ইউজার লগইন
ব্লগ
ভালবাসাহীন
বুকের পাঁজরের উল্টো পাশে হৃদয় থাকে
মস্তিষ্কের অনুভূতির খোঁচা সেখানে বিঁধে যায় সহজে।
ভালোবাসাহীন অন্য মানুষ সবাই বলে আমায়
শুনি চুপ থাকি হাসি খোলা মনে , ভালবাসা কারে কয়
তারা ক'জনে জানে।আমার ছিল যা তা তো দিয়েছি
উজাড় করে কোন এক চন্দ্রিমা রাতে । যখন চাঁদ
রুপার চাদর বিছিয়ে ছিল ধরণীর বুকে।কেশে ভেসে আসা
বেলী ফুলের মিষ্টি সুভাসে অন্ধ মাতোয়ারা।
রাত দিন ক্লান্তিহীন সেই পথে রোজ ভাসাতাম ভেলা
চক্ষুর আড়াল হলে দগ্ধ আমার হৃদয় খুজে নিত তোমার
মায়াভরা অধরের হাসি। বৃষ্টির জলে কদম ফুল
দিতাম কুড়িয়ে , সহাস্য তোমায় মনে হত স্বর্গের অপ্সরী।
ঝিনুকের মালা গেঁথে হেসে যেতে আনমনে, দিনের শেষ প্রহরে।
গ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ে সব তছনচ, বিধবা লাবন্য ঘরহারা
ব্যাস্তসময় আর অসহায়ের আর্ত চিৎকার আমি ছুটে
যাই অসহায় গৃহহারাদের কাছে ।পাশে দাড়াই কাঁচা বাশের
কঞ্চি দিয়ে ঘর বানাই। নববধূর সহাস্য অধর দেখে
মডার্ন যুগের ছেলে
মডার্ন যুগের ছেলে রে ভাই
হাতে পরেছে চুড়ি
মেয়ে ভেবে সামনে গিয়ে
কেউ বলে ভাই সরি!
হাল ফ্যাশনের নায়ক
সেজে রাখে বড় চুল
মেয়ে ভেবে সামনে
গিয়ে হয় এবারো ভুল।
ভিলেন সেজে কেউবা
আবার পরে কানে দুল
মেয়ে সাজার শখটি বড়
নাম কিন্তু আবদুল।
পাঞ্জাবি নয়, কোর্তা যেন
সঙ্গে আছে ওড়নাই
মেয়ে সাজার শখটি বেশ
নাই যে তুলনাই।
সাজাসাজির এতো কথা
যায় না কভু ভোলা
ওই ছেলেটি ছিল নাকি
ঢাকাইয়া এক পোলা।
০৬.১০.২০১১
ঢাকার ছড়া
সামনে যদি চলতে বলেন
বলছে ঢাকা, না।
পেছনদিকে ফিরতে বলেন
বলছে ঢাকা, না।
ডাইনে বামে সরতে বলেন
বলছে ঢাকা, না।
তাইলে ঢাকার বাইরে চলো
বলছে ঢাকা, না।
উঠতে বলেন বসতে বলেন
বলছে ঢাকা, না।
সরাও ট্রাফিক জ্যামের বাধা
বলছে ঢাকা, না।
গন্ধ ধূলা গরম সরাও
বলছে ঢাকা, না।
রাস্তা থেকে ভাঙন সরাও
বলছে ঢাকা, না।
বিজলী, পানির অভাব সারাও
বলছে ঢাকা, না।
নিভাও বাজার দরের আগুন
বলছে ঢাকা, না।
খাবার থেকে ভেজাল সরাও
বলছে ঢাকা, না।
স্বপ্ন ভাঙার রেওয়াজ সরাও
বলছে ঢাকা, না।
সকল ''না''-এর কারণ বলো
বলছে ঢাকা, না।
তোমার ভয়ের কারণ বলো
বলছে ঢাকা, না।
''না'' বিদায়ের তারিখ বলো
বলছে ঢাকা, না।
ঢাকায় তবে থাকবো না আর
বলছে ঢাকা, না।
তারপরেও থাকছি ঢাকায়
তাইরে নাইরে না !!!!!!!
