ইউজার লগইন
ব্লগ
ছেলেবেলার লাল শালুক
(১)
বাবার সরকারি চাকরির কারণে পুরো পরিবারের পায়ের তলায় সর্ষে দেখছি সেই ছেলেবেলা থেকে। অবশ্য ফি বছর নতুন শহরে নতুন স্কুলে ভর্তি হতে গিয়ে চোখেও সর্ষেফুল দেখতে পেতাম! একগাদা নতুন মুখ চারপাশে, সারাক্ষণ ড্যাবড্যাব করে দেখছে আমাকে! এটা খুব নিয়মিতই হত! তাদের সাথে গলায় গলায় ভাব হতে না হতেই আবারো লোটাকম্বল নিয়ে নতুন শহরে রওনা হওয়া!
তারপর যাযাবর জীবন শেষে পঙ্গপালের মতন একসময় সপরিবারে আজব শহর ঢাকায় ঠাঁই নিলাম আমিও। একে একে সব পুরোনো বন্ধুদের খুঁজে পেলাম, হরিহর আত্মা দুয়েকজন যারা ছিল তাদেরও পেয়ে গেলাম। তবু আবছা আবছা কিছু মুখ মনের মুকুরে উঁকি দেয় এখনো, নামগুলো পেটে আসে তো মুখে আসে না। কিছু নাম মুখে আসে কিন্তু তাদের মুখের আদলটাও মনে পড়ে না। খুঁজে বেড়াই সেই মানুষগুলোকে, অজান্তেই!
(২)
যখন চোখের জন্য শরীরে কোনো পানি অবশিষ্ট থাকে না
তখন আমার একটা সিনেমা দেখতে খুব ইচ্ছে করে।
কেন একা থাকতে চাই???
আমার ১২ বছরের সংসার জীবনে সবসময় আমার একা থাকতে ইচ্ছা করেছে আমি বিশ্ববিদ্যালয় জীবন সমাপ্ত করে চাকুরীতে যোগদান করার ১১ দিনের মাথায় বিয়ে করি বিয়েটা আমার পছন্দের মেয়েকেই করেছি কিন্তু বিয়ের পরদিন থেকেই সংসারে সুখ আসেনি ছোট খাটো বিষয় নিয়ে আমাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ লেগেই থাকতো তারপরও সমাজের দিকে তাকিয়ে আমরা ছাড়াছাড়ি করতে পারি নাই ইদানিং আমাদের দাম্পত্য কলহ জটিল আকার ধারণ করেছে দু'জন দু'জনকে একটুও সহ্য করতে পারছি না গত শুক্রবার আমাদের মধ্যে রফা হয় দুজন আলাদা থাকবো সেই থেকে আমরা আলাদা আছি আমার স্ত্রী এলিফ্যান্ট রোডে তার বড় ভাইয়ের বাসায় আর আমি আমার ভাড়া করা বাসায় আছি
আমার একা থাকতে ভালোই লাগছে এই ক'দিনে একবারের জন্যও আমার স্ত্রীর জন্য খারাপ লাগেনি আমি আমার মনের মাঝে আমার স্ত্রীকে খুঁজে পাচ্ছি না তার জন্য বরং অনেক ঘৃণা জন্ম নিচ্ছে কারণ গত ১২ (বার) বছরে চেষ্টা করেছি সবকিছু ম্যানেজ করে সংসার করার জন্য কিন্তু বার বার ফেল করেছি
নিপাহ ভাইরাস প্রতিরোধে খেজুরের রস বিক্রি নিষিদ্ধ
নিপাহ ভাইরাস প্রতিরোধে খেজুরের রস বিক্রি নিষিদ্ধ
সালমান ফরিদ | ২৪ নভেম্বর ২০১৩, রবিবার, ৭:৫৮
Share on facebook Share on twitter Share on email Share on print More Sharing Services 2
বড়দিনে ‘টপ সিক্রেট’
