ইউজার লগইন
ব্লগ
আত্মমগ্ন কথামালা- ৭
সবকিছুতেই কেমন জানি অস্থিরতার ছাপ পইড়া গেছে। কিছুই ঠিকঠাক মতো হইতেছে না।
পাগলের দিনলিপি (তেইশ)
শুভ্র শ্বেত বরফের গা'য়ে টুপ করে পড়লো এক ফোটা টকটকে লাল রক্ত
তারপর সাদার মাঝে লাল রক্ত ছড়াতে ছড়াতে গোলাপের ঘ্রাণ পেলো
আমার হঠাৎ মনে পড়ে গেলো স্নো হোয়াইট নামের কুমারী মেয়েটার কথা।
সাত বামন দাঁড়ালো বিছানার পাশে, নীরব নিথর বৃদ্ধ বামনেরা চুপ করে
আমার ঘুমহীন রাত দেখেই পার করে দিলো ফিরে যাওয়ার সময় সীমানা
ভোর হতে দেখি একে একে তারা হাওয়ায় মিলিয়ে যেতে থাকে।
আমার তখনি মনে পড়েছে স্নো হোয়াইট জগতের সুন্দরীতমা প্রেয়সী...
আয়নার জগতে তার এভাবেই পরিচিতি,
"আয়না আমার দেয়াল ঝোলা আয়না
সবচেয়ে রূপবতী কে, শুনতে প্রাণ সয়না"
"আপনার রূপে চোখ ধাধায় তবে
সুন্দরীতমা হলো স্নো হোয়াইট এই ভবে..."
স্নো হোয়াইট একলা একলা বনের শনের ঘরে মন দুলিয়ে প্রাণ দুলিয়ে নাচে...
আমার কেবল ইচ্ছে করে ডেকে নিয়ে যাই সেই রাজকুমার, আরবী ঘোড়ার সওয়ারী
যে একহাতে শুভ্র বরফের কন্যারে ঘোড়ায় তুলে নিয়ে ছুটে যাবে নিশ্চিত শহরে।
অবিলম্বে স্বাস্থ্যনীতি চাই
চতুর্মাত্রিক ব্লগে একজনের একটা পোস্ট দেখলাম
কোথায় আছি? কেন আছি? লিখেছেনঃ নিশুতিরাতের চিঠি (তারিখঃ ১২ মার্চ ২০১২, ৩:০৬ পূর্বাহ্ন)
সে রাত
সে রাতে চন্দ্রমল্লিকায় কোন গন্ধ ছিল না
যেন লাশ কাটা ঘরে সাদা চাদরে মোড়া নিস্তব্ধতা
জোছনার কাফনে ঢাকা চাঁদ -
লোকালয়ে লোকালয়ে লোবানের মহোৎসব
মৃত ফুলেদের সাথে ছিল ফুলশয্যা।
সে রাতে বৃষ্টির উচ্ছাসে ছিল প্রিয় গান
পেখম ছড়ানো অতীত
মেথীর মাদকতায় আতরের ঘ্রাণ
করতলে মেহেদীর ঘা
হাজারো ফাটল ধরা জীবন সিড়ি।
সে রাতে অতন্দ্র প্রহরী চোখ রেখেছিল বাঁধি
জলে ভিজে স্বপ্নেরা চুড়াচুড়
আগুনে লেলিহান দেহমন
স্মৃতি পারাপার নদী ভাটার টানে
বয়ে চলে প্রতিমা বিসর্জনে ।
সে রাতে চাঁদ ছিল, ফুল ছিল
স্বপ্ন ছিল, অশ্রু ছিল
বৃষ্টি ছিল, আগুন ছিল
লাল বেনারসির কফিনে ছিল নিথর দেহ।
বছরে ২৫ হাজার টাকার সিগারেট...
সিগারেট খাওয়া শুরু করেছিলাম ৮৪ সালের শেষের দিকে। সবেমাত্র কলেজে উঠেছি। নারায়ণগঞ্জ তোলারাম কলেজ। নাবালক থেকে বালক হয়েছি। বই- খাতা নিয়ে কলেজে যেতে হয়না। পোষাকের ব্যাপারে তেমন কোনো ধরা বাঁধা নিয়ম ছিল না। ৩২ ইঞ্চি ঢোলা প্যান্টের সাথে প্রায় ৩ ইঞ্চি উঁচু হিল। টাইট শার্ট। সে শার্টের আবার কলার বেশ বড়। এই ছিল সে আমলের ফ্যাশন। কলেজে যাবার সময় মা ৫/১০ টাকা দিতেন। আমরা তখন নারায়ণগঞ্জে। কিল্লারপুলের ড্রেজার কলোনীতে থাকি। কলেজে যেতে রিকশা ভাড়া ছিল ২ টাকা। কলোনীর আরেক বন্ধুর সাথে যেতাম শেয়ারে। যাওয়ার ভাড়া আমি দিলে আসার ভাড়া ও দিত। ওর নাম ছিল বাবু। বাবু এখন আর্মিতে। ১৫ লং কোর্চে পরীক্ষা দিয়ে আমি মারলাম ফেল। পরেরবার ১৬ তে পরীক্ষা দিয়ে বাবু পাশ করল। ও এখন কর্ণেল।
চড়ুইভাতির লালটিপ / মুহাম্মাদ আমানুল্লাহ
আম্মু, তোমার নাম কী ?
