অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

কী পড়ছি, কী দেখছি, কী শুনছি আর কী বলছি

কী পড়ছি:
বই পড়ার ধরণ ক্রমাগত বদলে যাচ্ছে। উপন্যাস এখন আর পড়তে ভাল লাগে না। অথচ এক বয়সে ঢাউস ঢাউস উপন্যাস চোখের সামনে নিয়ে বসেই থাকতাম। সমীর রক্ষিতের দেশ বিভাগ নিয়ে লেখা বিশাল উপন্যাস স্বপ্নের স্বাধীনতার কয়েক পৃষ্ঠা পড়ার পর আবার বুক সেল্ফে রেখে দিলাম। এখন উপন্যাস ছাড়া আর সব কিছুতেই কম বেশি আগ্রহ পাচ্ছি।

ঘুরে ফিরে নিশীথ সূর্যের দেশে... ১

অনেক পুরনো ডায়েরী আর ব্লগ ঘেঁটে, তার সাথে স্মৃতির জোড়াতালিতে নূতন করে আবার লিখছি নিশীথ সূর্যের দেশে ঘুরে আসবার কাহিনী।
(কিছু ছবি অন্যদের ক্যামেরা থেকে চুরি করা.. আশা করি তারা জীবনেও আমার এই ব্লগ পড়ে আমাকে পিটুনি লাগাবে না)
.......................................................................................................................................

একটা ছোট্ট অনুবাদ

অনেক দিন ব্লগে আসা হয়নি। কিছু লেখার ও পাচ্ছিলাম না। মাঝে মাঝে উঁকি দিয়ে যাই প্রিয় বন্ধুরা কেমন আছে জানতে। একটা চেইন মেইল পড়লাম। অনুবাদ করে আপনাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট আকারে দিলাম। ভালো মন্দ সবই আপনাদের বিবেচনা।

মানুষের সৌজন্যতাবোধ !

বিষ্যুদবার সকাল ১১ টার দিকে বাসা থেকে ফোন এল। সাধারণত বাসা থেকে ফোন করলে লাইন কেটে কল ব্যাক করি। কখনো সখনো কল করতে ভুলে যাই। ক্যানো জানি সেদিন কল রিসিভ করে ফেল্লাম। ওপাশে একাধিক মানুষের চিৎকার শুনতে পেলাম। কয়েক সেকেন্ড লেগে গেল বুঝতে ! ওপাশ থেকে চিৎকার করে বলছে, বাবু খাট থেকে পড়ে গেছে।
ততধিক চিৎকার করে আমি জানতে চাইলাম, বাবু এখন কোথায় ?
বাসায়...। আমি আসছি... বলে লাইন কেটে দিলাম।

জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (নবম কিস্তি)

সে আসলে কি বোঝাতে চেয়েছিলো, সেটা বলা দুষ্কর; তবে এটা নিশ্চিত যে সে অপাংক্তেয় আগাছার মতোন কষ্টকর অহেতুকতা বা অহেতুক কষ্টজীবীতার কথা বলতে চায়নি, সে বরং একটা অষ্পষ্ট প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত দিতে চেয়ে থাকতে পারে, জীবনের ধারাবাহিকতা নিয়ে, যখন সব শেষ বলে ধরে নেয়া হয় তখনো জীবন অনর্থক আর দুঃখের রেশে মাখামাখি থাকে। যদিও সে যা বলতে চায়নি তা বলে ফেলেছিলো, কিন্তু তার কথার প্রতিক্রিয়া রীতিমতো সাড়া ফেলে দিলো; মা আর্দ্

চোখের ভাষা

সখী ভাবনা কাহারে বলে
সখী যাতনা কাহারে বলে
তোমরা যে বলো দিবস রজনী, ভালোবাসা ভালোবাসা--
সখী ভালোবাসা কারে কয়?
সেকি কেবলই ছলনাময়?

ভড়কে গেলেন নাকি ভাই? না, রবি ঠাকুরের গানের আর কোনো অপ্রকাশিত ভার্শন ছিলোনা, ঐটা আমার মনের কথা কিনা, তাই ঐটুকু কাঁচি চালিয়ে দিলাম।

অবশিষ্ট হাড় - ০৪ :: বর্ণ অনুচ্ছেদ

সূর্যের স্বেচ্ছাচারিতায় ভোরের নতুন নাম সকাল
মেঘসংক্রান্ত আড়াল সত্ত্বেও কমতি নেই উষ্ণতার আভিজাত্যের
একপেশে সুখকে আটকে রাখা দশ-বারোর এই ঘর
বাথরুম-বারান্দায় চেনা সমীকরণ
চিরচেনা ফেরিঅলাদের আনাগোনা বাড়তে বাড়তে
তেতে ওঠে গনগনে রোদ
তখন তার নাম হয় দুপুর;
বিপ্লবের ঘনিষ্টতম অধ্যায়সমূহ আজও শিরোনামহীন
ভান করে বাঁচা বিপ্লবীরা প্রত্যেকেই ধূমপায়ী
উনারা বিপ্লব জ্বালিয়ে ধোঁয়া নেন,

