ইউজার লগইন
ব্লগ
শখের সাংবাদিক
আমার আজন্ম লালিত স্বপ্ন ছিল সাংবাদিক হওয়া। সাংবাদিকতা তো আমার প্যাশন… তবে না, শুধু শখের সাংবাদিক নয়, এর ওপর পড়াশোনা করে একদম প্রফেশনাল সাংবাদিক হওয়া। আমার কাছের মানুষেরা সবাই জানেন তা। এখনো আমার বিভাগের সভাপতি ‘শ্যারল’ বা বন্ধু ‘কে’ ঠাট্টা করে বলেন, কি ইমন, শুরু করবে না কি আবার জার্নালিজমে পড়া? বয়স থাকলে মন্দ হত না। ডেভিড লেটারম্যান বল স্টেটেরই ছাত্র ছিলেন… প্রতিদিনই তাঁর নামে উৎসর্গীকৃত ডেভিড লেটারম্যান কমিউনিকেশন এন্ড মিডিয়া বিল্ডিং এর ভেতর দিয়ে হেঁটেই আমার বিভাগে যাই। সর্বাধুনিক প্রযুক্তি আর সুযোগ সুবিধা সমৃদ্ধ ল্যাব, রেডিও স্টেশন, টিভি স্টুডিও দেখে খুব লোভ হয় আবার বসে যাই সেখানে… যদিও জানি এই মাথা আর কিছুই নিতে পারবে না!
ইতিহাসবোধ
ইতিহাসবিদের কাছে মানুষের প্রত্যাশা তিনি তথ্যকে পূর্বানুমান এবং যুক্তিকে আবেগের আগে স্থান দিবেন- বাংলাদেশে সে প্রত্যাশা অধিকাংশ সময়ই পূর্ণ হয় নি, হয়তো বাঙালি অত্যাধিক আবেগী কিংবা নিরাবেগ যৌক্তিকতায় অভ্যস্ত নয় তারা। দীর্ঘ গবেষণার ঐতিহ্য না থাকলেও ভাববাদী বিশ্লেষণের দীর্ঘ অতীত এ সভ্যতার অংশ।
ব্যক্তিগত অহং এখানে প্রকাশিত সত্যের চেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ, ইতিহাস অধিকাংশ সময়ই আবেগ, অহং, পূর্বানুমানের পিচ্ছিল পথে পথ হারিয়ে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বয়ান হয়ে দাঁড়ায়। ব্যক্তিগত উপলব্ধির সাথে তথ্যের সুষম সংমিশ্রন হয়তো স্বচ্ছ ঐতিহাসিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে সহায়ক হতে পারতো কিন্তু আবেগে ঘোলা চোখ অধিকাংশ সময়ই সেইসব দিকচহ্নকে পাঠ করতে পারে না।
রক্ত ও কাদা ১৯৭১
১.
আমার একজন আত্মীয় কলেজের ছাত্র। সে নাকি সম্প্রতি এক লাখ ২০ হাজার ইয়েন দিয়ে একটি কঙ্কাল কিনেছে গবেষণার কাজে সহায়ক হবে বলে। কথাটা শুনে আমার কেন যেন ভালো লাগছিল না। পরে জানা গেল, কঙ্কালটি এক বাঙালি মহিলার, যেমনটি আমি দুশ্চিন্তা করেছিলাম। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ২০ বছরের মতো।
১৯৭১ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় নয় মাস বাংলাদেশে পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনীর হাতে ৩০ লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। দুই কোটি মানুষ হয়েছিল গৃহহারা। এই ছোট্ট দেশের অধিকাংশ এলাকা পরিণত হয়েছিল ধ্বংসস্তূপে।
আমি আমার দায়িত্বের অংশ হিসেবে ঢাকায় এবং না না জানা এক ছোট্ট গ্রামে মোট ৪০০টি মৃতদেহ যথাস্থানে পৌঁছানোর কাজ করেছিলাম। তাদের উপর নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল।
দেশের প্রতি ভালোবাসা -১
