ইউজার লগইন
ব্লগ
আমরা কি পরীক্ষানির্ভর শিক্ষার দিকে ঝুঁকছি?
নভেম্বর মাসের শুরুতে অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) এবং জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ঈদের পরপরই পরীক্ষাগুলো শেষ হবে। ঈদের পর শুরু হবে পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য সমাপনী পরীক্ষা। এই দুটো পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর বাকি শ্রেণীগুলোর বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে। সমাপনী কিংবা জেএসসি/জেডিসি পরীক্ষার আগে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনেকেই তাদের শিক্ষার্থীদের একাধিক মডেল টেস্টের আয়োজন করেছে যেন তারা মূল (!) পরীক্ষায় ভালো করতে পারে। এছাড়া বছরজুড়ে নানা ধরনের পরীক্ষা তো রয়েছেই যার মধ্যে প্রথম সাময়িক ও দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষাগুলো অন্যতম।
একটি খারাপ দিন (২য় পর্ব}
[১ম পর্ব পড়তে হলে ক্লিক করুন এখানে।] অফিস ছুটির পর রিকশা নেয়ার চেষ্টা না করে এবার বাসে উঠি। প্রচন্ড ভীড়ে কে যেন জুতা দিয়ে আমার পা মাড়িয়ে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে চেঁচিয়ে উঠি, ‘আমার পা পিষ্ট করেছে কোন পাপিষ্ঠ রে’। কথাটি বলেই সন্দেহভাজন ব্যক্তিটির দিকে তাকাই। ‘এমন মাগুর মাছের মতো কুত কুত কইরা চাইয়া থাইকেন না ভাই, গা শিরশির করে। বাসে উঠলে একটু আধটু লাগবোই, সহ্য না হলে নাইমা ট্যাক্সি ক্যাবে গিয়া উঠেন’। এক নি:শ্বাসে কথা কয়টি বলে দম নেন ভদ্রলোক।
‘ভাই, পকেটে ট্যাক্সি ক্যাবের ভাড়া থাকলে কি আর বাসে উঠে ছাগলের সঙ্গে ঝগড়া করি’ ! আমার নির্লিপ্ত বলার ভঙ্গিতে সারা বাসে হাসির হুল্লোড় পড়ে যায়। একটু পর কন্ডাক্টর এসে ভাড়া চায়। কিন্তু প্যান্টের পেছনের হাত দিয়েই মাথায় যেন বাজ পড়ে আমার। হিপ পকেটে মানিব্যাগটা নেই। বাসে উঠার মুহূর্তেই কেউ...।
" বিবর্ণ ঈদ "
সামনে কুরবানীর ঈদ। পাড়ায় ,পাড়ায় ব্যাস্ততা । ঘরের বৌ ঝি সকলে মিলে চাউলের গুড়ি ধুপছে ঢেঁকিতে। চাউলের গুঁড়োর রুটির সাথে ঈদের তাজা গরুর মাংস খেতে বেশ দারুন লাগে। দূ'জন কামলা লাকড়ী পাড়ছে উঠানের কোনায়। রুপকের ছোট বোন তার বান্ধবী রুকু'কে নিয়ে আমের চাটনি বানাচ্ছে।আমের চাটনি রুপকের একটা প্রিয় খাবার । গত কয়েক মাস শহর থেকে থেকে , গ্রামে কেমন যেন লাগছে। এর মাঝে রুপকের মা জননী কয়েকবার এসে জেনে গেল কিছু লাগবে কিনা। আগে যখন বাড়ীতে থাকত তখন এত খবর নিত না । আসলে রুপক এখন অনেক বড় হয়ে গেছে । সেই সাথে ভার্সিটিতে লেখা পড়া করে আলাদা একটা ব্যাপার আছে না। গ্রামে বেশ গরম পড়ছে।
গল্প: যে কারণে বিশ্বাস হারানোর ক্ষমতা হারিয়েছি
