অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ৯ জন অতিথি অনলাইন

রিক্যাপচারিং পাস্ট -১

ফিরে যাবার চেষ্টা করছি অতীতে। যত অতীতে যাওয়া যায়। একদম দিনক্ষণ, মুহূর্তের পুনর্জাগরণ ঘটাতে প্রানান্তকর ঘেটে যাচ্ছি। যেমন কিছু স্মৃতি আমার মাথা থেকে বিলকুল হারিয়ে গেছে।

এই যেমন বরিশাল থেকে একবার আমরা খুলনা গেলাম স্টিমারে। প্রথম। সেই সালটা কত ছিলো? মনে নেই। মনে করার চেষ্টা করতে গিয়ে দুটো সাল মাথায় এলো, ১৯৮২/১৯৮৩। এর ভেতর থেকে সঠিক সালটা বেছে নিতে হলে আরো একটু মাথা ঘামাতে হবে।

স্বাধীনতার ৪০ বছর: শিক্ষাক্ষেত্রে অগ্রগতি কতোটুকু?

একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য ৪০ বছর সময় খুব বেশি না হলেও একেবারে কমও নয়। বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৪০ বছর পার করছে। স্বাভাবিকভাবেই এ সময়ে এসে অনেকে হিসেব-নিকেশ করতে চাইবেন- এই লম্বা সময়ে বাংলাদেশ কতোটুকু এগিয়েছে। বিশেষত স্বাধীনতার পর গণমানুষ একটি স্বাধীন দেশের কাছ থেকে যে মাত্রার উন্নতি ও অগ্রগতি আশা করেছিল, সেই প্রত্যাশা ও বাস্তবতার মধ্যকার ফারাক কতোটুকু সেটি দেখার সময় হয়েছে এখন।

অবাঞ্চিতের অশ্রুগাঁথা

উৎসর্গঃ মেসবাহ য়াযাদ ভাইকে রক্ত দিয়ে যিনি মানুষের পাশে থাকেন।

চাকরী সুত্রে আমাকে কিছু উন্নয়ন মূলক কাজ করতে হয় আমাদের পাওয়ার প্লান্টের আশে পাশের গ্রামগুলিতে, অবশ্য আমি নিজেও এই কাজে অনেক আনন্দ পাই। গ্রামের এই অসহায় মানুষের মুখে একটু হাসি ফোটাতে পারলে আমার ভাল লাগে। মাঝে মাঝে ভাবি কাজ করেতো সবাই বেতন পায়, সম্মান পায় আর তার সাথে আমি একটা বাড়তি কিছু পাই তা হল -অসহায় মানুষের মুখের একটু হাসি।

জিভের যখন খিদে পায়

এই সমস্ত অঙ্গন জুরে যত আমার জিভেরা
উদরপূর্তিতে এবং হৃদয়মুর্তিতে আলগোছে বেড়ে ওঠে
গ্লাসোভিত শৃঙ্গারের চোয়াল আর লম্বা ভুরুর জোয়াল বেয়ে
ততই অভুক্ত কথকের চড়াস্বর আমার বিসম্বাদ লাগে

এর চেয়ে উনুনে-অঙ্গারে অর্ধসিদ্ধ জিভের তলে বাতিল মাংস
দুয়েকটা নোনতা চুমুর চেয়ে অনেক দুরন্ত স্যালিভায় জোটে
হুটহাট বালখিল্য অভ্যর্থনায় দু-পেগ কড়কড়ে রামের দু-ঠোঁটে
মিহি চিকনাই গন্ধের সাথে টনিকের টোটা হৃদয়ের মগজ খোলে

সড়কে মড়কে নরকে সোজাসাপ্টা গন্তব্যের বিবস্ত্র ইংগিতে
দু'পা থেকে দৌড়ানো ইঞ্জিন ফেলে একেবারে উলঙ্গ খিদেয়
জিভেদের এবার শাসন বারণ তপস্যান্তে মেটানো ক্ষুধায়
তোমার বহিস্থ সকল অঙ্গ থেকে মশলাই কাবাব কেটে খায়

