সরকার/প্রশাসন কি যথেষ্ট সচেতন?
দু'চারদিন আগে বাসায় ফোন করে এমন একটা ব্যাপার জানলাম যে অনেকক্ষণ বাকরুদ্ধ হয়েছিলাম। আমার বাবা-মা'র পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হয়েছিলো। সেখানে যা আচরণ করা হলো সেটাই এই লেখার বিষয়বস্তু। তবে সেই প্রসঙ্গে যাবার আগে বাবার কিছু বর্ণনা না দিলেই নয়।
অসংলগ্ন
কানাই ঘটক তার অস্থিসার পিঠটাকে টিনের মতো দেয়াল বা দেয়ালের মতো টিনের সাথে ঠেকিয়ে একটু ঝিমিয়ে নিচ্ছিলো। পায়ের সামনে লাঠিটাকে আড়াআড়ি করে রেখে নিয়েছিলো যাতে কুকুর এবং অন্যান্য নাগরিক পশুরা হুমড়ি খাবার আগে, একটু হলেও বিভ্রান্ত হয়।
শুধই ফলফলাদি
মৌসুমি ফল অনেক উপকারী, এর উপকারিতা অনেক, স্বাদও। মৌসুমী ফলের উপকারীতা জানার শখ থাকলে পড়ে নিন এই লেখাটা । সাধারনত মৌসুমি ফল বলতে আম, জাম, কাঠাঁলের কথাই প্রথমে এসে যায়। এতো মজার ফল কিন্তু তাদের স্বাদ সারা বছর পাওয়া সম্ভব না। যারা দেশের বাইরে থাকেন তাদের আত্নীয়দের প্রায়ই বলতে শোনা যায়, “আহারে, ছেলে/মেয়ে টা এগুলো খেতে খু
একটি উপন্যাসের গল্প
অন্তু অনেক ক্ষন ধরে দাঁড়িয়ে আছে ফুটপাতের পাশের রেলিঙে হেলান দিয়ে।
সামনে দিয়ে অজস্র লোক আসা যাওয়া করছে কেউ দ্রুত পায়ে কেউ আস্তে ধীরে, ভীড় সামলে । সবারই প্রচন্ড তাড়া, সবারই বাসায় যেতে হবে কিংবা কর্মস্থলে কিংবা যার কোথাও যাবার যায়গা নেই তাকেও হয়তো যেতে হবে নতুন করে বানিয়ে নেয়া ঠিকানায়।
নিপীড়নে লাভ হয়েছে শঙ্কা গেছে টুটি, আজকে সানীর ছুটি ও ভাই দুই বছরের ছুটি
যৌন নিপীড়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সানোয়ার হোসেন ওরফে আহমেদ সানিকে অবশেষে শাস্তি(!) দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এটা এমন এক শাস্তি, যে শাস্তি পাওয়ার জন্য পৃথিবীর প্রতিটা মানুষই মুখিয়ে থাকবেন।
বাঙ্গালের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় দর্শণ
গতকাল বিকেল থেকে একটা চিন্তাই মাথায় ঘুরছিলো কিভাবে আবেদনটুকু প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেওয়া যায়। বাংলাদেশের মাননীয়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঠিকানা জানে পোষ্ট অফিসের কর্মচারীগণ। প্রধানমন্ত্রী বরাবর যেকোনো চিঠিই তারা পৌঁছে দিবে পুরানা এয়ারপোর্টের পাশে তার কার্যালয়ে তবে শুধু আবেদনপত্র পৌঁছে দিলেই কাজ হয়ে যাবে এমনটা আশা করা অনুচিত, প্রেক্ষাপট এমনই যে সেটা স্বহস্তে জমা দিয়ে রেফারেন্স নাম্বার আর এক্সে
সকাল আসে না, আয়না হাসে না........
মাঝে মাঝে আপনাদের এমন হয় না - একটা গান শুনলেন কোথাও, আর সে গানের রেশটা রয়ে গেল মনে.......অনেকক্ষণ।
ইউটিউবে একটা গান খুঁজছিলাম। যা খুঁজছিলাম তা পেলাম না। বদলে পেলাম অন্তহীনের এ গানটা। গানের কথা এবং সুর দুটোই কেন যেন মনটাকে উদাস করলো। যদিও এর সঙ্গে অন্য কিছুর যোগসূত্র না খোঁজাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
-------------------------
সকাল আসে না....আয়না হাসে না
জানলা খোলা মেঘ....সে ভালোবাসে না
না কিছু ভাবি না....রোদ এলো কি না
স্নানের জলে গা......আমি না, তুমি না
দিনের পাখিরা ছুঁয়েছে ডানা
রাতের পরী আর ভুল ঠিকানা
সকাল আসে না....আয়না হাসে না
একলা খোলা বই....সে ভালোবাসে না
--------------------------
ভালবাসা
ভালবাসা মানে তোমাকে বুঝি
খুব গোপন এ যতটুকু সুখ সেও তোমাকে ঘিরে,
চোখের পাতা বুজে আজও
প্রথম যে মুখটি মনে পড়ে তা তোমার
বৃষ্টি মানে তুমি,
ঝড় মানেও তুমি
আনন্দ মানে তুমি
দুঃখ মানেও আজও তুমি
তোমাকে ঘিরেই হ্দয়ের যত হাহাকার!
জীবনের অলি গলি
স্মৃতির পাতায় তুমি আর তুমি,
আমার ভেতর আরেক আমি
কল্পনার স্বপ্নে বিভর,
হঠাৎ জেগে উঠে
বাস্তবতায় ফিরে এসে দেখি
ঘুম থেকে জেগে দেখি আমি ক্যাম্পিং সাগরে ভাসি !!
মেলাদিন পরে আফসুসনিদ্রা থেকে জেগে উঠলাম । বাইরে দেখি নন-আফসুসিত রোদও দেখায় যায়। এর মাঝে এক বেদ্দপে কয় -
-দোস্ত চল, ক্যাম্পিং এ গিয়ে একটু রোদ মেখে আসি ।
পাগল নাকি ! রোদ গায়ে মাখতে হলে নাকি ক্যাম্পিং এ যেতে হবে নাকি !
- শোন, তুই চাইলে আমি তোকে ওভেনের (মাইক্রোওভেনে ওর একটা আঙ্গুলও ডুকবে না)ভিতরে ডুকিয়ে রোদের অনুভূতি খাওয়াতে পারি। তোর সাদা চামড়া একেবারে তামাটে হতে হতে আফ্রিকান কালো হয়ে যাবে।
জাহানারাকে বাঁচান , আপডেটঃ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কিভাবে আবেদন করা যায় সেটা জানান,
প্রথমেই বলতে হবে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের চিকিৎসক এবং সহকারীদের ব্যবহারে আমি মুগ্ধ। তারা নিতান্ত অপরিচিত আমাদের সাথে যেভাবে কথা বলেছেন তাতে এই সম্মাননাটুকু না দিলে তাদের আন্তরিকতাকে অপমান করা হবে।
আরও বেশী ধন্যবাদ রায়হান ভাইকে, যিনি না থাকলে হয়তো এতটা সহজে সব কিছু ঘটতো না।
ভ্রমণ প্রমাদ
(এইটা একটা আজাইরা পোস্ট, নিজ দায়িত্বে পড়ুন)


