ইউজার লগইন
ব্লগ
বিত্তশালী উপহাস
হিটলারের নাম এখন অস্পৃশ্য। ছোটশিশুদের সামনে এই নামটি একসময় উচ্চারন করা হতো না। ভাবতো ইবলিশ বা শুকর প্রানীর নাম যেমন মুসলমানেরা মুখে নিতে পারে না, তেমনি হিটলারের নাম কোনো সভ্য মানুষ মুখে নিতে পারে না।
লক্ষ লক্ষ মানুষের রক্তের বিনিময়ে হিটলারের উন্মাদনা থেকে মুক্তি পায়। হিটলারের ফ্যাসিজম, একনায়কতন্ত্রের নির্যাতনের গুমোট কান্না ইউরোপের দেয়ালে দেয়ালে একসময় গুমড়ে কাঁদতো। এখন সেসব গল্পগুলো অনেকটা রূপকথা হয়ে গেছে। মানুষ দারিদ্র্যতাকে দূর করেছে, মুছে ফেলেছে প্রায় ধনী দরিদ্রের ব্যাবধান। মেধা দিয়ে যে পৃথিবী হাতের মুঠোয় আনা যায় তার দৃষ্টান্ত নতুন করে বলার প্রয়োজনীয়তা রাখে না।
দেশে ভয়ে ফোন দেয়া হয় না। দেশে আজ সবকিছুই আছে: আছে সরকারী সন্ত্রাসবাদ, ধর্মীয় মৌলবাদ, জঙ্গী, মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য। বিস্তৃত এক জনপদ ধুকছে নিজেদের গড়ে তোলা ফ্রান্কেনস্টাইনের আঘাতে। ক্যান্সারের মতো আমরা নিত্য ব্যাথায় ধুকছি। অপরের পিঠে দোষ দিয়ে ক্লান্ত হইনি, তবে যখন ক্লান্ত হবো তখন নিজেদেরকে দোষ দিতে শুরু করবো। এভাবেই একটা সোনালী দেশে আগুন লাগবে, জ্বলতে থাকবে।
তখন থাকবে পরে এক ফালি এই দিন!
দিন যাচ্ছে যত বাঙ্গালী মধ্যবিত্তের যত স্মৃতিময় সময়ের গল্পগুলো ছিল, সেই গল্পের মানুষগুলো হারিয়ে যাচ্ছে। সুচিত্রা সেন তো সেই কবেই সিনেমার সোনালী দুনিয়া থেকে চলে গেছেন, থাকতেন একেবারেই অন্তরালে। এবার সেই অন্তরাল থেকেও হারিয়ে গেলেন। আমার অবশ্য তাতে খুব একটা কষ্ট নাই, অনেস্টলি স্পিকিং আমি সুচিত্রা সেনকে আমার সময়ের সঙ্গে রিলেট করতেও ফেইল করেছি। তাঁর সপ্তপদী কিংবা হারানো সুর আমিও টিভিতে দেখছি কিন্তু আগের মানুষদের মত সেরকম মুগ্ধ হই নাই। ফ্যান্টাসীও জাগে নাই। তার চেয়ে রাজ্জাক ববিতার সিনেমা কম্পারেটিভলি আমার বেশী স্টানিং লাগছে টিভিতে। আর আমরা এমন এক নষ্ট প্রজন্মে জন্ম নিছি যারা সিনেমা হলের চেয়ে টেলিভিশন কিংবা কমিকস বইকে বেশী আপন করে পেয়েছে। তাই সিনেমার যে চার্ম তা আমি খুব বেশী ফিল করতে পারেন না। তাই সুচিত্রা সেনের গ্ল্যামারের বর্ননা আমার মুরুব্বীদের মুখেই শুনতে হয় আর পত্রিকাতেই পড়তে হয়। এরকম একটা গল্প আছে- জানি না সত্য মিথ্যা, পাকিস্তান আমলে একবার নাকি বোর্ডের কোন পরীক্ষায় আসছিলো বাংলায় উত্তমের বিপরীত শব্দ, সবাই নিঃসংকোচে লেখে আসছে- সুচিত্রা। আসলে সময় মানুষকে নানান ভাবে ভাবায় ও নানান কিছুতে আচ্
আমি চাই না সে বেহেশত
