ইউজার লগইন
ব্লগ
এলেবেলে নামগুলো
(নিকোলাসের নাম কীর্তণ লেখাটা পড়ে...)
আমার দেখা, শোনা এবং পরিচিত অনেক মানুষ আছেন- যারা অদ্ভুত কিছু নাম নিয়ে চলাফেরা করছেন। এসব নাম শুনলে, নামের পেছনের মানুষটাকে না চিনলে আপনার পক্ষে বোঝা মুশকিল হবে যে- সে পুরুষ না মহিলা। এসব নাম সংক্রান্ত একটি লেখা বোধ করি অনেকদিন আগে কোথাও লিখেছিলাম। এ মূহুর্ত্যে ঠিক মনে করতে পারছিনা।
পাগলের দিনলিপি (একুশ)
................................................................
................................................................
..................................................................
................................................................
...............................................................
...............................................................
একটা মেঘে ঢাকা সকাল বেরিয়ে এলো,
তার জিহ্বার মতো পথ বেয়ে চলে গেলো
একটা ভাড়া খেটে বুড়ো হয়ে যাওয়া
নিখাদ স্কুটার। চলে গেলো শহরের পেটে।
শহরের ক্ষুধা মিটিয়ে দেবে বলে দলে দলে
হেটে চললো গার্মেন্ট কন্যারা, উপন্যাসে নাম লিখে
রেখেছে তাদের বিবিধ চুলের ফ্যাশন দুরস্ত লেখকেরা।
তাদের ছায়ায় ছায়ার স্কুলের কিছু বালক-বালিকাও
ব্যাঙ লাফে, ব্যাঙ লাফে চলে যাচ্ছে নিরাপত্তাহীন
পরীদের শহর থেকে... (২)
( এই ছবিটা রমণীয় পা সন্ধানীদের জন্য
)
থাইল্যান্ডের ডাকনাম "হাসির দেশ" আর ব্যাংককের সদা হাস্যময় মানুষ সেই নামের মর্যাদা ভাল ভাবেই রেখে চলে। এখানকার মানুষের ব্যবহারের কারণে পর্যটকরা বারবার এখানে আসে। অত্যধিক উন্নয়ন-জনিত নির্মাণ আর সামুদ্রিক উচ্চতা বৃদ্ধিতে ব্যাংকক শহর বছরে ২-৫ সে.মি. ডেবে যাচ্ছে। ফলে অদূর ভবিষ্যতে এটি ভেনিস শহরের মত ডুবন্ত শহর হয়ে যাওয়ার কিঞ্চিত সম্ভাবনা বিদ্যমান। তবে, ব্যাংকক শহরের মধ্যে দিয়ে অনেকগুলি খালে পানিপথে চলাচলের সুযোগ থাকায় একে “প্রাচ্যের ভেনিস” বলা হয়।
রহস্যের চোরাগলি (একদিন মায়াপুরী ভ্রমণ )-----------নীলাঞ্জনা নীলা
সুখের গালে চিমটি দিয়ে
ভালোবাসা শেখাবো তোমায়
তুমি কিভাবে যাবে ?
এখানে সীমিত পথ ।
আমার রোদ , বৃষ্টি আগলে রাখে
মায়াপুরী ।
কিছুদূর এগুলেই নিশ্চিন্তের শয্যা
ঠিক ওখানেই ঘুমুবে
উপত্যকার ছায়ায় ।
তারপর ,
স্নান হবে আমার শিশিরে ।
ভেঁজাবো তোমার মাটি
আলতো রোদে জড়াবো শরীর
আবীর হয়ে ।
এই এখানেই এখন
তোমার বসত - বাটি ----
প্রতি রাতে চাঁদের আলো
রেশমী শাল পড়ে উষ্ণ উত্তাপের
স্নিগ্ধতার গানে ঠোঁট নাড়াবে
তখনও কি ভাবনায়
আমি নেই ?
অন্ধকার রহস্যের পাঁজরে জন্ম নেয় যদি
তোমার শিশু ,
চলে যাবে ?
অসম্ভব !
