ইউজার লগইন
ব্লগ
অনিমেষ রহমানের নাগরিক গল্পঃ ১৩-থমকে যাওয়া শহর
ঝির ঝিরে বৃষ্টির মাঝে বেরিয়ে পড়ে অরুপ। ছাতা হাতে নিয়ে বের হওয়ার মতো বিরক্তিকর কাজ আর দুনিয়াতে দ্বিতীয়টা নেই। মানুষের হাত থাকবে খালি। সে হাত উড়বে বাতাসের সাথে। হাত স্বাধীন তো দুনিয়া স্বাধীন! আর আজকে পরাধীন হাত নিয়ে বের হলো অরুপ। মোড়ের টং দোকানে হালকা বৃষ্টির মাঝে দাঁড়িয়ে দিনের প্রথম চা। না ছাতা মেলতেই হলো। বৃষ্টি আরো ঘন হয়ে নামছে। কিন্তু আজব ব্যাপার হলো সুর্যের আলো আছে। ছেলেবেলার কথা মনে পড়ে গেলো অরুপের। এমন রোদ বৃষ্টির খেলা শুরু হলেই চিতকারঃ রোদ হচ্ছে বৃষ্টি হচ্ছে খেঁকশিয়ালের বিয়ে হচ্ছে। খেঁকশিয়ালের বিয়ের মাঝেই অরুপ নেমে পড়লো রাস্তায়।আজকে অফিস নেই কিন্তু অনেক কাজ। সেলফোন নড়ে চড়ে উঠলোঃ
-মামা আমি মতিঝিলে; তুমি থেকো কলেজের কাছেই।
-কিসে আসতেছিস? বাস না সি এন জি?
-না মামা বাস! অনেক আওয়াজে হারিয়ে যায় অন্তুর শব্দ।
মানুষ চেনায় আনন্দ!
কেমন আছি?
ফেইসবুক স্টেটাসমালা,,,
এক.
হাত বাড়িয়ে তোমার নাকের উপর জমে থাকা স্বেদবিন্দু মুছে দিতে পারি; পারি অগোছালো চুলের এলোমেলোপনায় ছুটে আসা ভ্রমরটাকে দূরে সরাতে, আমার প্রয়োজন দু্টো মন্ত্র আর একটা ফু। ভুল করে পথ ভুলে যদি মাছিরাও ঘিরে ফেলে কখনো তোমাকে, একটা হুংকার ছড়িয়ে দেবো দিকদিগন্তে। আর পিপীলিকা গা বেয়ে উঠতে চাইলে ছড়াটা শোনাবো তাদের কানের কাছাকাছি। এতোটাই যেনো কাছে সরে গেছি...
তবে দূরত্বের মাপকাঠি যদি ফুটকাঠিতেই হতো, এ মুহুর্তে আমি টেবিল চেয়ার ক্লীবলিঙ্গ ভালোবেসে একলা বসে আছি নিথর অফিসে; বলে দেয়া যেতো নিঃসংশয়ে...
দুই.
জাদুবলে নিজেকে পাল্টাতে হলে, সবচেয়ে ভালো সময় আঁধার
কেউ দেখবে না কোত্থেকে বেরিয়ে এসেছে কোলা ব্যাঙ; কালো কুকুরের
উত্থান কোথায় হলো আচমকা, কেবল গলিপথে রোজ লেজ উচিয়ে অপেক্ষারত
স্থানীয় নেড়ি কুকুরটা খানিক্ষণ জায়গার দখল গেলো বুঝি বলে চেচামেচি
করতে করতে থেমে যাবে একসময়। অন্ধকারে কোলাব্যাঙ আর কালো
কুকুরের নৈশব্দে তোমার রেখাপাত ভুলে যাও, নিম্ন বর্গের পুরুষ
চাহনীর মোহ মদিরতা ছাড়াও আঙুল ছুঁয়ে জাগিয়ে তুলেছে নারী;
আমি এখন ঝলকে বাতাসের সাথে উড়ে যাবো তোমার বাড়িতে
বেঁচে আছি শুধু সে চাহনির জন্য
অনেকটা অভ্যস্ত হয়ে গেছি।কনক বেশ কয়েকদিন হল অফিসে আসছে না । আসবে কি করে? কনকের বাবা’র অসুখ , সেই কারণে কনক’কে বেশ খাটতে হচ্ছে।কনকের মিষ্টিমাখা মুখ বেশ কয়েকদিন হল দেখতে পারছি না । সকালে বাসায় নাস্তা বন্ধ করে দিয়েছি। পাউরুটি আর জেলিতে কয়দিন চলে।মা বলে এবার বউ নিয়ে আয়। সকাল সকাল বউয়ের হাতের বানানো নাস্তা খেয়ে অফিসে যাবি!
