ইউজার লগইন
ব্লগ
প্রাইমারী স্কুলের স্যারদের কাছে জিজ্ঞাসা... "স্যার নীতি মানে কি?"
আমার প্রথম স্কুলে যাওয়ার কথা মনে নেই... ক্লাস ওয়ান/টুর কথা মনে করা আসলেই কষ্টকর। কিন্তু থ্রি কি ফোরে যখন পড়ি তখন আমাদের স্কুলের ফযল স্যার কোন এক ক্লাসের মাঝেই বলতে ছিল... "তরাতো এক দিন অনেক বড় হবি... আমাগো কথা মনে থাকবো না... রাস্তায় দেখলে ছালাম দিবি কিনা সন্দেহ"। ওই দিন ছোট সময়ের সেই আবেগেই হোক আর যাই হোক... স্যারকে বলছিলাম... "স্যার ... আপনারে ভুলমু না"। সত্যি স্যারকে আমাদের সেই ব্যাচের (যাদের চিনি) কেউ ভোলে নাই। আজ ফজল স্যার ক্যামন আছে জানি না...
শিক্ষা বিস্তারের একদম শুরুটা যেইসব মানুষের হাত দিয়ে.. তাদেরকে বলা হয় মানুষ গড়ার কারিগর... তাদের হাত দিয়েই জীবনের ভিত্তি স্থাপনের কাজ শুরু... এইতো কয়দিন আগেই তেমনি একজন কারিগরকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হলো তাদের জিবন জীবিকার তাগিদে সামান্য কয়েকটা টাকা বেতন বাড়ানোর জন্য।
আমাদের কি কিচ্ছু করার নেই! কিচ্ছু বলার নেই!
মুক্তিযুদ্ধের ঠিক পরের বছর আমার জন্ম। শহুরে মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হয়ে ওঠার কারণে দেশের সামাজিক অস্থিরতা কিংবা রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের কোনো বিষয় তেমন একটা প্রভাব ফেলেনি ছোটবেলায়। তবে একটা সময় গেছে যখন নির্বাচনের আবহ মানুষের প্রাণে সাড়া ফেলতো। ইলেকশন ডে মানে বাড়িতে রীতিমতো উৎসবের মহড়া। সেদিন ভালো খাবার দাবার হতো, বাংলাদেশ টেলিভিশনে শুরু থেকেই প্রচারিত হতো ক্লাসিক ইংলিশ ম্যুভি, হলিউডি ব্যাশ আর একটা প্রোগ্রাম সলিড গোল্ড যেখানে কন্টেম্পরারি পপ্যুলার ইংলিশ নাম্বারের অফিসিয়াল মিউজিক ভিডিওগুলো দেখানো হতো। আমার নিজের মিউজিক টেইস্ট তৈরী হয়েছিলো সেইসব ইলেকশন ডে'র সময় দেখা মিউজিক ভিডিও দেখতে দেখতেই। আরেকটা মজার ঘটনা ছিলো সেই সময়টায় আমরা ভোট-ভোট খেলতাম। প্রতীক পাল্টে পাল্টে আমরা ইলেকটোরাল ক্যাম্পেইনের মক করতাম। তখনো আমাদের মধ্যে রাজনৈতিক বিভাজনের বোধ অতোটা প্রবল আর জরুরী হয়ে উঠেনি। তবে ৫২'এর ভাষা আন্দোলন, ৬২'এর শিক্ষার অধিকার রক্ষায় প্রতিরোধ, ৬৯'এর গণ অভ্যূত্থানের পথ ধরে ১৯৭১'এর মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনকারী দেশের মানুষ সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে রক্ত ঝরা ছাত্র-গণ অভ্যূত্থানের মধ্য দিয়ে এক
আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার অতীত-ভবিষ্যত-বর্তমান
ইংরেজগণ আমাদের সভ্য করেছে না কি আমাদের বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে কেরানী তৈরির উপযুক্ত শিক্ষানীতি চাপিয়ে দিয়েছে আমাদের উপরে সে প্রশ্নের মীমাংসা হয়তো সম্ভব হবে না, অন্তত আমার পক্ষে এ বিষয়ে তেমন সিদ্ধান্তমূলক কিছু ব্যক্ত করা সম্ভব না।