ক্ষোভ প্রকাশের উছিলা মাত্র
আমাদের আশা কতটুকু হলে, আমরা তা পূরণ করতে পারব। আমি কেন আমরা বলছি, আমি আমার নিজের আশার কাছ দিয়েও যেতে পারি না। কেন শুধু শুধু আমরা বলে ব্যাপারটাকে আরো ঘোলাটে করছি। কিছুক্ষন আগে একটা ছিনেমা দেখলাম, নামঃ Up in the air।
এই মুভিটা আমি ঘুরে ফিরে বারবার দেখি। এর কারন এই না যে, মুভিটা পুরষ্কার প্রাপ্ত, অথবা আমার দেখা সেরা ছবি। আমি দেখি এই কারণে যে, এই মুভিটা দেখার পরেয় নিজের মধ্যে একটা ভাললাগা তৈরী হয়, আবার তার থেকেও বেশি পরিমানে খারাপ লাগা তৈরী হয়। কি এক ভয়াবহ কনফ্লিক্ট এর মধ্যে দিয়ে আমাদের জীবনটা পার করছি। ভালো লাগে এই ভেবে, যে ছিনেমার নায়ক অনেক এলিট একটা জীবনযাপন করে, কিন্তু শেষে এসে সে নিজেকে নিঃসঙ্গ খুজে পায় এবং চারিদিকে সকল মানুষ বিভিন্ন দিকে তাদের গন্তব্যে যাচ্ছে, কিন্তু তার যাওয়ার কোন যায়গা নেই। আমার অন্তত কোন না কোন গন্তব্য আছে।
বুলডোজার
কাহিনী তেমন জটিল কিছু না।বিশাল বড় এক বুলডোজার সাথে দেড়শ পুলিশ একজন স্মার্ট ম্যাজিষ্ট্রেট এসে খাল উদ্ধারের নামে গুড়িয়ে দিয়ে গেলো খালের উপরে দখল করা কিছু স্থাপনা।আপাতত আগামী ৭-৮ দিন অভিযান বন্ধ তাই ভাবলাম এই নিয়ে কিছু লেখি।এই আর কি!
জাহিদ সাহেবের একদিন
সকালে অফিসে এসে যে কাজটা জাহিদ করেন , সেটা হল এক কাপ কড়া লিকারের চা পান করেন। এটা ধীরে ধীরে জাহিদ সাহেবের প্রাত্যহিক জীবনের অভ্যাসে পরিনত হয়ে গেছে । সেই যে কবে দেশ থেকে এসেছেন সেটা ভালমতো রোমন্থন না করলে মনে পড়তে চায় না । তখন তার বয়স ২৪ কি পঁচিশ ছিল। ইদানিংকার যোগে বয়সের হিসাব মেলানো কত সহজ । অথচ তাদের সময় তো এতশত সিস্টেম ছিল না ।কে কোথায় কখন জন্ম গ্রহন করেছে তার হিসাব রাখাটা তার বাবা মা যেমন জরুরী মনে করেনি । অন্য সবাই ও তেমন জরুরী মনে করত না ।
তোমার বন্ধু অনেক ধৈর্য্য, আমারও
রুহানি স্লেটে এবার মসনদের আলেখ্য
যতদূর বানানো যায় স্বপ্ন বুনোট - একদম টাটকা মলাটে
তার বাত্সল্যে পিঁপড়ামুখী মিছিল, দাবীদাওয়া
স্বপ্নভূক আলস্য কড়া নাড়ে
মহামান্য সম্রাট হিসাবে
সংসদের এক অভিজাত পিঁপড়া নির্বাচিত হলেন
অধিষ্ঠান জৌলুস শেষে আমাদের ফিরে যেতে হবে
অন্যের বাড়ি, দীর্ঘ মিলন-সংঘ থেকে
অনির্বাচিত সম্পর্কের জাদুঘরে
সকলে উপুড় হবেন দয়া করেন
সকলে সরল অনুগ্রহে
এই উপবৃত্ত কেবল হৃদয় সাম্রাজ্যে
যখন পেরেছেন এতকাল, তবে পারুন বাকিটা
অথবা জীবন বদলে নেয়ার সংবিধানে
নাজিল হচ্ছে ষষ্ঠদশ সংশোধনী
'ঘুমিয়ে পড়' - Lesson 1
ছোটবেলার প্রিয় একটা গান ছিলো এটা, ক্যাসেটের যুগ ছিলো যখন। টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে ফার্মগেট থেকে ক্যাসেট কিনতাম।
এই ব্যান্ডের দুটো এ্যলবাম বের হয়েছিলো। Lesson-1 ও Lesson-2 । মনে হচ্ছে কয়েক যুগ পর শুনলাম, র্যাগে জনরার গান। খুবই হালকা গানের কথা তাও কত যে ভাল লাগতো শুনতে। কল্পনার প্রেমিকার উদ্দেশ্যে গলা ছেড়ে গাইতাম কিশোরবেলার সন্ধ্যাগুলোতে ..