মামুন ভাইয়ের মেয়েরা আর মায়েরা।

আমার একটা খুব একটা বাজে অভ্যাস আছে।মন খারাপ হলে এর ওর ফেসবুকের ছবি দেখা শুরু করি।হয়তো দুই/তিনটা মজার কমেন্ট করি দিয়ে আস্তে আস্তে মন ভালো করি।মাঝে মাঝে দোস্তের ছবি দেখে দিন পার করে দেই।নাজ ভাবী অবশ্য আমার দোস্তের ছবি নিয়মিত ব্লগ এবং ফেসবুকে শেয়ার করে ঝামেলা এড়াচ্ছেন। কিন্তু কিছুদিন বিরতী দিলে বুঝতে পারবেন কত ইটে কত খোয়া হয়। এইখানে আরেকজন আছেন দুইটা পরীর বাপ আগে নিয়মিত ছবি দিতেন ব্লগে।তারপরে আরেক মহাদেশে হিজরত করার পর ব্যস্ততার অজুহাতে সেটা কমাতে থাকলেন।তারপরেও আমি এই ছ্যাচড়া তার পিছু ছাড়ছি না দেখে উনি আমারে ভাবীর সাথে দোস্ত পাতায় দিলেন ভাবী যেহেতু নিয়মিতই ছবি আপলোড করেন সুতরাং আমার বা আমার মতো আরো একজনের ছ্যাচড়ামি অনেক কমে গেল আর এই সুযোগে উনি আস্তে আস্তে লেখালেখিই ছেড়ে দিলেন।

দেশপ্রেমিক গ্রামীণফোন!

সকালে পূর্বনির্ধারিত সময়ে গ্রামীণফোনের প্রতিনিধি এলেন তাঁদের বিজনেস সলিউশনস-এর অফার নিয়ে। প্রতিষ্ঠান চালানোর মতো জটিল কাজ কীভাবে তারা জলবৎ তরলং করে দিচ্ছে বিভিন্ন প্যাকেজ দিয়ে, তারই এক মনকাড়া উপস্থাপনা।

সব ঠিক আছে। কিন্তু বাকরুদ্ধ হয়ে গেলাম জিপি কানেক্ট নামের একটা অফারের কাগজ দেখে। দেশপ্রেমের পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে যে গ্রামীণফোন মানুষকে শেখায় কীভাবে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে হবে, মানুষকে দেখায় দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট, তারা বাংলাদেশের মানচিত্র ছেপেছে উল্টো করে।

GP.jpg
পুরো সাইজের লিফলেট

সবার জন্য প্রেম

.. ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... ....

প্রেম, কেন নয়?
সময় যার প্রেমের টানে
জোয়ার-ভাটা প্রেমময়...
মাথা রাখো বুকের কাছে
ভাবনা কেন করছো মিছে
প্রেম আমার... প্রেম আমার...

যত প্রকার ভাষা জানি
যত আমার শুদ্ধ ধ্বনি
প্রেম আমার... প্রেম আমার...
গ্রহণ করো...
জলের পোকা সাক্ষী মেনে
আনন্দে বল দেবী সমূদ্র সহায়
প্রেম ছাড়া কি উপায়...
প্রেম ছাড়া কি উপায়...

.. ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... .... ... ...

প্রতিবাদ ও দৃষ্টি আকর্ষন টু মডারেটর

বড়দের ১৩ জোকস। অবশ্যই ২৪+ শীর্ষক একটা পোস্ট আমার মন কেড়েছে বিশেষ করে ৫ নম্বরটা।অনেকদিন পরে হাসলাম মন খুলে। অফিস গিয়ে বসের সাথে শেয়ার করব ভাবছি। ব্লগার আজকের অফিস টাইমটা আনন্দময় করে ফেলেছেন তাই ধন্যবাদ তাকে। আর একটি আনন্দময় পোস্ট দুটো ছবি গল্প। (উৎসর্গ - মাসুম ভাই) খুবি ভালো লেগেছে। নিজ নিজ অর্ধাঙ্গিনীকে নিয়ে অসাধারণ কিছু আনন্দময় মহূর্তের ছবি দিয়ে সাজানো পোস্টটি অনেককেই তার বৈবাহিক জীবনের একঘেয়েমি কাটিয়ে নতুন উদ্দীপনায় জীবনকে উপভোগ্য করে তুলতে উৎসাহিত করবে।

প্রতিবাদঃ

জিতেগারে জিতেগা পাকিস্তান জিতেগা অথবা একটি অসহায় প্রেমের উপাখ্যান...

