ইউজার লগইন
ব্লগ
সৌধস্নাণে নিমগ্ন স্ফারিত সংগীত!
নীল প্রজাপতিটা যখন ডানা ঝাঁপটা দিয়ে সামনে দিয়ে উড়ে চলে যায় তখন খুব করে রোমন্থনের ইচ্ছে জাগে.. স্মৃতি বিস্মৃতির দোলাচালে নিজেকে উজাড় করে দেবার নিমিত্তে আবেগ নাড়া দিয়ে যেতে থাকে, প্রথমে একবার, তারপর অনেকবার.. সাগরের নীলাভ্র লোনা জলের মৌন স্নান মাখা জলজ শরীরে কেউ যখন সূর্যের নরম মিষ্টি উষ্ণতা মেখে নেবার নিমন্ত্রণ জানাতো, তখন মনে হতো চিরায়ত পৃথিবীর অফুরান সুখের বৈভব কিশলয়গুলো যেন আমার সামনে এসে তার নির্মল কুসুমকলির পরিস্ফুটনে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েছে..
মুভিস টু সি বিফোর ইউ ডাই-২
সময় কাটানোর সব চেয়ে ভাল উপায় হচ্ছে গান শোনা, বই পড়া আর সিনেমা দেখা। এখন অবশ্য বাড়তি সময় খুব বেশি পাওয়া যায় না। ফলে সামান্য যে সময়টুকু পাওয়া যায় তার সদ্ব্যবহার করাটাই প্রয়োজন। এজন্য আজকাল বেছে বেছে সিনেমা দেখি, বেছে বেছে বই পড়ি। আর বাছাবাছি করতে করতে নানা ভাষার ছবি আজকাল দেখা হচ্ছে। হলিউডের বাইরেও যে সিনেমার এক বিষ্ময়কর জগৎ আছে সেটি তো অনেকদিনই জনতাম না। ভাবছি সেই বিষ্ময়কর জগৎ নিয়ে কিছু লেখি।
সম্পূর্ন রঙীন - আংশিক ডিজিটাল "মুঘলে আযম" (১)
মুঘলে আযম
(সম্পূর্ন রঙীন , আংশিক ডিজিটাল)
প্রথম দৃশ্যঃ
সিংহাসনে বসা সম্রাট আকবর। উৎফুল্ল চিত্তে ........
সম্রাট আকবরঃ বাংলা বিহার উড়িষ্যার মহান অধিপতি
বীরবলঃ খুক খুক (কাশি) 
আকবরঃ খামোশ !!! সম্রাটের ভাষনের মধ্যে তুমি কাশি দাও । এত বড় সাহস !!!
বীরবলঃ হুজুর আপনি ভুল করে ঐ সিরাজ বেক্কলের ডায়লগ দিয়া দিছিলেন তাই মনে করায়ে দিতেই .......
আকবরঃ ওহ। sorry. ..
তো যা বলছিলাম , আজ আমাদের শাহজাদা সেলিম ১৪ বছর পর আম্রিকা থেকে দেশে ফিরছে। তাকে অভ্যর্থনার জন্য কি বন্দবোস্ত করিলে , বীরবল?
