ইউজার লগইন
ব্লগ
আহমদ ছফা জন্মের ৭০ বছর পেরিয়ে!
আহমদ ছফা আমার এতো পছন্দের লেখক তাও উনাকে নিয়ে লেখার দুঃসাহস কখনো করি না। কারন যাদের মানুষ দেবতা তুল্য ভক্তি করে তাদের নিয়ে আসলে লেখা যায় না। আর আমি আসলে অন্য যেকোনো লেখক নিয়ে ঢালাও মন্তব্য করতে যেমন গায়ে বাধে না। কিন্তু পছন্দের লোক নিয়ে কেউ মন্তব্য করলে শুনি, নিজের আর কিছু বলা হয় না। কারন আমার পছন্দ সবার পছন্দ হতে হবে এরকম ফান্ডামেন্টালিস্ট চিন্তা আমার কখনোই ছিলো না। যখন সবাই মাসুদ রানা পড়ে সেই আমল থেকেই আমি হুমায়ুন আহমেদের লেখা বড়দের জন্য নানান উপন্যাস সমানে গিলছি। চিটাগাংয়ে শিবির আর ছাগুর বাম্পার ফলন। সেই বন্ধুরা তখন শাওন হুমায়ুন আহমেদ বিয়ে নিয়ে আদি রসাত্মক ফাজলামী করতো। আমি চুপচাপ শুনতাম। কি বলবো?
একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-২)
সাদা মেম এবং রুপাইয়ের গল্প
আজ সকাল থেকেই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি পড়ছে। আকাশটা কালি গোলা মেঘের মত হয়ে আছে। কুমুদিনি টী স্টেটটাকে কেমন বুড়ো জুবুথুবু লাগছে। দোকানের দিকে গুটি গুটি পায়ে ছাতা নিয়ে এগুচ্ছি, পেছনে গোপাল ডাকল-
-দাদা চা খাইতেন্নি, টাটকা লোফ আছে।
এখানকার স্থানীয় লোকজন রুটিকে লোফ বলে। সম্ভবতঃ বিলেত থেকে এসেই এই শব্দটা অজ পাড়া গাঁয়ে খুঁটি গেড়েছে।
সকাল সকাল কেন যেন কিছুই ভালো লাগছে না। বসে পড়লাম গোপালের দোকানে। টিনের বর্ধিত ছাউনির নীচে বেঞ্চিতে যদিও বৃষ্টির ঝাপ্টা আসছে এলো মেলো বাতাসে, তবুও কেন যেন বসে থাকতে ভালোই লাগছে। খুব গরম চা নয় কিন্তু কয়েক চুমুক দিতেই মাথা ভার ভার ভাবটা কেটে গেল। ভাদ্র মাসের গুমোট ভেজা হাওয়ায় কেমন মন হুহু করা ভাব। গোপাল যত্ন করে স্বচ্ছ পলিথিনে মোড়া “দৈনিক সিলেটটা” দিল।
হেড লাইনটা শেষও করতে পারিনি, হঠাৎ রফিক মিঞা আর তার বউয়ের কান্না শোনা গেল। বুকের ভেতরটা ধ্বক করে উঠল। আবার কি হল?
দুবছর আগে এ বাড়িতে এভাবেই কান্নার রোল উঠেছিল। আবার কি হল? গোপাল বলল, যাইবেন্নি? ও টিনের খুপ্রি থেকে লাফ দিয়ে নেমে আসে। আমরা দুজনেই বাংলো বাড়িটার দিকে এগিয়ে যাই।
অলীক স্বপ্নের এপিটাফ..[এলোমেলো কাব্যকথন!]
