ইউজার লগইন
ব্লগ
কেবলি ভাবায়
ভাবনার অন্তরালে আর একটি ভাবনার উদয় হয়।
ভাবনা আমারে ভাবায়, কাঁদায়, হাসায় ইত্যাদি।
অনেকবার ভাবি আর ভাববনা
ভেবে ভেবে নিজের অস্তিত্বটাকে বিলীন করা ঠিক নয়
কে কার কথা শুনে, ভাবনা ভাবাবেই এটাই তার কাজ
কে কারে ঠেকায়। আমি বলি না আর ভাবনা বলে ভাব।
রবী ঠাকুররে ভাষায়
কতবার ভেবেছিনু আপনার লাগিয়া;
কি লাভ হয়েছে বলুন, কোন লাভ হয়নি
না আসমানে উঠতে পারলাম
না নিজেকে সময়রে স্রোতে ভাসাতে পারলাম
সমাজ-সেবা এগুলো ফালতু
আর্থ-সামাজিক উন্নতি এসব দরকার
স্ট্যাটাস, স্ট্যাটাস খুব বেশি গুরুত্বপূণূ।
কেননা আমরা বাঙালি, এর মূল্য নাকি
আমরা দিতে জানি না।
আমি যে মূল্যের জন্যে ছুটিনা।
কোন কিছুর দরকার নেই।
কিন্ত আমার ভাবনা তবুও ভাবে
তাদের জন্যে, যারা এখনও দিনান্তে
মৌলিক চাহিদাগুলো মিটাতে পারেনা
কেন মন ভাবে, একি ভাবা অন্যায়
তাদের জন্যে কিছু করা কি অন্যায়
আজ কেবলি ভাবায়।
কথোপকথোন

সময় রাত-১২টা, স্থান-আমার বাসা। আমি, আমার ৬ বছরের ছেলে ও আমার বউ। তারিখ-৯ জুন, ২০১২।
পুরো কথোপকথোনটি আমার মোবাইলে রেকর্ড করা আছে।
........................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
তোমার কয়টা বেবি হবে-
-পাঁচটা
ছেলে কয়টা, মেয়ে কয়টা?
-ছেলে দুইটা, মেয়ে তিনটা
ওদের মা কে?
-নাম তো এখনও জানি না
কে পালবে বেবিদের?
-একটা আম্মু, একটা বাবা, একটা আমি, আর দুইটা পালবে তাদের মাটা।
তাদের মা দুইটা কেন পালবে?
ুুু
অর্থনীতি ভালো জানা নাই। অর্থনীতির ছাত্রও না। তবে কিছু বিষয় বুঝতে হয়তো অর্থনীতির ছাত্র হওয়াটা জরুরী নয়। যেমন আজ সকালে পত্রীকার পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে একটা জায়গায় এসে খটকা লাগলো
প্রতি বছর সরকারের প্রচ্ছন্ন দায় বাড়লেও চলতি বছরই এ দায় আগের বছরের তুলনায় নজিরবিহীনভাবে ৭৭ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। গত মার্চ পর্যন্ত ঋণখেলাপি ১৬টি প্রতিষ্ঠানে সরকারের দায় ছিল ৬৪ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৮ হাজার ১১৭ কোটি বেশি। অর্থাৎ এ দায় সৃষ্টি হয়েছে মাত্র এক বছরে যা অতীতে আর কখনও হয়নি।
সরকারের মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামো, ২০১২-১৩ হতে ২০১৬-১৭ অর্থবছর’ প্রতিবেদনে এ সম্পর্কে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয়েছে
সরকারের প্রচ্ছন্ন দায়ের ৫২.৭ শতাংশই বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)
