ইউজার লগইন
ব্লগ
সরকারের এখন কি করা উচিত্
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এখন ২টি অপশনঃ (১) জামায়াত-শিবিরের তান্ডব বন্ধ করার জন্য হার্ডলাইনে যাওয়া; (২) অন্তর্বতী কোন সরকারের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেয়া ২ নং অপশন গ্রহণ করলে আওয়ামীলীগের জন্য তা ক্ষতির কারণ হতে পারে ক্ষমতা ছাড়ার সাথে সাথে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা আওয়ামীলীগের নেতাকমর্ীদের উপর বেপোয়ারাভাবে আক্রমণ করার সুযোগ পাবে এছাড়া বিএনপি ক্ষমতায় এলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর হবে না সেক্ষেত্রে আওয়ামীলীগের সাংগঠিক কাঠামো দূর্বল হতে পারে নেতাকমর্ীরা অনেকটা নিষ্কিয় হতে পারে সুতরাং দেশ-বিদেশের যতই চাপ থাকুক না কেন, দেশের স্বার্থে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আমাদের বর্তমান দাবী জামাত-শিবিরের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড কঠোরহস্তে দমন করতে হবে অন্যথায় লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের প্রাণের স্বাধীনতা আজ বিপন্ন প্লিজ একটা কিছু করেন প্লিজ প্লিজ প্লিজ!!!
মন মাতানো দেশের গান যখন শুনি!
কথা হচ্ছিলো ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ নিয়ে, কাল আর্সেনাল হারছে ম্যানসিটির কাছে তা নিয়ে এক আর্সেনাল সাপোর্টার ছোট ভাইকে পচাচ্ছিলাম। আমি অবশ্য ক্লাব ফুটবল খেলা তেমন দেখি না কারন ইচ্ছা কম আর উপায় নাই বাসায় টিভি না থাকার কারনে। তাও আপডেট রাখি কারন চারিদিকে আলাপ হইচই শুনি । লোকজন যেভাবে একেকটা ফুটবল ক্লাবকে ওউন করে তাতে অবাক লাগে। আমি অবশ্য দুনিয়াতে এমন করে কোনো কিছুই ওউন করতে পারি না। নানান জাতের প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়ে ইয়াং পোলাপান যেভাবে ইউনির প্রচার করে, ইশক মোহাব্বতের প্রমান দেয় তাতে অদ্ভুত লাগে। আমি কখনোই নিজের ফেলে আসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ে গৌরবগাথা রচনা করতে যাই না, কেউ যদি জিগেষ করে তখনই জানাই। কারন সবাই যেমন করে যা করে, আমিও তেমনই। নিজের সব কিছুকেই সামান্য বলে মনে হয়। খালি এই দেশটা বাদে, যতই দীনহীন হোক আর যতই অসময় অনাচার চলুক এই দেশ বাদে আর কোনো কিছুকেই আমি নিজের বলে মনে করি না। তেমন
অরাজনৈতিক স্ট্যাটাস - এক
ফরহাদ মজহারের পক্ষের ছাগু, তথাকথিত বাম দলের ভেতরের ছাগু, বিএনপি-র ছুপা ছাগু, আর জামায়াত-শিবিরী ছাগু তো আছেই - এরা সবাই এখন তাদের রাজনৈতিক দর্শনে হাহাকার, হতাশায় ভুগছেন। #যুদ্ধাপরাধী কসাই মোল্লার ফাঁসিতে তাদের রাজনৈতিক দর্শনে ভয়ানক এক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমন ভয়াবহ রকম মানসিক বৈকল্য দেখা দেবে, তা আগে বোধ হয় ধারণা করা যায় নি। কেননা, তারা হলেন সর্বজানা এবং রাজনৈতিক সবকিছুতেই আগে থেকে নিশ্চিত ভবিষ্যত গণন করা গোষ্ঠী।
তবে তাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, #যুদ্ধাপরাধীদের রায় সবে কার্যকর শুরু হয়েছে। আমি আশাবাদী আরো রায় কার্যকর হবে। এবং শেষমেশ যুদ্ধাপরাধীদের দল জামায়াতও প্রকৃত অর্থে, নিষিদ্ধ হবে। সেই সাথে আপনাদের রাজনৈতিক দর্শন চিন্তায় ধ্বস নামা শুরু হবে, প্রচন্ড হোঁচট খাবেন আপনারা। কারণ, বাংলাদেশ নামক ভূখন্ডে সরকার এবং বিরোধীদল উভয়কেই হতে হবে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বস্ত, দেশ মাতার প্রতি অনুগত। এর অন্যথা হবার সম্ভাবনা একাত্তরের শহীদানরা রেখে যান নি।
দুই প্রিয়জনের জন্মদিনে
১.