আমার আব্বা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন আজ ৩৩ বছর আগে।কেন জানি না এতদিন পরও বাবার প্রতি ভালবাসা বেড়েছে বই কমেনি।আমার ছেলে জোনয়েদ যত বড় হচ্ছে, ওকে আমি যত দেখি ততই বাবার স্মৃতি আমার কাছে স্মৃতির অবয়ব ছেড়ে বাস্তবতার রূপ পরিগ্রহ করে।ছেলে মেয়ের প্রতি আমার আবেগ অনুভূতি বাবার উপর প্রতিস্থাপন করে যখন দেখি, আজ অনেক অনেক নিজেকে অপরাধী মনে হয়। ভাবি আমার মত বাবারও নিশ্চয়ই এমনি অনুভূতি ছিল। মা বাবার সাথে সন্তানের একি এক অমোঘ বন্ধন, একি অমোঘ মায়ার অভেদ্য জাল।এ জাল তো কোন গার্মেন্টসে তৈরী সুতার জাল নয়।এ জাল যে শরীর নামক অবয়ব খানির শিরা উপশিরা, রিদয় থেকে রিদয় নামক অদেখা অনুভুতির ভান্ডারের অনু পরমানুর সমন্বয়ে বা মানুষের জ্ঞানের পরিধির বাইরে আরও অনেক অনেক কিছুর সমন্বয়ে গঠিত।যা পলকে আক্রান্ত করে। অথচ তখন কেন বুঝিনি?
একটি মৃত্যুবিষয়ক ব্লগ
২০১৪। ব্লগার জীবনের সাত বছরে পা দিলাম। সাত বছর এক জীবনের জন্য অনেক দীর্ঘ সময়। অনেক দীর্ঘ সময়ে অনেক কিছু নিয়ে অনেক কথা বলে ফেলেছি অথচ অমোচনীয় নিয়তি "মৃত্যু" নিয়ে তেমন কিছু বলা হয়নি। হয়ত প্রচ্ছন্ন ভয়, হয়ত অজ্ঞাত অবজ্ঞা, জানা নাই কেন।
সৌভাগ্য অথবা দুর্ভাগ্যক্রমে কারও জীবনের অন্তিম সময়ের সাক্ষী হতে হয়নি কখনো। খুব কাছের মানুষ বলতে যাদের বোঝায় তাদের মাঝে আমার দাদা গত হয়েছেন আজ বহু বছর। সত্যিকারের স্মৃতি বলতে যা বোঝায় তাঁকে নিয়ে সেসব কিছু নাই। হয়ত বাবা মনে রাখেন।
নানার স্মৃতি কিছু আছে আবছায়া, তাঁর সাদা পঞ্জাবী তুষার শুভ্র চুল, হোমিওপ্যথ ওষুধ-পত্তরের বাক্সে ছোট ছোট মিষ্টি সাদা দানা, হাত ধরে রাস্তায় হেঁটে বেড়ানো সাদাকালো ছবি ..... তাঁর মৃত্যুকালীন সময়ের ঘটনাপ্রবাহ মগজ মুছে ফেলেছে। হয়ত মা মনে রাখেন।
মায়া

আজি হতে বহুবর্ষ আগে
একদা ফেলে এসেছিলাম তারে
কীর্তনখোলার তীরে,
শ্যামা ষোড়শীর হরিণী নয়নের
মায়াবী দৃষ্টি ছাড়িয়ে
চলে এসেছিলাম; একেবারে।
এই হেমন্তের দিনে
গাশ্বীর রাতে আশ্বিন চলে যায়-
কার্তিকের নবান্নের আহবানে;
সবকিছু মনে পড়ে যায়।
হারানো দিনের তরে
মনটা কেবলই কেঁদে ওঠে
ফেলে আসা দিনগুলি
হাতছানি দেয়-
বারে বারে।
তারপর, বহুকাল কেটে যায়-
কখনও ভোলা হয়নি তারে
একটি দিনের তরেও।
সোনারোদে ঝিলমিল হাসির
ঝলকের প্রবল আকর্ষণে
মনটা ছুটে যায়, ক্ষণে ক্ষণে;
কালো তিলকের মায়া জড়ানো
সবুজের অলঙ্কারে।
আজও এই ক্ষয়ে যাওয়া
পাথর সময়ের ক্রুদ্ধ দৃষ্টি এড়িয়ে
মন ছুটে যায়,
অবলীলায়-
সেই শ্যামলিমায়!