মনে পড়ে আজ থেকে পঁচিশ বছর আগে। ১৯৮৮ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশের একজন সুনাগরিকের সরকারি বাসায় গিয়েছিলাম। উদ্দেশ্য পরস্পরকে কাছ থেকে চেনা বা জানা। আমি তখন জগন্নাথ কলেজের ছাত্র। স্কুলজীবন থেকেই আমার লেখালেখির অভ্যাস। স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত বিভিন্ন দেয়ালিকা, সাপ্তাহিক স্বদেশ খবর, সাপ্তাহিক সন্দ্বীপ, দৈনিক খবর, আজাদ এবং ইত্তেফাকসহ বিভিন্ন পত্রিকায় নানা সমস্যা-সম্ভাবনা, অনিয়ম-দুর্নীতি, সামাজিক অনাচার-অবক্ষয় নিয়ে লিখতাম। এর মাঝে ১৯৮৭ সালের দিকে বাজারে এলো দৈনিক ইনকিলাব নামে একটি পত্রিকা। এ পত্রিকায় ’৮৮ সালে যৌতুকবিরোধী আমার একটি লেখা প্রকাশিত হয়। এ লেখার জন্য একটি অভিনন্দন চিঠি আসে অফিসের ঠিকানায়। সে সময় লেখালেখির সুবাদেই ইনকিলাবে যাওয়া হতো। এখান থেকেই ইনকিলাবের তৎকালীন সহকারী সম্পাদক শ্রদ্ধেয় মফিজ ভাইয়ের (মরহুম মফিজ উদ্দিন আহমদ) সাথে আমার এক রকম হৃদ্যতা গড়ে ওঠে। তিনি আমাকে যারপরনাই স্নেহ করতেন। আমার ভালো-মন্দ খোঁজ-খবর করতেন। আমার প্রতি তার দাবি ছিল- আমি যাতে অন্তত সপ্তাহে একবার তার স্নেহধন্য আতিথেয়তা গ্রহণ করি। তার দেয়া রুটিন মতো তার অফিসকক্ষে ঢুকতেই বললেন, ‘তোমার একটি চিঠি আছে, যাওয়ার সময় নিয়ে য
বাংলাদেশের আভ্যুদয়
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল ১৯৭১ সালে সংঘটিত তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের সশস্ত্র সংগ্রাম, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে পৃথিবীর মানচিত্র আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি নিধনে ঝাঁপিয়ে পড়লে একটি জনযুদ্ধের আদলে মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা ঘটে। পঁচিশে মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানী সামরিক জান্তা ঢাকায় অজস্র সাধারণ নাগরিক, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, পুলিশ হত্যা করে। গ্রেফতার করা হয় ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাপ্রাপ্ত দল আওয়ামী লীগ প্রধান বাঙ্গালীর তৎকালীন প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। গ্রেফতারের পূর্বে ২৬শে মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন । পরিকল্গপিত গণহত্যার মুখে সারাদেশে শুরু হয়ে যায় প্রতিরোধযুদ্ধ; জীবন বাঁচাতে প্রায় ১ কোটি মানুষ পার্শ্ববর্তী ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে। পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর), ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, সামরিক বাহিনীর বাঙ্গালী সদস্য
বড়দিন-ছোটদিন-মাঝারি দিন!
