ভয়ে ভয়ে বেঁচে বর্তে আছি।
যুদ্ধের সময় আমার বয়স ছিল ১৪। তখনো হাফপ্যান্ট পরে বনে বাদারে ঘোরাফেরা চলে দেদারসে। এর গাছের আমটা, ওর গাছের কলাটা চুরিতেই কেটে যায় খেলার সময়। এট্টু নুলোছাপা গড়নের ছিলাম বোলে গায়ে গতরের খেলাতে কেউ আমায় দলে নিতে চাইতোনা। কৈশোরের সম্পূর্ণ দুরন্তপনা সপে দিয়েছিলাম একলা একলা নিষেধের বেড়া ভেঙে অনিয়মের খেড়োখাতায়। যুদ্ধের ডামাডোলটা তেমন একটা ছড়ায়নি তখনো আমাদের গায়ে। কেমন একটা গুমোট বাতাস বয়ে যায় শুধু। আমি প
ব্লগ কি বিকল্প গণমাধ্যম হতে পারবে?
আমাদের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক (বেতার ও টেলিভিশন) মিডিয়াগুলো নিজেদের গণমাধ্যম হিসেবে দাবি করলেও সত্যিকার অর্থে সেগুলোর কতোটুকু শুধু ‘মাধ্যম’ এবং কতোটুকু ‘গণ-মাধ্যম’ তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতে পারে। একটি মিডিয়া বা মাধ্যম মানুষের কিছু বিষয় নিয়ে কথা বললেই সেটি গণমাধ্যম হয়ে যায় না। গণমাধ্যম হতে হলে মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকতে হয়; জনমানুষের নিজস্বতা, স্থানীয় ধ্যানধারণা ও সংস্কৃতি গণমাধ্যমে
বিশ্বকাপ শর্টনোট (৮)
ব্রাজিল হারার পর দুঙ্গার নামে এখানে ওখানে চলতে থাকা টুকটাক সমালোচনাগুলো খুব জোর বাতাস পেলো, যে বিশেষজ্ঞরা দু'দিন আগেও "জোগো বোনিতো"র জন্য মৃদু আক্ষেপ করলেও একই সাথে ব্রাজিলকে "সবচেয়ে ব্যালান্সড" দল, "অনন্য ধরনের একতাবদ্ধ" বা "যে কোন ম্যাচ জেতার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত" দল হিসেবে আখ্যা দিতে কার্পণ্য করেননি, তারাই হঠাৎ আবার আগের ফর্মে চলে গেলেন। এটাই ফুটবল, বিশ্বকাপে এমনটাই হয় -- এই ভেবেই হয়তো দুঙ্গাকে
প্রসঙ্গ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
একবেলার নোটিশেই যখন তিন তিনজন অন্যতম যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হলো একটি সাধারণ মামলায়, তখন সবাই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন যে এই মামলায় তো এরা দুয়েকদিনের মধ্যেই জামিনে ছাড়া পেয়ে যাবে। এবং এর ফলে আসলে যুদ্ধাপরাধীদের চলমান বিচার প্রক্রিয়ার ক্ষতিই করলো সরকার।
পুরানো কাসুন্দি (উৎসর্গঃ ব্রা-জিল সাপোর্টার ভাই বেরাদারগো...)
পুরানো কাসুন্দি : ১
আমার মেয়েরা, আমার মায়েরা-৩
সম্মানীত সূধীবৃন্দ,
পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আবারও আপনাদের সামনে এসে হাজির হয়েছে মাসিক শিশুবার্তা। আমাদের এই পর্বে থাকছে ছোট্ট এষা এবং আয়লার ছয় মাসে পদার্পণের সুখবরের পাশাপাশি বাছাই করা কিছু ছবি।
একটি কারখানা বিষয়ক কবিতা...
এক.
আমি এক কারখানা
বিরামহীন উৎপাদন করেছি তাদের।
যারা আজো চোখ মেলে
দেখে নাই মেলা কিছু।
আমার শ্রমিক ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে,
তার হাতুড়ি বাটাল পড়ে;
তবু নড়ে নাই যন্ত্রের সামর্থ্য।
যন্ত্রাদির সাথে শ্রমিকের কুস্তি চলে...
আমি কারখানা তবু ঠায় আচ্ছাদনের আড়ালে
শ্রমিকদের আর যন্ত্রাদিরে যতনে রেখেছি।
আমি প্রতিদিন যন্ত্র আর শ্রমিকের স্বার্থরক্ষা করে চলি
ঠেকাই রোদ্দুর-বৃষ্টিজল আর গোপনীয়তা...
আউট অব আফ্রিকা
১.
ওসামা বিন লাদেনকে মাঝে মধ্যেই টেলিভিশনের পর্দায় দেখা যায়। তিনি যে বেঁচে আছেন এটা জানাতে লাদেন হাজির হন গোপন জায়গা থেকে। লাদেন মাত্রই নতুন একটি ভিডিও বার্তা ছেড়েছেন। তিনি যে এখনো বেঁচে আছেন এটি তার নতুন আরেকটি প্রমান।
সেখানে তিনি বলেছেন, ইংল্যান্ড যেভাবে জার্মানির কাছে হেরেছে তা লজ্জাজনক। যদিও ব্রিটিশ গোয়েন্দারা লাদেনের এই ভিডিও টেপ যে ভুয়া তা সাথে সাথে জানিয়ে দিয়েছে।
ব্রাজিল-আর্জেন্টিনাঃ ধরিয়ে দিন!
