ইউজার লগইন
ব্লগ
সিসিমপুরের অন্যদিক/ ওড টু মাই ফ্যামিলি -৫
[২৯ নভেম্বর ২০১১ তে প্রকাশিত জনপ্রিয় ব্লগার একজন মায়াবতী'র আমার সিসিমপুর-২ এ মন্তব্য হিসাবে লেখাটা শুরু করেছিলাম। একটু বেশি বড় হয়ে যাচ্ছিলো, বিধায় ব্লগ হিসাবে পোস্ট দিলাম। রেফারেন্সের জন্য লেখাটি পড়ে নিন। ]
তৃতীয় গল্পটি পড়ে শুধু মন খারাপ হলোনা, বরং কিছুটা হতাশ হলাম।
গরীব একজন আমার বাড়িতে কাজ করে বলেই তার আনন্দ-বেদনা নিয়ে হাসাহাসি করাটা আমার কাছে অস্বস্তিকর, বিশেষত যখন তাদের নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটির ব্যবস্থা নাই, বিনোদনের সুযোগ সীমিত, সঙ্গত কারনে ঘর থেকে বের হওয়া নিয়ন্ত্রিত, এবং তাদের নতুন বন্ধু তৈরী ও মতামত বিনিময় করার সুযোগ প্রায় নাই বললেই চলে। খেয়াল করে দেখবেন, এর প্রতিটি খুব সাধারন মানবিক চাহিদা। ওগুলো পূরনের উদ্দেশ্যেই আপনি বা আমি এখন ইন্টারনেটের দ্বারস্থ।
প্রামান্যচিত্রঃ 'অপরাজেয় বাংলা'
অপরাজেয় বাংলা আমাদের অতি চেনা স্বাধীনতার মূর্ত প্রতীক। দীপ্ত ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকা ওই তেজস্বি তরুনতরুনী ত্রয় আমাদের কাছে কেবল মাত্র তিনটি মুর্তিই নয়, স্বাধীনতার কালে অন্যায়ের প্রতিবাদে গর্জে উঠা আমাদের যুবসমাজের প্রতীক এটি। একাত্তরের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের স্মারক - দুই যোদ্ধা-পুরুষ,সঙ্গে শুশ্রূষার প্রতিরূপ এক নারীর এ ভাস্কর্যটি নির্মিত হওয়ার পর থেকে আন্দোলন প্রতিবাদের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছে। আজো যেকোন প্রতিবাদের স্থানই হয়ে উঠে এই অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ, মূর্তিত্রয়ের চোখে কালো কাপড় বেধেঁও জানানো হয় অহিংস প্রতিবাদ।
বইমেলা বইমেলা বইমেলা ২০১২
ঝাড়ি আমাদের সাধারণ ব্লগারদের ঝাড়াঝাড়িতে কর্তৃপক্ষের টনক এখন দেয়াল ঘড়ির পেন্ডুলামের মতো এপাশ থেকে ওপাশ নড়ছে।
তারা আমাদের বই এর ব্যাপারে সাহায্য করতে সম্মত হয়েছেন। বইমেলা আগ্রহী ব্লগারদের বিপুল সাড়া আমাদেরকে করেছে সাহসী আর তাদেরকে করেছে ভীত।
কিন্তু এখন লেখা রেডি করে কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠানোর দায়িত্ব আমাদের।
প্রথমে কর্তব্যঃ
লেখা পাঠানোর নিয়মাবলীঃ
ক) লেখা পাঠানোর সর্বশেষ সময়ঃ ডিসেম্বর ১৫
{এরপর পাঠানো কোন লেখাই গৃহীত হবে না। সেটা যে কারোই হোক। যতো তাড়াতাড়ি পাঠাবেন ততই ভালো।}
খ) যেকোন লেখা অথবা গত এক বছরে শুধু এবিতে দেয়া পছন্দের কোন লেখার লিংক ইমেইলে দেয়া যাবে। তবে কমপক্ষে ৫০০ শব্দ হলে ভাল হয়।
ভাগশেষ - ১
ঔ