কলকাতার জয়তীর গান ছিল একখান, যার শিরোনাম হলো- 'দিন শুধু দিন গেল'। আমারো নিজের জীবনে তাই মনে হয় যে দিনগুলো সব চলেই গেল অবহেলা আর অনাদরে। মাঝে মাঝে সালের হিসেব গুলিয়ে ফেলি, মনে হয় এখনো ২০১০-১১ই চলছে। বেকাররাই এইভাবে সময় নিয়ে হেলাফেলা করে, ১৮ মাসে বছর বাগধারাটা তো আর হুট করে আসে নি! আমাদের জন্যেই এসেছে। দিন গুলো যে নিমিষে হারিয়ে যাচ্ছে তা টেরই পাচ্ছি না। শুধু দেখছি হারাচ্ছে আর চলে যাচ্ছে এরই ফাকে মানুষ কত কি করছে। বাংলাদেশটার অবস্থাও তাই দুনিয়া উলটে পালটে গেল, কত কি ঘটে গেল, কত দেশে কত প্রগতি উন্নতির চমক, আমরা পড়ে রইলাম সেই পুরোনো প্রশ্নেই, ক্ষমতা পালাবদলের শান্তিপুর্ন উপায় খুজতে খুজতেই আমাদের দিনগুলো সব চলে গেল, একদিনের যে গনতন্ত্র ভোটাধিকার তা নিশ্চিত করতেই আমাদের জান দফারফা, ৩৬৫ দিনের এক গনতান্ত্রিক বাংলাদেশ পেতে এখনো কত দেরী তাই ভাবি বসে!
৫ই জানুয়ারীর নির্বাচন এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর
আমার মনে হয়, ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচনটা একটা দিক থেকে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। '৯০-এর পর এই পর্যন্ত যতগুলো নির্বাচন হয়েছে ('৯৬-এর তামাশার নির্বাচন ছাড়া) তাতে দেখা গেছে, ক্ষমতাসীন দলের দুর্নীতিই তাদের পরাজয়ের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবারও যদি সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন হতো, তবে আওয়ামীলীগ হয়তো পরাজিত হতো। কিন্তু তার পরে ঘটনা কী হতো। ১৮ দলীয় জোট নির্বাচিত হলে, বিএনপির ঘনিষ্ঠ সহযোগী জামায়াতের কারণে পাকিস্তান ইন্টিলিজেন্স আইএসআই-র নির্দেশে যুদ্ধাপরাধীদের 'শূয়রের খোয়াড়' থেকে মুক্ত করে দেবেন বেগম খালেদা জিয়া । (আইএসআই-এর তৎকালীন প্রধান সেদেশের সুপ্রীম কোর্টে বলেছেন, ১৯৯১-এর নির্বাচনে তারা খালেদা জিয়ার বিএনপি-কে এক কোটি টাকার উপর দিয়েছে।)
ওজন বাড়ে যত ওষুধে
প্রচ্ছদ
জীবনযাপন
সংবাদ
News Details - Full Banner_Above
ওজন বাড়ে যত ওষুধে
ডা. তানজিনা হোসেন | আপডেট: ০১:১৭, ডিসেম্বর ২৩, ২০১৩ | প্রিন্ট সংস্করণ
ওজন বাড়ে যত ওষুধেচিকিৎসার প্রয়োজনে অনেক ওষুধই আমাদের খেতে হয়। এর মধ্যে কিছু ওষুধ মোটা হওয়ার জন্য দায়ী। যাঁরা মোটা হচ্ছেন, দরকার হলে চিকিৎসকের সঙ্গে আলাপ করে জেনে নিন।
স্টেরয়েড ও হরমোন: সম্ভবত সবচেয়ে বেশি এ ঘটনাটি দেখা যায় স্টেরয়েড নিয়ে। স্টেরয়েড একটি ধন্বন্তরি ওষুধ। বিশেষ করে হাঁপানি বা অ্যালার্জি হঠাৎ বেশি বেড়ে গেলে, প্রচণ্ড ব্যথা-বেদনা কমাতে কিংবা ত্বকের ও হাড়সন্ধির নানা সমস্যায় চিকিৎসকেরা স্টেরয়েড দিয়ে থাকেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এ ওষুধ হয়তো কয়েক দিনের জন্য খেতে দেওয়া হয়। কিন্তু রোগীরা উপশম পেয়ে বারবার বা একটানা দীর্ঘদিন খেতে থাকেন। ফলে ওজন বাড়তে থাকে। বাজারে প্রচলিত অনেক হারবাল, টোটকা বা ভেষজ ওষুধ আসলে কিছুই নয়, এই স্টেরয়েড। তাই এসব থেকে সাবধান।
