ইউজার লগইন
ব্লগ
বঙ্গ ফ্রীল্যান্স বুদ্ধিজীবির বানিজ্যমেলা যাত্রা!
নামটা ধার করেছি মুনতাসীর মামুনের বই থেকে। বইটার নাম সবাই জানে- ঢাকা স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী। তার সেকেন্ড খন্ডে হরিপ্রভা তাকেদার গল্প আছে। হরিপ্রভা তাকেদা হলো ঢাকার প্রথম আধুনিক মহিলা। তার স্বামী উয়েমন তাকেদার ঢাকায় আসেন ভাগ্যের সন্ধানে, ১৯০৩ সালের দিকে খোলেন 'ইন্দোজাপানিজ সোপ ফ্যাক্টরী'। ঘনিষ্ঠতার সুত্র ধরে ১৯০৬ সালে তারা বিবাহ করেন। ১৯১২ সালে ব্যাবসা গুটিয়ে তাঁরা জাপান যাত্রা শুরু করেন। কোনো বঙ্গ মহিলার প্রথম জাপানী বিয়ে করে জাপান যাত্রা সেই প্রথম। ১৯১৫ সালে তিনি বইটা লিখেন নাম 'বঙ্গমহিলার জাপান যাত্রা'। নেতাজী সুভাষ চন্দ্রের দেখা করেন, জাপানের নানা শহরে ঘুরেন, শ্বশুর শ্বাশুরীর ও এলাকাবাসীর ব্যাপক আদর স্নেহ পান। তার বই পড়ে মুগ্ধ হয়েছেন কিশোর বয়সী অন্নদাশঙ্কর রায় থেকে বুদ্ধদেব বসু। একজন সাধারন বঙ্গমহিলা যিনি কিছুই দেখেন নি তার দুনিয়ার তার চোখে জাপান ও জাপানীদের সেই সময়ের সমাজ নিয়ে লেখতে পারা নিঃসন্দেহে অসাধারণ ব্যাপার। এশিয়ার বাইরে কিংবা এশিয়ার অন্য কোনো ভাষায় এরকম জাপান নিয়ে সম্পুর্ন কোনো বই বের হয়েছে কিনা তা গবেষনার বিষয়। ওয়াতানাবে নামের এক জাপানী জানাচ্ছেন জাপানীদের সেই সময়ের মন মানস
"নিওলিবারাল পুঁজিবাদ"-এর অলীক ভূত এবং বাংলাদেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা
একটা কথা ক'দিন ধরে মাথার মধ্যে ঘুরছে। '৭৫-এর ১৫ আগষ্ট এবং ৪ নভেম্বরের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতেও একপক্ষের ফাঁকা মাঠে গোল দেবার চমৎকার অবস্থা তৈরি হয়ে গিয়েছিলো। এবং এই সুযোগটা ক্ষমতালিপ্সু জেনারেল জিয়া ঠিকই একতরফা কব্জা করে নিয়েছেন। এই ধুরুন্ধর লোভী জেনারেল প্রো-পাকিস্তানী দাওয়াই অব্যর্থভাবে ব্যবহার করেছেন।
উনি জানতেন প্রো-পাকিস্তানী আবহ তৈরি করতে হলে যুদ্ধাপরাধী রাজাকার শাহ আজিজুর রহমান, আব্দুল আলীম এদেরকে তার মন্ত্রীসভায় স্থান দিতে হবে। সে সাথে বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে বৈধতা দিয়ে জামায়াতে ইসলাম, মুসলিম লীগকে রাজনীতি করার পুরো সুযোগ দিতে হবে। আর অন্যদিকে কমিউনিস্ট পার্টিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
