ক্ষুদ্র ঋণ : তুলো ধুনো ড: ইউনুস
সপ্তাহ জুড়েই বাংলাদেশে গ্রামীন ব্যাংক এবং মাইক্রোক্রেডিট হট আইটেম। কি চায়ের কাপে, কি পত্রিকার কলামে, অথবা কোন সাংবাদিক সম্মেলনে। তুলোধুনা মাইক্রোক্রেডিট। ক্ষুদ্রঋণ আজ সুদের ব্যবসা হিসেবে আখ্যায়িত। এটা কিন্তু বদরুদ্দিন ওমর অথবা আনু মোহাম্মদ এর বক্তব্য নয়
... কারো সাথে মিলে গেলে সেটা একেবারেই কাকতালীয় 
কয়েক দিন আগেই ক্ষুদ্র ঋণ মেলার আয়োজন সফল ভাবে সম্পন্ন হলো সরকারের অঙ্গসংগঠন পিকেএসএফ এর উদ্যোগে। সেখানে পিকেএসএফ এর চেয়ারম্যান ইউনুসকে বাদ দিয়ে দলীয় আনুগত্যে নিয়োগ পাওয়া বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ জনাব খলিকুজ্জামানকে নিয়োগ দিয়ে তাকে দিয়ে যথারীতি উদ্বোধন ও সমাপনী অনুষ্ঠানে আসন অলংকৃত করালেন। ঘটনা এটা না... জনাব খলিকুজ্জামান মাইক্রোক্রেডিটের বিপক্ষের লোক.. লাইক বদরুদ্দিন ওমর। ক্ষুদ্রঋণের সহায়ক সংস্থা হয়ে সেই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হয়ে সেই সংস্থার বিরোধিতা কি ডাবল স্ট্যান্ডার্ড হয়?
তার কাছেই আমরা প্রথম জানলাম রবীন্দ্রনাথ প্রথম ক্ষুদ্র ঋণ প্রদান করেন তার গ্রামের কিছু লোককে। আমাদের উচিত রবীন্দ্রনাথকে ক্ষুদ্র ঋণের জনক হিসেবে ঘোষণা করা। তাহলে কি রবীন্দ্রনাথ ও সুদখোর? চিন্তায় পড়লাম
সংসদীয় গণতন্ত্রে একটি রাষ্ট্রের প্রধান মন্ত্রী হলো সেই দেশের সর্বৌচ্চ নির্বাহী পদ। সেই উচ্চতার মানুষগুলোর কাছে আমরা সব সময় আম জনতা শালীন আচরণ প্রত্যাশা করি। কথা বার্তায় মার্জিত হওয়াটা একজন প্রধান মন্ত্রীর কাছে আবশ্যকীয় মনে হয়।
"ভালো ভালো কথা বলে গরীব মানুষের রক্ত চুষে খাওয়া হচ্ছে," মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, "আপনারাও খুঁজুন। অনেক কিছু বেরিয়ে আসবে।"
"বাংলাদেশ অনেক কিছুতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে," উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "জনগণের টাকা নিয়ে ভোজবাজির খেলার এটাও একটা দৃষ্টান্ত। আমিও মনে করি অবশ্যই এর তদন্ত করা উচিৎ। কেন এটা হলো?"
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ... আপনার মুখটা কি কখনই সংবরণ করতে পারেন না? যদি নাই পারেন তাহলে খোলেন কেন? কোন দেশের প্রধান মন্ত্রী যখন উল্টোপাল্টা কথা বলে তখন সেটা এক ধরনের গালাগালি হয়ে ওঠে। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী আপনার এই বক্তব্য আমার কাছে নোংরা মনে হয়।
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী.... আপনার কাছে আমরা গঠন মূলক আচরণ প্রত্যাশা করি। কারো বিরুদ্ধে কোন কমপ্লেইন আসলেই তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করা যায় না। নরওয়ে'র এক জন একটা ডকুমেন্টারী বানিয়েছে আর তাতেই আপনি নাচতে শুরু করলেন... এইটা কোনভাবেই শোভন মনে হয় না। আর এই যে মাইক্রোক্রেডিটের আড়ালে "রক্ত চোষা" হচ্ছে এটা জেনেও আপনি চুপ করে আছেন কেন? রাজনীতি করার জন্য? দয়া করে এইসব বন্ধ করুন।
ওইদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরেক কাঠি সরেস... তিনি বলেন "ভাবমূর্তি কোন ব্যক্তির ওপর নির্ভর করে না"। খুব জানতে ইচ্ছা করছে যে, তাহলে কার উপর নির্ভর করে? আপনার দলের একজন কর্মী কিছুদিন আগে আপনার সাথে নিউইয়র্ক গিয়ে নারীঘটিত কেলেঙ্কারিতে আমরা বিব্রত হয়েছিলাম। তাহলে কি ধরে নিব যে, ওটা কোন ব্যক্তির ছিল না... বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দেশের মুখে চুনকালি মেখেছে?