বলি,এই দেশটার হচ্ছেটা কি!খুব বেশিদিন আগের কথা না,মাত্র ৪০ বছর আগের কথা,দেশটাকে স্বাধীন করা হয়েছিলো।যে স্বাধীনতার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনো চলছে।কার ভুলে যাওয়ার কথা না।সেই স্বাধীন দেশে আজকের যারা নীতি নির্ধারক একটা মানুষের চেহারাও যুদ্ধক্ষেত্রে কেউ দেখেনি।টেলিভিশনে দেখা তো দূরে থাক রেডিওতে কথা শুনেই তাদের উপর আস্থা রেখে সাধারন মানুষ যুদ্ধ করতে ঝাঁপায়ে পরেছিলো।কই তখন যখন ছাত্ররা দেশের অবস্থা নিয়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করতো সরকারি দল মামলা দায়ের করে বসে থাকতো এমন তো কোনো নজির দেখা যায়নি।তাইলে আজ যখন একটা কলেজের ছাত্র প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তি করে কথা বলেছে দেখে তার নামে মামলা দায়ের করার কথা একজন মাননীয়া মন্ত্রী মহোদয়া পত্রিকায় উল্লেখ করেছেন তখন কি তিনি ভুলে গেছিলেন যে এই দেশ স্বাধীন হয়ার পর যে সংবিধান হয়েছিলো তাতে নাগরিকের অধিকারে বাকস্বাধীনতা কথাটি লেখা ছিলো।কোনো সরকার নিঁখুত হতে পারেনা।আজ যারা আছে তাদের প্রতি মানুষের ভালোবাসাটা অন্যরকম।তাদের কাছে দাবিটা অন্য রকম।এইটুকু যদি তারা না বুঝে পদক্ষেপ নেয় তাহলে বুঝতে হবে তারা ভালোবাসাটা অনুধাবন ই করতে পারেনি।সময় থাকতে থাকতে তাদের অনুভব করাটা দরকার।
পুলিশ পাঁচালী...
বিলাত থেকে ব্যারিস্টারি পাস করে বাড়ি ফিরেছেন কেবল। আত্মীয়স্বজনেরা দেখতে আসছে, আশীর্বাদ করছে, "আরো বড় হও বাবা, জীবনে বহুদূর যাও।" সবার এমন আগ্রহী চোখ এড়িয়ে তিনি ছুটে গেলেন ঠাকুমার কাছে। যার কাছে কিচ্ছা শুনতে শুনতেই তার রাজকুমার হওয়ার স্বপ্ন ভিড় করেছে সেই কৈশোরে! যার পথ ধরেই তার সাত সমুদ্দুর তেরো নদী পাড়ি দিয়ে বিলাতে ব্যারিস্টারি পড়তে যাওয়া। ঠাকুমার পা ছুঁয়ে প্রণাম করতেই উঠে গেলেন তিনি। তারপর কনুইয়ের উপর ভর করে কোনোরকমে বৃদ্ধা ঠাকুমা আধশোয়া ভঙ্গীতে উঠে বসার চেষ্টা করতে তিনি এগিয়ে গেলেন আরো খানিকটা কাছে। একেবারে সত্যজিতের পথের পাঁচালীর ইন্দির ঠাকরুনের মতোন চেহারার ঠাকুমা খনখনে কণ্ঠস্বরে ফোকলা দাঁতে তাকে আশীর্বাদ করলেন। প্রথমবার তিনি ঠিক বুঝে উঠতে পারলেন না ঠাকুমার আধো আধো কথাগুলো। কয়েক মুহুর্ত পর তিনি পুরো কথাটার মানে বের করতে পেরে ঢোক গিললেন যেনো। শৈশবের স্বপ্ন দেখানো ঠাকুমার কথাগুলো যেনো তার বুকে শেল হয়ে বিঁধলো। তার কানে স্পষ্ট স্বরে শৈশবের সেই দৃপ্ত কণ্ঠস্বরে এখনকার কথাগুলো বাজতে থাকলো ভাঙা রেকর্ডের মতোন, "সবার মুখ উজ্জ্বল করে দিস দীনু, কিনু দারোগার মতো ক্ষমতা তোর হাতের মুঠোয়!"
আত্মমগ্ন কথামালা ১৩
অনেকদিন ধরে কিছু লিখতে পারতেছি না। ব্লগেও লগিন করতে আলসি লাগে
ফেসবুকে পইড়া পইড়া ঝিমাই, আর হাবিজাবি স্ট্যাটাস দিয়া থাকি। লেখালেখি করতে যেহেতু পারতেছিনা, সেহেতু এই হাবিজাবি স্ট্যাটাসগুলাই একত্র কইরা রাখি আর কী 
মে ১২
█▓▒░
পথের ধুলো কাদা পা'য়ে জড়িয়ে ফিরে আসা সেই
প্রতিদিনের নিজস্ব কোণে। পরিচিত দরজায় পরিচিত পিপহোলে নজর রেখে
কড়া নাড়া প্রতিবার, একই ছন্দে; আধো অন্ধকার, নয়তো আলোকজ্জ্বল গহ্বরের
গিলে নেয়া নিয়মিত রুচিবোধে।
চিরচেনা কথাগুলো নতুন নতুন রূপ ধারণে খুবই পারঙ্গম,
এড়াতে চেয়ে, মুখগুজে পড়ে থাকা নীলচে কল্পনায়...