ঘুমিয়ে পড় যদি আমায় ভেবে
স্বপ্নে ভাসো যদি আমায় দেখে
হৃদয় মাঝে যদি রাখো গো আমায়
ভোরের পাখি হয়ে গান শোনাব তোমায়
সবুজে ছাওয়া এই নির্জনতায়
একটু আরো ভালবাসো না আমায়
সিক্ত তোমার ঐ অধরে আমায়
দাও না ছুঁয়ে ওগো প্রেমের ছোয়ায়
মনের কোনে যদি রাখো গো আমায়
ভোরের পাখি হয়ে গান শোনাব তোমায়
দু'চোখ ঝরে যদি অশ্রুধারায়
দৃষ্টি হারায় যদি বিষাদ ছায়ায়
দুঃখ স্মৃতি ভুলে দুর অজানায়
সুখের মাঝে খুঁজে নিও গো আমায়
বুকেতে ধরে যদি রাখো গো আমায়
ভ্রমন: বান্দরবন-থানচী-েমাদক
গত বছরের জুলাই মাস বর্ষাকাল,মাথার িভতর বিিভন্ন আইডিয়া িকলবিল করছে। আর তাতেই শুরু হয়ে গেল ইমেইল-ফেসবুক এ কথা চালাচালি। অবশেষে িঠক হলো বান্দরবন এর থানচী হয়ে েমাদক যাওয়া হবে । পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকা থেকে বাসে বান্দরবন, বান্দরবন হতে চাদের গাড়ী েযাগে থানচি। রাতে থানিচ েরস্ট হাউজে থাকা অত:পর সকালে ইঞ্জিন বোটে েমাদকের পথে যাত্রা শুরু, অবশ্য বিডিআর যেতে দিতে চাচ্ছিল না এবং আরোও বললো যে ৪/৫ দিন আগে নৌকা ডুবে ।২ জন মারা গেছে। পথে তিন্দুর বড় পাথর দেখলাম অবশ্য ভালো মতো দেখা গেল না কারন পানি অনেক বেশী িছল, এছাড়া সবাইকে মাঝে মাঝে নৌকা থেকে নেমে হেটে যেতে হচ্ছিল ও কয়েক জায়গায় রশি বেধেঁ নৌকাকে টেনে নিয়ে যেতে হয়েছে। যাহোক েস্রাতের বিপরীতে চলতে চলতে সন্ধ্যার পরপর আমরা রেমাক্রী পৌছালাম। অত:পর রেমাক্রি বাজারে রাতের খাওয়া এবং রেস্ট হাউজে রাত্রী যাপন। পরদিন সকালে নৌকায় ছোট মোদক হয়ে দুপুর নাগাদ বড় মোদক পৌঁ
তা - সিন
অনুগত সত্ত্বার ক্রন্দন,পরমানু সত্ত্বার ক্রন্দন-
কৃত আওয়াজ,নৃত্যরত আবহাওয়া
তরুমঠ,মেঠো ধুলো ,নোনা সাধের তট
রথ ধরে অবগুন্ঠিত ধারা,পদস্পর্শ তরঙ্গ
চুল,চাতক বেণীর বন্ধন;
ষড়ভঙ্গ চিৎ কলা ও জমিন।
মুক্ত তা-সিন হে পৃষ্ঠ;পাতাবাহারের আহার হয়ে দেখা দিতে দিতে চমৎকার চিৎকার শোনো।
জেনো,দাস আছে দরজার সাথে লেপ্টে
পাহারা প্রহারে বৃষ্টির তাপ
মুশকিল এগুনো;গুন গুন জলসার মুদ্রা
ক্রমাগত সৃষ্টির প্রহ্লাদ
পূর্ব ও পশ্চিম উত্তর দক্ষিণ অপঘাতহীন
ত্যাজ্য জলজকণা কিংবা বাষ্পীয় গতির আড়াল
সে তোমার কন্ঠের লন্ঠন ধ'রে গতিহীন জঙ্গী!