তুমি যে ভালোবাসায় আটকে গেছো
গোপন চোখের চোরাবালিতে ।
ল্যুভেন - লা - ন্যুউভ , বেলজিয়াম
৩০ - ১২ - ০৯ ইং ।।
সোহেল ভাই ০১৬
ফারুকের বাসার দরজায় দাঁড়িয়ে আমরা ক'জন, এর মধ্যেই হাজির হলো নান্টু,
আজকে একটা কান্ডই হইছে, বুঝলি, বাসের জন্য দাঁড়ায় আছি, সুন্দর মতো একটা মেয়ে এসে বললো কেমন আছেন? আপনাকে অনেক দিন পর দেখলাম।
আমি তো পুরাই তব্ধা খায়া গেলাম, মাইয়ার দিকে তাকাই, হাসি দিয়া কি কমু বুঝি না। ভাবলাম কিছু একটা কওন দরকার, কইলাম হুমম, অনেক দিন দেখা হয় নাই, ভালো আছো তুমি?
মাইয়া আমার দিকে তাকায়া বললো আসি ভাইয়া।
তোর তো হয়ে গেলো বন্ধু, মেয়ের নাম কি?
আরে বাল গত ২ ঘন্টা ধরে তো সেইটাই মনে করার চেষ্টা করতেছিলাম জ্যামে বইয়া বইয়া।
কোথায় দেখা হইলো?
কই আবার ইউনির সামনে দেখা হইলো, এইখানে আসবার আগে আগে
রাশেদ বললো , কোন বাসে উঠছিলো খেয়াল আছে?
বিআরটিসি
বিশেষ ভাবে এই দিনটি পালন করার কি বিশেষ কোন প্রয়োজন আছে !
পাগলের দিনলিপি (বিশ)
তুলো বনে ওলো শিমুল কেমন উড়ো?
উড়ো চিঠি তোমার পাখায় কদ্দূরে যায়?
শব্দরাশি আজ আকাশে বাতাস পেলে
কোন নিয়মে সহজ ভাবে বাক্য থাকে?
গাঁথুনিতে কি মেখেছো তাদের শরীর
আটকে দিতে? ভাব প্রকাশের অস্ত্রগুলো
কেমন সজীব নিপাট উড়েছে দিবানিশি
এতো উড়েও কেমন করে চিঠির খবর শান্ত থাকে?
তুলো বনে ওলো শিমুল উড়তে উড়তে ক্লান্ত হলে
কোন ছায়াতে আবীর মেখে রোদ্দুরকে বিশ্রাম দাও?
আমার বেলায় আলসেমিতে আয়েশী এক ছন্দ খেলে
জল ছলছল কান্না এলে চোখের পরিধী যায় ভেসে যায়
পৌরুষেরে ভেংচি কেটে আমার নাগাল পেরিয়ে যাবার
সময় মেনেছো, অথচ আমার অশ্রু মাখা শব্দে শব্দে
প্রাচীন কঠোর বিশ্বাসেরা ঠিক কেঁদেছে বিষম বেলা।
কৃষ্ণরে দেখি রাইয়ের পায়ের ধুলো মেখে কাঁদায় কাঁদায়
মান ভাঙানোর কঠিন খেলায় লেগে আছে অবিরত দিন
রাইয়ের নিকট চকচকে চোখে করুণ তাকায় অবতারে,
তার পৌরুষে কালিমা লাগেনি এমন আবেগী প্রকাশ হলে।
এই মোটামুটির উপর পার করা একটা দিন!
লিখতে চাচ্ছিলাম আরেক জিনিশ কিন্তু এখন আর তা লেখতে মন টানছে না। আর জানাযার নামায পড়ে এসে কারো মন মেজাজ ভালো থাকবে এইটা শাওনের জামাই এর লেখা উপন্যাসের হিরোদের পক্ষেই সম্ভব আমার জন্য না। আমি গড় পড়তা একজন মানুষের চেয়েও সাধারন মানুষ তাই জানাযার নামায পড়ে এসে আমার মন ভালো থাকেনা। কিছুদিন আগে আমি মসজিদ ভাঙ্গা নিয়ে কিছু লেখছিলাম সেই মসজিদেরই বড় ইমাম মারা গেছে। সকাল বেলাতেই এই খবর পেয়েই ৭ টায় ঘুম ভাঙ্গছে। যিনি মারা গেছেন তিনি নোয়াখালীতে। তার লাশ সন্ধ্যায় আসবে তার বানানো মসজিদ মাদ্রাসার সামনে। তিনি কেমন লোক ছিলো আমি জানি না জানতেও চাই নাই কোনদিন। খালি আমার আর পুলকের সাথে দেখা হলেই বলতো বাজান আফনে কেমন আছেন?