একটা সুপ্রাচিন মর্মরসম মর্ম ছিল আমার,
আর ছিল এক স্নিগ্ধ বালুকাবেলার শখ।
ভেবেছিলাম
একটা কু ঝিকঝিক নীল রেলগাড়ি হবে আমার,
আর
পাহাড়চুড়ায়
মেঘের উপর ঘরবসতি।
বিকেলবারান্দার হাসনাহেনার গন্ধমেখে,
বরফছোঁয়া মুগ্ধতায়
হৃদয়জুড়ে
ভালোবাসার স্বপনমেখে থাকবে;
একজোড়া ছোট্ট পেঙ্গুইন
আর
একখানা গালটুস শ্বেতভলুকের ছানা।
মাঝেই মাঝেই রোদ্দুর হবে খুব -
হয়তো খুঁজেই যাবো কল্পতরুর ছায়া,
তার মাঝেই দুপুরপুকুরের স্বপ্ন ভাগ;
আর বুকে বাঁজবে টুকরো মেঘের গান।
একেকটা দিন,
জোড়াশালিকের সঙ্গ নিয়ে হারিয়ে যাবো দুরে কোথাও।
হয়তো নিজেকেই ফিরে পাবো বারেবার,
শঙ্খচীলের ডানায়।
যেখানে অচেনা আকাশ,
সুনীল সাগর মাখে গায়;
নিমিষেই।
নিশীথের বর্ষণমুখরতায় ভেসে যেতে যেতে,
ধোঁয়াউড়া কফি মগের গালে;
হাওয়াই মিঠাই চুমু খেয়ে যাবে -
পোর্সেলিনের শুভ্র চায়ের কাপ।
কার্যত সাদাকালো;
সুপ্রিয় ভালোলাগা ক্ষণগুলো,
বিষণ্ণতার নীলের পরশে
লীন হয়ে যায় বলে।
শুধুমাত্র -
আমার তুমি,
কথনোই আমার ছিলে না;
বোধের জন্মমূহুর্তে -
সন্ধ্যার অন্ধকারে,
অকস্মাত্;
তলিয়ে যাওয়ার আগে।
ভেবেছিলাম,
ফুল বঊ - আবুল বাশার
মানবীয় সকল প্রচেষ্টা ও উদ্যমকে ব্যর্থ করে দিয়ে পরাজয়ের অনিবার্যতা স্বার্থক ট্রাজেডীর বৈশিষ্ঠ্য। মানুষ স্বভাবতই প্রতিকূলতার বিপক্ষে লড়াই করে, আশাকে সম্বল করে টিকে থাকে বিরুদ্ধ পরিবেশে কিন্তু প্রকৃতি সমাজ বাস্তবতা তার বিপক্ষে চলে যেতে পারে, সকল সম্ভবনা সত্ত্বেও বিজয়ী মানুষের সামগ্রিক পরাজয় আমাদের নতুন করে বিমর্ষ করে, আমরা হতাশ হয়ে ভাবি লেখক আরও একটু উদার হতে ভালো হতো, এভাবে হারিয়ে দেওয়াটা তার ঠিক হয় নি মোটেও, আমরা আসলে সুন্দর সমাপ্তির প্রত্যাশা করি, কিছুটা নিয়তিবাদী আমরা অলৌকিক কিছুর প্রত্যাশায় বসে থাকি আর লেখক আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেন সব সময় সব প্রত্যাশা সামাজিক দাবি পুরণ করতে পারে না, লেখক বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে সমাজের বিদ্যমান শর্তগুলোকে সামনে রেখে চরিত্রের পরিণতি নির্ধারণ করেন, তাই পাঠকের প্রত্যাশাপুরণে ব্যগ্র না হয়ে লেখককে সামাজিক বাস্তবতার প্রতি সৎ থাকতে হয়, সে পরিণতি আমাদের সব সময় ভালো লাগবে এমনটা আশা করা অনুচিত।
আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম
জীবনে অনেকদুর পাড়ি দিয়ে এসে আজ যখন পিছনে ফিরে তাকাই আর জাবর কাটি তখন মনে হয় আহা, কতই না সহজ আর সুন্দর দিনগুলি ছিল।যদি ফিরে পাওয়া যেতো সেই দিন গুলি ,কতই না ভাল হত !