সরকারের দায়ের সবচাইতে বড় অংশটাই জ্বালানী খাত। সরকার তারাহুরা করে কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরী এবং তার জন্য ভর্তুকি মূল্যে তেল সরবরাহে এই চাপ সরকার নিজেই নিজের উপর ফেলছে। দূরদৃষ্টির অভাবটা প্রকট আকারে দেখা যাচ্ছে।
ভাবনার বিষয় বৈকি।
ভালোবাসা তোমার হৃদয়ে বৃষ্টি হয়ে নেমে আসুক
মেয়েটি বলে চললো, আগেই বলেছি আমার সঙ্গে কেউ ব্যক্তিগত যোগাযোগ করতে চাইলে তাকে সেটা গোপনে করতে হতো। আমি সেসব গোপন যোগাযোগ আসলে কতটুকু গোপন, তা গোপনে ক্রসচেক করতাম। মেয়ে হওয়ার অনেক সুবিধা আছে জানেন। একটা মেয়ে যদি কোনো আননোন নাম্বারে ফোন করে ছেলেদের মতো করে কিছুক্ষণ ছোঁক ছোঁক করে, তাহলে অপরপাশ থেকে রাজ্য জয় করে আনা সম্ভব। আমি শুধু খোঁজ করতাম, আমার শিকারগুলাকে সেইসব নম্বরের মালিকেরা কতটুকু চেনে বা আদৌ চেনে কিনা। তবে প্রচুর ইনিয়ে-বিনিয়ে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নাম্বারগুলো হতো ফ্লেক্সিলোডের দোকানের নাম্বার। তাই আমার কাজ অনেক সহজ হয়ে যেতো। আমি কোনো ছেলের কাছ থেকে টাকা চাই না, বিয়ে করার চাপ দিই না, কখনো ফোন করি না, টেক্সট্ করি না; কিন্তু আমার কাছে আসলেই ইচ্ছামতো সেক্স করতে দিই- এ যেন এক কাল্পনিক রাজ্য!
গত পরশু রাতের ঘটনা
মোটর সাইকেল চালানো আমার দীর্ঘদিনে অভ্যাস। সেই ছোট বেলায় বাবা যখন দুপুরে বাসায় খেতে আসতেন, তখন তার হোন্ডা ৫০ সিসি চা-চামুচ দিয়ে স্টার্ট দিয়ে বেরিয়ে পড়তাম কলোনী থেকে। সে সাইকেলের কোনো গিয়ার ছিলো না। ক্লাস ছিলো না। স্টার্ট দিয়ে পেছনে গিয়ার দিলেই হতো। তারপর সামনে ২ টা গিয়ার... ব্যস। সেটা চলতে শুরু করতো। বাবা খেয়ে আবার অফিসে যাবার আগেই আবার ফিরে আসতাম। তখন ৭/৮ ক্লাসে পড়ি আমি।
গল্প: পেশাজীবী মীমের ঝিক ঝিক টাইপের আত্মকাহিনী (৩)
আমি গুলশানে কয়েকটা বড় বড় পার্টি অ্যারেঞ্জ করতেই সবাই চিনে ফেললো। সেই সুবাদে হাতে এসে গেলো এই ফ্ল্যাটটার চাবি। টুকটাক বিদেশ ভ্রমণও শুরু হয়ে গেলো সেইসময় থেকে। আর ভ্রমণের সময় পেয়ে গেলাম আরেকটা টাকার খনির সন্ধান। বিদেশে প্রচুর কনজারভেটিভ বাঙালি পরিবার আছে। যারা থাকে ফার্স্ট ওয়ার্ল্ডে আর চিন্তা করে থার্ড ওয়ার্ল্ডের নাগরিকদের মতো করে। পরিবারের মেয়েকে দেশের ছেলে ছাড়া বিয়ে দিতে তাদের অনেক আপত্তি। হাহ্ আমার জন্য তো ব্যপারটা সোনায় সোহাগা হয়ে গেলো। বুঝতে পারছেন এখন আমার ব্যবসাটা?
