ইউজার লগইন
ব্লগ
গল্প: পেশাজীবী মীমের ঝিক ঝিক টাইপের আত্মকাহিনী (২)
মেয়েটির গলার স্বরে এক ধরনের আহ্বান আছে। সেই আহ্বানে আপনার শরীরের ভেতর থেকে আত্মাটা বের হয়ে চলে যাবে, আপনি নিথর শরীর নিয়ে পড়ে থাকবেন; কিন্তু টের পাবেন না। এহেন সিচুয়েশনে পেটে যদি মালপানি পড়ে তাহলে কি হবে, সেটা ভেবে আমি আতংকিত হয়ে পড়লাম। ছাপোষা চাকরীটা আমার মাসাকাবারি খরচ, সিগারেটের টাকা, বন্ধুদের সঙ্গে মৌজ-ফূর্তি আর অন্যান্য জরুরি পার্সনাল কাজগুলোর একমাত্র অবলম্বন। বস্ ব্যটা এসে যদি দেখে তার ডার্লিংয়ের সঙ্গে আমি শাদা ওয়াইন হাতে ঢলাঢলি করছি, তাহলে আমার সম্বল কেড়ে নেয়ার যে সামান্য অধিকারটুকু সে রাখে; সেটা খাটাতে নির্ঘাৎ বিপুল বিক্রমে ঝাপিয়ে পড়বে।
ওদিকে মীমের বকরবকর চলছেই।
নরকত যাই খা !
অউ হাছিনা, অউ খালেদা, তোরা অ-বইন যা,
কারে মারি ক’নে খাবি ? নরকত যাই খা ।
তোরার জ্বালায় দেশর মানুষ থাইত নপারের,
কইত নপারের, সইত পারের ধাইতঅ নপারের ।
হিতিরে দিলে (ভোট) তুই মারছ, তোরে দিলে হিতি,
দেশর মানুষ ক্যান গড়িবো, হইব কন গতি !
এই স্বাধীনর কি দাম অবইন ইক্কিনি ভাবি চা—
কারে মারি কনে খাবি ? দোজকত যাই খা ।
ছাব্বিশ বছর ধরি তোরা ক’বার ভোট নিলি ?
বিনিময়ে দেশের মাইনসেরে কি যন্ত্রণাটা দিলি ?
বাপ মারিলি, ভাই মারিলি, বইনর নিলি গা,
আর কি বাকি খাইবার আছে রৌ্রবত যাই খা !
২০টা ফেইসবুক স্টেটাস...
১.
নেমে এলো তবে ঝড়
উড়ে গেলো শহরের আঁধার আচল
উন্মুক্ত মাতাল শহরে ধুলো ওড়ে
উড়ে যায় ঘামে জবজব যুবকের
পোষা কাঁদাখোচা...বিনে পয়সার পাখি।
২.
জলে ভেসে তবে এসেছি নগরে
সম্বিত ফেরার পর ছবি দেখে চিনে নেয়া যাবে
এই ভেবে মুখ গুজে রেখেছি আঁধারে
কখন ধাতস্থ হবো নাগরিক চালাকিতে
কখন শিখে নেবো শহুরে বাবুয়ানা
সব বলে পথ নির্দেশনা দেবে বিদেশী ইন্সট্রাক্টর।
ওরা নাকি আমাদের চেয়ে পথ ঘাট ভালো চিনে
আর তাই সম্বিত বিষয়ে যেসব ধারণা ছিলো
ভুলে গেছি... মাটিতে বিছানো অন্ধকারে চোখ রেখে
ভাবি, পীচ ঢালা পথ আর পাথরে বিশ্বাস রাখতে জানলে
আমিও নগর বাউলের সাজে, নিয়নের তীর দেখে
পৌছে যেতে পারতাম লক্ষ্যের কাছাকাছি...
৩.