মা তো জানেনা , এখন কি আর আগের দিন আছে । মেয়েরা শুধু কিচেনে বসে বসে সকলের খাবার বানাবে? আমি নিজে ও জানিনা আমার কপালে কি আছে?সেদিন কনক’কে বিয়ের কথা বলাতে যে অগ্নি দৃষ্টিতে তাকিয়েছিল,ওরে বাবা!আজকালের মেয়ে গুল যেন কেমন?বিয়ের আগেই বলতে শুরু করবে আমার আলাদা ঘর চাই।বাবা মায়ের সাথে থাকা চলবে না । রান্নার জন্য কাজের মেয়ে লাগবে।এছাড়া আছে দামী দামী ফার্নিচারের বায়না।
অনিমেষ রহমানের বেহেস্তী বয়ানঃ ০৩-তঘমায়ে ছাগ জেনারেল আমীর আব্দুল্লাহ খাঁন নিয়াজী
ফাকিস্তান নিয়ে বহুত ঝামেলায় থাকি। যেদেশে ক্রিকেটার থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত সবাই দুর্নীতিতে যুক্ত!সেখানে আবার বিচার বিভাগ দুই একদিন পর-পর রায় দিতাছেন। অমুক এরেষ্ট করো আবার অমুককে বাতিল করো। ছাগরাজ্যে উজিরে আজম একবার হলো ইউসুফ রাজা গিলানী তারপর বিচার বিভাগের কোপে তার কল্লা যাওনের পরে আসলেন মাখদুম শাহাবুদ্দিন। তিনিও ওয়ান্টেড হয়ে গেলে আসলেন স্বয়ং রাজা যার নাম হইলো ‘রাজা আশরাফ’। তিনি আবার পার্লামেন্টে আস্থা ভোটেও জিতে এসেছেন। ছাগ রাজ্য সুখে থাকুক। দুনিয়াবি ছাগ রাজ্য নিয়ে আমার তেমুন মাথাব্যাথা নাইক্কা। এইডা হইলো আখেরাতি সিরিজ। তবু দুনিয়াতে হালকা টাচ দিয়া গেলাম।ভালুকুথা যে আদালত আজকের ফাকিস্তান চালাইতাছে তাদের পারফর্মেন্স কেমুন? একটু উইকি থেইক্কা ঘুইরা আসিঃ
আজি ঝরোঝরো মুখর বাদরদিনে
০১
বৈষ্ণব কবিতা ঝরছে
ঝরছে গীতগোবিন্দের শ্লোক,
ঝরছে মিঞা তানসেন
মেঘমল্লারের ভিজে চোখ।
ঝরছে রবীন্দ্রনাথ
— পূর্ণেন্দু পত্রী
সকাল থেকে ঝরো ঝরো করে অঝরে বৃষ্টি পড়ছে তো পড়ছেই। থামার কোনো লক্ষণ নেই। শহুরে মানুষদের ব্যস্ততায় ছুটে চলার গতি কিছুটা হলেও মন্থর করে দেয় এ বৃষ্টি।
বাইরে তেমন কাজও নেই আজ। তাই বৃষ্টিটাকে খুব উপভোগ করছি। ইদানীং কেনো জানি নাগরিক জীবনের গতি স্লথ করে দেওয়া সব অনাসৃষ্টিকে উপভোগ করা শুরুও করেছি; এমনকি মহাবিরক্তিকর যানজটকেও।
বালিশের কাছ থেকে গীতবিতানটি নিয়ে পড়তে শুরু করলাম। ইদানীংকালে আমার বালিশের পাশটা হয়ে গেছে ‘গীতবিতান’টার স্থায়ী ঠিকানা। বইটাকে এত বেশি ভালোবেসে ফেলেছি যে তাকে “বুক শেলফ” নামক দূরের ঠিকানায় রাখলে মনে কেমন জানি একটা শূন্যতা এসে ভর করে – যেন প্রিয় কোনো মানুষকে অনেক দূরের কোনো জায়গায় ফেলে এসেছি। গীতবিতানের একাকীত্ব দূর করার জন্য মাঝে মাঝে অন্য বইও বালিশের পাশে ঠাঁই নেই। তবে তারা কয়েকদিনের অতিথি – কয়েকদিন পর পরই তারা আবার “বুক শেলফ” এ ফিরে যায়, তাদের বদলে অন্য কোন বই এসে জায়গাটা দখল করে।
০২
বলেছিলে, কেমন আছো ?