জার্নালিজম ডিপার্টমেন্টের নিজস্ব ক্লাসরুম ছিলো একটাই। রুমটার নাম ছিলো হাজার আটাশি। এখন হাজার আটাশি অনেক আধুনিক চেহারা পেয়েছে। কিন্তু এক সময় সেখানে কেবল তক্তার তৈরি একটা প্ল্যাটফর্ম এবং তার ওপরে ছিলো অতি পুরোনো ধাঁচের একটা ডায়াস। পড়ানোর জন্য ব্ল্যাকবোর্ড আর সাদা চকই ছিলো স্যার-ম্যাডামদের একমাত্র ভরসা। তখন আমরা পশ্চিমমুখো হয়ে বসে ক্লাস করতাম। এখন সবাই পূর্বদিকে মুখ করে বসে এবং পড়াশোনা হয় প্রজেক্টরে-প্রজেক্টরে। স্যারেরা সবসময় ল্যাপটপ নিয়ে ক্লাসে আসেন। যেটা আমাদের সময় হাতেগোণা দু'একজন আনতেন।
আমাদের বাসা থেকে ইউনিভার্সিটির দুরত্বটা কখনোই বাড়ে নি। কিন্তু বছর বছর বেড়েছিলো রিকশার ভাড়া। প্রথম প্রথম আমি ২০ টাকা করে যেতাম। একদম কলাভবনের দোরগোড়া পর্যন্ত। বন্ধু তোজা নাকি একবার ১৫ টাকাতেও গিয়েছিলো। এই ভাড়াটা শেষতক ৪০ টাকায় গিয়ে ঠেকলো। এরপর কি হয়েছে আমি জানি না।
প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ , কথা দিলাম আমিও আছি আপনার সাথে
৫ মার্চ ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ আমার মায়ের গলায় ক্যান্সার ধরা পড়ে । ২১ মার্চ থেকে আমার অনার্স পরীক্ষা , কী করি , কোথায় যাই , কিভাবে চিকিৎসা করাই , টাকা কীভাবে সংগ্রহ করি সেই চিন্তায় আমি অস্থির । প্রথমে সিলেটে কয়েকজন রেডিওলজিস্টকে দেখালাম । তারা এখুনি চিকিৎসা শুরু করার জন্য পরামর্শ দিল । কিন্তু একটা কথা কিছুতেই বুঝতেই পারছিলাম না , মায়ের ক্যান্সার কী পর্যায়ে আছে ? এই কথা ডাঃ ত্রিদিবকে জিজ্ঞেস করতেই বললেন - অবস্থা বেশ সুবিধার না , আপনাদের এখুনি ক্যামোথেরাপি , রেডিওথেরাপি শুরু করা দরকার ! আর যদি টাকা , পয়সা বিশেষ থাকে তো আপ্নেরা উনারে সিঙ্গাপুর নিয়ে যান ! বুঝলাম অবস্থা আসলেই খারাপ । তাড়াতাড়ি করে ঢাকায় এপোলো হসপিটালে নিয়ে গেলাম কিন্তু ওখানে গিয়ে তো পুরাই তো , ঐ হসপিটালে একজনও ক্যান্সার স্পেশালিষ্ট নাই !
'স্বর্গ-নরক' এর হাইফেনে
‘স্বর্গ – নরক’ এর হাইফেনে
এ টি এম কাদের
- কেমন আছিস ? কানাডা প্রবাসী বন্ধুর ফোন ।
- “স্বর্গ – নরক” এর হাইফেনে ঝুলে থাকলে যেমনটি থাকা যায় । বল্লাম ।
- মানে ?
- মানে একেবারে পানির মত সহজ । আমি বাংলা দেশের বাইরে আছি ।
- তাতো জানিই ! আরব আমিরাত আবশ্যই বাংলা দেশে নয় । কিন্তু ‘স্বর্গ – নরক’ এখানে এলো কোত্থেকে ?
- বলছি । তার আগে তুই বল কি করছিলি ।
- প্ত্র-পত্রিকা ঘাঁটা ঘাঁটি করছিলাম ।
- দেশের না কানাডার ?
- দু’ দেশেরই আছে । তবে এখন দেখছি দেশের গুলো ।
- নাম বলতো ।
- যুগান্তর, প্রথম আলো, আমাদের সময়, আমার দেশ, ইত্তেফাক, মানব জমিন, ২০০০, সাপ্তাহিক ইত্যাদি ।
- আরেব্বা ! এতগুলা পেপার কিনিস ?
একটি খারাপ দিন
