ইউজার লগইন
ব্লগ
স্বপ্নের খোঁয়ারিদোষ
স্বপ্নের খোঁয়ারি ভাঙ্গে একসময়
ভুল হয়ে যায় সুখ সৃতিগুলো
পরতে পরতে জমতে থাকে ধুলো
ইতিহাসের পথে জমতে থাকে নতুন ইতিহাস ।
একসময় থমকে দড়ায় সময়
নৈমিত্তিকটার ঘূর্ণাবর্তে আটকে যায় সব ।
অগণন লাশে ভরে যায় ইতিহাসপাঠ
ডোম ঘরে বসে থাকে শান্তি
অথর্ব আমরা বসে বসে দেখি
ক্রমশ নিজেদের মরে যাওয়া…
ইতিহাস লিখে চলে মৃত্যুর বিজয়গাথা
আমরা মরতেই থাকি ক্রমশ বুদ্ধি বিক্রির যুগে।
বৃষ্টি ও অন্যান্য..
তাড়াহুড়া করে চা'য়ের কাপে চুমুক দিতেই ঠোট পুঁড়ে গেল অনীতার।মেজাজ এমনিতেই খারাপ,আরো খারাপ হয়ে যায়।
মেজাজের দোষ দিয়ে অবশ্য লাভ নেই।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ পড়ছে অনীতা,আজ ছিল তৃতীয় সেমিস্টারের শেষ দিন।আগেই ঠিক করা ছিল,আজ ক্লাস শেষে তিনটা'র ট্রেনে বাড়ি যাবে।ছুটির দিনগুলি হলে বসে বসে পড়াশোনা করে নষ্ট করার কোন মানে হয়না!ট্রেনের টিকেট-ও আগেই কাটা।
ক্লাসগুলো ভালোই মজা করে কাটছিলো,সবার মাঝেই ছুটির আগাম ফূর্তি।শেষ ক্লাসে এসে শুধুশুধুই ঝাড়ি খেতে হল,তা-ও আবার অনীতার সবচেয়ে প্রিয় স্যারের কাছে।কারন কী,অনীতার পাশের সিটের মেয়েটা কি যেন জানতে চাইছিল বারবার।হায় রে বিচার!
যাই হোক,ক্লাস শেষে হলে ফিরে ফ্রেশ হয়ে ব্যাগ গুছিয়ে বের হতেই।নিমিশেই শরতের আকাশ মেঘে মেঘে অন্ধকার।শাহবাগ পর্যন্ত আসতেই,বৃষ্টিতে একেবারে কুকুর বিড়াল অবস্থা।কেমন যে লাগে।
একজন মায়াবতীর জন্য
মায়াবতী তোকে দিলাম শূন্যের নৈশব্দ
নির্ঘুম চাঁদ, চন্দ্রসভার মেঘ
তোর সাথে হোক বন্ধন
হিমালয়ের কান্না-পবিত্র জল ছড়িয়ে পড়ুক
তুই ভিজে যা- ভিজুক তোর মন
আজন্ম শোকগুলো ধুয়ে যাক- উড়ুক গাংচিলের ডানায়
ঠাণ্ডা বাতাস লাগুক তোর চোখে
তুই শূন্য হ। জন্মান্তরের পাপ ধুয়ে যাক তোর
আবার জন্ম নে তুই এই জীবনেই
লালসাগুলো ঝলসে উঠুক তোর
তোকে তোর মতোই দেখুক সবাই
তোর মতোই তুই বেঁচে থাক
প্রতিটা অনুভবে মিশে থাক তুই।
এ যে তোরই জীবন।
তুই সুখী হ।
ক্যানবেরা; তাতে ঘুরাফেরা ...
অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরাতে প্রতি বসন্তকাল উদযাপন করা হয়ে থাকে ফুলের উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে, যার নাম Floriade। টিউলিপ ফুলের মেলার কথা শুনলেই মনে ভেসে উঠে “সিলসিলা” মুভির সেই গানের দৃশ্য। ফুলের সারি অতটা বিস্তৃত না হলেও অনেক অনেক টিউলিপ ফুলের সমাহার ঘটানো হয় এই “ক্যানবেরা ফুলের উৎসবে”। এবারের উৎসবের থিম ছিলো “এ ফিষ্ট ফর দা সেন্স’স”। সেই ১৯৮৮ থেকে শুরু হওয়া এই উৎসব প্রতিবছর ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে আরম্ভ হয়, যার মূল আকর্ষনই হচ্ছে রংবেরঙ্গের হাজারে হাজার টিউলিপ ফুল। মাসব্যাপি চলা এই মেলায় ফুল প্রদর্শনীর পাশাপাশি পুরো সময় জুড়ে নানান বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান, নানান জাতের আর্টের - গাছ, খাবার, গ্লাস, ফুলের ডিজাইন ইত্যাদির প্রদর্শনী,সার্কাস, বাচ্চাদের জন্য মজার মজার ইভেন্ট এবং আরো অনেককিছু, যা কেবল দিনেই নয় রাত জুড়েও চলে। ক্যানবেরার কমনওয়েলথ পার্ক এই ফুলের উৎসবের সময় দিনরাত আলোকিত থাকে অনন্য সাজে।
মৃত্যুহীন প্রাণ
১
ছুঁড়ে ফেলে দিই যাবতীয় ধর্ম গ্রন্থ সব
এই প্রথম জ্বালাই আমি আগুন
পশুতে মৃত্যু যদি কাছে আসে আমার
কী লাভ মিটিয়ে খোরাক তবে আত্মার।
২
ঘূর্ণায়মান আত্মা অস্থির হলো
কাতর স্বরে ইদিক ওদিক তাকালো
দূর মুক্ত শূন্যে উড়তে চাইলো
লাগাম টানা পঙ্গুত্ব বাধ সাধলো।
৩
ঝাঁঝালো উত্তরে ধোঁয়াশাচ্ছন্ন হলো সুবেহ সাদিক বেলা
গতর হতে খুলে গেল সব লেবাস
সাদা কালো সূতোলো দাঁড়ি ছুঁচো একেকটা
লুকিয়ে পড়ে এঁটেল মাটির গর্তে
তলোয়ার উঠে শূন্যে “আল্লাহু আকবর”
ভূ-তলে গড়ায় তান্ডব পাশবিক প্রবল
মূহুর্ত উন্মাদিত মানুষ এখনো নিয়ন্ত্রিত পশুর অধীন
কনে দেখা আলোয় দৃশ্য তুমি আঁধার মহাকাল হও লীন।
৪
নিয়ন্ত্রিত ভূমধ্যসাগরে বিস্বাদিত পীত রঙ জল
পায়ে বাঁধা শেকল খুলে
রাঙাহাত হাতকড়া লুটায় পাড়
যতটুকু মুখ ততটুকু কথা!
গত দুই পোষ্ট যাবত পোষ্টে আসা মন্তব্যের কোনো জবাব দিতেছি না।এইটা এমন না যে আমার হাতে সময় নাই বা সুশীল হবার কোনো চেষ্টায় আছি।আসলে জবাব দেবার কোন দরকার আছে কিনা?কিংবা দিলে কি বলবো তাই ভেবে পাই না।তবে এত কিছু ভাবি না।এইখানে যারা আমারে ভালও পায় তারাই ভালোবেসে কমেন্ট করে তাই বলার কিছু নাই।তাদের জন্যই মশার কামড় খেয়ে কারেন্ট যাবার চিন্তা মাথায় নিয়ে আমার এইসব ছাইপাস লেখার চেষ্টা!
হেল্প চাই
চলে জাওয়া মানে প্রস্থান নয়......।। নয় বন্দন ছিন্ন করা...এই লেখাটি আমার খুব দরকার ... প্লিজ...ব্লগ বন্ধুরআ লেখাটি দিলে উপকত হব। আমি এক টি লেখার জনা এই লেখাটই আমার বিশেস প্রেয়জন...। এ টি দিেয় আমার এক ভাই মারা গেছে তার এক টি লেখা লেখব...তাই এই লেখাটি খুজছি ... জানি সবাই ভাবছেন এত কমন লেখাটি আমি জানি না।। আসলেই আমি জানিনা প্লিজ হেল্প মি
মেঘবন্দী (১৩) ... আকাশ জুড়ে বৃষ্টি আর বৃষ্টি ভেজা মন, মন চাইছে থাকুক ভাল আমার আপনজন... / জেবীন
আকাশ জুড়ে বৃষ্টি আর বৃষ্টি ভেজা মন, মন চাইছে থাকুক ভাল আমার আপনজন...
জেবীন
- আরে! এমন হয় নাকি!