যদি সম্ভব হয় অর্থমন্ত্রীর কাছে শিখুন
http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=143373&cid=2
'তহবিল স্থানান্তর' নিয়ে নরওয়ের সঙ্গে মুহাম্মদ ইউনূসের 'সত্যিই সমঝোতা হয়ে থাকলে' স্থানান্তরে দোষের কিছু দেখেন না অর্থমন্ত্রী।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, "গ্রামীণ ব্যাংক ইতিমধ্যেই তাদের ভাষ্য (ব্যখ্যা) দিয়েছেন। তারা দাবি করেছে, নরওয়ে সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে অনেক আগেই আন্ডারস্ট্যান্ডিং (সমঝোতা) হয়ে গেছে।
"যদি সত্যিই তাই হয়ে থাকে তাহলে আমি তো এর মধ্যে দোষের কিছু দেখি না।"
আবার ডকুমেন্টারী যিনি বানিয়েছেন তার বক্তব্য দেখুন
ইউনূসের বিরুদ্ধে অর্থের অপব্যবহার বা তার ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার মতো কোনো অভিযোগ তিনি করেনি বলে বিবিসিকে জানান টম।"
মাইক্রোক্রেডিট নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। মাইক্রোক্রেডিটের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না... সেটা হয়তো অন্য বিচার্য বিষয়... সময় হয়তো বলে দেবে কি থাকবে আর কি থাকবে না...
দুইজন অর্থনীতিবিদের ভাষ্য আপনাদের অবগতির জন্য তুলে ধরি
ক্ষুদ্র ঋণ শুধুই সুদের ব্যবসা নয় – ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছেন, নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তির মাত্র একমাসের মধ্যে ড. ইউনূসকে নিয়ে বাংলাদেশে অনেক সমালোচনা হচ্ছে। পৃথিবীর অন্য কোথাও এভাবে এত সমালোচনা হয়নি। সমালোচনা করা ভালো। তবে আমরা বাঙালিরা আসলে প্রশংসা করতে জানি না। ড. ইউনূস ক্ষুদ্র ঋণের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। ক্ষুদ্র ঋণ শুধুই সুদের ব্যবসা নয়। এটা দারিদ্র্য বিমোচনকারী এবং বর্তমানে দেশের সমগ্র অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, গত ২০ বছরে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ক্ষেত্রে দ্রুততর উন্নতি হয়েছে। সামাজিক এই উন্নয়নে শুধু ক্ষুদ্র ঋণ নয়- সরকার, এনজিও এবং দাতাদের ভূমিকা আছে। তিনি বলেন, সামাজিক উন্নয়নের কোন কোন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ভারতের কর্ণাটক, মধ্যপ্রদেশের মতো ধনী রাজ্যগুলোর চেয়েও এগিয়ে রয়েছে। পাকিস্হান আমাদের ধারেকাছে নেই।
Source: দৈনিক যুগান্তর Date:2007-03-06
বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের গভর্নর ড. আতিউর রহমানের বক্তব্য
পুরো বিশ্ব এখন অনত্মর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। জি-২০ দেশগুলোর টরেন্টো সম্মেলনে অনত্মর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির কিছু নীতিমালাও তৈরি করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো অনত্মর্ভুক্তমূলক অর্থায়নের কথা ভাবছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। আমরা চেষ্টা করছি গ্রামীণ কৃষকদেরও এর মধ্যে অনত্মর্ভুক্ত করতে। তিনি আরও বলেন, ক্ষুদ্রঋণ সংস্থাগুলো অনেক দিন ধরে