ইউজার লগইন
ব্লগ
শুধু তুমি
শুধু তুমি
এ টি এম কাদের
প্রত্যূষে ঘুম থেকে উঠে
দাঁত মাঝতে মাঝতে অবাক হয়ে দেখি
বেসিনের স্বচ্ছ গতরে তুমি ফোটে আছো !
আমার হাত থেমে যায় ! অপলক দেখতে থাকি—
তোমার শ্বেত-মুক্তো দাঁত, রক্তিম গাল, লাল গোলাপ ঠোঁট ।
আমার মুখ নেমে আসে, আমি ঝুঁকতে থাকি—ঝুঁকতে থাকি ।
‘ খুট ’ করে শব্দ হয় ।
দোর খুলে কেউ বেরিয়ে যায় বাথ রুম থেকে ।
সম্বিৎ ফিরে পাই । তাড়াহুড়ো ডুকে পড়ি ।
দরজার খিল এঁটে শাওয়ার ছেড়ে দিই ।
জলের শীতল পরশ ! আহা কি কোমল !
মনে হয় তুমিই গলে গলে তরল হয়ে
আমার সমস্ত অবয়বে আদর করছো !
আবেশে চোখ বুজে স্থির হয়ে থাকি !
আমি দাঁড়িয়ে থাকি---দাঁড়িয়ে থাকি !
‘টক টক’ দরজায় টোকা পড়ে ।
সহকর্মী কারো তাড়া ।
তোয়ালে দিয়ে গা মুছতে মুছতে হঠাৎ থমকে যাই !
অবাক বিস্ময়ে দেখি—দেয়ালে লাইফ সাইজের আয়নায়
ক্রমে তুমি পষ্ট হচ্ছো !
তোমার কুন্তল, কপাল, ভ্রু, চোখ, কান, নাক, কপোল,
হাম হাম জলপ্রপাত, শ্রীমঙ্গল
গত ০৫/১০/২০১১ ইং তারিখে টুটুল ভাই বান্দরবন-থানচি-রেমাক্রীর ভ্রমন কাহিনী পড়ে প্রশ্ন করেছিলেন "হাম হাম" দেকছেন? উত্তরে বলেছিলাম " অপেক্ষা করেন বস"। ০৬ অক্টাবর, ২০১১ ইং তারিখ পূজার বন্ধ, আর কোন কথা নাই বোচকা-বুচকী বাধা শুরু হয়ে গেল, এবার লক্ষ্য শ্রীমংগল এর রাজকান্দী রিজার্ভ ফরেস্ট এর "হাম হাম জলপ্রপাত"। প্রথমেই বাধা ট্রেন এ সবার টিকিট নাই, কি করা ২ ভাগে ভাগ হয়ে গেলাম একদল ট্রেন অপর দল বাস। ৭ তারিখ ভোরে সবাই একত্র হয়ে সকালের নাস্তা আর দুপুরের খাবার নিয়ে নিলাম। চাদের (জিপ) গাড়ী নিয়ে আমাদের গাইড শুভ সময় মতো হাজির। যাহোক সকাল ৯ টার ভিতর আমরা চাম্পারায় চা বাগান পৌছে গেলাম। এরপর ছবিতে দেখুন
১) প্রাকৃতিক ফ্রেম, শুরু হয়ে গেল ফ্রেম বন্দী হয়ে ছবি তোলা, ছবিতে ফ্রেম বন্দী ইকবাল
কন্যার মুখস্ক্রিন
সম্মুখের সকল স্ক্রিনের সারি সরিয়ে তাকে দেখতে হবে
অথবা তার ভেতর থেকে স্ক্রিন
টিভি, কম্পিউটার, মোবাইল আর চশমার
কাঁচের ভেতর দিয়ে চলমান প্রতিটা ঘন্টার ভেতরে
তাঁকেই খুঁজি বলে
... এসে দাড়ায় স্ক্রিন প্রতিরোধক হয়ে
উপরে নিচে বাইরে তাকিয়ে
অপসারণ করে দেয় আর সকল মুখ
তাকে গভীরভাবে দেখতে বলে
ল্যাপটপ সরিয়ে সম্মুখের টেবিলে বসে আমার কন্যা
পূর্ণ দৃষ্টিতে দেখি তার মুখ অথবা
অবিচ্ছেদ্য আরো এক নতুন স্ক্রিন
গ্রো আপ- দেন ওয়েক আপ...
