ইউজার লগইন
ব্লগ
মাওলা আলীর অভিষেকে প্রাচ্য ভাবগীত ও লালনের কালাম
আমি অবাক। এইটা কবে হল কিছুই জানিনা। অথচ এর আশে পাশে কত আড্ডা দিয়েছি। সোহরাওয়ার্দি উদ্যানের ভিতর এই এম্ফি থিয়েটার বানানো হয়েছে জানতামইনা। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল চারটায়। বাঙালের সময়ে কাজ শুরু নিয়া আবার ধরা। পোনে পাঁচটায় আমি আর তৈমুর পৌছলাম তখন শুরুর কোনো লক্ষণ ই নাই। আমরা আসছি বিশ্ব লালন পরিষদের প্রাচ্য ভাবসংগীতের অনুষ্ঠান শুনতে। খবর পেয়েছি পোস্টার দেখে। যদিও এরা কারা, কী করে কিছু জানিনা। তবে স্টেজের ব্যাকগ্রাউনড দেখে ভিরমি খেলাম। মাওলা আলীর অভিষেক। মানে কী কে এই আলী? তারপরে লালনের নবি নিয়ে এক গানের কয় লাইন। লালনকেও মুসলমান বানাবে নাকি ওরা! মেজাজ খারাপ। তবে জায়গাটা ভাল। অগ্রাহায়নের বিকালের হালকা ঠান্ডায় বেশ একটা ভাল লাগা ছিল।
শিংগী আপু / তুতুন ভাবী
শিংগী আপুর অনেক শিং,
তুতুন ভাবীর মোটে নাই,
রঙ্গ সভায় যান না ভাবী
পাছে শিংগী মারেন ঘাই ।
আপুর জ্বিবে--- কেউটের বিষ
খিস্তি খেউর অহর্নিশ,
ভাবীর শুধু ফোঁসফাঁস ।
নিত্য নতুন ছূতো করে
আপু সবই দখল করে,
ভাবী একটু নড়ে চড়ে
চেপে রাখেন দীর্ঘশ্বাস ।
আপুর জিদ--- সাতশো বিশ,
ভাবীর ও কিছু কমনা ।
তাইনে তাইনে রেষারেষি,
শীল-নোড়ার ঘষাঘষি,
মরিচ "গণের" প্রাণ নাশি,
বলেন, ' আমরা কিন্তু যম না' ।
কেউ কিন্তু কমনা,
খুণ ছাড়া 'পান' না,
ষোল কুঠি ছাগলের
গোস্ত্- ছাল তো মাগনা ।
মেঘবন্দী (১৫) ... মেঘ বৃষ্টির পাঁচালী / লিজা
মেঘ বৃষ্টির পাঁচালী
লিজা
লোকটি দ্রুত হাটছে । শুকনো খরখরে শরীরে যত দ্রুত সম্ভব পাড়া ছাড়িয়ে একটু নির্জন জায়গার খোঁজে হেটে যাচ্ছে । আর হয়তো মিনিট পাঁচেকের মধ্যে বৃষ্টি নামবে । লোকটি আন্দাজ করে নেয়, আজ ঝুম বৃষ্টিই হবে; একেবারে আকাশ পাতাল তছনছ করে বৃষ্টি নামবে আজকে । বাতাসের বুক চিরে দিয়ে অজস্র তীরের মত নেমে আসবে ওরা । মাতালের মত হেলেদুলে ঢলে পড়বে বিরসা মাটির বুকে । লোকটি ভাবতে ভাবতে হাটে, হাটে আর ভাবে । কোন এক জিনিসের প্রেমেই মজেছে সে, এ তারে দেখা দেয় কালেভদ্রে । অথচ লোকটি কত দিনরাত উদাস বসে অপেক্ষা করে, হেলায় ঠেলে সরায় ময়নার চান্দের জ্যোৎস্না ।
দিনপঞ্জী এমনও হয়, তোমার কাজটাই কাজ এমন ভাবা ঠিক নয়
ঘুমাতে যাওয়া : ভোর ৪:৩০ এরপর আর না জানা কখন ঘুমালাম (কারণ রাত ১১টা থেকে রাণীকন্যা কাঁদছেন, খাচ্ছেন, ছোটবড় বাথরুম করছেন এবং কোলে উঠছেন)
৬:৩০ সকাল : রাণীকন্যাকে খাওয়ানো
৮:০০ : শয্যায় বাচ্চাকে খাওয়ানো
৮:৩০ : শয্যা ত্যাগ, প্রাত:কৃত সমাপ্তকরণ সাপেক্ষে প্রাত:রাশ গ্রহণ, বাচ্চা তথা রাণীকন্যাকে বাইরে নেয়ার জন্য জামাকাপড় পরানো,বাচ্চাকে খাওয়ানো
৯: ৩০: নিজে তৈরী হয়ে বাচ্চাসহ টিকাদানের উদ্দেশ্যে বের হওয়া