(১)
তোমাকে বলিনি কখনো, কোনদিন !
লুকোচুরিতে আমার ভীষন ভয়,
এমনি এক কানামাছি খেলার ফাঁকে
হারিয়েছি আমার শখের সোনালী ট্রয়।
(২)
আমার সব হল।
ঘর হল,
হিজলের সাথে একাকিত্ত্ব ভাগাভাগি এবং
ছোট্ট সুন্দর সুখের বাসরও হল।
শুধু তুমিই,
আমার বুকে আছড়ে পড়লে না।
(৩)
ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন চারদিক,
অস্থির দৃষ্টি এবং ক্লান্ত স্মৃতি আঁকড়ে গুটিসুটি,
বেশ যাচ্ছিল দিন।
সেসময়, প্রায় ভুলেই তুমি এসেছিলে,
নিঃশব্দে দাঁড়িয়েছিলে,
বলেছিলে, কেমন আছো ?
আমার দুচোখে তখন ভরা বর্ষা ।
একটি গান - সাধারণ তবুও অনন্য
১৬ নভেম্বর, ২০১১ - মুক্তি পেল একটি গান - গান বলা ঠিক হবে না - অদ্ভুতুড়ে কিছু শব্দের অবিন্যস্ত মিশ্রণ - ৩০ নভেম্বর, ২০১১ - ইউ টিউবের হিট কাউন্টার বলছে - গানটির শ্রোতা সংখ্যা ওই তারিখে এক কোটির বেশি - অনুরূপ তথ্য দিচ্ছে ফেসবুক আর টুইটার এর মত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের ওয়েব সাইট - এটা শুধু ওই তারিখের উপাত্ত - এরপর ইন্টারনেটের হিট কাউন্টারগুলো যেন পাগল হয়ে উঠলো - সমালোচকরা নড়েচড়ে বসলেন - জাভেদ আখতারের মত জনপ্রিয় ভারতীয় গীতিকার মন্তব্য করলেন - 'এটা গান নয়, সুস্থধারার প্রতি একটি আঘাত' - অতি আগ্রহী কেউ একজন গানটির বিরুদ্ধে ভারতের কেরালা হাই কোর্টে একটি পিটিশন দাখিল করে দিলেন - কিন্তু কিছুতেই কিছু হলনা - গানটির শ্রোতাপ্রিয়তা মহামারী আকারে দিনদিন বেড়েই চলল - আসুন একটু ফিরে দেখি - কি ছিল সেই গানটি ?
Yo Boys I Am Sing Song…
Soup Song..
Flop Song..
Why This Kolaveri Kolaveri Kolaveri Di
Why This Kolaveri Kolaveri Kolaveri Di
Rythm Correct
Why This Kolaveri Kolaveri Kolaveri Di
Maintain Please
Why This Kolaveri …………………………Aaa Di
Distance-La Moonu Moonu. Moonu Colour Whiteu.
