ইউজার লগইন
ব্লগ
মিউজিকাল চেয়ার, কিন্তু মিউজিকটা কি থামবে না ভাবছেন?
বন্ধু শাফায়েতের সঙ্গে আলাপ হচ্ছিলো। এখন একটা পরিবর্তন দরকার। আমাদের দেশটার কথাই বলছি। নব্বুইয়ের পর থেকে একটু এপিঠ-ওপিঠ হওয়া ছাড়া, দীর্ঘ একটা সময় ধরে যেটার কোনো পরিবর্তন হয় নি। জাতি হিসেবে একটা ব্লকড্ সময় পার করছি আমরা। ব্লকটা আমাদের কোনো কাজেও লাগছে না। কারণ বারবার ক্ষমতার পালাবদল দেশটাকে একটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছুনোর লড়াইয়ে নামতেই দেয় নি কখনো। তাই পালাবদলের রাজনীতি থেকে পরিত্রাণ দরকার। আর দরকার পরিবর্তন সম্পর্কে ভাবার, ভাবনাগুলোকে বাস্তবে রূপ দেবার, বাস্তবটাকে সামনে এগিয়ে নেবার, সামনে নতুন নতুন রাস্তা খুঁজে বের করবার লোক। সংখ্যায় অনেক শক্তসমর্থ লোক ছাড়া আসলে কোনো কিছু চিন্তা করার সুযোগ নাই। বাঙালি জাতির দেহ সুঠাম। জাতি পরিশ্রমীও। কিন্তু একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্যে স্থির থেকে পরিশ্রম করে যাওয়ার সৌভাগ্য জাতিটির হয় নি। এগিয়ে যাওয়া শুরু করার আগে একটা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করা জরুরি।
আমাদের রশীদ ভাই
কিছুক্ষণ আগে মারা গেলেন রশীদ ভাই। বিখ্যাত ফটো সাংবাদিক রশীদ তালুকদার। অত্যন্ত প্রিয় মানুষ। চাইলে অনেক কিছু পেতে পারতেন। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে পেট্রোল পাম্প বা পরিত্যক্ত বাড়ি নিয়েছেন তার একটা লম্বা তালিকা আছে। ব্যতিক্রম আলম ভাই ও রশীদ ভাই। আমার সৌভাগ্য দুজনের সাথেই কাজ করেছি।




দেন না এক ভাই প্যাকেট সিগারেটের দাম অথবা এক বেলা পার্লারের খরচটা এই ছোট্র মেয়েটাকে
http://www.youtube.com/watch?feature=player_embedded&v=wyYCySQoTOI
মানুষ হিসাবে আমি মোটামুটি আবেগহীন। সব রকমের কষ্ট, বেদনা এক পাশে রেখে স্বার্থপরের মতো দিব্যি আনন্দে দিনাতিপাত করতে পারি। সেই আমিও এই মেয়েটাকে দেখে চোখের পানি আটকে রাখতে পারি নাই। এই মেয়ের বয়সী একটা বোন আছে আমার, ভিডিওটা দেখার সময় বারবার ওর কথা মনে হচ্ছিল। আমার যদি সামর্থ্য থাকত তাহলে ১০-১২ লক্ষ টাকার জন্য এই ফুটফুটে মেয়েটাকে মরতে দিতাম না আর আপনাদের কাছে হাতও পাততাম না। আমার টাকা নাই তাই পোষ্টটা লিখতেই হচ্ছে। এখানে আমার পরিচিত, আধা-পরিচিত যারা আছে, ঠিক করেছি যার কাছ থেকে যা পারি যোগাড় করে মেয়েটার জন্য পাঠাব। আপনাদের কাছে সনির্বন্ধ অনুরোধ যে যেটুকু পারেন সেটুকু দিয়ে মেয়েটাকে একটা বাঁচার আশা দেন। আমরা ব্লগাররা এর আগেও তো কতবার কত উদ্যোগ নিয়ে সফল হয়েছি। আর একবার কি পারি না সেই সব দিনের পুনারবৃত্তি ঘটাতে?