১৯৯২ সালে আমি তাজা তরুণ। তখন অবশ্য তারুণ্যের দোলাচল শুরু হইছে সারা পৃথিবীতে। সোভিয়েত বিপর্যয়ের পর এই দেশেও তার প্রভাব ভালোমতোই পড়তে শুরু করছে। তেমন একটা সময়ে দেশের বামপন্থী দলগুলিও অনেক জাতীয়তাবাদী অবস্থান নিয়া ফেলতেছিলো। তারুণ্যের সামনে এই জাতীয়তাবাদ ছিলো অনেকটাই কৌশলী অবস্থান। কারণ স্নায়ূযুদ্ধের কাল শেষে তখন সারা পৃথিবীতে মৌলবাদ আবার মাথাচাড়া দিতেছিলো। আমেরিকা যেনো পরিকল্পিত ভাবেই তাদেরই পৃষ্ঠপোষণায় বেড়ে ওঠা মৌলবাদী শক্তিরে তখন শত্রুর পোশাকে সাজাইতেছিলো। এমনি একটা সময়ে এই দেশেও মৌলবাদের শক্তি প্রোথিত হইয়া যায়। যেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এই দেশের সেক্যুলার ভাবাদর্শ গইড়া উঠতেছিলো তার বিপরীতে এই মৌলবাদের ছায়া পড়লো বেশ শক্তিশালি অবয়ব নিয়াই। মুখোমুখি লড়াইয়ে তখন দেশের সেক্যুলার চেতনার সবচাইতে বড় ধারক শক্তি সমাজতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলি জাতীয়তাবাদরেই মূল হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার শুরু করলো। আমরা সেই

তোমার সঙ্গে আমার অথবা আমার সঙ্গে তোমার আর দেখা হবে না

গল্পটা মীরকে উৎসর্গ করলাম

একবার গোয়ালন্দঘাটে ফেরিতে ওঠার আগে ইলিশ মাছ ও ইলিশের ডিম ভাজা খেয়েছিলাম। তাও ২৫ বছর আগে। ইলিশ মাছের ডিমের সেই স্বাদ আর কখনো পাইনি। সেই গোয়ালন্দঘাট আর নেই, সেই আমিও নেই।
গোয়ালন্দঘাটের কথা খুব মনে পড়লো বরিশাল যেতে। আমাদের ক্যডেট কলেজের রি-ইউনিয়ন। এর আগে কখনো রি-ইউনিয়নে যাওয়া হয়নি, আমাদের ব্যাচের কেউ উদ্যোগ নেয়নি, আর তাই একসঙ্গে যাওয়ার কথা কখনো ভাবাও হয়নি। এবার রফিক ফোনের পর ফোন করে সবাইকে রাজি করালো।
আরিচা ধরে গিয়েছিলাম আমরা চারজন, এক গাড়িতে। রেজার গাড়ি, ওই চালায়। আর আমরা তিনজন, বুলবুল, সাগর ও আমি। ভাবা যায় ২৫ বছর পর আমরা চারজন এক হলাম?