একটি কথা মনে প্রাণে বিশ্বাস করি। কথা বলতে পারা এবং সঠিক স্থানে সঠিক কথাটা বলতে পারা একটি শিল্প। এবং এর মাঝে পার্থক্য আগারতলা আর চৌকির তলার মতো। লিখতে পারা বিষয়টিও ক্ষানিকটা তেমনই। সঠিক পয়েন্টে সঠিক লেখাটি লেখা এবং "মন-গড়া" আত্ম বিবেচনা বর্ণনা করা বোধ হয় পাগলে কিনা লেখে প্রবাদের মতোই। (এজন্যই আমি কম লিখি..
..)
আজকে আমার পরিবেশনা বাংলাদেশের, বাংলা ভাষাভাষীদের "লেখক" হয়ে ওঠার মনোভাবকে কেন্দ্র করে। প্রথমেই অভ্যাস অনুযায়ী ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি..
পালাবে কোথায়
পালানোর ছবি। বন্দি জীবন থেকে ওরা পালায়। জেল থেকে কিংবা যুদ্দবন্দি জীবন থেকে পালানো। সব কটিই আমার খুবই পছন্দের ছবি। পালানো মুল থিম হলেও ছবিগুলোর মধ্যে নানা বৈচিত্র আছে।
রাসেল আশরাফকে উৎসর্গ করা হল পোস্টটি
১. এজ ফার এজ মাই ফিট উইল ক্যারি মি-জার্মানির ছবি- 
মাওলা আলীর অভিষেকে প্রাচ্য ভাবগীত ও লালনের কালাম
আমি অবাক। এইটা কবে হল কিছুই জানিনা। অথচ এর আশে পাশে কত আড্ডা দিয়েছি। সোহরাওয়ার্দি উদ্যানের ভিতর এই এম্ফি থিয়েটার বানানো হয়েছে জানতামইনা। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল চারটায়। বাঙালের সময়ে কাজ শুরু নিয়া আবার ধরা। পোনে পাঁচটায় আমি আর তৈমুর পৌছলাম তখন শুরুর কোনো লক্ষণ ই নাই। আমরা আসছি বিশ্ব লালন পরিষদের প্রাচ্য ভাবসংগীতের অনুষ্ঠান শুনতে। খবর পেয়েছি পোস্টার দেখে। যদিও এরা কারা, কী করে কিছু জানিনা। তবে স্টেজের ব্যাকগ্রাউনড দেখে ভিরমি খেলাম। মাওলা আলীর অভিষেক। মানে কী কে এই আলী? তারপরে লালনের নবি নিয়ে এক গানের কয় লাইন। লালনকেও মুসলমান বানাবে নাকি ওরা! মেজাজ খারাপ। তবে জায়গাটা ভাল। অগ্রাহায়নের বিকালের হালকা ঠান্ডায় বেশ একটা ভাল লাগা ছিল।
শিংগী আপু / তুতুন ভাবী
শিংগী আপুর অনেক শিং,
তুতুন ভাবীর মোটে নাই,
রঙ্গ সভায় যান না ভাবী
পাছে শিংগী মারেন ঘাই ।
আপুর জ্বিবে--- কেউটের বিষ
খিস্তি খেউর অহর্নিশ,
ভাবীর শুধু ফোঁসফাঁস ।
নিত্য নতুন ছূতো করে
আপু সবই দখল করে,
ভাবী একটু নড়ে চড়ে
চেপে রাখেন দীর্ঘশ্বাস ।
আপুর জিদ--- সাতশো বিশ,
ভাবীর ও কিছু কমনা ।
তাইনে তাইনে রেষারেষি,
শীল-নোড়ার ঘষাঘষি,
মরিচ "গণের" প্রাণ নাশি,
বলেন, ' আমরা কিন্তু যম না' ।
কেউ কিন্তু কমনা,
খুণ ছাড়া 'পান' না,
ষোল কুঠি ছাগলের
গোস্ত্- ছাল তো মাগনা ।
মেঘবন্দী (১৫) ... মেঘ বৃষ্টির পাঁচালী / লিজা
মেঘ বৃষ্টির পাঁচালী