অনত্মর্ভুক্তিমূলক অর্থায়ন নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছে, যা প্রশংসাজনক। এটা খুবই স্বাভাবিক যে, অনেক বড় পরিসরে কাজ করতে গেলে নন্দিত হতে হয়, সঙ্গে নিন্দিতও। আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি বাংলাদেশে অন্য যে কোন দেশের তুলনায় ক্ষুদ্রঋণ অনেক রেগুলেটেড এবং বাংলাদেশেই একমাত্র এমআরএ (মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি) সবচেয়ে সক্রিয়। স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় জবাবদিহিতামূলক পদধ্বনিতে ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থা নিয়ে আসতে হবে। এ মর্মে ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলক কাজও শুরু হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার নিয়ে অনেক বিতর্ক উঠেছে কিন্তু এও স্বীকার করছি বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণ না থাকলে নারীর ক্ষমতায়ন আজ এত ভাল পর্যায়ে আসত না। একমাত্র ক্ষুদ্র ঋণ ব্যবস্থাই এ কৃতিত্বের দাবিদার। ২০ বছর আগে আমাদের দেশের নারীদের যে অবস্থা ছিল আজ তার অনেকটাই ব্যতিক্রম। আজ নারী অনেক স্বাধীন, স্বাস্থ্য সচেতন, সাহসী এবং আত্মনির্ভরশীল। ক্ষুদ্রঋণের কিছু নেতিবাচক খবরের জন্য সকলকে দায়ী করা যাবে না। একার পৰে কখনই ভাল কিছু করা সম্ভব নয়। এখানে সরকারের দায়িত্ব হবে নৌকার পাল তুলে দাঁড়িয়ে থাকা, আর বৈঠা বাইবে অন্যান্য ৰুদ্রঋণ সংস্থা। তবেই নৌকা সামনে এগিয়ে যাবে।
http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=34&dd=2010-11-10∋=38954
আপনারা দয়া আপনার করে এইবার থামুন। একজন ইউনুসের দোষ ছিলো তিনি রাজনীতি করতে চেয়েছিলেন। নোবেল জয়ী কেউ রাজনীতি করলে নিজেদের জ্ঞানী হিসেবে জাহির করা কষ্টকর হয়ে পরে। আমরা মাইনা নিলাম আপনারা অনেক জ্ঞানী। আপনাদের অনেক ডক্টরেট ডিগ্রি আছে... প্লিজ ... এইবার মুখটা বন্ধ করেন।





কিছু ঋণ দিবা টুটুল?টেকা নাই।
আমারেও কিছু দ্যান, আমার সব টাকা নদীর জলে ভাইসা গ্যাছে।
আমারে খবর দিতেন ভাসানোর আগে। যাইতাম। টেকা নাই।

টুটুল ঋণ দেয় খবর পাইছি । আরেকজনও দেয় তার নাম কমু?
কে কে ঋণ দ্যায় সবার লিস্ট দে, ভিক্ষার থালা লৈয়া বাইর হৈতাছি।
১. টুটুল
২. অর্থ বানিজ্যের মালিক।
আমার পেলেনের টিকিটটা কেও যদি পাঠায়তো??কে দিবো এই গরীব মেধাবী ছাত্ররে দেশে যাওয়ার সুযোগ??
(
(
গরীব-মেধাবী

রাসেল সুযোগ পাইয়া নিজেরে মেধাবী কৈয়া দিলো
আরে না। পেপার পত্রিকায় দেখেন না রাস্তায় দুর্ঘটনায় মারা গেলে সে হয়ে যায় মেধাবী।আমার হয়ছে সেই দশা।

হ। কেউ কয় না তো তাই।
আমরা গাড়ি ভাড়া পাই না আর হেতে পেলেন ভাড়া চায়।
এই দুনিয়া আর সেই দুনিয়া নাই।

হ। রিক্সা চড়ারও ট্যাকা নাই। বাজার খালি পড়তাছে আর পড়তাছে।
কিসের বাজার? তেলের দাম তো বাড়ছে। বাজার কইরা তো ফকির হইয়া গেলাম।
হ আরো অনেক কিছুর দাম বাড়ছে। মিলাদে বসলে বহুত লস হৈয়া যাইবো
মিলাদ শুনলাম, তবারক পাইলাম না। হুজুর ভূয়া।হুজুরের বয়ান ভালো হয় নাই?
