ইউজার লগইন
ব্লগ
অসামাজিক
▄▀▄ এই লেখাটা ১৩ বছর আগের। গ্রাজুয়েশন করতেছি, মগবাজার থিকা প্রতিদিন মীরপুর বাংলা কলেজে যাই ক্লাশ করতে। সেদিনও যাইতেছিলাম। ফার্মগেইট থিকা ডাবল্ডেকারের দোতলায় সিট পাইছি। জানালার পাশে। ফার্মগেইটের পার্কের ভিতরে চোখ চইলা গেলো, দেখি একজন নারী ঘুমাইতেছেন। পোশাক আশাকে বুঝা যাইতেছে যৌনকর্মী। তার ঘুমানোর ভিতর কেমন জানি একটা পবিত্র ভাব দেখতে পাইলাম। মাথার ভেতর এই লেখাটার প্রথম তিনটা লাইন তৈরী হইলো। পরে বাসায় ফিরা বাকিটুকু। সেদিন লীনাপু বলতেছিলেন লেখায় বিষয় বৈচিত্র আননের জন্যে। সেইটা মাথায় রাইখা এত পুরানা লেখাটা শেয়ার করতেছি...
▄▀▄
▀▄▀
অশ্লীল রাতের পরিশ্রম শেষে
শ্লীলতার শয্যায় শায়িত
বেশ্যা!
প্রকাশ্য দিনের আলোতে
অপ্রকাশ্য মনের বেদনা।
উদয়াস্ত পরিশ্রম তার ক্ষেত্রে অসাড়,
বরং অস্তোদয় পরিশ্রম করে সে।
কে দায়ী?
আমি?
তুমি?
না এই অশ্লীল, অসামাজিক
সমাজ ব্যবস্থা?
ক্যাম্প গ্রিন লেক - ১
১.
ক্যাম্প গ্রিন লেক। নাম ক্যাম্প গ্রিন লেক হলেও আদপে সেখানে আসলে কোন সবুজ ঘাস অথবা লেকের বালায় নাই। যদিও কোন এক কালে টেক্সাসের সব চেয়ে বড় লেকটা এখানেই ছিল। সে একশ বছর আগে কথা। এখন অবশিষ্ট শুধু ধুধু মরুভূমি।
গ্রিন লেকের পাশেই ছোট্ট একটা শহরও ছিল এক সময়। লেকের সাথে সাথে শহরটাও বিলীন হয়ে গেছে কবে।
গ্রীষ্মকালে এখানকার গড়পড়তা তাপমাত্রা পঁচানব্বই ডিগ্রী। খোলা আকাশ নয়, ছায়ায়। মানে যদি কোন ছায়া খুঁজে পাওয়া যায় আর কি। ছায়া দেয়ার মতো তেমন কোন কিছুই আর অবশিষ্ট নাই এখানে।
শুধু লেকের (!) পূর্ব প্রান্তে দুটো ওক গাছ এখনো কোনমতে টিকে আছে। গাছের গুড়িতে ঝুলছে একটা দোলনা, তার ঠিক পিছনেই দাঁড়িয়ে আছে একটা কেবিন।
ক্যাম্পারদের দোলনায় চড়া নিষেধ। দোলনার মালিক ক্যাম্পের ওয়ার্ডেন। ছায়াটুকুও তার অধিকারে।
বাউন্ডুলের বৃষ্টিপ্রহর..