লিজা
লোকটি দ্রুত হাটছে । শুকনো খরখরে শরীরে যত দ্রুত সম্ভব পাড়া ছাড়িয়ে একটু নির্জন জায়গার খোঁজে হেটে যাচ্ছে । আর হয়তো মিনিট পাঁচেকের মধ্যে বৃষ্টি নামবে । লোকটি আন্দাজ করে নেয়, আজ ঝুম বৃষ্টিই হবে; একেবারে আকাশ পাতাল তছনছ করে বৃষ্টি নামবে আজকে । বাতাসের বুক চিরে দিয়ে অজস্র তীরের মত নেমে আসবে ওরা । মাতালের মত হেলেদুলে ঢলে পড়বে বিরসা মাটির বুকে । লোকটি ভাবতে ভাবতে হাটে, হাটে আর ভাবে । কোন এক জিনিসের প্রেমেই মজেছে সে, এ তারে দেখা দেয় কালেভদ্রে । অথচ লোকটি কত দিনরাত উদাস বসে অপেক্ষা করে, হেলায় ঠেলে সরায় ময়নার চান্দের জ্যোৎস্না ।
দিনপঞ্জী এমনও হয়, তোমার কাজটাই কাজ এমন ভাবা ঠিক নয়
ঘুমাতে যাওয়া : ভোর ৪:৩০ এরপর আর না জানা কখন ঘুমালাম (কারণ রাত ১১টা থেকে রাণীকন্যা কাঁদছেন, খাচ্ছেন, ছোটবড় বাথরুম করছেন এবং কোলে উঠছেন)
৬:৩০ সকাল : রাণীকন্যাকে খাওয়ানো
৮:০০ : শয্যায় বাচ্চাকে খাওয়ানো
৮:৩০ : শয্যা ত্যাগ, প্রাত:কৃত সমাপ্তকরণ সাপেক্ষে প্রাত:রাশ গ্রহণ, বাচ্চা তথা রাণীকন্যাকে বাইরে নেয়ার জন্য জামাকাপড় পরানো,বাচ্চাকে খাওয়ানো
৯: ৩০: নিজে তৈরী হয়ে বাচ্চাসহ টিকাদানের উদ্দেশ্যে বের হওয়া
১১:১৫ : টিকা দেয়া শেষ
১১:৩০ : টুকটাক কেনাকাটা করতে গিয়ে গাড়ীর স্টার্ট বন্ধ হয়ে রাস্তায় ফেঁসে যাওয়া, সিএনজি ধরে বাসায় আসা
১১:৫০ : বাসায় ফেরা, বাচ্চার গোসল করার ব্যবস্থা করা
১২:১৫ ; গোসল শেষে খাওয়ানো
১২ :৪৩ : ফোনের ফ্ল্যাক্সি, টুকটাক জিনিস ক্রয়
১: ২০ : বাসায় ঢোকা, নাকেমুখে একটা রুটি গুঁজে , যে যে কাপড় কাঁথা ধুতে হবে সেসব সমেত বাথরুমে ঢোকা
১:৪৪ এ গোসলে যাওয়া
মিথ্যার বেসাতি
মোবাইল তো নয় যেন
মিথ্যার বেসাতি
ঢাকায় থেকেও বলি
আছি আমি রামগতি।
মোবাইলে বন্ধু খোঁজা
সহজ উপায়
ভালো নাকি মন্দ
বোঝা বড় দায়।
মোবাইলে করে কেউ
বাজার-সদাই
অর্থ নয়, সময় বাঁচে
ভাবনা কী তাই।
প্রযুক্তির নিত্যনতুন
শত আবিষ্কার
বিশ্বকে করেছে যান্ত্রিক
ব্যক্তিরা বেকার।
প্রতিদিন মোবাইলে
বলি শত কথা
অর্ধেক তার দরকারি
বাকি সব অযথা।
বিরক্তির রং নাম্বার
অভিজ্ঞতা সবার
FnFসুবিধায়
সারারাত কাবার।
মোবাইলে চলে প্রেম
হয় ভালোবাসা
আবেগতাড়িত জীবন
যেন শতভাগ খাসা।
মোবাইলে চলে কথা
চরম অশ্লীল
স্বপ্নে বিভোর হয়
হায়! বুজদিল।
বস কয় কাল রোববারেও অফিস যেতে হবে
বস কয় কাল রোববারেও অফিস যেতে হবে, হায় কপাল। সপ্তাহে একটা দিন মাত্র ছুটি।
