ইউজার লগইন
ব্লগ
দুইটা ছবি
টঙ্গি ফ্লাইওভারের কাছে এক বন্ধু নিয়ে যায় ছবি তোলার জন্য। কিন্তু যেতে যেতে সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় ছবি তুলতে পারি নাই তেমন। সেখানের দুইটা ছবি।


এই ছবিটা তুলেছিলাম তিনটা বাশের পাশে বিশ্রামরত ফিঙেকে সবাজেক্ট করে সাথে ব্যাকগ্রাউন্ডে তিনটা বিদ্যুতের খুটি রেখে। কিন্তু আরেকজন ফটোগ্রাফার ছবিটা দেখে চমৎকার আইডিয়া দেয়। তার কমেন্ট -
Mahmudur Rahman: ছবিটা খুব সুন্দর হয়েছে...আমি আমার দৃষ্টকোন থেকে একটা আইডিয়া দেব...ছবি্তে বাঁশ সহ পাখিটিকে ডানদিকে রাখলে কেমন হত...পাখিটির দৃষ্টি বাম দিকে তাই আমার কাছে মনে হচ্ছে ফোকাস জিনিসগুলকে ডানদিকে রেখে বামদিকে ফাকা জাইগা রেখে যদি ফ্রেমটা তৈরি করা যেত তাহলে কেমন হত??
“আমরা বন্ধু” বইমেলা আয়োজন ২০১২
প্রিয় বন্ধুরা ২০১২ সালের একুশের বইমেলায় “আমরা বন্ধু”র বন্ধুদের লেখা গল্প নিয়ে একটি “গল্প সংকলন” প্রকাশ করা হবে। প্রত্যেক বন্ধুর কাছ থেকে তার এ যাবৎ লেখা সর্বশ্রেষ্ঠ গল্পটি’র আহবান নিয়ে এসেছি। লিখিলিখি করে লেখা হয়ে ওঠেনি এমন অনেক গল্পই মনকে তাড়িয়ে বেড়ায়। আশপাশের দেখা অনেক গল্পই লিখতে ফেলতে ইচ্ছে করে। সারাক্ষণ মনে বেজে বেড়ায়, শ্রেষ্ঠ গল্পটি আজো লিখে ওঠতে পারিনি। তাই চলুন বসি আজ লেখার খাতাটি টেনে, কলম খানি হাতে নিয়ে। অন্তত চেষ্টা করি যে কথাগুলো লিখতে চাই সেগুলো লিখে ফেলার।
ক) গল্পটি পাঁচশত থেকে এক হাজার শব্দের মধ্যে হতে হবে।
খ) যাদের কমপক্ষে তিনটি লেখা আমরা বন্ধুতে প্রকাশিত হয়েছে, শুধুমাত্র তারাই গল্প পাঠাতে পারবেন। (কেউ যদি এরমধ্যে রেজিস্ট্রেশন নিয়ে তিনটি লেখা প্রকাশ করেন, তিনিও বই এর জন্যে গল্প পাঠাতে পারেন)
টুকটুক গল্প-৫
১. এবার ঈদে বাড়ি যাওয়া হয়নি। যদিও ঈদ যে একটা বিশেষ দিন সেই বিশেষ দিনের আনন্দ সেই কোন শৈশবেই ফেলে এসেছি। তবু টের পেলাম বাবা-মায়ের কাছ থেকে দূরে থেকে দিনটাতে বুকের ভেতরের বাতাসাটা অনেক বেশী ভারী হয়ে যায়।ঈদের দিনের ভোরবেলা থেকে সারাদিনে বাবা- মায়ের কার্যকলাপে মনে হলো আমি সাত সমুদ্র তেরো নদীর ওপারে আছি। কিন্তু কিছু ঝামেলায় আটকে থাকতে হলো কিছুদিন। এর মধ্যেই ঈদের একদিন পর ঘুম থেকে উঠেই বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হলাম বাসা থেকে।বাসা থেকে সায়দাবাদ যেতে তিনবার রিক্সা সিএনজি বদলাতে হলো। অবশেষে সায়দাবাদ থেকে বাসে উঠলাম ভালোভাবেই। কাঁচপুরের আগে একটা বাস নষ্ট হওয়াতে সেই বাসের কয়েকটা যাত্রী আমাদের বাসে উঠালো। তাদের মধ্যে তিনজন মানুষ এমন যাদের আমরা বলি হিজড়া। দেথে বুঝার কোন উপায় নেই, দুইজন শাড়ি পড়েছে, একজন সালোয়ার কামিজ পড়েছে। সালোয়ার কামিজ পড়া মানুষটা দেখতে খুবই সুইট। হঠাৎ দেখলাম সামনে বসা একটা লোককে সে
হাবিজাবি... হাবিজাবি...
