ইউজার লগইন
ব্লগ
আঁধার আলোর বৃষ্টিবিলাস..[এলোমেলো কাব্যকথন!]
কোন এক ঘুম ঘুম দিনের শেষে..
দুচোখের পাতায়;
তখনো -
ফেলে আসা দিনের,
স্বপ্নছোঁয়ার স্মৃতি..।
সবুজের ক্যানভাসে,
কোন চীরসবুজ শিল্পীর;
কোমল তুলির অমর আঁচড়..
আঁধার গড়ানো শহরের,
সকল আলো গড়ানো প্রান্তরে..
হৃদয়ের স্পন্দনে যখন,
যুদ্ধজয়ের গান..
পঁচিশ হাজার তিনশ এগারো থেকে,
সতের কোটি হয়ে যায় -
ওরা এগারো জন..।
ঘুম ভেঙ্গে দিয়ে যায়,
আনন্দ আভার পরশে;
মৃদু আলো হাসির সুর..
অনেক দেরি হয়ে যাওয়া,
সন্ধ্যার রাস্তায়..
বিকেলের নরম আলোর পথে,
হঠাত্ মেঘলা মনের ছায়া..।
দিনের আলো নিভতেই,
মেঘেদের হাঁতছানি..
কত্ত কত দিনের শেষে,
পাগলা হাওয়া -
আবারো এলোমেলো চুল..।
জানলার কাঁচে,
উড়ে যাওয়া পর্দার গায়ে জল;
ভালবাসা মেঘকণা..
মেঘবালিকাকে,
না বলা কথার উত্তর -
মেঘের চিঠি..।
ধোঁয়া উড়া কফি টেবিল জুড়ে -
স্মৃতির রাজ্যপাট,
কাছের দুরের যত প্রিয়মুখ;
প্রিয়ক্ষণ..।
কাজী ফজলুর রহমান ও আমাডের স্বাধীনতাপরবর্তী সময়
রাজনৈতিক বিরোধিতাই হয়তো এর প্রধানতম কারণ কিন্তু আমাদের পরিচিত বুদ্ধিজীবীদের ভেতরে ৭৫ পূর্ববর্তী সময় নিয়ে এক ধরণের অলিখিত নিরবতা বিদ্যমান। আমাদের ঔপন্যাসিকদের ভেতরেও স্বাধীনতাপরবর্তী সময়ের অব্যবস্থাপনা নিয়ে বৃহৎ পরিসরে উপন্যাস লেখার প্রবনতা কম। এই নিরবতার গ্রহনযোগ্য অনেক কারণই হয়তো আছে তবে আমার ধারণা যারা পরিচিত বুদ্ধিজীবী তাদের প্রত্যেকেরই এক ধরণের সেক্যুলার মানসিকতা ছিলো, তারা স্বৈরতন্ত্র বিরোধী ছিলেন এবং বাঙালীর মুক্তি সংগ্রামের নায়ক হিসেবে শেখ মুজিবর রহমানের প্রতি তাদের এক ধরণের অন্ধ পক্ষপাত ছিলো এবং আছে। তারা মুজিবের অর্জন বিষয়টা যতটা ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে-ফেনিয়ে উপস্থাপন করতে আগ্রহী, মুজিবের শাসনতান্ত্রিক অদক্ষতা এবং তার চারপাশে ভীড় করে থাকা রাজনৈতিক সুবিধাপ্রত্যাশী মানুষদের বিষয়ে কথা বলতে তারা ততটাই অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।
সেই পাহাড় আর নদীর গল্পটি (দুই)