১১:১৫ : টিকা দেয়া শেষ
১১:৩০ : টুকটাক কেনাকাটা করতে গিয়ে গাড়ীর স্টার্ট বন্ধ হয়ে রাস্তায় ফেঁসে যাওয়া, সিএনজি ধরে বাসায় আসা
১১:৫০ : বাসায় ফেরা, বাচ্চার গোসল করার ব্যবস্থা করা
১২:১৫ ; গোসল শেষে খাওয়ানো
১২ :৪৩ : ফোনের ফ্ল্যাক্সি, টুকটাক জিনিস ক্রয়
১: ২০ : বাসায় ঢোকা, নাকেমুখে একটা রুটি গুঁজে , যে যে কাপড় কাঁথা ধুতে হবে সেসব সমেত বাথরুমে ঢোকা
১:৪৪ এ গোসলে যাওয়া
মিথ্যার বেসাতি
মোবাইল তো নয় যেন
মিথ্যার বেসাতি
ঢাকায় থেকেও বলি
আছি আমি রামগতি।
মোবাইলে বন্ধু খোঁজা
সহজ উপায়
ভালো নাকি মন্দ
বোঝা বড় দায়।
মোবাইলে করে কেউ
বাজার-সদাই
অর্থ নয়, সময় বাঁচে
ভাবনা কী তাই।
প্রযুক্তির নিত্যনতুন
শত আবিষ্কার
বিশ্বকে করেছে যান্ত্রিক
ব্যক্তিরা বেকার।
প্রতিদিন মোবাইলে
বলি শত কথা
অর্ধেক তার দরকারি
বাকি সব অযথা।
বিরক্তির রং নাম্বার
অভিজ্ঞতা সবার
FnFসুবিধায়
সারারাত কাবার।
মোবাইলে চলে প্রেম
হয় ভালোবাসা
আবেগতাড়িত জীবন
যেন শতভাগ খাসা।
মোবাইলে চলে কথা
চরম অশ্লীল
স্বপ্নে বিভোর হয়
হায়! বুজদিল।
বস কয় কাল রোববারেও অফিস যেতে হবে
বস কয় কাল রোববারেও অফিস যেতে হবে, হায় কপাল। সপ্তাহে একটা দিন মাত্র ছুটি।
বাংলা ব্লগের লেখা পড়ে ছুটি উপভোগ করি। তাতেও গত ছ-মাস বাদ সাধছে বস। তেনার আবার অসীম ক্ষমতা। আইনত তিনি কেউ না অফিসের। ওই ক্ষমতার জোরে তিনি আসল বসকে রাসর্বাবর স্টাম্প বানিয়ে নিজে হয়ে উঠেছেন সর্বেসর্বা। শুনছি তাঁর
ক্ষমতা জাহিরের শেষ পর্বে আছেন তিনি, তাই যাকে যা খুশি বলছেন, করাচ্ছেন। যেমন
কেড়ে নিচ্ছন আমাদের রোববার গুলো।
ভূত
কাল রাত ৮ টার দিকে আমার একটা বন্ধু ফোন দিয়ে বলছে আমার আরেকটা বন্ধুর সাথে ভুত সাক্ষাৎ করেছে
। ছোটবেলা থেকেই ভূতের উপর একটু দুর্বলতা মানে ভয় ছিল আর কি
। তাই ফ্রেন্ডরা চান্স পেলেই আমাকে ভূতের গল্প শোনায়ে । আমি বিশেষ করে রাতের বেলায়ে এইসব গল্প শুনতে পারি না এর উপর যদি এইরকম গল্প হয়ে , সেই রাতে তো ঘুমই গায়েব
(
। তাই কাল রাতে গুমাতে গুমাতে ৪ টা বেজেছে ( মানে ফজরের আযান দেবার পর ) । এক্ষেত্রে আমার একটা বিশ্বাস হল আযান দেওয়ার পর কোনও কিছুর ভয়ে থাকে না । 
শরীরের ভেতরে রাত ঢুকে যায়
শরীরের ভেতরে রাত ঢুকে যাচ্ছে
বেছে বেছে দেয়ালের ফোকড়ে সকল হাওয়া
সামনে পেছনে হাজার ঘন্টার এক একটা প্রহর
সামলে নিচ্ছে উদোম প্রশ্নছাড়া
... এই সব দৃশ্যমান পথ আর অদৃশ্য সিগন্যাল ঘুরে
যতটা প্রত্যন্ত হৃদয়পুরে বাস্তুহারা স্বপ্ন জাগে
তার প্রতিবিম্ব ইট-প্রকোষ্ঠ নয়নাভিরাম হতে থাকলে
সোজা নিজের ভেতরে ঢুকে যায় সংকেত
জানিয়ে দিতে প্রকারন্তরে তোমায় নিবেদন
শরীরের ভেতরে রাত ঢুকে যায় প্রিয়মন
আমার যাদুমনি (২২)
মোদের ঈদ-উল-আজহা '১১ যেভাবে কাটলো........ 