╙╜ ইদানিং... না ঠিক ইদানিং না, বেশ কিছুদিন হইলো আমার কি জানি হইছে। লেখালেখি করতে পারি না। ঘন্টার পর ঘন্টা নেটে ঢুইকা বইসা থাকি, ব্লগে ঢুইকা ঝিমাই, ফেসবুক ওপেন কইরা রাইখা দেই। লিখতে পারি না। ব্লগে লগিন করি না, অফলাইনে বইসা মন্তব্যের ঘরে একটা দুইটা শব্দ লেখার চেষ্টা করি কী-বোর্ডের কী গুলা মনে হয় লাফাইয়া লাফাইয়া সইরা চইলা যায়। পড়ছিলাম, ডিস্লেক্সিয়া হইলে মানুষ পড়তে পারেনা, অক্ষরগুলা মনে হয় দৌড়াদৌড়ি লাফালাফি করতেছে। কিন্তু অনেক খুইজাও আমার রোগের কোনো ব্যখ্যা পাইলাম না 
╙╜ মাথার ভেতর কয়েকজন মানুষের নাম নিয়া ঘুরতেছি অনেক অনেক দিন ধইরা। কেউ বাইরে আসতে চায়না 
অসবর্ণ
সন্দেহের ফসলে ভরে গেছে অবিশ্বাসী কৃষকের মাঠ,
বিষণ্ন মাটি খুঁজে বেড়ায় আরেকটি ঘোর অমাবস্যার রাত;
যত কিছু রয়ে যাবে সুনির্মল দরজাটুকু করে হাট,
অঝোর ধারার কাব্যশব্দ ঘুমাবে সাথে নিয়ে বৃষ্টির ছাট।
পাইন বনের সুদীঘল মিছিলে একলা ঘুরে কদমের কাঠ,
দুটো নৌকার দড়ি থেকে হিম শব্দে তবে একটি ছাড়ে ঘাট;
বেশি হয়ে গেলে পুরনো পাতার বহর দিতে তো হয় ঝাট,
তাই বেলা শেষে নিজেকে লুকাতে যায় শ্রান্ত বালকের পাঠ।
আমার আকাশে শুকতারা তুমি
আমার আকাশে শুকতারা তুমি জ্বলে র'বে চিরদিন চিরদিন চিরদিন---------------------। আমি ঢেলে যাব খুন হৃদয় চিরে চিরে চিরদিন চিরদিন চিরদিন ---------------------------। হয়তোবা সারা পথ একা একা চলব,
স্মৃতির মিনারে তব শামা হয়ে জ্বলব,
হয়তো নিভেই যাব ক্ষণপর, সব কিছু ভুলে রব অতঃপর,
তবুও তোমার কথা,
তোমায় হারানোর ব্যথা,
ভুলবোনা কোনদিন কোনদিন কোনদিন ।
হয়তোবা এ জীবনে আরো কেউ আসবে, হয়তো হৃদয় দিয়ে সেও ভালবাসবে,
এক অচেনা অজানা ক্ষণজন্মা প্রাণের প্রতি ভালোবাসা ।
“এত বড় পোস্ট কেন করলাম? কেউত পরবে না? এই পোস্ট অন্য কারো জন্য নয়, নিজের জন্য। আমার খুব কাছের একজন এই মরণব্যাধিতে আক্রান্ত, আমি জানি খুব বেশি দিন নেই তার, তারপরেও তাকে এই মিথ্যাটুকুই সারাদিন বলি 'কিচ্ছু হবে না'”
