ইউজার লগইন
ব্লগ
তব রাহা বিস্মৃত নই তো...

অবশেষে আবরণের খোলস থেকে মুক্ত হলো সময়; এইতো বেশ গড়িয়ে চলছে সবেগে আর উড়ন্ত দাঁড় কাকটা এতদিন পর গোচরীভূত হল বলে আক্ষেপ থেকে যায় বুকের কোথায় যেন, জানার আগ্রহ বোধ করি না; সময় শুধু বয়ে চলে আজ, সহসাই আর কতই না সহজেই।
উপরন্তু আবরণের আড়ালের আমারও একটা যাদুকরী আছে, যদিও আমায় মুগ্ধ করতে ব্যর্থ সে, কিন্তু কখনই বুঝতে দেই না তাকে, “আমি আসলে মুগ্ধতা বিবর্জিত কেও!” রাজ্য জুড়ে মুগ্ধতা বিলিয়ে আমার লাল পরী হেটে যায় আর উদাস যুবকেরা যদিও তাকে দেখে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে; কিন্তু আমার বুকে ব্যথা হয় না কখনোই।
একটি সুদীর্ঘ প্রায় বাস্তব-আর-কল্পনার-দুরত্বের-সমান দিনলিপি
মাঝে মাঝে এমন হয়। সকাল-বিকাল-সন্ধ্যা শুধু লিখতে ইচ্ছা করে। অবশ্য বন্ধু-বান্ধবদের এতে ঘাবড়ানোর কোনো কারণ নেই। কেননা আমার ধারণা, আমি পৃথিবীর সবচে' আকর্ষণীয় বিষয়টির ওপরেও খুব বেশি হলে দিন দু'য়েক আকর্ষণ ধরে রাখতে পারবো। তারপরে সেটা আমার আর ভালো লাগবে না। তাই এই লিখার ইচ্ছার যন্ত্রণা থেকে হয়তো গোটা দু'য়েক অপ্রয়োজনীয় পোস্ট পয়দা হবে। তারপরে আবারো নিজের আঠালো, অন্ধকার জীবনটাতে ফিরে যাবো বলে আশা রাখি।
এই লেখার কোনো বিষয়বস্তু নেই। সারাদিন কি করে কাটালাম লিখতে ইচ্ছে হচ্ছে। ঘুম থেকে উঠেছিলাম পৌনে একটায়। ঘুমুতে গিয়েছিলাম সকাল সাতটায়। সারারাতে কোনো মুভি দেখি নি। গল্পের বই পড়ি নি বা কোনো কাজ করি নি। অকারণ জেগে ছিলাম। জানি না কেন। শরীরে আমেরিকান সৈন্যদের মতো অনুভূতি কাজ করছিলো। মনে হচ্ছিলো দিনের পর দিন না ঘুমিয়ে আমি পাহারা দিতে পারি আমার ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার। যেখানে একটি সামাজিক গেকো আমায় আশ্রয় দিয়েছে পরম বন্ধুর মতো করে।
শেকড়ের টানাটানি
আবারো মোবাইলে পোষ্ট লেখার সাহস করলাম। এই সাহসের জন্য বেশি কিছু করতে হয় নাই খালি অসীম ধৈর্যের সাথে ঘন্টা দেড়েক মোবাইলের কিপ্যাড টিপতে হয়। তাতে ঘাড় ব্যাথা হয় কয়েল জ্বালানোর পরও কিছু মশার কামড় খেতে হয় এই যা। ১১ দিন ধরে জামালপুরেই আছি। কাল সকালে ব্রহ্মপুত্র নামে এক আন্ত: নগর ট্রেন আছে তাতেই প্রথম শ্রেনীতে করে ঢাকা শহরের উদ্দেশে রওনা দিবো। জামালপুরে সেভেনটি পারসেন্ট রেলের টিকেট ব্ল্যাকে চলে যায়। আর যে বাকী থার্টি পারসেন্ট থাকে তা পেতে ফজরে লাইনে দাড়িয়ে থেকে সকাল নয়টায় থেকে শুরু হবে টিকেট কেনা। আমার আব্বু অনেক ভালো দ্বায়িত্বশীল লোক তিনি ফজরে উঠে চলে যান আর দশটার সময় এসে এভারেষ্ট জয়ের আনন্দ নিয়ে বলেন এই নে তোর টিকেট। আমি আব্বুর এই কর্তব্যনিষ্টা ও পরিশ্রমের ৫ ভাগও পাইতাম তাহলে অনেক কিছু করে ফেলতাম। এখন আসি জামালপুরে থেকে আমি কি করি?
