ইউজার লগইন
ব্লগ
ইউরোপ কেন থাকবে না , মূল: জেরি বাওয়ার
সহস্রাব্দের ইতিহাসে ইউরোপ দুইটি জিনিসকে ভয়াবহভাবে টের পেয়েছে। একটি হচ্ছে - খ্রিস্টানবাদ আরেকটি হল স্বাধীনতা। এখন আমরা আমেরিকা বা এশিয়া নয় র্যালির কান্নার সুরে ভেসে উঠছে আমরা ভাল থাকতে চাই।
ইউরোপকে মোটাদাগে কয়েকটি বিষয় দিয়ে পরিষ্কার করা যায়। যেমন সরকারি মদদপুষ্ট ধনিক শ্রেণী, ফরাসি সংস্কৃতির আধিপত্য, বৃহত জাতীয়তাবাদী ধণিকশ্রেণীর বিপরীতে ক্ষুধার্ত - নিরন্ন মানুষের আর্তনাদ।
মূলত প্রকৃত ইউরোপের চেহারা ভেসে উঠে রোমান ক্যাথলিক চার্চের দিকে তাকালে। তারা একটি উচ্চমার্গীয় সংস্কৃতি নির্মাণ করেছে, যেখানে শিল্প ও শিক্ষার সাথে গড়ে উঠেছে একটি শ্রদ্ধার সম্পর্ক। এই বিষয়টি নজরে আনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সহস্র বছর পরে এই ইউরোপের খ্রিষ্টানবাদের চেহারা পাল্টে গেছে অনেক। খ্রিস্টান বিভক্তি ঘটেছে। একটি অসম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশ ঘটেছে।
আনন্দলোকে -আমি
খুব আনন্দ নিয়ে আজ পোস্ট লিখছি।
আমার আনন্দ ভাগ করে নেবার জন্যই বন্ধুদের কাছে লিখছি।
দরিদ্র ডট কম থেকে ডাউনলোড করেছি গেরিলা সিনেমাটি। ডাউনলোড করতে সময় লেগেছে মোট পাঁচদিন। গত২১-১০ তারিখে সকাল ১১টায় প্রথম দেখলাম সিনেমাটা। বাচ্চাগুলি ছুটির দিন দেখে বাইরে হুটোপুটি করছিল। কিছুতেই দেখবেনা তারা সিনেমা। ওদের বাবার অসীম ধৈর্য। বাচ্চাগুলিকে ধরে ধরে আনলো। আমি একটু বিরক্ত। কারন এই সিনেমা ৮/৬ বছরের বাচ্চারা দেখবেনা। আর ওরা ঘরে থাকলে আমিও মন দিয়ে দেখতে পারব না। ওদের ফরমায়েশ খাটতেই সময় যাবে।
মাঝে মাঝে বাচ্চাদের মুক্তিযুদ্ধের কথা বলতাম, রাত ১২টায় শহীদ মিনারে নিয়ে যাই-২৬ মার্চ /১৬ই ডিসেম্বরের বিভিন্ন অনিষ্ঠানে ওরা যায় আনন্দ করে নাচে, খেলে, গান গায়। তাই মুক্তিযুদ্ধ কি কেন কিছু হয়ত জানে বা বোঝেও।
একমাত্র
একটা সিরিজ লেখার পরিকল্পনা মাথার মধ্যে চলছিলো। কিন্তু পেইনফুল একটা কাজ করি বিধায় সবসময় চিন্তাগুলোকে পোষার সুযোগ পেলে না। তারপরেও আমার পরিকল্পনাটা নিয়ে আমি আশাবাদী। আমরা সবাই সামনে কি করবো, সেটা নিয়ে ভেবে সময় কাটাই। আসলে যেটা করা দরকার সেটা হচ্ছে অতীতে কি করতাম, সেটা নিয়ে ভাবতে হবে। কিন্তু পেছনে তো ফিরে যাওয়া সম্ভব না। সেক্ষেত্রে নিজের বাস্তবতার দিকে চোখ ফেরান।
জীবনে কয়টা অবস্থার প্রকৃত পরিবর্তন ঘটেছে? সে সংখ্যাকে আপনার বয়স দিয়ে ভাগ করলে কত দাঁড়ায়? এটা একটা প্রেডিকশন। ঠিক কত বছর পর পর গড়ে আপনার অবস্থা চেঞ্জ হচ্ছে সেটা বোঝা যায়। সর্বশেষ পরিবর্তনটা যত বছর আগে হয়েছে তত বিয়োগ করুন। যেটা বাকী থাকলো ততদিন আপনি আজ যেমন আছেন, তেমনি থাকবেন বলে ধরে নিতে পারেন।