সঙ্গী;সেও বিভাজ্য গনিতের নীলাভ ছোবলে ধ্বংস
হংস ডানার আড়ালে অকৃতদ্বার প্রশান্ত প্রতিমা
বিয়োগ রোগে রাতদিন নিদ্রামগ্ন উঠনে নেমে এলো উলঙ্গ বর্ষা
অমাবশ্যা অমাবশ্যা বেশ্যার ভূষণ লঙ্গন করে খদ্দের সীমানা।
তা,অইরূপ বিক্রত কেচ্ছা শোনো পরের বাগান
আসিফ মহিউদ্দিনের নিঃশর্ত মুক্তি চাই

সারা বিশ্বে অনলাইন এক্টিভিষ্টদের বিভিন্ন ইস্যুতে সরব উপস্থিতি এখন আর কারো অজানা নয়... মিশর থেকে তিউনেসিয়ার ক্ষমতার পালাবদল এদের হাত ধরেই... বাংলাদেশেও বিকল্প মিডিয়া হিসেবে অনলাইন কমিউনিটির বলিষ্ঠ ভূমিকা আজ প্রতিষ্ঠিত প্রায়... বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যুতে মেইন স্ট্রিমের মিডিয়া অর্থনৈতিক বন্ধনের কারণে নিশ্চুপ থাকায় জনগণের ক্ষোভ/হতাশা এখন অনলাইন কমিউনিটির এক্টিভিষ্টদের হাত ধরে একটা গ্রহণযোগ্য অবস্থানে দার করিয়েছে। আর তাই এই অনলাইন এক্টিভিষ্টরা আজ সরকারের চক্ষুশূল।
গতকাল রাতে আমাদের এক সহব্লগার আসিফ মহিউদ্দীনকে সরকারের একটি নিরাপত্তা সংস্থা আটক করেছে।
স্মরণ
(1)
খালি শরীরে দুলাল কে অনেকটা অ্যাথলেটদের মত লাগে । পাড়া গাঁয়ের ছেলে কিন্তু অনেক পেশীবহুল শরীর। টানটান বুক অনেক লম্বা গড়ন। সেই দুলাল কিন্তু একেবারে গরীব ঘরের ছেলে। দুবেলা খাবারের জন্য তাকে ছুটতে হয় নানা কাজে। কাজে ফাঁকি কি জিনিস তা দুলাল জানেনা। দুলাল ভাবে আমি কাজ করি মালিক তাতে আমাকে যা দেয় তা দিয়ে আমার বাবা মা খাবে আমি খাব তাই ফাঁকি দিলে সেই খাবার হালাল হবে না । সে কথা নাকি এক হুজুর তাকে বলেছে। সে কথার পর থেকে যেখানে কাজ করে অনেক মনোযোগ দিয়ে কাজ করার চেস্টা করে ।
যুদ্ধকালীন স্মৃতির খন্ডচিত্র
দেশে যুদ্ধ চলছে। একদিকে সশস্ত্র পাক হানাদার বাহিনী, অন্যদিকে নিরস্ত্র মুক্তি বাহিনী। তখন দেশ এক চরম সংকটে। পাক বাহিনী যেন বাঙালির চারপাশ ঘিরে রেখেছে। যখন-তখন যে কারো ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে ওরা। এ অবস্থায় মাকেসহ আমাদের গ্রামে পাঠিয়ে বাবা ও মেজো ভাই লালবাগের বাড়িতে রয়ে গেলেন। বুড়িগঙ্গার তীরবর্তী ইসলামবাগ তখন চর এলাকা। গ্রামে যেতে হলে জিঞ্জিরা থেকে বাসে সৈয়দপুর, তারপর লঞ্চে শ্রীনগর গিয়ে নামতে হতো। একদিন মেজো ভাই গ্রামের উদ্দেশে ইসলামবাগের ভেতর দিয়ে রওনা হলেন। চাঁদনীঘাট ওয়াটার ওয়ার্কস পাম্পের কাছে আসতেই পাক সেনাদের নজর পড়লো তার ওপর। একজন মেজো ভাইকে দূর থেকে কাছে যাওয়ার জন্য ইশারা করলো, কিন্তু তিনি সাড়া না দিয়ে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। ডুব সাঁতারে অনেকটা দূর গিয়ে ভেসে উঠতেই তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লো। গুলিটি তার চুল ঘেঁষে চলে যায়। রাখে আল্লাহ মারে কে? এ যাত্রায় বেঁচে গেলেন তিনি।
ফুল চা
নাম হল ফ্লাওয়ার টি যা বাংলায় বলা যায় ফুল চা। এতদিন শুধু নাম শুনেছি কিন্তু কোন দিন স্বচক্ষে দেখিনি, তো চেখে দেখাতো অনেক দূরের কথা।
কাল সন্ধ্যায় এক বন্ধুবর চীন থেকে আমার জন্য এই একটি কৌটা এনে উপহার দিল। সকালে তার উপযুক্ত ব্যাবহারে লেগে গেলাম।
খেতে বেশ ভাল চমৎকার লাগল।

এর গন্ধটা খুবই ভাল লেগেছে। আমাদের দেশে তো বেলী ফুলের অভাব নাই কিন্তু অভাব আছে চীনাদের মত বিস্তৃত বুদ্ধির।
মেঘবন্দী (১১) ... তুচ্ছ বর্ষন গল্প / রুমানা বৈশাখী
তুচ্ছ বর্ষন গল্প
রুমানা বৈশাখী
১)
টিপটিপ করে পড়েই চলেছে কাল দুপুর থেকে। সন্ধ্যা পেরিয়ে, রাত পেরিয়ে এখন পরদিন ভোর। তবু বুঝি আকাশের মজুদের শেষ নেই। এতটুকু বিরাম নেই বৃষ্টির ঝরঝরিয়ে পড়ে চলার। গাঢ় অন্ধকার ঘনাচ্ছে ক্রমশ। যে কোনো মুহুর্তে আবার ঝমঝমিয়ে বর্ষনের প্রস্তুতি।