হয় কিংবা হয়ে ওঠেনা সবসময়।
তীক্ষ্ণধার কথারা, ফালাফালা করে দেয় চিন্তার নরম বুক;
অভ্যস্ত হয়েও কোথায় জানি অনভ্যস্ততা রয়েই যায়।
সিদ্ধান্তের দোলাচলে ক্রমশঃ
দিনান্তে জমা হয় ঘর বাঁধার অসুখ।
মে ১৪
█▓▒░
এসো, আজ কিছু কথা আঁকি কাগজের ক্যানভাসে
সেই পুরোনো দিনের মতো।
চোখ বুজে ভুলে যাই না পাবার ক্ষত;
এসো, রঙীন আবীর ছুঁড়ে হেসে উঠি উচ্ছল
কালো মেঘ সরে গিয়ে রোদ্দুর ঝলমল...
মে ১৫
█▓▒░
বিষয় - বিসিবি, পাইবাস ও সাহারা : কিছু কথকতা
বিসিবি।
আজকাল মাঝে মাঝেই মনে সন্দেহ জাগে,
এই শব্দটার অর্থ
'বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড' নাকি
'বাংলাদেশ কেয়ারলেস বোর্ড'?!
ক'দিন আগেই আর একটু হলেই,
লোটাস কামালের আজব খেয়ালের বলি হয়ে আজকালকার ক্রিকেট বিশ্বের জ্বলজ্যান্ত নরক পাকিস্তানে যেতে হত আমাদের টাইগার দের।
এই মহান ব্যাক্তির ব্যাক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য কিছু পোলাপাইনের জীবনের ঝুঁকি নেওয়াটাই যুক্তিযুত হবে ভেবেছিল বিসিবি।
এই ভযংকার কাজটা যদিও আদালতের নির্দেশেই বন্ধ হয়,
এর নেপথ্য নায়ক যে আমাদের দেশের অগনিত সাধারন দর্শক - তা সবারই জানা।
গতকাল রিচার্ড পাইবাস কে দুই বছরের জন্য বাংলাদেশের ক্রিকেট কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে বিসিবি, যার সেরা সাফল্য হল দুই মেয়াদে পাকিস্তানের কোচ হওয়া।
জেমি সিডন্স আর স্টুয়ার্ট ল এর উত্তরসুরি হিসেবে এই নিয়োগ কতটুকু যুক্তিযুত হয়েছে তা সময়েই বোঝা যাবে, তবে আমার নিজের কাছে একদমই ভাল লাগছে না।
অনেকটা, বার্সেলোনা কে বার্সেলোনা করে তোলার কারিগর পেপ গার্দিওলার যায়গায় টিটো ভিলানোভার ব্যাপারটার মত লাগছে।
ভরসা পাচ্ছি না খুব একটা।
তবুও,
অনাগত দিনগুলোতে টাইগার দের জন্য রইল অসংখ্য শুভকামনা।
লক্ষ্যহীন জীবন এবং অনিশ্চিত যাত্রা
এক এক মানুষের জীবনে এক এক রকম লক্ষ্য থাকে। কেউ ডাক্তার হতে চায়, কেউ বা ইঞ্জিনিয়ার, কেউ শিক্ষক বা আরও অন্যকিছু। ছোটবেলায় ডাক্তারী পেশাটা আমাকে খুব আকর্ষণ করত, হাসপাতালে কোন অসুস্থ রোগী দেখতে গেলে ভাবতাম, ইস! আমি যদি ডাক্তার হতাম, তাহলে এই রোগীদের কত সেবা করতে পারতাম!
পারো যদি দেখে যেয়ো বেচে থাকো কারে বলে/ এসো আমার ঘরে একবার!