কুশল / মুহাম্মাদ আমানুল্লাহ
বেলা বাড়ে- বাড়ে উত্তাপ শীত বর্ষা হেমন্ত বসন্তে
দোয়েল গায়না , চড়ুই হাসেনা-
ডানা ভাঙ্গা প্রজাপতি, কাকের কান ফাটা চিৎকার কার ভালো লাগে বলো;
পানের বরজ,আমের বাগান, আমনের ক্ষেত এখনো বর্গীর দখলে,
পদ্ম পুকুর গেলো, সবুজ পাহাড় গেলো,
সমুদ্র আকাশ গেলো- চেতনার রং ক্রমে কেঁদে কেঁদে শেষ-
কীভাবে এখন ভালো থাকা যায় বলো।
ভুলে থাকা কালো বেড়ালের লোম কিংবা না পেয়েই হারাবার গল্প
"তার" একটা ভুলে থাকা কালো বেড়াল আছে। যার বসবাস তার মনের অনেক ভেতরের একটা রোদক্লান্ত ব্যালকনিতে। বেড়ালটা বারবার ভুলে যায়, "সে" যে তাকে ভুলে থাকতে চায়। তাই আড়মোড়া ভেঙে সে উঠে আসতে চায় রোদক্লান্ত ব্যালকনি থেকে। তার অস্থির ছটফটানিতে রোদের দেয়ালে কোনো ছায়া পড়ে না। শুধু বাঁকা হয়ে পড়ে থাকা দৃষ্টিকে পাশ কাটিয়ে কিছু বেড়ালের লোম ভেসে যায় এদিক সেদিক।
আলফেসানীর হাত ফস্কে পড়ে গিয়েছে অনেকখানি রঙ মাখা সময়। এই হারিয়ে ফেলা সময় গুলোকে সে রাখতে চেয়েছিলো নিজস্ব বাগানের ঘাসপাখিলতাপশুফুলে। বোঝেনি, নিজস্ব যে বাগানের ছবি সে এঁকেছিল, সেই ছবিটাতে বাস্তবতার তুলির আঁচড় দেবার কথা যে শিল্পীর সে আর তুলি হাতে নিতে অনিচ্ছুক। অনেক আগে শিল্পীর তুলির রঙ কেড়ে নিয়েছিলো যে তরুণ, তার কাছেই বাঁধা আছে শিল্পীর রঙীন রেখা গুলোও।
সোহেল ভাই ০১৭
ঘুমটা ভাঙলো মোবাইলের আওয়াজে, বিকট শব্দে মোবাইল বাজছে, ঘড়িতে বাজে পৌনে দুইটা, রফিক ফোন করছে।
কি রে শালা এত রাইতে ঘুম ভাঙাইলি ক্যান?
দোস্তো আম্মাকে নিয়ে বারডেমে যাচ্ছি, অসুস্থ।
ড্রাইভার পাইছিস না কি এম্বুলেন্সে নিয়ে যাচ্ছিস।
না গাড়ীতেই যাচ্ছি।
ঠিক আছে দোস্তো আমি পৌঁছাচ্ছি একটু পরেই।
চোখে-মুখে পানি দিয়ে ট্রাউজারে ঢুকে মারুফকে ফোন দিলাম।
মারুফ মনে হয় জেগেই ছিলো, দোস্তো বার্সেলোনা ফাটায়া ফেলতেছে, মেসী ইজ গড।
ঐ শুন, রফিক ফোন দিছিলো, আন্টিকে নিয়ে বারডেমে যাচ্ছে, তুই কি যাইতে পারবি?
তুই কোথায় এখন?
বাসা থেকে বের হচ্ছি এখনই।
তুই বাসার নীচে দাঁড়া এসে আমি নামতেছি এখনই।
স্মরণীয় সময়: বাংলাদেশের জয়

বিশ্বকাপের পর আর মাঠে যাওয়া হয় নাই... মধ্যে বিপিএল গেল... ক্যান জানি মন টানলো না ... খুব বেশী যে খেলা দেখি তাও না... মাঝে মাঝে ঢু মারি স্টেডিয়ামের পথে... বাঙালী জাতীর আনন্দের জায়গা খুব কম... মাঝে মাঝে দু/একটি ম্যাচে জয় আমাদের সত্যই আনন্দীত করে... উদ্বেলীত হই নতুন আশা নিয়ে। ফুটবলতো গেছেই... ভরষার জায়গা একটাই... ক্রিকেট। হকি নিয়ে কিছু করার সুযোগ ছিল... আমাদের বদমাইশ কর্মকর্তারা সেইটারেও খাইছে...
কেবলই আমাদের কথা
১.