রোজার ঈদের সময় দশ-এগারোটা ঈদ সংখ্যা কেনার পর বই কেনার উপর বউ সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারী করল। প্রায় শুক্রবারই বেইলী রোড যাই, আমি হাঁসফাঁস করি সাগর পাবলিশার্সে ঢোকার জন্য, কিন্তু বউ বলে আমি নাকি বাসাকেই ছোটখাটো সাগর পাবলিশার্স বানায়ে ফেলছি। সেটা শুনেও অগ্রাহ্য করার চেষ্টা করি, কিন্তু যখন বলে আমি তো কোন ঈদ সংখ্যাই পুরা পড়া শেষ করি নাই, তখন আর কিছু বলার থাকে না।
ও
হঠাৎ করে একদিন পত্রিকায় দেখলাম হেমন্তের বইমেলা হচ্ছে পাবলিক লাইব্রেরীতে। ভাবলাম বউকে বলি যাওয়ার কথা। বউ দেখি আমার থেকে একধাপ এগিয়ে, বলে হুমায়ুন আহমেদের একক বইমেলা হচ্ছে ওইটাতে যাই। আমি ভাবলাম তথাস্তু, এক ঢিলে দুই পাখি মারা যাবে। অনেকদিন পর ইউনিভার্সিটি এলাকায় গেলাম, এখানে সেখানে পরিচিত লোকদের সাথে দেখা হল। ভালই লাগল। ইউনিভার্সিটি ছাড়লেও ইউনিভার্সিটির মায়া মনে হয় এরা কাটায়ে উঠতে পারে নাই।
বিভক্ত হলো ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ।
আজ ২৯ শে নভেম্বর , ২০১১ । জাতীয় সংসদে পাশ হয়ে গেল ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (বিভক্তি) আইন ।
এই আইনের কারণে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ২ ভাগে ভাগ হলো - ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিন।
১৯৭৯/৮০ সালের আগে বর্তমান ঢাকা শহরে তিনটি পৌরসভা ছিল । - ঢাকা পৌরসভা, মীরপুর পৌরসভা ও গুলশান পৌরসভা।
১৯৭৯/৮০ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন করা হলো মীরপুর ও গুলশান পৌরসভা কে একীভূত করে । এই একীভূত ছিল সময়ের প্রয়োজনেই। এটা ঢাকা কে দিয়েছে পরিপূর্ণতা ।
বর্তমান সরকার আজ ঢাকাকে আবার ২ ভাগে বিভক্ত করলো । অনেকটা বঙ্গভঙ্গের মতই মনে হচ্ছে বিষয়টা ।
কারণ যাই থাকুক না কেন, এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এই সিদ্ধান্ত জনগণের ভোগান্তি বাড়াবে বৈ কমাবে না। সরকার যেসব যুক্তি দিচ্ছে বিভক্তির পক্ষে , তা মামুলী খোঁড়া যুক্তিই মনে হয়েছে এ পর্যন্ত।
এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার দাবী জানাচ্ছি সরকার বাহাদুরের কাছে।
মাগো আসবোনা আর
মাগো আসবোনা আর
এ টি এম কাদের
মাগো ! না চাও যদি আসবোনা আর চরণ ধুলা নিতে,
তোমার চরণ তলে শরণ নিয়ে তোমার প্রাণে ব্যাথা দিতে ।
মাগো ! সন্তান য দি কানাও হয়,
জানি, মায়ের কাছে ফেলনা নয়—মাগো,
তোমার বাধলনা মা, মা হয়েও আমারে পর করে দিতে -------
আমায় দূরে ঠেলে দিতে!!!!!!
আমি আসবোনা আর ------------
আমি পরের ছেলে পর মাগো
কেউ নাই আপন এই ভুবনে,
যে জন আমার ছিল কাছের---
সে হারাল অচিন বনে ।
আমি কেঁদে কেঁদে হলাম সারা, নিঠুরা সে দেয়না সাড়া,
তুমিও মা নিঠুর হলে--- পারলে আমায় ভুলে যেতে !!!
আমি আসবোনা আর ---------------------------------!
ধন্য ধন্য।। বলি তারে......
