ইউজার লগইন
ব্লগ
বোকা গল্প
টমেটোর পাশেই ঢেড়স ক্ষেত। আলসে ঢেড়স সকালে একটু দেরি করেই ঘুম থেকে উঠে। একদিন ঘুম থেকে উঠেই সে দেখে, এক লাল টুকটুকে টমেটো তার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে মুচকি হাসছে। ঢেড়স মেজাজ খারাপ করে রাগী সুরে বলে, "এই মেয়ে, হাসো কেন? সমস্যা কি?"
টমেটোর লাল টুকটুকে চেহারা আরও লাল হয়ে যায়।
"না মানে ইয়ে ভাইয়া, আপনি না অনেক হ্যান্ডসাম।"
ঢেড়স চোখ কপাল তুলে বলে, "এই মেয়ে তুমি কি বলো? বয়স কত তোমার?"
"ভাইয়া, ৪৫ দিন ৭ ঘন্টা।"
"আমার বয়স কত জানো? ৬৯ দিন ৯ ঘন্টা। তোমার চেয়ে কত বড় আমি? এসব কি বলো আমাকে?"
"সরি ভাইয়া, আর বলব না।"
"মনে থাকে যেন।"
"আচ্ছা ভাইয়া, মনে থাকবে!"
কিন্তু টমেটোর কিছুই মনে থাকে না। সে সারাক্ষণ ঢেড়সের দিকে ড্যাবড্যাব করে চেয়ে থাকে।
দিন কেটে যায়, মাস কেটে যায়। একদিন ক্ষেতের মালিক এসে ঢেড়সকে নিয়ে হাটে যায়। টমেটোর মন খারাপ হয় ভীষণ। টমেটোরও পালা আসে। তাকেও হাটে নিয়ে যাওয়া হয়।
একদিন চিন্তক এসে দুই কেজি ঢেড়স আর আধাকেজি টমেটো কিনে আনে বাজার থেকে। টমেটো তখন সেই ঢেড়সকে দেখেই চিৎকার করে বলে, "ঢেড়স ভাই, ঢেড়স ভাই, আমি এখানে।"
ঢেড় চোখ পাকিয়ে বলে, "তুই এখানেও চলে এসেছিস?"
আমি
প্যাল্ টকে চ্যাট করতাম অনেকদিন ধরে, কিন্তু মজা নষ্ট হয়ে গেসে। ফেসবুকে গেলাম, কিছুদিন ভাল লাগ্লো, সবাই ছবি আপ্ লোড করে আর স্ট্যাটাস দেয়, আর গাছের আগায় আল্লাহু লেখা দেখা গেসে, তাই ওখানে খালি লাইক দিতে বলে, বিরক্তিকর। তাই আর ফে বু ভাল লাগেনা। লেখা লিখি জীবনেও করি নাই, এক আদটু পড়ার অভ্যাস ছিল। হটাত খুঁজে পেলাম এই ব্লগ।
এসেই কিছু না বুঝেই কারো অন্যমতি না নিয়ে, কারো সাথে পরিচয় না হয়ে ধুম ধাম করে কিছু লিখে ফেললাম ভুল ভাল অর্থহীন কথা বার্তা। ওমা আমাকে প্যাল টক বা ফেসবুকের মত কেউ বাঁকা চোখে (যেটা আমাদের দেশের জাতিয় চরিত্র) না দেখে দুই চার জন সহৃদয় ব্যাক্তি উতসাহ দিয়ে কমেন্টস দিলো, দেখে তো আমি বেশ ফুলে ফেঁ[পে গেলাম। মনে হল বাহ, এখাঙ্কার মানুষগুলি অদ্ভুত ভালো তো। সাহস আরো বেড়ে গেলো।
কিন্তু অবাক হচ্ছিলাম, এত কম লেখা আসছে কেনো, আর মানুষ জন কই? পরে আস্তে আস্তে বুঝতে পারলাম, মানুষজন এখানে অনেকেই আছে, হয়তো কোন কারনে কম লিখছে অনেকে।
শাশ্বত স্বপন ভাই ও অনামিকা
স্বপন ভাইয়া, এটাই মনে হয়, আপনার লেখা প্রথম কোন পোষ্ট পড়ছি। প্রথম দিনেই এত কষ্টে ভরা পোষ্ট উপহার দিলেন!
বনস্পতির জন্য ভালোবাসা..
দিবসওয়ারী উদযাপন আমার অতটা ভালো লাগে না। অনেক আগে থেকেই আমার এই মনোভাব, তবে ইদানিং অনেক কিছুই সয়ে নিতে শিখছি। ভালো না লাগলেও আজকাল অনেক কিছু করে নিতে পারি হাসিমুখেই। মুখের উপর মুখোশখানা দিনে দিনে বেশ খাসা হয়ে উঠছে আর কি!