হিজলের ছায়ায়,
কাঠবিড়ালী, ঘুঘু-ডাহুকের
নিবিড় ভালবাসায়।
বঙ্গ ফ্রীল্যান্স বুদ্ধিজীবির বানিজ্যমেলা যাত্রা!
নামটা ধার করেছি মুনতাসীর মামুনের বই থেকে। বইটার নাম সবাই জানে- ঢাকা স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী। তার সেকেন্ড খন্ডে হরিপ্রভা তাকেদার গল্প আছে। হরিপ্রভা তাকেদা হলো ঢাকার প্রথম আধুনিক মহিলা। তার স্বামী উয়েমন তাকেদার ঢাকায় আসেন ভাগ্যের সন্ধানে, ১৯০৩ সালের দিকে খোলেন 'ইন্দোজাপানিজ সোপ ফ্যাক্টরী'। ঘনিষ্ঠতার সুত্র ধরে ১৯০৬ সালে তারা বিবাহ করেন। ১৯১২ সালে ব্যাবসা গুটিয়ে তাঁরা জাপান যাত্রা শুরু করেন। কোনো বঙ্গ মহিলার প্রথম জাপানী বিয়ে করে জাপান যাত্রা সেই প্রথম। ১৯১৫ সালে তিনি বইটা লিখেন নাম 'বঙ্গমহিলার জাপান যাত্রা'। নেতাজী সুভাষ চন্দ্রের দেখা করেন, জাপানের নানা শহরে ঘুরেন, শ্বশুর শ্বাশুরীর ও এলাকাবাসীর ব্যাপক আদর স্নেহ পান। তার বই পড়ে মুগ্ধ হয়েছেন কিশোর বয়সী অন্নদাশঙ্কর রায় থেকে বুদ্ধদেব বসু। একজন সাধারন বঙ্গমহিলা যিনি কিছুই দেখেন নি তার দুনিয়ার তার চোখে জাপান ও জাপানীদের সেই সময়ের সমাজ নিয়ে লেখতে পারা নিঃসন্দেহে অসাধারণ ব্যাপার। এশিয়ার বাইরে কিংবা এশিয়ার অন্য কোনো ভাষায় এরকম জাপান নিয়ে সম্পুর্ন কোনো বই বের হয়েছে কিনা তা গবেষনার বিষয়। ওয়াতানাবে নামের এক জাপানী জানাচ্ছেন জাপানীদের সেই সময়ের মন মানস
"নিওলিবারাল পুঁজিবাদ"-এর অলীক ভূত এবং বাংলাদেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা
একটা কথা ক'দিন ধরে মাথার মধ্যে ঘুরছে। '৭৫-এর ১৫ আগষ্ট এবং ৪ নভেম্বরের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতেও একপক্ষের ফাঁকা মাঠে গোল দেবার চমৎকার অবস্থা তৈরি হয়ে গিয়েছিলো। এবং এই সুযোগটা ক্ষমতালিপ্সু জেনারেল জিয়া ঠিকই একতরফা কব্জা করে নিয়েছেন। এই ধুরুন্ধর লোভী জেনারেল প্রো-পাকিস্তানী দাওয়াই অব্যর্থভাবে ব্যবহার করেছেন।
উনি জানতেন প্রো-পাকিস্তানী আবহ তৈরি করতে হলে যুদ্ধাপরাধী রাজাকার শাহ আজিজুর রহমান, আব্দুল আলীম এদেরকে তার মন্ত্রীসভায় স্থান দিতে হবে। সে সাথে বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে বৈধতা দিয়ে জামায়াতে ইসলাম, মুসলিম লীগকে রাজনীতি করার পুরো সুযোগ দিতে হবে। আর অন্যদিকে কমিউনিস্ট পার্টিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