রুপালী জ্যোছনা বিভ্রান্তি ছড়ায়, অযত্নের অসমান পথ
আমাদের পাতি রসায়নে যেনো মসৃণতা হয়ে ধরা দেয়
হোচট খেয়েছি যতোবার, ততোবার বিলা খাই পথে,
কখনো বা চাঁদের উপর...শহুরে হুংকারে শাপশাপান্ত করেছি
তাহাদের, নিজেদের চোখ অথবা মনন নিরাপদ হেফাজতে রেখে।
৪.
অপেক্ষার সময়টাতে অনেক গাছপালা মেলে দেই,
কল্পনার সীমানা পেরিয়ে ঢুকে যাই অনধিকারে,
তাই বলে ভেবে বসো না যে সেসব আমার
বিশ্বাস কোথায় - কারো দিকেই কী পিঠ দেয়া যাবে না ?
বিশ্বাসের জায়গাটা বড় স্পর্শকাতর - ঐখানে ধাক্কা (আদতে ছোঁয়া ) লাগলে সব কিছুই যেন কেমন হয়ে যায় - নয় মাসের যাত্রা - মমতার একটা আশ্রয়স্থল ভ্রুণ কে জানিয়ে দেয় - তুমি নিরাপদ - ভ্রুণ তা বিশ্বাস করে - গল্পের শুরু ওখানেই - বিশ্বাসের একমাত্র সফল অক্ষুন্ন অবস্থান ও বোধকরি ওখানেই - তারপর থেকেই শুধু অতিশায়ন - প্রিয় স্কুল টিচারের ব্যক্তিত্ব আর আদর্শ আপনাকে তুলে দেবে বিশ্বাসের অতুল উচ্চতায় - তারপর যেদিন বাত্যয় দ...েখবেন - চোখে জল বাঁধ মানবে না - প্রিয়তম বন্ধুর প্রতিশ্রুতি - তোর জন্য জীবন দেব দোস্ত - তারপর একদিন - এ কী - বন্ধুর হাতে সুচাগ্র ছুরি তোমার রক্তপানে ব্যাকুল - কাকে যেন ভালোবাসলেন - ভাবলেন - জীবন অমৃত - তারপর দেখবেন- সবই বাণিজ্য - প্রতিশ্রুত সঙ্গিনী দক্ষতায় পেশাদার আততায়ীর চেয়ে কম নয়- রক্ত সম্পর্কের আত্মীয় - তবু দলিলের কালো হরফ সেই রক্তের উপর জয়ী - মালিক - বিশ্বাস কোথায় - কারো দিকেই কী পিঠ দেয়া যাবে না ?
আমাদের হতাশ করবেন না
বেশ কিছুদিন যাবত একটা ব্যাপার খুব মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে, কিছুতেই বের করতে পারছিনা আর তা হলো, এই যে গত নির্বাচনে নতুন প্রজন্ম এভাবে রায় দিয়ে আওয়ামীলীগকে ক্ষমতায় বসালো একটি যুগপোযোগী নির্বাচনী ইশতিহারের পুরষ্কার স্বরূপ, সেই আওয়ামীলীগ সরকার এই নতুন প্রজন্মকে শেষ পর্যন্ত হতাশ করবে না তো?
১
গত নির্বাচনে আমি দেশেই ছিলাম। নির্বাচনের পরপরই দেশ ছেড়েছি। ১/১১ এর পরপর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়টুকুতে বেশ শান্তিতে ছিল সাধারণ জনগন। এখানে সাধারণ জনগন বলতে বুঝিয়েছি আমাদের মত মধ্যবিত্তশ্রেণীর কথা। উচ্চবিত্ত শ্রেণীর মানুষ বেশীরভাগ সময় শান্তিতেই থাকেন। কোন সরকারী অফিসে ঘুষ লাগতো না, থানায় যেয়ে কোন ব্যাপারে অভিযোগ করলে চমৎকার ব্যবহার পাওয়া যেত। তবে সেক্ষেত্রেও একটা ব্যাপার ছিল, যাদের কোন নিকট আত্মীয় অথবা পরিবারের কেউ সেনাবাহিনীতে ছিল তাদের জন্য ছিল সেটা স্বর্ণযুগ। যাই হোক আজ সেই কথা বলবো না।
তিনখানা দুষ্টু সিনেমা
তিনটা দুষ্ট টাইপ সিনেমা। এই পোস্ট উৎসর্গ রায়হান ভাইকে। দুষ্ট কিছু না লিখলে আবার রায়হান ভাই ব্লগে আসে না, পোস্ট দেয় না, মন্তব্যও করে না। আর এই সমস্ত দুষ্ট লুকজন না আসলে ব্লগিং করে মাইনষে?