ববি রায়ের সাথে চলে যেও না- অঞ্জন দত্ত
অঞ্জনের ব্যপারে আমার ভেতরে ভালোলাগা কাজ করে অনেকানেক আগে থেকে। কেন কাজ করে, সেটা জানি না। তোমার জঙলাপাড়ের ঢাকেশ্বরী শাড়ি (মালা) গানটা কত-কতবার শুনেছি? ঠিক নেই। অনেক সময় গানটা চালাই শুধু অনেকদিন পরে অঞ্জনের গলা শোনার জন্যই। এখনো মাঝে মাঝে হাইকোর্ট মাজারের রাস্তা দিয়ে ফেরার সময়, কদম ফোয়ারার জলের ছিটে মুখে-চোখে মাখার সময় গুনগুন করে গেয়ে উঠি- ২৪৪১১৩৯...হ্যালো তুমি শুনতে পাচ্ছো কি?
ব্লগবাকুম
১.
মার্ক যুকারবার্গ তার দীর্ঘদিনের বান্ধবী প্রিসিলা চ্যানকে বিয়ে করলো। তথ্য প্রযুক্তির মানুষ হয়ে চায়নীজ প্রোডাক্ট ঘরে তুললো কেন এইটাই আমার প্রশ্ন।

মার্ক জুকরবার্গ বিয়ে করেই ফেসবুকে স্ট্যাটাস পালটাইয়া লিখলো 'বিবাহিত'। আর প্রিসিলা কি লিখলো? দুষ্ট লোকেরা বলে, সে লিখছে 'জ্যাকপট'।
২.
কাল ছিল ১৮ দলের অনশন। সেই অনশনের অনেক ছবি তোলা হইছে। একটা ছবি রিলিজ করলে এএফপি।

খুবই নিরীহ একটা ছবি, ছবিটা দেখে মন ভরছে।
৩.
দৃষ্টি গোঁচর চোখ
আজি কে আছে মোর দিকে চাহিয়া
দৃষ্টি গোঁচর চোখে!
অনন্ত আশা নিয়া
যৌবন ভরা অঙ্গে, ওহে! পুষ্পনা।
কি এমন অনুতৃপ্ত তোমার, বলতে পারো না তুমি আমাকে
বেলকনিতে এসে কেন বা তুমি থাক দাড়িয়ে
দৃষ্টি গোঁচর চোখে, ওহে! মায়াবিনী।
হিমেল পরশে চুল যেন ভাসে তোমার
দক্ষিণা হাওয়ার মৃদু বাতাসে
দু’চারটি অশ্রু জ্বলে কাঁদছো কেন তুমি ?
কাল্পনিক মোনাসিলার মত
রেখেছি তোমায় আমি হৃদয়ের বন্ধনে!!
