ইউজার লগইন
ব্লগ
আমার আকাশে শুকতারা তুমি
আমার আকাশে শুকতারা তুমি জ্বলে র'বে চিরদিন চিরদিন চিরদিন---------------------। আমি ঢেলে যাব খুন হৃদয় চিরে চিরে চিরদিন চিরদিন চিরদিন ---------------------------। হয়তোবা সারা পথ একা একা চলব,
স্মৃতির মিনারে তব শামা হয়ে জ্বলব,
হয়তো নিভেই যাব ক্ষণপর, সব কিছু ভুলে রব অতঃপর,
তবুও তোমার কথা,
তোমায় হারানোর ব্যথা,
ভুলবোনা কোনদিন কোনদিন কোনদিন ।
হয়তোবা এ জীবনে আরো কেউ আসবে, হয়তো হৃদয় দিয়ে সেও ভালবাসবে,
এক অচেনা অজানা ক্ষণজন্মা প্রাণের প্রতি ভালোবাসা ।
“এত বড় পোস্ট কেন করলাম? কেউত পরবে না? এই পোস্ট অন্য কারো জন্য নয়, নিজের জন্য। আমার খুব কাছের একজন এই মরণব্যাধিতে আক্রান্ত, আমি জানি খুব বেশি দিন নেই তার, তারপরেও তাকে এই মিথ্যাটুকুই সারাদিন বলি 'কিচ্ছু হবে না'”
কথাগুলি একজন ব্লগারের একটা মাঝারি আকৃতির লেখার শেষের অংশ । লেখার বিষয়ও বেশ গুরুত্বপূর্ণ । মরনব্যাধি ক্যান্সার নিয়ে লেখা । অথচ জুনের ১ তারিখে প্রকাশ করা ব্লগটিতে গতকাল পর্যন্ত নাকি কোন কমেন্টই ছিল না ।
আর এই দুইদিনে তার এই ব্লগ কমেন্টে সয়লাব । কেন? কারন, এই লেখার লেখক আর এই পৃথিবীতে নেই । সে নেই, তাই তার জন্য সবার এত মায়া । সে যখন ছিল, কেউ তার দিকে ফিরেও তাকায়নি ।
এ এক রহস্যময় রাত
নিস্তব্ধ প্রকৃতি , মধ্যরাত্রি সন্নিকটে
অশুভ শক্তি কোন আশেপাশে ওঁত পেতে আছে ।
কানে ভেসে আসে এক অদ্ভুত প্রাণীর হুংকার
চাঁদের আবছা আলো মেঘলা এক আকাশের নিচে ।
হঠাত্ই স্পষ্ট হয়ে ওঠে কার ভয়ঙ্কর রূপ
যা ক্রমশ হৃতপিন্ডকে রুদ্ধ করে ।
আমি আপ্রাণ চেষ্টা চালাই চিত্কারিবার
কিন্তু আতঙ্ক ততক্ষণে বাকশক্তি গ্রাস করে ।
এক ভয়ার্ত মূর্তি জমাট বাধতে থাকে ,
যার নিষ্পলক চোখ - এ কী রহস্যময় রাত !
হিংস্র জন্তু শত আসে এগিয়ে , আর কেউ নেই হায় !
যে বাঁচাবে আমায় - ওদেরকে করে ভূমিস্মাত্ ।
শুনি সরাত্ রুধলো দ্বার , জন্তুগুলোর ভীড়ে
পাইনা এমন কোন পথ পালাই যাতে ।
মন বুঝি এ যে এক দুঃসাহসী রাত
যুদ্ধে নেমেছি তাই প্রাণপণে পিশাচের সাথে ।
আমি অবিরাম লড়ে চলি বজ্রমুষ্ঠ হাতে
তবু অনড় দেহ ক্রমশ হিম হয়ে যেন শিহরায় ।
অনিবার্য মৃত্যুর হাতছানি আর ধাপ মাত্র দুরে
নখরে পিশাচ যত আঁকড়ে ধরে নিথর আমায় ।
"খত মাল্লাহু আলা কুলুবেহিম"
"খতমাল্লাহু আলা কুলুবেহিম”
এ টি এম কাদের
- পবিত্র ক্বোরানের বাণী । আল্লাহ কিছু মানুষের হৃদয় ও কান সীল গালা করে দিয়েছেন । ভাল কোন কিছু ওদের কানে প্রবেশ করবেনা । শুভ কিছুর জন্য জায়গা নাই ওদের হৃদয়ে । তারা সৎ্পথে ফিরবেনা কখনো । অবিশ্বাসী, বেঈমান-মোনাফেকদের উদ্দেশ্যে এই পবিত্র বাণী নায্বেল হলেও বাংলাদেশের রাজনীতিবাজ আর তাদের তল্পিবাহকরা ও যে এই একই শ্রেণীভুক্ত তাতে কোন সন্দেহ নাই । গত চার দশকের রাজনীতির কান্ডকারখানা দেখলে তাই মনে হওয়া খুবই স্বাভাবিক !