রাষ্ট্রের শিক্ষাবিস্তারের নিজস্ব তাগিদ থাকে- নিজস্ব প্রয়োজনেই এক ধরণের অলিখিত শিক্ষানীতি তারা অনুসরণ করেন- প্রাগৈতিহাসিক বিবরণ দেওয়ার অক্ষমতা মেনে নিয়েই বলছি হয়তো এখন থেকে দুই হাজার বছর আগেও উপমহাদেশে বিদ্যালয়ের অস্তিত্ব ছিলো । মুনি-ঋষি- স্মার্ত-বৈয়াকরণিক-নৈয়ায়িক-বেদি-দ্বিবেদী-ত্রিবেদী-চতুর্বেদী-ভট্টাচার্য-শংকরাচার্য বিভিন্ন উপাধি থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মাণ হয় একদা শিক্ষাদান এক ধরণের সম্মানজনক পেশা হিসেবে স্বীকৃত ছিলো-
গসধ
অনেক আগে সেলিনার মায়ের জন্য সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিলাম- আমরাবন্ধুর বন্ধুরা সাধ্যমতো চেষ্টাও করেছিলেন- যদিও শেষ পর্যন্ত আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা তেমন ফলপ্রসু হয় নি, আমাদের সবার প্রত্যাশা ভেঙে দিয়ে তিনি মৃত্যু বরণ করেছিলেন-
দেশের স্বাস্থ্যসেবার সরকারী উদ্যোগ বিভিন্ন শ্রেণীর দালালের হাতে জিম্মি হয়ে আছে, বিভিন্ন সরকারী হাসপাতালে কর্মচারীদের দাপট এবং ঘুষের জন্য বাড়ানো হাত দেখে আমার ধারণা এমনটাই- সরকারী স্বাস্থ্যসেবার খরচ অনেক কম কিন্তু এইসব দালালের খপ্পরে পরে যাওয়া দরিদ্র মানুষেরা সেসব ধারণাও করতে পারেন না, ১৬ কোটি মানুষের একটি দরিদ্র দেশে সরকারী হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা জনগণের সকল চাহিদা পুরণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই বলেই দ্বিতীয়-তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের কাছে জিম্মি হয়ে যায় মানুষ-
১৯৭১ এ পা্কিস্তান বাহিনী ও তার দোসরদের দ্বারা সংঘটিত অপরাধসমূহ
অপরাধ সংঘটনের কাল: ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ দখলদার পাকিস্তান সেনাবাহিনী ‘Operation Searchlight’ এর মাধ্যমে স্বাধীনতাকামী বেসামরিক বাঙালিদের উপর আক্রমণ শুরু করে যা ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ৯(নয়) মাস অব্যাহত থাকে। এই সময়টিই হল অপরাধ সংঘটনের কাল।

এক নজরে অপরাধ সংঘটনকারী পক্ষসমূহ: আগ্রাসী পাকিস্তানী সেনাবাহিনী। তাদের সহযোগী বাহিনী হিসেবে আবির্ভাব হওয়া জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্র সংঘ, রাজাকার বাহিনী, শান্তি কমিটি, আল-বদর, আল-শামস, আল-মুজাহিদ বাহিনী ইত্যাদি। এদের প্রত্যেকের ব্যাপারে আরও বিস্তারিত তথ্য দেয়া হবে। চোখ রাখুন এই ব্লগে।
গল্প: নোঙরের সঙ্গে উঠে গিয়েছিলো একটি পাঁজরের হাড়
ক্রিং ক্রিং...
-হ্যালো।
একবার ফোন হতেই মিভ ফোন ধরবে আমি ভাবি নি। তাই একটু হকচকিয়ে গেলাম। আসলে ও যে ফোন ধরবে, সেটাই আমি আশা করি নি। কিন্তু তাও যে কেন সেদিন রাত ৪টা ৫০মিনিটে ওর নাম্বার আনমনে টিপে টিপে লিখলাম সেলফোনের টাচপ্যাডে! জানি না।
লিখে আবার সেটাকে ডায়ালেও পাঠিয়ে দিলাম। আর সঙ্গে সঙ্গেই কলটা চলে গেলো ওর কাছে। অথচ তার আগে কতদিন যে একইভাবে ওর নাম্বার লিখেও বার বার কেটে দিয়েছি, তার হিসেব নেই। কি মনে করে সেদিন ভোরবেলা ওর নাম্বার টিপেছিলাম, আজ আর মনে নেই। চমকে উঠে অনেকক্ষণ ফোনটা কানে ঠেসে ধরে রেখেছিলাম- এটুকু শুধু মনে আছে।
লিমেরিক, হয়তো
১
ঈশ্বর কি অপ্সরাকে বলতে কিছু চাইছিলেন?