অরণ্যকে ঠকানোর কষ্টটা আজকাল রিয়ার মনে খুব বাজে। বিবেকের এই চাপ সে আর সহ্য করতে পারছে না। অনেক ভেবে সে ঠিক করল যাই হয় হোক, এভাবে আর না। সে সব অরন্যকে খুলে বলবে, তারপর অরন্য যে শাস্তিই দিক, তাই মেনে নিবে। রাতে খাওয়া দাওয়া শেষ হয়ে যাওয়ার পর অরন্য স্বভাবমতো তার স্টাডিতে গিয়ে বসলো সেদিনও। রিয়া স্বপ্নকে শুইয়ে দিয়ে এসে অরন্যের চেয়ারের পাশে হাটু মুড়ে বসল। পুরো বাড়িটা নিস্তব্ধ। রিয়া এ ঘরে আসার সময় হলের বাতিটাও নিভিয়ে দিয়ে এসেছে, আলো পাগল রিয়া এখন যতোটা সম্ভব অন্ধকার চায়। মুখ লুকিয়ে আজ অরন্যের কাছে তাকে আসতে হবে। আলোতে, অরন্যের চোখে চোখ রেখে একথা কিছুতেই রিয়া তাকে বলতে পারবে না। এভাবে পায়ের কাছে নতজানু হয়ে রিয়ার বসে পরা অরন্যকে হতভম্ব করে তোলে। কি হয়েছে রিয়া, বলে রিয়ার মুখে হাত রাখতেই দেখতে পায় অঝোরে রিয়ার চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে যাচ্ছে। দ্রুত রিয়াকে তুলে পাশের সোফায় ব
একটা আনন্দের ব্লগ লিখি
আমাদের জীবন তো নানা বিপর্যয় আর দুর্ভাবনায় ভরা। আজকে আর সেসব কথা না বলি। বরং বলা যাক, আনন্দময় কিছু কথা।
ক্রিকেট আমি ততোটা বুঝি না, যতোটা বুঝলে একটা ম্যাচকে বিশ্লেষণ করা যায়। আজকের ম্যাচটাকেও বিশ্লেষণ করার ক্ষমতাও আমার নেই। আমরা জিতেছি, সেটাই বড়ো কথা। হারলে বিশ্লেষণ করার জন্য লিখতে বসতাম না।
খেলা যে সবসময় দেখার সুযোগ হয়, তা নয়। ক্রিকেট বা ফুটবল নিয়ে আমার বিশেষ কোনো উন্মাদনাও নেই। বাংলাদেশ বিশ্বপর্যায়ে ক্রিকেট খেলছে - ভালো-খারাপ যা-ই খেলুক - সেজন্যই এটা নিয়ে আগ্রহ বোধ করি। বাংলাদেশের খেলা থাকলে আবেগও ভর করে। সেই আবেগকে আবার তুঙ্গে নিয়ে যেতে সহায়তা করে আমার লিটল প্রিন্সের হৈ হল্লা, চিৎকার, উন্মাদনা। আমার বাসায় অবশ্য অনেক বাচ্চাকাচ্চা। কোনো-না-কোনো উপলক্ষ্যে আমার ভাইবোনের ছেলেমেয়েরা সব দল বেঁধে হৈচৈ করে। সেটা মাঠের হৈচৈ-এর চেয়ে কম নয়!
পাগলের দিনলিপি (পঁচিশ)
বিচ্ছেদের অক্ষর সারিতে দেখি বসে আছে
আমার নিজের নাম। সাক্ষরে সাক্ষরে বিচ্ছেদের মুক্তি
দরজায় কোনো পাহারাদার দাঁড়িয়ে নেই।
এতোকাল নিজেই পাহারা দিচ্ছিলাম
আজ থেকে আসলে চাকুরী নেই...
এইবার তবে ক্ষয়ে যাবে স্যান্ডাল, ঠিকানা, পরিচয়, নামাবলী।
নিজেকে সাজিয়ে তুলে রাখবো কখনো সখনো
আহা! এমন বালখিল্যতা মানেই বিচ্ছেদ!
বিচ্ছেদ সাক্ষরে আগুন থাকার কথা
শুনতে পাই...অথৈ জলরাশি স্রোত কেটে
আমি বহুদূর চলে গেছি; আগুনের শিখা?
কোথাও জ্বলেনি তারা।
বিচ্ছেদের জল লুকিয়ে লুকিয়ে চলতে হয় বলে
ভাব দেখাই, জলেরো দেখা নেই
কেবলি বিচ্ছেদ চলে।
সাক্ষর এবং সাক্ষরহীনতা খেলা...
আমি এখন রাতের স্বপ্নে আর দিনের ব্রেক কে বাদ
সাক্ষর চর্চায় আছি, বিচ্ছেদের সাক্ষর নিখুঁত হতে হয়।
হা হা হা হা হা হা...