তাকে তখন বাংলাদেশে মার্কিন-পাকিস্তানী অক্ষ শক্তির বিজয় রথকে এগিয়ে নেয়ার মিশনে নামতে হয়েছিল। বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে দুর্বল করে ফেলার পরিকল্পনায় এগুচ্ছিলেন রীতিমত। যে কারণে চীনাপন্থী বাম-রা এসে পড়ে তার দলে, মন্ত্রীতে। এসব কাজই তিনি করছিলেন একতরফাভাবে, রাজনীতিশূন্যতায়, আওয়ামীলীগের বিপন্ন অস্তিত্বের সুযোগে।
স্তব্ধ পিনপতন
মিউজিকটা জ্যাজ হবে, অথবা ব্লুজ। স্যাক্সোফোনে একজন ককেশীয় কখনো সুরের মোহনীয়তায়, কখনো একঘেয়েমী টোনে বাজিয়ে যাচ্ছে। স্যাক্সোফোন হাতে আমরা আফ্রিকান কালো লোক দেখে অভ্যাস্ত। বিশাল ভূড়িওয়ালা একজন কালোমানুষ চোখ মুখ গলা ফুলিয়ে মোহনীয় ভঙ্গিতে বাজিয়ে যাচ্ছে এই ছবিটাই যখন মনে গেথে আছে, তখন এরকম একজন লিকলিকে ককেশীয় যুবকের হাতে স্যাক্সোফোন দেখে মনে হচ্ছে, এটা ওর জন্য খুব ভারী। তবে খারাপ বাজাচ্ছে না।
বার আমার কোনো প্রিয় জায়গা নয়, খুব মারকুটে সুরাপ্রেমীও নই। ঘরে একা বসে সময় কাটছে না, প্রতিটা ঘন্টা টেনে অসীম সময়ের মতো লম্বাটে মনে হচ্ছিলো।ওভারকোট টেনে চোখে পড়া প্রথম জ্যাজ বারটাতে ঢুকে গেলাম। সোমবারেও এত মানুষ সব কোনার টেবিলগুলো দখল করে ফেলেছে। সবাই নিজেকে আড়াল করতে চায়, একটু আলো আধারে জ্যাজের সুরে নিজেকে গুলিয়ে ফেলতে চায়।
ফেরারি
অপলার মুখে রোদ পড়ছে। বিরক্তিতে বাঁকা ভ্রু জোড়া কুঁচকে গেছে ওর। কোলের উপর খোলা বইটার পাতায় চোখ রাখলাম আমি। শেষ লাইনটা খুঁজে পাচ্ছি না, আতিপাতি করে খুঁজতে শুরু করলাম। এবার দুলুনির বেগে অপলার মাথাটা আমার কাঁধে হেলে পড়ল। শেষ লাইন খোঁজা বাদ দিয়ে বইটা ব্যাগে ভরে রাখলাম। ট্রেনের দুলুনিতে আমারও ঝিমুনি ধরে যাচ্ছে। কামরা ফাঁকা। অপলার ঘুমন্ত মুখের দিকে চেয়ে দেখি রোদ সরে গেছে, কিন্তু একগোছা চুল মুখের উপর পড়ে আছে, হাওয়ায় দুলছে। আলতো করে চুলটাকে সরিয়ে দিতেই চোখ খুলে ফেলল ও। শাড়ির আঁচলটাকে গুছিয়ে নিয়ে কেজো গলায় বলল
-কটা বাজল?
-পৌনে দুটো।
-কতদূর এলাম বল তো?
-আরো ঘণ্টা দুয়েক লাগবে বোধ হয়, মধুপুর ছাড়িয়ে এসেছি।
ব্যাগ থেকে খাবার, জলের বোতল বের করছে অপলা। হঠাৎ মনে পড়তেই বলল
-ওষুধগুলো খেয়েছিলে?
-ওহ্ একদম ভুলে গেছি...দাও তো
বিরক্ত চোখে তাকালো ও। আমি তাড়াতাড়ি গিলে ফেললাম ওষুধগুলো।
খাবার খাওয়ার পর অপলা ম্যাগাজিন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেল। এদিকে আমি উসখুস করছি কথাটা বলব বলে। ব্যাপারটা বুঝতে পেরে ও বলল
-বলে ফেলো
আমি খুক খুক করে একটু কাশলাম।
-ইয়ে…তেমন বিশেষ কিছু না অপলা।
শেষ বলে কিছু নেই!