স্বয়ং তিনি স্বয়ংবরের লোভের মাশুল তাই দিলেন?
প্রবঞ্চকের প্রপঞ্চতে ফের যদিবা ঠাঁই নিলেন
ঊর্বশী আর রম্ভা তবু উল্টো সুরে গাইছিলেন।
------------------------------------------------
২
তস্করে যে বাক্স লোটে ফস্ করে তা খোয়ায় না
হরহামেশা দৌড়ানিতে হরকরা রাত পোহায় না
------------------------------------------------
৩
কাছের মানুষ মন্দ হলে কপালটাকে গাল পাড়ি
জগত যদি ধন্দে ভরা,কার সাথে ভাব কে আড়ি?
---------------------------------------
মাথায় আসা হঠাত লাইনগুলো ছন্দোবদ্ধ ভাবে সাজিয়ে লিখতে গেলাম, এখন বলছে ৫০ শব্দের কমে ব্লগ হবেনা। তাহলে রবি ঠাকুরের ক্ষণিকা লেখা হতো? অথবা কোনো তিন পদী জাপানি হাইকু?
অথবা সবচেয়ে ছোট উপন্যাস?
জানিনা বাপু, খুবই অসহ্য এই শব্দের ঘ্যানঘ্যানানি।
লিখতে চাই, কিন্তু যা মনে আসে, মনের আশে পাশে তাকে ৫০ শব্দের মধ্যে বাঁধতেই হবে এটা জেলখানার মতো লাগে। বন্দী বন্দী।
হতে চাওয়া ইচ্ছে গুলো...

১.
মানুষ বড় হতে হতে তার জীবনের হতে চাওয়া ইচ্ছা গুলো সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়। ছোটবেলায় যখন খুব ছোট তখন আমাকে "বড় হলে কি হবে?" কেউ জিজ্ঞাসা করলে বলতাম পাইলট হবো (বোধহয় খুব ছোট্ট বেলায় শিখিয়ে দেওয়া )। যখন ক্লাস থ্রি বা ফোরে পড়ি তখন ডাক্তার হবো মানুষের সেবা করবো টাইপ কথা বলতাম। ক্লাস সিক্সের পর ইঞ্জিনিয়ার হবার বাসনা দেখতাম (তখন ইঞ্জিনিয়ারদের খুব স্মার্ট লাগতো)। একসময় হাতের লিখা খারাপ বলে উদ্ধারের পথ খুজতে থাকলাম। কি এমন করলে আমাকে লিখতে হবে না? পেয়েও গেলাম উত্তর। কম্পিউটার নিয়ে পড়তে হবে। এই জবে হাতে লিখার কোন কাজকারবারই নাই। ইউরেকা!! মনস্থির করে ফেললাম। আগ্রহ যে একদমই ছিল না তাও বলবো না। যায় হোক নিজের জীবনটাকে সাদা বাক্সটার সামনে সপে দিলাম। ভুলটা বোধহয় তখনই প্রথম করলাম।
২.
পুলিশদের শাস্তি 'ক্লোজ' বা 'সাময়িক বরখাস্ত' বিষয়টা আসলে কী ?