একটা ছবির গল্প
শওগাত আলী সাগর
কাগজটার উপর চোখ পড়তেই দপ করে মেজাজটা বিগড়ে যায়। এক টুকরো সাদা কাগজের বুকের উপর রং পেন্সিল দিয়ে তৈরি করা বিচিত্রসব রেখাগুলোর উপর দিয়ে আমি বর্ণর চোখের দিকে তাকিয়ে থাকি। ওর চোখে মুখে দুষ্টুমি খেলা করে যায়। আমি রেগে গেলে মেয়েটি রাজ্যের দুষ্টুমি দিয়ে সেই রাগকে হালকা করে দেওয়ার চেষ্টা করে। এতে আমার রাগের মাত্রাটা উর্ধ্বমুখি হতে থাকলেও সেটা শেষ পর্যন্ত দপ করে নিভে যায়। এই বিষয়টা মেয়েটা জেনে গেছে বলেই হয়তো বা আমার রাগকে মোটেও পাত্তা দিতে চায় না সে।
- আমি তো একটা ছবিই আঁকলাম। দেখো, দেখে বলো ছবিটা কেমন হয়েছে।– আমার রাগটাকে একেবারেই পাত্তা না দিয়ে বলে যায় সে।
কি হবে?
আমার বাসার কাজের মেয়েটা ক্লাশ ফাইভ পাশ। কাল একটা ঔষধের শিশি হাতে নিয়ে আমাকে বলছে --আপা এটা কোথায় রাখব।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম---- কি এটা?
সে খুব স্বাভাবিক ভাবেই পড়তে শুরু করে দিল--হ্রসসই ভিটামিন।
------- হ্রসসই ভিটামিন? :।
সে আবার ও পড়ল এবং বলল -----হ্রসসই ভিটামিন।
হা হা করে হাসতে হাসতে আমার বিষম খাবার অবস্থা।
এটা হল " ই ভিটামিন। ই = রসসই , আঞ্চলিকতার টানে তা হয়ে গেছে হ্রসসই।
একদিন বাসায় একটুও তেল নেই রান্না করব। ঐ মেয়ের বাবাকে ডেকে তার হাতে একটি তীর সয়াবিন তেলের পাঁচ লিটারের খালি ক্যান দিয়ে বললাম এমন একটা পাঁচ লিটারের ক্যান নিয়ে আসেন। হাতে দিলাম ১০০০টাকার একটা নোট। সে গেল তো গেল একেবারেই চলিয়া গেল আর ফিরিয়া আসিল না। বাধ্য হয়ে আমি নিজে যেয়ে একলিটার তেল কিনে আনলাম।
অভাগ ভালবাসা
সুভলং পাহাড়ের শীতল ঝর্ণা,
বয়ে যাওয়া কাচালং,কর্ণফূলী নদী,
পাহাড়ে ফুটে থাকা অজস্র ফুল,
সাড়ি সাড়ি সবুজ বৃক্ষ রাজি,
পুরী রাজকন্যার সাথে করে বাজি,
স্বগৌরবে সবাই বলে;
পুরী তোমার চেয়ে আমি বেশি সুন্দর,
পুরী কন্যা হেসে বলে;
দেখো আমার অপরূপ রূপের জ্যোতি,
মায়াময় মূখখানি অতি,
ফুল বলে দেখো আমার দেহের রং কত সুন্দর,
দেহখানি মোর যৌবন ময়,
তাই দেখে পাখি আর ভ্রমরের দল কত পাগল হয়,
আদরে হাত বুলায় পাহাড়ীরা এসে,
তারা আমায় সাথে নিয়ে যায় কতইনা ভালবেসে,
পুরী কন্যা হেসে বলে;
বলো নাখে এমন কথা দুঃখে বুক ফেটে যায়,
কেমন তাদের ভালবাসা তোমাকে মেরে ফেলায়,
তার চেয়ে দেখো আমি কত পাই যত্ন,
ভালবেসে প্রিয় মোরে দিয়েছে হীরা মুণি মুক্তো রত্ন,
আর তুমি কি পেলে?
