ইউজার লগইন
ব্লগ
বেডরূম অথবা রাজপথ
...................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
আমি অনেক ঘুমকাতুরে একজন মানুষ। আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা হল বেডরুম। ভালো একটা বেড্রুম পেলেই আরামের ঘুম। খাওয়া না হলেও চলবে, কিন্তু ঘুমানো আমার চাই ই চাই।
কফির জন্যে ভালোবাসা না ভালোবাসার জন্যে কফি !!!
আমাদের বাড়িতে প্রচলিত অনেকগুলো বদভ্যাসের মধ্যে একটি হলো চা-কফি খাওয়া।এক্টু লক্ষ্য করুন,যদিও পানীয়;পান না করা বলে খাওয়া বলছি।কারণটা হলো এই যে,সবাই মুড়ি-মুড়কির মতো চা কিংবা কফি গিলে যায়।দুবেলা ভাত না খেলেও সমস্যা নাই।কিন্তু ইহা ছাড়া জীবন অচলপ্রায় অবস্থা হয়।আমাদের বাসার এই নাটকের প্রথম এবং প্রধান নায়িকা আমার মা।বলাই বাহুল্য,তিনি এদেশের নামকরা এক মহিলা কলেজের গণিতের প্রফেসর।ভাবসাব দেখলে মনে হয়,দুনিয়ার তাবৎ জ্ঞানসাম্রাজ্য তাঁর হাতের মুঠোয়।তাঁর দীর্ঘদিনের অভ্যাস,দুপুরের খাবার না খেয়ে একমগ চা গেলা।এম্নিতে যদি আমরা দুই ভাইবোন দুপুরের খাবারটা একাধদিন স্কিপ করে যেতে চাই,তখন তাঁর জ্ঞানের কচকচিটা শুনিয়ে আমাদের প্রাণ অতিষ্ঠ করে দেন।প্রথমে কয়েকদিন কানে তুলো গুঁজে বিরস মুখে খেয়ে নিতাম।দিঙ্কতক বাদে,কচকচিটা শুরু হলেই আমরা দুই ভাইবোন চোখে চোখে কথা সেরে নিতাম।এরপর দুজনেই একসাথে মাকে জিজ্ঞেস করতাম,"মা ,ভাত খা
কোথায় পাবো তারে
[কতো যে গল্প পড়েছি জীবনে, কতো কবিতা! মনে স্থায়ীভাবে গেঁথে আছে, এরকম গল্প-কবিতা-উপন্যাস-গানের সংখ্যাও কম নয়। সেসব নিয়ে লিখতে ইচ্ছে করে। কিন্তু লিখতে গেলে যে আকারে বড়ো হয়ে যায়! ভাবছি, কিছু কথা মন্তব্যে জুড়ে দিলে কেমন হয়? ধরা যাক, মন্তব্যগুলোও এই লেখারই অংশ! শহীদুল জহিরের একটা গল্প নিয়ে কথা বলি আজকে। তবে তাঁকে নিয়ে এটিই শেষ লেখা নয়, পরপর কয়েকটা লিখতে হবে।]
পুরুষ জীবন
জটিল জীবনের আবর্তে চলো আরো একটু ঘুরপাক খাই
আরো কিছু নতুন ধাঁধাঁকে সুযোগ দাও
তোমায় জেরবার করবার,
আরো কিছু কুটিলতা আর কিছু পরিস্থিতির শিকার হও,
ধরা খেয়ে হাত কামড়াও আরেকবার।
পার্কে, রাস্তার টংয়ে বা চেনা কোনো ক্যান্টিনেই নাহয় তারপর
গিয়ে একটা চা আর একটা সিগারেট চেয়ে নিও,
এবং নির্জন কোনো কোণা খুঁজে নিয়ে
ভাবনায় ভেসে যেও।
পুরোনো স্মৃতি হাতড়ে খুঁজে বের কোরো
নতুন শত্রুর জন্য এককালে তুমি কি কি করেছিলে
কতভাবে তার প্রতি বিশ্বস্ততার প্রমাণ দেয়ার চেষ্টা চালিয়েছিলে
কতবার তার একটু মায়াভরা হাতের প্রতীক্ষায় সময় কাটিয়েছিলে,
সবগুলো কথা ভেবো, কোনোটা যেন বাদ না পড়ে।
এভাবে এক সময় দেখবে চায়ের পাত্র নিঃশেষ হয়েছে
সিগারেট পুড়ে ফিল্টার ছুঁয়েছে
আর তোমার অন্তর খুঁজে পেয়েছে
সমুদ্রের কালো তলদেশের ঠিকানা।
তখন নিজেকে তুমি নিজেই তুলে নিও নিজের কাঁধে
বোলো, ‘বাহ্ এইতো বেশ আছি, ঠিক কিনা?’