ব্রেকিং থট - ১২: নাসিক নির্বাচন নিয়ে কিছু কথা
১। সেনা বাহিনী না নামিয়েই শান্তি পূর্ণ নির্বাচন উপহার দিয়ে আওয়ামীলীগ একটি ভাল নজির তৈরি করল। গণতান্ত্রিক নির্বাচনে সেনা বাহিনীর উপস্থিতি না থাকাটাই ভাল। তবে এই সিদ্ধান্ত আগেই জানানোর প্রয়োজন ছিল।
২। এখনও সরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয় নি। তবে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী আইভী এগিয়েই। এখান থেকে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির শিক্ষা গ্রহণ করার মত একটি বিষয় হল আগের মত শুধু টাকা ঢেলে বা জোর খাটিয়ে নির্বাচনে জেতা যায় না। মানুষ এখন আগের থেকে অনেক সচেতন।
৩। ইভিএমের প্রতি জনগণের ইচ্ছা-অনিচ্ছার একটা প্রতিফলন দেখার প্রয়োজন ছিল। চট্রগ্রাম নির্বাচনে এটা দেখা গেলেও এন গঞ্জ নির্বাচনে স্পষ্ট হল যে আগামী সরকার নির্বাচনে ইভিএম কোনও সমস্যা তৈরি করবে না।
নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন
গত দুই দিন থেকে বিভিন্ন নাটকীয়তা শেষে আজ জনগণের স্বতষ্ফুর্তায় সম্পন্য হলো নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। বিচ্ছিন্ন দুই একটি ঘটনা ছাড়া নির্বাচন নিয়ে কোন পক্ষেরই অসন্তুষ্টি নেই। তবে বাংলাদেশের চিরন্তন নিয়মে কেউ কোন কিছুই ঠিক ভাবে মেনে নিতে পারে না। যেমনটা পারছে না আওয়ামীলীগের প্রার্থী শামীম ওসমান।
কারচুপি করে তাকে হারানো হচ্ছে। আর তাতে তার দলেরই কোনো অংশের সমর্থন রয়েছে।
রোববার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আধা ঘণ্টা আগে নারায়ণগঞ্জ রাইফেলস ক্লাবে শামীম সাংবাদিকদের বলেন, "শামীমকে হারাতে ওয়ান-ইলেভেন, বিএনপি, জামায়াত সবাইকে এক হতে হয়। এখানে আইভীকে জেতাতে তাই হয়েছে। জামায়াত ফাইন্যান্স করছে, সে টাকা পেয়েছে পুলিশ।" - শামীম ওসমান (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
কিছু ব্লগারের ফেসবুক স্টেটাস:
ব্লগার অমি রহমান পিয়াল
আবোল তাবোল -৪
বেশ কয়েকদিন ধরে ভাবছি একটা কিছু লিখব, লিখতে বসা হয়না। বসলেও কোন ভাবনাই শিকড় বা ডালপালা কিছু একটা মেলার আগেই মোড় ঘুরে চলে যায়,ফুরিয়ে যাই। তাই আজ একেবারে ব্লগে এসেই লিখতে বসে গেলাম,মাথায় টুকরো টুকরো যত সব ভাবনা ঘুরে তার ই কিছু নামানোর অপচেষ্টা।
বিষয়ঃ এটা সেটা, কত কথা কথকতা!
# # # # #
প্রেম
আমি যার সাথে প্রেম করেছিলাম গতকার তার বিয়ে হয়ে গেছে, কিন্তু আমি তার দেড় বছর আগে বিয়ে করে ফেলেছি, অনেক কাহিনী আছে, পর বলবো!
আমি যার সাথে প্রেম করেছিলাম গতকার তার বিয়ে হয়ে গেছে, কিন্তু আমি তার দেড় বছর আগে বিয়ে করে ফেলেছি, অনেক কাহিনী আছে, পর বলবো!