আমি মাথা ঝাকালাম। বুঝতে পেরেছি। সে কথা বলেই গেলো।
ডিভোর্স হয়ে যাবার পর আমার আসলে কোনো পিছুটানই ছিলো না। পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নেই অনেক দিন ধরে। নিজের মতো করে চলতাম। ব্যবসাও নিজের মতো করে চলছিলো। আমার যা দরকার তা সহজেই আয় করে ফেলতাম। ছেলেদের সঙ্গে প্রচুর মিশতাম। সবাই ছিলো ব্যবসায়িক সূত্রে পরিচিত। কোনো ফ্রেন্ড সার্কেল মেইনটেইন করতাম না। ফ্রেন্ড সার্কেল মানেই বাইন্ডিংস্। ভালো লাগে না আমার একদম।
অনিমেষ রহমানের নাগরিক গল্পঃ ১২- রিম ঝিম বর্ষায় মন খারাপ করতে নেই
সত্য যুগে ছিলেন হরি,
দ্বাপরে রাম ধনুকধারী,
ত্রেতায় কৃষ্ণ বংশীধারী,
তাই লালন কয়, কলিতে হচ্ছে লীলা
ও নিত্য কথা কেউ কয় না।।
-ফকির লালন সাঁই
আমার যত সিনেমা - ২
আমি সব কাজে লেট লতিফা। সিনেমাও তার ব্যতিক্রম কিছু না। আমি জানি যে সিনেমাগুলোর কথা আমি বলবো তার বেশিরভাগই ইতিমধ্যে সবার কয়েক দফা দেখা হয়ে গেছে, তবুও সিনেমাগুলো দেখে আমার কি অনুভূতি হয়েছে তাই লিখবো।
আধুনিক জীবনযাপ্ন ০১
এভাবেই চক্র পূর্ণ হয়, তুমি সন্তান হিসেবে জন্মেছিলে, পৃথিবীর রং-রূপ-রসআস্বাদন করে তুমিও যুবক হবে- তোমার পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য বহন করছো তুমি, তোমারও সন্তান হবে- আবারও নতুন চক্রের শুরু হবে- এ চক্রের শেষ নেই।
এই কথাগুলো অতীতে কেউ না কেউ বলে গেছে আমি নিশ্চিত- যেকোনো ধর্মগ্রন্থে কিংবা তার ব্যাখ্যায় কিংবা অন্য কোনো পরিস্থিতিতে পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরণের চক্রের বর্ণনায় এটা উদ্ধৃত হয়েছে নিশ্চিত ভাবেই- পৃথিবীতে নতুন কিছুই ঘটে না, অতীত পুনরাবৃত হয়। কোথায় পড়েছি, শুনেছি মনে নেই বলে উদ্ধৃতি হিসেবে দেওয়া সম্ভব হলো না।
আমরাও অতীতে ফিরে যাচ্ছি, আহারে- আভুষণে- অলংকারে আমাদের অতীতচারিতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে প্রতিদিন। অনেক দিন পরে বিজ্ঞান আবিস্কার করছে অতীতের জীবনযাপনপদ্ধতি অনেক বেশী স্বাস্থ্যসম্মত ছিলো, অতীতে নিতান্ত বাধ্য হয়েই মানুষেরা যেমন জীবনযাপন করতো সে জীবনযাপনে ফিরে যেতে আমাদের দিস্তা দিস্তা কাগজ ক্ষয় করতে হয়েছে- কাউকে না কাউকে গবেষণা করে বলতে হয়েছে আমাদের জীবনযাপন অস্বাস্থ্যকর হয়ে যাচ্ছে প্রতিদিন।
তিনটি মিষ্টি সিনেমা
মাসুম ভাই বাজেট নিয়ে ব্যস্ত। তাই বলে লোকজন সিনেমা দেখবে না তা তো হয় না তাই না? তাই আজকে আমিই লিখলাম। আজকে তিনটা কোরিয়ান সিনেমা নিয়ে লিখবো। লেখালেখি বেশী পারি না তাই ডাইরেক্ট একশনে গেলাম
১. The Way Home
৭ বছর বয়েসী সাং-উ কে গ্রামে নানীর কাছে রেখে তার মা কাজ খুঁজতে যায়। সাং-উ’র জন্ম এবং বেড়ে উঠা শহরে সে তাই গ্রামের পরিবেশে মেনে নিতে পারে না। সে কারনে সবকিছুতেই প্রতিক্রিয়া দেখাতে শুরু করে এমন কী তার নানীকেও মেনে নিতে পারে না। তার আদর ভালোবাসা উপেক্ষা করতে থাকে। কিন্তু আস্তে আস্তে সব কিছু পরিবর্তন হতে থাকে.........