আমার মেয়ে প্রিয়ন্তী। ক্লাশ টুতে পড়ে এখন। গত দুই ঈদে সালাম করে যত টাকা পেয়েছে সব একটা বাক্সে রেখে দিয়েছে। সেখান থেকে চুপটি করে ৫০ টাকা নিয়ে সেদিন স্কুলে গেলো। স্কুলে ওই দিন বইমেলার শেষ দিন ছিল। মেলা থেকে একটা বই কিনে লুকিয়ে রাখলো সে। ছোট মানুষ তো, ২০ এপ্রিল পর্যন্ত অপেক্ষা করার ধৈর্যটুকু রাখতো পারলো না। সন্ধ্যায় বইটি বের করে মনোযোগ দিয়ে লিখলো, ' আদরের দুষ্টু ভাইকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা-প্রিয়ন্তী, ২০/০৪/২০১২'।

আমরা যখন বড় হয়েছি, তখনও এভাবে ভাবতে পারতাম না। আমার মনে আছে আমার স্ট্যাম্প সংগ্রহ করার সখ ছিল। একবার আমার ছোট ভাইয়ের জন্মদিনে সেই স্ট্যাম্প অ্যালবাম সুন্দর করে রঙিন কাগজে মুড়িয়ে দিয়ে দিয়েছিলাম। আবার এক মাস পরেই সেটা ফেরতও নিয়ে নেই।
২.
এক মুঠো বিষণ্নতা..
আজ দুপুরে অসময়ের একটা ঘুম দিয়েছিলাম.. ঘুম থেকে উঠে দেখি সময় বলছে বিকেল পড়ে এসেছে.. কিন্তু জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে অসম্ভব মুদ্ধ হয়ে গেলাম.. ভীষণ মেঘাচ্ছন্ন আকাশ.. ভাবলাম বছরের প্রথম অঝোর বর্ষনটা বোধহয় আজই হতে যাচ্ছে.. নামায পড়ে আর খাওয়া দাওয়া সেরে নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম.. মেঘলা আকাশের ছায়া মাড়িয়ে নিয়ে নির্জন পথ ধরে একাকি হেঁটে হেঁটে অনেকটা দূর চলে গেলাম.. অপেক্ষায় ছিলাম.. ইশ্ !! কখন যে অভিমানের বাঁধ ভেঙ্গে ঐ দূরের আকাশটা হঠাৎই ঝর ঝর করে কেঁদে ফেলবে.. আর তার কান্নাজলে আমি বৃষ্টিস্নানের পরশ মেখে নিবো বহুদিনের উষ্ক-শুষ্ক শরীরটাতে.. তার সাথে আমিও কান্না করবো (সবার অলক্ষ্যে) ..
বৃষ্টি... ছেলেবেলার গান...
বছরের প্রথম বৃষ্টি, আর আমার হাতে কলম উঠে আসবে না, তা কি হয়! এটুকুই তো পারি, আর সব হারিয়ে ফেলেছি। মাদকতাময় শৈশব-কৈশোর-তারুণ্য, সব। এই শহর, এই গ্লানিময়- ক্লান্তিকর শহর, এই মনোটোনাস শহর কোমল অনুভূতিগুলো সব কেড়ে নিয়েছে। এখন কেবল ছুটে চলা, অনির্দিষ্ট ছুটে চলা। এখন কেবল অবিরাম ব্যস্ততা, অহেতুক-অকারণ ব্যস্ততা! বছরের প্রথম বৃষ্টিতে ভেজার আকুলতা থাকলেও উদ্যমটি আর নেই। ব্যস্ত থাকলে হয়তো চোখ মেলে দেখারও ফুরসৎ মেলে না। আজকে একটু ব্যস্ততা কম, তাই ব্যালকনিতে বসে অনেকদিন পর বৃষ্টি দেখা হলো। এমন হঠাৎ বৃষ্টি, এমন হাওয়ামুখর তুমুল বৃষ্টি মনটাকেই এলোমেলো করে দেয়! কতো কথা মনে পড়ে! কতোকিছু...
আঁধার আলোর বৃষ্টিবিলাস..[এলোমেলো কাব্যকথন!]
কোন এক ঘুম ঘুম দিনের শেষে..