তখন মনে হত , ইস কেন আরো তাড়াতাড়ি বড় হচ্ছিনা, লেখা পড়া শেষ হচ্ছেনা, বিদেশ যেতে পারছিনা কেন? আর এখন মনে হয় যায় দিন ভাল, আসে দিন খারাপ।
ছেলেবেলায় অল্প কিছু পেলেই মনের ভিতর একটা অন্যরকম আনন্দের অনুভুতি হোতো, যেটা এখন অনেক বড় কিছু পেলেও আর হয়না। সখের জিনিস জমানোর শুরু হয় বিদেশি সিগারেটের প্যাকেট জমানো দিয়ে।
বনানি আর গুলশানের দুতাবাস আর বিদেশীদের আবাসিক বাসাগুলির আশে পাশে খুজে বেড়াতাম সিগারেটের প্যাকেট , পেয়েও যেতাম, তখন কাগজের ঠোঙ্গার নীচের সাপোর্ট দিত সিগা্রাটের প্যাকেট দিয়ে আর তাই বাসায় বাজার আনলে সব ঠোঙ্গা উল্টায়ে দেখতাম নতুন কোন সিগারেটের প্যাকেট আছে কিনা। নতুন কিছু পাইলেই খুশিতে আত্মহারা হয়ে যাইতাম।
প্রগতি বিরোধীতা মৌলবাদের চরিত্র
মৌলবাদ কথাটির ব্যবহার দর্শনগত। ভাষাতাত্ত্বিক ভাবেও শব্দটির মান একই অবস্থানে। ‘মৌল’ বা ‘মূল’ থেকে মৌলবাদ উ™ভুত হলেও এর অর্থ কোন বিষয়ে ‘ধ্রুব ধারণায় উপনিত’। অর্থাৎ কোন ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ে বিশ্বাসের বশবর্তী হয়ে ধ্রুব বা অপরিবর্তনীয় ধারণায় উপনিত হয় তখন তাকে মৌলবাদী বলে। অর্থাৎ নিজের বিশ্বাসের পক্ষে যা নয়, অযৌক্তিকভাবে তার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোই মৌলবাদ। বর্তমানে অর্থগত দিক থেকে মৌলবাদ শব্দটি একটি চতুর্মাত্রিক প্রতীতীতে রূপ নিয়েছে। অর্থাৎ এই শব্দটি দ্বারা চারটি বিষয়কে বোঝানো যায়,
১. বিশ্বাসের বশবর্তী ধারণাকে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা
২. ধর্মীয় প্রতীক সমুহের ব্যবহার
৩. প্রগতিবিরোধী ও
৪. সা¤প্রদায়িক-জঙ্গিত্ব
একাত্তরের বিদেশী বন্ধুগণঃ আমাদের দুঃসময়ের সূর্যসারথি (পর্ব-১)
একটি দেশ, একটি স্বাধীন ভূখণ্ড সবারই কাম্য। কোন কোন জাতিকে সেই স্বাধীন ভূখণ্ড অর্জন করতে অনেক বেশী মূল্য দিতে হয়। একটি যুদ্ধ কেড়ে নেয় অনেক কিছুই। কেড়ে নেয় লক্ষ বুকের তাজা রক্ত, বেঁচে থাকার অবলম্বন, ভিটেমাটি, নববধূর সোনালী স্বপ্ন, আশা, ভালবাসা। সব হারানোই বেদনার। অনেক হারানোর বেদনা নিয়ে একটি জাতি ধ্বংসস্তূপ থেকে জেগে ওঠে। বেদনার ধুসর জগতে তৈরী হওয়া ক্ষত একটু একটু করে বাড়ে। কোন কোন পিতৃহারা সন্তান তিল তিল করে বেড়ে ওঠে সেই ক্ষত বুকে নিয়েই, ক্ষত হয়তো একদিন শুকিয়েও যায় কিন্তু তার দাগটা থেকে যায় চিরস্থায়ীভাবে।
একজন মুক্তিযুদ্ধা যুদ্ধে যায় দেশ মাতৃকার টানে, শত্রুর হাত থেকে দেশকে রক্ষার জন্যে, দেশের মানুষের মুক্তির জন্যে। একজন সৈনিক যুদ্ধ করে নিজের দেশের প্রতি কর্তব্যের কারণে কিন্তু একজন ভিনদেশী! সে কেন অন্য দেশের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে? সে কোন অচেনা অজানা মানুষের হাহাকার শুনে নিজের জীবন বিপন্ন করবে? এখানে তো তার কোন দায়বদ্ধতা নেই!
