ইউজার লগইন
ব্লগ
ইভিনিং এমবিএ
বুয়া আসে না ঠিকঠাক। সকাল বেলা খাওয়া হয় না নাস্তা তাই দিনগুলো যাইতেছে এ্যাসিডিটিময়। যদিও এক আতেল বন্ধুর সামনে গ্যাস্ট্রিক শব্দটা বলে যে বিপদে পড়ছিলাম। সেই আতেল বলে 'গ্যাস্ট্রিকের ব্যাথা কথাটা বলবে রিকসাওয়ালারা তুই কেনো বলবি?' আমি ইন্সাল্টের ঠেলায় আর কোনো কথা বলি নাই। কিন্তু সেই আতেল বন্ধুরে পাইতেছি না পাইলে তারেও এই কিসিমের একটা ইনসাল্টিং বাশ দেয়ার প্ল্যান আছে। বুয়া নানা উসিলায় আসে না। সেইটা সমস্যা না সমস্যা হলো বুয়ার কথা বলার ধরন দেখলেই মেজাজ খারাপ হয়। যদি তাকে জিগেষ করা হয় বুয়া আসেন নাই ক্যান?
বসন্ত-যন্ত্রণা….নীলাঞ্জনা নীলা
**সুমনা যাকে আমি ভুলে যাই , কিন্তু ঋতু বসন্ত ভুলতে দেয়না**
সেই মূহুর্তে চোখ বন্ধ করি ।
অনুভূতির সব কয়টি দরোজা-জানালা লাগিয়ে দেই দ্রুততার সাথে
যেনো কিছুতেই ঝড়ের মাতমে ভেঙ্গে না পড়ে ওপরের ছাদ
ধূলো-বালিতে ভরে না যায় মস্তিষ্কের যন্ত্রপাতি ।
আবেগ আর বিশ্বাসে যেনো না পড়ে টান ,
একটুকুও যেনো কমতি না হয় প্রেমের ।
যদিও ইচ্ছে করে আদিম অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে মুখোশ পড়া মুখে
কিছুতেই পারিনা ।
তাইতো মনের ইচ্ছেগুলো কে অজ্ঞান করে রাখি ।
কোথায় আর থাকে !
চেতনানাশক ঔষধটা যে ভেঁজালে ভরা---
তোমাকে ভালোবাসার শাস্তি পাচ্ছে এই চোখ-অনুভূতি-মন-ইচ্ছে ।
অন্যদিকে তুমি নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়াচ্ছো এখানে-সেখানে ;
আর তোমার বুকে , চোখে , শরীরের সবখানে , মনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে আমিহীন কারুকাজ ।
হৃদয়ে নাকি ভালোবাসা থাকে , আর আমি প্রেম কে ধারণ করেছিলাম অস্তিত্ত্বে (মানে এই নিঃশ্বাসে )।
কেন এমন হয় ?
ডায়েরি ১
ভেতরটায় একটা জন্তু ডাকছে । একটানা অনবরত ; নীল মাছি ভরা মৃতদের মচ্ছবে । সমুদ্র সঙ্গমে চলে গেছে কয়েকটি নদী ; আর ফিরে আসবে না বলে ।
এদিকে শুকিয়ে কাঠ অই বদ্বীপ । বুনো অন্ধকার বিষণ্ণ করে দেয় তোমার পতিত জমিন ।তির তির করে কাপতে থাকে প্রথম বোতাম খোলার অস্থির উল্লাস । ঘাসের বুক থেকেই শুকিয়ে যায় শিশিরস্মৃতি ।তোমার চোখে ভর করে বিষ কন্যার দৃষ্টি ।
অস্থির হয়ে জন্ম নেয় মহাস্থানগড়ের ভোর । আর খিস্তি খেউরের ফুল্কি ছোটে ক্রমশ একটি কাকের মুখ থেকে ।
প্রবল পৌরুষ আর্তনাদ শোনা যায় সহর সভ্যতার। মিথস্ক্রিয়ায় জন্ম নেয় নতুন দুঃস্বপ্ন ।
এবার মনে হয় সময় হল নীলকণ্ঠ হবার ।
অস্কার পুরস্কার পছন্দ হয়নি
জ্বরের কারণে চারদিন বাসায় ছিলাম। সময় অবশ্য খারাপ কাটেনি। বাসায় এমনিতেই থাকা হয় না, বাচ্চারা মিস করে। আমিও করি। উপরি পাওনা ছিল টানা কয়েকটি সিনেমা দেখা। বিশেষ করে এবারের অস্কার পাওয়া অনেকগুলো ছবি পর পর দেখলাম। সেই সব মুভি নিয়েই লেখা।