যাই হোক, অনেকদিন কিছু খুঁজে পাচ্ছিলাম না লেখার মত। আর, বাবাকে নিয়ে কিছু গান নিয়ে একটা কিছু লেখার ইচ্ছা ছিল তারও আগে থেকেই। আজ এই বাবা দিবসে হঠাৎ মনে হল, লিখতে বসেই দেখি কিছু হয়ে উঠে কি না!
একটা কিছু লেখার কথা চিন্তা করলে অনেক কিছুই মাথায় আসতে থাকে কিন্তু লিখতে বসলে দেখা যায় পুরাই আউলাইয়া গেছি, ভাবি এক জিনিস লেখি আরেক জিনিস! আজব ব্যাপার!
আমার আব্বু মাঝেই আফসোস করেন যে আমরা দুই ভাই-ই নাকি শুধু সারাদিন আম্মু আম্মু করি। কথাটা অবশ্য পুরোপুরি মিথ্যাও নয়। ছেলেবেলা থেকেই দেখে আসছি আব্বুর খালি আপিস আর আপিস, তাই খুব একটা ধারে কাছে ঘেঁষতেই পারতাম না। আর হাল্কা ঝাড়িঝুড়িও আব্বুর কাছেই খাইতাম। তাই একটু ভয়মিশ্রিত শ্রদ্ধার একটু দুরের আসনটা যেন আপনাতেই বরাদ্দ হয়ে গিয়েছিল আপনাতেই।
তোমার স্মৃতি
আমারও ভালোবাসতে ইচ্ছে করে।
নীল আকাশের নীচে দাড়িয়ে গলা ফাটিয়ে চিতকার করে বলতে ইচ্ছে করে "ভালোবাসি অনেক ভালোবাসি।"
হাজারো মানুষের মাঝে হাটুগেরে বসে ফুল দিয়ে বলতে ইচ্ছে করে "তুমি কি আমার হবে?"
তোমায় ঘিরে শত-সহস্র মোমবাতি জ্বেলে বলতে ইচ্ছে করে "এরচেয়েও বেশি আলো তুমি জ্বেলেছো মোর হৃদয়ে।"
চাদেঁর আলোয় তোমার মুখোমুখি বসে চাদঁকে কাচকলা দেখিয়ে বলতে ইচ্ছে করে "তুমি মোর অপরুপা।"
হাজারো নারীর আহ্বান পেছনে ফেলে বলতে ইচ্ছে করে "তুমি আমার একটাই তুমি।"
সর্বোপরি তোমায় বলতে ইচ্ছে করে "তুমিই সে যার ঠোঁটে ঠোঁট ছুইয়ে আমি ঘুমোতে চাই , আবার ঘুমের পরে চোখ খুলেই যাকে দেখতে চাই।
হয়তো আমার এই আবেগ তোমার কাছে স্বস্তা ! কিন্তু তারপরও তুমিই আমার একটাই তুমি। তুমি নেই কিন্তু তোমার স্মৃতি তো আছে, বেঁচে থাকার জন্য ওটাই বা কম কি???
বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে, গল্পঃ বিপা
সস্তায় বিকিয়ে দেয়া সময় গুলো!