তাকে তখন বাংলাদেশে মার্কিন-পাকিস্তানী অক্ষ শক্তির বিজয় রথকে এগিয়ে নেয়ার মিশনে নামতে হয়েছিল। বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে দুর্বল করে ফেলার পরিকল্পনায় এগুচ্ছিলেন রীতিমত। যে কারণে চীনাপন্থী বাম-রা এসে পড়ে তার দলে, মন্ত্রীতে। এসব কাজই তিনি করছিলেন একতরফাভাবে, রাজনীতিশূন্যতায়, আওয়ামীলীগের বিপন্ন অস্তিত্বের সুযোগে।
স্তব্ধ পিনপতন
মিউজিকটা জ্যাজ হবে, অথবা ব্লুজ। স্যাক্সোফোনে একজন ককেশীয় কখনো সুরের মোহনীয়তায়, কখনো একঘেয়েমী টোনে বাজিয়ে যাচ্ছে। স্যাক্সোফোন হাতে আমরা আফ্রিকান কালো লোক দেখে অভ্যাস্ত। বিশাল ভূড়িওয়ালা একজন কালোমানুষ চোখ মুখ গলা ফুলিয়ে মোহনীয় ভঙ্গিতে বাজিয়ে যাচ্ছে এই ছবিটাই যখন মনে গেথে আছে, তখন এরকম একজন লিকলিকে ককেশীয় যুবকের হাতে স্যাক্সোফোন দেখে মনে হচ্ছে, এটা ওর জন্য খুব ভারী। তবে খারাপ বাজাচ্ছে না।
বার আমার কোনো প্রিয় জায়গা নয়, খুব মারকুটে সুরাপ্রেমীও নই। ঘরে একা বসে সময় কাটছে না, প্রতিটা ঘন্টা টেনে অসীম সময়ের মতো লম্বাটে মনে হচ্ছিলো।ওভারকোট টেনে চোখে পড়া প্রথম জ্যাজ বারটাতে ঢুকে গেলাম। সোমবারেও এত মানুষ সব কোনার টেবিলগুলো দখল করে ফেলেছে। সবাই নিজেকে আড়াল করতে চায়, একটু আলো আধারে জ্যাজের সুরে নিজেকে গুলিয়ে ফেলতে চায়।
ফেরারি
অপলার মুখে রোদ পড়ছে। বিরক্তিতে বাঁকা ভ্রু জোড়া কুঁচকে গেছে ওর। কোলের উপর খোলা বইটার পাতায় চোখ রাখলাম আমি। শেষ লাইনটা খুঁজে পাচ্ছি না, আতিপাতি করে খুঁজতে শুরু করলাম। এবার দুলুনির বেগে অপলার মাথাটা আমার কাঁধে হেলে পড়ল। শেষ লাইন খোঁজা বাদ দিয়ে বইটা ব্যাগে ভরে রাখলাম। ট্রেনের দুলুনিতে আমারও ঝিমুনি ধরে যাচ্ছে। কামরা ফাঁকা। অপলার ঘুমন্ত মুখের দিকে চেয়ে দেখি রোদ সরে গেছে, কিন্তু একগোছা চুল মুখের উপর পড়ে আছে, হাওয়ায় দুলছে। আলতো করে চুলটাকে সরিয়ে দিতেই চোখ খুলে ফেলল ও। শাড়ির আঁচলটাকে গুছিয়ে নিয়ে কেজো গলায় বলল
-কটা বাজল?
-পৌনে দুটো।
-কতদূর এলাম বল তো?
-আরো ঘণ্টা দুয়েক লাগবে বোধ হয়, মধুপুর ছাড়িয়ে এসেছি।
ব্যাগ থেকে খাবার, জলের বোতল বের করছে অপলা। হঠাৎ মনে পড়তেই বলল
-ওষুধগুলো খেয়েছিলে?
-ওহ্ একদম ভুলে গেছি...দাও তো
বিরক্ত চোখে তাকালো ও। আমি তাড়াতাড়ি গিলে ফেললাম ওষুধগুলো।
খাবার খাওয়ার পর অপলা ম্যাগাজিন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেল। এদিকে আমি উসখুস করছি কথাটা বলব বলে। ব্যাপারটা বুঝতে পেরে ও বলল
-বলে ফেলো
আমি খুক খুক করে একটু কাশলাম।
-ইয়ে…তেমন বিশেষ কিছু না অপলা।
শেষ বলে কিছু নেই!
