ডাইরী ১১২
এক.
ভুলে গেছি কারখানার পথ, জলে ধোঁয়া পথের কাঁদায় পদচিহ্ন রেখে এসেছিলাম সেদিন। আজ দেখি তার 'পর দিয়ে ট্রাকের চাকায় চাকায় ঢেকেছে বিস্মৃতিরা। সেইদিন অন্ধকারে নিয়নের আলো ফুটছিলো বেশ...আজ বৃষ্টিতে ভেসেছে আলোকের রাতগুলি। কারখানা চলেছে বোরাকের পিঠে সময়ের শূন্যতায়।
দুই.
কবিতার মতো: একদিন আমিও ছিলাম
একদিন আমিও ছিলাম
তোমার খুব কাছাকাছি;
ইচ্ছে মতো সাজিয়েছো-
কখনো শো-কেসের ভিতর
কাঁচবন্ধী তাকে,
কখনো শো-কেসের উপর
শিশি-বোতলের ফাঁকে।
একদিন আমিও ছিলাম
তোমার খুব কাছাকাছি;
ইচ্ছে মতো ভালোবেসেছো-
কখনো বুক; কখনো চিবুক
ছুঁয়েছো কামনায়,
কখনো বিষিয়েছো চোখ-মুখ
অবজ্ঞা আর অবহেলায়।
একদিন আমিও ছিলাম
তোমার খুব কাছাকাছি;
ইচ্ছে মতো পড়েছো-
কখনো কবিতার ভাবে
উচ্চস্বরে,
কখনো গল্প-উপন্যাসের মতো
ব্রেকিং নিউজ
পৃথিমী সামনের দিকে আগাইতাছে, আমাদের ঈমান এখন সামনে নেয়া দরকার। দুনিয়ার যতো বুদ্ধিমান প্রানী আছে অক্টোপাস, তোতা - ময়না তাদের ওপর ঈমান আনার সময় হয়েছে। তারা তাদের নির্ভুল ভবিষ্যতবানী প্রদান করে দিনের পর দিন মানব সমাজের উপকার করে চলেছেন। ফুটবল মানবের জীবন ধারনের একটি আবশ্যিক উপকরন। সেখানেতো তোতা ময়নারা বসে থাকতে পারে না। মানব জাতির কল্যানের লক্ষ্যে সেখানেও তারা অবদান রাখছেন।
চলো হাতে হাত রেখে..
এবারের নির্বাচনে বিজয়ী-বিজিত নির্ধারণে একটা বড় নিয়ামক ছিল যুদ্ধাপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি হিসেবে পরিচিত আওয়ামী লীগ এই ব্যাপারটাকে পুঁজি করে তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশের ভোটে নির্বাচিত হয়। কিন্তু, এখন অবস্থাদৃষ্টে যা দেখা যাচ্ছে, তাতে সরকার নিজের ঘর সামলাতে ব্যস্ত। আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠনকে সামলাতে গিয়েই নিজেদের হিমসিম খাওয়ার মত অবস্থা। তার উপর বিরোধী দলের সরকার বিরো
সাময়িক পোস্ট: বিশ্বকাপ ফাইনাল জমাইতে হবে
এবি ফ্যান্টাসী কাপ দুরন্ত গতিতে চললেও উদরাজী ভাইয়ের কাপ জয় একরকম নিশ্চিত হয়ে গেছে বলা যায়। তাই ভাবতেছি বিশ্বকাপ ফাইনাল উপলক্ষ্যে পরিস্থিতিকে আরো জমজমাট করার জন্য বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়া এবিতে একটা ফাইনাল ম্যাচই আয়োজন করে ফেলবো। এর আগে সামুতে চ্যাম্পিয়নস লীগ নিয়া একটা আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচ আয়োজন করছিলাম। জমছিলো ভালোই, অনেকটা সেইরকমই এইটাও। তবে দিন দিন যেইভাবে পুলাপান আবাহনীর সাপোর্ট শুরু করছে
, ত
আজ রোদ্দুরের ১০ পূর্ণ হলো...
রোদ্দুর। আমার ছেলে। চার ক্লাসে পড়ছে। গবর্ণমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলে। একদম বাপের ন্যাওটা। বাবার যা কিছু তার ভালো লাগে তা সে অনুকরণ করবে। শত বাধা দিলেও শুনবেনা। বাবা পাকিস্তানের নাম শুনতে পারেনা, সেও না। পাকিস্তানী কোনো জিনিস জ্ঞানত সে স্পর্শ করেনা। বাবার প্রিয় দল আর্জেন্টিনা। রোদ্দুরেরও প্রিয়।
দ্বিতীয় সেমির পর আপডেট: এক্সপ্রেস ছুটছেই
কোয়ার্টারের আগে শুরু হওয়া এই রাউন্ডে শর্ত রেখেছিলাম যে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে যত বেশী দল সেমিতে তুলতে পারবেন ততই লাভবান হবেন, আর সেখানে চার চারটি দলকে কোয়ার্টারে তুলে এর পূর্ণ সুবিধা ভোগ করছে একমাত্র আখাউড়া এক্সপ্রেস, দলের মালিক উদরাজী ভাইকে টুর্ণামেন্ট পয়েন্ট দিচ্ছে উদারভাবেই ;)।
মুভিব্লগ: ৮ শিক্ষামূলক সিনেমা
মানুষজন খামাকাই আলতু ফালতু সিনেমা বানায়। সিনেমায় যদি শিক্ষামূলক কিছু নাই থাকে, তাহলে সেসব সিনেমা দেশ বা জাতিকে কি দিতে পারে? শিল্প থেকে শিক্ষার উপাদান আমাদের নিতে হবে। সিনেমা থেকে উচ্ছন্নে যাওয়া কাজের কিছু না। বরং সিনেমা থেকে শিক্ষা নিয়ে জীবন গড়াই হওয়া উচিৎ আমাদের ব্রত। বিশেষ করে যারা বেশি সিনেমা দেখেন তাদের জন্য এটি বেশি প্রযোজ্য। আজকে আমি কিছু শিক্ষামূলক সিনেমার তালিকা দিলাম।
একখানা পলিটিকাল কোবতে
লিডার আমায় শিক্ষা দিল
ক্যাডার হতে ভাইরে
বোমাবাজির মন্ত্র আমি
নেতার কাছে পাইরে
মান্ত্রী শিখায় তাহার সমান-
ক্ষমতা নাই; করতে প্রমান
হাটের মাঠের দখলদারি
পুরোটা তাই চাইরে
গড ফাদারে মন্ত্রণা দেন
তাহার তেজে জ্বলতে
চাঁদে চাঁদে হেসে হেসে
চাঁদার কথা বলতে
ইঙ্গিতে তার করি মার্ডার
প্রয়োজনে ক্রস দা বর্ডার
ইন্ডিয়াতে পিন্ডিখানা
চটকে ফিরি ভোটতে
দেশের নেতা, দশের নেতা
আমি তাদের ছাত্র
এবি ফ্যান্টাসী কাপ আপডেট: শীর্ষে এখনও আখাউড়া এক্সপ্রেস
এবি ফ্যান্টাসী কাপের আরেকদফা আপডেট হলো, ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা শকে মোটামুটি সবাই পিছিয়ে পড়লেও সমানের লাইনে দাঁড়ানো কয়েকজনের মধ্যে জমে উঠতে পারে জমজমাট লড়াই। সবকিছু নির্ভর করবে আজকের সেমিফাইনালের ওপর।
ছবি পোস্টের হাতে খড়ি
কোরিয়া এসে ছবি তুলেছিলাম কয়দিন খুব। কিন্তু ব্লগে দেই নাই।
আজ দিয়ে দেখি পারি কিনা।