তোম্রা খালি ক্ষুদ্র ঋণ লৈয়া বিজি... আর ওই দিকে আম্রার বড় ঋণের কি অবস্থা একটু দেখছো? শুনলাম কে কে জানি হাসপাতালে
আজ বিশ্ব মন খ্রাপ দিপস
গরীবের পেটে এত বড় লাত্থি
(
মন খ্রাপ দিপসের কর্মসূচী কি?একবার দেখলাম মিলাদ হইলো। মাসুম ভাই মিলাদ পড়াইছে। দুন্যাই কই যাইতাছে!
মিলাদ
মন খ্রাপ দিবসের এই দু:খের মধ্যেও হাসতে হাসতে মৈরা যাইতেছি।
আমি আবার কী করলাম?
ড. ইউনুসকে একটা গালি দিলে বাংলাদেশকে দুইটা গালি দেয়া হয় তা যারা বুঝতে পারছেন না তারা দয়া করে আসলেই চুপ করেন। তিনি তো বলেছেন ই সবকিছুর সঠিক তদন্ত হোক। তদন্ত শেষ হয় নাই দেখে দেশের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ যদি সাংসদ শাওনকে গ্রেফতার না করতে পারে তাহলে ড. ইউনুসকে কেন বিচারের আগে বা অভিযোগ প্রমানের আগে অপরাধী বানানো হচ্ছে? বাইরের বিশ্বের কাছে নিজেদের ছোট বানানোর আগে একটু ভাবুন।
ওই দিন প্রধান মন্ত্রীর সাংবাদিক সম্মেলন দেখে পুরা তব্দা খাইলাম। মনে হলো আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠনের কোন নেত্রীকে দেখছি।
ছাত্রলীগকে দেখলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার মিছিল ও করতে। ইউনুসের চামরা নাকি তুলে নিবে।
সত্যি সেলুকাস
এইখানে কি সিরিকাষ কথা হয়। পরে পড়ুম। শেযারের দাম কি বাড়ছে?
টুটুল, আপনার এই তুখোড় বক্তব্যধর্মী এবং বিশ্লেষণমূলক লেখাটির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ দিচ্ছি, আসলে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সরকারের মন্ত্রীরা, এবং পত্র-পত্রিকাগুলো বিষয়টি নিয়ে একতরফা খেলছে, ফলে জনগণ কিছুটা হলেও বিভ্রান্ত। আপনার এই তথ্যভিত্তিক লেখাটি পড়ে মূদ্রার অন্যপিঠ সম্পর্কেও কিন্ঞিত ধারনা পাওয়া গেলো, আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আর হাঁ, লেখাটিতে বেশ কিছু মূদ্রণ প্রমাদ লক্ষ্য করা গেলো, ঠিক করে নেবেন আশা করি।(লেখাটি ছয় তারিখে পোস্ট করেছেন, অথচ...চোখে পড়লো আজ ,তাও এপর্যন্ত পাঠক মাত্র সাতজন, রহস্যটা ঠিক বুঝলামনা...।)
বস... আসলে পোস্টটা লিখছিলাম ৬ তারিখে। সময়ের অভাবে দিতে পারি নাই... এখনো সেই একই তারাহুরা
সরি...
আজবতো ! একটু আগে দেখি একটাও মন্তব্য নাই। আর আমি মন্তব্য দিয়া দেখি সিরিয়াল নম্বর ১৫। তারিখ আর সময়ও আপডেট হইয়া গেলো ! কেইসটা কি ! চশমা পইড়া্ও ভুল দেখলাম নাকি ! মডারেটর ভাই, আপনি কই ! একটু ব্যখ্যা দেন ভাই।
ড্রাফটে রাখা পোস্ট তো... বের কইরা পোস্ট দিয়া দিখে ওইটার তারিখে প্যাচ
... আমার পোস্ট যে লোকজন পড়ে এইটা বুঝি নাই 

আবার সরি
নরওয়ের উন্নয়নমন্ত্রী সোলেইম :গ্রামীণ ব্যাংকের তহবিল হস্তান্তরের বিষয়টি ’৯৮ সালেই নিষ্পত্তি হয়েছে
সূত্র: প্রথম আলো
গুড গুড। দারুণ কাজ করসেন টুটুল ভাই।
ধন্যবাদ আপা। চেষ্টা করতেছি
মিছিলে যাও নাই?