(আমার কিছু কথা .....) লোটাস কামাল ও পাকিস্তানী গোয়েন্দা সংস্থা প্রসংগ
আমাদের দেশ এখন বিখ্যাত কিসে? নিঃসন্দেহে মন্ত্রী নামের দেবদূতদের মহত কর্মে । বি.এন.পি সরকারের সময় ২/৩ জন মন্ত্রী নিয়ে বিদেশে তদন্ত হয়েছে, হালের আওয়ামী লীগের আবুল হোসেনের কথাতো মহাকাব্য হয়ে গেছে । বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুর টাকা বন্ধ করে দিয়েছে । এটা প্রায় নিশ্চিত যে আবুল মিয়া অসৎতা করেছে । তারপরও মন্ত্রীত্ব যায়নি । ভাল ভাল । আর তারেক জিয়া ও কোকো নামের দুই মহান সৎ রাজপুত্রের নামে সিঙ্গাপুর বা কানাডার আদালতের তদন্তের কথা বাদই দিলাম । বাবু সুরজ্ঞিতের কথা বললাম না এই কারণে যে পুরো ব্যাপরটা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে । যাক সে কথা । বর্তমানে আমাদের দেশ পজিটিভলি পৃথিবী চিনে কি করে? মুহূর্ত চিন্তা করেই বলে দেওয়া যায় আমাদের ক্রিকেট নিয়ে । আমাদের তামিম, সাকিবদের দিয়ে ।
অসামাজিক
▄▀▄ এই লেখাটা ১৩ বছর আগের। গ্রাজুয়েশন করতেছি, মগবাজার থিকা প্রতিদিন মীরপুর বাংলা কলেজে যাই ক্লাশ করতে। সেদিনও যাইতেছিলাম। ফার্মগেইট থিকা ডাবল্ডেকারের দোতলায় সিট পাইছি। জানালার পাশে। ফার্মগেইটের পার্কের ভিতরে চোখ চইলা গেলো, দেখি একজন নারী ঘুমাইতেছেন। পোশাক আশাকে বুঝা যাইতেছে যৌনকর্মী। তার ঘুমানোর ভিতর কেমন জানি একটা পবিত্র ভাব দেখতে পাইলাম। মাথার ভেতর এই লেখাটার প্রথম তিনটা লাইন তৈরী হইলো। পরে বাসায় ফিরা বাকিটুকু। সেদিন লীনাপু বলতেছিলেন লেখায় বিষয় বৈচিত্র আননের জন্যে। সেইটা মাথায় রাইখা এত পুরানা লেখাটা শেয়ার করতেছি...
▄▀▄
▀▄▀
অশ্লীল রাতের পরিশ্রম শেষে
শ্লীলতার শয্যায় শায়িত
বেশ্যা!
প্রকাশ্য দিনের আলোতে
অপ্রকাশ্য মনের বেদনা।
উদয়াস্ত পরিশ্রম তার ক্ষেত্রে অসাড়,
বরং অস্তোদয় পরিশ্রম করে সে।
কে দায়ী?
আমি?
তুমি?
না এই অশ্লীল, অসামাজিক
সমাজ ব্যবস্থা?
ক্যাম্প গ্রিন লেক - ১
১.