ভ্রমণ কাহিনী
গত রোববার,ভোর বেলা চেপে বসলাম বাসে। গন্তব্য ইযু পেনিনসুলা।। । এটি জাপানের সিযুওকা আইল্যাণ্ডে অবস্থিত।।।। বাসে মজা করতে করতে ঘন্টা চারেক পর পৌঁছে গেলাম।, ইযুর দোগাসীমাতে।।। আকাশ ঝকঝকে থাকলেও, বিধি বাম। অতিরিক্ত বাতাসের কারণে,একটুর জন্য সমুদ্র ভ্রমণটা মিস হয়ে গেল। চললাম, কাওয়াজুতে। সেখানে আছে, সাতটা পাহাড়ি ঝর্ণা। ঝর্ণাকে এরা দারু বলে, আর সাত সংখ্যা জাপানিজে হল- নানা।। । নানাদারুর কাছে গিয়ে আমার বাকরুদ্ধ হয়ে গেল।াম। সাত ঝর্ণার সাতটা রূপ। একটা সাপের মত, তাই হেবি দারু।। একটা চিংড়ি মাছের মত, তাই নাম এবিদারু। একটা কেটলীর মত, তাই কামাদারু। একটা প্রথমেই চোখে পড়ে, তাি নাম প্রথম দর্শন মানে হাক্কেইদারু, একটার নাম দেআইদারুএটার মানে হল দেখা হওয়া বা সাক্ষাত। কাঁকড়ার মত যেটা সেটার নাম কানিদারু।
আমার সিসিমপুর (২)
১।
আমার সিসিমপুরের সব চরিত্রের একটা করে জাতীয় সঙ্গীত আছে। জন্মের পরপরই তাদের পছন্দের তালিকায় কয়েকটা গান যোগ হয় যা শুনে উনারা খায়-ঘুমায়-কান্না থামায়। তো সবচেয়ে শেষে যিনি যোগ দিলেন, শ্রেয় (আমি অবশ্য রসগোল্লা ডাকি) ভদ্রলোকের বয়স এখন সাত মাস। প্রথম প্রথম তিনি খুব মনোযোগ দিয়ে শাহরুখ খানের একটা গান শুনতেন। বেশ কতগুলো গান যাচাই-বাছাই করে শেষ পর্যন্ত যেটাকে তিনি উনার জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে মনোনীত করেছেন সেই গানটা হলো
এক জীবনে
যত জোরেই কান্না করতে থাকুক আমার রসগোল্লা এই গান শোনা মাত্র সে চুপ হয়ে যায়। এমনকি তার মায়ের কোলেও যখন থাকে এই গান শোনা মাত্র সে আমার কোলে চলে আসে। কি হাসি যে দেয় গানটা শুনে!!!!
২।
ঘৃণা
অনেকে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের কোন দরকারই ছিল না। বাংলাদেশের স্বাধীনতা তথা পাকিস্তানের বিভাজন শুধু মাত্র স্নায়ুযুদ্ধকালীন বিশ্বরাজনীতির একটা উদাহরণ। এই বক্তব্যের পিছনে তাদের যুক্তিও থাকে, এবং আমি নিজেই বুঝি, তাদের সব যুক্তি ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দেবার মতন নয়।
কিন্তু, বিশ্বরাজনীতির মতন নোংরা আর প্যাঁচালো বিষয়কে মনে আনতে চাই না। পৃথিবীর শুরু থেকে সব সৃষ্টিই যুদ্ধের মাঝে দিয়ে গেছে, যাচ্ছে। সারভাইভাল অফ দ্য ফিটেস্ট এর ধারনাকে পাকা পোক্ত করেছে। সেই সূত্র ধরেই বিংশ শতাব্দির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত যুদ্ধ চলে আসছে। যুদ্ধ হচ্ছেই। এবং হবেই। যুদ্ধ বন্ধ করার জন্যে হলেও যুদ্ধ করতে হবে।
এরকমই একটা যুদ্ধই হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।
এই যুদ্ধ আমাকে একটা স্বাধীন দেশে জন্ম নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে।
চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি-৬
১.
অনেকদিন কিছু লিখি না অবশ্য লেখা যাকে বলে সেটা আমার দিয়ে হবার কথাও না হবেও না।
কিন্তু কয়েকদিন ধরেই খুব লিখতে ইচ্ছা করছে। তানবীরাপু ব্লগের স্যাতস্যাতে ভাব কাটানোর জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সাথে আরো বন্ধুরাও যোগ দিয়েছে।দেখে মনে হচ্ছে মরা ব্লগে প্রাণ ফিরে পেয়েছে।আমি বা দূরে থাকি কীভাবে? কিছু আবোল-তাবোল লিখে ফেলি অনেকটা অনেকটা সেই দিঘী আর শিশিরের কবিতার মতো।
২.