ভেবে ছিলাম টানা অবরোধ ও হরতালেই দিনগুলো কেটে যাবে সামনের সময়, কিন্তু তা হলো না অসীম অবরোধেরও একটা আপাত শেষ ঘটলো। অবরোধহীন এই দিনগুলো কেমন যেনো ম্যারমেরে লাগছে। যদিও আমার জন্য সবই একই রকমের দিন, অবরোধ হতে হতে কেমন জানি আমড়া কাঠের অলসতা ভর করেছে শরীরে। ভুড়ি বাড়ছে শুধু, অবরোধ নেই, আগুন নেই তাও কোথাও যাই না খালি ঝিম মেরে বাসায় বসে থাকি আর দুবেলা করে চায়ের দোকানে চার ঘন্টা, এই আপাতত এক্টিভিটি। আবীর ছিল বাসায়, দিন গুলো কাটলো আনন্দেই। শনিবারে যখন চলে গেল এবার আর তুলে দিতে যাই নি, বাসে তুলে দিয়ে এসে মন খারাপের সেই উদাসী রিকশা ভ্রমন ছিলনা, সিএঞ্জি খুজে চলে গেলো কমলাপুর আর আমি বাসাতে। সেই শনিবার ব্যাপক হাসাহাসির ভেতরে ছিলাম সারাদিন, সন্ধ্যায় আদনান জন্মদিনের পার্টি দিল ক্যাম্পে- ব্যাপক খেলাম। ক্যাম্পে দলবেধে গেলে বিপদ। রিকশা থামালেই ছেকে আসে পোলাপাইন, মামা আমাদেরটায় আসেন, ভাইয়া আমাদেরটায় আসেন, কেউ বলে উঠে এতো আমাদের ভাই আসেন ভাই মুসলিমে, কেউ বলে সারাজীবন মুসলিম মুস্তাকিমে তো বহুত খাইলেন এবার আমাদেরটায় খান রহীম নতুন আসছে। ডিসিশান নেয়া খুব বিপদ হয়ে যায়, তবে দেখা গেছে ঘুরে ফিরে সেই মুসলিমের দোতালা
আগে কি সোন্দর দিন কাটাইতাম!
প্রকৃতির পাঠশালায় পড়ে থাকি…
সবুজ প্রান্তর ছাপিয়ে বিস্তৃতি তার কতই অবাধ
সবুজ পাতাকে পড়ি, ঘাসফুল তুলে নিই হাতে,
দু'পায়ে মেখে নিই দূর্বাদলে লেগে থাকা ভোরের শিশির,
শৈশবের 'সবুজ-সাথী' দুলে উঠে স্মৃতির ঝালরে।
খুঁজে-খুঁটে দেখি বৃক্ষ-লতা-পাতা,
বয়সী বটের মতো আমিও সুস্থিত হই, শেকড় ছড়াই।
বৃক্ষের বাকলে খুঁজি প্রপিতামহীর মুখের ভাঁজ
নীড়ে ফেরা পাখিদের ঝুমঝুমি কোলাহলে ভারী হয়ে আসে
গোধুলির গোলাপী আকাশ।
অতঃপর সন্ধ্যা হলে ঝিঁ ঝিঁ ঢাকে
মন্ত্রের মতো প্রাচীন সংগীত এক, মস্তিস্কের কোষে কোষে
ধ্যানী হয়; থেকে থেকে সন্ধ্যের সুরেলা আযান ভেসে আসে
রাত্রিতে পুঁথি পাঠ গানের আসর
রহমান বয়াতির ধরণে আমাকে জানান দেয়
"আগে কি সোন্দর দিন কাটাইতাম!"
বিধি বাম!
তোমার সবুজ প্রান্তরে বিষাক্ত সীসার মতো
কে যেন ছড়ায় সন্ত্রাস, ভাঙ্গে নীড়,
ঘর-মন-গেরস্থালি তছনছ, পোড়ামাটি, বিধ্বস্ত মন্দির
কে যেন নিমেষে গুঁড়িয়ে দেয় স্বপ্নসাধ, আমাদের সম্প্রীতি অবাধ।
প্রতিমার ভাঙা হাত, দেহের বিচ্ছিন্ন অংশ চারিদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে…
এ কোন 'রক্তাক্ত প্রান্তর' দেখি আজ?
হে প্রিয় মাতৃভূমি, জননী আমার!