ভাগ্য খারাপ হলে যা হয়, সকালে ঘুম থেকে উঠেই বউয়ের পা ধরতে হলো। শুধু পা ধরা হয়, রীতিমতো পায়ে তেলও মালিশ করতে হলো। বউয়ের আপন ছোটভাই, মানে আমার শ্যালক থাকে আবুধাবি। শালা সারাটা রাত ফোন যন্ত্রণা দিয়েছে। রিং হয়, ধরলেই লাইন কেটে যায়। ‘হ্যালো আমি মোতালেব......’। ব্যাস, এটুকু বলেই মোতালেব গায়েব। লাইনে শুধু ঘর ঘর শব্দ। টেলিফোনের এই তামাশা চলে মাঝ রাত পর্যন্ত। আমার শালা মোবাইল ব্যবহার করলেও পয়সা বাঁচানোর জন্য সাধারনত কোম্পানীর ফোন থেকেই আমার ল্যান্ডফোনে ফোন দেয়। শেষ রাতের দিকে চোখটা একটু লেগে এসেছে, এমন সময় কর্কশ শব্দে আবার রিং বেজে উঠে। বউ আমার শয্যা ছেড়ে পড়িমড়ি করে ছুঁটে ফোন ধরতে। কিন্তু তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে বেকায়দা ভঙ্গীতে মেঝেতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। অতপর গগনবিদারী আর্তচিৎকার, ‘ও মাগো ,মরে গেলাম....’। তাড়াতাড়ি বিছানা ছেড়ে বউকে মেঝে থেকে টেনে তুলি। তার কর্কশ কন্ঠের অসহ্য চিৎকারে কানে তালা লাগার মতো
ফুউ!
১| [১৭ জানুয়ারি ২০১১]
চারমিনারটা জ্বলে জ্বলে নি:শেষ হয়ে এলে,
বারুদে মোড়া শলাকা ধরাই সময় পোড়াবো বলে!
২| [৮ আগস্ট ২০১১/১৫ আগস্ট ২০১১]
ছাইদানীতে দুঃখ ঝরিয়ে সুখটান মারি আয়েশে
স্বপ্নের কুণ্ডলিরা পাক খেয়ে খেয়ে ভাসে
স্বপ্নেরা ভাসমান
স্বপ্নেরা অধরা
বুকের পাঁজরে কতক্ষণ আর বন্দী থাকবে ওরা!
যতক্ষণ জলন্ত শিখা ততক্ষণ সাধ
ততক্ষণ বেঁচে থাকার সুতীব্র আহলাদ
ততক্ষণে পুড়ে পুড়ে যায় সুখ
হাড়ে হাড়ে হাড় ততক্ষণে ক্ষয় হয়েছে খুব
হাওয়ার পিঠে সওয়ার ধোঁয়ার বাহন
আঙ্গুলের খাঁজে শেষাংশের অটুট এখনো বন্ধন
বৃত্ত মাঝে পুরে নেই শেষ দহন
আর একবার
এই শেষবার
তারপর•••
ফুউ•••!
নারীর ভালোবাসার জীবন
ভালবাসার যতটুকু স্বীকৃতি আছে সবটুকুই দিয়েছি তোমায়ে , মিথ্যে বুলি, নাটক , অভিনয় অথবা কারও নিকটস্থ হওয়া, অথবা বন্ধুত্বের আলাপন, সব কিছুই দিয়েছি বিসর্জন, শুধুই তোমারি জন্যে । নিজেকে করেছি গঠন তোমারি করে , যতটুকু চাওয়ার ছিল বা যতটুকু পাওয়ার সব করে নিয়েছি পরিপূর্ণ তোমাকে আপন করে, নিজের যত স্বপ্ন ছিল সব তোমারি মাঝে করেছি আবদ্ধ, নিজের জীবনকে চালিত করেছি তোমারি মনের মতন করে, স্বপ্নগুলো গেঁথেছি তোমারি আপন চারিধারে নতুন করে, জীবনের প্রতিটি পদধ্বনি করেছি আবদ্ধ তোমার ইচ্ছার মাঝে। হাসি , কান্না , ঠাট্টা , মান অভিমান, সকল কিছুকে সাজিয়েছি তোমারি চারিধারে, নিজের আপনকে দূরে রেখে তোমার আপনকে করেছি আপন, তোমার পরকে পর। জীবনের প্রতিটি অনুভুতিকে তোমার করে জীবনকে গুছিয়েছি নতুন করে, উচ্ছল্লতাকে করেছি বদ্ধ । মনের গুন গুন সুর গুলোকে চালিত করেছি তোমার ইচ্ছার ডালে ডালে, আমার সুখগুলোকে করতে চেয়েছি তোমার , তোমার দুঃখ
আমার যাদুমনি (২১)
গত জুলাই মাসে ঋহান তার এক বছর শেষ করলো।
আর আজ এতদিন পর তার মায়ের সময় হলো ছবিগুলো সবার সাথে শেয়ার করার।
Sorry for the late!