আজ মনে হচ্ছে আমার দিন। নানা ব্লগে সকাল থেকে ঘুরে বেড়াছি। কেন ব্লগে নুতন নুতন লেখা নেই! টুকটাক কিছু ব্রাজিলের পোলাপাইন দুই তিন লাইন লিখে পালিয়ে যাচ্ছে! আজেন্টিনার ছাওয়ালদের তো দুরবীন দিয়েও দেখতে পারছি না! আজেন্টিনার ছাওয়ালরা পালাতে অবশ্য ২৪ ঘন্টা বেশী সময় পেয়েছিলো।
এবি ফ্যান্টাসী কাপ আপডেট: শীর্ষে এখন আখাউড়া এক্সপ্রেস
পরপর ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনা হেরে গিয়ে ফ্যান্টাসী লীগকে মাইনাসময় করে তুলেছে, কে কত বেশী মাইনাস খেতে পারে সেই প্রতিযোগিতা হয়তো এখন লীগের মূল আকর্ষণ হয়ে উঠবে। তারপরও কয়েকজন খিলাড়ী ঠিকই প্লাস পয়েন্ট নিয়ে ছুটে চলেছেন উর্ধ্বশ্বাসে, সাহাদাত ভাইয়ের দল আখাউড়া এক্সপ্রেস উর্ধ্বশ্বাসে ছুটে চলেছে সবাইকে পেছনে ফেলে, মাহবুব সুমন ভাইয়ের দল "আমার দল"ও পিছু নিয়েছে। ফ্যান্টাসী লীগের প্রথমদিনে শীর্ষে থাকা দলটির শেষদি
আমার বিশ্বকাপ, আমার .........
আমার কাছে বিশ্বকাপ মানেই ব্রাজিল...ব্রাজিল মানেই বিশ্বকাপ, খুব সোজা সমীকরণ ।
দু:খ তোমার , দুঃখ আমার ( কারও ২-১ এ কারও ৪-০ তে, তবুও দুঃখ তো দুঃখই )
তাদের কাজ তারা করেছে
কাল করেছে নিন্দা
আর্জেন্টিনার সাপোর্টাররা
আজও কি হবে না ঠান্ডা ?
দুই ঢিলের পাটকেল ভাই
চার ঢিলেরও হয়....
দুই এক আর চার শূন্য
কখনো কি এক রয়?
হুদাই এত লাফালাফি
মিছিল মারামারি
বন্ধ এবার হলো বুঝি
এসব বাড়াবাড়ি
ব্রাজিল এর সাপোর্ট করি
কষ্ট পাইছি কাল
আর্জেন্টিনার সাপোর্টারদের
বুঝি আজ কি হাল।
আসুন মোরা চোখের কান্না
এবার সবাই মুছি
আমরা তোমাদের কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিবো না... হাকু না মা তাতা
গত ২৪ ঘন্টা মুখে কুলুপ এঁটে বসেছিলাম, আর্জেন্টিনাইনরা যা খুশি তাই বলে গেছে... একটা টু শব্দ করি নাই... এই ক্ষণটির অপেক্ষায় ধৈর্য্য ধরে বসে ছিলাম। চুপ করে বসে বসে খালি খেলাটা দেখলাম। গুনে গুনে চারটা গোল দেখলাম।
ভাবছিলাম এবার ফাটায়া ফেলবো, যারা যারা বিদ্রুপ করছে গত ২৪ ঘন্টায় তাদের দেখে নিবো...
কিন্তু থাউক... ছেড়ে দিলাম। বেচারারা...
একজন আর্জেন্টাইন সাপোর্টারের নার্ভাস কথাবার্তা।
১৯৯৪ বিশ্বকাপের সময় থেকে বিশ্বকাপ নিয়ে পাগলামী শুরু করেছিলাম। ১৯৯৪ বিশ্বকাপের কথা মনে পড়ে। জীবনের শ্রেষ্ট কিছু সময় কেটেছিল তখন বিশ্বকাপ দেখা নিয়ে। বিশ্বকাপের প্রতি প্রেমের তখনই শুরু। আমি তখন পিচ্চি। আমার চেয়ে বয়সে ১৩ বছরের বড়, ভাইয়া রাত জেগে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো দেখত, বাসার আর সবাই ঘুমাতেন, আমি আর ভাইয়া খালি জেগে থাকতাম, কয়েকবার চা, মুড়ি, বিস্কুট খাওয়া চলত, মধ্য বিরতীতে চলত খেলার বিশ
ওপেন সোর্স ভালোবাসা
পাসওয়ার্ড ছাড়াই অবাক লগ ইন করলাম তোমার জীবনে-
ঠিক করে বলোতো,
এই উন্মুক্ত দ্বার কি কেবল আমারই জন্য?
নাকি সকল হ্যাকার পুরুষের জন্য!
ভেবেছি তুমি এক ওপেন সোর্স ভালোবাসা-
তাই ডিজিটালি আমি কেবল তোমাকেই চেয়েছি
...............................................................
এরর মেসেজ....ওরা বলছে ৫০ শব্দের কমে কোন অনুভুতি প্রকাশ নিষিদ্ধ।