সিনেমাগুলো দেখে মনে হলো এবারের পুরস্কারের নির্বাচন সঠিক হয়নি। এটা আমার ব্যক্তিগত মত। সবার সঙ্গে মিলবে না তা বলাই যায়। লীনার সাথে তো মিলছেই না। কারণ লীনা জীবনে প্রথম বারের মতো মুভি নিয়া পোস্ট দিছে, দি আর্টিস্ট দেখে মুগ্ধ হয়েই তো।
প্রতারণার কলম্বাস
হীরকরাজার সবুজদ্বীপে যাবনা যাবনা
ঠাকুরমার ঝুলি কক্ষোনো পড়বোনা
গোয়ালে গোরু, কুমারীত্ব লুপ্তপ্রায়
পতি পরম গুরু, রমণীর চরণতলায়৷
বাংলার বধুর মধুমাখা বুক ফাটিবে
পুরুষদের লালসায় ধর্ষিত হলেও
অকুমারীর দোষে নয়নে নীরব ভাষা
পুরুষের কৌমার্যের দাপট রীতিতে
দাসী রমণীর মুখ ফুটিবে না।।৷
ধর্মের মহিমাই মানবাত্মার উচ্চতান
আবার ধর্মই পৈশাচিকভাবে
পতিতের গলায় চাপে আসুরের পা
ইহাতে ধর্ম যন্ত্রেরই বা কী দোষ!
মাথার ওপরে ধর্মের দীর্ঘশ্বাস
আদতে শুধু প্রতারণার কলম্বাস
শকুনের মত দৃষ্টিহানা অপাঙ্গ
অন্তঃপুরে অর্থলোলুপ শরীরি-বিভঙ্গ।।।।৷
এলেবেলে নামগুলো
(নিকোলাসের নাম কীর্তণ লেখাটা পড়ে...)
আমার দেখা, শোনা এবং পরিচিত অনেক মানুষ আছেন- যারা অদ্ভুত কিছু নাম নিয়ে চলাফেরা করছেন। এসব নাম শুনলে, নামের পেছনের মানুষটাকে না চিনলে আপনার পক্ষে বোঝা মুশকিল হবে যে- সে পুরুষ না মহিলা। এসব নাম সংক্রান্ত একটি লেখা বোধ করি অনেকদিন আগে কোথাও লিখেছিলাম। এ মূহুর্ত্যে ঠিক মনে করতে পারছিনা।
পাগলের দিনলিপি (একুশ)
................................................................
................................................................
..................................................................
................................................................
...............................................................
...............................................................
একটা মেঘে ঢাকা সকাল বেরিয়ে এলো,
তার জিহ্বার মতো পথ বেয়ে চলে গেলো
একটা ভাড়া খেটে বুড়ো হয়ে যাওয়া
নিখাদ স্কুটার। চলে গেলো শহরের পেটে।
শহরের ক্ষুধা মিটিয়ে দেবে বলে দলে দলে
হেটে চললো গার্মেন্ট কন্যারা, উপন্যাসে নাম লিখে
রেখেছে তাদের বিবিধ চুলের ফ্যাশন দুরস্ত লেখকেরা।
তাদের ছায়ায় ছায়ার স্কুলের কিছু বালক-বালিকাও
ব্যাঙ লাফে, ব্যাঙ লাফে চলে যাচ্ছে নিরাপত্তাহীন
পরীদের শহর থেকে... (২)
( এই ছবিটা রমণীয় পা সন্ধানীদের জন্য
)
থাইল্যান্ডের ডাকনাম "হাসির দেশ" আর ব্যাংককের সদা হাস্যময় মানুষ সেই নামের মর্যাদা ভাল ভাবেই রেখে চলে। এখানকার মানুষের ব্যবহারের কারণে পর্যটকরা বারবার এখানে আসে। অত্যধিক উন্নয়ন-জনিত নির্মাণ আর সামুদ্রিক উচ্চতা বৃদ্ধিতে ব্যাংকক শহর বছরে ২-৫ সে.মি. ডেবে যাচ্ছে। ফলে অদূর ভবিষ্যতে এটি ভেনিস শহরের মত ডুবন্ত শহর হয়ে যাওয়ার কিঞ্চিত সম্ভাবনা বিদ্যমান। তবে, ব্যাংকক শহরের মধ্যে দিয়ে অনেকগুলি খালে পানিপথে চলাচলের সুযোগ থাকায় একে “প্রাচ্যের ভেনিস” বলা হয়।
রহস্যের চোরাগলি (একদিন মায়াপুরী ভ্রমণ )-----------নীলাঞ্জনা নীলা
সুখের গালে চিমটি দিয়ে
ভালোবাসা শেখাবো তোমায়
তুমি কিভাবে যাবে ?
