ইউজার লগইন
ব্লগ
আবোল তাবোল -৪
বেশ কয়েকদিন ধরে ভাবছি একটা কিছু লিখব, লিখতে বসা হয়না। বসলেও কোন ভাবনাই শিকড় বা ডালপালা কিছু একটা মেলার আগেই মোড় ঘুরে চলে যায়,ফুরিয়ে যাই। তাই আজ একেবারে ব্লগে এসেই লিখতে বসে গেলাম,মাথায় টুকরো টুকরো যত সব ভাবনা ঘুরে তার ই কিছু নামানোর অপচেষ্টা।
বিষয়ঃ এটা সেটা, কত কথা কথকতা!
# # # # #
প্রেম
আমি যার সাথে প্রেম করেছিলাম গতকার তার বিয়ে হয়ে গেছে, কিন্তু আমি তার দেড় বছর আগে বিয়ে করে ফেলেছি, অনেক কাহিনী আছে, পর বলবো!
আমি যার সাথে প্রেম করেছিলাম গতকার তার বিয়ে হয়ে গেছে, কিন্তু আমি তার দেড় বছর আগে বিয়ে করে ফেলেছি, অনেক কাহিনী আছে, পর বলবো!
ঈদ শপিং বিড়ম্বনা
কেনাকাটা শব্দের আভিধানিক অর্থ যাই হোক না কেন, এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ হলো, ‘কিনতে গিয়ে কাটা পড়া’। অন্তত ঈদ মৌসুমে এ কথাটি ১০০% সত্যি। ঈদের মার্কেটে ঢুকলেই আমার নিজকে বকরি বকরি মনে হয়, আর দোকানীকে মনে হয়, ‘খড়গহস্ত-ধারী এক কসাই’। কোন কিছু কিনতে গেলেই সে ‘মূল্য’ নামক খড়গের এক কোপে আমার ‘সামর্থ্য’ আর ক্রয় ক্ষমতাকে জবাই করে দেবে। এ প্রসঙ্গে নিজের একটি অতি তিক্ত অভিজ্ঞতার বয়ান দিচ্ছি।
তখন সবেমাত্র বিয়ে করেছি। ‘প্রেস্টিজ’ রক্ষার জন্য বিয়েতে হাত খুলে খরচও করেছি। তাই বিয়ের পর পকেট রীতি মতো আউটার স্টেডিয়াম। ধার-দেনা করে চলতে হচ্ছে। এমন সময় ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ এর মতো উদয় হলো ঈদ। আমি দু’চোখে তারাবাতি দেখতে শুরু করলাম...। ঈদের চাঁদকে মনে হলেন ‘কাস্তের ফলার মতো বাঁকানো ছুরি’।
এক হাজার শীত-বসন্ত পরে যখন আবার দেখা হবে
বন্ধু শাফায়েতের সঙ্গে আলাপ হচ্ছিলো। ওর সঙ্গে আমার প্রতিদিনই একবার আলাপ হয়। মাঝে মাঝে সেগুলো দেশাত্মবোধক আলোচনায় রূপ নিয়ে ফেলে। ওকে সেদিন সৌদি দূতাবাস আক্রমণের প্ল্যানটা ডিটেইল ব্যাখ্যা করে বুঝালাম। সেনাবাহিনীর সহযোগিতা কেন জরুরি সেটা বললাম। কিভাবে যুদ্ধটা শুরু করবো তা নিয়েও আলাপ হলো। কিন্তু বদমাশটা যেতে রাজি হলো না। ওর নাকি তখন নবাবগঞ্জে যাওয়াটা বেশি জরুরি। এস এস পাইপ কিনতে হবে ছাদে রেলিং দেয়ার জন্য।
কিন্তু আমার মাথায় চিন্তাটা ঘুর ঘুর করতেই থাকলো। সেনাবাহিনীর বন্ধুগুলোকে আগে মোটিভেট করতে হবে। সম্ভব? সম্ভব না। ওদেরকে বিশেষ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আগেই মোটিভেটেড করে রাখা হয়েছে। তাইতো? কিন্তু বাংলাদেশ নামের এই ভূখণ্ড যে আর সবার মতো সেই ভদ্রলোকগুলোকেও জন্ম থেকে মোটিভেশনের আওতায় রেখেছে, সেটার কি হবে? কেউ কি আমরা সেই জিনিসটি খুঁজে দেখার চেষ্টা করেছি?
মুক্তিযুদ্ধের অজানা-অলিখিত ইতিহাসঃ বাসুদেবস্মরণ বনাম বাউধরন !