ইশটপ!!!!! ইপ ইউ ডিড নট উয়াচ ইশপিড - দ্যা গতি
সিনেমার নাম "ইশপিড", কিয়ানু রিভস আর সান্ড্রা বুলকের স্পিড থেকে মারিং না, একেবারে খাঁটি দেশি পণ্য।
সোয়া চারটার শো দেখার জন্য আমরা পৌনে চারটায় মধ্যে বসুন্ধরা সিনেপ্লেক্সে হাজির। কিন্তু টিকিট নাই। টিকিটের জন্য ডজন ডজন মানুষ হাহাকার করছে, চারিদিকে বাতাস সেই হাহাকারে ভারী হয়ে গেছে। কাউন্টার থেকে জানালো হলিউডের যে সিনেমাগুলো বাকি পেক্ষাগৃহে চলছে সেগুলোর টিকিট আছে। মনে মনে বললাম - আরে বেটা বুরবক, জলিল এর কাছে জুলিয়া রবার্টস এর বেল আছে রে !! কোথাকার কোন "মিরর মিরর" কোথাকার কোন 'দ্যা হাঙ্গার গেম'! ইশপিড এর কাছে বেল আছে এগুলার!! জলিল ভাই জিন্দাবাদ।
সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিলাম পরবর্তি শো টা দেখবো, যা আছে কপালে। কিন্তু পরবর্তি শো পৌনে তিন ঘন্টা পরে। তাতে কি ! জলিলের ইশপিড দেখতেই হবে।
আজ আমার মনটা ভীষন ভালো
মুসা ইব্রাহীম। আমাদের বন্ধু। সেই অনেক কাল আগে থেকে ওকে চিনি। যখন মুসা ছাত্র ছিলো। সে সময় থেকে প্রথম আলোতে লেখালেখি করতো। আরেকটি মেয়েকেও চিনি। রিমি যার নাম। ওর সার্টিফিকেট নামটা খুব বিটকেলে টাইপের। উম্মে সরাবন তহুরা। এই নিয়ে আমরা ওকে ক্ষেপাতাম। ডাকনাম রিমি। রিমিও একদিন লেখালেখি শুরু করলো প্রথম আলোতে। তারপর বুড়িগঙ্গার আশে পাশে কত দখল হলো। মুসা আর রিমির প্রেম হলো। একদিন ওদের বিয়েও হলো। ঠাকুরগাঁয়ের মুসাদের বাড়িতে আমরা দল বেঁধে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেই মুসা একদিন খুব বিখ্যাত হয়ে গেলো। বাংলাদেশের প্রথম মানুষ হিসাবে এভারেস্ট জয় করলো। সেটা ২০১০ সালের ২৩ মে।
খেরো খাতা
শ্বশুর রাতে ঘরে ঢুকেছিল, কোন রকমে ঘর থেকে ছুটে বের হয়ে গেছে সোহাগী। সারা রাত বাড়ির পিছনে বাঁশঝাড়ে বসে ছিল। সেই অপরাধে সকালে শ্বশুর, দেবর, শ্বাশুরী, ননদেরা মিলে পিটিয়ে দুঃশ্চরিত্র অপবাদ দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। দুঃশ্চরিত্র মেয়ের ঠাঁই আর কোথাও হয় না এ কথা কে না জানে। বড় আদর করে দিনমজুর বাবা মেয়ের নাম রেখেছিল সোহাগী। না সোহাগীর জীবন কাহিনি বা হনুফা ,মরিয়্, গেদী, কইনুর, আন্নি, আঙ্গু, খাদিজা, সেতারা, লতিফা এদের নিয়ে লিখে পাতা ভরার ইচ্ছে আমার কখনই হয়নি এখনও নেই।
কিছুদিন কিছুরাত
আমি যাবো না, কোথাও না
সম্মুখে অজস্র অচেনা পথ
তবু আমি যাবো না।
আমি অনেক গিয়েছি
তারপর ফের নিজের কাছে ফেরা।
নদী ডাকুক, ডাকুক একলা বিকেল বা হলুদ গাছটি
আমি যাবো না।
কেনো যাবো আমি?
আমি এখানে, এইখানে থেকে যাবো
এই পোয়াতি রাত্রির বুকে
লিখি শূন্যতা, লিখে যাবো শূন্যতা।
কিছুদিন কিছুরাত আমি কি চাইতে পারিনা
আমার মতো করে?
তবে কেনো ডাকো, কেনো তবে এমন সুর
আমাকে অসুস্থ করে রাখে?
বন্যার দূর্দিনে বা জ্যোছনার উদাসীনতায়
কেউ তো আশ্চর্য করে দেয় নি আমায়
খোলে বসে না তত্ত্বকথা।
আমি তো কোথাও দেখি না মুখরতা
দেখি শুধু ডুবে যায় চাঁদ।
কেনো যাবো তবে...