আজ রাতে আমি লিখতে পারি - পাবলো নেরুদা
আজ রাতে আমি লিখতে পারি তীব্র শোকের পংক্তিমালা
যেমন লিখবো, "নীল তারা ছাওয়া আকাশ আছে কাছে
আরও আছে কাঁপন - সুদূরে।"
আছে আকাশের ঘূর্ণিপাকে গান গাওয়া নিশি হাওয়া
আজ রাতে আমি লিখতে পারি সবচেয়ে দুঃখী পংক্তিমালা
ভালোবেসেছি আমি তাকে, হয়তোবা কখনো সে'ও আমাকে।
বুকের মুঠোয় পুরে এমনই রাত পার
নিঃসীম নক্ষত্রের নিচে গাঢ় চুম্বন বারংবার
সে ভালোবেসেছিলো, কখনো আমিও তাকে।
অমন স্থিত চোখ পারা যায় ভালো না বেসে?
আজ রাতে আমি লিখতে পারি শোকার্ত পংক্তিমালা
এই ভেবে, সে আমার নয়। এও জেনে, তাকে হারিয়েছি আমি।
গাঢ় ,তার বিহনে গাঢ়তর আঁধারের শব্দ, শোনায় উৎসুক আমি
টুপটাপ শিশিরের মতো শব্দমালা ঝরে ভেতরে আমার
অপারগ প্রেম আমার, কী আসে যায় তাতে?
আকাশে তারারা এখনও ঝিলমিল - কেবল সে নেই, নেই সাথে।
এই ই সব। দূরে গাইছে কেউ। সুদূরে।
হৃদয় পরিতৃপ্ত নয়, হারিয়েছি তাকে।
দৃষ্টি খুঁজে ফেরে যাকে নিকটের আশে
মন তাকে চায় - নেই, নেই সে পাশে।
সেই রাত, গাছগুলো তেমনি সাদাটে
আমরাই শুধু নই আগের দু'জন।
নিশ্চিত,আর ভালোবাসিনা, কিন্তু হায় কী ভীষণ ভালোবেসেছিলাম!
আজ ২৬ শে জুনঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় এর ১৭৫ তম জন্মবার্ষিকী
বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় ১৮৩৮ সালের ২৬ শে জুন (বাংলা ১২৪৫ সালের ১৩ ই আষাঢ়) নৈহাটির কাঁঠালপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম যাদপচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়। তিনি মেদিনীপুরে ডেপুটি কালেক্টর পদে নিযুক্ত ছিলেন। পাঁচ বছর বয়সে বঙ্কিমচন্দ্রের হাতেখড়ি হয় কুল-পুরোহিত বিশ্বম্ভর ভট্রাচার্যের কাছে। পিতার অতি আদরের ৩য় সন্তান বঙ্কিম অসাধারন মেধাবী ছিলেন। তিনি একদিনেই বাংলা বর্ণমালা আয়ত্বে এনেছিলেন। বঙ্কিমচন্দ্র ১৮৪৪ সালে মাত্র ছয় বছর বয়সে পিতার কর্মস্থল মেদিনীপুরের কলেজিয়েট স্কুলে এসে ভর্তি হন।
টুটুল ভাই, লিনা আপু ও আহমদ মোস্তফা কামাল ভাই এর জেমকন সাহিত্য পুরস্কার ’১৩ লাভ। (শেষ পর্ব)
কথায় কথা বাড়ে। আহমদ মোস্তফা কামাল ভাইয়ের পুরস্কার লাভ, আমার বউডার বদলীর অর্ডার দুটি খবর ঘণ্টা দুইয়েকের ব্যবধানে আসে। প্রথম খবরটি দিল টুটুল ভাইয়া, সাথে লীনা আপুর দীর্ঘ রিভিউ আমাকে এই লেখার রসদ ও বাল্যস্মৃতি রোমন্থনের উপহার হিসেবে এনে দেয়। যার সাথে যুক্ত হয় প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসংগিক অনেক কিছু। আমার বধূটি এতদিন আমার কাছ থেকে দুরে থাকায় প্রিয় বন্ধুদের প্রিয় পিঞ্চিং আমাকে কি পরিমাণ আদর আপ্যায়ন করছে তার কিছুটা ধারনা হয়ত দিতে পেরেছি। এটাই ছিল আমার প্রথম পর্বে প্রতিশ্রুত গল্প বলার বিষয়। কিন্তু প্রথম পর্বে অনেক মন্তব্য পেয়েছি যার উত্তর আমি দিয়েছি কিন্তু শাশ্বত স্বপন ভাইয়ের একটি প্রশ্ন ছিল, ভাবিকে আপনি অনেক ভালবাসেন? তার উত্তরটা এখানে দেবার চেষ্টা করছি। প্রশ্নটা অতি ছোট হলেও আমার কাছে তার গুরুত্ব অনেক। মন্তব্যের ঘরে দিলে হয়ত তা আমার ব্যক্তিগত ব্লগে থাকবে না।
সাতকাহন- ১
.................................................................................................................................
১
একদিকে অনুভূতি ঘেরা উচুঁ দেয়াল,
অন্যদিকে বাস্তবতার আকাশ-পাতাল ফারাক।
আমি না পারি অনুভূতির পাঁছিল টপকাতে,
না পারি আকাশ-পাতালের দূরত্ব ঘোঁচাতে।
শুধু প্রত্যাশায় থাকি,
একদিন হয়তো বিশাল আকাশ হূড়মূড় করে।
নেমে আসবে এই মাটির বুকে।
অপেক্ষায় আছি, অনন্ত অপেক্ষায় ।।
২
পথ চলতে হয় বলেই হয়তো পথ চলা।
সুখে থাকার অভিনয় করতে হয় বলেই,
হাসিমুখে কথা বলা।
জানি, তোমার বলার মতো কেউ হয়তো নই।
তবুও জেনে নিও,
আমার ভিতর বাহির বলে কিছু নেই,
যদি কিছু থেকেও থাকে, তা সবই তোমার।
আমার আনন্দ তুমি,
তাই এতো ভালোবাসি তোমায়।।
৩
সময়টা অকারণে থমকে গেছে,
দম দেয়া ঘড়িটা যেনো হারিয়েছে তার দম।
বড্ড অস্থির এই সময়টা।
মনের দরজায় উকিঁ দিয়ে যাচ্ছে হাজারো স্মৃতি,
জন্ম দিচ্ছে হাজারো প্রশ্নের।
স্মৃতিগুলোকে ঘুম পাড়িয়ে,
সকল প্রশ্ন সচেতনে এড়িয়ে দেখি,
পদার্থ
আমাদের পাঠ্যক্রমের বই গুলো দেখলে আমরা দেখি প্রথম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত। প্রথম দশ বছর আমরা সাধারন গনিত পড়ি, বার বছর ই আমরা ইংরেজি পড়ি। সাধারন গণিত শুরু হয় সংখ্যা গণনা দিয়ে, শেষ করি পাটিগণিত, বীজগণিত, আর জ্যামিতি দিয়ে , বিঞ্জান পড়ানো হয় আস্টম শ্রেণী পর্যন্ত। যারা বিঞ্জান এর ছাত্র, তারা বার বছর ই বিঙ্গান পড়ে, সাথে কম করে হলে ও দশ বছর অংক করে। ইংরেজি তে গল্প, কবিতা (ইংরেজি সাহিত্য) এবং ইংরেজি ব্যকরন দুই ই পড়ানো হয়।আজকের বিবেচ্য বিষয় আমাদের ১২ বছরের পাঠ্যসুচি না। আমরা আলোচনা করবো ১২ বছর এ আমরা ইংরেজি, বিংান আর গনিত বিষয়ে কিভাবে পড়ি আর কতটা পড়ি। এই পাঠ আমাদের জিবন কে কিভাবে ধবংশ করে দিচছহে সেই বিষয়ে।
স্মৃতিতে সৌভাগ্যের রজনী!