ভেবে ছিলাম টানা অবরোধ ও হরতালেই দিনগুলো কেটে যাবে সামনের সময়, কিন্তু তা হলো না অসীম অবরোধেরও একটা আপাত শেষ ঘটলো। অবরোধহীন এই দিনগুলো কেমন যেনো ম্যারমেরে লাগছে। যদিও আমার জন্য সবই একই রকমের দিন, অবরোধ হতে হতে কেমন জানি আমড়া কাঠের অলসতা ভর করেছে শরীরে। ভুড়ি বাড়ছে শুধু, অবরোধ নেই, আগুন নেই তাও কোথাও যাই না খালি ঝিম মেরে বাসায় বসে থাকি আর দুবেলা করে চায়ের দোকানে চার ঘন্টা, এই আপাতত এক্টিভিটি। আবীর ছিল বাসায়, দিন গুলো কাটলো আনন্দেই। শনিবারে যখন চলে গেল এবার আর তুলে দিতে যাই নি, বাসে তুলে দিয়ে এসে মন খারাপের সেই উদাসী রিকশা ভ্রমন ছিলনা, সিএঞ্জি খুজে চলে গেলো কমলাপুর আর আমি বাসাতে। সেই শনিবার ব্যাপক হাসাহাসির ভেতরে ছিলাম সারাদিন, সন্ধ্যায় আদনান জন্মদিনের পার্টি দিল ক্যাম্পে- ব্যাপক খেলাম। ক্যাম্পে দলবেধে গেলে বিপদ। রিকশা থামালেই ছেকে আসে পোলাপাইন, মামা আমাদেরটায় আসেন, ভাইয়া আমাদেরটায় আসেন, কেউ বলে উঠে এতো আমাদের ভাই আসেন ভাই মুসলিমে, কেউ বলে সারাজীবন মুসলিম মুস্তাকিমে তো বহুত খাইলেন এবার আমাদেরটায় খান রহীম নতুন আসছে। ডিসিশান নেয়া খুব বিপদ হয়ে যায়, তবে দেখা গেছে ঘুরে ফিরে সেই মুসলিমের দোতালা
আগে কি সোন্দর দিন কাটাইতাম!
প্রকৃতির পাঠশালায় পড়ে থাকি…
সবুজ প্রান্তর ছাপিয়ে বিস্তৃতি তার কতই অবাধ
সবুজ পাতাকে পড়ি, ঘাসফুল তুলে নিই হাতে,
দু'পায়ে মেখে নিই দূর্বাদলে লেগে থাকা ভোরের শিশির,
শৈশবের 'সবুজ-সাথী' দুলে উঠে স্মৃতির ঝালরে।
খুঁজে-খুঁটে দেখি বৃক্ষ-লতা-পাতা,
বয়সী বটের মতো আমিও সুস্থিত হই, শেকড় ছড়াই।
বৃক্ষের বাকলে খুঁজি প্রপিতামহীর মুখের ভাঁজ
নীড়ে ফেরা পাখিদের ঝুমঝুমি কোলাহলে ভারী হয়ে আসে
গোধুলির গোলাপী আকাশ।
অতঃপর সন্ধ্যা হলে ঝিঁ ঝিঁ ঢাকে
মন্ত্রের মতো প্রাচীন সংগীত এক, মস্তিস্কের কোষে কোষে
ধ্যানী হয়; থেকে থেকে সন্ধ্যের সুরেলা আযান ভেসে আসে
রাত্রিতে পুঁথি পাঠ গানের আসর
রহমান বয়াতির ধরণে আমাকে জানান দেয়
"আগে কি সোন্দর দিন কাটাইতাম!"
বিধি বাম!
তোমার সবুজ প্রান্তরে বিষাক্ত সীসার মতো
কে যেন ছড়ায় সন্ত্রাস, ভাঙ্গে নীড়,
ঘর-মন-গেরস্থালি তছনছ, পোড়ামাটি, বিধ্বস্ত মন্দির
কে যেন নিমেষে গুঁড়িয়ে দেয় স্বপ্নসাধ, আমাদের সম্প্রীতি অবাধ।
প্রতিমার ভাঙা হাত, দেহের বিচ্ছিন্ন অংশ চারিদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে…
এ কোন 'রক্তাক্ত প্রান্তর' দেখি আজ?
হে প্রিয় মাতৃভূমি, জননী আমার!