আমাদের দেশের পুলিশেরা দুটো কাজ খুব ভালো করতে পারে। একটা হচ্ছে: বিনা উস্কানীতেও বিরোধী দলের কর্মীদের/ নেতাদের উপর বেধড়ক লাঠিপেটা। আর অন্যটি হচ্ছে: সাংবাদিকদের পেটানো। অতীতে আমরা অবাক হয়ে দেখেছি- একজন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমকে কী নির্দয় ভাবে পুলিশ পিটিয়েছে। পুশিদের মার থেকে রেহাই পাননি- সাংসদ এবং নাট্যব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নুর। পুলিশ পিটাতে পিটাতে মতিয়া চৌধুরীর মত নেতাকে রাস্তায় শুইয়ে ফেলেছে। তখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায়। তখনকার পুলিশ ছিলো পিএনপি পুলিশ।
প্রেমিকের ডানায় নাচে প্রজাপতি মন
গুচ্ছ গাড়ির বনেদি সুতোয় ঝুলে থাকে প্রেম। রঙ বদলের স্বপ্নমঞ্চে কাঁদে এক টুকরো নাকছাবি। কেউ কেউ বাতাসে ভাসে শিমুলের ওড়াওড়ি মেখে নিয়ে চোখে। পলিথিন মুড়িয়ে সুখ শুয়ে থাকে শাহবাগের মোড়ে।
তারুণ্য ছড়ানো বাদামের খোসা, দুটাকায় কেনা হলুদ গোলাপ, কিংবা মধ্য রাতের ডিম পরোটার ঝিলিক হাসিতে ফোটে এক পেয়ালা রোদ। এখানে জারুলের পাপড়ি খেয়ে গেছে নীল পাজামা, বাঁকা ভ্রু ডানা, সিনেমা ফেরত প্রেমিক যুগল এবং একটি নিরেট পদ্য।
আমাদের বয়সে পাখিগুলো ডানা হয়ে খেয়ে যেত আকাশ। তোমার ভীরু ভীরু চোখ এসব দেখার আগেই পালিয়ে যায় কাল। তার কোলে নেচে বেড়ায় অবহেলার অন্তর্দহন আর এক দুপুর বিলেতি ঘোমটা। ঘোমটার নীচে লুকিয়ে থাকা নাকে খেলা করে রঙিন স্বপ্নের মুহুর্তভেদী অন্তরীক্ষ। সেখানে গাঙচীলের ডানায় ভাসে ইউক্যালিপটাসের জলোচ্ছ্বাস, ব্যঙের গাড়ি এবং অবশ্যই আমাদের না দেখা স্বপ্নের অন্তর্বয়ন।
একটি বাসের টিকেট , গন্তব্য অনিশ্চিত ... অতঃপর ....
বছর দশেক পর দেশে গেলে যা হয় আর কি ... সবচেয়ে প্রথম নিজের বাড়ী যাওয়ার রাস্তা এলোমেলো হয়ে যায় ... সর্বনাস , আগে তো ডান দিক দিয়ে বাসায় যেতাম এখন বাম দিক দিয়ে যাওয়া লাগছে ... মনের ভুলে নিজের বাড়ীর সামনে দিয়ে হেটে চলে গেলে পরে জানালা দিয়ে আম্মু ডেকে বলে -- নিজের বাড়ী ছেড়ে পাশের বাড়ী যাও ক্যান ? ঐ বাড়ী কোনো সুন্দর মেয়ে নাই তো ... এরপর ঘরের লোকজন দের দেখে টাশকী খাওয়া লাগে ... ওরে সর্বনাস যাদের দেখতাম হামাগুড়ি দিচ্ছে তাদের সবকটার দাড়ি গোফ গজিয়েছে , যারা ঐ সময় টি শার্টের কোনা ধরে ঝুলে থাকতো অন্তু ভাইয়া চকলেট না দিলে ছাড়বো না তাদের দেখি জামাই এর শার্টের কলার ধরে হুমকী দিচ্ছে বসুন্ধরায় তুমি ঐ মেয়ের দিকে এমন ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে ছিলে ক্যান ? বিয়ে করেছ বৌ আছে , সারা দিন আমার কথা শুনো তাও এখনো লজ্জা হয়নি ?আর কবে শুধরাবা ? ... এরপর শুরু হয় খাওয়ার পালা ...... সে কথা না হয় অন্য কোনো দিন বলবো ...