সুযোগ পাইলাম কই... মামুরা সব পাহাড়া দিতাছে
http://bdnews24.com/bangla/details.php?id=143701&cid=4
আমাদের দেশের মন্ত্রীদের বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীকে মুখ সংবরন করার উপর একটা শর্ট কোর্স করানো উচিত।
মিশু যে... কৈথিক্কা উদয় হইলা?
টুটুল ভাই, আপনাকে ধন্যবাদ জানাই।
ডঃ ইউনুসকে নিয়ে আমার মাথায় একটুও ব্যাথা নেই। বেশী ব্যাথা যাদের নিয়ে তাদের কথা আপনি অনেক সুন্দর করে বলে দিলেন। তাদের আমরা কেন নির্বাচিত করেছি, কেন ভোট দিয়েছি - তার অর্থ তারা এখনো বুঝতে পারছে না! সেইম, সেইম, সেইম।
এবং শেষে
আপনার হাতে একটা 'চুম্মা'! আমার মনে হয় আগামী তিন বছর পর পাবলিকই তাদের থামাইবো!! কিন্তু তার পর.।.।.।
রায়হান ভাই কুথায়?
মাপ কৈরা দেওন যায়না হুজুর!
ব্যাপক বিনোদন
অসতাগফিরুল্লাহ
অসতাগফিরুল্লাহ।
গুরু, আপনাকে শুভেচ্ছা জানাছি। 'মাপ' কালচার ভাল।
শুধু শুভেচ্ছা? একজনকে এতকিছু দিলেন আরেকজনকে শুকনো শুভেচ্ছা?
আমরা দুইজন' অতি জ্ঞানী' প্রধানমন্ত্রী পাইছি, একজন বর্তমান, অন্যজন সাবেক। দেশে কেয়ামত ঘইটা গেলেও একজন মুখ খোলেননা, অন্যজনের মুখতো সব সময় খোলাই থাকে। কোন কথা তিনি মাটিতেই পড়তে দেন না, তার আগেই লুইফা নেন । যে কোন ইস্যুতে কথা বলাটা তার মজ্জাগত। । একজন জানেন কম, তাই হয়তো বলেন কম। অন্যজন এত বেশী জানেনযে, সব বিষয়ে যেন তার অগাধ পান্ডিত্য, সব ব্যপারে ওনার মুখ গলানো (নাকি নাক গলানো)চাই। তার মুখনি:সৃত বাণী পইড়া ম্যাংগো পাবলিক কি মনে করলো না করলো তাতে ওনার কিছুই যায় আসেনা...।
ভানুর একটা কৌতুক মনে পড়লো - আলোচনার আলো ই যদি নিভে যায় তাহলে আর চনা দিয়ে কি হবে ?
আমরা চনা নিয়েই ব্যস্ত এখন , আলো তো অনেক আগেই নিভছে।
আপনারা দয়া আপনার করে এইবার থামুন। একজন ইউনুসের দোষ ছিলো তিনি রাজনীতি করতে চেয়েছিলেন। নোবেল জয়ী কেউ রাজনীতি করলে নিজেদের জ্ঞানী হিসেবে জাহির করা কষ্টকর হয়ে পরে। আমরা মাইনা নিলাম আপনারা অনেক জ্ঞানী। আপনাদের অনেক ডক্টরেট ডিগ্রি আছে... প্লিজ ... এইবার মুখটা বন্ধ করেন।
আপনার হাতে চুম্মা কইলেওতো আবার আস্তাগফিরুল্লাহ কওয়া হয়বো ! চুম্মার কথা না কয়া বরং কই, আপনার হাতে ফুল -চন্দন পড়ুক !
এইরম লেখা নিয়া সবসময় হাজির হইবেন , বস !
আইচ্ছা , কেউ কি কইতারেন, ১৯৯৭ এর যে দূর্নীতির কথা চলতেছে তার ১০ বছর নরওয়ে থেইকা ড. ইউনূস ক্যামতে নোবেল পায়লো ?
নরওয়ে কি ড. সাবরে তাইলে দূর্নীতির লাইগা নোবেল দিছিলো ?
নোবেল পাওনেরও এতোদিন পর ক্যান এই দূর্নীতির তথ্য ফাঁস হইতেছে ? সেইটা কি এইজন্য যে, নরওয়ের কোম্পানী টেলিনর এর লগে গ্রামীন ফোনের অংশীদারীত্ব বিষয়ে ইউনূস সাব এট্টু বেশীই দর-কষাকষি কইরালাইছেন !
জয়তু হে ! বাণিজ্য !
