অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (ষষ্ঠ কিস্তি)

আর এর বাইরে যা ঘটছিলো: আগে নগ্ন শরীরে প্রেমিকের ছোঁয়ায় তার লজ্জাবোধ হতো; তাদের কাছাকাছি আসার অর্থ ছিলো ভিন্ন কোনো দেয়াল টপকে আসার মতোন, আর হঠাৎ জড়িয়ে ধরার বিষয়টা ছিলো রীতিমতোন বিব্রতকর কারণ এটা আসলে হঠাৎ'ই ঘটে যেতো। লজ্জার বিষয়টা যদিও তাকে নিরস্ত করতো না একেবারেই, উল্টো সঙ্গমের প্রবণতা বাড়তো, কিন্তু এ সময়ে তার সজাগ দৃষ্টি থাকতো নিজের শরীরের প্রতি, যেনো সঙ্গমের টানে শরীরটা আবার হারিয়ে না যায়। আর ন

জাহানারার তহবিল নিয়ে কিছু কথা...

জাহানারার বিষয়ে আপনাদের নতুন করে আর কিছু বলার নাই Sad ... আমাদের সামর্থ্যের বাইরে এখন তিনি। ব্লগার রাসেল, লিনা দিলরুবা, হাসান রায়হান সহ যারা সরাসরি অনেক পরিশ্রম করেছেন তাদের কষ্টটা অনেক ... তাদের কাউকে ফোন করতে পারি নাই ... কি বলবো তাদের? আসলেই ... আপনাদের শত ব্যস্ততায় নিজেদের বিভিন্ন ঝামেলায় জীবন যাপনে যখন নাভিশ্বাস ... সেইখানে এমন করে এগিয়ে আসা মানুষগুলানের জন্য স্যালুট। ...

কানামাছি ভোঁ ভোঁ

 কেমন আছেন সবই-অনেকদিন পর এই ব্লগে আসলম। একট সদ্য লেখা গল্প পোস্টাইলাম। সময় পাইলে পড়বেন। আর সবাই ভালো থাকবেন।

আমাদের জাতীয় পোষাক কী?

আমাদের জাতীয় পোষাক কী? আমি দীর্ঘ দিন ধরে খুজে পাচ্ছি না। আমার বেশ কিছু বন্ধুকে জানতে চেয়ে ফোন এবং ইমেইল করেছি। কেহ আমার জবাব দিতে পারে নাই, অবশ্য অনেক বন্ধু আমাকে উল্টাপাল্টা কথা শুনিয়েছে! এ বিষয়ে মাথা না ঘামানোর কথা বলেছে! সে সব পরে হবে! যাই হউক, নানাবিধ "জাতীয়" থাকলেও পোষাকের ব্যাপারে কি আমাদের সরকার কোন ব্যবস্থা নেয় নাই! আমরা বন্ধু'র কোন বন্ধুর জানা থাকলে আমাকে জানান।

জীবন অন্যত্র - মিলান কুন্ডেরা (পঞ্চম কিস্তি)

শেষ পর্যন্ত কি সে সুখী হয়েছিলো? একদম না: বরং সংশয় আর আত্মবিশ্বাসের টানাপোড়েনে পড়ে গিয়েছিলো সে; আয়নার সামনে পোষাক খুলে দাঁড়িয়ে, নিজেকে চোখ মেলে দেখতে গিয়ে সে প্রায়শঃই উত্তেজনা টের পেতো, আবার মাঝে মাঝে নিজেকে মনে হতো সারাশব্দহীন মরা মাছের মতোন । এরপর অন্যকোনো চোখের পরিসরে ছেড়ে দিতেই শরীরময় ছড়িয়ে পড়তো অনিশ্চয়তার স্রোত।

দায়মুক্তি

আমি আজ দায়মুক্ত হলাম। গত দু'তিন দিন ধরে মনের মধ্যে একটা কাঁটা খচখচ করছিলো। জাহানারার কি হলো, খবর তো নিলাম না। খুব কাছের কয়েকজন বন্ধুদের জানিয়েছিলাম জাহানারার জন্য কিছু করার কথা। সবাই সাড়াও দিয়েছিলো। কিন্তু অফিস সময়ে বের হওয়াটা অনেকের জন্য সমস্যা, আমারও। দু'একজন বলেছে আমাকে দিয়ে দিতে, পরে শোধ দিয়ে দেবে। কিন্তু হায়! আমারই সময় হয়না।