এক মাহাথিরের সন্ধানে
সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় অনুষ্ঠিত ০৫ জানুয়ারীর বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটবিহীন একতরফা নির্বা চনের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নবগঠিত সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই তিনি তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বা চিত হয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একজন ক্রীড়াপ্রেমী ১৯৯৬-২০০১ এবং ২০০৮-২০১৩ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন উল্লেখ্যযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন সুযোগ পেলেই তিনি মাঠে গিয়ে লাইভ খেলা দেখেছেন খেলোয়াড়দের উত্সাহ জুগিয়েছেন অনেক অনেক পুরস্কার ও প্রণোদনা দিয়েছেন তারই শাসনামলে বাংলাদেশ সহযোগী আয়োজক হিসাবে সফলভাবে বিশ্বকাপ ক্রিকেট আয়োজন করেছে
সুন্দরবন ভ্রমন ২০১৩ (পর্ব ৪)
সকালের নাস্তা খেয়ে উঠতে না উঠতেই সবাইকে ট্রলারে চাপিয়ে আবারো বেড়িয়ে পড়া হলো কটকা বীচের উদ্দেশ্যে। কাদা, শ্বাসমূল এড়িয়ে চলার জন্যে কাঠের ব্রিজ তৈরী করা, কিছুদূর যেতেই কয়েকটা দেখা মিলে বনবিভাগের তৈরী করা কিছু কটেজ, লাল-শাপলায় পরিপূর্ন পুকুর। কয়েকগ্রুপে ভাগ হয়ে কেউ কটেজের দিকে, কেউ বাঘের আশায়, কেউ বীচের দিকে আগাতে থাকলাম। হাল্কা গাছের সারি পেরিয়ে গেলে গোলপাতা আর আরো নানান গাছেরসারির মাঝে দেখা মেলে সার সার হরিণের দল। চারদিনের ট্যুরে যত হরিণ দেখেছি এখানকার হরিণের পাল দেখতে বেশি আকর্ষনীয় লেগেছে। চঞ্চল নয় অপেক্ষাকৃত শান্ত, ছোটবড় অবাক হয়ে চেয়ে থাকা প্রানীগুলোর সৌন্দর্য্যতা মুগ্ধতা এনে দিবে যে কাউকেই নিঃসন্দেহে।

বুক পকেট
-------- বুক পকেট
আমার একটা আকাশ আছে ৷
যখন সবাই ঘুমিয়ে পরে তারাগুলো জেগে উঠে ৷
ছোট্ট করে ভাজ করে,আকাশটাকে বুক
পকেটে ডুবিয়ে রাখি আলতো করে ৷
পকেটে তো স্বপ্নগুলো দিনের বেলায় করে খেলা ৷
স্বপ্নগুলোর জোসনা দিয়ে আকাশটাকে রাঙিয়ে তুলি ৷
সবাই যখন ঘুমিয়ে পরে মাঝরাতে নিজ নিরে ,
জোসনাগুলো মেখে নিতাম শরীরটাও ডুবিয়ে নিতাম ৷
কেউ জানেনা বুক পকেটে আরো কিছু কষ্ট ছিলো ৷
কষ্টগুলো নিজ মনে জলত সে যে ক্ষণে ক্ষনে ৷
ছোট্ট একটা নদীও ছিল বুকপকেটের মাঝখানটে ৷
কষ্টগুলো জ্বলত যখন নদীর পানি আপন ধারায় ছুটতে তখন আবেগ হারায়
৷
সাথে কিছু দুঃখ ছিল চুপটি করে বুক পকেটে থাকত সেতো নীরব
মনে ৷
নদীর পানি শুকিয়ে গেলেই দুঃখ তাকে ভরিয়ে তোলে ৷
লোনা পানির আপন ধারায় ছুটত নদী নিজ গতিতে ৷
আকাশটা আজ অনেক বর ৷ পুব আকাশে মেঘ জমেছে ৷ তারাগুলোও
হারিয়ে গেলো ৷ আকাশের
পানে তাকিয়ে দেখি জোসনাগুলোও নেই সেখানে ৷ আবার
কবে ভরবে আকাশ ?