ম্যানেজমেন্টে পড়ায় সময় মানেই টাকা। তাই সময় অতি মুল্যবান। কিন্তু এই মুল্যবান সময়ের যে যথেচ্ছ ব্যাবহার করতেছি তাতে কতো টাকা যে চলে গেলো তার হিসেব আর নেয়া গেলো না। সময় ভাঙ্গিয়ে টাকা গুলো নগদ নগদ পেলে অনেক উপকার হতো। ছোটোখাটো অনেক আশা ভরসা আছে নিজের বন্ধুদের তা পুরন হয়ে যেতো সহসাই। আমি আবার লোকজনরে আশায় রাখতে ওস্তাদ। একেক বন্ধুরে একেক ধরনের আশা দিয়ে বেড়াই। যে টাকা হইলে তোকে সেইটা কিনে দেবো, সেই জিনিস খাওয়াবো, আমাদের ওই প্ল্যানটার পিছনে মাঠে নামবো। কিন্তু সেরকম টাকাও আসে না আর আমার সব কিছুই ফাকা বুলি থেকে যায়। আবার নিজের সাথে নিজের কিছু আশা ভরসা প্রতিশ্রুতি পুরন হয় না মুলত ডেডিকেশনের অভাবে। আমার ডেডিকেশন সব সময়ই প্রশ্নবিদ্ধ। এইজন্যেই কিছুই হচ্ছে না আর আমাকে দিয়ে। না হলে কি আর করার। জান তো দেয়া যাবে না। আর আমি জিয়া খান না যে অবসাদগ্রস্থ হয়ে সুইসাইড খাবো। আমি আমার মতোই থাকি চিরচেনা আলসেমীতে। যা হবার হোক মরে গেলেই তো সব শেষ। যা করতেছি তাই করি, ঠুনকো নানান আশা ভরসা দিয়ে মানুষকে দিয়েই বেচে থাকি। রাজনীতিবিদেরা এতো মিথ্যার প্রতিশ্রুতিতে ভাসাতে পারে আর আমি সামান্য আশা ভরসা কাছের মানুষদের দিতে পারবো
নিবে কি তোমাদের সাথে
আরাফাত প্রতি বছর বক্ষে ধারন করে
লাখ লাখ একত্ব বাদীকে লাব্বায়িক লাব্বায়িক ধ্বনিসহ
কি পেয়েছে না পেয়েছে যার হিসেব সে করবে
ফিরে আসে অন্তরে বিশ্বাস ধারন করে।
কেউ মানি বা না মানি এতো সত্য
যেমন আমি আস্তিক আমি নাস্তিক আমি মানুষ সত্য।
মোদের শান্ত শিষ্ট আরাফাত, সাগর সম বক্ষ নিয়ে
সকলের দুঃখে দুঃখি সকলের সুখে সুখি।
প্রতিদিন সবাইকে সচল রাখে
রোজ নামচা বা লিখে দিনলিপি।
অকিঞ্চন তব আস্ফালন কেন হবে বৃথা?
তব আস্ফালন অকিঞ্চন নয়, পাহারসম
তাই সজল নয়ন নিভৃত স্বপ্নচারীর
পিতৃবিরহে মম অন্তর ফালি ফালি হয় হেথা।
টুটুলের চোখ ধাঁধানো হিরন্ময় অবয়ব
শওকত মাসুমের নিচ্ছিদ্র, চিন্তক লেখা সব,
তানবীরা আপু , জেবিন, রন্টি , বিষন্ন বাউন্ডুলে
আজ পেলাম ফিরে আসা পুরাতন অমিত মানুষ
আমরা একটি পরিবার একটি বাগান ভরা ফলে ফুলে
আমরা হেথা উপভোগ করি সর্বদা ফাগুন পৌষ।
টোকাই, মন খারাপ ভেবেছ তুমি গিয়েছ টুটে
নারে বন্ধু না, তবে শান্তর সাথে ঢাকার অলি গলি কে বেড়াবে ছুটে।
আরও কতজন আছে মুই না জান সবার নাম ঠিকানা
নিজ গুনে তাই করিবেন এই অধমক ক্ষমা।
আমরা সবাই সাধারন, সবাই বাংগালী, বাঁচি মাছে ভাতে।
বাবা, তোমাকে মনে পড়ে
আমার স্বপ্নভঙ্গের দিনগুলোতে
কিংবা পরম সুখের মূহুর্তগুলোতেও
বাবা, তোমাকে মনে পড়ে
খুব মনে পড়ে!
যেদিন থেকে বুঝতে শিখেছি
মাথার উপর তোমাকেই পেয়েছি, বন্ধুর মত
মাকে আমি পাইনি কোনোদিন,
সেই অভাবও মিটিয়েছ তুমি
অনেক আদরে, পরম স্নেহ মায়ায়
আজ তুমিহীনা কষ্টের প্রহরগুলো
বুকের ভিতর জমাট কান্নার ঢেউ তুলে যায়!
প্রতিদিন ঘর হতে বের হবার সময় তুমি বলতে
সাবধানে চলিস বাবা!
আমি হেসে বলতাম, তোমার দোয়া সাথে আছে তো!
বাসায় ফেরার সময়ও দেখতাম
দাঁড়িয়ে আছ তুমি বারান্দায়
তীর্থের কাকের মত! আমার অপেক্ষায়,
আজ তুমি নেই, আমি একা; বড় একা!
আমার জন্য দাঁড়িয়ে থাকেনা কেউ আর বারান্দায়,
মাথায় রাখেনা ভরসার হাত!
তোমাকে দেয়া কথাগুলো এখনও ভুলিনি বাবা!
তোমার শেখানো পথে আজও হেঁটে চলেছি
দুর্গম সে পথে ঝড় আসে, ঝঞ্ঝা আসে
তবু ছুটে চলি অবিরাম, জানি
পাশে আছ তুমি; ছায়ার মত!