সন্তভাবনা

duarte.jpg

গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের যে কয়টা গল্প বার বার মনে হয় তার মধ্যে "সন্ত" (The Saint) অন্যতম। গল্পটি কলম্বিয়ার এক গন্ডগ্রাম টলিমা থেকে আসা এক পিতা-মারগারিতো দুয়ার্তের- দাবীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে; যে তার কন্যার শবদেহ নিয়ে ২২ বছর ঘুরে বেড়ায় ভ্যাটিকানের পথে পথে, দাবি একটাই তার কন্যাকে সন্ত মনোনীত করা হোক।

রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব

জীবনে প্রথম রক্ত দেবার কথা আজ আর মনে নেই। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের ছাদ ধসে পড়ার সেদিেনর কথা মনে আছে। আমরা ৪ বন্ধু মিলে ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে রক্ত দিয়েছিলাম।

এর পর রক্ত দিয়েছি বই মেলায়। ১৯৯২ সালে। বাংলা একাডেমীর বইয়ের দোকানে সাথেই ছিল সন্ধানীর স্টল। মিষ্টি হেসে ডাক্তার মেয়েটা ডাকলো- ভাইয়া, আপনার এক ব্যাগ রক্ত বাঁচাতে পারে একটি অমূল্য জীবন... টাইপের কথা বলে। আমি রাজী হলাম রক্ত দিতে। রক্ত দেবার পর ওরা "কেক আর কোক" খেতে দিল। খেলাম। বললো, ১৫/২০ মিনিট বসে তারপর যান। স্মার্টলি বললাম, দুর কিছু হবে না। কত বার দিলাম। চেয়ার ছেড়ে উঠতেই মাথা ঘুরে পড়লাম। একদম মাটিতে। জ্ঞান হারাবার আগে ডাক্তার মেয়েটার চেহারা দেখলাম। ও কি একটু মুচকি হেসেছিল ?

একাত্তরের এদিনে বাংলাদশের ঘরে ঘরে স্বাধীনতার পতাকা ওড়ে

২৩ মার্চ ছিল পাকিস্তান প্রজাতন্ত্র দিবস। লাহোর প্রস্তাবের স্মরণে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হত। কিন্তু সেদিন ঢাকার প্রেসিডেন্ট ভবন ও সেনাবাহিনীর সদর দফতর ছাড়া বাংলাদেশে আর কোথাও পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা ওড়েনি। ঢাকার সেক্রেটারিয়েট, হাইকোর্ট, গণপরিষদ, ইপিআর, রাজারবাগ পুলিশ সদর দফতর, ঢাকা বেতার, টেলিভিশন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, প্রধান বিচারপতি ও মুখ্য সচিবের বাসভবনসহ সব সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলার পতাকা তোলা হয়।

এদিনেই বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর সদস্যদের সামরিক কায়দায় অভিবাদনের মধ্য দিয়ে তাঁর বাসভবনে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। এর আগে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সংগঠনের প্রেসিডেন্ট নূরে আলম সিদ্দিকী এই পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধুর হাতে তুলে দেন।

ভু সা'ইমে তৌস্, তোজু'র্স

দশ-বারো বছর আগে যারা দেশের অবস্থা দেখে 'কি দিন আইলো রে' বলে আক্ষেপ করতো, তারা আজকের ঊর্ধ্বমূল্যের বাজার দেখে কি বলবে মনে হয় বুঝতেই পারছে না। আব্বুকে অনেকদিন জিনিসপত্রের দাম নিয়ে অনুযোগ করতে শুনি না। সারাদিন খালি পেপার পড়ে। পেপারের মধ্যে যে কি পাইলো লোকটা! অবশ্য ট্রাফিক জ্যাম, পাবলিক বাস আর ধুলিমুখর এই শহরে আর কিইবা আছে, যার প্রতি আগ্রহ জন্মায়? ভার্চুয়াল জগতটাকে বরং অনেক উষ্ণ মনে হয়। অনেক নিরুত্তাপ, বৃক্ষের ছায়ার মতো একটা জায়গা।

আমার যাদুমনি (৭)

আজকে'র ছবি গুলো'তে ঋহানের সাথে রয়েছে রোহা। রোহা, আমার বড় ভাইয়া'র মেয়ে। আমাদের ভাই-বোন'দের বাচ্চা'দের মাঝে সে সবার বড়, লক্ষী একটা জান আমাদের!
ঋহান আর রোহা মিলে কি করে, আসুন দেখি। ওহ, ছবি গুলো দেখা'র আগে আমি একটা মজার ঘটনা বলে নেই।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