কথাগুলি একজন ব্লগারের একটা মাঝারি আকৃতির লেখার শেষের অংশ । লেখার বিষয়ও বেশ গুরুত্বপূর্ণ । মরনব্যাধি ক্যান্সার নিয়ে লেখা । অথচ জুনের ১ তারিখে প্রকাশ করা ব্লগটিতে গতকাল পর্যন্ত নাকি কোন কমেন্টই ছিল না ।
আর এই দুইদিনে তার এই ব্লগ কমেন্টে সয়লাব । কেন? কারন, এই লেখার লেখক আর এই পৃথিবীতে নেই । সে নেই, তাই তার জন্য সবার এত মায়া । সে যখন ছিল, কেউ তার দিকে ফিরেও তাকায়নি ।
এ এক রহস্যময় রাত
নিস্তব্ধ প্রকৃতি , মধ্যরাত্রি সন্নিকটে
অশুভ শক্তি কোন আশেপাশে ওঁত পেতে আছে ।
কানে ভেসে আসে এক অদ্ভুত প্রাণীর হুংকার
চাঁদের আবছা আলো মেঘলা এক আকাশের নিচে ।
হঠাত্ই স্পষ্ট হয়ে ওঠে কার ভয়ঙ্কর রূপ
যা ক্রমশ হৃতপিন্ডকে রুদ্ধ করে ।
আমি আপ্রাণ চেষ্টা চালাই চিত্কারিবার
কিন্তু আতঙ্ক ততক্ষণে বাকশক্তি গ্রাস করে ।
এক ভয়ার্ত মূর্তি জমাট বাধতে থাকে ,
যার নিষ্পলক চোখ - এ কী রহস্যময় রাত !
হিংস্র জন্তু শত আসে এগিয়ে , আর কেউ নেই হায় !
যে বাঁচাবে আমায় - ওদেরকে করে ভূমিস্মাত্ ।
শুনি সরাত্ রুধলো দ্বার , জন্তুগুলোর ভীড়ে
পাইনা এমন কোন পথ পালাই যাতে ।
মন বুঝি এ যে এক দুঃসাহসী রাত
যুদ্ধে নেমেছি তাই প্রাণপণে পিশাচের সাথে ।
আমি অবিরাম লড়ে চলি বজ্রমুষ্ঠ হাতে
তবু অনড় দেহ ক্রমশ হিম হয়ে যেন শিহরায় ।
অনিবার্য মৃত্যুর হাতছানি আর ধাপ মাত্র দুরে
নখরে পিশাচ যত আঁকড়ে ধরে নিথর আমায় ।
"খত মাল্লাহু আলা কুলুবেহিম"
"খতমাল্লাহু আলা কুলুবেহিম”
এ টি এম কাদের
- পবিত্র ক্বোরানের বাণী । আল্লাহ কিছু মানুষের হৃদয় ও কান সীল গালা করে দিয়েছেন । ভাল কোন কিছু ওদের কানে প্রবেশ করবেনা । শুভ কিছুর জন্য জায়গা নাই ওদের হৃদয়ে । তারা সৎ্পথে ফিরবেনা কখনো । অবিশ্বাসী, বেঈমান-মোনাফেকদের উদ্দেশ্যে এই পবিত্র বাণী নায্বেল হলেও বাংলাদেশের রাজনীতিবাজ আর তাদের তল্পিবাহকরা ও যে এই একই শ্রেণীভুক্ত তাতে কোন সন্দেহ নাই । গত চার দশকের রাজনীতির কান্ডকারখানা দেখলে তাই মনে হওয়া খুবই স্বাভাবিক !
golpo-1
পরী টিলা
হান্স খৃস্টান Andersen না "Elverhøi" জাঁ Hersholt দ্বারা একটি অনুবাদ. তথ্য ও লিঙ্ক
বেশ lizards এবং আউট একটি ফাঁপা ট্রি cracks briskly darted. তারা একে অপরকে পুরোপুরি বোঝা, সব তারা টিকটিকি ভাষা স্পোক.