দুচোখের পাতায়;
তখনো -
ফেলে আসা দিনের,
স্বপ্নছোঁয়ার স্মৃতি..।
সবুজের ক্যানভাসে,
কোন চীরসবুজ শিল্পীর;
কোমল তুলির অমর আঁচড়..
আঁধার গড়ানো শহরের,
সকল আলো গড়ানো প্রান্তরে..
হৃদয়ের স্পন্দনে যখন,
যুদ্ধজয়ের গান..
পঁচিশ হাজার তিনশ এগারো থেকে,
সতের কোটি হয়ে যায় -
ওরা এগারো জন..।
ঘুম ভেঙ্গে দিয়ে যায়,
আনন্দ আভার পরশে;
মৃদু আলো হাসির সুর..
অনেক দেরি হয়ে যাওয়া,
সন্ধ্যার রাস্তায়..
বিকেলের নরম আলোর পথে,
হঠাত্ মেঘলা মনের ছায়া..।
দিনের আলো নিভতেই,
মেঘেদের হাঁতছানি..
কত্ত কত দিনের শেষে,
পাগলা হাওয়া -
আবারো এলোমেলো চুল..।
জানলার কাঁচে,
উড়ে যাওয়া পর্দার গায়ে জল;
ভালবাসা মেঘকণা..
মেঘবালিকাকে,
না বলা কথার উত্তর -
মেঘের চিঠি..।
ধোঁয়া উড়া কফি টেবিল জুড়ে -
স্মৃতির রাজ্যপাট,
কাছের দুরের যত প্রিয়মুখ;
প্রিয়ক্ষণ..।
কাজী ফজলুর রহমান ও আমাডের স্বাধীনতাপরবর্তী সময়
রাজনৈতিক বিরোধিতাই হয়তো এর প্রধানতম কারণ কিন্তু আমাদের পরিচিত বুদ্ধিজীবীদের ভেতরে ৭৫ পূর্ববর্তী সময় নিয়ে এক ধরণের অলিখিত নিরবতা বিদ্যমান। আমাদের ঔপন্যাসিকদের ভেতরেও স্বাধীনতাপরবর্তী সময়ের অব্যবস্থাপনা নিয়ে বৃহৎ পরিসরে উপন্যাস লেখার প্রবনতা কম। এই নিরবতার গ্রহনযোগ্য অনেক কারণই হয়তো আছে তবে আমার ধারণা যারা পরিচিত বুদ্ধিজীবী তাদের প্রত্যেকেরই এক ধরণের সেক্যুলার মানসিকতা ছিলো, তারা স্বৈরতন্ত্র বিরোধী ছিলেন এবং বাঙালীর মুক্তি সংগ্রামের নায়ক হিসেবে শেখ মুজিবর রহমানের প্রতি তাদের এক ধরণের অন্ধ পক্ষপাত ছিলো এবং আছে। তারা মুজিবের অর্জন বিষয়টা যতটা ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে-ফেনিয়ে উপস্থাপন করতে আগ্রহী, মুজিবের শাসনতান্ত্রিক অদক্ষতা এবং তার চারপাশে ভীড় করে থাকা রাজনৈতিক সুবিধাপ্রত্যাশী মানুষদের বিষয়ে কথা বলতে তারা ততটাই অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।
সেই পাহাড় আর নদীর গল্পটি (দুই)
অরণ্যকে ঠকানোর কষ্টটা আজকাল রিয়ার মনে খুব বাজে। বিবেকের এই চাপ সে আর সহ্য করতে পারছে না। অনেক ভেবে সে ঠিক করল যাই হয় হোক, এভাবে আর না। সে সব অরন্যকে খুলে বলবে, তারপর অরন্য যে শাস্তিই দিক, তাই মেনে নিবে। রাতে খাওয়া দাওয়া শেষ হয়ে যাওয়ার পর অরন্য স্বভাবমতো তার স্টাডিতে গিয়ে বসলো সেদিনও। রিয়া স্বপ্নকে শুইয়ে দিয়ে এসে অরন্যের চেয়ারের