বিষাদে ছেয়ে যাওয়া মনটা
বার বার খুঁজে ফেরে শুধু তোমায়
চোখের কোণে তপ্ত জল জমে,
মাঝে মাঝে বড্ড জ্বালা করে চোখদুটো,
বার বার তোমাকে মনে পড়ে যায়
খুব মনে পড়ে!
খুব!!
আবার আসলাম
দীর্ঘ দিবস রজনী কিছু লেখা হয় না বিধায় কি-বোর্ডে মরচে পড়ে গেছে। আজকাল আর কিছুই লিখতে পারি না। অনভ্যাসে বিদ্যা নাশ। আর সে বিদ্যা যদি ক্ষুদ্র হয় তাহলে তো সর্বনাশ। আমারও আর সর্বনাশের কিছু বাকি নেই।
প্রথম ব্লগ লিখেছিলাম ১৫ই জুন ২০০৭-এ সামুতে :-
সবাইকে সালাম। সামহয়্যার ইনতে নিয়মিত ঘোরাঘুরি করলেও কখনো লিখিনা। তার প্রধান কারণ অবশ্য লিখতে পারিনা। তাই বলে আমাকে আবার কেও বকলম ভাববেন না। লিখতে পারিনা মানে গল্পটল্প কবিতা টবিতা লিখতে পারিনা। তবে সমালোচনাতে অগ্রণী ভূমিকা রাখি (কাজটা তুলনামূলক সহজ কিনা!!!)। এখন থেকে ভাবছি সমালোচকের কাজটা নেব। আপনাদের দারুণ দারুণ লেখার সমালোচনা, মতান্তরে নিন্দা করব। আসলে অন্যের নিন্দা করার মজায় আলাদ।
সমালোচনার কথা বললেও আমি কথা রাখিনি। বিভিন্ন ব্লগে প্রায় হাজার খানেক ব্লগ লিখে ফেলেছি এবং সত্যি কথা বলতে তার দুই একটা লেখা আমাকে আত্মতৃপ্তিও দেয়। অমর করে রাখার মতো কিছু না, তবু আত্মতৃপ্তি দেয়। সেটাই বা কম কিসে?
বিপ্লবের ভেতর-বাহির: শেষ পর্ব
বিপ্লবের ভেতর-বাহির ১, বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ২, বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ৩, বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ৪, বিপ্লবের ভেতর-বাহির: ৫
সিরাজ সিকদার নিয়ে বিপাকে পড়েছিলেন শেখ কামালও। বলা যায় তিনি গুলি খেয়ে মরতে বসেছিলেন। মরেন নাই শেষ পর্যন্ত, তবে ব্যাংক ডাকাতের একটা তকমা দীর্ঘদিন ধরে শেখ কামালের নামের সঙ্গে জুড়েছিল। এখনও হয়তো কেউ কেউ তা বিশ্বাসও করেন। অনেকের জানা সেই গল্পটা আগে বলি।
প্রসংগ হিন্দী ভাষা কিংবা ভিন্ন সংস্কৃতি
আজকাল বেশ একটা ট্রেন্ড শুরু হয়েছে দেশের আধুনিক ছেলেমেয়েদের মধ্যে “হিন্দী ভাষা”কে ঘৃনা করি টাইপ কথা বলার। যদিও “ঘৃনা” শব্দটা খুবই শক্ত, কোন কিছুকে নিয়ে মন্তব্য করার জন্যে, “অপছন্দ করি” কথাটা হয়তো তাও চলে যায়। যারা এধরনের ঘৃনা শব্দগুলো উচ্চারন করেন তারা কিন্তু অবলীলায় ইংরেজি, আরবী, চায়নীজ কিংবা ফ্রেঞ্চ গান, সিনেমা, বই পড়ছেন - উপভোগ করছেন। একশ কোটির বেশি মানুষ যে ভাষায় কাঁদেন, হাসেন, প্রেমিকাকে প্রেম নিবেদন করেন, রাত জেগে বই লিখেন, আবেগে কেঁপে কবিতা লিখেন সেই ভাষাকে আমরা কেনো ঘৃনা করি? তার কি কারণ? এতোগুলো মানুষের আবেগ প্রকাশের মাধ্যম কি করে অন্যদের ঘৃনার উদ্রেক করতে পারে? অনেকেই বলতে আসেন, তারা আমাদের সাংস্কৃতিকে গ্রাস করে নিচ্ছে, তাই ঘৃনা করি। তাই কি? নিজেদের দুর্বলতা ঢাকতে অন্যকে ঘৃনা করাই সার? তারা এসে চড়ে বসেছে আমাদের ওপর? বাধ্য করেছে আমাদেরকে তাদের সিরিয়াল দেখতে, শাড়ি পড়তে, তাদের গরু, পেয়াজ খেতে?