এ ডেলিশিয়াস ইভনিং উইদ ফ্রেন্ডস্,
ফুলফিলড উইদ দ্য ডিলাইটফুল ডেজার্ট অফ রেইন.. <3 
আমাকে অন্ধ করে দিয়েছিলো চাঁদ
এক ভুলে ভরা গল্পের বৃত্তের ওপর বসে বসে অথবা শুয়ে শুয়ে আমি সকাল দেখি, বিকেল দেখি, দেখি বৃক্ষ, স্মৃতির বৃক্ষ। দেখি মেঘে লুকায় একটি নাম, সেই নাম, যে নাম বলিনি কোনদিন, যে নাম ভেসে ভেসে একদিন ডুবে গেছে আকাশের গভীরে। তারপর আমি হেঁটে হেঁটে বিরাণ পথ ধরে কতো ভুল ঘরে খুঁজেছি, খুঁজে খুঁজে ক্লান্ত হয়েছি; ক্লান্ত হয়েছে পথ ও পথিক, ছুঁয়েছি কান্নার রং, নিজেকে ভাসিয়ে দিয়েছি জ্যোৎস্নার নেশায় আর নিজের মনেই বলেছি পাগল তুমি জ্যোৎস্না খাও, স্মৃতির জ্যোৎস্না খাও, জ্যোৎস্না খেয়ে বাঁচো আর শরীর জুড়ে চাষ করো দুঃখ তবু নিঃস্ব হয়ো না। নিঃস্ব হইনি। এখনও রাতের মাদকতায় হয়ে উঠি প্রেমিক, হয়ে উঠি তোমার না দেখা স্বপ্ন।
হাতছাড়া হয়ে যাওয়া সময় ফেরারি বাতাসে মিশে দূর দূরাশয়। হারিয়ে যাওয়া পথ খুঁজে পাই না। নতুন পথে হেঁটে যাবার সাহস হারিয়েছি পুরান পথ খুঁজতে, তবু অবেলার অবসরে পুরানের খুঁজে পরাণ হাঁটে।
বিদ্যালয় ও পরীক্ষাকে হরতালের আওতামুক্ত রাখা হোক
বিএনপির ডাকা সাম্প্রতিক তিনদিনের হরতালে সম্ভবত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের এ এক বড় অসুবিধা!
সমুদ্র-অশ্রু আর ঘামের কবিতা
...................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
সব নোনা জল রোমান্টিক নয়
ওড টু মাই ফ্যামিলিঃ ৭
গতসপ্তাহে পর পর দুই রাত ধরে আমাদের এলাকায় টর্নেডো এলার্ট ছিল।
প্রতি সপ্তাহান্তেই আমেরিকায় আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়। কাজের শেষে সবাই পরিবার নিয়ে পার্কে যায়, ঘন্টার পর ঘন্টা কাটায় প্রিয় রেঁস্তোরায়, ছাত্র ছাত্রীরা সেজে-গুজে পাড়ার বারে গিয়ে আড্ডা মারে, ভাগ্য ভালো হলে কারো কারো একটা ডেট ও জুটে যায়। মোটের উপরে সারা সপ্তাহ কলুর বলদের মত খাটার পর দুইদিন চুটায়ে উপভোগ করতে চায় সবাই। এ বিষয়ে একটা জনপ্রিয় বচনও আছে, Thank God, it’s Friday। ফলে শুক্রবার আসলেই সবার মন ভাল হয়ে উঠতে থাকে, অফিসের কিউবিকলগুলিতে শুরু হয় মোটাদাগের ঠাট্টা-তামাশা, কিভাবে কোথায় ছুটির সময় কাটানো হবে তার পরিকল্পনা। এই সুযোগে ব্যস্ত হয়ে উঠে দোকানপাট। পুঁজিবাদের এই পূন্যভুমিতে “আল্লায় বাঁচাইলো আইজ শুক্রবার” নিয়ে ব্যবসা হয় হরহামেশা। একটা খাবারের দোকানের নামই হলো T.G.I.F. বা Thank God, It’s Friday. মানুষের মুখে শুনেছি, শুক্র-শনি-রবি এই তিন দিন এই দোকানে নাকি সেরকম ক্রেতা সমাগম হয় ।
কি লিখি তোমায়
তখন কচিং সেন্টার এইভাবে বিস্তার লাভ করেনি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই/বোনদের কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যপারে সাজেশন নেয়া এই ছিল কাজ। তখন পাখা গজিয়েছে। বাবা/মা বলেন--- ভাল করে বই পড় না হলে কোথাও চাঞ্চ পাবেনা। কিসের পড়াশুনা? পড়াশুনার নাম করে এই হল ঐ হল দল বেঁধে ঘুড়ে বেড়ান। কোন কোন ভাইয়া/আপা তাদের আদর্শের কথা বলে আমাদের বিমোহিত করে দিত। আমারা তখনই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতাম এইখানে ভর্তি হলে এই ভাইয়া/আপা হবেন আমাদের আদর্শ। তবে এটা ঠিক কোন ভাবেই কেন যেন আমাদের মনে স্থান করে নিতে পারেনি জামাতের ভাইয়া/আপারা।
উপন্যাস : অচল পয়সার জবানবন্দি (৭)