ফুল হেসে বলে;
হোক আমার জীবন অতি ক্ষণিকের,
আজীবন ভালবাসা পাই আমি অনেকের,
পুরী তুমি কর ছটফট ভালবাসা নিতে,
সেই কথাটা পুরোপুরি বলা যায় না
সেই কথাটা পুরোপুরি বলা যায়না ।
তারচে বরং পুড়তে বল,
চোখের কিছু ঝিলিক দিয়ে ধরিয়ে দাও
দেহমনে দাহ্য হয়ে কৃষ্ণচূড়ার ফুল হয়ে যাই।
দুধকলার বাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া বীণের ভীতি
ফণা ধরতে শেখার আগেই গুড়িয়েদিলাম
যেমন তেমন কালসাপ আমি?
ভিষণ নীলে রাঙিয়ে দিব সেই কথাটা,
কিন্তু তখন বিষ উড়ে যায়!
আমার কুয়োর জলে মেঘ হয়,
ধানের বুকে দুধ হয়,
রাজার ছেলেই রাজা হয়।
শুধু বলা হয় না ।
সেই কথাটা পুরোপুরি বলা যায়না ।
পাগলের দিনলিপি (চব্বিশ)
..............................................................................
................................................................................
..............................................................................
..........................................................................
..........................................................................
তোমার কালির রঙ নীল ছিলো
তুমি তাড়াহুড়ো করে এলে তারপর কীসব
লিখে রেখে গেলে আমার ভূগোলে।
দিক হারা আমি তখন স্বদেশ চিনি নাই...
আমার কেবলি মনে পড়ছিলো তখন ক্ষণে ক্ষণে
কোনো এক পাহাড় পুড়েছে খ্রীষ্টেরো আগে
সেই পাহাড়ের ধার ঘেষে এখন দাঁড়িয়ে থাকে ব্যবসায়িরা
আর নারীরা অপেক্ষা মেলে দিয়ে তাকিয়ে রয়েছে
সুরমায় রাঙাবে তাদের জলের ছোঁয়া মাখা চোখ...
আমার তখন ইচ্ছে করছিলো সুরমার অঙ্গারে তোমাকে,
নাম বিভ্রাট
আমাদের বাসায় এক বুয়া কাজ করত, আমরা ডাকতাম বুবু, মা ডাকত জানেহারের মা বা সুলতানের মা। বিশ বছরেরও বেশি সে কাজ করেছে আমাদের বাসায় (গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ডে নাম ওঠার কথা!)। আমাদের ওপর সমানে খবরদারি করত, আমরা বলতাম মায়ের পিএস। এখন অনেক বয়স তার, তবে মাঝে মধ্যেই বাসায় আসে, আমাদের খোঁজ নেয়, সারাদিন থেকে মায়ের সাথে গল্প করে চলে যায়। এটা ২০০৪ সালের কথা। তখন আমি যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানার বল স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছি। খবর পেয়ে সে এসেছে দেখা করতে। আমি বাসায় নেই। মাকে জিজ্ঞেস করছে,
......
আম্মা, ভাই নাকি বিদেশ যাছে? কতি?
আমেরিকা
আমেরিকায় কতি? বুশের বাড়ির কাছে নাখি? বুশকে মাইরতে পাইরবে না? (তার নাতির নাম আবার সাদ্দাম)
এবার আমার ছোট বোন লুম্বিনী বলছে যে,
না, দাদা যাবে ইন্ডিয়ানা, বুশের বাড়ির থেকে অনেক দূরে।
প্রণয়প্রপাত / মুহাম্মাদ আমানুল্লাহ
শব্দের জরায়ু ছিড়ে মিশে যায় রাত,
নদীর দু’তীর ভাঙ্গে নায়েগ্রা প্রপাত।