ক্যাম্প গ্রিন লেক। নাম ক্যাম্প গ্রিন লেক হলেও আদপে সেখানে আসলে কোন সবুজ ঘাস অথবা লেকের বালায় নাই। যদিও কোন এক কালে টেক্সাসের সব চেয়ে বড় লেকটা এখানেই ছিল। সে একশ বছর আগে কথা। এখন অবশিষ্ট শুধু ধুধু মরুভূমি।
গ্রিন লেকের পাশেই ছোট্ট একটা শহরও ছিল এক সময়। লেকের সাথে সাথে শহরটাও বিলীন হয়ে গেছে কবে।
গ্রীষ্মকালে এখানকার গড়পড়তা তাপমাত্রা পঁচানব্বই ডিগ্রী। খোলা আকাশ নয়, ছায়ায়। মানে যদি কোন ছায়া খুঁজে পাওয়া যায় আর কি। ছায়া দেয়ার মতো তেমন কোন কিছুই আর অবশিষ্ট নাই এখানে।
শুধু লেকের (!) পূর্ব প্রান্তে দুটো ওক গাছ এখনো কোনমতে টিকে আছে। গাছের গুড়িতে ঝুলছে একটা দোলনা, তার ঠিক পিছনেই দাঁড়িয়ে আছে একটা কেবিন।
ক্যাম্পারদের দোলনায় চড়া নিষেধ। দোলনার মালিক ক্যাম্পের ওয়ার্ডেন। ছায়াটুকুও তার অধিকারে।
বাউন্ডুলের বৃষ্টিপ্রহর..
এ ডেলিশিয়াস ইভনিং উইদ ফ্রেন্ডস্,
ফুলফিলড উইদ দ্য ডিলাইটফুল ডেজার্ট অফ রেইন.. <3 
আমাকে অন্ধ করে দিয়েছিলো চাঁদ
এক ভুলে ভরা গল্পের বৃত্তের ওপর বসে বসে অথবা শুয়ে শুয়ে আমি সকাল দেখি, বিকেল দেখি, দেখি বৃক্ষ, স্মৃতির বৃক্ষ। দেখি মেঘে লুকায় একটি নাম, সেই নাম, যে নাম বলিনি কোনদিন, যে নাম ভেসে ভেসে একদিন ডুবে গেছে আকাশের গভীরে। তারপর আমি হেঁটে হেঁটে বিরাণ পথ ধরে কতো ভুল ঘরে খুঁজেছি, খুঁজে খুঁজে ক্লান্ত হয়েছি; ক্লান্ত হয়েছে পথ ও পথিক, ছুঁয়েছি কান্নার রং, নিজেকে ভাসিয়ে দিয়েছি জ্যোৎস্নার নেশায় আর নিজের মনেই বলেছি পাগল তুমি জ্যোৎস্না খাও, স্মৃতির জ্যোৎস্না খাও, জ্যোৎস্না খেয়ে বাঁচো আর শরীর জুড়ে চাষ করো দুঃখ তবু নিঃস্ব হয়ো না। নিঃস্ব হইনি। এখনও রাতের মাদকতায় হয়ে উঠি প্রেমিক, হয়ে উঠি তোমার না দেখা স্বপ্ন।
হাতছাড়া হয়ে যাওয়া সময় ফেরারি বাতাসে মিশে দূর দূরাশয়। হারিয়ে যাওয়া পথ খুঁজে পাই না। নতুন পথে হেঁটে যাবার সাহস হারিয়েছি পুরান পথ খুঁজতে, তবু অবেলার অবসরে পুরানের খুঁজে পরাণ হাঁটে।
বিদ্যালয় ও পরীক্ষাকে হরতালের আওতামুক্ত রাখা হোক
বিএনপির ডাকা সাম্প্রতিক তিনদিনের হরতালে সম্ভবত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের এ এক বড় অসুবিধা!