golpo-1
পরী টিলা
হান্স খৃস্টান Andersen না "Elverhøi" জাঁ Hersholt দ্বারা একটি অনুবাদ. তথ্য ও লিঙ্ক
বেশ lizards এবং আউট একটি ফাঁপা ট্রি cracks briskly darted. তারা একে অপরকে পুরোপুরি বোঝা, সব তারা টিকটিকি ভাষা স্পোক.
"আমার! কিভাবে rumbles এবং পুরানো পরী আলি মধ্যে buzzes বলেন," একটি টিকটিকি. "এটা rumbles এবং bumbles যাতে আমি ঘুম এর একটি গত দুই রাতের জন্য আভাস ছিল না. আমি একটি দন্তশূল হিসেবে থাকতে পারে, জন্য যে ঘুমের থেকে আমাকে বাধা দেয়."
"চলন্ত আছে কিছু বলেন," অন্য টিকটিকি. "পর্যন্ত মোরগ ভোর জন্য crowed, তারা ছিল আলি চার লাল মেরুর উপর propped পর্যন্ত এটি একটি সর্বব্যাপী বায়ুসেবন দিতে. এবং পরী maidens কিছু নতুন নাচ স্ট্যাম্প আউট শেখার আছে. কিছু নিশ্চয় হয় চালু."
মেঘবন্দী (১৬) ... বৃষ্টির অশ্রুজল / লীনা ফেরদৌস
বৃষ্টির অশ্রুজল
লীনা ফেরদৌস
একদম কাক ভেজা হয়ে ওয়ানস্টপ মলে ঢুকল শায়লা, কয়েকদিন থেকেই ঝুম বৃষ্টি, একদম থামাথামির নাম নেই, যাকে বলে পারফেক্ট শ্রাবণ মাস। রাস্তা ঘাটে পানি উঠে একাকার, খুব অসুবিধায় না পড়লে কারোই আজ বের হবার কথা না। অফিস থেকে বেরিয়ে কোন রিক্সা পাওয়া যাচ্ছিল না, একটা বুড়ো রিক্সাওয়ালাকে চাচা টাচা ডেকে অনেক কষ্টে তিনগুণ বেশী ভাড়া দিয়ে এসেছে সে।
বাড়ীতে একদম বাজার নেই। অফিস বেরুনোর সময় খালা বার বার বলে দিয়েছেন
“বাজার না আনলে কিন্ত খাওয়া নাই, ফ্রিজ একদম খালি, কতদিন ধরে বাজার কর না । আমি মুদি দোকান থেকে এটা সেটা এনে কোন রকম চালাচ্ছি। পুশ্পী মুরগীর মাংস ছাড়া ভাত খেতে চাচ্ছেনা, প্রত্যেক বেলায় তার এক বায়না। আজ কিন্ত
বাজার না আনলে হবে না । “
ব্যবচ্ছেদ
আমার এ পোষ্টের মধ্যে দিয়ে এবি সম্বন্ধে আমার ষড়যন্ত্রমূলক মনোভাব, আমার মন্দ রাজনৈতিক স্বভাব, কূটকাচালি চরিত্র বিশ্লেষনের জন্য সবাইকে সাদর আহবান জানানো হলো। যারা আমাকে অনেক অপছন্দ করেন, আমার পোষ্ট এড়িয়ে যান তারাও দয়া করে তাদের মূল্যবান মতামত এখানে জানিয়ে যাবেন, এইটুকু প্রার্থনা।
“আমরা বন্ধু” ব্লগটি অনেক দিক থেকে অন্য ব্লগের জন্যে উদাহরন হতে পারে।
এটাকে প্রায় ক্যাচাল বিহীন ব্লগ বলা চলে।
বিভিন্ন নিকের আড়ালে ছদ্ম আক্রমন নেই এখানে।
মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কিংবা সস্তা চটুল বিষয় নিয়ে অকারণে বাহারী পোষ্টও নেই খুব একটা।
ব্লগের বেশিরভাগ মানুষের চিন্তা ভাবনার মধ্যে একটা নৈতিক মিল আছে।
মডারেটেড ব্লগ হওয়া সত্বেও এখানে মডারেটরের ক্ষমতা দেখানোর মহড়া নেই।
প্রত্যকের বাক স্বাধীনতা আছে। সবাই যার যার বক্তব্য প্রকাশ করেন এখানে সেটা যতোই মডারেটর এর বিপক্ষে যাক না কেন।
ট্রাজেডির একমুঠো রিলিফ
ট্রাজেডির একমুঠো রিলিফ 01:32am, Wed 16 11 2011
আমি একা আর কেউ নয় , আর তুমি আসবে ? বলবে কিছু ? যাও সেদিন ভুলে ।
মনে রেখো এ এক নতুন নিশিকাব্য , যেখানে তোমাকে ফেরাবার নেই কোন মাত্রা ; অক্ষরবৃত্তেও তুমি বড় অনাবশ্যক ।
যাও ফিরে এক্ষণি তুমি ।
তোমাকে ডেকেছে আজ ট্রাজেডির একমুঠো রিলিফ . . . . . .