জোসনাগুলো করবে খেলা ৷
আমি তখন সুখের ধারায় গুনবো আকাশে কয়টি তারা ৷
দারুন একটি বাংলাদেশী ই - কমার্স সাইট HotOfferBD.COM
আজ আপনাদের একটি বাংলাদেশি ই-কমার্স সাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো । যেখান থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পছন্দ করে কিনতে পারেন সহজেই । এখানে পাওয়া যাবে সব ধরনের Pen drive , Memory Card , Headphone , All Kind Of Electronics , আকর্ষণীয় T-Shirt , পছন্দের মানুষটিকে দেওয়ার মত নানান Gift , বাচ্চাদের প্রিয় খেলনা সহ আরো অনেক কিছু !!
পছন্দের পণ্যটি কিনতে কে না চায় ?? আর তাও যদি হয় অবিশ্বাস্য সাশ্রয়ী দামে !! তাহলে তো আর কথা-ই নেই !!
অতঃপর বহুদিন পর
বহুদিন পর লিখতে বসলাম। বহুদিন পর মনে হলো আমি ঠিক যে বিন্দু থেকে হাটতে শুরু করেছিলাম ঠিক সে বিন্দুতে ফিরে আসলাম। তখন বুক ভরা স্বপ্ন ছিলো, এখন স্বপ্ন ভাঙ্গা বেদনা। স্বপ্ন ভাঙ্গা গড়ার আঘাতটা বাহ্যিক নয় বলেই আমরা আবার শুরু করতে পারি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমরা কিছু একটা গড়ার জন্য ছুটতে থাকি। মৃত্যুর শীতল পরশ যখন চুমু দিয়ে যায়, তখন এক লহমায় ফিরে দেখি অতীতের ক্ষনগুলো। জন্মের পর হুট করে আধার থেকে প্রচন্ড আলোয় কান্না জুড়ে দিলাম, মৃত্যুর পর সেই অন্ধকারে ফিরে গেলাম চোখের শুকনো অশ্রু নিয়ে।
যখন যা মনে হয় ২
প্লেনে আর বিমানবন্দরে ধূমপান নিষিদ্ধ কিন্তু ডিসকাউন্টে সিগ্রেট বিক্রি আইনসিদ্ধ।
কিছু বিখ্যাত লোকের সংস্পর্শে এসে অনুভূতি হয়েছে, আরমানী গুচ্চি বাহিরে কেবল, ভিতরে সবাই সমান নাঙা
প্রতিদিন সকালে অফিস যাওয়ার আগে কাবার্ড খুললে খুঁজে পাই না কোন কাপড় পরবো। সবগুলোইতো কতোবার পরা। আবার সপ্তাহান্তে কাবার্ড গুছাতে গেলে মনে হয়, একী অবস্থা, কি করেছি, জায়গা হয় না। বাহান্ন সপ্তাহই একী অনুভূতির মধ্যে দিয়ে যাই। কোন অনুভূতিটা সত্যি নাকি আমি অস্বাভাবিক?
ভালবাসা একটা বায়বীয় পর্দাথের নাম, যেটা অনুভব করতে পারায় আর না পারায় দৈনন্দিন জীবনে অনেক পার্থক্য হয়ে যায়।
মদ খাওয়া হারাম কিন্তু ঘুষ খাওয়া হালাল।
সংসার হলো কারগিল সীমান্ত যেখানে ইন্ডিয়া পাকিস্তানের শান্তিপূর্ন সহাবস্থান। বর্ডার লাইন ক্রস করলেই গোলাগুলি।
অনুপ্রেরণামূলক কিছু কথা
যখন একা থাকার
অভ্যাস হয়ে যায়,
ঠিক তখনি স্রষ্টা কিছু মানুষের
সন্ধান দেন ।
যখন তাদেরকে নিয়ে ভাল
থাকার অভ্যাস হয়ে যায়,
ঠিক তখনি আবার
একা হয়ে যেতে হয় |
________জর্জ বার্নাড
অভিমান হল হৃদয়ের অতি গোপন
প্রকোষ্ঠের ব্যাপার,যে কেউ
সেখানে হাত
ছোঁয়াতে পারে না
.........সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
ছোট্ট বেলায় অভিমান
করলে অনেক কিছু পেতাম,
আর এখন অভিমান করলে অনেক কিছু
হারাই..