সুন্দরবন ভ্রমন ২০১৩ (পর্ব ১)
ভোরের আলো না ফোঁটা মেঘবিহীন বৈশিষ্ট্যহীন আকাশ, শীতের আবছা কুয়াশার চাদর কেটে ট্রলার নীলচে-সবুজ পানির উপর দিয়ে ধীরগতিতে এগিয়ে যাচ্ছিল, দু’ধার জুড়ে গোলপাতাসহ নাম না জানা হরেক গাছের সারি ঘন থেকে আরো ঘন হতে হতেই সামনের দূরে এগিয়ে আসা বাঁকটা যেন হারিয়ে যাওয়া কাউকে যেন তীর খুজেঁ পাবার আশায় উদ্বেল হবার হাতছানি দিয়ে যায়! টলটলে পানি, নির্মল বাতাস, গাছেরসারি, থমকে যাওয়া একঘেয়ে আকাশ, সবকিছুর মাঝ দিয়ে চলছি আমরা সমান তালে সাথে যাচ্ছে কেবল থোক থোক কুয়াশার দল! চারপাশে পাখি ডাকারও শব্দটি নেই, অভিযাত্রীদের কেবল শ্বাসের শব্দে উপস্থিতি জানান দিয়ে যায় সুন্দরবনের এই অপার সৌন্দর্যতার।
অপরুপ এই দৃশ্যটি ছিল, সুন্দরবন ভ্রমনের প্রথম প্রহরের। কোন ছবিতেই এই ভ্রমনে দেখা সৌন্দর্য্য তুলে আনা যাবে না, সে কেবলি উপভোগের একান্ত অনুভূতি।

কঠিন সময় আমাদের মা-মেয়ের
আমার মেয়েটা কাঁদছে।আমি পাশের রুমে বসে আছি।হোসনা ওকে কোলে নিয়ে হেঁটে হেঁটে নানান কথা বলে যাচ্ছে।দুধের ফিডারে দুধ বানিয়ে খাওয়ানোর চেষ্টা করছে। মেয়ের সেদিকে কোনো খেয়াল নেই।সে অনবরত কেঁদেই যাচ্ছে।
তার কান্নার শব্দটা আমাকে অস্থির করে তুলছে কিন্তু আমি নিজেকে শক্ত রাখার কঠিন চেষ্টা করে যাচ্ছি।মেয়ের কান্না থামছে না।এবং ওর কান্নার আকুতিতে একটা সময় আমি খেয়াল করি আমার সারা শরীর কেঁপে কান্না চলে এসেছে।আমি অনেক চেষ্টা করেও নিজেকে সংযত রাখতে পারিনি।
হোসনা যেন আমার কান্না না দেখে সেজন্য দৌড়ে আমি বাথরুমের ভেতর ঢুকে যাই।পানির ট্যাপ ছেড়ে দিই যেন কোনোভাবেই আমার কান্নার ফোঁসফোঁস শব্দে হোসনা ঘাবড়ে না যায়।
মেয়ের কান্না এতক্ষণেও থামেনি দেখে আমি চোখে মুখে পানি দিয়ে বাথরুম থেকে বেরিয়ে হোসনার কোল থেকে মেয়েকে বুকে টেনে নিই। আমার কোলে আসার সাথে সাথে মেয়ে কান্না থামিয়ে অবাক চোখে আমার দিকে তাকিয়ে থাকে।কি জানি আমার ৪মাস ১০ দিন বয়সী মেয়েটা বোধহয় বিশ্বাস করতে পারছে না তার মা তাকে কেন এত কষ্ট দিচ্ছে।মেয়ের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতেই আমার চোখ ঝাপসা হয়ে আসে।নিজেকে সামলানো বেশ কঠিন হয়ে পড়ে আমার জন্য।
ব্লগর ব্লগর
দেশের অগ্রগতী নিয়া বিস্তর আলোচনা শুনি বিভিন্ন ফোরামে... পত্রিকায়... রিপোর্টে... বৈদেশিক গবেষণায়। দেখে পুলকিত হই। ভালোলাগায় বুকটা ৩ ফুট উচা হইয়া যায়। আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি।
বাস্তবতা আসলে কি?