মোঘল , বর্গি , ইংরেজ ক্রমান্বয়ে এল , এ গায়ে কিংবা আর পাঁচ-দশ গাঁয়ে যে আর্থ-রাজনৈতিক পরিবর্তন সেভাবেই বোধকরি পরিবর্তন হয়েছিল কিংবা হয়ে থাকবে। চারিদিকে নলুয়ার হাওর বেষ্টিত । চারিদিকে জল আর জল । যেদিকে চোখ যায় অথৈ জল । বছরের প্রায় আট মাস জলবেষ্টিত থাকে এই গ্রামসহ আশেপাশের সহোদর গ্রামগুলি । ঠিক উত্তর-পূর্ব দিকে থানা/উপজেলা সদর , আর উত্তর-পশ্চিম জেলা শহর । সোজা দক্ষিণে মাইল দুয়েক হাঁটলেই কুশিয়ারা নদী । আর্থ-রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনে তাই এই গ্রাম কিংবা আশেপাশের গ্রামগুলোর যে ভূমিকা কিংবা চিন্তা-ভাবনা নাই তা এতোটা সরল করে বলা যায় না । কারণ
হেমন্তে নাও , বর্ষায় পাও
স্বপ্নের ঘোরে
শুষ্ক বুকে দারুন খরা মরূদ্যানের মত
পাথরে জল সেচে মেঘমালা প্রানের নব সঞ্চার
দিন রাত অবিরত উম্মাতাল পারাবারের শব্দহীন গর্জন
প্রতীক্ষায় নতুন বীজ বুনি নিরাশার চরে।
ধূলির ঘূর্ণি ভেঙ্গে করে চূড় শিরা উপশিরা
বুকের পাঁজরে বেদনারা খেলা করে উল্লাসিত হয়ে
মস্তিষ্কের নিউরনে অচেনা কষ্টেরা উজ্জীবিত হয় পুনরায়।
রাতের আঁধারে ঘুমের শহরে সপ্নেরা উঁকি মারে
আমবশ্যার শশী বিহিন নিকষ আঁধারে
ডানে বামে হাতড়ে খুঁজি হারিয়ে যাওয়া
প্রিয়তমার উল্লাসিত মুখের কুৎসিত প্রতিচ্ছবি।
(২০.১০.২০১১ রিয়াদ ।সৌদি আরব)
কিছু প্রশ্ন
ফেইসবুক এর পারসনাল Note থেকে কি এখানে লিখতে পারব ?
এখানে লিখা আমার ব্লগ থেকে কি লিখার সাথে সাথে ফেইসবুক এ শেয়ার করতে পারব ?
( তিন ঘন্টা ধরে একটা পোস্ট লিখা্র পর প্রিভিও অপশন এ ক্লিক করার সাথে সাথে পোস্ট টা হা্রিয়ে গেল। এডমিন ড্রাফট ফল্ডারে লিখাটা জমা হয়েছে কিনা একটু খুজে দেখবেন।
একটা কবিতা ও কিছু লিখা ছিল তাতে।
ব্লগ এর না্ম "সত্যচুম্বন"
জগতের সকল সুখ পুড়ে যাক,
নারীরা সুখে থাক।
স্বপ্ন দেখে যাক লোভাতুর সব চোখ
বিজ্ঞাপন দিক, পণ্য সাজু্ক
প্রেমিকের হৃদয় ভেঙ্গে যাক
প্রেমিকেরাও নিপাত যাক...... ( আপাতত এতটুকু ,বাকি টা পরে লিখব )
শেষে একটা অহেতুক প্রশ্ন -- বন্ধুত্বে এত শর্ত কেন ?
S.s.Sunny
বোল্ট ইন্ডিক - মোবাইলে বাংলাrর সহজতম উপায় ।
![]()
আপনার মোবাইলে ওয়েবের বাংলা ভাষায় লেখা বিষয়বস্তু ঝকঝকে চেহারায় দেখতে চান ? "বোল্ট ইন্ডিক" ব্যবহার করুন ।
ডাউনলোড করতেঃ http://boltbrowser.com/in/index.html
বিস্তারিত জানতেঃ http://boltbrowser.com/in/boltIndicHelp_bengali.html
এতদিন মোবাইলে বাংলা পড়তে বিটম্যাপ ফন্ট ব্যবহারের কারণে লোডিং প্রচুর সময় নিতো আর পড়ে আরাম পাওয়া যেত না ।
মোবাইলে শান্তিতে বাংলা পড়ার দিন আসলো অবশেষে...
~
মেঘবন্দী (১৪) ... মৌমিতার সুখ-দুঃখ / রশিদা আফরোজ
মৌমিতার সুখ-দুঃখ
রশিদা আফরোজ
(১)
‘এইখানে বৃষ্টি পড়ে ভিজে যায় নদী
মন বলে আজ তুমি ফিরে আসো যদি...’
বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে। খবরের কাগজ হাতে বিছানায় গড়াগড়ি দিচ্ছে মৌমিতা। এককাপ চা খেতে ইচ্ছা করছে কিন্তু বুয়াকে ডেকে সেটা বলতে ইচ্ছা করছে না। রাতুলের কথা মনে পড়ছে। এরকমই এক বৃষ্টির দিনে মৌমিতা তুমুল আনন্দে আলোড়িত হতে হতে রাতুলকে ফোন করে বলে, শোনো, আজ একটা মজা হবে?
‘যেমন?’ রাতুল বলে।
‘আজ তো বৃষ্টি হচ্ছে, আমরা ছাতা নিয়ে বের হবো, রিকশায় ঘুরবো, তারপর হঠাৎ ছাতা উড়িয়ে দেবো...কী মজা হবে, তাই না? ভীষণ উত্তেজিত মৌমিতা।
‘এখানে মজার কী আছে? এসব স্রেফ পাগলামি, ফোন রাখো, একটু পর তো দেখা হবেই।’ রাতুল ফোন রেখে দেয়। মৌমিতার মুখ জুড়ে অন্ধকার নেমে আসে।
যাযাবরের পথ চলা, সারাবেলা।
আসলাম, না জয় করতে নয়। পরাজয়ের চিন্তাও অমুলক। জয় পরাজয় এখন আর কোন মানে রাখে না।
শুধুই যেন পথ চলার ক্ষানিক বিরতি। আবারো ডাক এলে ছুটে যাব পথের টানে। না কোন সত্যের খোজে নয়, নয় কোন লক্ষ্যের বাসনা। অবিরত ছুটে চলা যেন শুধু পথের টানেই ছুটে চলে। পথ চলাতেই সব সুখ। অদ্ভুদ এই সুখ। আহ !!!
মিউজিকাল চেয়ার, কিন্তু মিউজিকটা কি থামবে না ভাবছেন?
বন্ধু শাফায়েতের সঙ্গে আলাপ হচ্ছিলো। এখন একটা পরিবর্তন দরকার। আমাদের দেশটার কথাই বলছি। নব্বুইয়ের পর থেকে একটু এপিঠ-ওপিঠ হওয়া ছাড়া, দীর্ঘ একটা সময় ধরে যেটার কোনো পরিবর্তন হয় নি। জাতি হিসেবে একটা ব্লকড্ সময় পার করছি আমরা। ব্লকটা আমাদের কোনো কাজেও লাগছে না। কারণ বারবার ক্ষমতার পালাবদল দেশটাকে একটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছুনোর লড়াইয়ে নামতেই দেয় নি কখনো। তাই পালাবদলের রাজনীতি থেকে পরিত্রাণ দরকার। আর দরকার পরিবর্তন সম্পর্কে ভাবার, ভাবনাগুলোকে বাস্তবে রূপ দেবার, বাস্তবটাকে সামনে এগিয়ে নেবার, সামনে নতুন নতুন রাস্তা খুঁজে বের করবার লোক। সংখ্যায় অনেক শক্তসমর্থ লোক ছাড়া আসলে কোনো কিছু চিন্তা করার সুযোগ নাই। বাঙালি জাতির দেহ সুঠাম। জাতি পরিশ্রমীও। কিন্তু একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্যে স্থির থেকে পরিশ্রম করে যাওয়ার সৌভাগ্য জাতিটির হয় নি। এগিয়ে যাওয়া শুরু করার আগে একটা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করা জরুরি।
আমাদের রশীদ ভাই
কিছুক্ষণ আগে মারা গেলেন রশীদ ভাই। বিখ্যাত ফটো সাংবাদিক রশীদ তালুকদার। অত্যন্ত প্রিয় মানুষ। চাইলে অনেক কিছু পেতে পারতেন। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে পেট্রোল পাম্প বা পরিত্যক্ত বাড়ি নিয়েছেন তার একটা লম্বা তালিকা আছে। ব্যতিক্রম আলম ভাই ও রশীদ ভাই। আমার সৌভাগ্য দুজনের সাথেই কাজ করেছি।




দেন না এক ভাই প্যাকেট সিগারেটের দাম অথবা এক বেলা পার্লারের খরচটা এই ছোট্র মেয়েটাকে
http://www.youtube.com/watch?feature=player_embedded&v=wyYCySQoTOI
মানুষ হিসাবে আমি মোটামুটি আবেগহীন। সব রকমের কষ্ট, বেদনা এক পাশে রেখে স্বার্থপরের মতো দিব্যি আনন্দে দিনাতিপাত করতে পারি। সেই আমিও এই মেয়েটাকে দেখে চোখের পানি আটকে রাখতে পারি নাই। এই মেয়ের বয়সী একটা বোন আছে আমার, ভিডিওটা দেখার সময় বারবার ওর কথা মনে হচ্ছিল। আমার যদি সামর্থ্য থাকত তাহলে ১০-১২ লক্ষ টাকার জন্য এই ফুটফুটে মেয়েটাকে মরতে দিতাম না আর আপনাদের কাছে হাতও পাততাম না। আমার টাকা নাই তাই পোষ্টটা লিখতেই হচ্ছে। এখানে আমার পরিচিত, আধা-পরিচিত যারা আছে, ঠিক করেছি যার কাছ থেকে যা পারি যোগাড় করে মেয়েটার জন্য পাঠাব। আপনাদের কাছে সনির্বন্ধ অনুরোধ যে যেটুকু পারেন সেটুকু দিয়ে মেয়েটাকে একটা বাঁচার আশা দেন। আমরা ব্লগাররা এর আগেও তো কতবার কত উদ্যোগ নিয়ে সফল হয়েছি। আর একবার কি পারি না সেই সব দিনের পুনারবৃত্তি ঘটাতে?