এইসব লিয়ে কথা বলে এখন কে ধরা খাইলো!!! কার মান সন্মান গেল!!!

লিঙ্কঃ
http://www.regjeringen.no/en/dep/ud/pressesenter/pressemeldinger/2010/rapport_grameen.html?id=627366
এইটা নিয়ে এত লেখা লেখি কথা বার্তা তার কারণ খোদ নরওয়ে টিভি তে নোবেল জয়ী ইউনুস এর এই 'কীর্তি' নিয়ে রিপোর্ট হয়েছে..ডকুমেন্টারি বানানো হয়েছে.. দেশের বাইরে গেলেই সবাই যেমন দেশপ্রেমিক হয়ে যায় সেরকম দেশের বাইরে যেয়ে কারো পুকুরচুরির কথা উঠলে কি আর সবার মুখ থেমে থাকে!
পুরো বিষয়টি আমাদের বেশিরভাগ মিডিয়া এবং বিডিনিউজ যেভাবে উপস্থাপন করেছে তাতে সাংবাদিক হিসেবে আমি লজ্জা পেয়েছি।
মাসুম ভাই, এখন তো মনে হচ্ছে প্রথম আলো ই সঠিক ছিল। আমি মুন্নী সাহার অনুষ্টানে আপনার কথা গুলো শুনেছি, শেষের দিকের। আপনি ভাল বলেছেন। তবে আমি মনে করি আপনারা আরো স্পষ্ট হতে পারেন। যেমনটা হয়ে আছেন নুরুল কবির!
মাসুম ভাই, আপনার লজ্জা পাওয়াতে আমার নিজেরো লজ্জা লাগছে। কবে আমাদের সে সব রাজনীতিক লজ্জা পাবেন! নাকি উলটা পালটা বলে আমাদের আরো লজ্জা দিতে আবারো তেরী হচ্ছেন।
পোষ্টে ৫ । একদম মনের কথাগুলো বলেছেন।
প্রিয়তে রাখলাম টুটুল ভাই।
আর প্রধানমন্ত্রী এবার কিন্তু অনেক সামলে আছেন। ইউনুসের ওপর পুরান রাগতো ঝাটাক সে বের হয়ে গেছে, সামলাতে পারে নাই
ভানুর ঐ কৌতুকটা জানেনতো, বেশি বলে বলে বউ কাশি দেয় তো একবার ভানু রেগে বলেছে আর যতোই কাশি দাও আমি এর নীচে আর নামবো না। আমরা যতোই কাশি এর থেকে বেশি প্রধানমন্ত্রী আর থামতে পারবেন না। তবে এবারে ওনার পার্ফমেন্সে আমি মুগ্ধ।
ড, ইউনুসের উচিত এখন একটা যুইত সই মান হানি'র মামলা করা।
হেলাল ভাই, আর মামলার কথা বলিয়েন না। পরে এমন হতে পারে, ড ইউনুস সাহেব ধর্ষনের চেষ্টার আসামী হয়ে যেতে পারেন! সরকার অনেক কিছু করতে পারে! আপাতত ড ইউনুস ভাইকে 'সুরা ইউনুস' দিয়ে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়তে বলেন। এ যাত্রায়ও বেঁচে গেল!