পোজ দেয়া কাকে বলে ঋহান'কে জিজ্ঞেস করুন 
একে বলে সিনেমা ইস্টাইলে পোজ
(ফুলের বদলে টবের এক কোনে হাত দিয়ে আর কি 
তারপর পোজ দিতে দিতে এভাবে বাঁকা হয়ে যেতে হয় 
আর এইটা হলো- হিরো ইস্টাইল!
অন্য দিকে ঘুরে ক্যামেরা দেখা 

আমার বাবামনি'টা ♥

my angels!
অপার্থিব
আমাদের ছুঁয়ে থাকে রুপালী চাঁদ
আমাদের ছুঁয়ে থাকে জোছনার নিঁখুত বুনন,
আবছায়া সুখটুকু -
শুধু ছুঁয়ে থাকে আমাদের।
ছুঁয়ে থাকে লালপেড়ে অধরা বসন্ত
কুয়াশায় ভেজা ভেজা কষ্ট
অদ্ভুত এ আঁধার ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকে
ছুঁয়ে থাকে নিমিত্ত জীবন।
ছুঁয়ে যায় চমকানো মেঘ বিদ্যুৎ
ধমণী ছুঁয়ে শিরায় শিরায়
কি যেন আমাদের শুধু ছুঁয়ে যায়
ছুঁয়ে যায় আমৃত্যু হৃদয়।
আমাদের কেবলই ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকা
প্রাণের সাথে প্রাণ -
পার্থিব এই হাত শুধু একবার
ছুঁতে চায় অপার্থিব তোমায়।
আমরা কি পরীক্ষানির্ভর শিক্ষার দিকে ঝুঁকছি?
নভেম্বর মাসের শুরুতে অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) এবং জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ঈদের পরপরই পরীক্ষাগুলো শেষ হবে। ঈদের পর শুরু হবে পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য সমাপনী পরীক্ষা। এই দুটো পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর বাকি শ্রেণীগুলোর বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে। সমাপনী কিংবা জেএসসি/জেডিসি পরীক্ষার আগে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনেকেই তাদের শিক্ষার্থীদের একাধিক মডেল টেস্টের আয়োজন করেছে যেন তারা মূল (!) পরীক্ষায় ভালো করতে পারে। এছাড়া বছরজুড়ে নানা ধরনের পরীক্ষা তো রয়েছেই যার মধ্যে প্রথম সাময়িক ও দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষাগুলো অন্যতম।
একটি খারাপ দিন (২য় পর্ব}
[১ম পর্ব পড়তে হলে ক্লিক করুন এখানে।] অফিস ছুটির পর রিকশা নেয়ার চেষ্টা না করে এবার বাসে উঠি। প্রচন্ড ভীড়ে কে যেন জুতা দিয়ে আমার পা মাড়িয়ে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে চেঁচিয়ে উঠি, ‘আমার পা পিষ্ট করেছে কোন পাপিষ্ঠ রে’। কথাটি বলেই সন্দেহভাজন ব্যক্তিটির দিকে তাকাই। ‘এমন মাগুর মাছের মতো কুত কুত কইরা চাইয়া থাইকেন না ভাই, গা শিরশির করে। বাসে উঠলে একটু আধটু লাগবোই, সহ্য না হলে নাইমা ট্যাক্সি ক্যাবে গিয়া উঠেন’। এক নি:শ্বাসে কথা কয়টি বলে দম নেন ভদ্রলোক।
‘ভাই, পকেটে ট্যাক্সি ক্যাবের ভাড়া থাকলে কি আর বাসে উঠে ছাগলের সঙ্গে ঝগড়া করি’ ! আমার নির্লিপ্ত বলার ভঙ্গিতে সারা বাসে হাসির হুল্লোড় পড়ে যায়। একটু পর কন্ডাক্টর এসে ভাড়া চায়। কিন্তু প্যান্টের পেছনের হাত দিয়েই মাথায় যেন বাজ পড়ে আমার। হিপ পকেটে মানিব্যাগটা নেই। বাসে উঠার মুহূর্তেই কেউ...।