এখানে সীমিত পথ ।
আমার রোদ , বৃষ্টি আগলে রাখে
মায়াপুরী ।
কিছুদূর এগুলেই নিশ্চিন্তের শয্যা
ঠিক ওখানেই ঘুমুবে
উপত্যকার ছায়ায় ।
তারপর ,
স্নান হবে আমার শিশিরে ।
ভেঁজাবো তোমার মাটি
আলতো রোদে জড়াবো শরীর
আবীর হয়ে ।
এই এখানেই এখন
তোমার বসত - বাটি ----
প্রতি রাতে চাঁদের আলো
রেশমী শাল পড়ে উষ্ণ উত্তাপের
স্নিগ্ধতার গানে ঠোঁট নাড়াবে
তখনও কি ভাবনায়
আমি নেই ?
অন্ধকার রহস্যের পাঁজরে জন্ম নেয় যদি
তোমার শিশু ,
চলে যাবে ?
অসম্ভব !
তুমি যে ভালোবাসায় আটকে গেছো
গোপন চোখের চোরাবালিতে ।
ল্যুভেন - লা - ন্যুউভ , বেলজিয়াম
৩০ - ১২ - ০৯ ইং ।।
সোহেল ভাই ০১৬
ফারুকের বাসার দরজায় দাঁড়িয়ে আমরা ক'জন, এর মধ্যেই হাজির হলো নান্টু,
আজকে একটা কান্ডই হইছে, বুঝলি, বাসের জন্য দাঁড়ায় আছি, সুন্দর মতো একটা মেয়ে এসে বললো কেমন আছেন? আপনাকে অনেক দিন পর দেখলাম।
আমি তো পুরাই তব্ধা খায়া গেলাম, মাইয়ার দিকে তাকাই, হাসি দিয়া কি কমু বুঝি না। ভাবলাম কিছু একটা কওন দরকার, কইলাম হুমম, অনেক দিন দেখা হয় নাই, ভালো আছো তুমি?
মাইয়া আমার দিকে তাকায়া বললো আসি ভাইয়া।
তোর তো হয়ে গেলো বন্ধু, মেয়ের নাম কি?
আরে বাল গত ২ ঘন্টা ধরে তো সেইটাই মনে করার চেষ্টা করতেছিলাম জ্যামে বইয়া বইয়া।
কোথায় দেখা হইলো?
কই আবার ইউনির সামনে দেখা হইলো, এইখানে আসবার আগে আগে
রাশেদ বললো , কোন বাসে উঠছিলো খেয়াল আছে?
বিআরটিসি
বিশেষ ভাবে এই দিনটি পালন করার কি বিশেষ কোন প্রয়োজন আছে !
পাগলের দিনলিপি (বিশ)
তুলো বনে ওলো শিমুল কেমন উড়ো?
উড়ো চিঠি তোমার পাখায় কদ্দূরে যায়?
শব্দরাশি আজ আকাশে বাতাস পেলে
কোন নিয়মে সহজ ভাবে বাক্য থাকে?
গাঁথুনিতে কি মেখেছো তাদের শরীর
আটকে দিতে? ভাব প্রকাশের অস্ত্রগুলো
কেমন সজীব নিপাট উড়েছে দিবানিশি
এতো উড়েও কেমন করে চিঠির খবর শান্ত থাকে?