ভেতর-বাহির (চতুর্দশ পর্ব)

ভেতর বাহির উভয়ের আলোড়ন চিরতরের। আবহানমান কালের সে আলোড়ন আমার। পঁচে ও না ভেতরবাহির এত এত পঁচার এই জাগতিক মহামূল্যবান টানেলে জীবনটাকে এগিয়ে নেয়ার পরও। তাই জমে যাওয়া ক্ষোভ আর স্মৃতি আর অভিজ্ঞতা বারবার নিষপেশিত করে। দুলাইন লেখার এ ব্লগ যাত্রা তখন স্বার্থকতা দেয়।

জাতীয় সংগীত - ছি! ছি! ব্যবসা পণ্য।

ঝরাপাতার সময়ে মুদ্রিত

পৃথিবীর সকল নিয়মকে পাপোষ করে আয় শুধু ভালোবাসার কাছে করি আপোষ। অন্তত একবার আয় হারিয়ে যাই বিজন সান্দ্রে। পাতায় পাতায় মুদ্রিত হোক আরো এক গল্পের মহিমা। সবুজে সমাহিত হয়ে যাক পুরান কেচ্ছাগুলো...

গান গল্প- ১ [চাঁদের ঐ আলো হয়ে আসো মোর ভাঙ্গা ঘরে..]

এমন একটা সময় ছিল, যখন খুব করে তোমার সান্নিধ্য পেতে চাইতাম। এখনও চাই, হয়ত। কিন্তু, তোমার কাছে পাত্তা পাই না। তোমার সময় হয় না, তুমি সারাদিন ব্যস্ত থাকো। আগের কাজগুলো থেকে মুক্তি পেয়েও তোমার ব্যস্ততা কমেনি, বরং আমাকে আগে যে সময়টুকু দিতে, সেখানেও এখন অনেক ভাগিদার। তুমি এখন কত বড়, কত বিস্তৃত তোমার পরিধি।

ঘোর শ্রাবণে পৌষ মাস, আয়লা-এষার ছয় মাস

দেখতে দেখতে ছয় মাস হয়ে গেল! হ্যাঁ ভাই, আয়লা আর এষার আজকে হাফ জন্মদিন। অর্ধ দিবস হরতালের মতো, বা জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার মতো উপলক্ষ নয়, ছোট্ট পরীদের মুখের স্বর্গীয় হাসি এবং অনাবিল আনন্দের আভা বন্ধুদের সাথে ভাগ করে নেয়ার এখনই সময়।

শিরোনামহীন।

ঝিঝি পোঁকার বিরামহীন ডেকে চলা , মাঝে মাঝে তা ছাঁপিয়ে সুপারির পাতায় হুমড়ী খেয়ে পড়া বাতাসের সাথে সুপারির পাতার ধস্তাধস্তির শব্দ। সেই বাতাসের কিছু অংশ মাঝে মাঝে পথ ভুলে ঢুকে পড়ছে জানালার ভিতরে, বের হবার পথ না পেয়ে আবার ফিরে যায় অজানায়।

কোথাও তাল কেটে গেছে

দুঃখ আর হতাশা ভুলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে, দীঘদিন তিক্তস্মৃতিচারণে বিষন্নতাই বাড়ে শুধু। আবার হাসছি, আড্ডা দিচ্ছি রোজকার মতো, সব ভুলে দিব্যি মেতে উঠেছি খুনসুটিতে, জীবন থেমে থাকে না, বিভিন্ন রকম অর্থনৈতিক ঝক্কি নিয়েই জীবনযাপন, পেটের দায়ে সদ্যোজাত সন্তান ফেলে মা দুয়ারে হানা দিলে বুঝি কংক্রীটের শহরটা নির্মম, এখানে ফিরে তাকাবার অবসর নেই।

মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট সম্পর্কিত তথ্যাদি

প্রচলিত পাসপোর্টের মতোই দেখতে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি)। কেবল পার্থক্য হলো এই পাসপোর্টে থাকা তথ্য এয়ারপোর্টে থাকা কম্পিউটার পড়তে পারে । দেশের বাইরে যেতে বা প্রবাসীদের দেশে ফেরার সময় এয়ারপোর্টের ভোগান্তি এড়াতেই চালু করা হয়েছে এই পাসপোর্ট। এপ্রিলে চালু করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও যারা আগের পাসপোর্ট ব্যবহার করছেন, তাঁদের পুরোনো পাসপোর্টেই চলবে ২০১৫ সাল পর্যন্ত।

মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, এতো তাড়াহুড়ার কি কোনো দরকার আছে?

আগামী জানুয়ারি থেকে প্রাথমিক বিদ্যালেয় কারিগরি শিক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রতি উপজেলার অন্তত একটি বিদ্যালয়ে এ শিক্ষা চালু করা হবে এবং ওই বিদ্যালয়ের তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী শিক্ষার্থীদের এর আওতায় আনা হবে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