ত্রিভুজ বিদীর্ণ করে লাঙ্গলের ফণা-
অধীর আদম বুনে আনাজের কণা।
সমুদ্র ভেলায় ভাসে লখিন্দর ; ভাঙ্গে ঢেউ উপকূল মহুয়ার বন,
ধুশর মাঘের রাত- প্রণয় শিখায় পুড়ে কামরাঙ্গা বেহুলার মন।
১৩.০৩.২০১২ইং
চট্টগ্রাম।
সেই পাহাড় আর নদীর গল্পটি
টিক টিক টিক টিক শব্দ ছাড়া ঘরে আর কোন শব্দ নেই এই মুর্হূতে। সারা বাড়িটাকে একটা মৃত্যু শীতল নীরবতা ছুঁয়ে আছে। এ বাড়িতে এখনো কিছু বেঁচে আছে, প্রাণপনে সেটা জানান দিতে চেষ্টা করে যাচ্ছে হাবা কালা এই ঘড়িটি। কোথায় কি হচ্ছে, বাড়িতে কার মনের কি অবস্থা, কিছুই বুঝতে পারে না, বোকার মতো কাটা ঘুরিয়েই যায় সারাবেলা। ভর দুপুর হলেও এঘরটাতে এখন সন্ধ্যা নেমে আছে যেনো,আলোছায়ার খেলায়। এই বসার ঘরটার সামনের জানালায় বসলে বাইরের রাস্তাটা সরাসরি দেখা যায়। আর জানালাটার ঠিক পাশেই গোলাপী বোগেনভিলার ঝাড়। ঝাড়টা বড় হয়ে গেলেই ঝুঁকে এসে জানালাটার অনেকটা ঢেকে দেয়। তখন বসার ঘরটা অনেকটা অন্ধকার দেখায়। এতে একটা সুবিধে হয় রাস্তা থেকে ঘরটাকে আর সরাসরি দেখা যায় না যদিও ঘর থেকে রাস্তাটাকে ভালোই দেখা যায়। জানালার উপর আছে গাঢ়ো মেরুন রঙের ভেলভেটের পর্দা। সকালটা যখন পেকে উঠেছিলো, তখন চোখে অনেক আলো লাগছিলো বলে পর
আবোল তাবোল - ৮
#
যে কোন লেখা, বিশেষত ব্লগরব্লগরের ক্ষেত্রে সবচাইতে বড় সমস্যা বোধহয় একটাই - তা শুরু করা!
মাথার ভেতর রাজ্যের যত চিন্তাভাবনার দৌড়াদৌড়ি কিন্তু লিখতে নিলেই সব উধাও। সবাই যেন বাইরে যাবে বলে এক্কেবারে ফুলবাবুটি সেজে রেডি কিন্তু সময় হলে কাউকেই পাওয়া যায় না। এ ঠেলে ওকে, ও ঠেলে তাকে। এই চলতে থাকে, আর লেখা হয় না। আজ তাই আর এত চিন্তা ভাবনার দিকে না যাই, আজ ডাইরেক্ট একশন। যা যা মাথায় আছে থাকুক, টাইপিং শুরু করলাম যা লেখা হবার হোক!
#
অনেক দিন হল আবোল তাবোল কিছু লিখিনা। ভাল লাগতেছে না ব্যাপার টা।
আসলে, কাহিনী হইল কিস্যু ভাল্লাগেনা! দিনে দিনে দিনকাল এমন হইছে যে একটা কিছু মনোমত হয়না। সবার সাথে খালি ঝামেলা হয়, তাই এখন সবার কাছ থেকেই একটু দুরে দুরে থাকার চেষ্টায় আছি। এইসব প্যানপ্যানানি কথাবার্তা লিখতেও ভাল্লাগেনা। এই মন নিয়া ভাল কিছু লেখার উপায় আছে!
ভাবনার ডানায় ভেসে
নীলচে ভাবনা গুলো ভাসে এলোমেলো বাতাসে
ধোঁয়াশা সীমানায়।
জানবেনা কেউ কোনোদিন, ধুসর মেঘের উড়ুক্কপনার কারণ
হলদে ঘাসের বিরহ সংবাদে গড়িয়ে যাওয়া অশ্রু উপহার।
উড়তে থাকা পুরোনো খবরের কাগজে
সংবাদের দায় একান্ত নিজস্ব সুখানুভুতির বিশ্লেষ।
ছিন্ন করতে করতেও, আবার গড়বার প্রচেষ্টায় সম্মোহনী ভাবনার অনুবাদে
তোমার অতৃপ্তি থাকতেই পারে;
তবুও, চিলতে বারান্দায়
ঘর বোনা চড়ুইয়ের গানে যেটুকু মাধুর্য্য থাকে,
তাতে ভর করেই ছুড়ে দেই তীব্র মন্ত্রপুত তীর।
লক্ষ্যভেদের আশঙ্কা কিংবা ইচ্ছা ছাড়াই...