- আব্বুর পাশের চাচুটি আমার নাম জানতে চায় ।
আমি আমার নামটি বলি-অপূর্বা শৈলী।
ভারি সুন্দর নাম বলে তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরেন, আদর করেন। আমার বেশ ভাল লাগে। চাচুটি বেশ মজার-ক্লিক, ক্লিক করে তিনি আমার ছবি তুলেন, আম্মুর ছবি তুলেন, আমাদের ছবি তুলেন। এটি আমাদের অন্যরকম দিন।
আব্বুরা কেউ আজ অফিসে যায়নি। এমনকি আমাকেও খুব ভোরে ওঠে স্কুলের জন্য ছুটতে হয়নি। অন্যরকম দিন বার বার আসেনা। অনেকদিন পর অনেকদিন পর একবার আসে।
বইমেলা কড়চা – (তিন) মাঠার স্বাদ মালাইয়ে
বইমেলা শেষ হয়ে গেছে। আমাদের মাসুম ভাইয়ের ভাষায় “বইমেলা আর নেই”। বিভিন্ন বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্যে দিয়ে এই উল্লেখযোগ্য ইভেন্টটি শেষ হয়েছে। দাদাভাই মাঝপথে অভিমান করে কড়চা বন্ধ করে দিলেন, কেউ কেউ “মুরগা” হবার কথা দিয়ে কথা রাখলেন না। কিন্তু এখনের পর্ব হলো শেষ হয়েও হইলো না শেষ পর্ব। জনপ্রিয় কথাসাহ্যিতিকদের লেখার ধরন নিয়ে ছিল আমার এই নাদান কড়চা। হুমায়ূন আহমেদ, ইমদাদুল হক মিলনের পর এবার আর একজন এযুগের জনপ্রিয় লেখক আনিসুল হকের উপন্যাসের প্যটার্ন নিয়ে আজকের কড়চা। প্রথমে অনেক লেখকের লেখার মধ্যেই ভার্সেলাইটি থাকলেও, যে মাত্র তারা জনপ্রিয় হয়ে যান, যে লেখাটির কারণে জনপ্রিয় হয়ে যান, পরে সেই স্টাইলটিকেই আকড়ে ধরে বেশির ভাগ লেখা লিখেন। আনিসুল হকের এ উপন্যাসটির নাম ধরা যাক সাড়ে তিপান্ন।
টুকটুক গল্প-৯
১। গতবছর সংসদে বাজেট যখন পাশ হলো দেখলাম গরীবের সবকিছুরই দাম বাড়ছে, শুধু এলপি গ্যাসের দাম কমেছে। বাড়িতেই ছিলাম তখন। খুশী হয়ে আম্মাকে বললাম যে, আপনার গ্যাসের দাম কমবে। আম্মা তেমন গা করলো না, পরদিনই পত্রিকায় দেখলাম যে এখনই কমবে না গ্যাসের দাম, পরে কমবে। আম্মা বললো, -আর কমছে! ৭০০ টাকার গ্যাস ১৪০০ টাকা হইছে। সরকার ভালোই খাওয়াইতাছে। ভোটই দিমু না কাউরে।
জনগণের নিরাপত্তা বিধানের জন্য ১২ মার্চ ২০১২ তারিখে আওয়ামী লীগের ঢাকা বন্ধ কর্মসূচি তথা মুড়ি খাওয়া দিবসের সাফল্য কামনা করছি
শিরোনাম দেখে নিশ্চয়ই চমকে গিয়েছেন! কিংবা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন! কিংবা আজকে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়ে টিভির নিউজটা দেখা হয়নি বলে আফসোস করছেন এই ভেবে যে, এত গুরুত্বপূর্ণ নিউজটা দেখা হলো না! না, চমকানোর কিছু নেই। আওয়ামী লীগ দল হিসেবে বা সরকারের অংশ হিসেবে এই কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি। এটা তাদের অঘোষিত কর্মসূচি। ভাবছেন, একটা দল ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় এরকম 'বিরোধী-দলীয়' কর্মসূচি গ্রহণ করে কিভাবে?