বসন্ত এসেছিলো গাছে.।.।।

গাছেই থাকলো কিন্তু মনে আর আসলো না।

নদীর নাম মিরাং এই নদীর গল্প শুনতে শুনতে মাঝে মাঝে মনে হয় শালাদের পদ্মা,মেঘনা অথবা যমুনাতে যদি চুঁবাতে পারতাম

আমার জেলখানা।
হেথাক তোকে মানাইছে না রে...
সকালে ঘুম থেকে উঠেই সন্ন্যাসী হয়ে যেতে ইচ্ছে হল। ইচ্ছেটার পিছনে নিশ্চয়ই কোন না কোন কারন আছে। প্রধান কারনটা তখনই আবিষ্কার করে ফেললাম। গ্রামে ফেরার জন্য মনটা কাঁদছে। কান্নাটা বিলাপের রূপ নেওয়ার আগেই বিছানা ছাড়লাম। শুয়ে থাকলে মনটা আরও আস্কারা পেয়ে যাবে। কম্পিউটার অন করে লিখতে বসলাম। আমার কান্নাগুলো হয়ে গেল কিছু বাংলা অক্ষরের সমষ্টি।
গুরুর জন্য শুভকামনা

পপগুরু আজম খান গুরুতর অসুস্থ। জিহ্বার নিচে মাংস বেড়ে যাওয়ায় গত ১৫ দিন ধরেই নাকি তিনি স্বাভাবিক খাবার খেতে পারছেন না, গান গাওয়া তো দূরের কথা। আজ নাকি তাঁকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। শুনলাম তাঁর নাকি ক্যান্সার হয়েছে। কিন্তু ক্যান্সারের খবরটির সত্যতা জানতে পারলাম না এখনও।
বিশ্বকাপ বনাম নিঃস্বকাপ
দৃশ্য-১