি। দুর্দান্ত সব ঘটনা আরো জানি সব বলা যাবে না!
শিশুদের নিউমোনিয়া প্রয়োজন একটু বাড়তি সতর্কতা
শিশুদের নিউমোনিয়া
প্রয়োজন একটু বাড়তি সতর্কতা
বাংলাদেশে গত কয়েকদিন ধরে যে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে তার তীব্রতা এখন ঢাকার রাস্তায় নামলেই দেখা যায়। শীতের কারণে দিনাজপুর, গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁ, রংপুর, কুড়িগ্রামসহ উত্তর জনপথ, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্রগ্রামসহ সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, জ্বর, মাথা ব্যথাসহ রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে শীত এলে নিউমোনিয়ার প্রকোপ বেড়ে যায়।
নিউমোনিয়া শিশুদের জন্য একটি আতঙ্কের নাম। বৃদ্ধ রোগিরাও এই রোগের বেশি আক্রান্ত হয়। যেসব শিশুর বয়স ৫ বছরের নীচে, তাদের মধ্যে নিউমোনিয়ায় কারণে মৃত্যুহার সবচেয়ে বেশী। তবে একটু সচেতন হলেই কিন্তু এই বিপদজনক অসুখ থেকে শিশুকে নিরাপদ রাখা যায় । শীতকালে নিউমোনিয়ার প্রকোপ বেড়ে যায়। শিশুরা যাতে ঠাণ্ডায় আক্রান্ত না হয় সেদিকে পরিবারের খেয়াল রাখতে হবে, বাচ্চাদের দিকে বাড়তি নজর দিতে হবে।কারণ শিশুদের শরীরের প্রতিরোধক্ষমতা বড়দের তুলনায় কম।
নিউমোনিয়া ঃ
নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের ইনফেকশনজনিত একটি রোগ। এটি সাধারণতঃ ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা হয়ে থাকে।
কি নাম দিব?
সরাসরি বলার সাহস নায়। তাই ইনিয়ে বিনিয়ে বলার চেষ্টা করেছি।
মেয়েটার সাথে আমার পরিচয় প্রায় আড়াই বছরের। বন্ধুত্বের সম্পর্ক। মেয়েটা আমার সাথে দুষ্টুমি করত। আমিও দুষ্টুমি করতাম। কিন্তু এই দুষ্টুমি যে আমার জন্য ভয়ানক একটা নাট্য মঞ্চের জন্ম দিতে যাচ্ছিল বুঝি নি।
ডিপার্টমেন্টের এক বড় ভাইয়ের গুণ কীর্তন গাচ্ছিল তারা দু'বান্ধবী। তাদের সেই গুনকীর্তন আমার হার্ট বিট বাড়িয়ে দিয়েছিল কয়েকগুণ। একদম ভালো লাগে নি। শুরু হল খারাপ লাগার বসবাস। বুঝলাম আমি গেছি। কিন্তু আমি ভালো করেও জানতাম সে রাজী হবে না। তাই আমি নিজেকে তার কাছ থেকে গুটিয়ে নিয়ে লাগলাম। যোগাযোগ একদম কমিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু সারাক্ষন অস্থির লাগত। একটা সময় এই অস্থিরতা কমে গেল। ভাবলাম আমি উদ্ধার পেয়েছি। সাথে সাথে মনের মধ্যে দৃঢ প্রতিজ্ঞা এই ভুল আমি আর করব না।
কিন্তু যেদিন মেয়েটারে আবার দেখলাম বুকের মধ্যে যেন সুনামী বয়ে যাচ্ছিল। আল্লাহ্রে বললাম, খোদা, তুমি এইটা কি কাজ করলা? আমি তো মনে হয় আর বাঁচব না।
‘প্রতি ৩০ সেকেন্ডে নিউমোনিয়ায় একশিশুর মৃত্যু’
‘প্রতি ৩০ সেকেন্ডে নিউমোনিয়ায় একশিশুর মৃত্যু’
•
শিশুমৃত্যুর এক নম্বর কারণ নিউমোনিয়া
বিশ্বে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে প্রতি ৩০ সেকেন্ডে একটি শিশু মারা যায়। প্রতি বছর নিউমোনিয়ায় পাকিস্তানে পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় ৯২ হাজার শিশু মৃত্যুবরণ করে।দ্য ডন পত্রিকা প্রকাশ করেছে, এটি দেশটির মোট শিশুমৃত্যুর ১৮ শতাংশ ।
বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস উপলক্ষ্যে স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বুধবার পাকিস্তানের একটি হাসপাতালের শিশুবিভাগের প্রধান ডা. তাবিশ হাজির বলেন, “টিকার সুযোগ পাওয়া যে শিশুদের অধিকার এবং এটা তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করে তা বুঝাতে অনেক কাজ করতে হবে। টিকার মাধ্যমে একটি শিশু নিউমোনিয়া এবং এ ধরনের বিভিন্ন রোগ যেগুলো টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা যায় সেগুলো থেকে সুরক্ষিত থাকবে।“
নিউমোনিয়া তীব্র শ্বাস প্রদাহ যেটা ফুসফুসকে আক্রান্ত করে। নবজাতক এবং শিশু যাদের বয়স দুই বছরের নিচে তাদের নিউমেনিয়া হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। কারণ তাদের শরীরের অভ্যন্তরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তখনও পূর্ণরূপে বিকশিত হতে পারে না।
ধূসর গোধূলিঃ ২৫ - মুক্তনগর...