বন্ধু এবং স্বপ্ন মালা
একটা সময় ছিল হাত বাড়ালেই তোর ছোঁয়া পেতাম
কত রাতদিন হাজারো স্বপ্নের বীজ বুনেছি রেলের সেই
পুলেরধারে বসে কিংবা আমাদের গায়ের মেঠো পথে ।
কত রাত কাটিয়েছি নির্ঘুম থেকে পাশাপাশি এক বিছানায়।
হেঁটেছি মাইলের পর মাইল হাতে রেখে হাত,অসহায় আর
দারিদ্রেরপাশে দাঁড়াব বলে চিরদিন।
আজ কোথায় বন্ধু তুই আর কোথায় আমি ।
আজ ও স্বপ্নের বীজ বুনি একাকী কেউ নেই সঙ্গী তোর মতন।
পাড়ার চায়ের দোকানে সস্তা চা সাথে টোস্ট বিস্কুট
আমার অনেক আছে তবে কেন আমি রোজ আসি এখানে,
জানিস শুধু তোর সৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য।আমি
ফুটপাতের চটপটি আর খাইনা বন্ধু ,কারন তুই বারন করতি খুব।
মিছিল মিটিং রাজনীতি তোর প্রিয় ছিল , সাহসী ছিলি
ক্ষমতালোভীর বুলেট কেড়ে নিল তোর প্রান কোন এক মিছিলে।
তোকে হারিয়ে আমার ক্ষত আজ ও শুকায়নি ,কিভাবে শুকাবে
আজো অনেক রক্ত ঝরে রাজপথে,হাজার মায়ের বুক খালি হয়।
দ্যা এক্সপেরিমেন্ট
[ কোনো রকম ভূমিকায় না গিয়ে সরাসরি ঘটনায় যাই। ভূমিকা করার মতো শব্দ, বাক্য জোগাড় করে উঠতে পারছি না ]
মাস ছয়েক আগের ঘটনা। প্রচন্ড জ্বরে বেশ কিছুদিন যাবত ভুগছি। ডক্টর ব্লাড টেস্ট করতে দিলেন। টেস্ট করা হলো। রিপোর্ট পাওয়া গেলো ডেঙ্গু জ্বর।
দ্রুত ব্লাডের প্লেটলেট কমে যাচ্ছে। যদিও গরুর রক্ত কিন্তু শুরুতে ম্যানেজ করতে সমস্যা হচ্ছিল। বন্ধু, আত্নীয়, ভাইয়ের বন্ধু, ভাইয়ের অফিসের কলিগ, বোনের অফিসের কলিগ - অনেককেই জানানো হলো। এবং জানা মাত্র আসতেও শুরু করেছিল সবাই।
যাই হোক। ঘটনায় আসি। ভর্তি হলাম ধানমন্ডীর মর্ডাণ হসপিটালে। খবর পাওয়া মাত্র আপুর অফিসের কলিগ খুরশীদ ভাই পৌছে গেলেন হসপিটালে সবার আগে। ক্রস ম্যাচিং হলো। ব্লাড কালেকশন হলো। এরপর আমাকে রক্ত দেওয়াও হলো।
এক এক করে অনেকের সাথেই রক্তের সম্পর্ক স্থাপিত হলো। অসীম কৃতজ্ঞতার সাথে সবার কথা মনে রেখে বাসায় ফিরে আসলাম।
স্বপ্নের খোঁয়ারিদোষ
স্বপ্নের খোঁয়ারি ভাঙ্গে একসময়
ভুল হয়ে যায় সুখ সৃতিগুলো
পরতে পরতে জমতে থাকে ধুলো
ইতিহাসের পথে জমতে থাকে নতুন ইতিহাস ।
একসময় থমকে দড়ায় সময়
নৈমিত্তিকটার ঘূর্ণাবর্তে আটকে যায় সব ।
অগণন লাশে ভরে যায় ইতিহাসপাঠ
ডোম ঘরে বসে থাকে শান্তি
অথর্ব আমরা বসে বসে দেখি
ক্রমশ নিজেদের মরে যাওয়া…
ইতিহাস লিখে চলে মৃত্যুর বিজয়গাথা
আমরা মরতেই থাকি ক্রমশ বুদ্ধি বিক্রির যুগে।
বৃষ্টি ও অন্যান্য..
তাড়াহুড়া করে চা'য়ের কাপে চুমুক দিতেই ঠোট পুঁড়ে গেল অনীতার।মেজাজ এমনিতেই খারাপ,আরো খারাপ হয়ে যায়।
মেজাজের দোষ দিয়ে অবশ্য লাভ নেই।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ পড়ছে অনীতা,আজ ছিল তৃতীয় সেমিস্টারের শেষ দিন।আগেই ঠিক করা ছিল,আজ ক্লাস শেষে তিনটা'র ট্রেনে বাড়ি যাবে।ছুটির দিনগুলি হলে বসে বসে পড়াশোনা করে নষ্ট করার কোন মানে হয়না!ট্রেনের টিকেট-ও আগেই কাটা।
ক্লাসগুলো ভালোই মজা করে কাটছিলো,সবার মাঝেই ছুটির আগাম ফূর্তি।শেষ ক্লাসে এসে শুধুশুধুই ঝাড়ি খেতে হল,তা-ও আবার অনীতার সবচেয়ে প্রিয় স্যারের কাছে।কারন কী,অনীতার পাশের সিটের মেয়েটা কি যেন জানতে চাইছিল বারবার।হায় রে বিচার!