সমুদ্র-অশ্রু আর ঘামের কবিতা
...................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
সব নোনা জল রোমান্টিক নয়
ওড টু মাই ফ্যামিলিঃ ৭
গতসপ্তাহে পর পর দুই রাত ধরে আমাদের এলাকায় টর্নেডো এলার্ট ছিল।
প্রতি সপ্তাহান্তেই আমেরিকায় আনন্দের জোয়ার বয়ে যায়। কাজের শেষে সবাই পরিবার নিয়ে পার্কে যায়, ঘন্টার পর ঘন্টা কাটায় প্রিয় রেঁস্তোরায়, ছাত্র ছাত্রীরা সেজে-গুজে পাড়ার বারে গিয়ে আড্ডা মারে, ভাগ্য ভালো হলে কারো কারো একটা ডেট ও জুটে যায়। মোটের উপরে সারা সপ্তাহ কলুর বলদের মত খাটার পর দুইদিন চুটায়ে উপভোগ করতে চায় সবাই। এ বিষয়ে একটা জনপ্রিয় বচনও আছে, Thank God, it’s Friday। ফলে শুক্রবার আসলেই সবার মন ভাল হয়ে উঠতে থাকে, অফিসের কিউবিকলগুলিতে শুরু হয় মোটাদাগের ঠাট্টা-তামাশা, কিভাবে কোথায় ছুটির সময় কাটানো হবে তার পরিকল্পনা। এই সুযোগে ব্যস্ত হয়ে উঠে দোকানপাট। পুঁজিবাদের এই পূন্যভুমিতে “আল্লায় বাঁচাইলো আইজ শুক্রবার” নিয়ে ব্যবসা হয় হরহামেশা। একটা খাবারের দোকানের নামই হলো T.G.I.F. বা Thank God, It’s Friday. মানুষের মুখে শুনেছি, শুক্র-শনি-রবি এই তিন দিন এই দোকানে নাকি সেরকম ক্রেতা সমাগম হয় ।
কি লিখি তোমায়
তখন কচিং সেন্টার এইভাবে বিস্তার লাভ করেনি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই/বোনদের কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যপারে সাজেশন নেয়া এই ছিল কাজ। তখন পাখা গজিয়েছে। বাবা/মা বলেন--- ভাল করে বই পড় না হলে কোথাও চাঞ্চ পাবেনা। কিসের পড়াশুনা? পড়াশুনার নাম করে এই হল ঐ হল দল বেঁধে ঘুড়ে বেড়ান। কোন কোন ভাইয়া/আপা তাদের আদর্শের কথা বলে আমাদের বিমোহিত করে দিত। আমারা তখনই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতাম এইখানে ভর্তি হলে এই ভাইয়া/আপা হবেন আমাদের আদর্শ। তবে এটা ঠিক কোন ভাবেই কেন যেন আমাদের মনে স্থান করে নিতে পারেনি জামাতের ভাইয়া/আপারা।
উপন্যাস : অচল পয়সার জবানবন্দি (৭)
এদের কোনো আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং জোন নাই। রাস্তার পাশেই সুন্দর ফুলের বাগানের মতো জায়গা। কিন্তু সেখানে কোনো ফুলগাছ নাই। অনেক সাইকেল পার্ক করে রাখা। সেদিকে এগুতেই সাইডওয়াকের ওপর দেখা হয়ে গেলো প্রিয়দর্শিনীর সঙ্গে। ফুটফুটে একটা শিশুকে নিয়ে রাতে হাঁটতে বের হয়েছে। ওকে দেখতে আকাশ থেকে নেমে আসা পরীদের মতো লাগছিলো।
আবজাব আউলা ঝাউলা পোষ্ট
ম্যালাদিন ব্লগে নিয়মিত না। একটা সময় ছিল ব্লগে একটা দারুণ সময় পার করতাম। দিনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে বেশীরভাগ সময় ব্লগেই সময় কাটাতাম। ফোনে, অনলাইনে ব্লগের অনেকের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ হইত। মাঝে মাঝে পাবলিক লাইব্রেরীতে, ছবিরহাটে, চারুকলায় আড্ডা, আড্ডার মাঝে নানা রকমের হাসি-তামাশা, কাছের কিছু ব্লগার বন্ধুদের সাথে ব্যক্তিগত অনুভূতি শেয়ার করা – একটা অন্যরকম ভালোলাগার ব্যাপার ছিল। যদিও সেসব আড্ডায় আমার ভূমিকা ছিল অনেকটা নিরব দর্শকের মতই, কারণ কথা বলতাম খুবই কম, সবার কথা শোনাতেই মনোযোগ ছিল বেশী, তারপরও সবার সাথে নিয়মিত একটা আত্মার টান সবসময়ই অনুভব করতাম। তারই মাঝে কিছু জনহিতকর কাজে সম্পৃক্ত হয়ে নিজেকে ব্লগার ভাবতেও গর্ববোধ করতাম।