Twenty years from now you will be more disappointed by the things you did not do than by the things you did. So throw off the bowlines. Sail away from the safe harbor. Catch the winds in your sails. Dream. Explore. Discover.
উক্তিটি মার্ক টোয়েনের। ছেলেবেলা থেকেই এ ভদ্রলোককে আমি চিনি। টম সয়্যার আর হাকলবেরী ফিনকে বন্ধু মনে করি। তার বক্তব্যে ভরসা না পাওয়ার কোনো কারণ নেই। অন্তত আমার কাছে। প্রিয় লীনা আপুর জন্মদিন। মার্ক টোয়েনের উক্তিটি উপলব্ধি করার জন্য উনার প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি এবং সেই সঙ্গে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
২.
আমরা অসুস্থ সরকার চাই না
দু’সপ্তাহ আগে একদিন অবরোধের দিন জরুরি কাজে আগ্রাবাদে যেতে হয়েছিল।অনেকদিন পর একা একা বাসার বাইরে যেতে কেমন যেন লাগছিল।মনে হচ্ছিল সব কেমন অন্যরকম। বাসা থেকে অন্যরা বলে দিয়েছিল,সাবধানে যাস।ভাবখানা এমন যে আমি বোধহয় নতুন পথ চলতে শিখেছি।
বাসা থেকে বের না হলেও টিভি চ্যানেল আর পত্রিকার কল্যানে দেশের অস্থির পরিস্থিতির খবর ঠিকই জানতাম।কিন্তু সেদিন আগ্রাবাদে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বেরিয়ে দেখি রাস্তা অনেক বেশি ফাঁকা।সাধারণত অবরোধ হলে দূর পাল্লার গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকে বা চললেও খুব কম চলে।কিন্তু অবস্থা তো দেখি হরতালের চেয়েও খারাপ।
যাক অনেক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর একটা সিএনজি পেলাম।অন্যসময় সিএনজি ড্রাইভাররা যা ভাড়া তার চেয়ে অনেক বেশি চায়।দরদাম করতে হয় ।এদিনের সিএনজি ড্রাইভার দেখলাম যা ভাড়া তাই চাইল। সিএনজিতে বসে জিজ্ঞেস করলাম,আজ সিএনজি এত কম কেন? গন্ডগোল হচ্ছে নাকি।
তিনি বললেন, হ্যাঁ ,হঠাৎ হঠাৎ করে ককটেল মারে।আগুন লাগাইয়া দেয়।তাই ভয়ে কেউ বাইর হইতে চায় না।
তখন বেআক্কেলের মতো প্রশ্ন করে বসলাম, আপনি বের হলেন কেন?
নপূংসক দেশ
আমি ক্ষুব্ধ, ভীষণ ক্ষুব্ধ !
মনে হচ্ছে বাংলাদেশ নপুংশক হয়ে গেছে !
কাপুরুষ হয়ে গেছে সবাই !
স্বদেশ,স্বজাতির প্রতি কারো দায় নাই,
কর্তব্য নাই ।
বিশ্বাস ঘাতক হয়ে গেছে পুরো জাতি ?
একজন সৎ মানুষও অবশিষ্ট নাই আর ?
সবাই জাহান্নামে চলে গেছে?
দেশটাকেই নরক বানিয়ে রেখে ?
কোথায় রফিক আজাদ আজ?
'ভাত দে হারামজাদা' বলে
জনককেও চ্যালেন্জ ছুড়েছিলেন যিনি !
কিংবা নেয়ামত হোসেন ?
" রক্ত দিয়ে কিনলাম শালার এমন স্বাধীনতা "
লিখে আলোড়ণ তুলেছিল যার কলম !
দেশতো আজ সে দিনের অজাচার থেকেও
লক্ষ গুণ কদাচারের করাল গ্রাসে !
রাহু-কেতু গিলে খাচ্ছে সব ।
মানুষের রক্তে ভেসে যাচ্ছে দেশ,
ঘৃণার আগুনে পুড়েৃ যাচ্ছে জননী ।
কেউ জাগবেনা তবু ?
নপুংশক রয়ে যাবে ?