সিনেমাটা দেখে আমার নিজের দাদীর কথা খুব মনে পড়েছে। গ্রামে গেলে উনি আমাদেরকে গরম পানি ছাড়া গোসল করাতেন না। কত খাবার দাবার রান্না করে খাওয়াতেন। আমরা যে কয়েকদিন থাকতাম সেই কয়দিন ফুপাতো ভাইবোনদের কোন বেইল ছিলো না।

ইউটিউব লিংক
২ Blind
কোন চোরের নাতি
একাত্তরে স্বাধীন মোরা
বাঙালি এক জাতি
কাজে নয় কথায় বড়
কোন চোরের নাতি।
লিখেছেন কবি এক
রামগরুরের ছানা
দুর্নীতি করবে তারা
বলতে এসব মানা।
খুন ধর্ষণ গুম হত্যা
চলতে নেই মানা
জনগণের নিরাপত্তা
নেই কারো জানা।
কুকুর থেকে সাবধান!
সতর্ক এক বাণী
পুলিশের দূরত্ব
বজায় রাখো মানী।
লোকে যারে বড় বলে
বড় সে তো নয়
নিজের বড় নিজে বলে
বড় সেই হয়।
সততা কোন ছাড়
আজব বাংলাদেশে
দুর্নীতির কালো হাত
তোমারই আশপাশে।
টাকা নিয়ে ধরা খায়
মন্ত্রী যেই দেশে
পদত্যাগে পার পায়
বিদায় হেসে হেসে।
চোরের মার বড় গলা
বলার উপায় নেই
টিপে টিপে বলে কথা
মন্ত্রী এখনো সেই।
দফতরবিহীন হোক
আপত্তি কিসে
লজ্জার মাথা খেয়ে
তিনি অফিসে।
যাপিত জীবনের দিনলিপি
ছোটবেলায় জুয়েলাইচ এর যাদু দেখতাম মনোযোগ দিয়ে। কত কিছুই না ভেনিশ করে দিত। মনে মনে ভাবতাম আমি যদি জুয়েলাইচ হতে পারতাম তাহলে হয়তো কাউকে কাউকে ভেনিশ করে দিতাম অথবা নিজেই ভেনিশ হয়ে দুনিয়ার তাবত মজার কাজগুলো করতে পারতাম। সেই ১৯৫৩ সাল পেরিয়ে এখন ২০১২। টেকনোলজীর জয়জয়কার। মাত্র কয়দিন আগে দেখলাম সবচাইতে লেইটেস্ট যাদু 'গুম'। আমাদের একজন বিশিষ্ট নাগরীকের ভেনিশ হয়ে যাওয়া। নিশ্চয় আমার মত হতে চাওয়া কোন যাদুকর নয়, সঠিক অধ্যাবসায়ে যাদু শিখে জ্বলজ্যান্ত একটা মানুষকে ঠিকই ভেনিশ করে দিয়ে নিজেও হাওয়া। মজা না?
আসলেই কয়েকদিন ব্যাপক মজায় আছি। ট্যাকেলটা খুললেই দেখি দুদলের মারামারি। একদলের নীল জার্সি, হাতে লঠি/বন্দুক আরেক দলের হাতে ক্যামেরা। উত্তরাধুনিক এই ম্যাচ গুলোও অনেক উপভোগ্য। যার রেশ থাকে কয়েকদিন। স্কোর কাউন্ট হয় বদলি এবং প্রত্যাহারের মাধ্যমে।
বালের দিনযাপন
মেজাজটা টু হান্ড্রেড পারসেন্ট খারাপ। রাত জেগে একটা পোষ্ট লিখলাম বিসিএস টিসিএস পরীক্ষা দেয়া সাথে এই দিন যাপন নিয়ে। লেখা প্রায় যখন শেষ তখনি তিন মিনিটের জন্য কারেন্টটা চলে গেলো। ইউপিএস নাই তাও পিসিতে রিস্টার্ট সেশনে থাকে সবসময় মনে মনে সুরা এখলাস পড়তেছি আল্লাহ লেখাটা যেনো থাকে। দেখি লেখা টেখা কিচ্ছু নাই। রাগে দুঃখে স্তব্ধ হয়ে গেলাম। এতো কষ্ট করে লিখলাম আর সামান্য তিনমিনিট কারেন্টের জন্যে গায়েব হয়ে গেলো। এইটা কোন কথা হইলো। ফেসবুক ব্লগের লোকজন বলে আমি কেনো এতো বাল বাল করি। এখন তো বুঝলেন কেনো বলি বালের লাইফ। তাই মনের দুঃখে এখন মোবাইলে এই পোষ্টটা দিলাম। ঘুম আসতেছেনা এই দুঃখে। আগের মতো ৮ কাপ চা খাই না ৪ কাপেই দিন কাটাই রিকশাতেও ঘুরি না একাএকা বইপত্রও কিনি না তেমন। তবুও নানা ধরনের বাশেই আমার বসবাস। বাজেটের এই মৌসুমে সব কিছুরই দাম বেশী খালি আমার এই প্রতিনিয়ত আবেগ চাহিদাই ঢলা খেয়ে যাচ্ছে অবিরাম। কি আর করা!