- কেন হবে না? করলেই হয়।
- বুঝো না কেন, হানিমুনে যায় কেবল দু’জনে দু’জনকে একদম নিজেদের মতো করে জানতে, সারাজীবনের জন্যে কিছু মধুর স্মৃতির অভিজ্ঞতায়।
- হ্যাঁ, তাই তো চাইছি। কিছু দারুন আনন্দময় সময় কাটাতে, যাতে আমাদের আপনজনেরা থাকবে আমাদের সাথে, আর আমি তুমি সবার মাঝেও কেমনতরো থাকি তা ভালো করে জানতে এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর কি হতে পারে বলো?
- ধ্যাত! তাই বলে ২৫/৩০জনের মিছিল নিয়ে আমরা হানিমুনে যাবো!! কখনোই না, একেবারেই না!
একজন শেলীর গল্প
প্রতিদিনের মত নয় আজকের দিনটা । সকাল থেকে মেঘলা আকাশ। বর্ষার মাঝামাঝি সময়। গুঁড়ি গুড়ি বৃষ্টি হছে । সেই সকাল থেকে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে পায়ে ঝিম ধরে গেছে । শুভ আসবে বলেছিল সকাল আটটায় , এখন বেলা একটা বেজে গেছে । কখন আসবে তার কোন পাত্তা নাই।
সিদ্ধান্ত টা কি তাহলে ভুল ছিল। হবে হয়ত , জীবনের সব সিদ্ধান্ত কি নির্ভুল হয়? মনের মাঝে কেমন যেন লাগছে , কিন্তু সমস্যা টা বুঝা যাছে না । শ্রাবনের এই দিনে ও কেমন আসস্তি লাগছে। মনে হছে কি যেন ভুল করে ফেলেছি।
আজ কোন মুখ নিয়ে বাড়ী ফিরবে ভাবতেই শরীর শিউরে উঠছে বার বার । শুভ যদি আজ না আসে তাহলে যে কি হবে । না তা আর ভাবতে ইচ্ছে হয় না । শুভ তো এমন ছেলে নয় , যে কথা দিয়ে কথা রাখবে না । শুভর মোবাইলে এই নিয়ে হাজার বার হল কল করেছে । কি কারনে যেন বার বার বন্ধ বলছে ।
১৯৮৮ ও আমার সাড়ে তিন মাস
ঘটনা টা ১৯৮৮'র। বন্ধু বলল সে মাস দেড়েকের জন্য গ্রামের বাড়ি যাবে। আমাকেও যেতে বলল, ওর মা বলেছেন। " মেয়েটার এত গল্প করিস, আনিস সাথে করে সপ্তা কয়েকের জন্য একবার দেখতে মন চায়"। আগেও বলেছি আমার বন্ধু ভাগ্য থেকে "বন্ধুমা" ভাগ্যটা সব সময় ভাল ছিল। ;)।
কাজলা দিদি
মাঝে মাঝে মাঝ রাতে ঘুম ভেংগে গেলে মনে হয় চুলে বিলি কেটে ঘুম পারিয়ে দেবার মত একটা কাজলা দিদি থাকলে খুব ভালো হত । যার সাথে আমি সব কিছু শেয়ার করতে পারতাম । আমি মুখ ফুটে কিছু বলার আগে ই যে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে সব বুঝে যেত । বাইরে খুব বেশি বৃষ্টি হলে যে মিষ্টি হেসে বলতো চল্ বৃষ্টি তে ভিজি, ছোট খাটো দুষ্টুমি যে দেখেও না দেখার ভান করতো ( অবশ্য মাঝে মধ্য একটু বকুনি অথবা কানমলা ও দিত) ........ জানি এই স্বপ্ন টা সারা জীবন স্বপ্ন ই থেকে যাবে । কোনো দিন ও কাউকে আমার কাজলা দিদি বলে ডাকা হবে না । হায় অদৃষ্ট তুমি কেন এতো নিষ্ঠুর ?
আহা সাংবাদিকতা
বেশি কথা বলা ঠিক না। সরাসরি বিষয়ে যাই।
আজ একটা লেখা পড়লাম। বাংলাদেশ প্রতিদিনে। বিনোদনে ভরপুর এই লেখাটি। চুম্বক অঙশ দেই।
ব্লগবাকুম-৩
১.