এদের কোনো আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং জোন নাই। রাস্তার পাশেই সুন্দর ফুলের বাগানের মতো জায়গা। কিন্তু সেখানে কোনো ফুলগাছ নাই। অনেক সাইকেল পার্ক করে রাখা। সেদিকে এগুতেই সাইডওয়াকের ওপর দেখা হয়ে গেলো প্রিয়দর্শিনীর সঙ্গে। ফুটফুটে একটা শিশুকে নিয়ে রাতে হাঁটতে বের হয়েছে। ওকে দেখতে আকাশ থেকে নেমে আসা পরীদের মতো লাগছিলো।
আবজাব আউলা ঝাউলা পোষ্ট
ম্যালাদিন ব্লগে নিয়মিত না। একটা সময় ছিল ব্লগে একটা দারুণ সময় পার করতাম। দিনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে বেশীরভাগ সময় ব্লগেই সময় কাটাতাম। ফোনে, অনলাইনে ব্লগের অনেকের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ হইত। মাঝে মাঝে পাবলিক লাইব্রেরীতে, ছবিরহাটে, চারুকলায় আড্ডা, আড্ডার মাঝে নানা রকমের হাসি-তামাশা, কাছের কিছু ব্লগার বন্ধুদের সাথে ব্যক্তিগত অনুভূতি শেয়ার করা – একটা অন্যরকম ভালোলাগার ব্যাপার ছিল। যদিও সেসব আড্ডায় আমার ভূমিকা ছিল অনেকটা নিরব দর্শকের মতই, কারণ কথা বলতাম খুবই কম, সবার কথা শোনাতেই মনোযোগ ছিল বেশী, তারপরও সবার সাথে নিয়মিত একটা আত্মার টান সবসময়ই অনুভব করতাম। তারই মাঝে কিছু জনহিতকর কাজে সম্পৃক্ত হয়ে নিজেকে ব্লগার ভাবতেও গর্ববোধ করতাম।
হরতাল মুবারক
অনেক দিন পর বেশ হরতাল ম্যুডে আছি। কাজ কম। কি করা? গেজাই...
১। প্রেসিডেন্ট ওবামা পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দাঁড়াবেন। এবার তার স্লোগান কি হওয়া উচিৎ হবে? নিন্দুক মতে উপযুক্ত স্লোগান হলঃ “পরিবর্তন, যাতে আপনি বিশ্বাস করতে পারেন। এইবার আমি প্রতিজ্ঞা করছি, সত্যিই!”
২। আরেকবার, অর্থায়ন-শুন্য সরকারের নানা বড় বড় পরিকল্পনাকে অটোমোবাইল ব্যবসার সাথে তুলনা করে বলা হয়, “আপনারা হয়তো ইতিমধ্যে জানেন, বর্তমান সরকার অটোমোবাইল ব্যবসায় সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেছে – যা আশ্বাস দিচ্ছে আশা, পরিবর্তন, এবং 0% অর্থায়নের!”
৩। একজন মানুষকে হোয়াইট হাউসের দেয়াল ডিঙ্গাতে দেখা গেছে। পরে তৎপর সিক্রেট সার্ভিস ওবামার সাথে কথা বলে অন্ততঃ মেয়াদ পূর্তি পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট পদে থাকতে তাকে সম্মত করায়!!
"বাংলা গানে বর্ষা" ই-বুকের জন্য আগ্রহীদের অংশগ্রহনের আহবান জানাচ্ছি
হে জনগন, গত বছর বর্ষায় "আমরা বন্ধু" থেকে একটা গান সংকলন নিয়া ই-বুক বানানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছিলো। আমরা অনেকে তখন ঝাপিয়ে পড়েছিলাম সেই ই-বুক তৈরীর কাজে। কিন্তু সময়ের স্বল্পতার কারনে গত বছর সেটা শেষ করা হয় নাই।
সুতরাং এইবার আমরা বর্ষার প্রথম দিনেই ই-বুকটা প্রকাশ করতে চাই .... ছলে বলে কৌশলে যেভাবেই হউক ।
ই-বুকটা শুধু মাত্র গান দিয়ে ঠাসা থাকবে, বর্ষা নিয়ে যত বাংলা গান আছে সেগুলোর সংকলন। বিভিন্ন ঘরানার বাংলা গান। যেমন - রবীন্দ্র, নজরুল, আধুনিক, হারানো দিনের, ব্যান্ড .... ইত্যাদি।
প্রতিটা গানের লিরিক দেয়া হবে এবং অনলাইনে শোনার লিংক দেয়া থাকবে (ডাউনলোড করার লিংকও দেয়া হতে পারে)।
এখন, প্রথম কাজ হচ্ছে গানের লিস্ট তৈরী করা। এই বিশাল কাজের জন্য আগ্রহীদের অংশগ্রহন করার জন্য অনুরোধ করছি।
আপনারা কমেন্টে গানের নাম দিতে পারেন।
(দয়া করে এখানে কেউ লিরিক দিয়েন না .. সেটা পরে হবে) :
আপডেট : এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত গানের লিস্ট দেয়া হলো । দয়া করে কোন গান বাদ গেলে উল্লেখ করুন। 
রবীন্দ্র
১. আজ শ্রাবণের আমন্ত্রণে
রাজনীতির ব্যাপার-স্যাপার
১.