আবোল তাবোল -৫
পরীক্ষা চলছে তো চলছেই,শেষ আর হয় না। তাই, আগের মত আসতে পারছিনা খুব একটা। যদিও মাঝে মাঝেই উঁকি দিয়ে যাই,দেখি কে কি বলে। বেশ কয়েকদিন হয়ে গেল কিছু লেখা হয়না। তানবীরা (আপু) জাদুতে আমরা বন্ধু আবারও জেগে উঠতেছে। অনলাইন সংখ্যা বাড়তেছে, সাথে লেখা আর কমেন্টও। এসব দেখে দেখে মনটা চুলবুল করে উঠলো কিছু লেখার জন্য। তাই ল্যাপি কে সাথে সাথে নিয়ে সটান শুয়ে পড়লাম, আঙ্গুল ঘুরছে কীবোর্ড জুড়ে টুক টাক টুক টাক! দেখা যাক কতটুকু কি লেখা হয়, আবারও আবোল তাবোল।
# # # # #
তানবীরা আপুর 'ব্যাবচ্ছেদ' পড়ে ও কমেন্টগুলি দেখে দেখে মন ভাল হয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে সামনে জমজমাট কিছু দিন কাটবে ব্লগ বন্ধুদের সাথে। 
অনুক্রমনিকা
আজ আমার মনে পড়ছে আমার প্রথম ব্লগিং এর কথা। আমি শুরু করেছিলাম “আমার ব্লগ” দিয়ে। আমার খুব প্রিয়, আপন মানুষ, অগ্রজপ্রতিম রায়হান সাঈদ এর আগ্রহ এবং অনুপ্রেরণায়। প্রথম লেখাতে অনেক সাড়া পেয়েছিলাম। খুশি হয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম রোজ রোজ লিখব। না লিখি, কমেন্ট তো করবোই। সমস্যাটা হলো, আমি আমার “প্রিয়” কোন কিছুর সাথেই সুবিচার কোনদিন করতে পারি নি। কথাও রাখতে পারি নি। আমি পারি না। সিরিয়াসনেসের অনেক ঘাটতি আছে আমার। তার উপর কোন এক ছাগুশ্রেণীর প্রাণী আমার আবেগভরা একটা লেখাতে আজাইরা কিছু লিখে আমার মন-মেজাজ খারাপ করে দিয়েছিল, ওই সময় আমার অন্য ব্লগার ভাই-বোনেরা আমাকে সাপোর্ট দেন নাই। অনেকটা অভিমান থেকে আমি “আমার ব্লগ” ছেড়েছিলাম।
রাত্রি বাড়ে
রাত্রি বাড়ে চাঁদের হাসি বিলিয়ে তারায় তারায়
ঝিঝির ডাকে অবিরত সুরের মূর্ছনায়
ঘুম পাড়ানী মায়ের কোলে মৃদু মভতায়
ছোট্ট শিশু আচ্ছন্ন গভীর সুপ্ততায় ।
একে একে মুহূর্ত আর প্রহর যে ফুরোয়
স্তব্ধ চতুর্দিক , কেবল আমি জেগে রই ।
নির্বিঘ্নে ক্লান্তিতে কভু দুচোখ নুয়ে পড়ে ,
সকলের অলক্ষে কোন গহীন বনের পরে
রাত জাগা পাখি হঠাত্ কখন ডানা ঝাপটায় ,
রক্তবর্ণ চক্ষু ডলি , ঘুম কেটে যায় ।
রাত্রি বাড়ে , ফেলে আসা করুণ দিনের শেষে
আঁধারে অদৃশ্য কোন ভয়ংকর আবেশে
হারিয়ে বুঝি গেলাম কখন নিজের অজান্তে
অতৃপ্তির বাঁধন ভেঙে সময়ের ধুধু প্রান্তে ।
অবনত মাথা লুকানোর জায়গার খোঁজে...

কি নিয়ে লিখি? টিপাই-মুখ? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা বিভ্রাট? ছবি-অটোগ্রাফ শিকারি বিশ্বের একমাত্র পররাষ্ট্রমন্ত্রী? মহাসড়কের জ্যামে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিচ্ছু অনেকের পরীক্ষা দিতে না পারা? ঢাকা ভাগ ? নাকি ঢাকা নগরীর দুটি নতুন পৃথক নাম পেতে যাওয়া? এর অনেক গুলি নিয়েই লেখা বিপদজনক। মধ্যবিত্তের নিরাপদ জীবন বেছে নিয়েছি, তাই নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন সব কিছুতেই সযত্নে গা বাঁচিয়ে চলি। তবু কিছু বিষয় এড়াতে পারি না।
যা মনে আসে তাই
১.
রূপকথা দিয়ে ছোটবেলায় গল্পের বই পড়া শুরু করেছিলাম। সহস্র আরব্য রজনী সে সময়ে অনেক প্রিয় ছিল। জানতাম না, সহস্র আরব্য রজনী আদতে বড়দের বই। কিন্তু বড়দের বইটি আর পড়া হয়নি। কিন্তু এবার ছবিটা দেখলাম।
আমরা যারা আজ জনতা, সহজ সরল সাধারণ সিনেমা দেখি তাদের জন্য কঠিন কিছু নাম আছে। যেমন ধরনে, পাসোলিনি, বার্গম্যান, ফেলিনি- ইত্যাদি। এর মধ্যে পাসোলিনি নিয়ে আগ্রহ ছিল বেশি। লোকটা কবি, উপন্যাস লেখেন, আবার সিনেমাও বানান। তিনি রাজনীতি করেছেন, বুদ্ধিজীবি, সাংবাদিক। মোদ্দা কথা তিনি সব। ইতালির একজন মহাবিতর্কিত ব্যক্তি। খুন হয়েছিলেন ১৯৭৫ সালে। সেই পিয়ের পাওলো পাসোলিনির ছবি এরাবিয়ান নাইটস।