তিনটি ছবিই যথেষ্ট নাম করা। এর মধ্যে দুটি ফ্রেঞ্চ, আর একটি বাংলা। এর মধ্যে অবশ্যই একটি ক্লাসিক মর্যাদা পাওয়ার মতো সিনেমা, পেয়েছেও।
১. বেলে ডি জুর: লু্ই বুনুয়েল বিশ্ব চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম সেরা নাম। স্পেনে জন্ম নেওয়া বুনুয়েল কাজ করেছেন, স্পেন, ফ্রান্স, আমেরিকা ও মেক্সিকোতে। বুনুয়েল নিয়ে লিখতে বসলে রীতিমত গবেষণা করতে হবে। বিশ্ব চলচ্চিত্রে তার প্রভাব এতোটাই।

অচেনা সময়
..............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
মাঝে মাঝে আমার বড্ড ভয় হয়
এই অস্থির মতি চঞ্ছল লোকটা যদি
হঠাৎ করেই হারিয়ে যায়।
কিংবা হঠাৎ করেই লোকটা যদি
হয়ে যায় দূরের কেউ।
যদি দীর্ঘদিন পর আধ বয়েসী অন্ধকার রাতে
লোকটা যদি আবার
আমার সামনে এসে দাঁড়ায়,
কোনো নির্জন স্টেশনে
কিংবা রেল, বাস , ট্রামে।
তার গায়ের গন্ধ
কিংবা তার মায়াবী হাসিখানি
যদি আমায় মনে করিয়ে দেয়
এই মানুষটা আমার বড্ড চেনা।
যদি গভীর আবেশে
তাকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করে,
কিংবা ভুল করে
তার কপোলে,ওষ্ঠ ও অধরে
চুমু একে দিতে ভীষণ ইচ্ছে করে,
মৃদু বাতাসে উড়তে থাকা
তার রেশম চুলগুলো
সাজিয়ে দিতে গেলে
মানুষটা যদি চিৎকার করে বলে
গল্প: পেশাজীবী মীমের ঝিক ঝিক টাইপের আত্মকাহিনী (১)
আমি মীম। পেশায় ব্যবসায়ী। কিসের ব্যবসা করি বলেন তো? এক অর্থে আদম ব্যবসা। আবার ঠিক আদম ব্যবসাও না। ঝিক ঝিক টাইপের ব্যপার-স্যপার। বুঝতে কষ্ট হচ্ছে তো? রাখেন, একটু সবুর করেন। সব খুলে বলবো। যদি চান সব খুলে দেখাতেও পারি। দেখতে চান? চাইলে আগেই বলে ফেলেন। কারণ আমার কথা শেষ হবার পর আপনার সেটা চাওয়ার ইচ্ছে নাও থাকতে পারে।
মীম নামের যে ঝকঝকে সুন্দরী ২৮ বছরের তরুণীটির সামনে আমি বসে আছি, তার সমস্যা কি ধরতে পারছি না। পাকে-চক্রে এমন বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যায় এই আধপাগলের সামনে বসে সময় নষ্ট করতে হচ্ছে। কি যে দিনকাল পড়লো। এমনকি মালটাকে একটু রগড়ানিও দিতে পারবো না। কারণ এইটা আসলে বসের মাল। আমার ওপর কড়া নির্দেশ আছে। ফিঙ্গারনেইল দিয়েও টাচ করা যাবে না। অথচ আমার হাইজেনিক ফিঙ্গারনেইলের টাচ, বসের গ্যাদগেদে ময়লা ধরে থাকা নখের আঁচড়ের চেয়ে ভালোই হওয়ার কথা। আমি সেসব ভাবনাতেই বেশি করে মনোযোগ দিলাম। আবোল-তাবোল বকতে থাকুক মীম। যেদিক থেকে বেলাশেষে প্রাপ্তির খাতায় কোনো যোগচিহ্ন বসানোর উপায় নেই, আমি সাধারণত সেদিকে বেশি ভ্রুক্ষেপ করি না।
দ্বিতীয় সন্তান জন্মের পর