চামেলী, শীলা বা জিলাপি বাঈ
দারুণ একটি সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা - জনপ্রিয় সব আধুনিক গান পরিবেশিত হচ্ছে- অল্পবয়সী একটি ছেলে গাইল - 'চক্ষের নজর এমনি কইরা একদিন যাবে ফুরাইয়া' - তারপরেই আরেকজনের কন্ঠে শুনলাম 'এ এমন পরিচয়' - দর্শক শ্রোতারা বেশ উপভোগ করছেন - 'রাজনীতি' নিয়ে ক্ষুদ্র একটা প্রহসন নাটিকা ও মঞ্চস্থ হলো - তারপরেই বেতারের একজন শিল্পী এলেন রবীন্দ্রসঙ্গীত নিয়ে - একে একে গাইলেন "আগুনের পরশমণি", ''যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন ",..." মনে রবে কি না রবে আমারে " - মুগ্ধ হয়ে শুনছিলাম -অনুষ্ঠান তখন শেষের দিকে - উপস্থাপক ঘোষণা করলেন - এখন পরিবেশিত হতে যাচ্ছে আজকের সেরা আকর্ষণ - 'দিল থাম কে বেঠিয়ে ' (অতিরঞ্জন নয় - উপস্থাপক ঠিক এই ভাষাতেই বললেন ) - স্টেজে আসছেন ..... কিছু বিশেষণ ......ব্যাকগ্রাউন্ডে তখন বাজছে - "চিকনী চামেলী " .....
গল্প: পেশাজীবী মীমের ঝিক ঝিক টাইপের আত্মকাহিনী (৩)
আমি গুলশানে কয়েকটা বড় বড় পার্টি অ্যারেঞ্জ করতেই সবাই চিনে ফেললো। সেই সুবাদে হাতে এসে গেলো এই ফ্ল্যাটটার চাবি। টুকটাক বিদেশ ভ্রমণও শুরু হয়ে গেলো সেইসময় থেকে। আর ভ্রমণের সময় পেয়ে গেলাম আরেকটা টাকার খনির সন্ধান। বিদেশে প্রচুর কনজারভেটিভ বাঙালি পরিবার আছে। যারা থাকে ফার্স্ট ওয়ার্ল্ডে আর চিন্তা করে থার্ড ওয়ার্ল্ডের নাগরিকদের মতো করে। পরিবারের মেয়েকে দেশের ছেলে ছাড়া বিয়ে দিতে তাদের অনেক আপত্তি। হাহ্ আমার জন্য তো ব্যপারটা সোনায় সোহাগা হয়ে গেলো। বুঝতে পারছেন এখন আমার ব্যবসাটা?
আমি মাথা ঝাকালাম। বুঝতে পেরেছি। সে কথা বলেই গেলো।
ডিভোর্স হয়ে যাবার পর আমার আসলে কোনো পিছুটানই ছিলো না। পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক নেই অনেক দিন ধরে। নিজের মতো করে চলতাম। ব্যবসাও নিজের মতো করে চলছিলো। আমার যা দরকার তা সহজেই আয় করে ফেলতাম। ছেলেদের সঙ্গে প্রচুর মিশতাম। সবাই ছিলো ব্যবসায়িক সূত্রে পরিচিত। কোনো ফ্রেন্ড সার্কেল মেইনটেইন করতাম না। ফ্রেন্ড সার্কেল মানেই বাইন্ডিংস্। বাইন্ডিংস্ মানেই ঝামেলা।