" বিবর্ণ ঈদ "
সামনে কুরবানীর ঈদ। পাড়ায় ,পাড়ায় ব্যাস্ততা । ঘরের বৌ ঝি সকলে মিলে চাউলের গুড়ি ধুপছে ঢেঁকিতে। চাউলের গুঁড়োর রুটির সাথে ঈদের তাজা গরুর মাংস খেতে বেশ দারুন লাগে। দূ'জন কামলা লাকড়ী পাড়ছে উঠানের কোনায়। রুপকের ছোট বোন তার বান্ধবী রুকু'কে নিয়ে আমের চাটনি বানাচ্ছে।আমের চাটনি রুপকের একটা প্রিয় খাবার । গত কয়েক মাস শহর থেকে থেকে , গ্রামে কেমন যেন লাগছে। এর মাঝে রুপকের মা জননী কয়েকবার এসে জেনে গেল কিছু লাগবে কিনা। আগে যখন বাড়ীতে থাকত তখন এত খবর নিত না । আসলে রুপক এখন অনেক বড় হয়ে গেছে । সেই সাথে ভার্সিটিতে লেখা পড়া করে আলাদা একটা ব্যাপার আছে না। গ্রামে বেশ গরম পড়ছে।
গল্প: যে কারণে বিশ্বাস হারানোর ক্ষমতা হারিয়েছি
জার্নালিজম ডিপার্টমেন্টের নিজস্ব ক্লাসরুম ছিলো একটাই। রুমটার নাম ছিলো হাজার আটাশি। এখন হাজার আটাশি অনেক আধুনিক চেহারা পেয়েছে। কিন্তু এক সময় সেখানে কেবল তক্তার তৈরি একটা প্ল্যাটফর্ম এবং তার ওপরে ছিলো অতি পুরোনো ধাঁচের একটা ডায়াস। পড়ানোর জন্য ব্ল্যাকবোর্ড আর সাদা চকই ছিলো স্যার-ম্যাডামদের একমাত্র ভরসা। তখন আমরা পশ্চিমমুখো হয়ে বসে ক্লাস করতাম। এখন সবাই পূর্বদিকে মুখ করে বসে এবং পড়াশোনা হয় প্রজেক্টরে-প্রজেক্টরে। স্যারেরা সবসময় ল্যাপটপ নিয়ে ক্লাসে আসেন। যেটা আমাদের সময় হাতেগোণা দু'একজন আনতেন।
আমাদের বাসা থেকে ইউনিভার্সিটির দুরত্বটা কখনোই বাড়ে নি। কিন্তু বছর বছর বেড়েছিলো রিকশার ভাড়া। প্রথম প্রথম আমি ২০ টাকা করে যেতাম। একদম কলাভবনের দোরগোড়া পর্যন্ত। বন্ধু তোজা নাকি একবার ১৫ টাকাতেও গিয়েছিলো। এই ভাড়াটা শেষতক ৪০ টাকায় গিয়ে ঠেকলো। এরপর কি হয়েছে আমি জানি না।
প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ , কথা দিলাম আমিও আছি আপনার সাথে
৫ মার্চ ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ আমার মায়ের গলায় ক্যান্সার ধরা পড়ে । ২১ মার্চ থেকে আমার অনার্স পরীক্ষা , কী করি , কোথায় যাই , কিভাবে চিকিৎসা করাই , টাকা কীভাবে সংগ্রহ করি সেই চিন্তায় আমি অস্থির । প্রথমে সিলেটে কয়েকজন রেডিওলজিস্টকে দেখালাম । তারা এখুনি চিকিৎসা শুরু করার জন্য পরামর্শ দিল । কিন্তু একটা কথা কিছুতেই বুঝতেই পারছিলাম না , মায়ের ক্যান্সার কী পর্যায়ে আছে ? এই কথা ডাঃ ত্রিদিবকে জিজ্ঞেস করতেই বললেন - অবস্থা বেশ সুবিধার না , আপনাদের এখুনি ক্যামোথেরাপি , রেডিওথেরাপি শুরু করা দরকার ! আর যদি টাকা , পয়সা বিশেষ থাকে তো আপ্নেরা উনারে সিঙ্গাপুর নিয়ে যান ! বুঝলাম অবস্থা আসলেই খারাপ । তাড়াতাড়ি করে ঢাকায় এপোলো হসপিটালে নিয়ে গেলাম কিন্তু ওখানে গিয়ে তো পুরাই তো , ঐ হসপিটালে একজনও ক্যান্সার স্পেশালিষ্ট নাই !