স্বেচ্ছায় নামবেনা কেউ ওরা
চূড়া থেকে । কেউ নামেনা ।
জনক নামেনি, ঘোষক স্বৈরাচার কেউনা ।
ওদের নামাতে হয় , প্রয়োজনে ঘাড় ধরে ।
আমি ক্ষুব্ধ, ভীষণ ক্ষুব্ধ !
ক্ষুব্ধ চিত্তে কামনা করছি..
কেউ একজন আসুক ....
দুই হন্তারককে হটিয়ে দিক !
স্মৃতিতে অম্লান ময়ূরপঙ্ক্ষী নৌকা
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালীন আমার বয়স তেমন বেশি নয়। তবে অনেক কিছুই স্মৃতির আয়নায় মাঝে মধ্যে উঁকি দেয়, এই যা। দিনক্ষণ মনে না পড়লেও স্পষ্টই মনে পড়ে, যুদ্ধ-উত্তর বাংলাদেশে রমনা রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আগমনে বিশাল একটি আয়োজন হয়েছিল। আর এ উপলক্ষে তৈরি করা হয়েছিল বিশাল একটি মঞ্চ, যা ছিল ময়ূর আকৃতির। তাই ময়ূরপঙ্ক্ষী নৌকা হিসেবেই এটি পরিচিতি পেয়েছিল। নদীমাতৃক বাংলাদেশে ময়ূরপঙ্ক্ষী নৌকা নিয়ে আছে নানা কল্পকাহিনী, আছে বাস্তব ঘটনাও। ময়ূরপঙ্ক্ষী নৌকা আমাদের সংস্কৃতিতে মিশে আছে। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে বাঙালি জাতির জনককে বাংলার ঐতিহ্যে বরণ করা হয়েছিল খুব সম্ভব এ কারণেই। সে সময়ে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়েছিলেন অনেকের মধ্যে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। কারণ স্বাধীনতাযুদ্ধকালীন ভারত বাংলাদেশের মিত্র হিসেবে কাজ করেছে।
শহীদ বুদ্ধিজীবিদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি - পর্ব এক
জহির রায়হান

বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং লেখক জহির রায়হান ১৯শে আগষ্ট ১৯৩৫ সালে ফেনী জেলার একটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫০ সালে আমিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মেট্রিকুলেশন পাশ করে ঢাকা কলেজে ভর্তি হন যেখান থেকে তিনি পরবর্তীতে আই এস সি পাস করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রী অর্জন করেন।
প্রথম জীবনে তিনি কমিউনিস্টদের আন্দোলনের প্রতি ঝুঁকে পড়েন। পরবর্তীতে যখন কমিউনিস্টদের রাজনীতি নিষিদ্ধ হয় তিনি তখন আত্মগোপনে চলে যাওয়া নেতাদের বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করতেন। মজার তথ্য হলো তার নামের শেষাংশ "রায়হান" আত্মগোপনে যাওয়া নেতাদের দেয়া। জহির রায়হানের প্রকৃত নাম জহিরুল্লাহ।
মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা শেষ পর্ব
তাদের ১০ জনের ৮ জন বিশ্বাস করে নাগরিকের মৌলিক চাহিদা পুরণের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। তারা বিশ্বাস করে সকল নাগরিকের অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা, শিক্ষার দায়িত্ব গ্রহন করার রাষ্ট্রের কর্তব্য। তারা মনে করে রাষ্ট্রের খাস জমি দরিদ্রদের সমবন্টন করতে হবে। তাদের ১০ জনের ৯জন বিশ্বাস করেন ভোট দেওয়া নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার। তাদের ১০ জনের ৫ জন বিশ্বাস করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে নারীদের তুলনায় পুরুষেরা বেশী যোগ্য, দক্ষ।
টু হানড্রেড!
শাহবাগের উত্তাল দিনগুলোতেও ব্লগে সিরিজ ধরে পোষ্ট লিখে ছিলাম, গাল ভরা নাম ছিল 'নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময়'। সেই সিরিজের সম্ভবত দুই হালির উপর পর্ব ছিল। অনেকে প্রশ্ন করতো শ্রেষ্ঠ সময় কিভাবে ফলবিহীন হবে?
ধূসর গোধূলিঃ খেলা...