“তবু আমারে দেব না ভুলিতে ...” কাজী নজরুল ইসলামের ১১৩ তম জন্মবার্ষিকী
মৃত্যু নিয়ে ৫ সিনেমা

মেক্সিকান পরিচালক, জীবনে মাত্র চারটি ছবি করেছেন। আর এই চার ছবি দিয়েই নিজের জাত চিনিয়েছেন তিনি। বলা যায়, নতুন একটি ধারা তৈরি করেছেন। তিনি আলেজান্দ্রো গনজালেস ইনারিতু। চার ছবির তিনটি আবার একই ধারার। বিষয়বস্তু মৃত্যু। ডেথ ট্রিলোজি। সিনেমায় গল্প বলার রীতি একটু আলাদা। একসঙ্গে কয়েকটি ঘটনা এগিয়ে যায়, শেষটি হয় একবিন্দুতে। এর নাম হচ্ছে হাইপার লিঙ্ক সিনেমা। মজার ব্যাপার হলো, হাইপার লিঙ্ক সিনেমার ধারণাটা শুরু করেছিলেন সত্যজিৎ রায়, কাঞ্চনজঙ্ঘা সিনেমা দিয়ে। ইনারিতু প্রথম মেক্সিকান পরিচালক, যিনি প্রথমবার একাডেমির জন্য মনোনয়ন পেয়েছিলেন। আর সেই ছবি হলো, অ্যামোরেস পেররোস, মেক্সিকোর ছবি, ভাষা স্প্যানিস। ডেথ ট্রিলজির প্রথম ছবি। এর পরের ছবিটি তিনি হলিউডে গিয়ে করেন, ২১ গ্রামস। আর ট্রিলজির শেষ ছবি বাবেল। ইনারিতুর শেষ ছবি বিউটিফুল, ট্রিলজির বাইরে।
অ্যামোরেস পেররোস
দোযখের ড্যামো ভার্সন থেকে বলছি!
অধ্যাপক মোজাফফর সাহেব মারা গেলো। জ্ব্লজ্বল করে থাকা ব্যানারটা যখনি দেখি তখনি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলি আহারে কি শোকের ঘটনা! মোজাফফর সাহেবকে আমি চিনি টকশো মিডিয়ার মানুষ হিসেবেই। রাতের টকশো, টি আইবি থেকে শুরু করে সুজন সেখান থেকে বাপা তারপর মইন ইউ এর অমর বই এর মোড়ক উন্মোচন এইসবই খালি চোখে ভাসে। কোনো ধরনের বিশ্লেষন বা মতামত জানাবো না। সেরকম জ্ঞান বুদ্ধি আমার নাই। খালি একটা একান্ত ব্যাক্তিগত স্মৃতির গল্প বলি। বন্ধু এহতেশাম আর আমি গেছিলাম এক বিয়েতে। বিয়েটা কোনো সচিবের ছেলের বিয়ে সম্ভবত। এহতেশামের কি রকম জানি আত্মীয়। আমি বিয়ে নিয়ে টেনশিত না আমার ধান্দা ভালো জামা কাপড় পড়ে আসছি যখন ভালো মন্দ খাবো । বসলাম আগে ভাগেই আমি খাই নিজের খাবারের দিকে চোখ দিয়ে। অন্যের মুখের দিকে চাইলে খেতে ইতস্তত লাগে। তবুও মাংস নিতে যেয়ে একজনের দিকে চোখ গেলো। আমি এহতেশামরে বললাম ভাই ভদ্রলোকরে চেনা চেনা লাগে কেন? এহতেশাম অবাক হয়ে বললো মোজাফফর স্যারকে আপনি চিনেন না?
......... চাঁদ উঠেছে ঐ
রেল ভবনের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ঐ
বু গো আমার কোলের কাছে টাকার বস্তা কই
রেল লাইনের পাড়ে কালো বিড়ালে
চিক চিক করে বাত্তি জ্বলে
টাকার চিন্তায় ঘুম আসেনা, একলা জেগে রই
বু গো আমার দপ্তর ওয়ালা মন্ত্রীত্ব গেল কই
কাদের আসার পর হতে বুবু কেন আর না ডাকো
আমার কথায় আঁচল দিয়ে মুখটি কেন ঢাকো?
সাম্বদিকের সামনে যখন
দিদি বলে ডাকি তখন
গণভবন হতে কেন দিদি ডাকে নাকো
আমি ডাকি দিদি তুমি কেন চুপটি করে থাকো?
বলো বুবু, টাকার বস্তা কোথায় গেছে , আসবে আবার কবে?
দুদক আমায় কেন সার্টিফিকেট দিলো তবে ?
ইলিয়াছের মত কোথাও গিয়ে
আমিও যদি লুকাই গিয়ে
তুমি তখন কেমন করে হরতাল তবে দিবে ?
আমিও নাই , ইলিয়াছও নাই , কেমন মজা হবে !!!