এক মাহাথিরের সন্ধানে
সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় অনুষ্ঠিত ০৫ জানুয়ারীর বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটবিহীন একতরফা নির্বা চনের মাধ্যমে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে নবগঠিত সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই তিনি তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বা চিত হয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একজন ক্রীড়াপ্রেমী ১৯৯৬-২০০১ এবং ২০০৮-২০১৩ মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন উল্লেখ্যযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন সুযোগ পেলেই তিনি মাঠে গিয়ে লাইভ খেলা দেখেছেন খেলোয়াড়দের উত্সাহ জুগিয়েছেন অনেক অনেক পুরস্কার ও প্রণোদনা দিয়েছেন তারই শাসনামলে বাংলাদেশ সহযোগী আয়োজক হিসাবে সফলভাবে বিশ্বকাপ ক্রিকেট আয়োজন করেছে
সুন্দরবন ভ্রমন ২০১৩ (পর্ব ৪)
সকালের নাস্তা খেয়ে উঠতে না উঠতেই সবাইকে ট্রলারে চাপিয়ে আবারো বেড়িয়ে পড়া হলো কটকা বীচের উদ্দেশ্যে। কাদা, শ্বাসমূল এড়িয়ে চলার জন্যে কাঠের ব্রিজ তৈরী করা, কিছুদূর যেতেই কয়েকটা দেখা মিলে বনবিভাগের তৈরী করা কিছু কটেজ, লাল-শাপলায় পরিপূর্ন পুকুর। কয়েকগ্রুপে ভাগ হয়ে কেউ কটেজের দিকে, কেউ বাঘের আশায়, কেউ বীচের দিকে আগাতে থাকলাম। হাল্কা গাছের সারি পেরিয়ে গেলে গোলপাতা আর আরো নানান গাছেরসারির মাঝে দেখা মেলে সার সার হরিণের দল। চারদিনের ট্যুরে যত হরিণ দেখেছি এখানকার হরিণের পাল দেখতে বেশি আকর্ষনীয় লেগেছে। চঞ্চল নয় অপেক্ষাকৃত শান্ত, ছোটবড় অবাক হয়ে চেয়ে থাকা প্রানীগুলোর সৌন্দর্য্যতা মুগ্ধতা এনে দিবে যে কাউকেই নিঃসন্দেহে।

বুক পকেট
-------- বুক পকেট
আমার একটা আকাশ আছে ৷
যখন সবাই ঘুমিয়ে পরে তারাগুলো জেগে উঠে ৷
ছোট্ট করে ভাজ করে,আকাশটাকে বুক
পকেটে ডুবিয়ে রাখি আলতো করে ৷
পকেটে তো স্বপ্নগুলো দিনের বেলায় করে খেলা ৷
স্বপ্নগুলোর জোসনা দিয়ে আকাশটাকে রাঙিয়ে তুলি ৷
সবাই যখন ঘুমিয়ে পরে মাঝরাতে নিজ নিরে ,
জোসনাগুলো মেখে নিতাম শরীরটাও ডুবিয়ে নিতাম ৷
কেউ জানেনা বুক পকেটে আরো কিছু কষ্ট ছিলো ৷
কষ্টগুলো নিজ মনে জলত সে যে ক্ষণে ক্ষনে ৷
ছোট্ট একটা নদীও ছিল বুকপকেটের মাঝখানটে ৷
কষ্টগুলো জ্বলত যখন নদীর পানি আপন ধারায় ছুটতে তখন আবেগ হারায়
৷
সাথে কিছু দুঃখ ছিল চুপটি করে বুক পকেটে থাকত সেতো নীরব
মনে ৷
নদীর পানি শুকিয়ে গেলেই দুঃখ তাকে ভরিয়ে তোলে ৷
লোনা পানির আপন ধারায় ছুটত নদী নিজ গতিতে ৷
আকাশটা আজ অনেক বর ৷ পুব আকাশে মেঘ জমেছে ৷ তারাগুলোও
হারিয়ে গেলো ৷ আকাশের
পানে তাকিয়ে দেখি জোসনাগুলোও নেই সেখানে ৷ আবার
কবে ভরবে আকাশ ?
জোসনাগুলো করবে খেলা ৷
আমি তখন সুখের ধারায় গুনবো আকাশে কয়টি তারা ৷
দারুন একটি বাংলাদেশী ই - কমার্স সাইট HotOfferBD.COM
আজ আপনাদের একটি বাংলাদেশি ই-কমার্স সাইটের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো । যেখান থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পছন্দ করে কিনতে পারেন সহজেই । এখানে পাওয়া যাবে সব ধরনের Pen drive , Memory Card , Headphone , All Kind Of Electronics , আকর্ষণীয় T-Shirt , পছন্দের মানুষটিকে দেওয়ার মত নানান Gift , বাচ্চাদের প্রিয় খেলনা সহ আরো অনেক কিছু !!
পছন্দের পণ্যটি কিনতে কে না চায় ?? আর তাও যদি হয় অবিশ্বাস্য সাশ্রয়ী দামে !! তাহলে তো আর কথা-ই নেই !!