কারণ তখন ভালবাসায় ছিল পূর্ণতা,
আর এখন ভালবাসা পায় শূন্যতা !
অপ্রিয় হলেও সত্য !
__হুমায়ুন আহমেদ
প্রায় প্রত্যেক মানুষেরই
প্রেম করার আগ্রহ থাকে,
কিন্তু এর বাস্তবায়ন
খুব কম মানুষই করতে পারে|
আর যারা করতে পারে
তারা আসলেই ভাগ্যবান|
_____পি.এইচ.রুপক
দুঃখ কখনো একা আসে না- দল
বেধে আসে
- সেক্সপিয়ার
"আজকালকার মেয়েদের
ডায়েরি লেখার মত
সময় নেই। নিজেদের কথা তারা শুধূ
গোপন
করতে চায়। লিখতে চায় না"
---হুমায়ূন আহমেদ
"মানুষের জীবনটা হচ্ছে একটা সরল
অংক। যতই দিন যাচ্ছে,ততই
আমরা তার সমাধানের
দিকে যাচ্ছি।"
হুমায়ূন_আহমেদ
প্রত্যেকেই বিশ্ব বদলে দেয়ার
চিন্তা করে কিন্তু
নিজেকে বদলানোর চেষ্টা কেউ
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন
১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বিকেলবেলা বঙ্গবন্ধু ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বিমানবন্দর জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল। বিমান থেকে বঙ্গবন্ধু দেখলেন গোটা ঢাকা শহরের সব মানুষ যেন বিমানবন্দরকে ঘিরে আছে। একজন বিদেশি সাংবাদিক বঙ্গবন্ধুর পাশেই বসা ছিলেন। দেখলেন বঙ্গবন্ধু হঠাৎ ডুকরে কেঁদে উঠলেন। তিনি বঙ্গবন্ধুকে জিজ্ঞেস করলেন, 'আপনার তো আনন্দের দিন। আপনি কাঁদছেন কেন?' বঙ্গবন্ধু কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলেন, 'এত মানুষ যে আমার অপেক্ষায়। আমি ওদের খাওয়াব কী? পাকিস্তানিরা তো সব ধ্বংস করে গেছে।' জাতির পিতা না হলে ওই মুহূর্তে এ রকম কথা বলা যায় না। বঙ্গবন্ধুর উদ্বেগ ছিল স্বাভাবিক। রাস্তা নেই, ব্রিজ নেই। রাষ্ট্রীয় কোষাগারে কোনো টাকা নেই। আজ ২০১৪ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ১৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি মজুদ আছে। কীভাবে শুরু হয়েছিল আমাদের রাষ্ট্রীয় কোষাগার?
ধূসর গোধূলিঃ ২৬ - মেলা...

সকালে উঠে চারটা মুখে দিয়েই কাজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যাচ্ছিলো বিভা। পিছন থেকে প্রভার কথা শুনে ফিরে তাকায়। প্রভা বলে,
-মা, কাইল রাইতে তোমারে যা কইছিলাম মনে আছে?
বিভা কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে। মন খারাপ হয়। মেয়ের ছোট খাট আবদার পূরণ করারও সামর্থ্য ওর নেই। কাল রাতে মেলা থেকে চুড়ি, ফিতা কিনে দেবার জন্য আবদার করেছে প্রভা। বিভা ঘর থেকে বেরিয়ে যাবার সময় অনেকটা দায়সায়রাভাবেই বলে,
-দেহি, টাকা পাইলে আনুমনে
-তোমার কাছে কিছু চাইলেই খালি এমন কর, প্রভা অভিমানের সুরে বলে।
-এত্তবড় মাইয়া, তুমি বুঝনা এইগুলান কিনতে টাকা লাগে। ভাতই জোডেনা, তায় আবার সখ পূরণ!
-থাউক, লাগবে না
-কইছি না টাকা পাইলে আনুমনে, বলে বাজারের উদ্দেশ্যে হাঁটতে থাকে বিভা।