"আমার! কিভাবে rumbles এবং পুরানো পরী আলি মধ্যে buzzes বলেন," একটি টিকটিকি. "এটা rumbles এবং bumbles যাতে আমি ঘুম এর একটি গত দুই রাতের জন্য আভাস ছিল না. আমি একটি দন্তশূল হিসেবে থাকতে পারে, জন্য যে ঘুমের থেকে আমাকে বাধা দেয়."
"চলন্ত আছে কিছু বলেন," অন্য টিকটিকি. "পর্যন্ত মোরগ ভোর জন্য crowed, তারা ছিল আলি চার লাল মেরুর উপর propped পর্যন্ত এটি একটি সর্বব্যাপী বায়ুসেবন দিতে. এবং পরী maidens কিছু নতুন নাচ স্ট্যাম্প আউট শেখার আছে. কিছু নিশ্চয় হয় চালু."
মেঘবন্দী (১৬) ... বৃষ্টির অশ্রুজল / লীনা ফেরদৌস
বৃষ্টির অশ্রুজল
লীনা ফেরদৌস
একদম কাক ভেজা হয়ে ওয়ানস্টপ মলে ঢুকল শায়লা, কয়েকদিন থেকেই ঝুম বৃষ্টি, একদম থামাথামির নাম নেই, যাকে বলে পারফেক্ট শ্রাবণ মাস। রাস্তা ঘাটে পানি উঠে একাকার, খুব অসুবিধায় না পড়লে কারোই আজ বের হবার কথা না। অফিস থেকে বেরিয়ে কোন রিক্সা পাওয়া যাচ্ছিল না, একটা বুড়ো রিক্সাওয়ালাকে চাচা টাচা ডেকে অনেক কষ্টে তিনগুণ বেশী ভাড়া দিয়ে এসেছে সে।
বাড়ীতে একদম বাজার নেই। অফিস বেরুনোর সময় খালা বার বার বলে দিয়েছেন
“বাজার না আনলে কিন্ত খাওয়া নাই, ফ্রিজ একদম খালি, কতদিন ধরে বাজার কর না । আমি মুদি দোকান থেকে এটা সেটা এনে কোন রকম চালাচ্ছি। পুশ্পী মুরগীর মাংস ছাড়া ভাত খেতে চাচ্ছেনা, প্রত্যেক বেলায় তার এক বায়না। আজ কিন্ত
বাজার না আনলে হবে না । “
ব্যবচ্ছেদ
আমার এ পোষ্টের মধ্যে দিয়ে এবি সম্বন্ধে আমার ষড়যন্ত্রমূলক মনোভাব, আমার মন্দ রাজনৈতিক স্বভাব, কূটকাচালি চরিত্র বিশ্লেষনের জন্য সবাইকে সাদর আহবান জানানো হলো। যারা আমাকে অনেক অপছন্দ করেন, আমার পোষ্ট এড়িয়ে যান তারাও দয়া করে তাদের মূল্যবান মতামত এখানে জানিয়ে যাবেন, এইটুকু প্রার্থনা।
“আমরা বন্ধু” ব্লগটি অনেক দিক থেকে অন্য ব্লগের জন্যে উদাহরন হতে পারে।
এটাকে প্রায় ক্যাচাল বিহীন ব্লগ বলা চলে।
বিভিন্ন নিকের আড়ালে ছদ্ম আক্রমন নেই এখানে।
মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কিংবা সস্তা চটুল বিষয় নিয়ে অকারণে বাহারী পোষ্টও নেই খুব একটা।