পাশে হাটু মুড়ে বসল। পুরো বাড়িটা নিস্তব্ধ। রিয়া এ ঘরে আসার সময় হলের বাতিটাও নিভিয়ে দিয়ে এসেছে, আলো পাগল রিয়া এখন যতোটা সম্ভব অন্ধকার চায়। মুখ লুকিয়ে আজ অরন্যের কাছে তাকে আসতে হবে। আলোতে, অরন্যের চোখে চোখ রেখে একথা কিছুতেই রিয়া তাকে বলতে পারবে না। এভাবে পায়ের কাছে নতজানু হয়ে রিয়ার বসে পরা অরন্যকে হতভম্ব করে তোলে। কি হয়েছে রিয়া, বলে রিয়ার মুখে হাত রাখতেই দেখতে পায় অঝোরে রিয়ার চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে যাচ্ছে। দ্রুত রিয়াকে তুলে পাশের সোফায় ব
একটা আনন্দের ব্লগ লিখি
আমাদের জীবন তো নানা বিপর্যয় আর দুর্ভাবনায় ভরা। আজকে আর সেসব কথা না বলি। বরং বলা যাক, আনন্দময় কিছু কথা।
ক্রিকেট আমি ততোটা বুঝি না, যতোটা বুঝলে একটা ম্যাচকে বিশ্লেষণ করা যায়। আজকের ম্যাচটাকেও বিশ্লেষণ করার ক্ষমতাও আমার নেই। আমরা জিতেছি, সেটাই বড়ো কথা। হারলে বিশ্লেষণ করার জন্য লিখতে বসতাম না।
খেলা যে সবসময় দেখার সুযোগ হয়, তা নয়। ক্রিকেট বা ফুটবল নিয়ে আমার বিশেষ কোনো উন্মাদনাও নেই। বাংলাদেশ বিশ্বপর্যায়ে ক্রিকেট খেলছে - ভালো-খারাপ যা-ই খেলুক - সেজন্যই এটা নিয়ে আগ্রহ বোধ করি। বাংলাদেশের খেলা থাকলে আবেগও ভর করে। সেই আবেগকে আবার তুঙ্গে নিয়ে যেতে সহায়তা করে আমার লিটল প্রিন্সের হৈ হল্লা, চিৎকার, উন্মাদনা। আমার বাসায় অবশ্য অনেক বাচ্চাকাচ্চা। কোনো-না-কোনো উপলক্ষ্যে আমার ভাইবোনের ছেলেমেয়েরা সব দল বেঁধে হৈচৈ করে। সেটা মাঠের হৈচৈ-এর চেয়ে কম নয়!
পাগলের দিনলিপি (পঁচিশ)
বিচ্ছেদের অক্ষর সারিতে দেখি বসে আছে
আমার নিজের নাম। সাক্ষরে সাক্ষরে বিচ্ছেদের মুক্তি
দরজায় কোনো পাহারাদার দাঁড়িয়ে নেই।
এতোকাল নিজেই পাহারা দিচ্ছিলাম
আজ থেকে আসলে চাকুরী নেই...
এইবার তবে ক্ষয়ে যাবে স্যান্ডাল, ঠিকানা, পরিচয়, নামাবলী।
নিজেকে সাজিয়ে তুলে রাখবো কখনো সখনো
আহা! এমন বালখিল্যতা মানেই বিচ্ছেদ!
বিচ্ছেদ সাক্ষরে আগুন থাকার কথা
শুনতে পাই...অথৈ জলরাশি স্রোত কেটে
আমি বহুদূর চলে গেছি; আগুনের শিখা?
কোথাও জ্বলেনি তারা।
বিচ্ছেদের জল লুকিয়ে লুকিয়ে চলতে হয় বলে
ভাব দেখাই, জলেরো দেখা নেই
কেবলি বিচ্ছেদ চলে।
সাক্ষর এবং সাক্ষরহীনতা খেলা...
আমি এখন রাতের স্বপ্নে আর দিনের ব্রেক কে বাদ
সাক্ষর চর্চায় আছি, বিচ্ছেদের সাক্ষর নিখুঁত হতে হয়।
হা হা হা হা হা হা...