৮৯'এ ডিফরেন্টাচ নামের একটা ব্যান্ডের প্রথম এলবাম বের হয়। সুপার হিট সেই এলবামে তখনকার রাজনীতি নিয়ে একটা গান ছিলো। আজ ২০১৪ থেকে মাত্র সপ্তাহ খানেক আগে দাড়াইয়া অবস্থার কোন পরিবর্তন পেলামনা
জনগণের ভোটাধিকার এবং গণতন্ত্র রক্ষায় দুই নেত্রীতো বলতে বলতে মুখে ফ্যানা তুইলা ফেলতেছে। সেই ফেনিল বুদ্বুবুদে আমাদের নি:শ্বাস যে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হইছে... সেদিকে খেয়াল নেই কারোই।
আজ হাটে মাঠে ঘাটে সর্বত্রই আলোচ্য বিষয় হচ্ছে নির্বাচনী প্রার্থীদের সম্পদের বিবরণী। হয়তো এটাই আমাদের একমাত্র বিনোদন। আরতো কিছু করার নাই আমাদের। শুধু দেখেই যাব। আর হিসাব করবো কোন দল কার চাইতে কত বেশীতে জিতল।
======================
একটু দেখেন ৮৯এ ডিফরেন্টাচের সেই গানটা এখনো কতটা ঠিক
===========
হাল জামানার রাজনীতি ভাই, করতাছি যে আমরা সবাই
পেছন পকেট সদাই গরম , গলা বাজির আছে যে সায়।।
এ মন হায়,
ধূসর গোধূলিঃ ২২ - তারুণ্যের জয়গান...

কলাবতী বাজারের ক্লাবঘরটিতে তরুণদের আনাগোনা শুরু হয় বিকাল থেকেই। বিজয় দিবসের খুব বেশী দেরী নেই। ওরা প্রত্যেকেই বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেবার জন্য তাড়া অনুভব করে। শ্যামল আর তাপসের গ্রামে আসার খবর পেয়ে আজ একটু আগেই ক্লাবে এসেছে আসাদ আর সজল। ক্লাবের সব অনুষ্ঠানের মধ্যমণি হল শ্যামল। ও না থাকলে কোনকিছুই যেন জমে না ঠিকমত।
দৈনন্দিন সুখ দুঃখ!
দেশের অবস্থা খুব একটা যুতের কিছুতে না, পঞ্চম কিস্তির অবরোধ চলছে কিন্তু মনে হচ্ছে কেয়ামত পর্যন্ত এইভাবেই অবরোধ চলবে। এক বন্ধুর মুখে শুনলাম আস্তে আস্তে নাকি মানুষ অবরোধ মানিয়ে নিচ্ছে, মনে মনে ভাবছিলাম মানানোর আর জিনিস নাই দেশে শেষমেষ অবরোধ দাঙ্গা হাঙ্গামা এইসবও মানিয়ে চলতে হবে। মানাতে মানাতে আর সবুর করতে করতে জানা নাই আর কত? এদিকে তো আমাদের পিঠের চামড়ার আর কিছুই বাকী নাই, তবুও আমরা ঝিনুকের মত নীরবে সয়ে যাচ্ছি। এর বাইরে মনে হয় না আমাদের তেমন কিছু করার আছে! আমার দোড় সমন্ধে আমি অবশ্য সচেতন- ল্যাপটপে বসে ফেসবুকে জ্বালাময়ী স্টেটাস লেখা আর চায়ের দোকানে বসে চাপা পিটানো। তার ভেতরে আব্বু খালি ফোন দিবে আর জিগেষ করে বলবে বাসায় যা-বাসায় থাক- এত বাইরে কি? ঢাকায় গন্ডগোল, জামালপুরে এসে পড়!