নো এ্যাডভেঞ্চার
বিশতলার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে
কোনো এক চলন্ত বাসে নিরাপদে ল্যান্ড করে
পদ্মানদীর পাড়ে যেতে চাই
যদি বাসটা ওদিকে না যায় তবে ড্রাইভারকে গুলি মেরে
জানালা দিয়ে ফেলে নিজেই চালিয়ে যাবো পদ্মায়
আর যদি পিস্তলই না থাকে, প্রথমে এক পুলিশকে করবো ছিনতাই
আর বাসের যাত্রীরা না যেতে চাইলে ছেড়ে দেবো বিনাশর্তে
একমাত্র তুমি যদি যেতে চাও তবে এসব এ্যাডভেঞ্চারের প্রয়োজন নেই
অতঃপর.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
কোন এক প্রখর রৌদ্র দিনের শেষে,
অথবা অলস বর্ষা বিকেলের মরা রোদ্দুর ছুঁয়ে।
সময়ে,
কিংবা নিরন্তর ধেয়ে আসা অসময়ে।
ভোরের প্রথম আলোয় রুপালী রোদের হাওয়ায়,
অথবা কনে দেখা গোধূলি আলোর মায়ায়।
নীলাকাশ জুড়ে মেঘ হয়ে,
নয়তো ঘাসফুলের বুকে হঠাত্ শীতল শিহরনে।
দুরে তবুও কাছে,
কিংবা;
কাছে আবার অনেক দুরে।
পথ যেখানে শেষ,
অথবা কেবলি মাত্র শুরু।
বন্ধ দরোজার ওপারে,
পথ নেই।
আকাশজুড়ে,
নির্ঘুম নিরবতা।
বদ্ধ বাতাসে,
কড়াল গ্রাস করে আসে;
বিষাদলোকের জোছনা।
বুকপকেটে,
জমা পড়ে থাকে;
ভালবাসা।
টিপবোতামের চাপে বন্দি,
নিশ্চুপ কথকতা।
নিঝুম অন্ধকারে;
ক্রমশ -
মলিন হয়ে আসে,
স্মৃতির রাজ্যপাট।
এক টুকরো হাসিমুখ,
দুটি আঁখিতারা।
ভাবনায় সমাজ বাস্তবতা।
আমি ভেবে অবাক হই। কয়েক দশক বছর সংসার করার পরেও কি করে সংসার ভেঙ্গে যায়? দুজন মানুষ একসাথে এতদিন থাকার পরেও কি দুজনের দুজনকে বুঝতে সমস্যা হওয়ার কথা? এই যদি বাস্তবতা হয় তবে লুকিয়ে যার সাথে প্রেম করছি , তাকে নানা ভাবে বোঝার চেষ্টা করছি এই বিশ্বাসের নিশ্চয়তা কোথায়?
ভাবনাটা এসছে দাঙ্গার কথা ভেবে। আরাকান রাজ্যের রোহিঙ্গারা কখনোই হয়তো সম্প্রীতির ভেতর ছিলনা। কিন্তু ১৯৪৬ সালে কলকাতায় এবং আমাদের দেশে যে দাঙ্গা দেখা দেয় তার কারণটা কি? হাজার বছর ধরে হিন্দু মুসলমান বাঙ্গালীরা এক সাথে বসবাস করে আসছে। এক মাঠে খেলে শিশু বড় হয়েছে। এক পাঠশালায় বিদ্যা শিখেছে। বন্ধু হয়েছে, বন্ধু করেছে। সেই সেই মানুষরা কি করে এমন দাঙ্গায় লিপ্ত হয়?
কোথায় গেলেন আমাদের মেধাবী নির্মাতারা - বিরল অভিনয় প্রতিভারা ?