কয়েকটা ভাল লাগা ছবি ও ক্ষয়ে যাওয়া আমি
কি জ্বালাতন বল দেখি?
সাম্প্রতিক পাঠানুভুতি
কম্পিউটার বিগড়ে গেলে ভুলে যাওয়া বই পড়ার অভ্যাস ফিরে আসে, যদিও গত বইমেলায় কেনা অনেক বইই পড়া হয়ে উঠে নি, তারপরও পল্টনের ফুটপাতে কিংবা আজিজের সুদৃশ্য তাকে সাজানো বই দেখি সময়-সুযোগ পেলে, পকেটে টাকা থাকলে কিনেও ফেলি, কিন্তু কম্পিউটার পাঠাভ্যাসে বাগড়া বাধায়। গত সপ্তাহে বেশ অনেক দিন ঠিকঠাক চলার পর হঠাৎ করেই কম্পুবাবাজী ফেল মারলেন, দীর্ঘদিন ধরে বুকমার্কে রকমারী অন লাইন বইয়ের বাগান সাজিয়েছিলাম, কোনো কোনোটার বেশ কিছু অংশ পড়াও হয়েছিলো, সেইসব বুকমার্কের অধিকাংশ বই আসলে কোনো না কোনো প্রয়োজনে পড়া শুরু হয়েছিলো, প্রয়োজন মিটে যাওয়ার পর আর জ্ঞানতৃষ্ণায় ঝাপিয়ে পরি নি শেষ করতে, কম্পুবাবাজী বিগড়ে যাওয়ার পর এখন সেই স্মৃতিরোমন্থন করে কোনো লাভ নেই। আমি প্রতিদিনই আগের দিনের স্মৃতি ভুলে যাই
ভীত সময় মিথ্যা আলিঙ্গনেও পোয়াতী হয়
(১)
একটু খানি বাতাস এলেই
হেলে দুলে পড়তে থাকি,
অথচ ওই ঝড়ের রাতে
বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম তুলি হাতে,
জলের ভাঁজে রঙ জড়াতে,
নীলে নীলে মাখামাখি।
(২)
হলুদাভ রংয়ের ক্লান্ত বিষন্ন নগর,
পিঠে উপবিষ্ট আমি, তুমি এবং বহুরং এর সময়।
জেনো,
ভীত সময় মিথ্যা আলিঙ্গনেও পোয়াতী হয়।
(৩)
কখনো তুমি, কখনো আমি,
এখন আর আড়া্ল কিছু নয়, প্রায় প্রকাশ্যেই হই খুন ।
ওই উঁচুতে যতগুলো শিমুল ফুটেছে
তার একটিও আর আমার নয়।
ভরা জ্যোৎস্নায় যতটুকু বান ডাকে
তার কাছাকাছি কিছু প্রখর রৌদ্রেও বেসুরো, প্রায় অমিল।
সরল মিথ্যার খুঁজেই সুচতুর হামাগুড়ি,
পরিত্যক্ত ভাগাড়ের কোনে বেমানান
প্রাপ্য চিলতেখানি নিয়েই হাঁটু মুড়ে বসে থাকি, স্থির।
কে যেন বললো, ”সাবধান,
মিউনিসিপালিটির লোকেরা কুকুর মারতে বেড়িয়েছে”
আলোর ঝর্ণাধারা

নভেম্বরে ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম, সময় যায় না কেন । অপেক্ষার প্রহর এত দীর্ঘ কেন? আমি যার জন্য অপেক্ষা করছিলাম, তার আসার কথা ছিল জানুয়ারিতে । একটা একটা দিন পার করছিলাম, যেন এক একটা যুগ । মনে হচ্ছিল ২০১২ সালের জানুয়ারি বোধহয় আর এ ধরাধামে আসছে না ।
তার সাথে কথা বলার উপায় নেই, তাঁকে দেখার উপায় নেই । শুধু তাঁকে অনুভব করি দিনরাত । তাঁকে বলি, জলদি এসো ............... আমি বড় অধৈর্য । সে একটু আধটু নড়ে বুঝি সান্ত্বনা দেয় আমায়, আসছি আমি ............... সময় হলেই ঠিক এসে পড়ব, একটু ধৈর্য্য ধর ।