লেখার কথা ভাবছিলাম অনেক কিছুই। ঘটে চারপাশে অনেক কিছুই। কিন্তু ব্লগে লিখতে গেলেই কোনো কিছু লেখতে আর ইচ্ছা করে না। তাই কাল থেকে একটা কিছু লিখবো বলে ভাবছি কিন্তু লিখতেছি পাক্কা ২৫ ঘন্টা পর। এমন না যে আমি মহান লেখক যে অনেক ভেবে স্বার্থক অনেক কিছু লিখবো। ঘুরে ফিরে আমার কথা গুলো একিই রকমের। তাই সময় নষ্ট না করে লিখে ফেলাই ভালো। তাতে দায় থেকে মুক্ত থাকা যায়।
এই পোষ্ট যখন টাইপ করছি তখন এই ব্লগের সবার খুব কাছের ব্লগার প্রামান্যচিত্র ও টিভি নির্মাতা খুব ভালো মানুষ হেলাল ভাইয়ের একটা ফেসবুক স্ট্যাটাসে চোখ পড়ে গেলো। স্ট্যাটাসটা হলো
নিরবে

সে আসে নিরবে-
চপল পায়ে স্বপ্নের ডানা মেলে
দুহাত বাড়িয়ে ইশারায়
হৃদয় হরণ করে।
সে হাসে নিরবে-
অধর যুগলে রহস্যের রঙ মাখিয়ে
নিস্তব্দতার গভীরতা বাড়িয়ে
আমায় বধির করে।
সে চলে নিরবে-
কাজল কেশে বলাকা মেঘ জড়িয়ে
মুগ্ধতার অতলে ডুবিয়ে
আমায় সিক্ত করে।
সে ভালোবাসে নিরবে-
ডাগর চোখের মাদকতায় বিঁধিয়ে
চারধারে মায়ার জালে
আমায় রিক্ত করে।
সে আমাকে নিজে করে নেয় নিরবে- সে আসে নিরবে-
প্রাইমারী স্কুলের স্যারদের কাছে জিজ্ঞাসা... "স্যার নীতি মানে কি?"
আমার প্রথম স্কুলে যাওয়ার কথা মনে নেই... ক্লাস ওয়ান/টুর কথা মনে করা আসলেই কষ্টকর। কিন্তু থ্রি কি ফোরে যখন পড়ি তখন আমাদের স্কুলের ফযল স্যার কোন এক ক্লাসের মাঝেই বলতে ছিল... "তরাতো এক দিন অনেক বড় হবি... আমাগো কথা মনে থাকবো না... রাস্তায় দেখলে ছালাম দিবি কিনা সন্দেহ"। ওই দিন ছোট সময়ের সেই আবেগেই হোক আর যাই হোক... স্যারকে বলছিলাম... "স্যার ... আপনারে ভুলমু না"। সত্যি স্যারকে আমাদের সেই ব্যাচের (যাদের চিনি) কেউ ভোলে নাই। আজ ফজল স্যার ক্যামন আছে জানি না...
শিক্ষা বিস্তারের একদম শুরুটা যেইসব মানুষের হাত দিয়ে.. তাদেরকে বলা হয় মানুষ গড়ার কারিগর... তাদের হাত দিয়েই জীবনের ভিত্তি স্থাপনের কাজ শুরু... এইতো কয়দিন আগেই তেমনি একজন কারিগরকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হলো তাদের জিবন জীবিকার তাগিদে সামান্য কয়েকটা টাকা বেতন বাড়ানোর জন্য।
আমাদের কি কিচ্ছু করার নেই! কিচ্ছু বলার নেই!
মুক্তিযুদ্ধের ঠিক পরের বছর আমার জন্ম। শহুরে মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হয়ে ওঠার কারণে দেশের সামাজিক অস্থিরতা কিংবা রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের কোনো বিষয় তেমন একটা প্রভাব ফেলেনি ছোটবেলায়। তবে একটা সময় গেছে যখন নির্বাচনের আবহ মানুষের প্রাণে সাড়া ফেলতো। ইলেকশন ডে মানে বাড়িতে রীতিমতো উৎসবের মহড়া। সেদিন ভালো খাবার দাবার হতো, বাংলাদেশ টেলিভিশনে শুরু থেকেই প্রচারিত হতো ক্লাসিক ইংলিশ ম্যুভি, হলিউডি ব্যাশ আর একটা প্রোগ্রাম সলিড গোল্ড যেখানে কন্টেম্পরারি পপ্যুলার ইংলিশ নাম্বারের অফিসিয়াল মিউজিক ভিডিওগুলো দেখানো হতো। আমার নিজের মিউজিক টেইস্ট তৈরী হয়েছিলো সেইসব ইলেকশন ডে'র সময় দেখা মিউজিক ভিডিও দেখতে দেখতেই। আরেকটা মজার ঘটনা ছিলো সেই সময়টায় আমরা ভোট-ভোট খেলতাম। প্রতীক পাল্টে পাল্টে আমরা ইলেকটোরাল ক্যাম্পেইনের মক করতাম। তখনো আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক বিভাজনের বোধ অতোটা প্রবল আর জরুরী হয়ে উঠেনি। তবে ৫২'এর ভাষা আন্দোলন, ৬২'এর শিক্ষার অধিকার রক্ষায় প্রতিরোধ, ৬৯'এর গণ অভ্যূত্থানের পথ ধরে ১৯৭১'এর মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনকারী দেশের মানুষ সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে রক্ত ঝরা ছাত্র-গণ অভ্যূত্থানের মধ্য দিয়ে এক
আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার অতীত-ভবিষ্যত-বর্তমান
ইংরেজগণ আমাদের সভ্য করেছে না কি আমাদের বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে কেরানী তৈরির উপযুক্ত শিক্ষানীতি চাপিয়ে দিয়েছে আমাদের উপরে সে প্রশ্নের মীমাংসা হয়তো সম্ভব হবে না, অন্তত আমার পক্ষে এ বিষয়ে তেমন সিদ্ধান্তমূলক কিছু ব্যক্ত করা সম্ভব না।
রাষ্ট্রের শিক্ষাবিস্তারের নিজস্ব তাগিদ থাকে- নিজস্ব প্রয়োজনেই এক ধরণের অলিখিত শিক্ষানীতি তারা অনুসরণ করেন- প্রাগৈতিহাসিক বিবরণ দেওয়ার অক্ষমতা মেনে নিয়েই বলছি হয়তো এখন থেকে দুই হাজার বছর আগেও উপমহাদেশে বিদ্যালয়ের অস্তিত্ব ছিলো । মুনি-ঋষি- স্মার্ত-বৈয়াকরণিক-নৈয়ায়িক-বেদি-দ্বিবেদী-ত্রিবেদী-চতুর্বেদী-ভট্টাচার্য-শংকরাচার্য বিভিন্ন উপাধি থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মাণ হয় একদা শিক্ষাদান এক ধরণের সম্মানজনক পেশা হিসেবে স্বীকৃত ছিলো-
গসধ
অনেক আগে সেলিনার মায়ের জন্য সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিলাম- আমরাবন্ধুর বন্ধুরা সাধ্যমতো চেষ্টাও করেছিলেন- যদিও শেষ পর্যন্ত আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা তেমন ফলপ্রসু হয় নি, আমাদের সবার প্রত্যাশা ভেঙে দিয়ে তিনি মৃত্যু বরণ করেছিলেন-
দেশের স্বাস্থ্যসেবার সরকারী উদ্যোগ বিভিন্ন শ্রেণীর দালালের হাতে জিম্মি হয়ে আছে, বিভিন্ন সরকারী হাসপাতালে কর্মচারীদের দাপট এবং ঘুষের জন্য বাড়ানো হাত দেখে আমার ধারণা এমনটাই- সরকারী স্বাস্থ্যসেবার খরচ অনেক কম কিন্তু এইসব দালালের খপ্পরে পরে যাওয়া দরিদ্র মানুষেরা সেসব ধারণাও করতে পারেন না, ১৬ কোটি মানুষের একটি দরিদ্র দেশে সরকারী হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা জনগণের সকল চাহিদা পুরণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই বলেই দ্বিতীয়-তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের কাছে জিম্মি হয়ে যায় মানুষ-
১৯৭১ এ পা্কিস্তান বাহিনী ও তার দোসরদের দ্বারা সংঘটিত অপরাধসমূহ
অপরাধ সংঘটনের কাল: ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ দখলদার পাকিস্তান সেনাবাহিনী ‘Operation Searchlight’ এর মাধ্যমে স্বাধীনতাকামী বেসামরিক বাঙালিদের উপর আক্রমণ শুরু করে যা ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ৯(নয়) মাস অব্যাহত থাকে। এই সময়টিই হল অপরাধ সংঘটনের কাল।

এক নজরে অপরাধ সংঘটনকারী পক্ষসমূহ: আগ্রাসী পাকিস্তানী সেনাবাহিনী। তাদের সহযোগী বাহিনী হিসেবে আবির্ভাব হওয়া জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্র সংঘ, রাজাকার বাহিনী, শান্তি কমিটি, আল-বদর, আল-শামস, আল-মুজাহিদ বাহিনী ইত্যাদি। এদের প্রত্যেকের ব্যাপারে আরও বিস্তারিত তথ্য দেয়া হবে। চোখ রাখুন এই ব্লগে।