তুলো বনে ওলো শিমুল উড়তে উড়তে ক্লান্ত হলে
কোন ছায়াতে আবীর মেখে রোদ্দুরকে বিশ্রাম দাও?
আমার বেলায় আলসেমিতে আয়েশী এক ছন্দ খেলে
জল ছলছল কান্না এলে চোখের পরিধী যায় ভেসে যায়
পৌরুষেরে ভেংচি কেটে আমার নাগাল পেরিয়ে যাবার
সময় মেনেছো, অথচ আমার অশ্রু মাখা শব্দে শব্দে
প্রাচীন কঠোর বিশ্বাসেরা ঠিক কেঁদেছে বিষম বেলা।
কৃষ্ণরে দেখি রাইয়ের পায়ের ধুলো মেখে কাঁদায় কাঁদায়
মান ভাঙানোর কঠিন খেলায় লেগে আছে অবিরত দিন
রাইয়ের নিকট চকচকে চোখে করুণ তাকায় অবতারে,
তার পৌরুষে কালিমা লাগেনি এমন আবেগী প্রকাশ হলে।
এই মোটামুটির উপর পার করা একটা দিন!
লিখতে চাচ্ছিলাম আরেক জিনিশ কিন্তু এখন আর তা লেখতে মন টানছে না। আর জানাযার নামায পড়ে এসে কারো মন মেজাজ ভালো থাকবে এইটা শাওনের জামাই এর লেখা উপন্যাসের হিরোদের পক্ষেই সম্ভব আমার জন্য না। আমি গড় পড়তা একজন মানুষের চেয়েও সাধারন মানুষ তাই জানাযার নামায পড়ে এসে আমার মন ভালো থাকেনা। কিছুদিন আগে আমি মসজিদ ভাঙ্গা নিয়ে কিছু লেখছিলাম সেই মসজিদেরই বড় ইমাম মারা গেছে। সকাল বেলাতেই এই খবর পেয়েই ৭ টায় ঘুম ভাঙ্গছে। যিনি মারা গেছেন তিনি নোয়াখালীতে। তার লাশ সন্ধ্যায় আসবে তার বানানো মসজিদ মাদ্রাসার সামনে। তিনি কেমন লোক ছিলো আমি জানি না জানতেও চাই নাই কোনদিন। খালি আমার আর পুলকের সাথে দেখা হলেই বলতো বাজান আফনে কেমন আছেন?
কয়েকটা ভাল লাগা ছবি ও ক্ষয়ে যাওয়া আমি
কি জ্বালাতন বল দেখি?
সাম্প্রতিক পাঠানুভুতি
কম্পিউটার বিগড়ে গেলে ভুলে যাওয়া বই পড়ার অভ্যাস ফিরে আসে, যদিও গত বইমেলায় কেনা অনেক বইই পড়া হয়ে উঠে নি, তারপরও পল্টনের ফুটপাতে কিংবা আজিজের সুদৃশ্য তাকে সাজানো বই দেখি সময়-সুযোগ পেলে, পকেটে টাকা থাকলে কিনেও ফেলি, কিন্তু কম্পিউটার পাঠাভ্যাসে বাগড়া বাধায়। গত সপ্তাহে বেশ অনেক দিন ঠিকঠাক চলার পর হঠাৎ করেই কম্পুবাবাজী ফেল মারলেন, দীর্ঘদিন ধরে বুকমার্কে রকমারী অন লাইন বইয়ের বাগান সাজিয়েছিলাম, কোনো কোনোটার বেশ কিছু অংশ পড়াও হয়েছিলো, সেইসব বুকমার্কের অধিকাংশ বই আসলে কোনো না কোনো প্রয়োজনে পড়া শুরু হয়েছিলো, প্রয়োজন মিটে যাওয়ার পর আর জ্ঞানতৃষ্ণায় ঝাপিয়ে পরি নি শেষ করতে, কম্পুবাবাজী বিগড়ে যাওয়ার পর এখন সেই স্মৃতিরোমন্থন করে কোনো লাভ নেই। আমি প্রতিদিনই আগের দিনের স্মৃতি ভুলে যাই