যেহেতু উদ্যোগের সাথে সরাসরি যুক্ত নই তাই জানা হয়নি জাহানারা ইতোমধ্যে পৌছে গেছেন না ফেরার দেশে। এখন আর কোন বন্ধুর দু'হাজার, আরেকজনের এক হাজার, কিংবা জবরদস্তি করে আরেকজনের উপর ধার্য করা পাঁচ হাজারের আর কোন প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন নেই কারো চাকরির বেতনটা একাউন্টে জমা হবার। যার জন্য ভেবেছি অনেক দিন সংযোগ না থাকা বন্ধুদের ফোন করে চাইবো কিছু টাকা ধার, তিনি চলে গেছেন সকল চাওয়া-পাওয়ার উর্ধ্বে।

বাজি

আজিমুদ্দির আজকে কামেকাজে একদমই মন বসতেছে না। আজকে সন্ধ্যায় মোহামেডান-আবাহনী খেলা। ফেডারেশন কাপের ফাইনাল। ফুটবল তার হারানো অতীত ফিরে পাইছে, আগের মত আর ম্যান্দামারা টুর্নামেন্ট না, সারা দেশজুড়ে মারমার কাটকাট এইটা নিয়ে। পাড়া-মহল্লায় কথাকাটাকাটি, মাইরপিট, ধাওয়ানি, দাবড়ানি। বাড়ির ছাদে ছাদে আকাশি-হলুদ কিংবা সাদাকালো পতাকা। আজকে স্কুলগুলাও একটু আগে ছুটি দেয়া হবে যাতে পোলাপান বাসায় গিয়ে খেলা দেখতে প

শুভ জন্মদিন ভাষ্করদা

ছয় বছর হয়ে যাইতেসে এই ভাষ্করদা কে চিনি, যার লেখা ও কথা বলার স্টাইল তারে আমি অনেক পছন্দ করি! আপনার আজকে জন্মদিন, শুধু এই কারনেই পোষ্ট তা লিখতেসি!

শুভ জন্মদিন ভাষ্করদা Party

ওহ! আপ্নিতো বিজ্ঞাপন বানান, এক কালে আমিও আপনাকে নিয়া এক্তা বানাইসিলাম, যদিও অইটা ষড়জন্ত্র করে প্রচার করতে দেয়া হয়নাই! আজকে আমি ওইটা জনগনের সামনে তুলে দিলাম!

স্বীকারোক্তি...

বয়স অনেক হইলো। যতোই চল্লিশের দুয়ারে গিয়া পৌছাইতেছি, ততোই মনে হইতেছে কি জানি হারাইতেছি। সেই শৈশব থেইকাই এই হারানোর ভয় আমার পিছে লাইগা আছে। বাপের বাড়িতে একটা সুন্দর উঠান ছিলো। কিছুদিনের মধ্যেই সেই উঠানের উপর বাপে একটা বিশাল বাড়ি তুইলা ফেললো। যেই অসমাপ্ত বাড়ির তিনতলার কনস্ট্রাকশনের ফাঁকে ফাকে আমার সমব্রানিয়ার শত্রু-মিত্ররা স্থির দাঁড়াইয়া থাকতো। আমার সেই সমব্রানিয়া হঠাৎ একদিন লোপাট হইলো বাপের দেউলিয়া

টুটুল -নাজ পরিবারে নতুন অতিথী

অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, আজ ধানমন্ডির মাদার কেয়ার ক্লিনিকে দুপুর ১২:১০ মিনিটে আমাদের প্রিয় টুটুল ভাইকে নাজ ভাবী এক রাজপুত্র উপহার দিয়েছেন Party Party Party । মা ও সন্তান উভয়ে ভাল আছে । টুটুল ভাই সকলের দোয়া চেয়েছেন ।

rihan

অভিনন্দন টুটুল ভাই !

চাকরাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কম্পিউটার স্বাক্ষরতা কেন্দ্র উদ্বোধন

গত ২৩ জুলাই ২০১০ নওগা জেলার বদলগাছি উপজেলার চাকরাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্টান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, ডি.নেট ও মাসিক কম্পিউটার জগতের সৌজন্যে একটি কম্পিউটার স্বাক্ষরতা কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়।

অপূর্ব এক তিতকুনে রাঙানো আকাশ

গরম পানির মগে ধূসর সাদা ছোট্ট টি ব্যাগটা চুবিয়ে দিলাম। মগের তলানিতে গিয়ে বসে গেল টি-ব্যাগটা চুপচাপ। কয়েক মুহূর্ত পরেই টিব্যাগের তলা থেকে সোনালি রঙের ঢেউ খেলানো লিকার মগের তলদেশ আলোকিত করতে শুরু করে। অপূর্ব এক দৃশ্য। আমি মুগ্ধ চোখে তাকিয়ে থাকি। জলের ভেতর ভেজা ধোঁয়া যেন, কুন্ডলী পাকিয়ে ওঠা রঙিন লিকারগুলো ছড়িয়ে পড়তে থাকে সারা মগে।

মুভি ব্লগ: আনথিংকেবল ও আরো দুই ছবি

সন্ত্রাসবাদি হামলা নিয়ে হলিউডি মুভিগুলো আজকাল আর দেখি না, বলা যায় দেখতে চাই না। এসব মুভির বক্তব্য কি হবে সেটি না দেখেই বলা যায়। হার্ট লকার অস্কার পাওয়ার পর এখন শুরু হয়েছে ইরাকে মার্কিন সেনাদের বীরত্ব আর পায়ে পায়ে বিপদে থাকা নিয়ে ছবি। আর তাই কিনেও বর্ণ সিরিজের নির্মাতাদের তৈরি মুভি গ্রীনজোন এখনও দেখা হয়নি।

আমার প্রয়োজনের আবিস্কার নও তুমি, তুমি আমার অস্তিত্বের আরেকটি নাম ।

কোন এক অশুচি বাক্য
তোমাকে ঘিরে ধরে
তুমি ছুটে গিয়ে জানালার গ্রিল ধরে
ঝরে পড়া শীতল জল রাশির মত হিম হয়ে যাও.....

তুমি ধীরে ধীরে অনেক উত্তরে ছুটে যাও
বাঁক হারা পাগলা হাওয়ার মত।

যার কাছে বার বার ছুটে যাচ্ছিলে নিজের সব কিছু ভুলে
ভাবছিলে সে তোমায় খুব করে ধরে রাখবে তাই না ?

এ কথাটা তুমি আজ অবধি কাউকে বলোনি
নিজের মত থেকেও দূর দূর করে তাড়াতে
চেয়েও পারোনি,
পাগলা হাওয়ারা যেমন বাঁক খেয়ে ফিরে আসে
নির্বিঘ্নে তুমি তোমার দখিনা জানালার ফিরেছ বার বার.....

একটি কটু বাক্য তোমায় খুব করে আহত করে
সমাজে সভ্যতাধারী কিছু কিছু মানুষ এমনই
ওদের জ্ঞান অতটুকুতেই সীমাবদ্ধ।

সমাজ সভ্যতার নিরিখে বাস্তবতা কে আবিষ্কার
করতে থাকি ঠিক তখনই,
যখন তুমি কিংবা আমি বাস্তবে পরাবাস্তবের মুখোমুখি।

যত আঁধার কে তুমি সাথী করে নিয়ে ছুটে যাচ্ছিলে
আমিও ঠিক এগিয়ে গেলাম তোমার কাছাকাছি
সমাজ সভ্যতার সামনে দিয়ে।

পুরোনো স্কুল

পুরোনো স্কুলে গেলেই পুরোনো রকম বিহ্বলতা ভর করে, সেই পুরোনো স্যারের সামনে কাঁচুমাচু দাঁড়িয়ে থাকা, স্যারের চেনা ধমক, সেই পুরোনো শ্রদ্ধা আর ভীতি- নিজেকে পুনরায় স্কুল-পালানো একজন মনে হয়। এখন যারা স্কুলের মাঠার চারপাশে দাঁড়িয়ে আছে, তাদের কেউই আমি স্কুল ছাড়বার সময়ও জন্ম হয় নি। আমাদের স্কুলত্যাগের বয়েস এতটাই বেড়েছে, মাঝে একটা প্রজন্মের ব্যবধান। স্কুলের সামনের মাঠ বদলে গিয়েছে, আমরা যে মাঠে ফুটবল খেলতাম সে

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