আমাদের ছোটবেলায় রোববার রেডিওতে ছোটদের একটা অনুষ্ঠান হতো। সরাসরি। একটা আপা থাকতেন। আর বাচ্চারা। একেকজনকে ডাকতেন, কেউ গান, কেউ কবিতা বা ছড়া শোনাতেন। খুব আগ্রহ নিয়ে শুনতাম।
তখন থাকি নাখালপাড়ায়। পাড়ার বড় ভাই হাবিব ভাইরা খেলাঘর করতেন। আমরাও যেতাম। একবার খেলাঘর থেকে কেমনে কেমনে যেন ব্যবস্থা হল। আমরা কয়েকজন গেলাম রেডিওতে। শুরুতে একটা রিয়ার্সালের মতো হয়েছিল। সেখানে আমি একটা ছড়িা পড়েছিলাম। কিন্তু গন্ডগোল করে ফেলেছিলাম লাইভ অনুষ্ঠানে। 'আমার নাম মাসুম, আমি একটা ছড়া বলবো। ছাড়ার নাম........(মনে নেই)।' এই পর্যন্ত ঠিকই ঠিল। তারপরেই বিপত্তি। ভুলে অন্য একটা ছড়া বলে ফেলেছিলাম। এরপর আর আমি আমার প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাই নাই।
২.
কবিতা: বিষয়বস্তু মৃত্যু
বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল '৭১-এর নির্বাহী প্রযোজক তানভীর জাহিদ নয়ন, তার বন্ধু জামিল লিপু ও বন্ধুপত্নী আসমা আক্তার হীরা পুকুরে ডুবে মারা গেছেন। সঙ্গে থাকা সুবর্ণা সেঁজুতি টুসি (নয়নের স্ত্রী) বেঁচে গেছেন। কিছুদিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় অপার সম্ভাবনাময় চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ মারা গেলেন। পাশে থাকা স্ত্রী ক্যাথরিন মাসুদ বেঁচে রইলেন। এই বেঁচে থাকা মানুষগুলোর কষ্ট অবর্ণনীয়। দেখলে চোখ ভিজে আসে। এই অনুভূতির নাম ভয়। এই অবস্থার নাম, নিজের আশপাশে এমন মত্যুর ছোবল কিভাবে সহ্য করবো- সে ভয়ের আঁকড়ে ধরা।
মৃত্যু কখন কিভাবে কার দরোজায় টোকা দেবে তা আমরা কেউ জানি না। এই একটা ঘটনা মানুষের আশপাশে মহাজাগতিক স্প্ল্যাশ-এর মতো আলোড়ন তৈরি করে। প্রতিনিয়ত সে ফোঁটাগুলো পড়ছে। পৃথিবী নামক পুকুরটিতে। যার দু'চারটা এসে ঝাপটা দিয়ে যায় আমার চোখে-মুখেও। মনে করিয়ে দিয়ে যায়- আজ না হোক, কাল আমিও চলে যাবো এখান থেকে।
বিষণ্ণ বাউন্ডুলে..[এলোমেলো কাব্যকথন]
# # # # #
কাঠফাটা রোদ,
ভ্যাঁপসা গরম..
এলোমেলো চুলে,
ক্লান্তিহীন পথচলা..
গন্তব্যহীন..
উপেক্ষায়,
হারিয়ে যায়..
তপ্ত দুপুর..
ভাবনার বরষায়;
হৃদয় জুড়ানো,
স্বস্তির পরশ..
বিষণ্ণতার চাদর গায়ে..
থেমে থেমে;
পথের ধারে,
এক কাপ বিস্বাদ চা..
ভাবলেশহীন..
দুঃখবিলাসে;
মৃদু হেসে,
হেটে চলে-
বাউন্ডুলে..
# # # # #
রিম ঝিম ঝর ঝর,
তুমুল বর্ষণ..
মন পাগল করা,
আচানক;
বুনো বৃষ্টি..
যেন,
আকাশ ভেঙে পড়েছে আজ..
আকাশ পানে,
আত্ম সমর্পণ..
বাড়িয়ে দেওয়া মুখে,
হাতের মুঠোয় বৃষ্টি..
ভিজে চুল,
পানি যত-
ত্বক বেয়ে নামে..
শান্ত,
শীতল প্রাণ..
বরিষণ পরশে,
আত্ম বিসর্জন..
স্বস্তির স্পন্দন,
শান্তির আহ্বান..
ভেজা মেঘ,
ভেজা বৃষ্টি..
ভেজা চোখ;
স্বচ্ছ,
ভেজা দৃষ্টি..
এভাবেই..
কিছু অসাধারণ ক্ষণ;
কিংবা,
কয়েক আলোকবর্ষের পর..
আঁধার হারিয়ে,
আলোর আকাশ..