নিউজে ডঃশেখাসিনার বক্তব্য যখন শুনছিলাম, উনি তখন স্ক্রিপ্ট দেখে দেখে ভালো (গৎ বাধা )কথা বলছিলেন, কিন্তু যেইনা স্ক্রিপ্টের বাইরে কথা বলা শুরু করলেন তখন বুঝলাম কিছু আসতেছে। এবং তারপরই তিনি উক্ত বক্তব্য প্রসব করলেন।
এটা উনার খাসলত, মুখ যদি টেপ দিয়ে বন্ধও করা হয়, তবু মধ্যমা উচিয়ে কিছু একটা দেখানোর লোক উনি...।
তথাকথিত পণ্ডিতদের আচরণে দ্বিচারিতা দেখে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
মানুষ এখন অনেক বেশী জানে এবং জানতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে দুঃখ পেলেও অবাক হইনি। বেফাঁস বক্তব্য দেয়ার ব্যাপারে তাঁর খ্যাতিটা পুরোনো। কিন্তু তিনি এবং অন্যন্য জ্ঞানীগুনীকূল যে বিষয়টি ভুলে গেছেন সেটা হলো, থু থু উপরের দিকে ছিটিয়েছেন, যার সবগুলি বাংলাদেশের উপরেই পড়েছে।
কারো কারো অবস্থা এমন হয়েছে যে, ড.ইউনুসকে দুটো গালি দিয়ে আসতে পারলে যেন সওয়াব হাসিল হয়। তাদের অনেকে জানেনও না ড.ইউনুস গ্রামীন ব্যাংকের মালিক নন, উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠাতা। আরো জানে না যে ৭০০কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে বলে হাততালি দিচ্ছে অপসাংবাদিক ও রাজনীতিবিদরা, সে টাকা ড.ইউনুসের পরিবারের ভোগবিলাসে লাগে নাই।
গতকাল রাতে আরটিভির সাথে লাইভ সাক্ষাতকার দিয়েছে নরওয়ে টিভির ওই সাংবাদিক। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, আমি একবারের জন্যও আমার রিপোর্টে ড.ইউনুস বা গ্রামীন ব্যাংক দুর্নীতি করেছে বলি নাই, দুর্নীতির কোন সম্ভাবনা নাই, বলেছি একটা ফান্ড অনিয়মের মাধ্যমে ট্রান্সফার হয়েছে গ্রামীন কল্যানে।
কালরাতেই আবার নরওয়ে সরকার থেকে বিবিসিকে জানানো হয়েছে-
Norway tells the BBC that there are "no more unanswered questions" into
claims that the Grameen Bank in Bangladesh wrongly diverted aid cash
আমাদের লজ্জা রাখার জায়গা আছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী?
কালের কণ্ঠগ্রুপের পত্রিকা বাংলাদেশ প্রতিদিনের বক্তব্য:

ড. ইউনূসের সমালোচনা করলেন মনমোহনও
এবার দেখি ভারতীয় হাই কমিশনের বক্তব্য:

ইউনুস কে তুলোধুনোর পেছনের কারন অন্য...
অনেক কিছু জানলাম, শিখলামও কিছুটা । এত তত্ব ও তথ্য মগজে ধরবে না ।
এত যে জ্ঞানী-গুনী মানুষের দেশ আমাদের, তা ভুলে গেলে চলবে ? হত-দরিদ্রদের ক্ষুদ্র ঋণ দিয়ে (ছোট কাজ করে) এত বৃহৎ একটা পুরষ্কার পেলেন ডঃ মুহম্মদ ইউনুস, অথচ কত বড় বড় কাজ কতজন করছেন তার জন্য কোন পুরষ্কার জুটছে না । আরে ভাই, এ কি সহ্য করা যায় ?
টুটুলকে ধন্যবাদ সাহসী, সময়োপযোগী পোস্ট ও মন্তব্যের জন্য । জ্ঞনগর্ভ মন্তব্য করে যে বন্ধুরা এ পোস্টের সৌন্দর্য বর্ধন করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি ।
আমরা দুইজন' অতি জ্ঞানী' প্রধানমন্ত্রী পাইছি, একজন বর্তমান, অন্যজন সাবেক। দেশে কেয়ামত ঘইটা গেলেও একজন মুখ খোলেননা, অন্যজনের মুখতো সব সময় খোলাই থাকে। কোন কথা তিনি মাটিতেই পড়তে দেন না, তার আগেই লুইফা নেন । যে কোন ইস্যুতে কথা বলাটা তার মজ্জাগত। । একজন জানেন কম, তাই হয়তো বলেন কম। অন্যজন এত বেশী জানেনযে, সব বিষয়ে যেন তার অগাধ পান্ডিত্য, সব ব্যপারে ওনার মুখ গলানো (নাকি নাক গলানো)চাই। তার মুখনি:সৃত বাণী পইড়া ম্যাংগো পাবলিক কি মনে করলো না করলো তাতে ওনার কিছুই যায় আসেনা...।
পড়ে ফেললাম, জেনে গেলাম, বুঝে ফেললাম!
এই সব খেলার চাইতে রিয়েলিটি শোই ইদানীং অনেক উত্তেজক, তাই, এডি দেখিনা, এএক্সএন দেখি!
পোস্টখানা স্টিকি করা হউক।
আমি নির্দোষ !!
টুটুল ভাই, ধন্যবাদ এই লেখাটার জন্য। ফেসবুকে শেয়ার দেই??
মন্তব্য করুন