সময়, পরিস্থিতি খুব দ্রুত বদলায়, আমাদের অনুভুতি অসার হয়ে যায়, বিশেষত আমরা যারা বড় হয়ে গেছি, যাদের নিয়মিত নিজের ধান্দায় ঘুম থেকে উঠে বিভিন্ন পথে অন্য অসংখ্য মানুষের সাথে বিভিন্ন ধরণের লেনদেন করতে হয়, তাদের অনুভুতি ভোঁতা হয়ে যায় সময়ের সাথে।
পথের কোনো দৃশ্যই আকৃষ্ট করে না, পথের কোনো মুখই খেয়াল থাকে না, সকালে ঘরের দরজা খুলে বের হওয়ার পর মাথায় একটাই চিন্তা থাকে, কখন জেলখানায় পৌঁছে নিজের ধান্দাবাজি শুরু হবে- গতরাতে বৃষ্ট হয়েছে, আজ রাস্তায় পানি জমে থাকবে- সাবধানে হাঁটতে হবে- গলিতে পানি জমলে বড় রাস্তায় যেতে বাড়তি রিকশা ভাড়া গুণতে হবে- সকল অনুভুতি একেবারে মানিব্যাগের ভেতরে ঢুকানো। হঠাৎ বাতাসে গন্ধ ভেসে আসলে আর হঠাৎ গাছের পাতা খসে পরলে বুঝি ক্যালেন্ডারের পাতা বদলে গেছে, শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা-শরৎ- কোনো ঋতুই আসলে আলাদা কোনো তাৎপর্য বহন করে না, শুক্রবার সকালের ঘুমের বাইরে কোন বিনোদন নেই- এ জীবন নতুন কিছুকে জায়গা করে দেয় সহজেই, নিজের জায়গাটুকু সংকুচিত হলে একটু ভাঁজ খেয়ে নতুন করে আত্মসমাধিত হয়, এবং নিজের ভেতরেই ডুবে থাকে দিবানিশি।
প্রত্যাবর্তন ও বিবিধ কথা
এলেম শেষে অনেক দিনের পরে । বন্ধুরা সব বন্ধু আছে ,
আমরা ও তো আমরা আছি । আমরা বন্ধু তেমনই আছি ,
যেমন ছিলেম আগে ।
(এক বা দুজন অনলাইনে ,
ডজনখানেক ভুলকি মারে
তারপরে কে ল্যাজ গুটিয়ে
ভোঁ দৌড় দিয়ে ভাগে ।
হায়রে কপাল আমরা আছি
যেমন ছিলেম আগে । ।)
দ্য ফ্লাওয়ার্স অব ওয়ার
আচার, আচরণ ও ভদ্রতায় জাপানীদের সুনাম থাকলেও ইতিহাস তাদের বিপক্ষে। বিশেষ করে জাপানী সৈন্যদের কুখ্যাতি বিশ্বব্যাপী। উদাহরণ খুঁজতে খুব বেশি দূরে যেতে হবে না।
দ্বিতীয় সিনো-জাপান যুদ্ধ হয়েছিল ১৯৩৭ সালে। দ্বিতীয় সিনো-জাপানের যুদ্ধে চীনের নানজিংয়ে ভয়াবহ এক গণহত্যা ঘটায় জাপানি সৈন্যরা। জাপানি রাজকীয় সেনাদের হাতে নিহত ও ধর্ষিত হয়েছিল প্রায় ৩ লাখ সাধারণ চীনা নাগরিক। ইতিহাসে এটিকে নানকিং ম্যাসাকার বা রেপ অব নানকিং বলা হয়।
সেই সময়টি নিয়ে সিনেমা। চীনা চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম সেরা পরিচালক ঝ্যাং ইউমু। এটি তার সর্বশেষ চলচ্চিত্র। 'দ্য ফ্লাওয়ার্স অব ওয়ার'।

আবদুল্লাহ আবু সায়িদ স্যার
``মন্ত্রী-এমপিদের কোনো নীতি নেই` - সায়িদ স্যার এই কথাটি বলার কারনে স্যারকে নাকি আমাদের জাতীয় সংসদে গিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে, এমনটাই দাবী তোলা হয়েছে শোনা যাচ্ছে! স্যার, আমি এই দেশের নাগরিক, ওই ১৬ কোটির মানুষের মধ্যে আমিও একজন এবং আমি বলছি আপনাকে ক্ষমা চাইতে হবেনা, কোন ভাবেই না! আপনি যা বলেছেন তা আমারো মনে কথা, আরো অনেকের! ঠিক কথাই বলেছেন!