তালাক
জাহান্নামে যাও তোমরা যত রাজনীতিবাজ,
তোমাদের দিলাম তালাক তালাক তালাক ।
দূর হও থাকে যদি কণা মাত্র লাজ,
দেশ-জনতা-গণতন্ত্র এবার মুক্তি পাক ।
হাজার বছর মানুষের রক্ত চুষেছ,
যা কিছু মহৎ সকলই নেশেছ ।
বিনিময়ে হনন, ধর্ষণ, সন্ত্রাস দিয়েছ,
এ দেশের জলবায়ু বিষে বিষায়েছ ।
তোমাদের অশুভ ইংগিতে আজ,
ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে তরুণ সমাজ ।
কলম কেড়ে নিয়ে নিয়ে দিয়েছ বন্দুক,
থুক ! তোমাদের মুখে দিই শতবার থুক ।
সাহিত্যিক, সাংবাদিক যত বুদ্ধিবাজ,
বাংলার মানুষের ঘৃ্না লহ আজ ।
তল্পিবহন, পদলেহন অনেক করেছ,
মহৎ সকল পেশায় কলংক লেপেছ ।
শিক্ষক-ছাত্র, যত আমলা পুলিশ,
এঁকেছ জাতির ভালে কলংকের টিপ ।
ধর্ষণে-মর্ষণে চিতায়েছ বুক,
তোমাদের শিরে খোদার কহর নামুক ।
তালা্ক তালা্ক, তোমাদের দিলাম তালাক,
এ দেশ-জনতা-গণতন্ত্র এবার মুক্তি পাক ।
অপেক্ষা
..............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
আধখোলা জানালার পাল্লা
জানালার এধারে-ওধারে
জড়ানো কিছু মাকড়সার জাল
ঘরময় অন্ধকারের পায়চারী ।
হঠাৎ কোথুকে এলো যেনো
উপমা”
“উপমা”
উপমা, করো তুমি ক্ষমা..
মনে রেখো না পিুটানে কোনো দোষ.
ক্ষমা করো তুমি আমায়
স্মৃতির কপাটের অন্তরালে
দৃষ্টিহীন চোখে পড়েনি কোনো বিশারতা,
আবেগ বেগে বহমান অশ্রু ধারা
অশারতায় তুমি কেদেঁছিলে খানিকক্ষণ,
বুঝতে পারোনি সে কে..?
অন্তরালের ছায়াতটে
যা ছিল তা শুধু্ কি “উপমা”।
প্লিজ ঘুম হয়ে যাও চোখে, আমার মন খারাপের রাতে..
আজ আমার মন ভাল নেই..।
কারন আর কিছুই না। আজ আমার একটা বন্ধুর খুব মন খারাপ, একটু বেশিই খারাপ।
ক'দিন হল এফবি থেকে একটু ছুটি নিয়েছি,
আর নয়তো এখন আমার স্ট্যাটাস জুড়ে থাকতো সানী জুবায়ের।
আজ আমার মন ভালো নেই
বসছে না মন কিছুতেই
খোলা জানালায় দাঁড়িয়ে
সুদূর আকাশ থেকে কিছু রঙ এনে দাও না
আজ আমার মন ভালো নেই
ভালো নেই ভালো নেইনদী মরে যায় শুকোলেই
এমন তো কোনো কথা নেই
আবার শ্রাবণ এসে ভরে দিয়ে যায়
তৃষিত নদীর বুক
তেমন শ্রাবণ হয়ে তুমি আজ ভরে যাও না
আজ আমার মন ভালো নেইআলো নেভে দিন ফুরোলেই
এমন তো কোনো কথা নেই
জোনাকি প্রদীপ হয়ে জ্বেলে দিয়ে যায়
তিমির রাতের মুখ
তেমন প্রদীপ হয়ে তুমি আজ জ্বলে যাও না
আজ আমার মন ভালো নেই
ভালো নেই ভালো নেই
কাছের বা দুরের প্রিয় কোন মানুষের মন খারাপ জানতে পারলে,
[৪] শিরোনামহীন
একটুকরো অন্ধকারের অপেক্ষায় কেটে যায় হাজার দুপুর
দু'হাতের রেখায় জমা হতে থাকে শৈত্যপ্রবাহের ছাপ
মুখের বলিরেখায় অবিরাম কথা বলে ওঠে লু'হাওয়ারা।
সময় পার হয়ে গেলে,
ওড়ার অপেক্ষায় থাকা জোড়া শালিক;
চলে যায় নিজ নিজ পথে।
বিদায়?
বুঝে নেই পড়ে থাকা পালকের গানে,
ভেসে যাওয়া মেঘেদের রঙে।