ঈদ শপিং বিড়ম্বনা
কেনাকাটা শব্দের আভিধানিক অর্থ যাই হোক না কেন, এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ হলো, ‘কিনতে গিয়ে কাটা পড়া’। অন্তত ঈদ মৌসুমে এ কথাটি ১০০% সত্যি। ঈদের মার্কেটে ঢুকলেই আমার নিজকে বকরি বকরি মনে হয়, আর দোকানীকে মনে হয়, ‘খড়গহস্ত-ধারী এক কসাই’। কোন কিছু কিনতে গেলেই সে ‘মূল্য’ নামক খড়গের এক কোপে আমার ‘সামর্থ্য’ আর ক্রয় ক্ষমতাকে জবাই করে দেবে। এ প্রসঙ্গে নিজের একটি অতি তিক্ত অভিজ্ঞতার বয়ান দিচ্ছি।
তখন সবেমাত্র বিয়ে করেছি। ‘প্রেস্টিজ’ রক্ষার জন্য বিয়েতে হাত খুলে খরচও করেছি। তাই বিয়ের পর পকেট রীতি মতো আউটার স্টেডিয়াম। ধার-দেনা করে চলতে হচ্ছে। এমন সময় ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ এর মতো উদয় হলো ঈদ। আমি দু’চোখে তারাবাতি দেখতে শুরু করলাম...। ঈদের চাঁদকে মনে হলেন ‘কাস্তের ফলার মতো বাঁকানো ছুরি’।
এক হাজার শীত-বসন্ত পরে যখন আবার দেখা হবে
বন্ধু শাফায়েতের সঙ্গে আলাপ হচ্ছিলো। ওর সঙ্গে আমার প্রতিদিনই একবার আলাপ হয়। মাঝে মাঝে সেগুলো দেশাত্মবোধক আলোচনায় রূপ নিয়ে ফেলে। ওকে সেদিন সৌদি দূতাবাস আক্রমণের প্ল্যানটা ডিটেইল ব্যাখ্যা করে বুঝালাম। সেনাবাহিনীর সহযোগিতা কেন জরুরি সেটা বললাম। কিভাবে যুদ্ধটা শুরু করবো তা নিয়েও আলাপ হলো। কিন্তু বদমাশটা যেতে রাজি হলো না। ওর নাকি তখন নবাবগঞ্জে যাওয়াটা বেশি জরুরি। এস এস পাইপ কিনতে হবে ছাদে রেলিং দেয়ার জন্য।
কিন্তু আমার মাথায় চিন্তাটা ঘুর ঘুর করতেই থাকলো। সেনাবাহিনীর বন্ধুগুলোকে আগে মোটিভেট করতে হবে। সম্ভব? সম্ভব না। ওদেরকে বিশেষ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আগেই মোটিভেটেড করে রাখা হয়েছে। তাইতো? কিন্তু বাংলাদেশ নামের এই ভূখণ্ড যে আর সবার মতো সেই ভদ্রলোকগুলোকেও জন্ম থেকে মোটিভেশনের আওতায় রেখেছে, সেটার কি হবে? কেউ কি আমরা সেই জিনিসটি খুঁজে দেখার চেষ্টা করেছি?
মুক্তিযুদ্ধের অজানা-অলিখিত ইতিহাসঃ বাসুদেবস্মরণ বনাম বাউধরন !
মোঘল , বর্গি , ইংরেজ ক্রমান্বয়ে এল , এ গায়ে কিংবা আর পাঁচ-দশ গাঁয়ে যে আর্থ-রাজনৈতিক পরিবর্তন সেভাবেই বোধকরি পরিবর্তন হয়েছিল কিংবা হয়ে থাকবে। চারিদিকে নলুয়ার হাওর বেষ্টিত । চারিদিকে জল আর জল । যেদিকে চোখ যায় অথৈ জল । বছরের প্রায় আট মাস জলবেষ্টিত থাকে এই গ্রামসহ আশেপাশের সহোদর গ্রামগুলি । ঠিক উত্তর-পূর্ব দিকে থানা/উপজেলা সদর , আর উত্তর-পশ্চিম জেলা শহর । সোজা দক্ষিণে মাইল দুয়েক হাঁটলেই কুশিয়ারা নদী । আর্থ-রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনে তাই এই গ্রাম কিংবা আশেপাশের গ্রামগুলোর যে ভূমিকা কিংবা চিন্তা-ভাবনা নাই তা এতোটা সরল করে বলা যায় না । কারণ
হেমন্তে নাও , বর্ষায় পাও
স্বপ্নের ঘোরে
শুষ্ক বুকে দারুন খরা মরূদ্যানের মত
পাথরে জল সেচে মেঘমালা প্রানের নব সঞ্চার
দিন রাত অবিরত উম্মাতাল পারাবারের শব্দহীন গর্জন
প্রতীক্ষায় নতুন বীজ বুনি নিরাশার চরে।
ধূলির ঘূর্ণি ভেঙ্গে করে চূড় শিরা উপশিরা
বুকের পাঁজরে বেদনারা খেলা করে উল্লাসিত হয়ে
মস্তিষ্কের নিউরনে অচেনা কষ্টেরা উজ্জীবিত হয় পুনরায়।
রাতের আঁধারে ঘুমের শহরে সপ্নেরা উঁকি মারে
আমবশ্যার শশী বিহিন নিকষ আঁধারে
ডানে বামে হাতড়ে খুঁজি হারিয়ে যাওয়া
প্রিয়তমার উল্লাসিত মুখের কুৎসিত প্রতিচ্ছবি।
(২০.১০.২০১১ রিয়াদ ।সৌদি আরব)
কিছু প্রশ্ন
ফেইসবুক এর পারসনাল Note থেকে কি এখানে লিখতে পারব ?