me & my soul ♥

♫♪♥♥[̲̅̅H̲̅][̲̅̅A̲̅][̲̅̅P̲̅][̲̅̅P̲̅][̲̅̅Y̲̅] [̲̅̅B̲̅][̲̅̅I̲̅][̲̅̅R̲̅][̲̅̅T̲̅][̲̅̅H̲̅][̲̅̅D̲̅][̲̅̅A̲̅][̲̅̅Y̲̅]♥♥♫♪ babamoni


The Cakes!

the king is waiting for the guests 
আমার যাদুমনি (২০)
ওওনেক দিন পর এলাম। কিছুই করিনা, তাও জানিনা সময় কোনদিকে দৌড়ে পালায়। আর চাকুরি শুরু করলে যে কি করবো
যাকগে। কথা কম, কাজ বেশি......।

Best Smiling ever! MashaALLAH!

গাড়ি নিয়ে রেডি!

বাবার সাথে ঋহান

আহালে!


বাক্স বন্দি ঋহান
আজ তোমার জন্মদিন
তোমার অনুপস্থিতি
তোমার বিলীনতা
তোমার চলে যাওয়া
তোমার জ্বলজ্বলে স্মৃতি
বিশেষত তোমার অভাব,
আমাকে এমনই বিপন্ন করেছে-
যা তুমি অনুভবও করতে পারো নি কোনদিন।
আজ তোমার জন্মদিন
জানিনা সেইক্ষণ সেইদিন কি মধুর ছিল !
কিন্তু তোমার চলে যাবার দিনটি
বড় নিদারুন ছিল, পুড়ে যাচ্ছিলো সবকিছু।
আজ একযুগেরও বেশী তুমি নেই
এতটুক ঝাপসা হয় না তবু
তোমার মুখ।
পৃথিবীর এমনি নিয়ম –
এখানে অবিচল থাকে না কিছুই।
তবুও মানতে কী বিষম জ্বালা ...
তুমি কেন চলে গেলে প্রাণ পরাণি
কেউ মুছে দেয় না আর চোখের পানি।
সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা
পবিত্র একটি উপলক্ষ এসে দাঁড়িয়েছে আমাদের ঠিক দরোজার সামনে। স্কুলের কোনো এক ক্লাসে আমার বই-এ পড়েছিলাম; আজ ঈদ, মদিনার ঘরে ঘরে আনন্দ। সেই আনন্দের দিনে একটি দুঃখী ছেলে বসেছিলো রাস্তার পাশে। মুহাম্মদ তাকে কোলে তুলে বাড়ি নিয়ে গিয়েছিলেন। বাড়িতে নিয়ে নতুন কাপড়, খানা-খাদ্য দিয়ে ছেলেটির দুঃখ দূর করেছিলেন। আজ আমাদের দেশের রাস্তাগুলোর দুই ধার ভরে গেছে দুঃখী ছেলেদের ভীড়ে। কিন্তু কোনো মুহাম্মদ নেই তাদেরকে কোলে তুলে নেওয়ার জন্য। নতুন পোশাক, সুস্বাদু খাবার বা ঈদের অন্য আনন্দগুলোর ভাগ দেওয়ার জন্য।
ইরানি সিনেমা-বিপ্লবঃ 'দ্য চিলড্রেন অব হ্যাভেন' ও মাজিদ মাজিদি ।
ইরানি বিপ্লব পরবর্তী যে সংস্কার কার্যক্রম চলে তার একটা বড় প্রভাব পড়ে থাকবে ইরানি শিল্প-সাহিত্যে । প্রাগৈতিহাসিক কিংবা নিকট অতীতে সাহিত্য-সংস্কৃতির যে পৃষ্ঠপোষকতা কিংবা সমজদার ইরানীয়রা তা তাঁদের দুর্জনেরাও (ইঙ্গ-মার্কিন ! এম্নিতেই ত্যানারা পুরাই আউলা জাউলা মাথা খারাপ ঝাতি, শাশক-শোষকেরা জাতি নয়! এরা সব সময়য়ই দুড়া কাউয়া ছিল , পরে একসময় এক হইয়া পাতি কাউয়ার লগে প্রতারণা কৈরা শেক্সপিয়ররে ধইরা কুকিল হইয়া গ্যাছে কিংবা আছে, যাউজ্ঞা আইজ এই থাকুক , এই আলোচনা অন্যত্র করমুনে) অস্বীকার করে না । বোধকরি এর একটা বড় প্রভাব পড়ে গেছে ইরানীয় সিনেমায় ।
আমি বুঝিনা।
আমি বুঝিনা, অনেক কিছুই বুঝিনা। যা একেবারে বুঝিনা তা হল রাজনীতি ।এই দূর্নীতিটার প্রতি আমার সীমাহীন ঘৃনা আছে, আছে অনিহা, আছে কৌতুহল ও । তাই পড়তে চাই, বুঝতে চাই। অথচ বুঝে আসেনা কিছুই। গত চার দশক রাজনীতির অত্যচার,সন্ত্রাস,দূর্বৃত্তায়ন দেখে দেখে এর প্রতি, এর সাথে জড়িতদের প্রতি মানুষের ঘৃনা হয় কিনা জানিনা। মনে হয় হয়না। হলে দেশের এত এত মানুষ,বিশেষ করে কিশোর/তরুণরা লেখা-পড়া ছূঁড়ে ফেলে রাজনীতির অগ্নিকুণ্ডে বেধড়ক ঝাঁপিয়ে পড়ছে কেন ? অতীতে যুগান্তকারী ইতিহাস-স্রষ্টা আমাদের বিচার বিভাগ/আদালতই বা রাজনীতির ‘গু’ এর ডোবায় নাক না শুধু মাথা ও গলাচ্ছে । কেন ? বুঝিনা, মাথায় আসেনা।