বন্ধু এবং স্বপ্ন মালা
একটা সময় ছিল হাত বাড়ালেই তোর ছোঁয়া পেতাম
কত রাতদিন হাজারো স্বপ্নের বীজ বুনেছি রেলের সেই
পুলেরধারে বসে কিংবা আমাদের গায়ের মেঠো পথে ।
কত রাত কাটিয়েছি নির্ঘুম থেকে পাশাপাশি এক বিছানায়।
হেঁটেছি মাইলের পর মাইল হাতে রেখে হাত,অসহায় আর
দারিদ্রেরপাশে দাঁড়াব বলে চিরদিন।
আজ কোথায় বন্ধু তুই আর কোথায় আমি ।
আজ ও স্বপ্নের বীজ বুনি একাকী কেউ নেই সঙ্গী তোর মতন।
পাড়ার চায়ের দোকানে সস্তা চা সাথে টোস্ট বিস্কুট
আমার অনেক আছে তবে কেন আমি রোজ আসি এখানে,
জানিস শুধু তোর সৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য।আমি
ফুটপাতের চটপটি আর খাইনা বন্ধু ,কারন তুই বারন করতি খুব।
মিছিল মিটিং রাজনীতি তোর প্রিয় ছিল , সাহসী ছিলি
ক্ষমতালোভীর বুলেট কেড়ে নিল তোর প্রান কোন এক মিছিলে।
তোকে হারিয়ে আমার ক্ষত আজ ও শুকায়নি ,কিভাবে শুকাবে
আজো অনেক রক্ত ঝরে রাজপথে,হাজার মায়ের বুক খালি হয়।
দ্যা এক্সপেরিমেন্ট
[ কোনো রকম ভূমিকায় না গিয়ে সরাসরি ঘটনায় যাই। ভূমিকা করার মতো শব্দ, বাক্য জোগাড় করে উঠতে পারছি না ]
মাস ছয়েক আগের ঘটনা। প্রচন্ড জ্বরে বেশ কিছুদিন যাবত ভুগছি। ডক্টর ব্লাড টেস্ট করতে দিলেন। টেস্ট করা হলো। রিপোর্ট পাওয়া গেলো ডেঙ্গু জ্বর।
দ্রুত ব্লাডের প্লেটলেট কমে যাচ্ছে। যদিও গরুর রক্ত কিন্তু শুরুতে ম্যানেজ করতে সমস্যা হচ্ছিল। বন্ধু, আত্নীয়, ভাইয়ের বন্ধু, ভাইয়ের অফিসের কলিগ, বোনের অফিসের কলিগ - অনেককেই জানানো হলো। এবং জানা মাত্র আসতেও শুরু করেছিল সবাই।
যাই হোক। ঘটনায় আসি। ভর্তি হলাম ধানমন্ডীর মর্ডাণ হসপিটালে। খবর পাওয়া মাত্র আপুর অফিসের কলিগ খুরশীদ ভাই পৌছে গেলেন হসপিটালে সবার আগে। ক্রস ম্যাচিং হলো। ব্লাড কালেকশন হলো। এরপর আমাকে রক্ত দেওয়াও হলো।
এক এক করে অনেকের সাথেই রক্তের সম্পর্ক স্থাপিত হলো। অসীম কৃতজ্ঞতার সাথে সবার কথা মনে রেখে বাসায় ফিরে আসলাম।