বটতলার হাটের ইজারা নিয়ে হাঙ্গামা আজ নতুন নয়। গত কয়েক মাস ধরেই ঘাটের মাঝি কিংবা হাটের দোকানদারদের সাথে বাদলের বাক-বিতণ্ডা যেন নিত্য নৈমত্তিক ব্যাপার। বিনা নোটিশে ঘাটের টোল বাড়ানোর প্রতিবাদে খেয়া নৌকার মাঝি, মাছ ধরার নৌকার মাঝিরা কয়েক দফায় নৌকা বাওয়া বন্ধ রেখেছিল। এই নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে ইজারাদার বাদল আর হারু মেম্বরের ভাই মজনুর রেষারেষি লেগেই আছে। ঘাটের মাঝিরা তাদের দাবীতে অনড়, তারা বাড়তি টোল দিবে না। দরকার হলে তারা নৌকা বাওয়া ছেড়ে দিবে। বাদলের অভিযোগ মজনু নেপথ্যে থেকে কলকাঠি নাড়ছে।
অনেকদিন ধরে জমাটবাধা বরফ গলাতে আজ দুই পক্ষকে একসাথে বসানো হয়েছে। চেয়ারম্যান বশিরুল্লাহ পাটোয়ারীকে আনা হয়েছে একটা শান্তিপূর্ণ ফয়সালা করতে। নৌকার মাঝিদের অভিযোগ জানতে চাইলে কাজেম মাঝি বলে ওঠে,
অমুসলিমরা কোথায় যাব?
এই দেশ স্বাধীন করতে কে কী করেছে তা সবারই জানা। একটি স্বাধীন দেশ পাওয়ার জন্য সবাই মুক্তি সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়েছিল। বাঙালি কী আর অবাঙালি কী। সবাই পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। সেই ইতিহাসে না যাই। কারণ সেসব ইতিহাস সবার জানা আর না জানা থাকলেও কোন ক্ষতি নেই। কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তাহীনতায় আছে অমুসলিমরা। সুতরাং তাদের অতীতের ইতিহাস জেনে কী লাভ। সময় নিয়ে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে অনেক ঘোরা যাবে কিন্তু বর্তমানে বাস্তবতায় ফিরে আসা সবচেয়ে জরুরী।
কাহি তুমি কার?
কাহি তুমি কার?
(আঞ্চলিক)
কাহি মোদের রওশেন
একবার ভেবে কওছেন
দোষটা কী কাহার
তার এতো কষ্টে
লাভ কি তোঁয়ার।
সুখের একি সংসার
ভেঙে ক্যান ছারখার
কাহারে করলা তুমি
বড়ই অপমান
যায় বুঝি তার জান।
কাহা মোদের এরশাদ
বুঝবে তুমি এর স্বাদ
মান করে তাই খর্ব
ভাবছো বুঝি গর্ব
ভাঙবে অহঙ্কার।
সত্য করে বল কাহি
তুমি কি কাহার?
সর্বদলে কাহা নেই
তোঁয়ারই বাহার!
তয় জাপা কার?
নোট: কাহি-কাকি, মোদের-আমাদের, রওশেন-রওশন, কাহার-কাকার, তোঁয়ার-তোমার, ক্যান-কেন,
জান-জীবন বা প্রাণ, তয়-তবে, জাপা-জাতীয় পার্টি।
১২.১২.১৩
ষোল কোটি টিয়া পাখির আত্মকাহীনি
পূবাকাশে সামান্য রক্তিম রেখা ফুটে উঠেছে। সূর্যটা উঠি উঠি করছে। রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙ্গে অসংখ্য কাক কা কা করেই চলেছে। বারান্দায় রাখা খাঁচার ভিতরে বন্দী টিয়া পাখিটা আড়মোড়া ভেঙ্গে নিল। তার সঙ্গীর ঘুম এখনো ভাঙ্গেনি।
“আরে ওঠো ওঠো। ভোর যে হয়ে এল।”
“তোমার আমার কি এমন কাজ আছে যে আমরা সকাল সকাল না উঠলে মহাভারত অশুদ্ধ হবে?”
“তবুও কেমন জানি অপরাধ বোধ হয়।”
“যাদের অপরাধ বোধ হওয়া দরকার তাদের তো হয়না। তোমার হয়ে লাভটা কি?”
“দেশের যা অবস্থা তাতে কি আর শান্তিতে বসে থাকা যায়?”
“যারা দেশের স্টিয়ারিং হুইল ধরে আছে তারা তো দিব্যি নরম গদির বিছানায় লেপ গায়ে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। তোমার কেন দেশ নিয়ে এতো মাথা ব্যথা বুঝিনা বাপু।”
“আহা দেশের প্রতি একটা দায়িত্ব আছে তো। এই মাটিতে আমাদের জন্ম, তার ঋণ কি মরেও শোধ করা যাবে!”