নিরিবিলি ছোট্ট শহর মুক্তনগর। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, লোকজনের ভিড়ভাট্টা তেমন একটা নেই। শহরের পাশ ঘেঁষেই বয়ে চলেছে ছোট্ট নদী, কাঁকন। এদেশের বেশীর ভাগ শহরের পাশেই বোধহয় নদী থাকে। হয়ত নদীর পাড়েই গড়ে ওঠেছে শহরটি। মুক্তনগরে এসে নতুন জীবনে প্রবেশ করেছে শিউলি। নতুন সংসার, টুকিটুকি কতকিছুই প্রয়োজন হয়! অফিস ছুটির পর ওকে নিয়ে বের হয় নাহিদ। প্রতিদিনই দুজনে মিলে ঘুরে বেড়ায়, সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনে। দুজনের ছোট্ট সংসার মনের মত করে সাজিয়ে নেয়।
দেশ টিভিতে জনাব জয়ের চায়ের আড্ডা
যখন কোন ব্যক্তি ভুল পথে চলতে চলতে উদ্দেশ্য বা গন্তব্যে পৌছার কোন নিশানা বা আলোক বর্তিকা খুঁজে পায় না তখন সে পথ চলার ভুলটা বুঝতে পেরে সঠিক পথে চলতে চেষ্টা করে। আর সঠিক পথে চললে এক না এক সময় সে তাঁর গন্তব্যের আলোক বর্তিকা খুঁজে পাবেই।
এ উক্তিটি গতকাল রাতে (২/১/১৪) দেশ টিভিতে জনাব আসাদুজ্জামান নুরের চায়ের আড্ডায় জনাব সজিব ওয়াজেদ জয়ের, বর্তমান জামাত শিবিরের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে প্রাসঙ্গিক ভাবেই এ কথা বলেছেন। উনার দর্শন মূলক এ উক্তির সাথে আমার বিশ্বাস শুধু উনার দল কেন বিরুধীদলের অনেকই এককত পোষন করবেন।
আর আমি উনার এ উক্তির মাঝে আমাদের দেশের নেতৃত্বহীনতার মাঝে তিমিরও বিদারী, আলোক নিহারী এক নেতৃত্বের সুগন্ধ, সুবাতাস পাচ্ছি।
ভালো লাগা ভাবনারা- ৬
ছন্দের জাদুকর সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের এই কবিতাটা ছোটবেলার কোনো এক ক্লাসের পাঠ্য ছিলো। সম্ভবত প্রথম ষোল লাইন। তখন মুখস্ত করার জন্য পড়েছিলাম কিন্তু বোঝার জন্য পড়ি নাই। পুরো কবিতাটা বিশাল ভাবের। বহুত ভালো লাগা ভাবনার তালিকায় চলে গেলো।
দূরের পাল্লা
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ছিপখান তিন-দাঁড় -
তিনজন মাল্লা
চৌপর দিন-ভোর
দ্যায় দূর-পাল্লা!
পাড়ময় ঝোপঝাড়
জঙ্গল-জঞ্জাল,
জলময় শৈবাল
পান্নার টাঁকশাল |
কঞ্চির তীর-ঘর
ঐ-চর জাগছে,
বন-হাঁস ডিম তার
শ্যাওলায় ঢাকছে|
চুপ চুপ - ওই ডুব
দ্যায় পান্ কৌটি
দ্যায় ডুব টুপ টুপ
ঘোমটার বৌটি!
ঝকঝক কলসীর
বক্ বক্ শোন্ গো
ঘোমটার ফাঁক বয়
মন উন্মন গো|
তিন-দাঁড় ছিপখান
মন্থর যাচ্ছে,
তিনজন মাল্লায়
কোন গান গাচ্ছে?
রূপশালি ধান বুঝি
এইদেশে সৃষ্টি,
ধুপছায়া যার শাড়ী
তার হাসি মিষ্টি|
মুখখানি মিষ্টিরে
চোখদুটি ভোমরা
ভাব-কদমের - ভরা
রূপ দেখ তোমরা !
ময়নামতীর জুটি
ওর নামই টগরী,