প্রথম লেখা তোমাকেই নিয়ে
নীলাঞ্জনা তুমি কোথায়...
আজ আমার তোমাকে খুবই প্রয়োজন...
ছোটবেলা থেকে মনে মনে তোমাকে নিয়ে কত কিছু ভাবতে ভাবতে আজ আমি পরিণত...
অনার্স শেষ, মাস্টার্স চলছে। এখনও কি তোমাকে পাবার সৌভাগ্য আমার হবে না...
ভালোবাসা বাসি মানুষদের দেখে আমি ক্লান্ত, তোমায় খুব দেখতে ইচ্ছে করে...
কেমন তুমি, জানি আমার জন্য অপেক্ষায় তুমিও অস্থির, তবু মন যে মানে না...
যেদিকে তাকাই শুধু মনে হয় এই বুঝি মনে হয় তুমি পেছন থেকে এসে আমার হাতটি ধরবে...
আমার সম্পুর্ন ভালোবাসা জমতে জমতে বরফ থেকে পাথর হতে চলল, তবুও...
আমি তোমাকেই পেলাম না...
মোবাইলের গুণকীর্তন
মোবাইলের গুণকীর্তন
শোনেন মিয়াভাই
মোবাইল ছাড়া জীবন
মোদের যেন বৃথাই।
মোবাইলে চলছে মোদের
পণ্য বেচাকেনা
জরুরি সব খবরাখবর
থাকছে না অজানা।
মোবাইলেই শুনছে গান
খেলছে নানা খেলা
একাকীত্ব কাটছে বটে
কাটছে সময় মেলা।
মোবাইলেই চলছে কাটা
ট্রেন-প্লেনের টিকেট
ব্যস্ত সময় দেখছে খেলা
ফুটবল আর ক্রিকেট।
ভ্রমণে দেশ-বিদেশে
ঠেকায় সাধ্য কার
ছেলে-বুড়ো নর-নারী
মোবাইল সঙ্গী তার।
বার্থডে আর ম্যারেজ ডের
হচ্ছে পিকস আপলোড
সপ্তাশ্চর্য সুন্দরবনকে
করছে আরো ভোট।
ডাকহরকরার আশায় মা
থাকেন না পথ চেয়ে
মোবাইলে এসএমএস
যাচ্ছে সহসা পেয়ে।
প্রবাসী স্বামীকে আর
লিখে না বউ চিঠি
নির্ধারিত নম্বর দিয়ে
সেন্ড বাটন দেয় টিপি।
* টিপি-টিপে দেয়।
পুনশ্চ : আমরা বন্ধুর তানবীরা আপার অনুরোধের ঢেঁকি গেলা এ ছড়াটি।
মাগো তাকে বলো---
মাগো তাকে বলো যেন উঠোন খানি নিকিয়ে রাখে,
আমি তারই কাছে আসবো ফিরে এই কথাটি মনে রাখে ।
সকাল বেলার সোনা রোদের একটুখানি ধরে রাখে,
নিশিথ রাতে হাস্নুহেনার সুবাস বুকে ভরে রাখে ।
শরত প্রাতের শিশির কণা ডাগর চোখে জমিয়ে রাখে,
সাঁঝ রবিটার লাল টুক টুক লালিমাটা গালে মাখে ।
কাল বোশেখির উতল হাওয়ায় হদয় পরাণ জুড়িয়ে রাখে ।
আমি তারই কাছে আসবো আবার এই কথাটি মনে রাখে ।
মাগো তারে বলো যেন সাঁঝ প্রদীপটি জ্বেলে রাখে,
শীতল পাটি পরিপাটি সযতনে পেতে রাখে ।
মেঘলা দিনের ' রিম ঝিম ঝিম' বুকের খোপে লুকিয়ে রাখে,
'বউ কথা কও' বউ পাখিটির 'গোপন কথা' গোপন রাখে ।
আমি ফিরে এসে চাইব সবই এই কথাটি মনে রাখে ।
ভিয়েনায় ঘোরাঘুরি
ভিয়েনা জায়গাটা সুন্দর। সাজানো-গুছানো। প্রকাশ্যে আইনের কড়াকড়ি নেই, কিন্তু সব চলছে নিয়ম মেনে। মেহমান আসার আগে বাড়ির ড্রয়িংরুম যেরকম গুছানো থাকে, ভিয়েনা যেন সেরকম।