এই BAL সরকারের আবুল মন্ত্রী গুলো হয়ত আপনাকে জোর করেই ক্ষমা চাওয়াইতে পারে তবে আমরা তা হতে দিবোনা! প্রয়োজন হলে যেই সংসদে আপনাকে ক্ষমা চাইতে ডাকা হচ্ছে ওই সংসদে আমরা আপনার ছাত্ররা দেয়াল তৈরি করে দিবো আপনার জন্য।
ক্যামেরাবাজী ...
বৈবাহিক সূত্রে শব্দটা কি ঠিক হইবো? ঠিক বুঝতে পারতেছি না ... তয় বউ এক্টা ক্যামেরা গিফট করছে। সেইটা লইয়াই ব্যাপক আনন্দে আছি... আগে যেইসব ফটুক তুলতাম সব কুয়াসায় ঢাকা থাকতো... আর এখন ক্লিক দিলেই ঝকঝকা ফটুক... কি যে তামশা বইলা বোঝানো যাইবো না
... তয় চিকনে আপনাগো বইলা যাই... এখনো কিন্তু ক্যামেরার পুরা অপারেশন জানি না... কিন্তু ক্যামেরা বেটা একটা অটো অপশন দিয়া রাখছে আমাগো মত ফাউল পোলাপাইনের জন্য... এখনো সেইটার মায়া ছার্তারি নাই
বর্তমান জামানায় ডিএসএলআরেএ ফটুক তোলা ৬০% আর পোস্ট প্রসেসিং ৪০%... সো পোস্ট প্রসেসিংয়ে ব্যাপক মজা ... ছবি তোলার পর ফটোশপ লাগে... সেইটা পারি না
... সেই কারনে লাইটরুম ধরছি... কিছু পারি কিছু পারি না ... জনে জনে জিগাই... পড়তে আইলসামি লাগে
... বুঝতেছিনা আমারে দিয়া ক্যামেরা হবে কিনা... সেইটা বুঝতে হইলে মাঠে নামতে হবে
...
গফ শেষ 
অপেক্ষা-১
.................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................।...................................
সকালের শুরুতে ভালো লাগার,
সূক্ষ অনুভূতির পলেস্তারাগুলো
বিকাল না আসতেই খসে পড়লো চারিধারে।
কাঠফাঁটা দুপুরের তপ্ত রোদে
যেমন ঝাপসা দেখে
দীর্ঘ পথ হেটে আসা ক্লান্ত পথিকের চোখ,
মুহূর্তের ব্যবধানে তেমনি ঝাপসা হয়ে এলো
আমাদের স্বপ্ন আর ভালোবাসার অনুভূতিগুলো।
চলে যাবে ?
যাও।
জানি তুমি আর ফিরবেনা আমার দুয়ারে,
কখনো কড়া নেড়ে বলবেনা
দরজাটা একটু খুলবে?
কিংবা চাইবেনা পিপাসার জল ।।