তসলিমা নাসরিনঃ কতোটা সফল নারীবাদে ?
তসলিমা নাসরিনঃ কতোটা সফল নারীবাদে ?
কান্না
আজ আকটা স্বপ্ন দেখলাম । এটা আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর স্বপ্ন।দেখলাম আমার পরানি আমাকে কল করে বলছে "জানু sorry তোমাকে অনেক দুঃখ দিলাম।আমি আসলে একটা প্রোগ্রামে ইন্ডিয়া গেছিলাম।আর বাড়িতে বলে গেছিলাম আমাকে ভূলে যাওয়ার জন্য তোমাকে বলতে।আসলে তোমাকে চমক দিতে চেয়েছিলাম।দেখ তোমার পরানি তোমার কাছে ফিরে এসেছে।শুন একটা সুখবর আছে আমার মাবাবা তোমাকে মেনে নিয়েছেন।আমি খুশিতে কেঁদে ফেললাম" ঘুম ভেঙে দেখলাম আমার বালিশটা চোখের পানিতে ভিজে গেছে।আর দেখলাম আমি যে স্বপ্নটা দেখেছি তা সত্য নয়।মনটা কেঁদে উঠলো।বুঝতে পারলাম আমি একা পড়ে আছি আমার সামনে পিছে কেউ নাই।
না-না / মুহাম্মাদ আমানুল্লাহ
এখন আঁধার, নিকষ আঁধার-শুনি শুধু হুতোম পেঁচার ডাক,
আড়মোড়া ভেঙ্গে দেশলাই খুঁজে সহজে অবাক... ... ...
আমার পৃথিবী নড়েনা চড়েনা কেমন আদিম বোকা
এখন চাঁদ তারা স্বপ্ন প্রেম কিছু নেই-
জানালার পাশে উড়েনা এখন একটি জোনাক পোকা।
না-না, এটাকিছু নয়-হয়তো ভূতের বাতি,
এটা কি সোনার ডিম;
এখনো গোখরো চরে বিষাক্ত ফণায় জমে পউষের হিম।
একাকীকথণ (৩)
ধানের শীষগুলোর উপর দিয়ে বাতাস খেলে যাচ্ছে কি সুন্দর, ওরা এই কাত হয়ে যাচ্ছে বাতাসের তোড়ে আবার ঝিলিক দিয়েই মাথা সোজা করে দাড়াচ্ছে। ক্ষেতের কাছে ভরা রোদ্দুরের মাঝে এই পুরানোগাছের কাছটাতে ছায়া রইবেই জানতাম, আরো জানতাম এখানে এসে ক্ষয়ে যাওয়া গাছের গুড়িটাতে বসলেই গা ঠান্ডা করা বাতাসে জুড়াবেই মন। কিন্তু তাও কতোদিন পর আসা হলো এখানটায়, নিজেকে এখন দু’দন্ড শান্তি দিতেও মন টানে না, কেবল কষ্টগুলোকে ঠেঙ্গিয়ে দিন পার করাই যেন জীবন, কান্নাও এখন বিলাসিতা।
পাগলের দিনলিপি (বাইশ)
আজ কিছু লিখবো না
যে শব্দটাই গড়িয়ে পড়েছে তাতে কাঁদা জল মাখামাখি
অথচ আমার আকাশে তখন রোদ্দুর দাপট দেখাচ্ছিলো
আজ কিছু লিখবো না
লিখতে গেলেই ইতিহাসের পাতা চুয়ে গড়াচ্ছে রক্তের স্রোত,
তার সাথে গড়িয়ে চলেছে পচা-গলা লাশের দুর্ঘ্রাণ,
মিথ্যের বিলাসী ফুলঝুড়ি অবিরত গান।
বেশি কইরা হাইটাবেড়ান, ত্যাল্গ্যাসের উপ্রে চাপকমান
প্যাটের ধান্দায় বেরৈতেই হয়। সেইলাইগাই সকালসকাল বেরায়া পর্লাম। বেশ আয়েশ কইরা একখান বিড়ি ধরায়া হাইটা গলির ভিত্রে থিকা বেরইলাম। গলির্ভিত্রে রিস্কাগাড়ি কম দেইখা ভালৈ লাগতেছিলো। ভাব্লাম যাউক লুগজন কম্বেরৈছে, শান্তিতে যাওঞ্জাইবো। ওম্মাগো মা......