বাঙ্গালী মুসলিম জীবনে শবে বরাত নিয়ে লিখতে গেলে দশটা পোস্ট অবলীলাতেই দেয়া যাবে। আমি ওতো আলাপে যাবো না। আর এমনিতেই বানান ভুল আর যতিচিন্হে তালগোল পাকিয়ে লেখার অবস্থা ছেড়াবেড়া। এমন না যে আমি বানান জানি না। সমস্যা হইছে যে পুরানো ল্যাপটপ বা কম্পিউটারটাও পুরানো অভ্র তাই স্পেল চেকার নাই। আর নিজেও ওভারকনফিডেন্ট হয়ে লেখা শেষ করাটাকে বেশী ইম্পোরটেন্স দেই। আর যতিচিন্হের ভুলের কারন টা হলো কারেন্ট চলে যাবে তাই খুব তাড়াহুড়ায় লেখা আর যতি চিন্হ বিষয়ক তথ্য জানার অভাব। ব্লগে লেখার সময় আমি কোনোকালেই বানান শুদ্ধতা আর সেনটেন্স স্ট্রাকচার নিয়ে ভাবি নাই। সবসময় মনে হইছে লেখা শেষ করতে পারলেই হলো। আর কি বুঝাইছি তা বুঝলেই দায় শেষ। আর ব্লগে আমরা আমরাই তো। এখন যখন প্রায় প্রতিদিন পোস্ট লিখে চলছি কোনো কালেই তো ভাবি নাই এতো লিখবো!
একজন সিরাজ ভাই
আমার খুব বড় অসুখ বিশুখ হয়না , এই হাল্কা পাতলা ঠান্ডা লাগে, সর্দি, কাশ্ হাঁচি এসব হয় এ্রর বেশি সিরিয়াস কিছু না।
এমনিতে আমি হাল্কা পাতলা, কখনোই বেশি মোটা হই না যতই খাই না কেন, কিন্তু বেশি বসে থাকলে এই চিকন শরীরের ভিতর একটা পেট বের হয়ে যায়, খুব দৃষ্টিকটু ব্যাপার। পেট যাতে বের না হয় তাই একটু হাটা হাটি করি পার্কে গিয়ে। অসুখ না থাকলেও বয়স বাড়ছে, বন্ধু দের অনেকের খবর পাই হটাত করে হার্টের সমস্যা নিয়ে দেশ বিদেশের হাসপাতালে দৌড়াচ্ছে, ওপেন হার্ট করতে হয়েছে কয়েকজনের, আর ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেসার এসব তো খুব কমন ব্যাপার সবার ।সকাল বিকাল এক গাদা ট্যাব্লেট খায় সবাই ।
শুনেছি পরিবারের কারো কঠিন অসুখের ইতিহাস থাকলে নাকি সেটা পরের জেনারেশনের উপর আছর করতে পারে। তাই নিয়ম করে বছরে ২ বার ডাক্তারের কাছে যাই সব পরিক্ষা করে দেখতে যে যন্ত্রপাতি ঠিক আছে কিনা, আচমকা যেন বড় ধাক্কা না খাই। জীবনের প্রতি কার না মায়া আসে কন ? আর নিজেরে নিজে সবাই সব চাইতে বেশি ভালবাসে আর আয়নায় বার বার দেখে এটা হয়ত কেউ স্বীকার করেনা, কিন্তু সত্যি কথা।