ব্লগের বেশিরভাগ মানুষের চিন্তা ভাবনার মধ্যে একটা নৈতিক মিল আছে।
মডারেটেড ব্লগ হওয়া সত্বেও এখানে মডারেটরের ক্ষমতা দেখানোর মহড়া নেই।
প্রত্যকের বাক স্বাধীনতা আছে। সবাই যার যার বক্তব্য প্রকাশ করেন এখানে সেটা যতোই মডারেটর এর বিপক্ষে যাক না কেন।
ট্রাজেডির একমুঠো রিলিফ
ট্রাজেডির একমুঠো রিলিফ 01:32am, Wed 16 11 2011
আমি একা আর কেউ নয় , আর তুমি আসবে ? বলবে কিছু ? যাও সেদিন ভুলে ।
মনে রেখো এ এক নতুন নিশিকাব্য , যেখানে তোমাকে ফেরাবার নেই কোন মাত্রা ; অক্ষরবৃত্তেও তুমি বড় অনাবশ্যক ।
যাও ফিরে এক্ষণি তুমি ।
তোমাকে ডেকেছে আজ ট্রাজেডির একমুঠো রিলিফ . . . . . .
প্রথম লেখা তোমাকেই নিয়ে
নীলাঞ্জনা তুমি কোথায়...
আজ আমার তোমাকে খুবই প্রয়োজন...
ছোটবেলা থেকে মনে মনে তোমাকে নিয়ে কত কিছু ভাবতে ভাবতে আজ আমি পরিণত...
অনার্স শেষ, মাস্টার্স চলছে। এখনও কি তোমাকে পাবার সৌভাগ্য আমার হবে না...
ভালোবাসা বাসি মানুষদের দেখে আমি ক্লান্ত, তোমায় খুব দেখতে ইচ্ছে করে...
কেমন তুমি, জানি আমার জন্য অপেক্ষায় তুমিও অস্থির, তবু মন যে মানে না...
যেদিকে তাকাই শুধু মনে হয় এই বুঝি মনে হয় তুমি পেছন থেকে এসে আমার হাতটি ধরবে...
আমার সম্পুর্ন ভালোবাসা জমতে জমতে বরফ থেকে পাথর হতে চলল, তবুও...
আমি তোমাকেই পেলাম না...
মোবাইলের গুণকীর্তন
মোবাইলের গুণকীর্তন
শোনেন মিয়াভাই
মোবাইল ছাড়া জীবন
মোদের যেন বৃথাই।
মোবাইলে চলছে মোদের
পণ্য বেচাকেনা
জরুরি সব খবরাখবর
থাকছে না অজানা।
মোবাইলেই শুনছে গান
খেলছে নানা খেলা
একাকীত্ব কাটছে বটে
কাটছে সময় মেলা।
মোবাইলেই চলছে কাটা
ট্রেন-প্লেনের টিকেট
ব্যস্ত সময় দেখছে খেলা
ফুটবল আর ক্রিকেট।
ভ্রমণে দেশ-বিদেশে
ঠেকায় সাধ্য কার
ছেলে-বুড়ো নর-নারী
মোবাইল সঙ্গী তার।
বার্থডে আর ম্যারেজ ডের
হচ্ছে পিকস আপলোড
সপ্তাশ্চর্য সুন্দরবনকে
করছে আরো ভোট।
ডাকহরকরার আশায় মা
থাকেন না পথ চেয়ে
মোবাইলে এসএমএস
যাচ্ছে সহসা পেয়ে।
প্রবাসী স্বামীকে আর
লিখে না বউ চিঠি
নির্ধারিত নম্বর দিয়ে
সেন্ড বাটন দেয় টিপি।
* টিপি-টিপে দেয়।
পুনশ্চ : আমরা বন্ধুর তানবীরা আপার অনুরোধের ঢেঁকি গেলা এ ছড়াটি।