ভিয়েনা আসলে গানের শহর। প্রথম ভিয়েনা দেখার শখ জেগেছিল সাউন্ড অব মিউজিক দেখে। কিন্তু সখটা তীব্র হয় বিফোর সানরাইজ দেখে। আহা! সেই যে ইথান হক আর জুলি ডিপলি ইউরো ট্রেন থেকে নেমে গেলো ভিয়েনায়।
বাংলাদেশের সবুজ পাশপোর্ট নিয়ে যে কোনো ইমিগ্রেশন কাউন্টারে একটু বিরক্ত লাগে। এমন ভাবে পাশপোর্ট দেখে আর তাকায় যে, মনে হয় ফিরে যাই। তবে আমার অভিজ্ঞতা হচ্ছে সময় নেওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন সেরা। এতোটা দেরি আর কেউ করে না।
ফকির লালের বিচার চাই
একটা অসাধারণ গান আজ আপনাদের সাথে না শেয়ার করে পারছি না। প্রেমের পুতু পুতু গানের ভীরে শোনা হয়নি এই গানটি। কত গান যে শুনিনি সেটা আজ আরো একবার প্রমান হলো। আজ ফেসবুকে কয়েক বন্ধুর শেয়ার থেকে পাওয়া গানটি আপনাদের জন্য তুলে দিলাম।
আর্টিস্ট: ফকির লাল মিয়া
গান: বিচার চাই
ইউটিউব লিংক
সারাদেশে শান্তি নাই, ফকির লাল এর ঘুম নাই
ভালা মাইনষের ভাত নাই, আদালতে আইন নাই
কোট কাচারী চাইয়া দেখে, এই দেশেতে বিচার নাই
এই দেশেতে মানুষ নাই, এই দেশেতে মানুষ থাকলে
মানুষের কি চোখ নাই?
স্বাধীনতার দাম নাই, মুক্তিযোদ্ধার মান নাই
দেশপ্রেমীকে চাইয়া দেখে এই দেশেতে উপায় নাই
এই দেশেতে ঠাই নাই, এই দেশেতে মানুষে থাকলে
মুজিব হত্যার বিচার চাই!
একাত্তুরের দালালরা হুশিয়ার সাবধান
সোনার বাংলা
দেশটা যেন মগের মুলুক ,
যেমন করে চলছে চলুক !
ছিনিয়ে নিয়ে ভুখার আহার
গরবে যারা টাকার পাহাড় ,
আইন তাদের বাবার দাদার !
রুখবে এমন কে আছে আর ?
সেই আশাতেই রইল বসে
ঘাতক দালাল সাধুর বেশে ,
দেশকে হাতের মুঠোয় চেপে
রাত-দুপুরে উঠলো ফেঁপে ।
হঠাত্ যখন তুফান এলো
আবহাওয়া পাল্টে গেলো ,
করত যারা খবরদারি
ভাঙলো হাটে তাদের হাঁড়ি !
রুই কাতলার হাজতবাসে
কেউবা আবার মুচকি হাসে ;
কেউবা শোকে মর্মাহত ,
কেউবা নীরব গুণীর মত !
এমনি করেই দিন কেটে যায়
সোনার বাংলা পাবার আশায় ।
টুকটুক গল্প-৪
এমনি করেই সব হারিয়ে যায়। কিছু একটা লেখার চেষ্টা করি...কি বোর্ড থেকে চোখ তুলে দেখি স্ক্রিনে কিছু নেই। অনেকটা সময় ধরে নিজের মত করে যা লিখতে চাইলাম হারিয়ে গেলো।সবগুলো অপশন খুঁজে খুঁজে দেখি যদি কোথাও পাওয়া যায়! পাইনি কোথাও, আমি জানার, বোঝার আগেই হারিয়ে গেলো। এমন করে কত কি যে হারালো! একজন বলেছিলো, সবার অবস্থার পরিবর্তন হলো, আপনি তো যেমন ছিলেন তেমনই রইলেন, আপনার অবস্থার পরিবর্তন হলো না।ভেবে দেখলাম সত্যি তো!সবকিছু আগের মতোই আছে। ক্লান্ত দুপুরে সেই বারান্দায় সেই চড়ুইপাখিদের কিচিরমিচির, সেই দুটি কবুতরের একজন আরেকজনকে ঠোঁট দিয়ে আদর করে দেওয়া....কিছুই বদলায়নি।