যাই হোক,ক্লাস শেষে হলে ফিরে ফ্রেশ হয়ে ব্যাগ গুছিয়ে বের হতেই।নিমিশেই শরতের আকাশ মেঘে মেঘে অন্ধকার।শাহবাগ পর্যন্ত আসতেই,বৃষ্টিতে একেবারে কুকুর বিড়াল অবস্থা।কেমন যে লাগে।
একজন মায়াবতীর জন্য
মায়াবতী তোকে দিলাম শূন্যের নৈশব্দ
নির্ঘুম চাঁদ, চন্দ্রসভার মেঘ
তোর সাথে হোক বন্ধন
হিমালয়ের কান্না-পবিত্র জল ছড়িয়ে পড়ুক
তুই ভিজে যা- ভিজুক তোর মন
আজন্ম শোকগুলো ধুয়ে যাক- উড়ুক গাংচিলের ডানায়
ঠাণ্ডা বাতাস লাগুক তোর চোখে
তুই শূন্য হ। জন্মান্তরের পাপ ধুয়ে যাক তোর
আবার জন্ম নে তুই এই জীবনেই
লালসাগুলো ঝলসে উঠুক তোর
তোকে তোর মতোই দেখুক সবাই
তোর মতোই তুই বেঁচে থাক
প্রতিটা অনুভবে মিশে থাক তুই।
এ যে তোরই জীবন।
তুই সুখী হ।
ক্যানবেরা; তাতে ঘুরাফেরা ...
অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরাতে প্রতি বসন্তকাল উদযাপন করা হয়ে থাকে ফুলের উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে, যার নাম Floriade। টিউলিপ ফুলের মেলার কথা শুনলেই মনে ভেসে উঠে “সিলসিলা” মুভির সেই গানের দৃশ্য। ফুলের সারি অতটা বিস্তৃত না হলেও অনেক অনেক টিউলিপ ফুলের সমাহার ঘটানো হয় এই “ক্যানবেরা ফুলের উৎসবে”। এবারের উৎসবের থিম ছিলো “এ ফিষ্ট ফর দা সেন্স’স”। সেই ১৯৮৮ থেকে শুরু হওয়া এই উৎসব প্রতিবছর ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে আরম্ভ হয়, যার মূল আকর্ষনই হচ্ছে রংবেরঙ্গের হাজারে হাজার টিউলিপ ফুল। মাসব্যাপি চলা এই মেলায় ফুল প্রদর্শনীর পাশাপাশি পুরো সময় জুড়ে নানান বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান, নানান জাতের আর্টের - গাছ, খাবার, গ্লাস, ফুলের ডিজাইন ইত্যাদির প্রদর্শনী,সার্কাস, বাচ্চাদের জন্য মজার মজার ইভেন্ট এবং আরো অনেককিছু, যা কেবল দিনেই নয় রাত জুড়েও চলে। ক্যানবেরার কমনওয়েলথ পার্ক এই ফুলের উৎসবের সময় দিনরাত আলোকিত থাকে অনন্য সাজে।
মৃত্যুহীন প্রাণ
১
ছুঁড়ে ফেলে দিই যাবতীয় ধর্ম গ্রন্থ সব
এই প্রথম জ্বালাই আমি আগুন
পশুতে মৃত্যু যদি কাছে আসে আমার
কী লাভ মিটিয়ে খোরাক তবে আত্মার।
২
ঘূর্ণায়মান আত্মা অস্থির হলো
কাতর স্বরে ইদিক ওদিক তাকালো
দূর মুক্ত শূন্যে উড়তে চাইলো
লাগাম টানা পঙ্গুত্ব বাধ সাধলো।
৩
ঝাঁঝালো উত্তরে ধোঁয়াশাচ্ছন্ন হলো সুবেহ সাদিক বেলা
গতর হতে খুলে গেল সব লেবাস
সাদা কালো সূতোলো দাঁড়ি ছুঁচো একেকটা
লুকিয়ে পড়ে এঁটেল মাটির গর্তে
তলোয়ার উঠে শূন্যে “আল্লাহু আকবর”
ভূ-তলে গড়ায় তান্ডব পাশবিক প্রবল
মূহুর্ত উন্মাদিত মানুষ এখনো নিয়ন্ত্রিত পশুর অধীন
কনে দেখা আলোয় দৃশ্য তুমি আঁধার মহাকাল হও লীন।
৪
নিয়ন্ত্রিত ভূমধ্যসাগরে বিস্বাদিত পীত রঙ জল
পায়ে বাঁধা শেকল খুলে
রাঙাহাত হাতকড়া লুটায় পাড়
যতটুকু মুখ ততটুকু কথা!