গল্পটা ফিলিপাইনের স্বৈরশাসক ফার্দিনান্দ মার্কোজকে নিয়ে। পাশের দেশের প্রেসিডেন্ট গেছেন ফিলিপাইন সফরে। সেখানে একান্ত সাক্ষাৎকারে অনেক ব্যক্তিগত প্রসঙ্গেও কথা বলছিলেন তাঁরা। মার্কোজ একসময় জানতে চাইলেন, পাশের দেশের প্রেসিডেন্টের শখ কী। তিনি বললেন, ‘আমাকে নিয়ে আমার দেশের লোকজন অনেক কৌতুক-গল্প বানায়। আমার শখ সেই সব কৌতুক-গল্প সংগ্রহ করা।’ এবার মার্কোজকে তিনি একই প্রশ্ন করলেন। মার্কোজের সোজাসাপটা উত্তর, ‘আমার শখ, যারা আমাকে নিয়ে কৌতুক বানায়, তাদের সংগ্রহ করা।’
মার্কোজ মারা গেছেন সেই ১৯৮৯ সালে। নিন্দিত এই মার্কোজকে নিয়ে অনেক গল্প চালু আছে। তাঁকে কেউ অনুকরণ করছেন বলে স্বীকারও করবেন না। অথচ অনুকরণ করার মানুষের কিন্তু অভাব নেই। বাংলাদেশ নিয়ে আমি কিছু বলছি না। পাশের পশ্চিমবঙ্গের উদারহণই তো দেওয়া যায়। আমাদের মমতা দিদিকে নিয়ে ব্যঙ্গ করায় যাদবপুরের অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্র গ্রেপ্তার হয়েছেন।
২.
ছোট্ট পাখি..
খাঁচা মাঝে ছোট্ট পাখি;
দাড়ে বসে গাইছিল গান,
আপনমনে -
কাটছিল দিন,
বেড়ে বুঝি উঠছিল বেশ..
আধো ছাঁয়া অন্ধকারে;
বুনো ঝড় আছড়ে মরে,
খাঁচার পরে..
পাখি?
চোখে তার আনন্দ রেশ..
খাঁচা মাঝে ছোট্ট পাখি;
স্বপ্ন বুকে-
মুগ্ধ চোখে,
পথ চাওয়া তার..
সময়ে;
ঠিক পালাবে,
নীল আকাশে..
পাখি?
সে তো রইল খাঁচায়..
হঠাত্ ঝড়ে;
বুঝি তা-ও হারিয়ে গেল,
অচিনদেশে..
ঝড় শেষে,
চারদিকে ভীড়-
ছোট্ট পাখির..
নিথর দেহ;
তবু বুঝি চোখের কোণে,
একটু হাসি..
বুঝি সে,
দেখছে সবাই..
চোখের জলে,
মুচছে বিষাদ-
বলছে,
'তোকেই ভালোবাসি'..।।
স্পন্সর [আমার অতীত বর্তমান এবং ভবিষ্যতের প্রেমিকাদের প্রতি]
লিখে দিলাম পশ্চিমের সান্ধ্য আকাশ
গায়ে মেখে কৃষ্ণচূড়া হস ।
মুছে দিলাম বেবোধ শাস্ত্রীয় হুমকিসমগ্র
বিবসনা হয়ে বৃষ্টি লুটিস ।
লাল শানকিতে তিন ফোঁটা স্বপ্ন দিলাম
প্রাকঘুমে নিয়মিত চোখে ছোঁয়াস ।
একপুকুর ঝিলমিলে সরপুঁটি দিলাম
আসন্ন মন্দায় নির্বিঘ্নে ফিশগ্রীল খাস ।
বিনিময়ে ওড়না দুলিয়ে শুধু
স্পন্সর করিস কিছু শর্তহীন মহুয়া সুবাস:
আমার কবিতারা শরীর দেখাবে...