এখানে লিখা আমার ব্লগ থেকে কি লিখার সাথে সাথে ফেইসবুক এ শেয়ার করতে পারব ?
( তিন ঘন্টা ধরে একটা পোস্ট লিখা্র পর প্রিভিও অপশন এ ক্লিক করার সাথে সাথে পোস্ট টা হা্রিয়ে গেল। এডমিন ড্রাফট ফল্ডারে লিখাটা জমা হয়েছে কিনা একটু খুজে দেখবেন।
একটা কবিতা ও কিছু লিখা ছিল তাতে।
ব্লগ এর না্ম "সত্যচুম্বন"
জগতের সকল সুখ পুড়ে যাক,
নারীরা সুখে থাক।
স্বপ্ন দেখে যাক লোভাতুর সব চোখ
বিজ্ঞাপন দিক, পণ্য সাজু্ক
প্রেমিকের হৃদয় ভেঙ্গে যাক
প্রেমিকেরাও নিপাত যাক...... ( আপাতত এতটুকু ,বাকি টা পরে লিখব )
শেষে একটা অহেতুক প্রশ্ন -- বন্ধুত্বে এত শর্ত কেন ?
S.s.Sunny
বোল্ট ইন্ডিক - মোবাইলে বাংলাrর সহজতম উপায় ।
![]()
আপনার মোবাইলে ওয়েবের বাংলা ভাষায় লেখা বিষয়বস্তু ঝকঝকে চেহারায় দেখতে চান ? "বোল্ট ইন্ডিক" ব্যবহার করুন ।
ডাউনলোড করতেঃ http://boltbrowser.com/in/index.html
বিস্তারিত জানতেঃ http://boltbrowser.com/in/boltIndicHelp_bengali.html
এতদিন মোবাইলে বাংলা পড়তে বিটম্যাপ ফন্ট ব্যবহারের কারণে লোডিং প্রচুর সময় নিতো আর পড়ে আরাম পাওয়া যেত না ।
মোবাইলে শান্তিতে বাংলা পড়ার দিন আসলো অবশেষে...
~
মেঘবন্দী (১৪) ... মৌমিতার সুখ-দুঃখ / রশিদা আফরোজ
মৌমিতার সুখ-দুঃখ
রশিদা আফরোজ
(১)
‘এইখানে বৃষ্টি পড়ে ভিজে যায় নদী
মন বলে আজ তুমি ফিরে আসো যদি...’
বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে। খবরের কাগজ হাতে বিছানায় গড়াগড়ি দিচ্ছে মৌমিতা। এককাপ চা খেতে ইচ্ছা করছে কিন্তু বুয়াকে ডেকে সেটা বলতে ইচ্ছা করছে না। রাতুলের কথা মনে পড়ছে। এরকমই এক বৃষ্টির দিনে মৌমিতা তুমুল আনন্দে আলোড়িত হতে হতে রাতুলকে ফোন করে বলে, শোনো, আজ একটা মজা হবে?
‘যেমন?’ রাতুল বলে।
‘আজ তো বৃষ্টি হচ্ছে, আমরা ছাতা নিয়ে বের হবো, রিকশায় ঘুরবো, তারপর হঠাৎ ছাতা উড়িয়ে দেবো...কী মজা হবে, তাই না? ভীষণ উত্তেজিত মৌমিতা।
‘এখানে মজার কী আছে? এসব স্রেফ পাগলামি, ফোন রাখো, একটু পর তো দেখা হবেই।’ রাতুল ফোন রেখে দেয়। মৌমিতার মুখ জুড়ে অন্ধকার নেমে আসে।
যাযাবরের পথ চলা, সারাবেলা।
আসলাম, না জয় করতে নয়। পরাজয়ের চিন্তাও অমুলক। জয় পরাজয় এখন আর কোন মানে রাখে না।
শুধুই যেন পথ চলার ক্ষানিক বিরতি। আবারো ডাক এলে ছুটে যাব পথের টানে। না কোন সত্যের খোজে নয়, নয় কোন লক্ষ্যের বাসনা। অবিরত ছুটে চলা যেন শুধু পথের টানেই ছুটে চলে। পথ চলাতেই সব সুখ। অদ্ভুদ এই সুখ। আহ !!!