গত দুই পোষ্ট যাবত পোষ্টে আসা মন্তব্যের কোনো জবাব দিতেছি না।এইটা এমন না যে আমার হাতে সময় নাই বা সুশীল হবার কোনো চেষ্টায় আছি।আসলে জবাব দেবার কোন দরকার আছে কিনা?কিংবা দিলে কি বলবো তাই ভেবে পাই না।তবে এত কিছু ভাবি না।এইখানে যারা আমারে ভালও পায় তারাই ভালোবেসে কমেন্ট করে তাই বলার কিছু নাই।তাদের জন্যই মশার কামড় খেয়ে কারেন্ট যাবার চিন্তা মাথায় নিয়ে আমার এইসব ছাইপাস লেখার চেষ্টা!
হেল্প চাই
চলে জাওয়া মানে প্রস্থান নয়......।। নয় বন্দন ছিন্ন করা...এই লেখাটি আমার খুব দরকার ... প্লিজ...ব্লগ বন্ধুরআ লেখাটি দিলে উপকত হব। আমি এক টি লেখার জনা এই লেখাটই আমার বিশেস প্রেয়জন...। এ টি দিেয় আমার এক ভাই মারা গেছে তার এক টি লেখা লেখব...তাই এই লেখাটি খুজছি ... জানি সবাই ভাবছেন এত কমন লেখাটি আমি জানি না।। আসলেই আমি জানিনা প্লিজ হেল্প মি
মেঘবন্দী (১৩) ... আকাশ জুড়ে বৃষ্টি আর বৃষ্টি ভেজা মন, মন চাইছে থাকুক ভাল আমার আপনজন... / জেবীন
আকাশ জুড়ে বৃষ্টি আর বৃষ্টি ভেজা মন, মন চাইছে থাকুক ভাল আমার আপনজন...
জেবীন
- আরে! এমন হয় নাকি!
- কেন হবে না? করলেই হয়।
- বুঝো না কেন, হানিমুনে যায় কেবল দু’জনে দু’জনকে একদম নিজেদের মতো করে জানতে, সারাজীবনের জন্যে কিছু মধুর স্মৃতির অভিজ্ঞতায়।
- হ্যাঁ, তাই তো চাইছি। কিছু দারুন আনন্দময় সময় কাটাতে, যাতে আমাদের আপনজনেরা থাকবে আমাদের সাথে, আর আমি তুমি সবার মাঝেও কেমনতরো থাকি তা ভালো করে জানতে এর চেয়ে ভালো সুযোগ আর কি হতে পারে বলো?
- ধ্যাত! তাই বলে ২৫/৩০জনের মিছিল নিয়ে আমরা হানিমুনে যাবো!! কখনোই না, একেবারেই না!
একজন শেলীর গল্প
প্রতিদিনের মত নয় আজকের দিনটা । সকাল থেকে মেঘলা আকাশ। বর্ষার মাঝামাঝি সময়। গুঁড়ি গুড়ি বৃষ্টি হছে । সেই সকাল থেকে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে পায়ে ঝিম ধরে গেছে । শুভ আসবে বলেছিল সকাল আটটায় , এখন বেলা একটা বেজে গেছে । কখন আসবে তার কোন পাত্তা নাই।
সিদ্ধান্ত টা কি তাহলে ভুল ছিল। হবে হয়ত , জীবনের সব সিদ্ধান্ত কি নির্ভুল হয়? মনের মাঝে কেমন যেন লাগছে , কিন্তু সমস্যা টা বুঝা যাছে না । শ্রাবনের এই দিনে ও কেমন আসস্তি লাগছে। মনে হছে কি যেন ভুল করে ফেলেছি।
আজ কোন মুখ নিয়ে বাড়ী ফিরবে ভাবতেই শরীর শিউরে উঠছে বার বার । শুভ যদি আজ না আসে তাহলে যে কি হবে । না তা আর ভাবতে ইচ্ছে হয় না । শুভ তো এমন ছেলে নয় , যে কথা দিয়ে কথা রাখবে না । শুভর মোবাইলে এই নিয়ে হাজার বার হল কল করেছে । কি কারনে যেন বার বার বন্ধ বলছে ।
১৯৮৮ ও আমার সাড়ে তিন মাস
ঘটনা টা ১৯৮৮'র। বন্ধু বলল সে মাস দেড়েকের জন্য গ্রামের বাড়ি যাবে। আমাকেও যেতে বলল, ওর মা বলেছেন। " মেয়েটার এত গল্প করিস, আনিস সাথে করে সপ্তা কয়েকের জন্য একবার দেখতে মন চায়"। আগেও বলেছি আমার বন্ধু ভাগ্য থেকে "বন্ধুমা" ভাগ্যটা সব সময় ভাল ছিল। ;)।