কাঁচের দেয়ালে সাজানো দৃশ্যাবলী
নয়টা নিতান্ত অবহেলা মিলেমিশে ঝগড়া করছিলো দরজার ওপাশে।
লক্ষী বেড়ালছানার মতো পায়েপায়ে হেঁটে এলো একরাশ ধ্বনি ও শব্দ
ধানমন্ডির লেকে ভেসে বেড়ানো টুকরো চাঁদের আলোরাও
ভীড় জমালো জানালার গ্রীলঘেঁষে।
স্তুপমেঘে রঙতুলির আঁচড় শেষে চোখ ফেরালেন উদাস শিল্পী,
জন্ম নিয়েছে ছবি, একই সাথে মৃত্যু নীল শিল্পীসত্ত্বা।
।।চুপ।।
বলতেই ভেঙে পড়লো আয়নায় সাজানো প্রতিফলন
একঝাঁক রোদের প্রজাপতি ডানা মেলে উড়ে গেলো বৃষ্টির হাত ধরে
ছায়ামাখা বিষাদ গানে মুখরিত হ'লো বনজ কিশোরের চোখ...
শের-এ-শায়েরী
...............................................................
..............................................................
...............................................................
................................................................
................................................................
১.
আগুন ছুঁয়েছে তার হাত,
আগুন ছুঁয়েছে তার হাত...
এখন চলেছে বরফের আয়োজন,
বরফ এবার ছোঁবে তার হাত;
আমার কেবল লোভাতুর চেয়ে
আগুন এবং বরফের পানে,
কেটে গেছে উদাসী অবুঝ রাত।
২.
এইভাবে তার চলে যাওয়া,
এইভাবে তার চলে যাওয়া দূরে...
জলের অভাবে শুকিয়েছে দেখি
শিকায় ঝোলানো মানিপ্ল্যান্ট
যেভাবে সে চলে গেছে দূরে
কাটাময় পথে রক্তস্রোত ঝরে,
ছুঁয়ে যাই তবে ফোঁটায় ফোঁটায়
দূর কল্পনার গানে তারে ফিরে পাওয়া।
৩.
অন্ধকারে ফুটে আছে এক চাঁদ,
অন্ধকারে ফুটে আছে এক চাঁদ...
Baran
বরণ
আরও একটি বসন্ত, সামনে দন্ডায়মান
তাকে বরণ করার জন্য চারিদিকে
সবাই বাসন্তী হয়ে উঠছে। তবু!
এমন দিনে তোমার কি হলো?
নীল কোন বেদনা হৃদয় কোণে মেঘ করছে?
কিংবা কোন চাওয়া, যা পাওয়া হয়নি
নয়তো কারো প্রতীক্ষায় পথ গোণা?
হৃদয়ের আর কি দোষ বল--
হৃদয় মন্দিরে শঙ্খ বাজবে, ঘন্টা বাজবে
অচীন দেশে তরী বাইবে
পূর্ণিমা আমবশ্যা তো হবেই।
তাই বলে কি মনের মণি কৌঠায়
লালন করে যেতে হব।
ভুলে যেতে হবে সব কর্তব্য?
এর কোন অর্থ হয়
দেখ, যা গেছে তা ফিরিয়ে আনা
তোমার আমর পক্ষে অসম্ভব।
স্বপ্ন তো স্বপ্নই, কল্পনা তো কল্পনাই
তার সব কিছুর কি বাস্তব রূপ দেখা যায়।
মানুষ যা চায় তার সবটুকু কি পায়?
জানোই তো দুঃখ আছে বলে সুখরে এতো মূল্য?
অন্ধকার আছে বলেই আমার আলোর পেছনে
বাহ্যজ্হান হয়ে ছুটি
এটাইতো প্রকৃতির নিষ্ঠুর খেলা।
তাহলে বিষাদী, এবার উঠ বরণ কর
তোমার জীবনের বসন্তকে
মনের সব কালোকে ঝেড়ে ফেলে।