বুয়েটের বাপ(পর্ব-শেষ )
সকল দিনে যেমন ঝক ঝকে সূর্য কিরন থাকে না বা সব রাত্রি যেমন পূর্নিমার আলোয় ভাসিয়ে নেয় না তেমনি সকল প্রেমের উপাখ্যানও সফলতা লাভ করে না। আবার কারও হয়তবা হতে হতেও হয় না। সকল ফুলে ফল হয়না, সকল গাছেও ফল ধরে না। যাক এ নিয়ে কত বিরহের গান কবিতা গল্প আছে আমার আর এ বিষয়ে কিছু না বললেও সবাই জানি,
পথ হারা পাখি কেঁদে ফিরে একা
আমার জীবন শুধু আধারে ঢাকা।(নজরুল)
অথবা
কাঁদালে তুমি মোরে ভালবাসারই ঘায়ে
কাঁদালে তুমি মোরে।
নিবিরও বেদনাতে পুলকও লাগে গায়ে।
কাঁদালে তুমি মোরে।(রবি)
চিঠিও নাই ঠিকানাও নাই
কোথাই খুজি তারে
জীবন যৌবন কেড়ে নিয়ে
ভিখারী করিল মোরে।
সে যে ভিখারী করিল মোরে।
আমার কল কল ছল ছল ডল ডল যৌবনে
কিসের বান মারিল সে যে বুঝতে নারি ক্ষণে
কিসের ব্যথা কিসের জ্বালা বুজিতে না পারি
ডাক্তার বৈদ্যের সাধ্য কি যে আমায় ভাল করে।
জীবন যৌবন কেড়ে নিয়ে
ভিখারী করিল মোরে।
পড়ার টেবিল কাটার বাগান ঢুকতে গেলেই হানে,
যাকে যায় না ধরা যায় না ছোয়া সেই আমাকে টানে।
কোথায় যাব কি করিব বুঝতে নাহি পারি।
অকালে বুঝি যায় যে জীবন ভালবেসে তোমারে
জীবন যৌবন কেড়ে নিয়ে
বাংলার কলঙ্ক
ওরা কারা ?
ওরা বাংলাকে চায়না,
ওদের ঘৃন্য পদঘাত ,
পরম পবিত্র বাংলাকে কলঙ্কিত করে,
ওরা বাংলা মানেনা,
আথচ বাংলায় রাজত্ব করতে চায়,
হিংস্র থাবা বসায় বাংলার বুকে,
ওরা অস্বীকার করে বাংলার সৃষ্টি,
বিকৃত করে বাংলার ইতিহাস,
ওরা জানেনা বাংলার মাটি,
এখনও লাখো শহীদের রক্তে ভেজা,
বাংলার আকাশে বাতাসে এখনও
শোনা যায় বুক ফাটা চিত্কার,
ছেলেহারা বৃদ্ধা মা,অসহায় বাবা
ভাই হারা বোন,বিধবা রমনীর
শূন্যতা আর হাহাকার,
এই বাংলায়
এই বাংলাকে কলঙ্কিত করে
সেই নরপিশাচ রাজাকার ।।
হাবিজাবি
আরাফাত শান্ত'র দিনলিপি পড়ে আমি এলোমেলো হয়ে যাই।ফিরে চলে যাই অনেক পিছনে যখন আমিও ঢাকার রাস্তায় রাস্তায় টোকাই'র মত ঘুরে বেড়াতাম মনের আনন্দে।আসোলেই শান্ত আপনি আমাকে মনে করিয়ে দেন আমার অনেক প্রিয় সেই দিনগুলির কথা।
প্রতিবছর নভেম্বর এলেই আমি দেশে যাবার জন্য ব্যাগ গুছাতে শুরু করি।নভেম্বরে যাই কারণ তখন একটু শীত শীত ভাব আসে দেশে, অনেক আরাম লাগে , বিশেষ করে গ্রামে গেলে ভোরের কুয়াশায় ভিজা ঘাসে খালি পায়ে হাঁটতে।খেজুরের রসের সিরনি , চাদর মুড়ি দিয়ে উঠোনে চুলার পাশে বসে গরম গরম হাঁসের মাংশ আর খোলা পিঠা খাবার কথা মনে হলেই আবার ছুটে যাবার জন্য পাগল হই।এবার যেতে পারবো কিনা জানিনা ।