বাংলা ব্লগের লেখা পড়ে ছুটি উপভোগ করি। তাতেও গত ছ-মাস বাদ সাধছে বস। তেনার আবার অসীম ক্ষমতা। আইনত তিনি কেউ না অফিসের। ওই ক্ষমতার জোরে তিনি আসল বসকে রাসর্বাবর স্টাম্প বানিয়ে নিজে হয়ে উঠেছেন সর্বেসর্বা। শুনছি তাঁর
ক্ষমতা জাহিরের শেষ পর্বে আছেন তিনি, তাই যাকে যা খুশি বলছেন, করাচ্ছেন। যেমন
কেড়ে নিচ্ছন আমাদের রোববার গুলো।
ভূত
কাল রাত ৮ টার দিকে আমার একটা বন্ধু ফোন দিয়ে বলছে আমার আরেকটা বন্ধুর সাথে ভুত সাক্ষাৎ করেছে
। ছোটবেলা থেকেই ভূতের উপর একটু দুর্বলতা মানে ভয় ছিল আর কি
। তাই ফ্রেন্ডরা চান্স পেলেই আমাকে ভূতের গল্প শোনায়ে । আমি বিশেষ করে রাতের বেলায়ে এইসব গল্প শুনতে পারি না এর উপর যদি এইরকম গল্প হয়ে , সেই রাতে তো ঘুমই গায়েব
(
। তাই কাল রাতে গুমাতে গুমাতে ৪ টা বেজেছে ( মানে ফজরের আযান দেবার পর ) । এক্ষেত্রে আমার একটা বিশ্বাস হল আযান দেওয়ার পর কোনও কিছুর ভয়ে থাকে না । 
শরীরের ভেতরে রাত ঢুকে যায়
শরীরের ভেতরে রাত ঢুকে যাচ্ছে
বেছে বেছে দেয়ালের ফোকড়ে সকল হাওয়া
সামনে পেছনে হাজার ঘন্টার এক একটা প্রহর
সামলে নিচ্ছে উদোম প্রশ্নছাড়া
... এই সব দৃশ্যমান পথ আর অদৃশ্য সিগন্যাল ঘুরে
যতটা প্রত্যন্ত হৃদয়পুরে বাস্তুহারা স্বপ্ন জাগে
তার প্রতিবিম্ব ইট-প্রকোষ্ঠ নয়নাভিরাম হতে থাকলে
সোজা নিজের ভেতরে ঢুকে যায় সংকেত
জানিয়ে দিতে প্রকারন্তরে তোমায় নিবেদন
শরীরের ভেতরে রাত ঢুকে যায় প্রিয়মন
আমার যাদুমনি (২২)
মোদের ঈদ-উল-আজহা '১১ যেভাবে কাটলো........ 
পোজ দেয়া কাকে বলে ঋহান'কে জিজ্ঞেস করুন 
একে বলে সিনেমা ইস্টাইলে পোজ
(ফুলের বদলে টবের এক কোনে হাত দিয়ে আর কি 
তারপর পোজ দিতে দিতে এভাবে বাঁকা হয়ে যেতে হয় 
আর এইটা হলো- হিরো ইস্টাইল!
অন্য দিকে ঘুরে ক্যামেরা দেখা 

আমার বাবামনি'টা ♥

my angels!
অপার্থিব
আমাদের ছুঁয়ে থাকে রুপালী চাঁদ
আমাদের ছুঁয়ে থাকে জোছনার নিঁখুত বুনন,
আবছায়া সুখটুকু -
শুধু ছুঁয়ে থাকে আমাদের।
ছুঁয়ে থাকে লালপেড়ে অধরা বসন্ত
কুয়াশায় ভেজা ভেজা কষ্ট
অদ্ভুত এ আঁধার ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকে
ছুঁয়ে থাকে নিমিত্ত জীবন।
ছুঁয়ে যায় চমকানো মেঘ বিদ্যুৎ
ধমণী ছুঁয়ে শিরায় শিরায়
কি যেন আমাদের শুধু ছুঁয়ে যায়
ছুঁয়ে যায় আমৃত্যু হৃদয়।
আমাদের কেবলই ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকা
প্রাণের সাথে প্রাণ -
পার্থিব এই হাত শুধু একবার
ছুঁতে চায় অপার্থিব তোমায়।