প্রায় এক যুগ বা তারও আগে বিটিভিতে এক পর্বের একটি নাটক প্রচারিত হয়েছিল - স্মৃতি যদি প্রতারণা না করে তবে বলতে পারি - নাম ভূমিকায় ছিলেন মমতাজউদ্দিন আহমেদ নামের দুর্ধর্ষ একজন অভিনেতা - সাথে ছিলেন আরেকজন দিকপাল - আফজাল হোসেন - নাটকের নাম কিছুতেই মনে করতে পারি না - কাহিনীচিত্র কিন্তু দিব্যি মনে আছে - আফজাল একজন জননন্দিত শহুরে লেখক - বিপত্নীক - শিশুকন্যাকে নিয়ে ব্যস্ত দিন কাটে তার - এর মাঝেই গ্রাম থেকে অনাহুত এক আগন্তক (মমতাজউদ্দিন) এসে হাজির হন তার দরজায় - তিনিও একজন লেখক - পার্থক্য এটাই যে তিনি অখ্যাত - শহুরে লেখকের কাছে এসেছেন একটি দাবি নিয়ে - তার স্বরচিত পান্ডুলিপিখানা প্রকাশ করে দিতে হবে - আফজাল তাকে নানাভাবে নিরস্ত করতে চান - বোঝাতে চেষ্টা করেন যে একটি বই প্রকাশ করা কত কঠিন - আর গ্রাম্য এক লেখকের অখাদ্য পান্ডুলিপির কোনো গ্রহণযোগ্যতা শহুরে প্রকাশক বা পাঠক কারো কাছেই নেই - কিন্তু অখ্যাত ওই লেখক নিতান্তই সরল - আফজালের যুক্তিগর্ভ ব্যাখ্যা বোঝার মত বুদ্ধির প্রখরতা তার নেই - আফজালের বাসাতেই তিনি ডেরা গাড়েন - আফজাল তনয়ার সাথে গড়ে উঠে তার মমতার সখ্য - সময় যেতে থাকে - তিনি আশায় আশায় দিন গোনেন -
জীবনযাপন
মাঝে মাঝে বাসায় ফিরতে ইচ্ছা করে না, কোনো কারণ ছাড়াই মনটা উদাস হয়ে থাকে, বিশেষ করে একটু রাতে যখন রাস্তায় একা, বিস্তর জ্যাম ঠেলে,বিভিন্ন মানুষের ধাক্কা খেয়ে বাসায় ফিরতে হয়, মনে হয় কি প্রয়োজন এই হুজ্জতি করে বাসা ফেরার, এরচেয়ে বরং কোনো অজানা বাসে চড়ে কোথাও চলে যাই,একটু নির্জন একটু কম ঝঞ্ঝাট যেখানে- কয়েকটা দিন কোলাহলবিহীন কাটিয়ে আসতে পারলে মন্দ হয় না।
বাসা যাওয়ার সিএনজি খুঁজছি, হাতে সিগারেট, বাসটা দেখেই সিগারেট ছুড়ে হুট করেই চলন্ত বাসের হাতল ধরে ঝুলে পরলাম, পাদানিতে একপা আর হাতলে এক হাত, বাকী শরীরটা শূণ্যে ভাসছে, বাসের ড্রাইভার কড়া চোখে তাকিয়ে আছে,কন্ডাকটরও দাঁড়িয়ে আছে, নিজেকে সামলে দুটো পা'ই পাদানিতে রেখে সোজা হয়ে দাঁড়াতে না দাঁড়াতেই ড্রাইভার বললো কই যাইবেন আপনে?
আমি বাসের পাশে লেখা গন্তব্যের নাম দেখে বললাম ধানমন্ডি-
এইটা ধানমন্ডি যাইবো না, যাইবো রায়েরবাগ, না জিগায়া এমন উঠলেন ক্যান?
বড় দেরিতে বুঝতে পারা কাগজের নৌকো
ঘরের চালে কত ফুটো ছিল আমাদের, বর্ষাকে আমরা অনুভব করেছি জীবনযাপনের মধ্য দিয়ে। সাহিত্যের বর্ষা নয়, আমাদের ঐশ্বর্যময় করেছে জীবনযাপনের বর্ষা। বিকেল থেকেই টিপটিপ বৃষ্টি, তারপর কত রাত যে মুষলধারে নামা বৃষ্টির শব্দে ঘুম ভেঙে গেছে আমাদের!
যত তাড়াতারি সম্ভব আজই রক্ত দিয়ে আসুন
মেয়েটির নাম ইস্মাত আরা। আজই তার রক্ত লাগবে A+ । রক্ত দেওয়ার ঠিকানা বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট ব্লাড ব্যাংক, ৭/৫ আউরঙ্গজেব রোড, মোহম্মদপুর ডাকা। মেয়েটি কিছুটা ভালো বোধ করায় রাজশাহীতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। গতকাল অবস্থা খারাপ হয়ে যাওয়ায় কোমো দেওয়া হয়েছে। রাজশাহীতে শ্বেত কণিকা আলাদা করার পদ্ধতি সহজলভ্য না বলে আপনাদের এই ঠিকানায় রক্ত দিতে অনুরোধ করছি। আজ রাতেই রক্তটা তার কাছে পৌছাতে হবে।